বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

[42467]  [42466]  [42465]  [42464]  [42463]  [42462]  [42461]  [42460]  [42459]  [42458]  [42457]  [42456]  [42455]  [42454]  [42453]  [42452]  [42451]  [42450]  [42449]  [42448]  [42447]  [42446]  [42445]  [42444]  [42443]  [42442]  [42441]  [42440]  [42439]  [42438]  [42437] 

name:  কিন্তু               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.674512.247 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 10:32 AM

নানারকম ডটদের কী করে ট্র‍্যাক করা যায়? এখানে এক বা একাধিক ডট থেকে অকথ্য গালিগালাজ করে তাদের কী কভাবে ট্র‍্যাক করা যায়?


name:  S               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.670112.173 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 10:21 AM

এখন অবশ্যই নেগলিজিবল। চিরকাল সেরকম ছিলনা। সেইটাই বক্তব্য।


name:  Sumit Dasgupta               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.6745.238 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 10:11 AM

ভারতে বামপন্থা ! এরকম কোনো ব্যাপার ভারতে প্র্যাকটিস হয় নি তা নয়, কিন্তু তা তো নেগলিজিবল। সিপিআই, সিপিএম, এমএল, নকশাল - সব একসঙ্গে ধরলেও অতি নগন্য লেভেলে।


name:  S               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.670112.95 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 10:00 AM

বামপন্থা আর বামদলের মধ্যে পার্থক্য না বুঝলে আলোচনার মানে হয়্না।

তারপরেও যাদের কাছে ইলেকশনে কত সীট পেয়েছে সেটাই গুরুত্বপুর্ণ এবং মুখ্য আলোচনার বিষয়, তারা একবার ১৯৯৬ এর ইলেকশনের রেজাল্ট খুলে দেখুন। এই ইলেকশনে বিজেপি অভুতপুর্ব ফল করে। তা সত্ত্বেও বিজেপি ১৩টি রাজ্যে সীট পেয়েছিল। বামেরা পেয়েছিলো ৭টি রাজ্যে। বিজেপি একা ২০% ভোট পেয়েছিল, বামফ্রন্ট পেয়েছিল ৯%। বিজেপির ১৬১ টি সীটের মধ্যে বিহারে১৮ + গুজরাতে১৬ + মধ্যপ্রদেশে২৮ + রাজস্থানে১২ + মহারাষ্ট্রে১৮ + ইউপিতে৫১ টি সীট পেয়েছিল। অর্থাৎ ১৪৩ টি সীট এসেছে এই ৬ টা রাজ্য থেকে। সাম্প্রতিক কালেও এই একই ট্রেন্ড ছিলো। এইকারণেই বিজেপিকে এখনও গোবলয়ের দলই বলা হয়। কিন্তু বিগত এক দশকে বিজেপি দক্ষীন ভারতে, উত্তর পুর্বে, এবং অবশ্যই পূর্ব ভারতে সীট সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বাড়িয়েছে।


name:  ---               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.786712.227 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 09:48 AM

সাইবারক্রাইম স্যোসাল মিডিয়া সংক্রান্ত খুব ভাল রেফারেন্স। একটি পাবলিক পোস্ট।

Debarati Mukhopadhyay
September 28 ·
দিনকয়েক আগে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে উদ্দেশ্য করে এবং ইচ্ছা করে ট্যাগ করে অত্যন্ত অপমানজনক মন্তব্য করেন, শারীরিক আক্রমণেরও হুমকি দেন ( লাথি মারার) । উপহাস, বিদ্রূপ, ব্যক্তিগত আক্রমণ এসব এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু স্যাডিস্টিক প্লেজার পেতে চাওয়া মানুষের ফুল টাইম প্রোফেশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেগুলো আমি ৯৯% সময়ে ইগনোর করে থাকি। ঠিক কেন্নো যেভাবে গায়ে উঠলে আমরা ঝেড়ে ফেলে দিই।

কিন্তু ওপেম ফোরামে লাথি মারার মত সাংঘাতিক মন্তব্য দেখে এইবার আমি ঠিক করি যে একটা প্রত্যাঘাত করা ভীষণই প্রয়োজন। যে প্ল্যাটফর্মে উর্মীমালা বসুর মত বর্ষিয়সী শিল্পীকে অকল্পনীয় নোংরা কথা বলা হয়, সেখানে ইগনোর‍্যান্স এইসব লোকেদের উত্তরোত্তর স্পর্ধা বাড়াচ্ছে। নিঃশর্তে বহু শুভাকাঙ্ক্ষী আমার পাশে দাঁড়ান।

আমি প্রথমেই লোকটির প্রোফাইল ট্র‍্যাক করি। তাঁর কর্মস্থল থেকে শুরু করে বাসস্থান নোট করে নিই। তারপর যোগাযোগ করি লালবাজার সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টে। আমার বেশ কিছু ব্যাচমেট সেখানে পোস্টেড। তাঁরা অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করেন, এবং বিকেলের মধ্যে বারাসাত থানা ( লোকটির বাসস্থান) থেকে লোকটির ডিটেইলড ঠিকানা আমায় জানানো হয়। এরপর আমি আমার আইনজীবীকে দিয়ে মানহানির পিটিশন ফাইল করি as per Section 66 of IT Act এবং IPC 499, 500।

লোকটি রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থায় কর্মরত হওয়ায় তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সমস্ত বিশদ নেটে সহজলভ্য। আমি আমার থানায় করা FIR এর কপি সেই সংস্থার HRD তে ইমেল করি। তাঁরা প্রত্যুত্তরে জানান, কোর্টে যে পিটিশন ফাইল করা হবে, তার কপি ওঁদের কলকাতা সদর দপ্তরে পাঠালেই ওঁরা সেই কর্মীর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন।

ইতিমধ্যে এক প্রথম সারির সংবাদপত্র বিষয়টি তাদের কাগজে প্রকাশ করে। আর এই খবর প্রকাশের সাথে সাথেই সেই ব্যক্তি বুঝতে পারেন যে উনি ভালই ফেঁসেছেন।

গত বছর দুই-তিনে একটা ব্যাপার পর্যবেক্ষণ করেছি। যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসিত মন্তব্য, মিম, ট্রোল বানায়, খিল্লির বন্যা ছোটায়, তারা প্রচণ্ড spineless. আত্মমর্যাদা বা ব্যক্তিত্বের ছিটেফোঁটাও তাঁদের নেই। যতক্ষণ না আপনি তাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন, তারা আপনাকে অপমান করেই যাবে। আর যেই দেখবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে, অমনি তারা পায়েও পড়ে যাবে।

এক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই হয়।

আমার একটি বইতে প্রকাশকের ফোন নম্বর থাকায়, লোকটি তাঁর স্ত্রীকে দিয়ে আমার প্রকাশককে ফোন করে ক্ষমা চান এবং আমার কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য আমার নম্বর চান। আমার প্রকাশক পরিষ্কার জানান, বিষয়টি আর সেই পর্যায়ে নেই।

সেই ব্যক্তি ছাড়াও যারা প্রায়শই বিনাদ্বিধায় বিনাভয়ে যাকে যা খুশী বলে চলেন, কোন একটা বিষয় হলেই রে -রে করে ইঁট পেতে চলে আসেন, ভার্চুয়াল দুনিয়ায় খাপ বসিয়ে ফেলেন, নিজেদের অপদার্থতা ঢাকতে সফল কোন মানুষকে নিয়ে গণ-অপমানের ফোয়ারা ছোটান, সেই বীরপুঙ্গবদেরও অনেকেই আমার কাছে দুমদাম করে ক্ষমা চাইতে শুরু করেন। ঠিক কিছু অমেরুদণ্ডী আত্মসম্মানহীন প্রাণীর মত।

সব শুনে ঐ ভদ্রলোকের স্ত্রীর জন্য সত্যিই আমার দু:খ হয়েছিল সেদিন। স্বামীর অপকর্মের জন্য কতটা ছোট হয়ে যে সেই ভদ্রমহিলাকে অপরিচিত একজনকে ফোন করে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হচ্ছে, সেই ভাবনাটা সত্যিই পীড়াদায়ক। কিন্তু ওই যে বললাম, যারা spineless হন, তাঁরা অপমানও করবেন আর কেস গড়বড় দেখলে পায়েও পড়ে যাবেন।

এরপর বেশ কিছু লেখক আমাকে জানান যে সেই ব্যক্তি অত্যন্ত ভীত, ক্ষমা চাওয়ার জন্য বারবার আমার ফোন নম্বর চাইছেন। অগ্রজপ্রতিম সেই লেখকরা নিজেরাও এই বিষয় নিয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, এদের সাহস দেখে স্তম্ভিত।

লেখক থেকে প্রকাশক, প্রখ্যাত সম্পাদক আমার আইনি পদক্ষেপের সবাই প্রশংসা করেন এবং বলেন যে কোন প্রয়োজনে কোর্টে witness হিসেবে তাঁরা পাশে থাকবেন।

কিন্তু সেই ব্যক্তির ক্রমাগত একে তাকে ক্ষমাপ্রার্থনা করা বাড়তেই থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের যেখানে চাকরি চলে যায়, সেখানে একজন মহিলাকে physical assault এর threat যে কতটা সুদূরপ্রসারী আকার নেবেন, তা উনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন।

কিছু দাদা-সম লেখক আমায় অনুরোধ করেন, যেহেতু এটা প্রথমবার, যেহেতু উনি ফ্যামিলি-ম্যান, এবং যেহেতু উনি বারবার পাবলিকলি ক্ষমা চাইছেন, আমার হয়ত ক্ষমা করে দেওয়া উচিৎ। তাঁরা অনেকে এই পরামর্শও দেন, আমি ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নিলেও তা যেন জানাই পুজোর পর। যাতে সেই ব্যক্তি গোটা পুজোটা মানসিক চাপে ছটফট করেন।

আমি by nature vindictive নই। কারুর ক্ষতি করা বা কারুর পেছনে লাগা কিংবা কাউকে malign বা অসম্মান করা আমার স্বভাব নয়। আমি চাইও না, একজনের কৃতকর্মের জন্য গোটা একটা পরিবারের পুজোর আনন্দ মাটি হয়ে যাক।

তাই অনেক ভেবে আমি petition টা withdraw করারই সিদ্ধান্ত নিলাম। যদিও FIR lodge হওয়ার ফলে আগামী একবছর সাইবার ক্রাইম দপ্তর সেই ব্যক্তির ভার্চুয়াল গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখবে। নজর রাখবে আমার বিরুদ্ধে ক্রমাগত হয়ে চলা defamatory post এবং group গুলোর প্রতিও। বাকি আর যা যা করা হবে, তা তদন্তের স্বার্থরক্ষায় গোপন রাখলাম।

এই ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়ার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষ, especially মেয়েদের সোশ্যাল মিডিয়ায় bullying এর মোকাবিলা করার স্টেপ সম্পর্কে অবহিত করা।

যদি দেখেন, কোন ব্যক্তি আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুমন্তব্য করছে বা মেসেজ করছে, আপনি যা যা করবেনঃ

১. প্রথমেই সমস্ত প্রমাণ স্ক্রিনশট সহযোগে মজুত করবেন নিজের কাছে।

২. লোকটির প্রোফাইল ট্র‍্যাক করে যত ইনফরমেশন পাওয়া যায়, কালেক্ট করবেন।

৩. সমস্ত তথ্যপ্রমাণাদি সহ গোটা বিষয় জানিয়ে email করবেন [email protected]। ফোন করবেন 9836513000 এ।

৪. ভারতীয় দন্ডবিধির 499, 500 এবং section 66 of IT Act অনুযায়ী কাউকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমান/অবমাননা/reputation loss/ malign করার জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত হাজতবাস হতে পারে। মানহানির মোকদ্দমা মৌখিক অপমানে যদি বা প্রমাণ করা কষ্টসাধ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবই written হওয়ায় এই মামলা খুবই সহজ। সবচেয়ে মজার ব্যাপার, আপনি নিজে যদি ধরা যাক শিলিগুড়ির বাসিন্দা হন এবং জলপাইগুড়ি জেলা কোর্টে মামলাটি দায়ের করেন, তবে অভিযুক্ত কলকাতায় থাকলেও প্রতিটা hearing এ তাঁকেই ছুটতে হবে জলপাইগুড়ি, আর আপনাকে প্রথম বার ছাড়া কোর্টেও যেতে হবে না।

৫. লোকটির employer কে গোটা বিষয়টি জানিয়ে সমস্ত attachment সহ ইমেল বা চিঠি পাঠান। এটা অত্যন্ত ফলদায়ী অস্ত্র।

৬. Facebook এ defamation reporting form এপ্লাই করুন। নেটে সহজেই পাবেন। কোন পেজ কটূক্তি করলে তার বিরুদ্ধে Defamation report পুলিশি তরফে Facebook এ পৌঁছে দিন উপযুক্ত প্রমাণসহ। Investigation এর পর Facebook এর তরফে এই জাতীয় পেজ পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে নিয়ে ক্রমাগত মিম, ট্রোল, খিল্লি এগুলো Indian Penal Code এ non bailable offense. কেউ proceed করেনা তাই। করলে সবকিছুরই redressal আছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ইচ্ছে করেই গোপন রাখলাম। কারণ এতদূর লিগ্যালি এগনোর পর ক্রমাগত অনুরোধে ক্ষমা যখন করলাম, তাঁকে defame করার মত নীচ প্রবৃত্তি আমার নেই।

কিন্তু এটা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক এটাই আমি চাই।আইনি জটিলতা আমি বেশ ভাল সামলাতে পারি, আর এইরকম লোকদের উচিৎশিক্ষা দিতেও। পরবর্তীসময়ে আর একবারও এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি হলে আমি আর ক্ষমা করব না। নিজের পদাধিকারবলে নয়, নিজের ব্যক্তিত্ববলে তাকে আমি আদালত পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাব। সেই মনোবল আমার আছে।

তাই কুৎসাপ্রেমী spineless রা, সাবধান হন। আমি মানুষকে সম্মান করি, প্রত্যুত্তরে সম্মান আশা করি। সেটার বারবার violation হলে দুবার ভাবব না। ঠিক যেভাবে আজ থেকে একশোবছর আগে ডঃ কাদম্বিনী গাঙ্গুলী তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসার অভিযোগে সম্পাদকদের আইনি ঘোল খাইয়েছিলেন ঠিক সেভাবেই আমি চূড়ান্ত পর্যায় অবধি যাব।

ফেসবুকে সেন্সর নেই বলে চাইলেই যাকে যা খুশি বলা যায়না। আইন আপনাকে বাঁচতে দেবে না। শাস্তি তো আদালতের রায়ের পর, কিন্তু ঘরের কোণে বসে থাকা so called 'ভদ্রছেলে’ হয়ে আদালত, পুলিশ, কর্মস্থলের, পাড়াপ্রতিবেশীর কৌতূহলের চাপ সামলাতে পারবেন তো? ভেবে দেখবেন। এই ব্যক্তির মত একবার ফেঁসে গেলে তখন কিন্তু যারা আপনাকে ’হা হা' ইমোটিকন দিয়ে আরো আরো খিল্লিতে উৎসাহ দেন, তাঁরা বাঁচাতে আসবেন না।

সবার পুজো ভাল কাটুক।

ধন্যবাদ
দেবারতি মুখোপাধ্যায়।


name:  PT               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.455612.198 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 09:46 AM

তিনো, টিডিপির মত বিজেপির বাহনেরা এক্কেবারে বাদ তালিকা থেকে। নিজেদের বাঁচার তাগিদে এই রাজ্যভিত্তিক দলগুলো-ই ক্রমাগত বিজেপিকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা নিতে থাকবে।


name:  S               mail:                 country:                

IP Address : 890112.162.674523.148 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 09:32 AM

ছাত্র ইউনিয়ন। ট্রেড ইউনিয়ন। কিশান সভা। অ্যাকাডেমিয়ার বড় অংশ।


name:  Sumit Dasgupta               mail:                 country:                

IP Address : 237812.69.4534.85 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 09:10 AM

বামেদের মধ্যে কংগ্রেস!! তৃণমূল কংগ্রেস ও !


name:  নীপা               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.457812.45 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 09:04 AM

PTর বামেদের লিস্টে CPM Congress ছাড়া আর কে আছে?


name:  Sumit Dasgupta               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.9008912.246 (*)          Date:12 Nov 2019 -- 09:02 AM

বামেদের তো সর্বভারতীয় কোনো অস্তিত্বই নেই, কোনো কালে ছিলই না। কী সব আজেবাজে ফালতু ।




    পরের পাতা         আগের পাতা
**এই বিভাগের কোনো মন্তব্যের জন্যই এই সাইট দায়ী নয়৷ যে যা মন্তব্য করছেন, তা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মতামত৷ গুরুচন্ডালি সাইটের বক্তব্য নয়৷