বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

[42184]  [42183]  [42182]  [42181]  [42180]  [42179]  [42178]  [42177]  [42176]  [42175]  [42174]  [42173]  [42172]  [42171]  [42170]  [42169]  [42168]  [42167]  [42166]  [42165]  [42164]  [42163]  [42162]  [42161]  [42160]  [42159]  [42158]  [42157]  [42156]  [42155]  [42154] 

name:  এলেবেলে               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.565612.25 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 09:11 PM

এইবারে আরও খুল্লমখুল্লা বিবুদার ঢপবাজি ও রাকৃমি-র জোচ্চুরির গপ্পো।

১) স্বামী সারদানন্দ ও অন্যান্য গুরুভাইদের বিবেকানন্দ আপন পাঠ্যপদ্ধতি সম্বন্ধে বলেছিলেন - ‘প্রবেশিকা পরীক্ষার আরম্ভের দুই-তিন দিন মাত্র থাকিতে দেখি জ্যামিতি কিছুমাত্র আয়ত্ত হয় নাই; তখন সমস্ত রাত্রি জাগিয়া উহা পাঠ করিতে লাগিলাম এবং চব্বিশ ঘন্টায় উহার চারখানি পুস্তক আয়ত্ত করিয়া পরীক্ষা দিয়া আসিলাম’। সেই আমলের প্রবেশিকা পরীক্ষায় কেবল জ্যামিতির বিষয়ে চার চারখানা বই!

২) ১১ জুলাই ১৮৯৪তে আলাসিঙ্গাকে তিনি লেখেন ‘In the Detroit lecture[s] I got $ 900, i.e., Rs. 2,700. In other lectures, I earned in one $ 2,500, i.e., Rs. 7,500 in one hour, but got only 200 dollars! অথচ বিবেকানন্দের ২ নভেম্বর, ১৮৯৩ এ আলাসিঙ্গাকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন ‘Mr. Ingersoll gets five to six hundred dollars a lecture. He is the most celebrated lecturer in this country’। মানে Ingersoll লেকচার পিছু পাঁচ থেকে ছ'শো ডলার পান অথচ বিবুদা পান কমসে কম ন'শো ডলার!

৩) বিবুদার প্রথম ইংরেজি জীবনী ‘The Life of the Swami Vivekananda’-র প্রথম সংস্করণে লেখা হয় ‘…He plunged into the ocean and in spite of numerous sharks swam across to the temple, his mind eager as a child to see the Mother. And reaching the shrine he fell prostrate in ecstasy before the Image of the Goddess…' । ১৮৮৯ থেকে বিবেকানন্দ কোমরের বাতের জন্য বড় একটা হাঁটতেই পারতেন না, সাঁতরানো তো দূরের কথা। লেখকরা এটাও জানতেন না যে, কন্যাকুমারী দেবীর মন্দির সমুদ্রের মধ্যেকার দ্বীপে নয় বরং প্রধান ভূখণ্ডে অবস্থিত! এবং তার পরেও মিশন বিবেকানন্দ শিলার জোচ্চুরি নিয়ে আজ অবধি উচ্চবাচ্য করেনি।

৪) ১৭ জুলাই ১৮৯৮ স্বামী ব্রহ্মানন্দকে তিনি লেখেন ‘ব্রহ্মজ্ঞানীর শরীরে ঔষধ ধরে না’ অবশ্য তার আগে ওই বছরেই ২০ মে তাঁকে ‘কবিরাজী একটা ভাল ডিস্পেপসিয়ার ঔষধ’ শীঘ্র পাঠানোর অনুরোধ করেছিলেন! ২ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ বেলুড় থেকে জোসেফিন ম্যাকলাউডকে লিখছেন : বৈদ্যনাথে বায়ু-পরিবর্তনে কোন ফল হয় নি। ... মৃতকল্প অবস্থায় আমাকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হয়। এখানে এসে বেঁচে উঠবার লড়াই শুরু করেছি। ডাঃ সরকার আমার চিকিৎসা করছেন। আগের মতো হতাশ ভাব আর নেই। অদৃষ্টের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়েছি। লস এঞ্জেলেস থেকে ২৩ ডিসেম্বর, ১৮৯৯ নিবেদিতাকে জানাচ্ছেন “সত্যি, আমি চৌম্বক চিকিৎসা-প্রণালীতে (magnetic healing) ক্রমশঃ সুস্থ হয়ে উঠছি”।

৫)বিবেকানন্দ তাঁর ডায়াবেটিস ও বাত সম্পর্কিত যে ‘অদ্ভুত’ যুক্তি পেশ করেন তা এই রকম — In India the moment I landed, they made me shave my head, and wear ‘Kaupin’(loin cloth), with the result that I got diabetes, etc. Saradananda never gave up his underwear-this saved his life, with just a touch of rheumatism and comment from our people । আশ্চর্যের ব্যাপার চিঠির এই অংশটুকু বিবেকানন্দের বাংলা রচনাবলী থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে!

৬) "বহরমপুরে যে প্রকার কার্য হইতেছে, তাহা অতীব সুন্দর ... ঐ যে কাজ, অতি অল্প হইলেও ওতে বহরমপুর একেবারে কেনা হয়ে গেল - এখন যা বলবে, লোকে তাই শুনবে ... ঐ রকম যদি দশটা district পারতে, তাহলে দশটাই কেনা হয়ে যেত" (স্বামী ব্রহ্মানন্দকে লেখা, ১০ই জুলাই ১৮৯৭) এই কাজের বিনিময়ে 'কেনা' ব্যাপারটা কী? আজকের বুথ ক্যাপচারের পুরনো মডেল?

৭) এইবারে সবচেয়ে বড় জোচ্চুরি 'কথামৃত'-র কথা। কথামৃতই যে রামকৃষ্ণ-জীবনীর ভবিষ্যৎ মাপকাঠি হবে সে সূচনা করে গিয়েছিলেন খোদ বিবেকানন্দ। ১৮৯৭ সালের ১২ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডি থেকে লেখা প্রথম ও ওই বছরেরই ২৪ নভেম্বর দেরাদুন থেকে লিখিত দ্বিতীয় পত্রে শ্রীম-র দু’খণ্ডে লেখা ‘Gospel of Sri Ramakrishna’-র ভূয়সী প্রশংসা করেন বিবেকানন্দ। রামকৃষ্ণের সঙ্গে আলাপচারিতার পনেরো থেকে পঞ্চাশ বছর পরে কথামৃত প্রকাশিত হয় (১৯০২, ১৯০৪, ১৯০৮, ১৯১০, ১৯৩২) এবং তা তাঁর জীবনের শেষ সাড়ে চার বছরের মধ্যে কেবলমাত্র ১৮৬ দিনের কথা। মূল ডায়েরির সম্পূর্ণ বয়ান আজ অবধি জনসমক্ষে আনা হয়নি।

কথামৃতের ইংরেজি অনুবাদ ‘Gospel of Sri Ramakrishna’ প্রকাশিত হওয়ার পর দার্শনিক ও পণ্ডিত মহেশচন্দ্র ঘোষ তাঁর গ্রন্থ সমালোচনায় বাংলা ও ইংরেজি পাঠের বৈসাদৃশ্যই শুধু তুলে ধরেননি, এই কথামৃত যে শ্রীম-র, রামকৃষ্ণের নয় তাও প্রতিপন্ন করেছিলেন। তিনি লেখেন — The materials of the English version have been drawn from the Bengali edition. But unfortunately there are omissions, additions and alterations in the English edition. These seem to be an afterthought. When there is found even one purposive interpolation the genuineness of the writings of the author and his scrupulosity regarding historical accuracy become doubtful. In fact the belief is current in many quarters that the Ramkrishna as depicted by ‘M’ (Babu Mahendranath Gupta) is not the real Ramkrishna but the Ramkrishna of M - a revised, modified expurgated and magnified version of the real Ramkrishna. We cannot vouch for the historical accuracy of all the facts, but we believe the most of the saying of the saint are correctly recorded in the book. For devotional purposes, there may not arise any question as to the authenticity of the book; but when sectarian and doctrinal questions arise, we should accept the facts with cautions.

এমনকি ১৯৩১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর (২৫ ভাদ্র ১৩৩৮) ত্রিষ্টুপ মুখোপাধ্যায়কে রবীন্দ্রনাথ লেখেন — ‘পরমহংসদেবকে একদিন দশমিনিটের জন্য দূর থেকে দেখেচি। বিবেকানন্দ ও নিবেদিতাকে আমি আরো ভালো করে জানতুম। পরমহংসদেবের কথোপকথনের যে বিবরণ আমি পড়েচি তার কোনো কোনো অংশ মনে হল বিদেশী সাধকদের কথা থেকে সংগৃহীত।'

রামকৃষ্ণর ‘কাঞ্চন-বৈরাগ্য’ এবং ‘টাকা মাটি, মাটি টাকা’ তত্ত্ব শুনে তাঁকে প্ররোচিত করার জন্য বঙ্কিম বলেন ‘টাকা মাটি! মহাশয়, চারটা পয়সা থাকলে গরিবকে দেওয়া হয়। টাকা যদি মাটি, তাহলে দয়া পরোপকার করা হবে না?’ রামকৃষ্ণ ক্ষিপ্ত হয়ে বলে ওঠেন ‘দয়া! পরোপকার! তোমার সাধ্য কি যে তুমি পরোপকার করো? মানুষের এত নপর-চপর কিন্তু যখন ঘুমোয়, তখন যদি কেউ দাঁড়িয়ে মুখে মুত দেয়, তো টের পায় না, মুখ ভেসে যায়। তখন অহঙ্কার, অভিমান, দর্প কোথায় যায়?’ এই ‘পরোপকার’কেও তিনি বিষয়চিন্তা মনে করতেন। অথচ রামকৃষ্ণর মৃত্যর পর রামকৃষ্ণের নামেই মিশন প্রতিষ্ঠা করে বিবেকানন্দ সুপরিকল্পিত লোকসেবাকেই মিশনের মূল লক্ষ্য করে নেন। এবং এই লক্ষ্য পূরণের জন্য এই প্রসঙ্গে [সমাজসেবা] শম্ভু মল্লিকের সঙ্গে রামকৃষ্ণের যোগাযোগের দীর্ঘ বিবরণ লীলাপ্রসঙ্গতে থাকলেও কথামৃত-এ উদ্ধৃত কথোপকথন পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়।

৮) বিবেকানন্দের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর গুরুভাইরা নিবেদিতাকে চিঠি লিখে দু'সপ্তাহের মধ্যেই খবরের কাগজে ঘোষণা করে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্গে সমস্ত সংস্রব পরিত্যাগ করার হুমকি দেন, অন্যথায় তাঁকে প্রকাশ্যভাবে বহিষ্কার করা্র কথা বলা হয়। বেঁচে থাকাকালীন তো নয়ই, এমনকি নিবেদিতার মৃত্যুর সাত বছর পর অবধি তাঁর স্কুলের দায়িত্ব মিশন নেয়নি। যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হলেও মিশন তাঁর চিকিৎসা বা শুশ্রূষারও কোনও ব্যবস্থা করেনি। হঠাৎ আজ নিবেদিতাকে নিয়ে তাঁদের দরদ উথলে উঠেছে!

৯) রবীন্দ্রনাথ তথা ঠাকুরবাড়ি সম্পর্কে কেমন ধারণা বিবুদার? ১১ই মার্চ ১৮৯৯ তিনি বলেন, “মার্গট, তুমি যতদিন ওই ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে তোমার মেলামেশা চালিয়ে যাবে ততদিন আমাকে বার বার সাবধান করে যেতেই হবে। মনে রেখো, ওই পরিবার বঙ্গদেশকে শৃঙ্গাররসের বন্যায় বিষাক্ত করেছে”। অথচ রবীন্দ্রনাথ ১২ জুলাই ১৯০২ সাউথ সুবার্বান স্কুলে বিবেকানন্দের স্মরণসভায় গেছেন; ১৩ অক্টোবর ১৯০৪ থেকে ২৩ অক্টোবর ১৯০৪ পর্যন্ত এগারো দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা উৎসবে যোগ দিতে গয়ায় গেছেন; ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯০৫ বিবেকানন্দ জন্মোৎসবে বেলুড় মঠে গেছেন এমনকি ১ মার্চ ১৯৩৪ বিবেকানন্দের মৃতুতে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানিয়েছেন।

শেষ করি রবীন্দ্রনাথকে দিয়েই। ৩ রা মার্চ ১৯৩৭এ বিশ্ব ধর্মমহাসভায় রবীন্দ্রনাথ বলেন — যখনই আমাদের মনে এরকম একটি বিশ্বাস জন্মায় যে যেহেতু আমরা একটি বিশেষ সম্প্রদায়ভুক্ত অতএব আমাদের ঈশ্বরলাভ ঘটেছে — তখনই সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্যবশত অন্যান্য সম্প্রদায়, ঈশ্বর সম্পর্কীয় কল্পনার দ্বারা যারা আমাদের থেকে পৃথক, অধিকতর নৃশংসতায় তাদের মাথা-ভাঙা ছাড়া এই ঈশ্বরকে আর আমাদের প্রয়োজন পড়ে না। ধর্মবিশ্বাসের কোনো অন্ধকারাচ্ছন্ন অঞ্চলে ঈশ্বরকে স্থাপন করে, আমরা নির্দ্বিধায় সমগ্র বাস্তব জগৎটাকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে ধরে নিতে পারি — অসীমের বিস্ময়কে বাস্তব থেকে বিচ্ছিন্ন করে নগণ্য আসবাবপত্রের মতো তাকে অকিঞ্চিৎকর বলে ঠেলে ফেলি। এই ধরণের চূড়ান্ত বর্বরতা তখনই সম্ভব, যখন নিজেদের ঈশ্বরবিশ্বাসী মনে করলেও, নিজেদের জীবনবোধে বাস্তবিকই তাকে অস্বীকার করে চলি প্রতিনিয়ত।



name:  ব               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 09:09 PM

দেকেচো দেকেচো আসল লোক ঈশেনের নাম বাদ গেছে।

ধম্মে সইবে??


name:  b               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.566712.199 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 09:04 PM

বাঙালদেশে খুব বৃষ্টি হয় তো, তাই বাঙালরা গামছা, প্যান্ট, ধুতি, আন্ডারওয়ার, জাঙ্গিয়া, বারমুডা ইত্যাদি কেনেই না, স্রেফ পয়সার অপচয়। এক ব্ছর বন্যা একটু বেশি হয়েছিলো, সেই বছর বাঙালরা শুধু টুপি কিনেছিলো।


name:  ব               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 08:34 PM

কাজু, চাপ টা হল সবাই কে শুভ বিজয়া জানাতে চাই না।


name:  ব               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 08:34 PM

কোয়েশ্চেন মার্ক, আপনি প্রচুর প্রচুর রেফারেন্স দিয়েছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

এতেও যদি কেউ বা কারা বুঝতে নারাজ হয় তবে কথাকাহিনী মনে করুন

" এ কেবল দিনে রাত্রে,
জল ঢেলে ফুটা পাত্রে,
বৃথা চেষ্টা তৃষ্ণা মরিবারে....

কিন্তু একটা ছোট পরামর্শ।

কেউ ঘুমালে তাকে তোলার একটা হনেস্ট ট্রাই নেওয়া যেতে পা। কিন্তু " জেগে ঘুমালে"।

জাস্ট অসম্ভব!!


name:  এলেবেলে               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.565612.211 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 08:31 PM

এলেবেলে আদতে কী লিখেছিল বিবুদার ঢপবাজির বিষয়ে? সে লিখেছিল --- "১৮৯৩ সালের ২ নভেম্বর আলাসিঙ্গা পেরুমলকে বিবেকানন্দ লেখেন, "মজুমদার বেশ বলিলেন, চক্রবর্তী আরও সুন্দর বলিলেন। খুব করতালিধ্বনি হইতে লাগিল। " তো মজুমদার হাত্তালি পাবেন, চক্রবর্তীও পাবেন কিন্তু বিবুদা পেলেই দোষ? তা আদৌ লেখাই হয়নি। অথচ ওই হাত্তালি নিয়ে ত জলই না বয়ে গেল! সবাই উজাড় করে দিলেন সংবাদপত্র ও বারোজের রিপোর্ট!! এবং তৎসহ 'সবজান্তা', 'ঢপবাজ' 'গামছা খুলে নেওয়া' জাতীয় অসংখ্য বাছাই করা বিশেষণ!!! অথচ এলেবেলে যদি বলে John Henry Barrows সম্পাদিত ১৬০০ পৃষ্ঠার দু’খণ্ডে সম্পূর্ণ The World’s Parliament of Religions : An Illustrated and Popular Story of the World’s Parliament of Religions নামক গ্রন্থটিতে ধর্মপালকে জায়গা দেওয়া হয়েছে ২৩ পৃষ্ঠা; বম্বের মণিলাল দ্বিবেদীকে ২০.৫ পৃষ্ঠা, প্রতাপচন্দ্র মজুমদার স্থান পেয়েছেন এই গ্রন্থের ১৯ পৃষ্ঠা জুড়ে এবং বিবেকানন্দ পেয়েছেন ১৫ পৃষ্ঠা - তাহলেই একদল রে রে করে তেড়ে আসবেন টুকলি ধরতে! কিংবা যদি এলেবেলে বলে আলাসিঙ্গাকে এ প্রসঙ্গে বিবুদা যা লেখেন "The next day ALL the papers announced that my speech was the hit of the day, and I became known to the whole of America" সেটা সত্যি হলে পরের দিনের আমেরিকার ওই সংক্রান্ত কাগজ দেখলেই তো ল্যাঠা চোকে তখনও ফুটোস্কোপ দিয়ে দেখা চলবে নি.হে কিংবা চি.হে-র রিপোর্ট। এ তো বড় রঙ্গ যাদু!


name:  pi               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 08:25 PM

বাবুলের দেওয়ালে তো ক্যালকমাররা দেখি তেড়ে ব্যাট করেছে। মন্ত্রীমশায় পোস্টই ডেল করেছেন শুনছি।
তবে এই এম আর আই দেশের লোকের ট্যক্সের পয়সায় কিনা শিওর নই। আম্রিগায় গেলে তো ইন্সিওরেন্স করিয়ে যেতে হয়, তাতে এম আর আই কভার করে কিনা জানিনা অবশ্য। একজন লিখেছেন দেখলাম এমারজেন্সি প্রমাণিত হলে করবে, ক্রনিক প্রমাণিত হলে দেবেনা ইত্যাদি। কিন্তু না দিলে কি সরকারি টাকা যাবে? মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে কী নিয়ম কেউ জানেন?


name:  ব               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.135 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 08:24 PM

বি, ঘটিদের নিয়ে সাবধানে কমেন্ট করবেন মহায়। বাঙাল দের নিয়ে কমেন্ট করলে পালাবার পথ পাবেন না।
😁😁

তা বাঙাল দের জাতীয় পোশাক কী শুনি??

🤔🤔


name:  pi               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 08:22 PM

হায়, এই আজিম প্রেমজী ফাউন্ডেশন ঠিকঠাক মনে হত!! :(


https://www.thequint.com/news/india/azim-premji-pays-tribute-to-golwal
kar-at-rss-headquarters




name:  b               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.786712.145 (*)          Date:10 Oct 2019 -- 08:18 PM

গামছা তো (পাঁড়) ঘটিদের ন্যাশনাল পোশাক, (জি এন পি) যা পরে বাজার করা থেকে পায়্খানা করা এবং মধ্যবর্তী সমস্ত স্টেপস করা যায়। নেহাৎ অফিস কাছারি করা যায় না, সেটা অনেকেরই মনে দুঃখ।




    পরের পাতা         আগের পাতা
**এই বিভাগের কোনো মন্তব্যের জন্যই এই সাইট দায়ী নয়৷ যে যা মন্তব্য করছেন, তা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মতামত৷ গুরুচন্ডালি সাইটের বক্তব্য নয়৷