• বুলবুলভাজা : খবর্নয়
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। প্রবেশ করে দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
  • পাতা : 4 | 3 | 2 | 1
  • উচ্চশিক্ষার অধিকার ও সুব্বির লড়াই (দ্বিতীয় পর্ব)

    - অনিকেত পথিক
    ধারাবাহিক | ২১ মে ২০১৯ | মন্তব্য : ৪, লিখছেন (i, দ, দ)

    এই ঘটনা আমাদের অনেকগুলো ব্যর্থতাকে দেখিয়ে দেয়, কিছু বিশ্বাসের মূলে আঘাত করে। প্রথমতঃ আমাদের প্রচলিত ব্যবস্থার ব্যর্থতা। একজন নিরপরাধ তরুণ, সে প্রচলিত ব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস রেখেছিল, এক বছর ধরে কষ্ট-অপমান-উদ্বেগ সহ্য করেছিল এই বিশ্বাসে যে তার বিশ্বস্ততাই তাকে রক্ষা করবে। করল না। শেষ অবধি তাকে আইনের আশ্রয় নিতে হল। দ্বিতীয়তঃ মানুষ যত শিক্ষিতই হোক পরশ্রীকাতরতা তার যাবতীয় জ্ঞানের গরিমা, তার মানবিক মূল্যবোধকে ধ্বংস করে দিতে পারে আর তৃতীয়তঃ আমরা যতই বড়াই করি যে মেধাই আমাদের একমাত্র মাপকাঠি, আসলে জন্ম-ধর্ম-জাতি-লিঙ্গ অনেক পরিচয়ই আমাদের কাছে গুরুত্ব পায়।

  • উচ্চশিক্ষার অধিকার ও সুব্বির লড়াই (প্রথম পর্ব)

    - অনিকেত পথিক
    ধারাবাহিক | ১৭ মে ২০১৯ | ১৮ বার পঠিত (১৩ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে) | মন্তব্য : ৫, লিখছেন (স্বাতী রায়, পারমিতা , শিবাংশু )

    গল্পটা একজন উজ্জ্বল যুবকের, অনেক প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়ে যিনি কানপুর আই আই টি-র মত প্রথম সারির একটা প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে পেরেছিলেন। কিন্তু গল্পটা শুধু তাঁর সাফল্যের নয়, চাকরী পাবার পর সহকর্মীদের তরফ থেকে তিনি যে অহেতুক শত্রুতার শিকার হয়েছিলেন, আর যেরকম শান্তভাবে অথচ দৃষ্টান্তমূলক দৃঢ়তার সঙ্গে তার মোকাবিলা করেছিলেন এটা আসলে সেই গল্প। মানুষের চরিত্র ও নীতিবোধ যে কতখানি ভঙ্গুর হতে পারে, পরশ্রীকাতরতা যে মানুষের নিজস্ব আচরণ কিভাবে ধ্বংস করে দিতে পারে সেটা চাক্ষুষ করার জন্যও গল্পটা সকলের জানা দরকার।

  • ভোটেই বোঝা গেছে পাল্টে গেছে ত্রিপুরা

    - তমোঘ্ন
    খবর্নয় | ১৩ এপ্রিল ২০১৯ | মন্তব্য : ১২, লিখছেন (pi, po, pi)

    গত তিন দশকে এমন মারাত্মক ভোট আর দেখেনি ত্রিপুরা। এরপরও ত্রিপুরায় বহু ভোট হয়েছে। অনেক ভোট নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ উঠেছে। জঙ্গীদের বন্দুকের নলের নিচে ভোট হতেও দেখেছে ত্রিপুরার মানুষ। ২০০০ সালে ত্রিপুরা স্বশাসিত জিলা পরিষদের ভোটে কিছু কিছু অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদীরা নিজেরাই ভোট করেছিল। ভোটের আগে সিপিএম প্রার্থীর পরিবারের লোকজনদের, এমনকি সিপিএম নেতাদের সেবার অপহরণ করেছিল জঙ্গীরা। কিন্তু এ ধরনের আতঙ্ক কায়েম হলেও তা সারা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে নি। অন্য অংশে মানুষ প্রতিবাদী হয়ে নিজের মত নিজে প্রকাশ করেছিলেন। কখনো কখনো সিপিএমের দিকে ভোটে সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ এনেছে বিরোধীরা। তাও কিছু কিছু পকেটে। কিছু কিছু রাজনৈতিক নেতা তাদের এলাকায় জোর করিয়ে ভোট করিয়ে জয়ী হয়েছেন ত্রিপুরায়। কিন্তু রাজ্যের ইতিহাসে তারা কেউ একবারের বেশি স্থায়ী হন নি। পাঁচ বছর পরেই মানুষ তাদের বিদায় দিয়ে দিয়েছেন।

  • শাসকের হুমকি সন্ত্রাসের মধ্যেই ভোট ত্রিপুরায়

    - তমোঘ্ন
    খবর্নয় | ১১ এপ্রিল ২০১৯ | মন্তব্য : ১, লিখছেন (pi)

    বৃহস্পতিবারের জন্য অন্য পরিকল্পনা নিয়েছিল শাসকদল। তারই প্রতিফলন দেখা গেল গোটা দিন জুড়ে। বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে ভোটারদের রাস্তা থেকেই বাড়িতে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। পোলিং বুথে শাসক দলের কর্মীরা পিছন থেকে দাঁড়িয়ে দেখছেন কে কাকে ভোট দিচ্ছে। এরকম বেশকিছু ছবি উঠে এসেছে। যা বলে দিচ্ছে কেমন নির্বাচন হল রাজ্যে।

    বৃহস্পতিবার সকালে ভোট শুরু হতেই জিরানীয়া, মজলিশপুর, মান্দাই, বক্সনগর, রাজনগর, মোহনপুর, বড়জলা এসব স্থান থেকে বাম পোলিং এজেন্টদের আক্রমণের খবর আসতে থাকে। প্রথম দিকে যা ছিল ছোটখাট ঘটনা তা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় আকার ধারন করতে থাকে। বাম পোলিং এজেন্টদের পাশাপাশি চিহ্নিত বাম ভোটারদেরও লাইন থেকে বের করে দেবার খবর আসতে থাকে। অনেক জায়গায় বাম ভোটারদের বাড়ি থেকেই বের হতে দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ আসে।

  • অনশন মঞ্চের ডায়েরি

    - ডাঃ অনির্বাণ দত্ত
    খবর্নয় | ২৬ মার্চ ২০১৯ | মন্তব্য : ১, লিখছেন (বিপ্লব রহমান )

    "লিখতে বসে বেশ গুরুগম্ভীর ভূমিকা লিখব ভাবছিলাম। ফ্যাসিবাদ, মানুষের অধিকার নিয়ে বড়সড় কিছু লিখব ভাবছিলাম। হল না। তাই যা দেখেছি তাই লিখেছি। ব্যক্তি মানুষের দেখার চোখের কিছু ভুল ত্রুটি থেকে গেল হয়তো।

    কুড়ি মার্চ বিকেলে প্রেস ক্লাব প্রথম যাই। হোলির সপ্তাহ। পরিবারের সাথে সময় কাটাবো বলে তিনটে দিন ছুটি নিয়েছিলাম। একুশ তারিখ নেহাত ই উৎসুক হয়ে দেখতে গেছিলাম এস এস সি র অনশন মঞ্চে। শোস্যাল মিডিয়া তে কদিন ধরে বিভিন্ন পোস্ট থেকে অনশন র কারণ অথবা এই কদিনে অনশনের জন্য বিভিন্ন দুর্ভোগের কথা কানে আসছিল।..."

    -এসএসসি যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চের প্রত্যক্ষদর্শীর প্রতিবেদন

  • নিয়মের অতল ফাঁক - মালদহের গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি - পঞ্চম কিস্তি

    - অনমিত্র রায়
    বুলবুলভাজা | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ |

    ৭ই ফেব্রুয়ারী আন্দোলনরত ছাত্ররা এসে পৌঁছয় দুর্গাপুরে। এনাইটির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে ৪০ জন ছাত্র। এরপর ৯ তারিখ এনআইটি-র ডিরেক্টর মৌখিকভাবে একটি আলোচনাসভার প্রস্তাব রেখেছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। দুর্গাপুরে অবস্থানরত ছাত্ররা সেই মর্মে তাদের সহপাঠী এবং অভিভাবকদের ওইদিন দুর্গাপুরে আসার অনুরোধ জানায়। কিন্তু এই আলোচনাসভা শেষ অবধি অনুষ্ঠিত হয়েছিল কিনা বা হয়ে থাকলেও সেখানে কি আলোচনা হয়েছিল, কোনো সিদ্ধান্তে আসা গিয়েছিলো কিনা সেসব জানা যাচ্ছে না। তবে জানা যাচ্ছে যে দুর্গাপুরের আন্দোলন নিয়ে ৩টি প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছিলো ৯ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে। তার মধ্যে একটি 'এই সময়' এবং একটি 'আনন্দবাজার পত্রিকা'-য়। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনটিতে একটি আলোচনাসভার উল্লেখ রয়েছে, এবং বলা হয়েছে যে ওই আলোচনাসভায় সমাধানসূত্র মেলেনি।

  • গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি - মহামিছিল ও ডেপুটেশন

    - আলমগীর খান
    খবর্নয় | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | মন্তব্য : ১, লিখছেন (pi)

    মালদহের গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির ছাত্রদের ভবিষ্যত নিয়ে কর্তৃপক্ষের অপরিসীম উদাসীনতা তাদের ঠেলে দিয়েছে দীর্ঘ আন্দোলনের পথে। বৃহত্তর নাগরিক সমাজ এবং মূল স্রোতের সংবাদমাধ্যমের বিস্ময়কর নীরবতার কারনে সাধারন মানুষের কাছে তাদের সমস্যা এবং এবং কার্যকলাপ অনেকটাই অজ্ঞাত। আন্দোলনকারী ছাত্র আলমগীর খান তাদের সাম্প্রতিক অবস্থা এবং পরিকল্পনা জানিয়েছেন এই লেখায়।

  • গুজব দিয়ে যায় চেনা

    - বিপ্লব রহমান
    বুলবুলভাজা | ২০ আগস্ট ২০১৮ |

    বাংলাদেশে গত ২৯ জুলাই জাবালে নূরের দুটি বাসের রেষারেষির মধ্যে একটি বাস ঢাকার বিমানবন্দর সড়কের এমইএস এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়ানো একদল শিক্ষার্থীর উপর উঠে যায়। এতে শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলেই নিহত হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে তাদের সহপাঠীরা। ধীরে ধীরে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকার সব রাজপথে গড়ে তোলে “নিরাপদ সড়ক আন্দোলন”। অভূতপূর্ব এই স্বতস্ফূর্ত আন্দোলন খুব শিগগিরই স্ফূলিঙ্গ থেকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে যায় শহর থেকে বন্দরে, নগর থেকে নগরে, সারা বাংলাদেশে। শিক্ষার্থীরা রোদ-বৃষ্টি, পুলিশ ও ছাত্রলীগের লাঠিপেটা উপেক্ষা করে ট্রাফিকের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে বুঝিয়ে দেয় সিস্টেমের গলদ।

  • কোলকাতাকে, গণিখানের ছাত্ররা

    - মহঃ হাসানুজ্জামান
    বুলবুলভাজা | ১৯ আগস্ট ২০১৮ | মন্তব্য : ১০, লিখছেন (Pi, pi, pi)

    আমরা গনি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনীয়ারিং এন্ড টেকনোলজির ছাত্রছাত্রীরা মালদা থেকে এখন আপনার পথে পথে। সেই পথে পথেই ঘুরছি, পথেই অবস্থান, পথেই রাত কাটাচ্ছি। বারো দিন হয়ে গেল। কিন্তু, কেন?

    আমাদের ডিপ্লোমার বৈধ সার্টিফিকেট ও উচ্চশিক্ষার দাবিতে বিটেক এ লাটেরল এন্ট্রি তে ভর্তির দাবি নিয়ে আমরা লড়ে যাচ্ছি বহুদিনধরে। রাজ্যের কারিগরি সংস্থা আমাদেরকে তিন বছরের ডিপ্লোমার সিলেবাস পড়ার পর দুবছরের ডিপ্লোমা দিতে চাইছে যেটা কোনো সরকারি,বেসরকারি চাকরি ও উচ্চশিক্ষাই ভর্তির জন্য বৈধ নয়।আমরা লাটেরল এন্ট্রিতে ডিপ্লোমায় ভর্তি হয়েছিলাম স্টেট কাউন্সিল এর আন্ডার এ রেজিস্ট্রেশন করেছিলাম আমাদের সব ডাটা ও ডকুমেন্টস আপলোড করেছিলাম তারপরেও আমাদের দুবছরের ডিপ্লোমা দিচ্ছে যদিও স্টেট কাউন্সিল অন্যান্য ইনস্টিটিউট কে তিন বছরের ডিপ্লোমা দেয়।

  • কেরালা বন্যা – আটকে আছেন প্রায় ৩ লক্ষ বাঙালি শ্রমিক

    - সুমগ্না ভৌমিক
    বুলবুলভাজা | ১৯ আগস্ট ২০১৮ | মন্তব্য : ৪, লিখছেন (সিকি , দ, dc)

    কেরালার বন্যাবিধ্বস্ত বিভিন্ন অঞ্চলে দিনরাত কাজ করে চলেছেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্টরা। তাঁদেরই মধ্যে একটি দল কাজ করে চলেছেন কেরালায় কাজ করা লক্ষ লক্ষ অভিবাসী শ্রমিকদের উদ্ধারের জন্য। এঁরা এসেছেন বিহার, ওড়িশা, আসাম, পশ্চিমবঙ্গের মত সুদূর রাজ্যগুলি থেকে। সহদেবন এবং অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে নিবন্ধটি লিখে আমাদের পাঠিয়েছেন সুমগ্না ভৌমিক।

  • হে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি

    - দেবর্ষি দাস
    বুলবুলভাজা | ১৫ আগস্ট ২০১৮ | মন্তব্য : ২, লিখছেন (ddt, দেব)

    ৯ টা জেলায় শতকরা বাতিল আবেদনপত্রের সংখ্যা হল একেবারে এক, ১২.৫ (দশমিকের পরে প্রথম ঘর অবধি কাছাকাছি পূর্ণসংখ্যা ধরে)। ১১ টা জেলায় এই সংখ্যা হল ৭.৫ (কাছাকাছি পূর্ণসংখ্যা ধরে) আর ৪ টে জেলায় ১৭.৫ এর কাছাকাছি। প্রত্যেক জেলার আবেদনকারীর সংখ্যা আলাদা আলাদা, বাতিল আবেদনের সংখ্যাও তাই। এদের অনুপাত এবং তার শতকরা হিসেবও সেইরকম আলাদা আলাদা হওয়া উচিত। অর্থাৎ ৩৩ টা জেলার থেকে ৩৩ টা আলাদা সংখ্যা আসা উচিৎ যাদের মধ্যে দু-একটি ব্যতিক্রম বাদ দিলে প্রায় কোনো মিল বা পুনরাবৃত্তি বা সম্পর্ক থাকার কথাই নয়। তাহলে এতগুলো জেলার বাতিল আবেদনকারীর সংখ্যার শতকরা হিসেব কি করে একই রকম হল !

  • নিয়মের অতল ফাঁক - মালদহের গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি - চতুর্থ কিস্তি

    - অনমিত্র রায়
    বুলবুলভাজা | ১২ আগস্ট ২০১৮ | মন্তব্য : ৫, লিখছেন (ছাগলছানা, ছাগলছানা, Anamitra Roy)

    আজ অবধি কোথাও কোনো চেষ্টাই হয়নি মালদা জিকেসিআইইটি-র ঘটনাপরম্পরা লিপিবদ্ধ করে রাখার। এদিকে আন্দোলন শুরু হয়ে ২ বছরের ওপর ইতিমধ্যেই অতিক্রান্ত। এর মধ্যে নানান ঘটনা ঘটে গেছে। এইসব ঘটনার সংখ্যা এতই বেশি যে বর্তমানে আন্দোলনরত ছাত্ররাও সঠিকভাবে দিনক্ষণ, তারিখ বা নাম উল্লেখ করতে পারছে না। সমস্তটাই "ওই ঘটনাটা ঘটার ৬ দিন পর মোটামুটিভাবে ধরা যায়" জাতীয় বাক্য হিসেবে আসছে। সেখান থেকে সঠিক তথ্য ছেঁকে তোলার জন্য দরকার নির্ভরযোগ্য প্রমান। অর্থাৎ কিনা, সেই সময়কার ফেসবুক পোস্ট, কলেজ কর্তৃপক্ষের তারিখ নির্দেশ করা চিঠি (যার কিনা সূত্র পুনরায় ফেসবুক পোস্টই) অথবা সংবাদপত্রের প্রতিবেদন। এই দু'বছরে বেশ কিছু প্রতিবেদন আবার হারিয়েও গিয়ে থাকতে পারে অ্যালগোরিদম-এর দৌলতে।

  • চা-বাগানে ন্যূনতম মজুরির যে আন্দোলন ক্রমে বাড়ছে

    - শমীক
    বুলবুলভাজা | ১১ আগস্ট ২০১৮ | মন্তব্য : ৬, লিখছেন (Ekak, pi, h)

    এটা ভালো লক্ষণ যে এবারের আন্দোলনে কলকাতা সহ আরো বহু বাইরের অঞ্চলের মানুষের সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে। এই সমর্থনের প্রক্রিয়ায় যদি তাঁরা বুঝতে পারেন যে বন্ধ বাগান আর তাতে অনাহার মৃত্যুর বাইরেও চা বাগানের সমস্যাটা অনেক গভীর, তাহলে একটা কাজের কাজ হবে। মালিকদের ভয়াবহ মুনাফাখোরি নীতি, ফাটকাবাজ মালিকদের দৌরাত্ম্য আর তাতে সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন আর উদাসীনতাই যে মূলতঃ চা শিল্প আর শ্রমিকদের বিপর্যয়ের মূল কারণ, এই ভিত্তিটায় দাঁড়ানো দরকার। বন্ধ বাগান বা অনাহারে মৃত্যু সমস্যায় একটা সামান্য অংশ, ন্যূনতম মজুরি না দেওয়ার মত চা বাগানের সার্বজনীন সমস্যাগুলো ছড়িয়ে আছে কমবেশি সমস্ত বাগান জুড়ে।

  • সড়ক থেকে আজঃ নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে

    - লুব্ধক
    বুলবুলভাজা | ০৪ আগস্ট ২০১৮ | মন্তব্য : ১৮, লিখছেন (বিপ্লব রহমান , বিপ্লব রহমান , বিপ্লব রহমান )

    ছাত্র-ছাত্রীরা সড়ক নিরাপত্তা ও বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মানুষ হত্যার বিচার চেয়ে সরকারের কাছে নয় দফা দাবি জানায়। তারা রাজধানীর মিরপুর, উত্তরা, ধানমন্ডি, সাইন্সল্যাব, গুলশান সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ এলাকার মহাসড়ক অবরোধ করে এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এসময় তারা লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন বাস ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে তারা মহাসড়কের প্রত্যেকটি গাড়ির লাইসেন্স, ড্রাইভারের লাইসেন্স চেক করা শুরু করে। লাইসেন্স না দেখাতে পারলে তারা গাড়িগুলোর চাবি রেখে দেয় এবং বাজেয়াপ্ত করে। লাইসেন্সহীন ড্রাইভারের বিরুদ্ধে ট্রাফিক সার্জেন্টের মাধ্যমে মামলা দেয়।

  • নিয়মের অতল ফাঁক - মালদহের গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি - তৃতীয় কিস্তি

    - অনমিত্র রায়
    বুলবুলভাজা | ০২ আগস্ট ২০১৮ | মন্তব্য : ১০, লিখছেন (pi, Pi, aranya)

    প্রথম দফায় অনশন চলাকালীন যখন একের পর এক ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়ছে এবং কোনো সরকারি মেডিক্যাল টিমকে পাওয়া যাচ্ছে না তাদের দেখভালের জন্য সেই অবস্থায় ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি প্রতিষ্ঠানটির অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার আব্দুল রাজ্জাক। তাঁরই উদ্যোগে ডাক্তার আসে জিকেসিআইইটিতে। আন্দোলনের শুরু থেকে তিনি নৈতিক ভাবে ছাত্রছাত্রীদের পাশেই ছিলেন। হঠাৎ শোনা যায় আব্দুল বাবুকে জিকেসিআইইটি থেকে সরিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে এনআইটি দুর্গাপুরে। স্বভাবতই ছাত্ররা এই খবরে ষড়যন্ত্রের আভাস পায়। আবারও তৈরী হয় আন্দোলনের পরিস্থিতি। এনআইটির তৎকালীন ডিরেক্টর শ্রী অশোককুমার দে-র বক্তব্য অনুযায়ী অবশ্য এর সমস্তটাই অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। ছাত্রদের আন্দোলনের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

  • কর্তৃপক্ষের প্রতারণার প্রতিবাদে জিকেসিআইইটি-র ছাত্রদের আয়োজিত সভায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান

    - অনমিত্র রায়
    বুলবুলভাজা | ৩১ জুলাই ২০১৮ |

    তিরিশে জুলাই, সোমবার, গনি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি-র ছাত্র সংগঠন জিকেসিআইইটি স্টুডেন্ট'স ইউনিটি-র উদ্যোগে মালদা মেন্ পোস্ট অফিসের কাছে ফোয়ারা মোড়ে বিকেল চারটে থেকে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়। এই সভার উদ্দেশ্য ছিল ইনস্টিটিউটের ছাত্রছাত্রীরা বছরের পর বছর কিভাবে জিকেসিআইইটি কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রতারিত হয়ে আসছে সেই কাহিনী মালদা শহরের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। - একটি প্রতিবেদন।

  • নিয়মের অতল ফাঁক - মালদহের গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি - দ্বিতীয় কিস্তি

    - অনমিত্র রায়
    বুলবুলভাজা | ২৭ জুলাই ২০১৮ | মন্তব্য : ৯, লিখছেন (sm, PT, sm)

    দাবী ছিল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে ঘটনাস্থলে এসে অ্যাফিলিয়েশনের বিষয়টি নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলতে হবে। ৫ ঘন্টার ওপর অবরোধ চলার পরও ডিএম সাহেব আসেননি। তার বদলে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন মালদা সদরের তৎকালীন সাবডিভিশনাল অফিসার শ্রী সন্দীপ নাগ। ছাত্রদের বক্তব্য অনুযায়ী সন্দীপ বাবু আদেও তাঁদের সাথে কথা বলতে আসেননি। বরং তিনি এসেই অবরোধ তুলে নিয়ে "নাটক" বন্ধ করতে বলেন। ছাত্ররা সামগ্রিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা তাঁদের কি করা উচিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, "মরে যাও"! এই মন্তব্যের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত মানুষজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ফলে খুব শিগগিরই ঘটনাপরম্পরা পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি এবং লাঠিচার্জের দিকে এগোয়। যদিও ঘটনাপরবর্তী কোনো সরকারি বিবৃতি নেই যা এই ঘটনাক্রমের প্রমান হিসেবে পেশ করা যেতে পারে।

  • নিয়মের অতল ফাঁক - মালদহের গণি খান চৌধুরী ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি - প্রথম কিস্তি

    - অনমিত্র রায়
    বুলবুলভাজা | ২৬ জুলাই ২০১৮ | মন্তব্য : ৬, লিখছেন (Abhijit, pi, Anamitra Roy)

    বেশ কয়েকদিন ধরেই কানে আসছিলো যে মালদা মেডিক্যাল কলেজেও কিছু একটা চলছে। কানে আসছিলো বলার চেয়ে চোখে পড়ছিলো বলা ভালো বরং, সোশ্যাল মিডিয়ায় দু-একটা মন্তব্য দেখা যাচ্ছিলো। কিন্তু বিশদে বোঝা যাচ্ছিলো না কিছুই। খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, মেডিক্যাল নয়, একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। কিন্তু কলেজ কি বলা যায়? নাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান? নাকি শুধুই কয়েকটি বিল্ডিং যার কোথাও কোনোদিন সঠিকভাবে নিবন্ধীকরণই হয়নি। এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হয়তো পাওয়া যেতে পারতো প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের থেকে, কিন্তু মজার বা ভয়ের ব্যাপার হলো, তাঁরা নিজেরাও এ বিষয়ে সম্যক ধারণা রাখেন না। ২০১৬ থেকে ধরলে সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা এই নিয়ে তৃতীয় দফায় আন্দোলনে নেমেছে। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো সদুত্তর তারা পায়নি কর্তৃপক্ষের থেকে।

  • দুঃসময়

    - কৌশিক দত্ত
    বুলবুলভাজা | ২১ জুলাই ২০১৮ | মন্তব্য : ১২, লিখছেন (আহা , π, দ)

    গত কয়েক বছরে স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যশিক্ষার ক্ষেত্রে বর্তমান রাজ্য সরকারের ভূমিকা জনমানসে বিরূপতার জন্ম দিয়েছে। ছাত্র, চিকিৎসক এবং রোগীসাধারণ, তিনটি গোষ্ঠীর মধ্যেই ক্ষোভ ও উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অথচ এটুকু বলে থেমে গেলে বস্তুত অর্ধসত্য বলা হয় এবং সরকারের প্রতি অন্যায় করা হয়। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ আদর্শ না হলেও প্রশংসনীয়। স্বাস্থ্যখাতে ভারতের গড় সরকারি ব্যয়ের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কিছু হাসপাতাল বিল্ডিং খাড়া করে বেশ কয়েক হাজার বেড বাড়িয়েছেন এই সরকার। সরকারি উদ্যোগে বা পিপিপি মডেলে ডয়ালাইসিস থেকে শুরু করে ইন্টেনসিভ কেয়ার জাতীয় বিভিন্ন পরিষেবা আরো বেশি সংখ্যক মানুষকে দেবার মতো পরিকাঠামো তৈরি করার ক্ষেত্রে খানিক এগিয়েছেন। এগুলো অস্বীকার করে কেবলমাত্র সরকারকে দোষারোপ করার রাজনীতি করতে চাই না। সমস্যা হল ব্যয়বরাদ্দ বাড়িয়ে এবং পরিকাঠামোতে নজর দিয়েও স্বাস্থ্যবব্যস্থার প্রকৃত উন্নতি সম্ভব হল না পরিকল্পনার অভাবে।

  • কলকাতা মেডিকেল কলেজ - হোস্টেলের হাল হকিকত

    - শুভদীপ গঙ্গোপাধ্যায় ও মৌসম নন্দীর ক্যামেরায়
    খবর্নয় | ২১ জুলাই ২০১৮ | মন্তব্য : ১, লিখছেন (π)

    কোলকাতা মেডিকেল কলেজে পুরনো হস্টেলের কিছু ছবি

  • পাতা : 4 | 3 | 2 | 1
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • মিষ্টিমহলের আনাচে কানাচে - দ্বিতীয় পর্ব
    (লিখছেন... দীপক দাস , দীপক দাস , দীপক)
    মিষ্টিমহলের আনাচেকানাচে
    (লিখছেন... দীপক, J, দীপক)
    অচিন্ত্যনীয় লাঞ্চনা
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, সে)
    রাজনীতির জয়- পরাজয় আপাতত এক বিরাট মানবিক উদযাপনের মুখোমুখি
    (লিখছেন... g, Sarbani, Supriya Roy Chowdhury)
    আফজল গুরু – বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে?
    (লিখছেন... Du, Du, দোবরু পান্না)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • কাগজ আমরা লুকাবো না
    (লিখছেন... Sibajyoti Bardhan, দোবরু পান্না, Du)
    NRC-NPR-CAA : প্রতিবাদের ছবি
    (লিখছেন... pi, এবার? )
    নিমো গ্রামের গল্প
    (লিখছেন... )
    গুরুচণ্ডা৯র প্রকাশিতব্য বইএর জন্য দত্তকের আহ্বান
    (লিখছেন... গুরুচণ্ডা৯, Guruchandali, গুরুচণ্ডা৯)
    ঐতিহ্যমন্ডিত বাংলা চটি সিরিজ
    (লিখছেন... )
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    (লিখছেন... খ, 2024, রৌহিন)
    গুরুচণ্ডা৯‘র ঢাকা অ্যাটক!
    (লিখছেন... aranya, বিপ্লব রহমান, রৌহিন)
    কৈলাসে কেলেঙ্কারি
    (লিখছেন... দোবরু পান্না)
    ইরানে - নীলাঞ্জন হাজরা
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান , Nilanjan, বিপ্লব রহমান)
    কাজুতন্ত্র ও সুফিবাদ
    (লিখছেন... দ, de, J)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত