বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

শুভাশিস মৈত্র

দিন কয়েক আগে ট্যাক্সিত উঠতে গিয়ে দেখি গাড়ির সামনের কাচে লেখা ‘ইলাহি ভরসা’। ইলাহি মানে ঈশ্বর। হরিচরণেও তাই বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা যখন বলি এ(ই)লাহি কাণ্ড কারখানা, এলাহি খাবার-দাবার, এলাহি বন্দোবস্ত। তখন সেখানে ঈশ্বর কোথায়। এভাবেই হয়তো কোনও শব্দ প্রসারিত হয়, বড় হয়, কোনও শব্দ আবার সঙ্কুচিত হয়ে যায়। হারিয়ে যায় কোনও শব্দ। কোনও শব্দ বেঁচে থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ নিয়ে। অতি খারাপ লেখা, নিম্ন মানের লেখাকে গর্ভশ্রাবের সঙ্গে তুলনা করতে দেখা যায়। এই শব্দটি দিয়ে তুলনার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে শবরীমালার কুসংস্কার। যা সুপ্রিম কোর্টের রায়কেও চোখ রাঙায়। রাজশেখর বসুর দাদা শশীশেখর বসু তাঁর ‘শব্দের জাত’ প্রবন্ধে লেখকের নাম উল্লেখ না করে লিখেছেন, “প্রথম এডিশনে সন্তান ‘মাই খাচ্ছে’, দ্বিতীয় এডিশনে দেখি ‘স্তন্য পান’ করছে। ক্ষুধায় কাতর সন্তান সম্বন্ধেও আমাদের এত কুণ্ঠা।.....আমরা মনের কলুষ একটা শব্দের উপর প্রক্ষেপ করে আমাদের পাপ বিদায় করি ও সাধু সাজি। তাই বর্জিত শব্দ উচ্চারণে এত ভয়’। এমনই ঘটনার প্রমাণ পেলাম ১৫ অক্টোবরের বাংলা কাগজ খুলে। দমদমে সকেট বোমা বিস্ফোরণে এক শিশুর মৃত্যু হয়। তার পর আরেক জনের মৃত্যু হয় আর জি কর হাসপাতালে দিন কয়েক বাদে। ১৪ অক্টোবর মৃত্যু হয় শরৎ শেঠির (৫০)।খবরের কাগজে লেখা হয়েছে শরৎ শেঠি ছিলেন পেশায় রজক। ধোপা লেখা গেল না। কারণ এই পেশাকে আমরা ‘ছোট’ করে দিয়েছি অনেক আগেই।তাই মৃত ব্যক্তিকে সম্মান জানাতে বলতে হচ্ছে রজক। ধোপা বাংলায় অতি প্রাচীন শব্দ।মঙ্গল কাব্যেও এই শব্দ রয়েছে। প্রকৃত অর্থে রজক এবং ধোপা এক নয়, সেটাও ঠিক। তবে আধুনিক অভিধানে দুটি শব্দকে সমার্থক করে দেওয়া হয়েছে।

বজ্রডঙ্কুশ বা উদংষ্টিট্টিভ। এর মানে কী? শশীশেখর তাঁর ছেলের নাম রেখেছিলেন মৃগাঙ্কভূষণ। স্কুলে একদিন ছাত্রের মুখে বাবার নাম শুনে শিক্ষক বললেন,‘সেকী! শশীশেখরের ছেলের নাম মৃগাঙ্কভূষণ কেন? বাবাকে বল নাম বদলে মৃগাঙ্কশেখর করে দিতে। ছেলে বাবাকে বাড়ি ফিরে সেকথা বলতে শশীশেখরের জবাব, ‘মাস্টারকে বলিস আমার ছেলের নাম আমি বজ্রডঙ্কুশ রাখব না উদংষ্টিট্টিভ রাখব, তাতে মাস্টারের কী। এরকমই নতুন শব্দ সুকুমার রায়ের হিজবিজবিজ, কুমড়োপটাশ, কাঁকড়ামতী নদী বা ল্যাগব্যাগর্নিস পাখি। এরা কেউ বাস্তবে নেই, কিন্তু নাম থেকেই এদের কী কোনও ছবি মনে আসে? বা সুকুমার এই সব চরিত্রের চেহারার যে বর্ণনা লিখে গেছেন, মনে হয় নাকি, সেসব এক্কেবারে সঠিক! শব্দের এটাই শক্তি, এটাই জোর।

দুটি আপাত সম্পর্কহীন শব্দ কবিতায় পাশাপাশি বসে ভিন্ন এক অনুভব তৈরি করে, এমনটা কবিতায় প্রায়ই দেখা যায়। যখন বিনয় মজুমদার লেখেন, ‘আরও কাছে টেনে নাও, চিরকাল একত্রিত হয়ে থাকো- এই আমার সর্বদা সত্য অনুরোধ ’। সত্য এবং অনুরোধ কাছাকাছি এসে, মনে হয় যেন একটা নতুন শব্দের সৃষ্টি হল। বা বিনয় যখন লেখেন, ‘ আনন্দিত নিয়মেরা , আমাদের ইচ্ছা অনিচ্ছারা স্বকীয় মাধ্যমে স্নিগ্ধ ভালোবাসা ব্যক্ত করে যায়’, তখন ‘আনন্দিত নিয়ম’, নিয়ম এবং আনন্দকে ছাড়িয়ে অন্য এক বোধের জন্ম দেয়। শব্দের এই কেমিস্ট্রি, আমরা ব্যাখ্যা করতে পারি না, কিন্তু আমরা জানি।

সন্ত্রাসবাদীরা যে শব্দটা আমাদের ভোকাবুলারি থেকে কার্যত ছিনিয়েই নিয়েছে তার নাম ‘লস্কর’। এই লস্কর শব্দটা আমরা আজকাল প্রায় ব্যবহারই করি না, যদি না লস্কর-ই-তৈবা নতুন করে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ঘটায়। লস্কর-ই-তৈবার অর্থ মঙ্গলের সৈন্য, ভাল কাজের সেনা, ন্যায়নিষ্ঠার সৈন্য, অথবা নিষ্পাপ সৈন্য। যদিও ১৯৯০ সালে আফগানিস্তানে জন্ম নেওয়া পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত এই সংগঠনের প্রধান কাজই হল ধর্মের নামে নিষ্পাপ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা।

অতীতে কিন্তু লস্কর শব্দ নিয়মিত এমনকী কবিতায়ও ব্যবহার হত। যেমন ১৬০৩ সালে আকবরের বঙ্গদেশ জয়ের জন্য সেনা বাহিনী পাঠানোর কথা লেখা আছে ভারতচন্দ্রের কবিতায়, ‘আগে পাছে দুই পাশে দু’সারি লস্কর। চলেন মানসিংহ যশোহর নগর’।। লস্কর মানে ফৌজ, সেনা। কথাটা ফারসি। বাংলায় অবশ্য আর একটা কথা আছে লস্কর নিয়ে। সেটা হল, ‘গদাই লস্করি চাল’। মোটেই ভালো অর্থে ব্যবহার হয় না। হরিচরণ যার অর্থ বলেছেন, লৌহময় অস্ত্র, যাহা মেঘবৎ শব্দ করে, সেই ভারি বস্তুটি নিয়ে তো আর দৌড়ানো যায় না, একটু মৃদুমন্দই হয় সেই যোদ্ধার গতি, সেই চলনকে বলা হত গদাই লস্করি চাল। আর গদাবিহীন যে ব্যক্তির ওই গদাই লস্করি চাল রয়েছে, তার অর্থ, কাজে উদ্যমহীনতা, কুঁড়েমি। যদিও ‘লস্করি চাল’-এর অর্থ হল, টগবগ করে হাঁটা, অভিধানে যার অর্থ বলা হয়েছে, লস্করের ন্যায় নিয়ন্ত্রিত চলন।

আমার এক শিক্ষক বন্ধুর কাছে গল্পটা শোনা। ভালো স্কুলের এক ছাত্র। শহরে থাকে। চাল-ডালের খবর তেমন জানা নেই। সে তার খাতায় ‘গদাই লস্করি চাল’ নিয়ে একটা বাক্য রচনা করতে গিয়ে লিখেছিল, এ বছর প্রবল বর্ষায় শস্যের বিপুল ক্ষতি হয়েছে, গদাই লস্করি চালের দাম এখন ৬০ টাকা কেজি।

কলিম খান এবং রবি চক্রবর্তীর লেখা ‘বাংলাভাষা, প্রাচ্যের সম্পদ ও রবীন্দ্রনাথ’ বইয়ে কলিম খানের লেখা ‘বাংলা ভাষাঃ সাতরাজার ধন মানিক আছে যেখানে’ নামে অসাধারণ একটি প্রবন্ধ আছে। সেখানে কলিম বলেছেন, আমরা বলি ‘আশেপাশে’। পাশে মানে আমরা জানি, আশে মানে কী? তাঁর আরও প্রশ্ন, কালেভদ্রে-র মধ্যে কালে মানে কী, ভদ্রে মানেই বা কী? বা বাসনকোশনের কোশন কাকে বলে? কলিম খান এসবের উত্তর খুঁজেছেন ওই লেখায়।

‘ডেভিলস ডিকশেনারি’ লিখেছিলেন মার্কিনি লেখক অ্যামব্রোস বিয়ের্স বহু বছর আগে। তাতে সব শব্দের উল্টো মানে লিখেছিলেন তিনি। যেমন তিনি ‘অ্যালায়েন্স’ শব্দের মানে লিখেছিলেন, ‘বিশ্ব রাজনীতিতে দুই চোরের এমন বন্ধুত্ব, যে তারা পরস্পরের পকেটে বহু দূর হাত ঢুকিয়ে ফেলেছে, ফলে এখন আর তারা আলাদা ভাবে কোনও তৃতীয় পক্ষকে লুঠতে পারছে না’। ‘কমার্স’ শব্দের অর্থ লিখেছিলেন, ‘এক ধরনের লেনদেন যেখানে ‘ক’ ‘খ’-এর কাছে গচ্ছিত রাখা ‘গ’-এর টাকা লুঠ করলে, ক্ষতিপূরণের জন্য ‘খ’ তখন ‘ঘ’-এর পকেটে রাখা ‘ঙ’-এর গচ্ছিত রাখা টাকা ছিনিয়ে নেয়’। কামান বা ‘ক্যানন’- অর্থ, ‘এক ধরনের অস্ত্র যা দিয়ে বিভিন্ন দেশ তাদের সীমানা নির্ধারণ করে’।’

বাংলায় ‘স্ল্যাং অভিধান’ লিখে একটি বড় কাণ্ড করেছেন অভ্র বসু। তাঁর ‘শব্দগল্পদ্রুম’ নামে ‘বাংলা ব্যুৎপত্তি অভিধান’-এ তিনি শব্দের আদি অর্থ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন। যেমন লবণ শব্দের অর্থ নুন। তা থেকেই এসেছে লাবণ্য। যদিও লাবণ্যে কিছুই নোনতা নেই। ‘একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে আনন্দবসন্তসমাগমে…’। আর ‘নাবালক’ এল কোথা থেকে? ফারসি শব্দ ‘না’ আর আরবি শব্দ ‘বালিগ্’ থেকে। বালিগ্ মানে প্রাপ্ত বয়স্ক। স্ত্রীলিঙ্গে বালিগাহ্ । এই না আর বালিগ্ বা বালিগাহ্, মিলে বাংলায় এসেছে, নাবালক, নাবালিকা। অর্থাৎ ‘না-প্রাপ্ত বয়স্ক’। স্নাতক মানে যে স্নান করে সেই স্নাতক। গুরুগৃহে প্রথাগত শিক্ষা অর্জনের পর শিষ্যকে করতে হত আনুষ্ঠানিক স্নান। এখান থেকেই এসেছে স্নাতক। শেষ করি শ্বশুরমশাইকে দিয়ে। অভ্র বসু লিখেছেন, শ্বশুর শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ, যে তাড়াতাড়ি খায়। তবে স্ত্রী বা স্বামীর পিতার সঙ্গে তাড়াতাড়ি খাওয়ার যে কী সম্পর্ক, তা বোধহয় নিরুপণের কোনও উপায় নেই। শাশুড়িদের বিরুদ্ধে এমন কোনও প্রশংসা বা অভিযোগ কোনওটাই অভ্র বসুর বইয়ে নেই।



787 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ আলোচনা  বুলবুলভাজা  উৎসব ইস্পেশাল ২০১৮ 
শেয়ার করুন


Avatar: dd

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

হ্যাঁ, আভিধানিক অর্থ আর যে ভাবে লোকে মানে বোঝে - পাশাপাশি রাখলে অনেক ক্ষেত্রেই খুব অবাক লাগে।

প্রমথনাথ বিশী এই নিয়ে বিস্তর লিখেছিলেন - (৫০+ বছর আগে)। কয়েকটা মনে আছে। যেমন ফলশ্রুতি। কথাটার "আসল" মানে কথকঠাকুরের কাছে পুণ্যকথা শুনে যে সুফল হয়। কিন্তু পরে ফলশ্রুতির মানে দাঁড়ালো ফলাফল বা রেজাল্ট। যদ্দুর মনে পড়ে সুনন্দর জার্নালে নারান গাংগুলি বলেছিলে (বহুল প্যারাফ্রেজিত) ,এবারে ফলশুতিকে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। আভিধানিক অর্থ নিয়ে আরে কে মাথা ঘামায়?

যেমন সোচ্চার - (সোচার প্রতিবাদ) - অথচ সোচ্চারের আভিধানিক অর্থ মলত্যাগের সহিত।

কিছু ভারতীয় ইংরেজী শব্দও মনে পড়ছে - যেমন প্রিপোন বা আনস্মার্ট। আদতে এদের কোনো ইংরেজী ডিকশনারীতে পাবেন না কিন্তু।
Avatar: প্রতিভা

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

এই লেখাটা এতো তাড়াতাড়ি শেষ হবে না। আরো অনেক বলা ও জানার থেকে গেল। এটা একটা সিরিজ হয়ে চলুক।
Avatar: প্রতিভা

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

আবার সেই পুরনো রোগ !! আমি প্রতিভা সরকার কমেন্ট করলাম , আর কি এলো!!!!!
Avatar: নীলাঞ্জন হাজরা

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

বাঃ! অপূর্ব লেখা। আরও বড়ো হলে ভালো হতো। একটা কথা ‘লস্করি চাল’-এর মানে যখন ‘নিয়ন্ত্রিত হাঁটা’ দেওয়া আছে অভিধানে, শুভাশিস বাবু তাকে টগবগ করে হাঁটা ধরে নিয়ে ঠিক করেননি বোধহয়। আসলে মুঘল লস্কর ছিল এক বিশাল ব্যাপার — তাতে বাদশার আরামের ব্যবস্থা থেকে, বাওর্চিখানা পর্যন্ত সবই থাকত, যেন গোটা রাজধানীটাই সঙ্গে চলেছে। যদ্দূর মনে পড়ছে, বঙ্কিমচন্দ্রের রাজকাহিনী-তে এর অপূর্ব বর্ণনা আছে। যে দূরত্ব অন্যরা কয়েক দিনে পেরোতে পারত, মুঘল লস্করের তা পেরোতে কয়েক মাস লেগে যেত, যে কারণে গেরিলা আক্রমণের মুখে তাকে বারবার পর্যূদস্ত হতে হতো। সেই থেকেই বোধহয় শ্লথতা বোঝাতে গদাই-লস্করি চাল!
Avatar: সায়ন্তন ভট্টাচার্য্য

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

অনবদ্য লেখা!
Avatar: কুশান

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

মনোগ্রাহী লেখা। ভাবনার খোরাক মেলে। তবে লবন আর লাবণ্য নিয়ে একটা যৌক্তিকতা আছে, লবণের মাত্রা ঠিক রাখতে হয়, নতুবা তরকারি আন্না হয় বা নুনে মুখ পুড়ে যায়। লাবণ্য শব্দটিতেও এই নুনের পরিমিতি বোধ আছে বলেই মনে হয়। বেশি না, কমও না।

প্রসঙ্গত, বীতশোক ভট্টাচার্যের কবিতায় আছে:
'যদি হাওয়া আসে/ শাক্ত পদাবলী থেকে ভাঙিয়ে নেব 'বাদাম' শব্দটা'
বাদাম শব্দের আদি অর্থ পাল।হাওয়া এলে কবি পাল ভাসাতে চান।

বিনয়ের প্রসঙ্গে আপনি শব্দবন্ধের যথার্থ উল্লেখ করেছেন। এরই খেই ধরে বলি:

আরো কিছু দৃশ্যাবলী আছে, যা অনায়াসে চিত্রায়িত হতে পারে
ব্যথাতুর অসুবিধা এই
শিশুর হাসির মত সকলেই বুঝে নেয় যে যার নিজের মনোমত'

এখানে 'ব্যথাতুর অসুবিধা' আপনার চিন্তাসমর্থিত।


Avatar: সুমনা সান্যাল

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

অসম্ভব ভালো লেখা। তথ্যসমৃদ্ধ। কিন্তু এটুকুতে মন ভরলোনা। অভ্র বসুর স্ল্যাং শব্দের পাশাপাশি অপরাধ জগতের ভাষা,ভক্তিপ্রসাদবাবুর শ্রমসাধ্য কাজ,সেইসব শব্দের উল্লেখ থাকলেও ভালো হোত। শব্দার্থ বিবর্তনের অথবা আমূল বদলে যাবার পেছনে আর্থসামাজিক কারণের সঙ্গে সঙ্গে কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণও কাজ করে। মেটাফর মেটানিম কে এভাবেও দেখা যেতে পারে। এই লেখার পরবর্তী অংশ পড়তে চাই।
Avatar: প্রভাস চন্দ্র রায়

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

লেখাটি চমৎকার। শব্দগত অর্থের আলোচনায় যেতে চাই না। কারণ সে বিদ‍্যার দৌড় সীমিত। লেখায় 'লস্কর' শব্দটি দেখে মনে হলো, আমরা তো একসময় 'লোক লস্কর' এর ব‍্যবহারও দেখেছি। আজকাল অনেক শব্দের মতো এর ব‍্যবহারও নজরে পড়ে না।
Avatar: রুখসানা কাজল

Re: বজ্রডঙ্কুশ এবং উদংষ্টিট্টিভ, অথবা শব্দের চাল-চলন নিয়ে একটি অসম্পূর্ণ রচনা

আর্য নাকি আর্য্য -- এই তর্কে আমাদের পরিবারের একজন শিশুর নাম রাখা গেলো না।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন