বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

[42169]  [42168]  [42167]  [42166]  [42165]  [42164]  [42163]  [42162]  [42161]  [42160]  [42159]  [42158]  [42157]  [42156]  [42155]  [42154]  [42153]  [42152]  [42151]  [42150]  [42149]  [42148]  [42147]  [42146]  [42145]  [42144]  [42143]  [42142]  [42141]  [42140]  [42139] 

name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 237812.69.4545.151 (*)          Date:09 Oct 2019 -- 01:11 AM

আপনারা সবাই যখন তেনার হাত পা বেঁধে ফেলবেন, তখন কানের কাছে "কূ উ উ উ" দেবার জন্য কারুকে লাগলে বলবেন। ঃ-)


name:  Atoz               mail:                 country:                

IP Address : 237812.69.4545.151 (*)          Date:09 Oct 2019 -- 01:07 AM

তার মানে রাজাগোপালবাবু এখনও জীবিত? ওঁকে জোরসে চেপে ধরা হোক। একেবারে পয়েন্ট করে করে। ঃ-)


name:  ?               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.454512.126 (*)          Date:09 Oct 2019 -- 12:06 AM

https://en.wikipedia.org/wiki/Wikipedia:List_of_online_newspaper_archi
ves#United_States

এখান থেকে খুঁজে খুঁজে সেসময়ের কাগজে বিবেকানন্দের উল্লেখ আছে এমন নিউজপেপারের কাটিং পত্র এক জায়গায় করে রাখা যায়, ধরা আক একটা ব্লগ বানিয়েই। কিন্তু এসব কে কেনই বা করবে?

যেমন ধরুন
Weekly Pantagraph, Volume 47, Number 37, 15 September 1893 Page 2 & Page 4
The True Republican, 16 September 1893 Page 1

এবার অলরেডি ডকুমেন্টেড জিনিসপত্র -
1. শিকাগোর যেসব সংবাদপত্র ১২ সেপ্টেম্বর ১৮৯৩, ধর্মমহাসম্মেলনে স্বামীজীর উদবোধনী বক্তৃতা ছাপিয়েছিল সেগুলি হল - "হেরাল্ড", "ইন্টারওসান", "ট্রিবিউন" এবং "রেকর্ড"। 'হেরাল্ড"-এর রিপোর্টই সবচেয়ে সম্পূর্ণ। - মেরি লুইজ বার্ক , তথ্যপঞ্জী, দ্বিতীয় অধ্যায় - (৪৮) "ধর্মমহাসম্মেলনে'
শঙ্করীপ্রসাদ বসু – বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ । সপ্তম অধ্যায় । ভারতের নবজাগরণ, বিবেকানন্দের ভূমিকা । ২. সাফল্যসংবাদ কোন্‌ আকারে ভারতীয় কাগজে বেরিয়েছিল ।
2. বস্টন ইভনিং ট্রান্সক্রিপ্ট (ফ্রান্সিস অ্যালবার্ট ডাউটি) [টাইমস অব ইন্ডিয়া, বোম্বাই, ৪ নভেম্বর ১৮৯৩; স্টেটসম্যান ৯ নভেম্বর; ইন্ডিয়ান মিরর ১১ নভেম্বর; হিন্দু, মাদ্রাজ ১৭ নভেম্বর; লাইট অব দ্য ইস্ট পত্রিকা নভেম্বর সংখ্যা] - “ধর্মমহাসভায় বিবেকানন্দ অতিশয় প্রিয় – তাঁর চিন্তার ঔদার্যের জন্য, অবয়বের মহিমার জন্যও বটে। মঞ্চে পদার্পণমাত্রে তাঁকে সংবর্ধিত করা হয়, আর সহস্র সহস্র মানুষের এই উচ্চারিত সমাদরকে তিনি শিশুর আনন্দে গ্রহণ করেন, তাতে অহঙ্কারের লেশমাত্র থাকে না।“
3. পাইওনীয়ার ৮ মার্চ, ১৮৯৪ (মারউইন মারী স্নেল, ধর্মমহাসভার বিজ্ঞান শাখার সভাপতি – পত্রপ্রবন্ধ) [হিন্দু ৬ মার্চ, মিরর ৯ মার্চ, ট্রিবিউন ২১ মার্চ, অমৃতবাজার ১০ মার্চ, থিয়জফিক থিংকার ৭ এপ্রিল]– “স্বামী বিবেকানন্দ কী শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে এখানে গৃহীত হয়েছেন, কী প্রভাব তিনি বিস্তার করেছেন, কী মঙ্গলকার্য তিনি সম্পাদন করেছেন সে বিষয়ে কথা বলার আমি অধিকারী। ... যে কোনো হিসাবে হিন্দুধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নিজস্ব প্রতিনিধি ছিলেন স্বামি বিবেকানন্দ, যিনি নিঃসন্দেহে ধর্মমহাসভার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ... প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি খ্রীষ্টান বা প্যাগান যেকোনো প্রতিনিধি অপেক্ষা অধিকতর উদ্দীপনার সঙ্গে গৃহীত হয়েছেন। তিনি যেখানেই যেতেন লোকে দলবেঁধে ধাওয়া করত এবং তাঁর মুখোচ্চারিত প্রতিটি শব্দের জন্য হাঁ করে অপেক্ষা করত। ধর্মমহাসভা শেষ হওয়ার পরে ...[বক্তৃতা দিতে] যেখানেই গেছেন সোৎসাহে সংবর্ধনা পেয়েছেন।”
4. ডেইলি ক্রনিকল (ইংলন্ডের যাজক এইচ আর হাউইস্‌) [মিরর ২৮ নভেম্বর ১৮৯৩]
5. আমেরিকার প্রেস [মিরর ৩০ নভেম্বর ১৮৯৩] – “এই বৃহৎ সমাবেশের কাছে সবচেয়ে আকর্ষক ব্যক্তিদের অন্যতম হলেন হিন্দু তাত্বিক এবং বিরাট পন্ডত অধ্যাপক স্বামী বিবেকানন্দ। ... তিনি এমন ভাষন দিলেন যে সশর্ম-কংগ্রেসকে যেন একেবারে জয় করে নিলেন। সেখানে সকল খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের বিশপ ও মিনিস্টাররা উপস্থিত ছিলেন – তাঁদের যেন উড়িয়ে নিয়ে গেলেন। মানুষটির বাগ্মিতা, তাঁর পীতাভ মুখে মাখা মনস্বীতার দীপ্তি, তাঁর কাল-সম্মানিত ধর্মমতের সৌন্দর্য উন্মোচনের অনবদ্য ইংরেজি ভাষা – সবকিছু সম্মিলিত হয়ে শ্রোতাদের উপর গভীর প্রভাব বিস্তার করল। এই অসাধারণ অধ্যাপক যদিন প্রথম ভাষন দিলেন ... তারপর থেকে সর্বত্রই আঁর পিছনে জনতা ছুটতে লাগল। কংগ্রেস ভবনের ভিতরে বাহিরে যাত্রাকালে প্রতিদিন শত শত নারী তাঁকে ঘিরে ফেলত, যারা তাঁ সন্নিকট হবার ও করমর্দন করার জন্য কার্যত পরস্পর যুদ্ধ করত। ... এইসকল ভাষন যথেষ্ট শিক্ষিত পন্ডিত ব্যক্তিদের কাছেও আশ্চর্যজনক... এরা কিন্তু অধ্যাপক বিবেকানন্দকে নিয়ে নাচানাচি করে মহিলাবৃন্দ নন।“
6. নিউইয়র্ক ক্রিটিক [মিরর ২৭ নভেম্বর ১৮৯৩]
7. নিউইয়র্ক হেরাল্ড [মিরর ২৭ নভেম্বর ১৮৯৩] – সেই আলোচিত দুই লাইন
8. বে সিটি ট্রিবিউন[মিরর ১৭ আগস্ট ১৮৯৪]
9. শিকাগো ইন্টারওশান [হিন্দু ১৪ নভেম্বর ১৮৯৪] – “ধর্মমহাসভায় স্বামী বিবেকানন্দের তুল্য সৌজন্যপূর্ণ মনোযোগ আর কেউ আকর্ষন করতে পারেন নি।“
10. ইন্ডিয়ান নেশন ৩১ জানুয়ারি, ১৮৯৪ [মিরর ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৫]
11. ব্রুকলিন স্ট্যান্ডার্ড [হিন্দু ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৫]
12. হাইফোর্ডস ডেইলি টাইমস [মিরর ১৯-২১ এপ্রল ১৮৯৫]
13. রাদারফোর্ড অ্যামেরিকান [মিরর ৫ মে ১৮৯৫] “শিকাগো ধর্মমহাসভার এই সন্ন্যাসীর উচ্চ চিন্তাপূর্ণ বাগ্মিতা কেবল সেইখানকার শ্রোতাদের উপরেই নয়, সমগ্র ধর্ম পৃথিবীর উপরে প্রচন্ড প্রভাব বিস্তার করেছিল।“
14. ফ্রেনলজিকাল জার্নাল (এডগার সি বীল, এম ডি) [লাইট অব দি ইস্ট সেপ্টে ১৮৯৫; থিয়জফিকাল থিংকার ৫ অক্টোবর ১৮৯৫; মিরর ৫ অক্টোবর ১৮৯৫, অমৃতবাজার ২০ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৭] – তাঁর দৈহিক সৌন্দর্যের বৈজ্ঞানিক বন্দনা
15. নিউইয়র্ক হেরাল্ড [মাদ্রাজ মেল ১২ মার্চ, ১৮৯৬] – “নিউইয়র্ক সোসাইটির একাংশে, সম্পদে বা মনস্বিতায় অগ্রগণ্য মানুষেরা যার অন্তর্ভুক্ত, স্বামী বিবেকানন্দ নামটি এখন মোহমন্ত্রস্বরূপ”
16. নিউইয়র্ক হেরাল্ড [মিরর ৯ এপ্রিল ১৮৯৬]
17. ডেট্রয়েট ইভনিং নিউজ [বেঙ্গলী ২৫ এপ্রিল ১৮৯৬]
18. বস্টন ইভনিং ট্রান্সক্রিপ্ট [ব্রহ্মবাদিন ১৫ মে ১৮৯৬]
19. বস্টন ট্রান্সক্রিপ্ট [মাদ্রাজ মেল ২৭ মে ১৮৯৬]
20. হিন্দু ৬ জুলাই ১৮৯৬, (আমেরিকার সুপরিচিত কয়েকজনের স্বাক্ষরিত পত্র)
21. ব্রহ্মবাদিন ৬ জুন (আম্রিকান সংবাদপত্রের সংবাদ সংকলন) ১৮৯৬ [মিরর]
22. হেলেন হান্টিংটন ব্রুকলিন এর পত্র [মিরর ৭ মে ১৮৯৭] মাদ্রাজ টাইমস এর উপর সম্পাদকীয় লেখে
23. ইনটিরিয়র শিকাগো
24. ক্রিটিক
শঙ্করীপ্রসাদ বসু – বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ । সপ্তম অধ্যায় । ভারতের নবজাগরণ, বিবেকানন্দের ভূমিকা । ৩. আমেরিকান কাগজ থেকে আরও কিছু সংবাদে সংকলন । (মিসেস বার্কের গ্রন্থ থেকে?)
25. নর্দাম্পটন ডেইলি হেরাল্ড, ১১-৪-১৮৯৪
26. উইসকনসিন স্টেট জার্নাল, ২১-১১-৯৩
27. ডেস মইনস্‌ নিউজ ২৮-১১-৯৩
28. আওয়া স্টেট রেজিস্ট্রার
29. সেন্ট লুইস রিপাবলিক ৩১-১০-৯৪
30. মেমফিস্‌ কমার্শিয়াল ১৩-১-৯৪
31. অ্যাপীল অ্যাভালেঞ্চ ১৪-১-৯৪
32. অ্যাপীল অ্যাভালেঞ্চ ১৫-১-৯৪
33. মেমফিস্‌ কমার্শিয়াল ১৭-১-৯৪
34. অ্যাপীল অ্যাভালেঞ্চ ১৮-১-৯৪
35. অ্যাপীল অ্যাভালেঞ্চ ২১-১-৯৪
36. মেমফিস্‌ কমার্শিয়াল ২১-১-৯৪
37. ডেট্রয়েট জার্নাল ১৪-২-৯৪
38. ডেট্রয়েট ফ্রি প্রেস
39. মেরী ফ্রাঙ্কির স্মৃতি
40. ফ্রি প্রেস ১৮-২-৯৪
41. ডেট্রয়েট ট্রিবিউন ১৮-২-৯৪
42. ডেট্রয়েট নিউজ ২০-২-৯৪
43. ডেট্রয়েট জার্নাল
44. মিসেস বাগ্‌লির পত্র
45. মিসেস ফ্রাঙ্কির স্মৃতি
46. নর্দাম্পটন ডেইলি হেরাল্ড ১৪-৪-৯৪
47. নর্দাম্পটন ডেইলি হেরাল্ড ১৬-৪-৯৪
48. লীন সিটি আইটেম ১৩-৪-৯৪
49. কনস্ট্যান্স টনির স্মৃতি
50. মাগভিনা হফম্যানের স্মৃতি
51. বাল্টিমোর আমেরিকান ১২-১০-৯৪
52. সানডে হেরাল্ড ১৪-১০-৯৪
53. ব্রুকলিন স্ট্যান্ডার্ড ইউনিয়ন ৪-২-৯৪
54. লিয়ন ল্যান্ডসবার্গের স্মৃতি
এরপরে আরো আছে সাড়ে নয় পাতা জুড়ে ভারতে ইংরেজদের সংবাদপত্রে ছাপা সবিস্ময় প্রশংসার খতিয়ান

যাইহোক এই অশেষ অতল বিদেশী সংবাদমাধ্যমের বা বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের স্মৃতিকথার স্বীকৃতির কোনোটিই বলা উচিত প্রামাণ্য নয়, যেহেতু আমাদের হাতে তাদের কাটিং নেই, নেই কোনো স্ক্যানড কপি আর মিশনের ধামাধারী ও ভক্তবৃন্দে দেশ বিদেশ পরিকীর্ণ। ফলে যদি বাকি ৫৩টি খবর (এবং আরো অসংখ্য বা বার্ক বা শঙ্করীপ্রসাদ বা অন্যরা খুঁজে পেতে সংকলন করে ওঠেননি) এসব কাগজে ছাপা হয়ে থাকে, আমি মনে করি কোনো এক “হেরাল্ড”এ ওই দু লাইনও ছাপা হয়েছিল।



name:  রাজাগোপাল               mail:                 country:                

IP Address : 237812.69.563412.123 (*)          Date:08 Oct 2019 -- 11:45 PM

তাই বুঝি আমার লেখা একটা বইও না পড়ে আমাকে 'গর্দভ' বললেন গাম্বাটচূড়ামণি?


name:  sm               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.565612.211 (*)          Date:08 Oct 2019 -- 11:15 PM

এ্যানালিসিস কি চাট্টি খানি কতা,অর্জুন বাবু!কাদা লেপে দেওয়া বরঞ্চ বেশ সোজা কাজ।
একটি লোক কিছু ভালো কাজ করেছেন,চমৎকার কিছু বাণী দিয়েছেন,একটি নেতিয়ে পড়া যুব সমাজ কে তুলে ধরেছেন।তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কাটা ছেঁড়া না করলেই নয়?


name:  abcd               mail:                 country:                

IP Address : 237812.69.672312.15 (*)          Date:08 Oct 2019 -- 10:55 PM

Swami Vivekananda: A Reassessment - Narasingha Sil.

এই বইটার সফটে সন্ধান আছে কারুর কাছে?


name:  অর্জুন               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:08 Oct 2019 -- 10:41 PM


ভক্তি আর শ্রদ্ধার মধ্যে যোজন প্রমাণ তফাত। কারো প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা থাকতেই পারে, সেটা ব্যক্তিগত পছন্দ। কিন্তু অ্যানালিসিস হীন হয়ে পড়লে তা শ্রদ্ধা হয়না, হয়ে যায় ভক্তি বা বলা ভাল অন্ধ ভক্তি। সমালোচনায় একটা ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক ধরা পড়ে। সেটা খুব স্বাস্থ্যকর। স্বয়ং ভগবানও এর থেকে মুক্ত নন ।




name:  Ekak               mail:                 country:                

IP Address : 237812.68.674512.103 (*)          Date:08 Oct 2019 -- 10:24 PM

পুরো পপ কাল্চর দান্রিয়ে ভক্তিবাদের ওপর। পাস্চাত্যে ভক্তি নেই ?? ঃ)




name:  অর্জুন               mail:                 country:                

IP Address : 236712.158.1234.135 (*)          Date:08 Oct 2019 -- 10:01 PM


আজকের দিনে একটু গান শুনুন।

বিবেকানন্দ'র গাওয়া রামকৃষ্ণ'র প্রিয় গান।


https://www.youtube.com/watch?v=Zya6T6BnpgE


name:  sm               mail:                 country:                

IP Address : 124512.101.780112.71 (*)          Date:08 Oct 2019 -- 09:56 PM

ভক্তি আর শ্রদ্ধার মধ্যে পার্থক্য আছে।আমার কাছে বিবেকানন্দ ভক্তির সামগ্রী নয়,শ্রদ্ধার জিনিষ।
ভক্তি মানুষ ভয় পেয়েও করে থাকে।
বিবেকানন্দ এর চরিত্রের দৃঢ়তা, নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা,পাণ্ডিত্য,বাগ্মিতা,পরোপকারী মনোভাব এগুলো খুব আকৃষ্ট করে।ঈশ্বর বিশ্বাসী বিবেকানন্দ ন য়।কারণ ওরকম ঈশ্বর বিশ্বাসী প্রচুর মানুষ মেলে।
এবার কেউ যদি বলে, উনি কোন পণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন না,কারণ স্টুডেন্ট লাইফে রেজাল্ট সাধারণ।কিংবা উনি মিথ্যেবাদী,কারণ রাজাগোপাল বলেছে। তখন একটু উষ্মা আসে বই কি!
ইওরোপীয় দেশে যীশু ভক্তির চেয়েও ধর্মে ভয় ভাব বেশী।
কারণ প্রচুর জনতা মৃত্যুর আগে কনফেশন করে থাকে।
আমাদের ভক্তিভাবে একটা চট চটে ভাব আছে, ওদের আছে ভয় জনিত ভক্তি ভাব।
এই চট চটে ভাবের স্বাদের জন্য কিছু লোক ইসকন, ওশো, মেশো এই সব আখড়ায় ভিড় করে।




    পরের পাতা         আগের পাতা
**এই বিভাগের কোনো মন্তব্যের জন্যই এই সাইট দায়ী নয়৷ যে যা মন্তব্য করছেন, তা ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মতামত৷ গুরুচন্ডালি সাইটের বক্তব্য নয়৷