বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

শুভাশিস মৈত্র

রামজনমভূমি-বাবরি মসজিদ নিয়ে শীর্ষ আদালতের ৫ সদস্যের বেঞ্চের রায়ে যা বলা হয়েছে, এই কথাটাই তো ৩০ বছর আগে বলেছিলেন এল কে আদবানি। তখনও মসজিদ ভাঙা হয়নি, ১৯৮৯ সালে তাঁর সমাধানসূত্র ছিল মসজিদকে তুলে নিয়ে গিয়ে (রিলোকেট) নতুন জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হোক, আর সেই জায়গায় মন্দির তৈরি হোক। মসজিদ ভেঙে দেওয়ার পর, আদবানি একদিকে বলেছিলেন, সেদিনটা (৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২) নাকি ছিল (মাই কান্ট্রি মাই লাইফ) তাঁর জীবনের সব থেকে দুঃখের দিন। আর বলেছিলেন, ভারতে এমন কোনও রাজনৈতিক দল নেই যে দল প্রকাশ্যে ঘোষণা করতে পারে যে তারা ক্ষমতায় এলে নতুন করে ওই খানেই বাবরি মসজিদ তৈরি করে দেবে। শনিবার, ৯ নভেম্বর, শীর্ষ আদালতের রায় শোনার পর এই কথাগুলোই মনে পড়ে গেল।

১৯৯২ সালের ৫ ডিসেম্বর রাত আটটা নাগাদ আমরা দু’তিন জন সাংবাদিক হেঁটে হেঁটে ফৈজাবাদ থেকে বড় রাস্তা ধরে অযোধ্যার দিকে যাচ্ছিলাম। বড় রাস্তার ধারেই পড়ে বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটির এক উকিলের বাড়ি। এখন আর নাম নেই। কাজ করতে গিয়েই ভদ্রলোকের সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। তাঁর দোতলা বাড়ির একতলার দরজার কড়া নেড়েই চলেছি। সাড়া-শব্দ নেই। মিনিট পাঁচেক পরে দোতলার জানলা খুলল। এক বৃদ্ধার মুখ। পরিচয় দিলাম চিৎকার করে, যাতে উপর থেকে শুনতে পান। তার পর তাঁর ছেলে, সেই উকিল নেমে এলেন। একটু কথার পর দেখি পেছনে সেই বৃদ্ধা দাঁড়িয়ে। আমাদের বললেন, ‘দয়া করে আপনাদের ঈশ্বরের কাছে আমাদের জন্য একটু প্রার্থনা করবেন’। আমরা অভয় দিয়ে বললাম, না না দেখবেন কিছুই হবে না। পরের দিন ৬ ডিসেম্বর চোখের সামনে ধ্বংস হল এক ঐতিহাসিক স্থাপত্য। তা দেখে দিল্লির এক মহিলা সাংবাদিক কেঁদে ফেলেছিলেন। তাতে তিনি মুসলিম, এই ভেবে তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল কয়েক জন। অনেক সাংবাদিক আক্রান্ত হলেন। অনেকের ক্যামেরা ভেঙে দেওয়া হল। গাড়ি খুঁজে না পেয়ে রাতে যখন হেঁটে প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ, ফৈজাবাদ ফিরছি, দেখলাম রাস্তার মোড়ে মোড়ে জল, মিষ্টি বিতরণ চলছে। তার পরের দিন ৭ তারিখে আমরা অনেকেই ওই এলাকায় ঢুকতে পারিনি। ৮ তারিখে সকালে যখন ফের অযোধ্যা যাচ্ছি তখন চোখে পড়ল এখানে ওখানে বাড়ি জ্বলছে। কোথাও কোনও লোক-জন নেই। নেই ফায়ার ব্রিগেডও। জ্বলছে সেই উকিলের বাড়িও। ১৯৮৪-র মাত্র দু’টি আসন থেকে ১৯৯৬ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়ে উঠতে বিজেপি সব থেকে বেশি নির্ভর করেছে এই রাম মন্দির আন্দোলনের উপর। বহু রক্তপাত, বহু মৃত্যু হয়েছে এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে, এবং প্রায় সব ক্ষেত্রেই নিহত হয়েছে সংখ্যালঘু মানুষেরা। গুজরাট দাঙ্গার সঙ্গেও এই আন্দোলের যোগ ছিল। শনিবারের শীর্ষ আদালতের রায় কি আমাদের এই অভিশাপ থেকে মুক্তি দেবে? যদি দেয় ভাল!

বিজেপির তিনটে প্রধান দাবি ছিল। বা বলা ভালো অ্যাজেন্ডা ছিল। তার আড়াই খানা পূর্ণ হল। ৩৭০ হয়ে গিয়েছে। তাৎক্ষণিক তিন তালাকের মধ্যে দিয়ে ইউনিফর্ম সিভিল কোডের অর্ধেকটা হয়ে রয়েছে। ‘মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে’ স্লোগানও শীর্ষ আদালতের সিলমোহর পেয়ে গেল ৯ নভেম্বর, শনিবারের রায়ে। 

যে তিনটি বিষয় বিজেপির বিরুদ্ধে গেল, তা নিয়ে বিজেপির আপাতত কোনও মাথা ব্যথা না থাকলেও, ইতিহাসে থেকে যাবে সেই তথ্যও। সেগুলি হল-
আদালত বলেছে, মন্দির ভেঙে যে মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল, তার প্রমাণ মেলেনি। 
১৯৪৯ সালে ফৈজাবাদের জেলাশাসক কে ডি নায়ার মসজিদে রামের মূর্তি ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৫২ সালের নির্বাচনে তিনি উত্তরপ্রদেশ থেকে জনসঙ্ঘের প্রার্থী হন। সেই কাজ বেআইনি হয়েছিল, শীর্ষ আদালত বলেছে।
১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ যারা ভেঙেছিল, তারা বেআইনি কাজ করেছিল, অপরাধমূলক কাজ ছিল সেটা। প্রসঙ্গত আদবানি, মুরলিমনোহর যোশী, উমাভারতী সহ এক দল বিজেপি নেতা নেত্রীর বিরুদ্ধে সেই মামলা এখনও চলছে। 
এই তিনটে বিষয় বাদ দিলে, এই মামলার রায়ে বিজেপি জয়ই দেখবে। কিন্তু প্রশ্ন একটা থেকেই যায়, শেষের তিনটে কাজ যদি বেআইনি হয়, তাহলে সেখানে ফের মন্দির কেন? তথ্য-প্রমাণের থেকেও কি এই ক্ষত্রে ‘হিন্দুও কা ভাওনা’ বেশি গুরুত্ব পেল?
এখনও পর্যন্ত যা ছবি, তাতে এই রায় নিয়ে তেমন উন্মাদনা চোখে পড়ছে না। সামনেই ঝাড়খণ্ড বিধানসভার ভোট। একদা রাম মন্দির নামের এই গরুটি দুইয়ে যত সোনা উদ্ধার হয়েছে, এখনও তাই হবে কি না, এই ভোটের ফল বেরোলে তার আন্দাজ পাওয়া যাবে। কারণ ৩৭০-র প্রভাব মহারাষ্ট্র-হরিয়ানা ভোটে কোনও প্রভাব না ফেলায় হিন্দুত্ববাদী নেতারা বেশ চিন্তায়ই রয়েছেন।
 



1033 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ বুলবুলভাজা 
শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 21 -- 40
Avatar: এলেবেলে

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

ডিসি এবং পিটি - যদিও এই কথোপকথন একেবারেই আপনাদের নিজস্ব ব্যাপার তবুও আপনাদের দুজনকেই অনুরোধ, অন্তত এই সময়ে এইগুলো এড়িয়ে যান। আমি যতদূর দেখেছি তাতে ডিসি এত আক্রমণাত্মক কথা বলেন না। অকারণে প্ররোচিত করার দরকারই বা কী?
Avatar: S

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

অন্তত ভারতে গুড ওল্ড বামপন্থার বিনাশের পরেই চরম দক্ষীনপন্থার রমরমা ঘটলো। যারা তিনিই আসল বামপন্থী বলে দাবী করেছিলেন, তাদের আশা করি ঘুম ভেঙেছে। বা যারা এখনও ভাবছে যে বেশ হয়েছে বিজেপি এসেছে, দ্যাখ কেমন লাগে, তাদের বলবো ব্যা ডাকা অভ্যাস করুন, জবাই করার সময় কাজে লাগবে।
Avatar: sm

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

ব্যা, ব্যা করে বাম ছাগলে,
ইতি উতি চায় ---
রামের ঝুলি ভোটে ভরে,
খঞ্জনি বাজায়।
😁
Avatar: xx

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

বিজেপি কে খিস্তি করার পরিস্থিতি এলেই পিটি তিনোদের কনটেক্সট টেনে এনে ট্রোল করতে শুরু করবেন। এটা ২০২১ অবধি অন্তত নিরন্তর চলবে। মিলিয়ে নেবেন।

অন্তত ভারতে গুড ওল্ড বামপন্থা দুটি মাত্র রাজ্যের বাইরে আর কোথায় কবে আদৌ ছিল? বিজেপির নিরিখে অন্তত জাতীয়স্তরে বামপন্থীদের কার্যকলাপ এত্তটাই আণুবীক্ষণিক যে ও নিয়ে শব্দক্ষয়ই প্রকৃত বালখিল্যতা।

ভারতে একটিমাত্র রাজ্য ছাড়া তিনিই আসল বামপন্থী এমন দাবীই বা কোথায় উঠেছিল?

যারা এখনও ভাবছে যে বেশ হয়েছে বিজেপি এসেছে, দ্যাখ কেমন লাগে, তারা এখন অযোধ্যা জয়ের খুশিতে নাচছে। তাদের উদ্দেশ্যে এমত বানী নেহাতই লুজারস ফ্রাসট্রেশন ভেন্টিং।

রাজ্যস্তরেও সিপিএম জমানার শেষ ১৫ বছর ধরে যে মুসলিম তোষন, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক, ইত্যাদি ক্ষোভ দানা বেঁধেছিল, তিনোরা যে লিগ্যাসী বহন ও পল্লবিতই করেছে মাত্র, তার জবাব নেই। কনজাভেটিভ রাইট উ!ইং কমুনালিজম অন্তত এরাজ্যে বাড়ার পদ্ধতির শুরু সেই ৩৪ বছরেই।
Avatar: S

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

চাড্ডী স্পটেড।
Avatar: Atoz

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

পুবের দিকের সবকটা রাজ্য আর দক্ষিণের দিকের কিছু রাজ্য মিলে সংহতি করে ঠেলা দেওয়া দরকার। সাম্প্রদায়িক শক্তিকে। নইলে এরা জনসাধারণকে কৌপীন পরিয়ে রাস্তায় বের করে দেবে।
Avatar: PT

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

একটামাত্র "আণুবীক্ষণিক" দলই বিজেপিকে "বর্বর" আখ্যা দিয়েছিল। বাকিরা তো প্রতিনিয়ত সেটিং করতে ব্যস্ত। মহাঝাঁটবন্ধনের কেউ দিল্লী গিয়ে পদতলে রাখি মাথা গাইতে গাইতে আর কেউ বিজেপির সঙ্গ ত্যাগের জন্য ভুল স্বীকার করছে!!

এই "ট্রোল" ব্যাপারটি কি যদি কেউ একটু বিস্তারে ব্যাখ্যা করেন তাহলে বাধিত হই। পব-তে মোদিশা কালিঘাট থেকেই চারহাতে প্রকাশমান হয়েছে ও হবে। তো সাম্প্রদায়িকতার আলোচনাতে পব-র প্রেক্ষিতে তিনোকেই তো গাল দেওয়া উচিত।

কে কার হাতে খেলছে?

https://www.youtube.com/watch?v=alvrwIVI12g
Avatar: Atoz

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

দুর্জয় ঘাঁটিটা এরকম ঢোঁড়াদের হাতে থাকলে সাম্প্রদায়িক শক্তির পোয়াবারো। লোকে এখনও যদি ভাবে মুলোগুলো দুর্গরক্ষা করবে, তাহলে হাতে পেনসিলও থাকবে না।
বামেদের ফিরতে হবে, দরকার হলে নতুন নাম নিয়ে। অনেকের বাম নামে অ্যালার্জী, তাহলে সেটাকে বাইপাস করা যাবে।
(ভাবুন, তিন তিনটে দশক, বিঘ্ন বিপদ তো কম ছিল না, এইরকম তোষণ ফোষণের ব্যাপার আগে শোনা গেছে? এ তো পরিষ্কার সম্প্রদায়-বিভাজন তোল্লাই দেওয়া! আরে, পড়াশোনা চাকরি খাদ্য বস্ত্র আশ্রয় এসব কি সম্প্রদায়সাপেক্ষ নাকি ? সবাইকে সহনাগরিক হিসেবে সমানভাবে ট্রীট করা হবে না কেন? সম্ভব নয় তা তো না, কারণ বামেরা সেটা তো পারছিল খানিকটা হলেও। )

Avatar: sm

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

প্রথমেই ভাবা দরকার,ত্রিপুরা তে বিজেপি কিভাবে ক্ষমতায় এলো?
কেরালা তে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হচ্ছে কি ভাবে?
প ব তে বামেদের ভোট প্রায় কুড়ি শতাংশ কমলো আর বিজেপির প্রায় সমপরিমাণ বাড়লো কেন?
চৌত্রিশ বছর ক্ষমতায় থেকে,বামেরা গদি ছাড়া কিছু বোঝে না।মাঠে নেমে লড়াই করতে ভুলে গেছে। ফোকটাই ক্ষমতা কিভাবে পাবো,সেদিকেই বেশি নজর।
এর জন্য তলে তোলে বিজেপি সাপোর্ট জারী ও থাকবে।
এটা রাজনীতির অঙ্গ।খালি আমরা অফসাইড থেকে গোল দেবো আর বাকীরা করলেই, রেফারী কেন বাঁশী বাজাচ্ছে না,সেই নিয়ে ছিল চিৎকার করবো;সেটা ঠিক না।
Avatar: Du

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

মমতা ও তৃণমূলের কোন বিবৃতি পড়তে বা শুনতে পেলাম না রায় নিয়ে। ওয়াক আউট স্ট্র্যাটেজি অ্যাজ ইউজুয়াল?
Avatar: PT

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

"ত্রিপুরা তে বিজেপি কিভাবে ক্ষমতায় এলো?"
তিনোদের হাত ধরে। কংগ্রেসের লোকগুলো প্রথমে তিনো দলে যোগ দেয় আর তারপরে বিজেপিতে গিয়ে কং-এর পুরো ভোটটা বিজেপিতে ট্রান্সফার করায়। এ নিয়ে আর তক্ক না করাই ভাল। বামেরা সেই ভোটে 42.7% (-5.51%) আর বিজেপি 43% (+41.5%) ভোট পেয়েছে। তিনোরা গিয়ে বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কাজ না করলে হয়্ত ফলাফল অন্যরকম হত।

"কেরালা তে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হচ্ছে কি ভাবে?"
সেখানে শুধু বামেদের ঘাড়ে দোষ চাপানো অযৌক্তিক। কেননা সেখানে কং-ও প্রায় সম পরিমাণে শক্তিশালী। কেরালার সাম্প্রতিকতম খবরঃ
"Kerala Bypolls: CPI-M Wrests Konni Assembly Seat from Congress after 23 Years; BJP Fails to Leave a Mark"
তবে কেরালাবাসীর সৌভাগ্য যে ওখানে তিনোরা নেই।

"প ব তে বামেদের ভোট প্রায় কুড়ি শতাংশ কমলো আর বিজেপির প্রায় সমপরিমাণ বাড়লো কেন?"
এটা জাস্টিফাই করার কিছু নেই। কিন্তু শহরের বাইরে বেরোলে (বা অন্য রাজ্যে বসে বক্তিমে না ঝেড়ে রাজ্যে এসে থাকলে) বুঝতে পারবেন যে তিনোদের সীমাহীন অত্যাচার স্থানীয় স্তরে মানুষকে ঠেলে দিয়েছে বিজেপির দিকে। সেটা নিতান্তই প্রাণ ও সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য। পুরভোটে সেই হিমশৈলের চূড়ার একটুমাত্র নিদর্শন দেখতে পেয়েছিল শহরবাসী বা অন্য রাজ্যবাসীরা।
Avatar: Amit

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

কেন মমব্যান কোবতে লিখে প্রতিবাদ করলেন তো।
Avatar: আচ্ছা

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদের কি খবর? গর্জে উঠেছেন?
Avatar: dc

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

এই বোকাচোদা পিটিদা আবার খোঁচাতে শুরু করেছে। শুওরটা এমন মেরুদন্ডহীন কাপুরুষ যে সরাসরি বলতেও পারেনা, আবার ভিজে বেড়ালের মতো মতো ঘুরিয়ে বলতে যাবে অন্য রাজ্যে বসে বক্তিমে না ঝাড়ার কথা। পুরো বাঞ্চোতের বাচ্চা একটা।
Avatar: PT

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

পথিক আপনি পথ হারাইয়াছেন। যুক্তির অভাবে এখন কাঁচা খিস্তিই ভরসা। আর আমাকে গাল দেবেন দিন। আমার পিতৃদেবকে কেন গাল দিচ্ছেন? তিনি তো আপনার সঙ্গে তক্কে জড়াননি।

মাথা ঠান্ডা করুন। ভেবে দেখুন ঠিক করছেন কিনা। এই ভাষা কারো বক্তব্যেই শোভা পায় না।
Avatar: b

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

Comment from dc on 11 November 2019 09:49:04 IS
ডিসি-কে বলিঃ বক্তব্য পছন্দ না হলে ইগনোর করুন। আর এই ভাষা কি মাদ্রাজী ডিসি-র?
Avatar: TP

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

"ত্রিপুরা তে বিজেপি কিভাবে ক্ষমতায় এলো?"
এটা জাস্টিফাই করার কিছু নেই। কিন্তু শহরের বাইরে বেরোলে (বা অন্য রাজ্যে বসে বক্তিমে না ঝেড়ে রাজ্যে এসে থাকলে) বুঝতে পারবেন যে বামেদের সীমাহীন অত্যাচার স্থানীয় স্তরে মানুষকে ঠেলে দিয়েছে বিজেপির দিকে। সেটা নিতান্তই প্রাণ ও সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য।

"প ব তে বামেদের ভোট প্রায় কুড়ি শতাংশ কমলো আর বিজেপির প্রায় সমপরিমাণ বাড়লো কেন?"
বামেদের হাত ধরে। বামেরা বিজেপিতে গিয়ে বাম-এর পুরো ভোটটা বিজেপিতে ট্রান্সফার করায়। এ নিয়ে আর তক্ক না করাই ভাল। তিনোরা সেই ভোটে 43.29% (+3.5%) আর বিজেপি 40.22% (+20%) ভোট পেয়েছে। বামেরা বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কাজ না করলে হয়্ত ফলাফল অন্যরকম হত।

Avatar: sm

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

গালা গালি খুব ই খারাপ জিনিষ। পিটি র যুক্তির বিপরীতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরুন।
যদিও গালা গালি দিলে কিছু এসে যাবার কথা নয়।কিন্তু পার্সোনাল হার্ট তো হয়।
এবার আসি রাজনীতি প্রসঙ্গে। পব তে বামেদের বিজেপি নিয়ে কোন রকম বক্তব্যের ই মূল্য নাই।কারণ বামেরা বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়েছে।প্রথমে কলকারখানা বন্ধ করে শ্রমিক দের,তার পর সিঙ্গুর,নন্দীগ্রাম করে কৃষক দের।
এখন তলে তলে বিজেপি সাপোর্ট করে,সেক্যুলার জনগণের বিশ্বাস হীনতার শিকার হযেছেন।
দেখুন, পিটি র বক্তব্য অনুযায়ী ত্রিপুরা তে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল ও তার পর তৃণমূল ছেড়ে লোকজন বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে।সব ই হয়েছে ওপেন।
কিন্তু পব তে হয়েছে তলে তলে।জনগন ছাগল হলেও,এটুকু তো বুঝতে পারে।
তারা জানে,বামেদের ভোট দেওয়া মানে ভোট নষ্ট করা।
এর চেয়ে তিনোরা বেটার অপশন।
নয়তো দলে দলে কর্মী ও নেতারা তিনোমুলে ব্যাক করে?
Avatar: cpm

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

অন্য রাজ্যে বসে বক্তিমে ঝাড়বি কেন বে? আমাদের কখনও অন্য রাজ্যে বসে কিউবা আমেরিকা ভিয়েতনাম গুজরাট নিয়ে বক্তিমে ঝাড়তে শুনেছিস?
Avatar: dc

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

b, হ্যাঁ আমি মাদ্রাজি ডিসি বা চেন্নাইয়ের ডিসি ঃ-)

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 21 -- 40


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন