বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

[42186]  [42185]  [42184]  [42183]  [42182]  [42181]  [42180]  [42179]  [42178]  [42177]  [42176]  [42175]  [42174]  [42173]  [42172]  [42171]  [42170]  [42169]  [42168]  [42167]  [42166]  [42165]  [42164]  [42163]  [42162]  [42161]  [42160]  [42159]  [42158]  [42157]  [42156] 

name:  S               mail:                 country:                

IP Address : 890112.162.564523.195 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 08:47 AM

"তার দায় একা বিবেকানন্দ নেবেন কেন?"
অন্যগুলো না হলেও বেলুড় মঠের দায়টা কার? অন্তত মিশনকে তো সেটা নিতেই হবে।

"রবীন্দ্রনাথের সব গল্প-উপন্যাস-নাটকে কটা মুসলমান চরিত্র আছে? বঙ্কিমকেও উল্লেখ না করলেই মঙ্গল।"
রবি ঠাকুরকে নিয়ে লেখা একটু মুশকিল। কিন্তু বঙ্কিমকে হিন্দু ন্যাশনালিস্ট না বলারও তো তেমন কোনও কারণ দেখিনা।


name:  PT               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.455612.216 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 08:15 AM

"যেখানে কুমারী পুজোর মতো অশ্লীল একটা জিনিস বছরের পর বছর রমরমিয়ে চলে"
তাহলে তো গোটা বাঙালী সমাজই অশ্লীলতার চর্চা করে চলেছে বলা উচিৎ। ২০১৯-এও বিস্তর কুমারী পূজা হয়েছে। তার দায় একা বিবেকানন্দ নেবেন কেন?

"সারা জীবনে সরফরাজ হোসেন ব্যতীত 'সম্ভবত' দ্বিতীয় কোনও মুসলমানকে চিঠি লেখেননি।"
রবীন্দ্রনাথের সব গল্প-উপন্যাস-নাটকে কটা মুসলমান চরিত্র আছে? তাহলে অন্ততঃ বিবেকানন্দের সমালোচনা করার জন্য রবীন্দ্রনাথকে "অ্যাপিল টু অথরিটি" করা উচিৎ নয়। বঙ্কিমকেও উল্লেখ না করলেই মঙ্গল।

"ভুসিমাল বাড়িতে যত কম থাকে তত মঙ্গল!"
এবারে আলোচনাটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের দিকে যাচ্ছে। বিবেকানন্দকে আপনার সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করার অধিকার আছে। যদিও এত বাইট খরচা করার পরে আলোচনাটিকে অন্ধের হস্তিদর্শনের সমতুল্য মনে হচ্ছে।


name:  ব               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.161 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 07:39 AM

সুপ্রভাত গুরু।

কালকে হরিদ্বারের সন্ধ্যারতি দেখে ফেরার সময় দুশো গ্রাম রাবড়ি সাঁটালাম মহায়। অসাম। দিল গার্ডেন গার্ডেন হয়ে গেল। 😂😂


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 237812.69.4545.147 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 05:04 AM

পুজোর পর ফরাসী বিপ্লব নিয়ে লিখবেন বলেছিলেন এলা। নিশ্চয় উনি আসবেন। অপেক্ষায় আছি।


name:  i               mail:                 country:                

IP Address : 890112.162.015623.4 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 03:33 AM

ব,
তুমিও আমার শুভেচ্ছা জেনো। ভালো থেকো। তোমার লিস্টিতে অবশেষে আমার নাম উঠল। ঃ)

অর্জুন,
আপনার মা বাবার অশেষ দুর্ভোগের কথা জানলাম-কাগজে চিঠি লিখে খুব ভালো করেছেন। সবার জানা প্রয়োজন। সম্পাদক সমীপেষুতে আপনার নাম জেনে একটি প্রশ্নঃ বেশ কিছুকাল আগে তৃপ্তি সান্ত্রার লেখা নিয়ে জনৈক অভিষেক একটি টই তে লিখেছিলেন। তিনি-ই কি আপনি?

পাইকে কতদিন পরে ভাটে দেখতে পেলাম।

সত্যি ডিডি বহুদিন আসেন না, দে কেও দেখি না। কুমুদিদি মাঝেমাঝে আসতেন। তিনিও কোথায় গেলেন?
দ -কেও বেশি দেখতে পাই না । এলা ও আসছেন না আজকাল। ফুটকি আমাকে অনেক সিনেমা দেখাতো। সেও আসে না।

অনেক কেই মিস করি। খুবই।


name:  00               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.565623.225 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 03:22 AM

খুব ভালো গল্পো লিখেছেন অ-অ।
তবে গপ্পে প্রচুর গোলমাল। সব চেয়ে বড় মিথ্যাটি হলঃ
“নিখিলানন্দ অবশেষে রামকৃষ্ণ মিশন ত্যাগ করলেন বা করতে বাধ্য হলেন।” এটি সর্বৈব মিথ্যা। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সংঘেই ছিলেন।

“দেশে ফেরার শেষ ইচ্ছে টুকুও তাঁর পূরণ হল না।”
এর সাথে মিশনের কি সম্পর্ক? যদি তিনি মিশনের সঙ্গে যুক্ত নাই থাকেন, আপনার আগের লাইনানুযায়ী, তবে তো তিনি স্বাধীন। আসতেই পারতেন। ইচ্ছে হয় নি তাই আসেননি। তাই যদ্দুর সম্ভব “খুব ইচ্ছে ছিল কলকাতার শিশু হাসপাতালটি দেখার।” এটিও সত্য না।

আর “চৌধুরী দম্পতিকে দুঃখ করে জানিয়েছিলেন সে কথা আর বলেছিলেন রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ'কে জানতে বেলুড়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।” এইটি নেওয়া গেলো না আপনারই যুক্তিতে। রবীন্দ্রনাথের কথা শুধু রোমা রোলাকে মুখে বলা হয়ে থাকলে, চিঠি ইত্যাদি না থাকলে যদি অগ্রাহ্য হয়, তবে নিখিলানন্দের মত লেখকের কলমে একথা না ছাপার অক্ষরে না দেখতে পেলে, অ্যাক্সেপ্ট করার কোনও কারণ নেই।


name:  অর্জুন               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.566712.59 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 12:36 AM


বিবেকানন্দ আলোচনা প্রসঙ্গে একজনের কথা মনে পড়ল। ক্যেরিবিয়ান আইল্যান্ডের ত্রিনিদাদ বাসিনী ভারতীয় বংশোদ্ভূত অ্যাগনেস রামশরণ ছিলেন লাইন্সেনশিয়েট পিয়ানিস্ট। ডাক্তারি পড়তে গেলেন টরোন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনে। বারো বছর বয়েসেই সিধান্ত নেন তাঁকে ভারতে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। পিয়ানো ছেড়ে ডাক্তার হবার বাসনা সেই কারণেই। টরোন্টয় তাঁর পড়ার টেবিলের সামনের দেওয়ালে ঝুলত ভারতের মানচিত্র। এক সহপাঠী জানতে চেয়েছিল, 'ভারতে তো যাবে, কিন্তু ভারতের কোথায়? দেশটা তো বড় !' নিজের অজান্তেই বলে ফেলেছিলেন 'বেঙ্গল। দ্যাটস দ্য ওনলি প্লেস হোয়ের আই সি সম লাইট গ্লয়িং।' লাইব্রেরীতে খোঁজ করে পেলেন রোমা রোলার রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ'র জীবনী আর স্বামী নিখিলা নন্দ'র 'কথামৃত' র অনুবাদ 'দ্য গস্পেল'। ছুটিতে নিউ ইয়র্কে এসে যোগাযোগ হল বেদান্ত সোসাইটির স্বামী নিখিলানন্দজী'র। অ্যাগনেসের বোন অলিভিয়াও হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের ডাক্তারির ছাত্রী। দুজনে অচিরেই হলেন নিখিলানন্দ'র পরম স্নেহধন্যা এবং দুজনেই হিন্দুধর্ম গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করলেন। নিখিলানন্দ প্রথমে পাত্তা দিলেন না। অ্যাগনেস, ওলিভিয়াও ছাড়ার পাত্রী নন। আর্যমতে যজ্ঞ করে দুজনেই হিন্দু হলেন, পৌরহিত্য করলেন স্বামী নিখিলানন্দ। অ্যাগনেসের নব নামকরণ হল অমলা, ওলিভিয়ার সাবিত্রী। সাল ১৯৪৭।

নিউইয়র্কের বেদান্ত সোসাইটির অবস্থা ভাল নয়। নিখিলানন্দ কোনোরকমে ধরে রেখেছেন। বিশ্ববিখ্যাত মার্কিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন ও সাহিত্যের অধ্যাপকেরা তাঁর খুব পরিচিত, মাঝে সাঝে নানা টকের ব্যবস্থা হয় তাঁদের দৌলতে আর যেসব ভারতীয়রা বিশেষ করে বাঙালিরা আসেন মার্কিন মুলুকে তারা নিখিলানন্দের কাছে যোগাযোগ করেন নিউ ইয়র্কে এলে। কিছু সাহায্য লাগলে নিখিলানন্দ যথাসাধ্য করেন সাহায্য। দেশে রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে নিখিলানন্দের সব বিষয় নিয়েই ঝামেলা বাধে। প্রিয় পাত্রী অমলাকে সেসব বলেন তিনি। বেদান্ত সোসাইটি চালানো ছাড়াও নিখিলানন্দের আরেকটি বড় কাজ হল নানা জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বেলুড়ে পাঠানো। বেলুড়ের কাজকর্ম নিয়ে নিখিলানন্দ এতটুকু প্রীত দূর অস্ত, খুব বিরক্ত। তিনি মনে করেন বেলুড় দিন দিন একটি কূপমণ্ডূকে পরিণত। তিনি এও মনে করেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশনের হেডকোয়ার্টার হবার যোগ্য স্থানও নয়। ঐ গাঁয়ে বসে পৃথিবীর সব শাখা পরিচালনা বাস্তবিক ভাবে সম্ভব নয়।

যাইহোক, এম ডি পাশ করে অমলা পেডিয়াট্রিকসের ডিগ্রী নিতে লন্ডন পাড়ি দেন। লন্ডনের গ্রেট আরমণ্ড স্ট্রীটের ইন্সটিটিউট অব চাইল্ড হেলথ থেকে ডি সি এইচ গ্রহণ করেন। সে পরীক্ষায় সর্বচ্চো নম্বর পান অমলা। চিঠিতে নিত্য যোগাযোগ নিখিলানন্দের যাকে দুই বোনে মনে করতেন তাঁদের 'গুরু'। ডিগ্রী পাওয়া হয়ে গেছে। এবার ভারতে যাওয়ার অপেক্ষা শুধু। নিখিলানন্দ অমলাকে বারবার বলেন ভাল করে ভেবে দেখতে পূর্ণ সিধান্ত নেওয়ার আগে। ইংল্যান্ড ও অ্যামেরিকায় চিকিৎসা করার সুবর্ণ সুযোগ যেখানে রয়েছে। না, অমলা ভারতে আসবেনই। বোন সাবিত্রী রয়ে গেলেন অ্যামেরিকায়। বিবাহ করলেন তাঁর কলিগ ডাঃ পুরুষোত্তম নাথকে (জন্মসূত্রে তামিল)। দুজনেই হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলে ফ্যাকাল্টি পজিশনে ছিলেন।

প্রথমে এলেন ভেলোরে। সেখানকার হাসপাতাল চালায় মার্কিনীরা। ডাঃ অমলা রামশরণের মত ক্যান্ডিডেটকে তারা লুফে নিল। কিন্তু ছ'মাসের বেশী টিকতে পারলেন না। গ্রাম থেকে গরীব লোকগুলোকে খ্রিশ্চান মিশনারীরা চিকিৎসা দেওয়ার আগে বলপূর্বক ধর্মান্তকরণ করে। পর পর কয়েকটা ঘটনার পরে প্রতিবাদ না করে থাকতে পারলেন না অমলা। নিখিলানন্দ'কে এই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। নিউ ইয়র্কেই নিখিলানন্দ অমলার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন ডাঃ কে সি চৌধুরীর যিনি ভারতের প্রথম শিশু চিকিৎসক। সেই সময় তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসার জন্যে অ্যামেরিকায় এসেছিলেন। তাঁর এত কালের স্বপ্ন বেঙ্গলে যাওয়ার জন্যে ব্যাকুল হলেন অমলা। নিখিলানন্দ নূতন করে ডাঃ চৌধুরীর সঙ্গে অমলার যোগাযোগ ঘটালেন।

কলকাতায় পা রাখলেন ডাঃ অমলা রামশরণ। নূতন চাকরি ল্যান্ডডাউন রোডের শিশু মঙ্গল হাসপাতালে। সেখানকার পিডিয়াট্রিক বিভাগের কর্তা ডাঃ চৌধুরী। কাটল কিছু কাল। আজন্ম ইংরেজি বলা অমলার কাছে বাংলা ভাষার মত মিউজিক্যাল ল্যাংগুয়েজ তিনি এর আগে শোনেননি। ' আই জাস্ট লার্নন্ট ইট ইন টু উইক্স'।

আদ্যপান্ত স্বাধীনচেতা অমলা' মনে হল ভেলোরে কাজের বাধা যেমন খ্রিশ্চান মিশনারীরা তেমনি কলকাতায় শিশু মঙ্গলে রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীরা। তাছাড়া নিখিলানন্দের মত সন্ন্যাসীকে দেখে হিন্দু সন্ন্যাসী সম্পর্কে তাঁর যে ধারণা হয়েছিল, শুধু শিশু মঙ্গল নয়, নিয়মিত বেলুড়ে গিয়ে সে ধারণা বদলাতে থাকল। হাসপাতালের নামে যেসব ডোনেশন আসে তার অধিকাংশ চলে যায় বেলুড়ে।

ডাঃ চৌধুরী ইউরোপ থেকে সেই '৩২ সালে দেশে ফেরার সময় থেকেই স্বপ্ন পোষণ করতেন কলকাতায় নির্মাণ করবেন একটি আন্তর্জাতিক শিশু হাসপাতাল। শোনা যায় প্রতিদিন একটি বাক্সে তিনি একটি টাকা জমা রাখতেন। আন্তর্জাতিক স্তরে শিশু চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণা করা ডাঃ ক্ষীরোদচন্দ্র চৌধুরী ও ডাঃ অমলা রামশরণ শিশু মঙ্গলে চিকিৎসা চালানো মুশকিলের হয়ে পড়ল।

ততদিনে ডাঃ চৌধুরী বিপত্নীক। একজন মধ্য বয়স্ক পুরুষ চিকিৎসক ও একজন তরুণী মহিলা চিকিৎসককে নিয়ে ততদিনে নানা কুৎসা রটতে শুরু করেছে। এসব রটনায় বেশী করে রসদ যোগাচ্ছে মিশনের কিছু সন্ন্যাসী। স্বামী নিখিলানন্দকে অমলা জানালেন এই অবস্থার কথা। নিখিলানন্দ অবিলম্বে বেরিয়ে যেতে বললেন তাদের সেখান থেকে। প্রথমে অমলা, তারপর ক্ষীরোদচন্দ্র বেরিয়ে এলেন প্রতিষ্ঠান থেকে।

ততদিনে কলকাতা কর্পোরেশন থেকে পার্ক সার্কাসে শিশু হাসপাতালের জন্যে জমি পাওয়া গেছে। এতকালের স্বপ্ন এবার পূরণ হবে ডাঃ চৌধুরীর। হাসপাতালের ইমারত গড়ার কাজ শুরু হল এবং দুজনে বিয়ের সিধান্তও নিয়ে ফেললেন। কলকাতার নানা গুঞ্জন এড়াতে তারা বিবাহ করলেন লন্ডনে। নিখিলানন্দ খুব খুশী হয়ে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন।

১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠা পেল ইন্সটিটিউট অব চাইল্ড হেলথ। ভারতের প্রথম চাইল্ড স্পেশালিটি হসপিটাল।

নিখিলানন্দ অবশেষে রামকৃষ্ণ মিশন ত্যাগ করলেন বা করতে বাধ্য হলেন। দেশে ফেরার শেষ ইচ্ছে টুকুও তাঁর পূরণ হল না। খুব ইচ্ছে ছিল কলকাতার শিশু হাসপাতালটি দেখার। চৌধুরী দম্পতিকে দুঃখ করে জানিয়েছিলেন সে কথা আর বলেছিলেন রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ'কে জানতে বেলুড়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

এর কিছু পরে অমলার নিজেরও মনে হয়েছিল রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ'কে খুব কিছু জানার নেই তাঁরও। বিবেকানন্দ'র লেখা পড়ে ভারতকে চিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি চিনেছেন ভারতবর্ষকে তাঁর মত করে।

গত জুলাইয়ে ৯৮ বছরে পদার্পণ করেছেন ডাঃ অমলা চৌধুরী। থাকেন দক্ষিণ ভারতের একটি শৈল শহরে। ১৯৯৬ সাল থেকে তিনি নির্বাসিত জীবনযাপন করেন। তার মধ্যেও যে পাঁচ জনের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখেন তার মধ্যে আমি একজন।


রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, পাচ্য, পাশ্চাত্যের কথা মনে হলেই আমার এঁর জীবিন কাহিনী মনে পড়ে যায় যা তাঁর মুখেই শোনা।







name:  এলেবেলে               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.455612.210 (*)          Date:11 Oct 2019 -- 12:06 AM

স্যার, কেন প্রফুল্লচন্দ্রকে অ্যাপিল টু অথরিটি করতে পারছি না তার উত্তর 03 Oct 2019 -- 05:24 PM তে দেওয়া আছে। যেখানে কুমারী পুজোর মতো অশ্লীল একটা জিনিস বছরের পর বছর রমরমিয়ে চলে, যিনি বুদ্ধকে হিন্দুধর্মের অন্তর্ভুক্ত করে নেন তাঁকে আর যাই হোক হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের দূত ভাবা যায় না। বিবুদা সারা জীবনে সরফরাজ হোসেন ব্যতীত 'সম্ভবত' দ্বিতীয় কোনও মুসলমানকে চিঠি লেখেননি। হ্যাঁ, তাঁকে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী বলেও চালানো হয়। এ বিষয়ে এনবিএ-র 'স্বামী বিবেকানন্দ : মার্ক্সবাদীদের দৃষ্টিতে' বলে একটি অতি অখাদ্য বইও আছে। যদি কেউ নিতে চান তো সানন্দে সে বই আমি দিয়ে দেব। ভুসিমাল বাড়িতে যত কম থাকে তত মঙ্গল!


name:  PT               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.455612.216 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 11:52 PM

"স্বামীজীই বাংলাদেশের মুখ ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন কালীঘাটের দিকে"
তাইত তিনোমুলের জন্ম হল!!
কিন্তু তিনি নাকি সমাজতন্ত্রেও বিশ্বাসী ছিলেন? সেই সংক্রান্ত উক্তি সহ পুস্তিকা তো বিস্তর কিনতে পাওয়া জায়!!
যেটা শুধু বোঝা গেল না সেটা হচ্ছে যে প্রফুল্লচন্দ্রের বক্তব্য কেন বাতিল করতে হবে?


name:  r2h               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.454512.252 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 11:27 PM

না; এককের সঙ্গে ডিডিদা সকাশে সক্ষাৎপ্রার্থনার প্ল্যান করছিলাম কদ্দিন ধরে, কিন্তু আমি দোকান পাল্টে বাড়ি বদলে তিতিবিরক্ত হয়ে আছি, জীবনে শান্তি নাই।

ব্রতীনদাকেও বিজয়ার অনেক শুভেচ্ছা।





    পরের পাতা         আগের পাতা
**এই বিভাগের কোনো মন্তব্যের জন্যই এই সাইট দায়ী নয়৷ যে যা মন্তব্য করছেন, তা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মতামত৷ গুরুচন্ডালি সাইটের বক্তব্য নয়৷