বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

শুভাশিস মৈত্র

রামজনমভূমি-বাবরি মসজিদ নিয়ে শীর্ষ আদালতের ৫ সদস্যের বেঞ্চের রায়ে যা বলা হয়েছে, এই কথাটাই তো ৩০ বছর আগে বলেছিলেন এল কে আদবানি। তখনও মসজিদ ভাঙা হয়নি, ১৯৮৯ সালে তাঁর সমাধানসূত্র ছিল মসজিদকে তুলে নিয়ে গিয়ে (রিলোকেট) নতুন জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হোক, আর সেই জায়গায় মন্দির তৈরি হোক। মসজিদ ভেঙে দেওয়ার পর, আদবানি একদিকে বলেছিলেন, সেদিনটা (৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২) নাকি ছিল (মাই কান্ট্রি মাই লাইফ) তাঁর জীবনের সব থেকে দুঃখের দিন। আর বলেছিলেন, ভারতে এমন কোনও রাজনৈতিক দল নেই যে দল প্রকাশ্যে ঘোষণা করতে পারে যে তারা ক্ষমতায় এলে নতুন করে ওই খানেই বাবরি মসজিদ তৈরি করে দেবে। শনিবার, ৯ নভেম্বর, শীর্ষ আদালতের রায় শোনার পর এই কথাগুলোই মনে পড়ে গেল।

১৯৯২ সালের ৫ ডিসেম্বর রাত আটটা নাগাদ আমরা দু’তিন জন সাংবাদিক হেঁটে হেঁটে ফৈজাবাদ থেকে বড় রাস্তা ধরে অযোধ্যার দিকে যাচ্ছিলাম। বড় রাস্তার ধারেই পড়ে বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটির এক উকিলের বাড়ি। এখন আর নাম নেই। কাজ করতে গিয়েই ভদ্রলোকের সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। তাঁর দোতলা বাড়ির একতলার দরজার কড়া নেড়েই চলেছি। সাড়া-শব্দ নেই। মিনিট পাঁচেক পরে দোতলার জানলা খুলল। এক বৃদ্ধার মুখ। পরিচয় দিলাম চিৎকার করে, যাতে উপর থেকে শুনতে পান। তার পর তাঁর ছেলে, সেই উকিল নেমে এলেন। একটু কথার পর দেখি পেছনে সেই বৃদ্ধা দাঁড়িয়ে। আমাদের বললেন, ‘দয়া করে আপনাদের ঈশ্বরের কাছে আমাদের জন্য একটু প্রার্থনা করবেন’। আমরা অভয় দিয়ে বললাম, না না দেখবেন কিছুই হবে না। পরের দিন ৬ ডিসেম্বর চোখের সামনে ধ্বংস হল এক ঐতিহাসিক স্থাপত্য। তা দেখে দিল্লির এক মহিলা সাংবাদিক কেঁদে ফেলেছিলেন। তাতে তিনি মুসলিম, এই ভেবে তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল কয়েক জন। অনেক সাংবাদিক আক্রান্ত হলেন। অনেকের ক্যামেরা ভেঙে দেওয়া হল। গাড়ি খুঁজে না পেয়ে রাতে যখন হেঁটে প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ, ফৈজাবাদ ফিরছি, দেখলাম রাস্তার মোড়ে মোড়ে জল, মিষ্টি বিতরণ চলছে। তার পরের দিন ৭ তারিখে আমরা অনেকেই ওই এলাকায় ঢুকতে পারিনি। ৮ তারিখে সকালে যখন ফের অযোধ্যা যাচ্ছি তখন চোখে পড়ল এখানে ওখানে বাড়ি জ্বলছে। কোথাও কোনও লোক-জন নেই। নেই ফায়ার ব্রিগেডও। জ্বলছে সেই উকিলের বাড়িও। ১৯৮৪-র মাত্র দু’টি আসন থেকে ১৯৯৬ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়ে উঠতে বিজেপি সব থেকে বেশি নির্ভর করেছে এই রাম মন্দির আন্দোলনের উপর। বহু রক্তপাত, বহু মৃত্যু হয়েছে এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে, এবং প্রায় সব ক্ষেত্রেই নিহত হয়েছে সংখ্যালঘু মানুষেরা। গুজরাট দাঙ্গার সঙ্গেও এই আন্দোলের যোগ ছিল। শনিবারের শীর্ষ আদালতের রায় কি আমাদের এই অভিশাপ থেকে মুক্তি দেবে? যদি দেয় ভাল!

বিজেপির তিনটে প্রধান দাবি ছিল। বা বলা ভালো অ্যাজেন্ডা ছিল। তার আড়াই খানা পূর্ণ হল। ৩৭০ হয়ে গিয়েছে। তাৎক্ষণিক তিন তালাকের মধ্যে দিয়ে ইউনিফর্ম সিভিল কোডের অর্ধেকটা হয়ে রয়েছে। ‘মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে’ স্লোগানও শীর্ষ আদালতের সিলমোহর পেয়ে গেল ৯ নভেম্বর, শনিবারের রায়ে। 

যে তিনটি বিষয় বিজেপির বিরুদ্ধে গেল, তা নিয়ে বিজেপির আপাতত কোনও মাথা ব্যথা না থাকলেও, ইতিহাসে থেকে যাবে সেই তথ্যও। সেগুলি হল-
আদালত বলেছে, মন্দির ভেঙে যে মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল, তার প্রমাণ মেলেনি। 
১৯৪৯ সালে ফৈজাবাদের জেলাশাসক কে ডি নায়ার মসজিদে রামের মূর্তি ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৫২ সালের নির্বাচনে তিনি উত্তরপ্রদেশ থেকে জনসঙ্ঘের প্রার্থী হন। সেই কাজ বেআইনি হয়েছিল, শীর্ষ আদালত বলেছে।
১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ যারা ভেঙেছিল, তারা বেআইনি কাজ করেছিল, অপরাধমূলক কাজ ছিল সেটা। প্রসঙ্গত আদবানি, মুরলিমনোহর যোশী, উমাভারতী সহ এক দল বিজেপি নেতা নেত্রীর বিরুদ্ধে সেই মামলা এখনও চলছে। 
এই তিনটে বিষয় বাদ দিলে, এই মামলার রায়ে বিজেপি জয়ই দেখবে। কিন্তু প্রশ্ন একটা থেকেই যায়, শেষের তিনটে কাজ যদি বেআইনি হয়, তাহলে সেখানে ফের মন্দির কেন? তথ্য-প্রমাণের থেকেও কি এই ক্ষত্রে ‘হিন্দুও কা ভাওনা’ বেশি গুরুত্ব পেল?
এখনও পর্যন্ত যা ছবি, তাতে এই রায় নিয়ে তেমন উন্মাদনা চোখে পড়ছে না। সামনেই ঝাড়খণ্ড বিধানসভার ভোট। একদা রাম মন্দির নামের এই গরুটি দুইয়ে যত সোনা উদ্ধার হয়েছে, এখনও তাই হবে কি না, এই ভোটের ফল বেরোলে তার আন্দাজ পাওয়া যাবে। কারণ ৩৭০-র প্রভাব মহারাষ্ট্র-হরিয়ানা ভোটে কোনও প্রভাব না ফেলায় হিন্দুত্ববাদী নেতারা বেশ চিন্তায়ই রয়েছেন।
 



851 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ বুলবুলভাজা 
শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 31 -- 50
Avatar: PT

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

"ত্রিপুরা তে বিজেপি কিভাবে ক্ষমতায় এলো?"
তিনোদের হাত ধরে। কংগ্রেসের লোকগুলো প্রথমে তিনো দলে যোগ দেয় আর তারপরে বিজেপিতে গিয়ে কং-এর পুরো ভোটটা বিজেপিতে ট্রান্সফার করায়। এ নিয়ে আর তক্ক না করাই ভাল। বামেরা সেই ভোটে 42.7% (-5.51%) আর বিজেপি 43% (+41.5%) ভোট পেয়েছে। তিনোরা গিয়ে বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কাজ না করলে হয়্ত ফলাফল অন্যরকম হত।

"কেরালা তে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হচ্ছে কি ভাবে?"
সেখানে শুধু বামেদের ঘাড়ে দোষ চাপানো অযৌক্তিক। কেননা সেখানে কং-ও প্রায় সম পরিমাণে শক্তিশালী। কেরালার সাম্প্রতিকতম খবরঃ
"Kerala Bypolls: CPI-M Wrests Konni Assembly Seat from Congress after 23 Years; BJP Fails to Leave a Mark"
তবে কেরালাবাসীর সৌভাগ্য যে ওখানে তিনোরা নেই।

"প ব তে বামেদের ভোট প্রায় কুড়ি শতাংশ কমলো আর বিজেপির প্রায় সমপরিমাণ বাড়লো কেন?"
এটা জাস্টিফাই করার কিছু নেই। কিন্তু শহরের বাইরে বেরোলে (বা অন্য রাজ্যে বসে বক্তিমে না ঝেড়ে রাজ্যে এসে থাকলে) বুঝতে পারবেন যে তিনোদের সীমাহীন অত্যাচার স্থানীয় স্তরে মানুষকে ঠেলে দিয়েছে বিজেপির দিকে। সেটা নিতান্তই প্রাণ ও সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য। পুরভোটে সেই হিমশৈলের চূড়ার একটুমাত্র নিদর্শন দেখতে পেয়েছিল শহরবাসী বা অন্য রাজ্যবাসীরা।
Avatar: Amit

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

কেন মমব্যান কোবতে লিখে প্রতিবাদ করলেন তো।
Avatar: আচ্ছা

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদের কি খবর? গর্জে উঠেছেন?
Avatar: dc

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

এই বোকাচোদা পিটিদা আবার খোঁচাতে শুরু করেছে। শুওরটা এমন মেরুদন্ডহীন কাপুরুষ যে সরাসরি বলতেও পারেনা, আবার ভিজে বেড়ালের মতো মতো ঘুরিয়ে বলতে যাবে অন্য রাজ্যে বসে বক্তিমে না ঝাড়ার কথা। পুরো বাঞ্চোতের বাচ্চা একটা।
Avatar: PT

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

পথিক আপনি পথ হারাইয়াছেন। যুক্তির অভাবে এখন কাঁচা খিস্তিই ভরসা। আর আমাকে গাল দেবেন দিন। আমার পিতৃদেবকে কেন গাল দিচ্ছেন? তিনি তো আপনার সঙ্গে তক্কে জড়াননি।

মাথা ঠান্ডা করুন। ভেবে দেখুন ঠিক করছেন কিনা। এই ভাষা কারো বক্তব্যেই শোভা পায় না।
Avatar: b

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

Comment from dc on 11 November 2019 09:49:04 IS
ডিসি-কে বলিঃ বক্তব্য পছন্দ না হলে ইগনোর করুন। আর এই ভাষা কি মাদ্রাজী ডিসি-র?
Avatar: TP

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

"ত্রিপুরা তে বিজেপি কিভাবে ক্ষমতায় এলো?"
এটা জাস্টিফাই করার কিছু নেই। কিন্তু শহরের বাইরে বেরোলে (বা অন্য রাজ্যে বসে বক্তিমে না ঝেড়ে রাজ্যে এসে থাকলে) বুঝতে পারবেন যে বামেদের সীমাহীন অত্যাচার স্থানীয় স্তরে মানুষকে ঠেলে দিয়েছে বিজেপির দিকে। সেটা নিতান্তই প্রাণ ও সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য।

"প ব তে বামেদের ভোট প্রায় কুড়ি শতাংশ কমলো আর বিজেপির প্রায় সমপরিমাণ বাড়লো কেন?"
বামেদের হাত ধরে। বামেরা বিজেপিতে গিয়ে বাম-এর পুরো ভোটটা বিজেপিতে ট্রান্সফার করায়। এ নিয়ে আর তক্ক না করাই ভাল। তিনোরা সেই ভোটে 43.29% (+3.5%) আর বিজেপি 40.22% (+20%) ভোট পেয়েছে। বামেরা বিজেপির এজেন্ট হিসেবে কাজ না করলে হয়্ত ফলাফল অন্যরকম হত।

Avatar: sm

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

গালা গালি খুব ই খারাপ জিনিষ। পিটি র যুক্তির বিপরীতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরুন।
যদিও গালা গালি দিলে কিছু এসে যাবার কথা নয়।কিন্তু পার্সোনাল হার্ট তো হয়।
এবার আসি রাজনীতি প্রসঙ্গে। পব তে বামেদের বিজেপি নিয়ে কোন রকম বক্তব্যের ই মূল্য নাই।কারণ বামেরা বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়েছে।প্রথমে কলকারখানা বন্ধ করে শ্রমিক দের,তার পর সিঙ্গুর,নন্দীগ্রাম করে কৃষক দের।
এখন তলে তলে বিজেপি সাপোর্ট করে,সেক্যুলার জনগণের বিশ্বাস হীনতার শিকার হযেছেন।
দেখুন, পিটি র বক্তব্য অনুযায়ী ত্রিপুরা তে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল ও তার পর তৃণমূল ছেড়ে লোকজন বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে।সব ই হয়েছে ওপেন।
কিন্তু পব তে হয়েছে তলে তলে।জনগন ছাগল হলেও,এটুকু তো বুঝতে পারে।
তারা জানে,বামেদের ভোট দেওয়া মানে ভোট নষ্ট করা।
এর চেয়ে তিনোরা বেটার অপশন।
নয়তো দলে দলে কর্মী ও নেতারা তিনোমুলে ব্যাক করে?
Avatar: cpm

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

অন্য রাজ্যে বসে বক্তিমে ঝাড়বি কেন বে? আমাদের কখনও অন্য রাজ্যে বসে কিউবা আমেরিকা ভিয়েতনাম গুজরাট নিয়ে বক্তিমে ঝাড়তে শুনেছিস?
Avatar: dc

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

b, হ্যাঁ আমি মাদ্রাজি ডিসি বা চেন্নাইয়ের ডিসি ঃ-)
Avatar: PT

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

@TP
"বুঝতে পারবেন যে বামেদের সীমাহীন অত্যাচার স্থানীয় স্তরে মানুষকে ঠেলে দিয়েছে বিজেপির দিকে।"
ত্রিপুরা সম্পর্কে আমার কোনই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নেই। ধরে নিচ্ছি যে আপনি ত্রিপুরাবাসী এবং আপনার বক্তব্যই সঠিক। তবে এই "সীমাহীন" অত্যাচারের খবর বাংলার তীব্র বাম-বিরোধী কাগজে কেন ছাপা হল না কে জানে!! আর সেই সীমাহীন অত্যাচারের কারণে প্রায় ৪০% কংগ্রেসের (বা তিনোর ভোট) কেন বিজেপিতে গেল সেটাও ব্যাখ্যা করা যায়্না। ভোটটা তো তিনো বা কং-এই থাকতে পারত এবং বামেদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া যেত।

"বামেরা বিজেপিতে গিয়ে বাম-এর পুরো ভোটটা বিজেপিতে ট্রান্সফার করায়।"
এটা ১০% সত্য। আপনি তাহলে কি পব-তে থাকেন না? ত্রিপুরার মত তিনো থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে বিজেপিতে নেতা ট্রান্সফার হওয়ার মতন কোন ঘটনা পব-তে ঘটেনি। আর যতদিন বামেরা ক্ষমতায় ছিল ততদিন বিজেপি ৫-৬%-এর কাছাকাছি ছিল। তাই পব-তে বিজেপির উত্থান সম্পূর্ণটাই তিনোদের স্নেহচ্ছায়ায়। এমনকি পবার কং-ও দেরীতে হলেও স্বীকার করেছে সে কথাঃ
"Mamata Banerjee is solely responsible for the rise of BJP and RSS in Bengal. Had she not pursued the policy of blatant minority appeasement, BJP wouldn't have found a footing in Bengal.
"Her policy of removing all opposition, poaching on opposition leaders and representatives has only led to the rise of BJP. Now she has no right to complain about it," Mitra told reporters.
//economictimes.indiatimes.com/articleshow/69704144.cms?from=mdr&utm_source=contentofinterest&utm_medium=text&utm_campaign=cppst
Avatar: cm

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

কং মানে? যারা ত্রিপুরায় নিজেদের ভোট বিজেপিতে ট্রান্সফার করেছিল? তাদের হাত ধরে বিজেপিকে ঠেকানোর খোয়াব কারা দেখছে? তাদের তো রাজনৈতিক বালখিল্য-র খিল্য-ও বলা যাবে না।
Avatar: sm

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

কিন্তু পব তেও একই ব্যাপার।খালি কংগ্রেস এর জায়গায় বাম শব্দ টি বসিয়ে নিলেও হয়।
Avatar: r2h

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

TP 11 November 2019 10:09:19 - ত্রিপুরায় সীমাহীন অত্যাচারের গল্পটা খুব হয়, কিন্তু ঠিক কিরকম সীমাহীন অত্যাচার হয়েছে সেই নিয়ে কিছু শুনতে পাইনা।
স্বাভাবিক ভাবেই পঁচিশ বছরে সব ঠিকাঠাক চলেনি, ছোট বড় মেজো নেতাদের মধ্যে সুযোগসন্ধানী ঢুকেছে - এইসব হয়েছে। এত বছরে পরিবর্তন একটা দরকার ছিলই হয়তো, বিকল্পটা বিজেপিই হতে হলো সেইটা ভয়ের। স্থিতাবস্থাবিরোধী ভোটও একটা বড় ফ্যাকটর হতে পারে, বামেরা হেরেছে। কিন্তু সীমাহীন অত্যাচার ইত্যাদি কাকে বলে সেই অভিজ্ঞতা জোট সরকারের আমলে মানুষের হয়েছিল, এবং তার জন্যেই মাত্র একটা টার্ম পরে বাম ফিরেছিল।
আমার মতে ত্রিপুরার বামেদের একটা বড় ব্যর্থতা আরএসএসের উত্থানকে দেখতে/ চিনতে/ আটকাতে না পারা। স্থিতাবস্থাবিরোধী ভোট বড় কারন না বহু বছর ধরে আরএসএস ইত্যাদিদের প্রচার বড় কারন তা নিয়ে আমার একটু সন্দেহ আছে।

এছাড়া গত বাম আমলে অনেক কিছুই তো হয়েছে; সরকারী স্কুল, হাসপাতাল, রাস্তাঘাট ইত্যাদির চোখে পড়ার মত পরিবর্তন হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা ভালো ছিল (আমি অব্শ্য ব্যুরো রিপোর্ট/ স্ট্যাট দেখে তুলনামূলক তথ্য বলছি না, ওটা দেখলে সারা দেশের নিরিখে বোঝা যাবে; আমি খবরের কাগজে কি খবর টবর বেরিয়েছে ঐ সূত্রে বলছি); উগ্রপন্থা ইত্যাদির দিক থেকে দেখলে সারা দেশের কাছে উদাহরণযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

আর নিরাপত্তাহীনতা, আইন শৃঙ্খলা, "সীমাহীন অত্যাচার", এইসব কোন পথে যাচ্ছে তার খবর ত্রিপুরার যেকোন খবরের কাগজ খুললে প্রতিদিনই পাওয়া যাচ্ছে, ও নিয়ে বিশেষ বলার কিছু নেই। ত্রিপুরা এক এমন রাজ্যে পরিনত হয়েছে যেখানে খোদ শিক্ষা ও আইনমন্ত্রী অন ক্যামেরা কিডনি চুরির গুজব ছড়ান ও সেই গুজবের জেরে গুজব বিরোধী অভিজানের সরকারী প্রচারক গণপ্রহারে খুন হয়ে যান ও সেই খুনের ভিডিও ফেসবুকে ঘোরে।
এমন রাজ্য হয়েছে যেখানে রাজ্যের মুখমন্ত্রীয় ছেলে পুজো প্যান্ডলে বন্দুক হাতে পোজ দিয়ে ছবি তোলে।
Avatar: PT

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

ত্রিপুরায় বামেদের "সীমাহীন অত্যাচার" সত্যি না হয়ে খিল্লি হলে সেটা বিজেপির হাত-ই শক্ত করবে। গুজব এইভাবেই শুরু হয় যেমনটি সিদ্দিকুল্লারা তিনো ও অতিবদ অতিবামেদের সহায়তায় নন্দীগ্রাম নিয়ে করেছিল।
Avatar: b

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

আচ্ছা, এসেম আর পিটির অপূর্ব যুগলবন্দীতে না হয় যেকোনো গানই কুমীরের শীৎকারে কনভার্জ করে যায় ।

বাকিরাও ধেই নৃত্য করে তাল দ্যান কেন?


Avatar: PT

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

কুমিরের শীৎকার শুনেছেন এমন একজনকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া গেল!!
Avatar: এলেবেলে

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

এখানে ডিসির গালাগাল দেখে খুবই খারাপ লাগল। হতবাকই হলাম বলা ভালো। আপনারা মনের ভেতরে এত বিদ্বেষ পুষে রাখেন? আবারও বলছি, গত সাড়ে চার বছরে এই ডিসিকে আমি দেখিনি।
Avatar: রিভু

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

আমি পার্সোনালি খুবই আহত হয়েছি ডিসির গালাগাল দেখে। ওনার এতো লেখা পড়েছি, গুণমুগ্ধ বললে কম বলা হয়না। তাঁর এই ভাষার ব্যবহার অকল্পনীয়।

পিটির এই যে কোনো সূত্রে সিপিএম টেনে আনার ব্যাপারটা অসম্ভব বিরক্তিকর। তা সত্ত্বেও এই ধরণের কথাবার্তা শোক (শক লিখতে গিয়ে ভুল করেছিলাম, কিন্তু ভেবে দেখলাম ভুলটাই রেখে দিই) দেয়।
Avatar: :)

Re: শীর্ষ আদালতের রায়ে বিজেপির আড়াই খানা অ্যাজেন্ডা পূর্ণ হল

ডিসির এই কোলাপ্স, যাকে কেতাবী ভাষায় বলে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙা, লোকজনের এরকম মাঝে মাঝে দেখলেই বুঝবেন সংযম কী বস্তু। বিগত এতগুলি বছর এই সংযম বজায় রাখা কী কঠিন! অথচ দেখুন একটুও অঙ্কার দেখিয়েছি কোনো দিন এই নিয়ে? হাস্যমুখে... ইত্যাদি।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 31 -- 50


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন