বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

মলয় রায়চৌধুরী

http://www.guruchandali.com/default/images/000_blog_mri/762.JPG


রাস্তার দু'ধারে ভয়ে-ভয়ে দাঁড়িয়ে আছে টাওয়ারগুলো । একটা বিল্ডিং কত তলার পর ওপরে উঠে টাওয়ার হয় ? টাওয়ার হয়ে উঠলেই তাদের ভয় করতে থাকে । আমার মনে হয় উনিশতলা পর্যন্ত তারা টিন এজার থাকে । টাওয়ারগুলো  ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে এই জন্য যে কখন কোন গৃহবধু কোনো বিশাল কাচের জানলা বা বারান্দা বা ছাদে গিয়ে হাওয়ায় দুহাত ভাসিয়ে দেবেন।
এরকমই ঘটছে কয়েক মাস যাবত । এক গৃহবধু তার দুই ছেলেকে ছুঁড়ে-ছুঁড়ে ফেলে দিলেন আর তারপর নিজে লাফ মারলেন। কারণ ? শ্বশুরবাড়ির লোকেদের দুর্ব্যবহার । আরকটি গৃহবধু কোলে ছেলেকে নিয়ে লাফিয়ে পড়লেন । কারন সেই একই । কিন্তু একজন গৃহবধু, সংবাদপত্র অনুযায়ী, ছেলেপুলে স্বামী শ্বশুর-শাশুড়ি নিয়ে সুখেই ছিলেন , লাফ মারলেন হঠাৎই ।  সবাই ডাইনিং টেবিল ঘিরে খেতে বসেছিলেন । তিনি উঠে গেলেন, কাচের জানালা খুললেন । পরিবারের সদস্যরা ভাবলেন তিনি একটু সামুদ্রিক বাতাস উপভোগ করতে চাইছেন । কেউ বোঝার আগেই তিনি হাওয়ায় দুহাত ভাসিয়ে দিলেন ।
টাওয়ারগুলো তাই ভয়ে কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে , সামুদ্রিক বর্ষার প্রচণ্ড ঝড়েজলেও ।
এরকমই একটা টাওয়ারে গিয়েছিলুম । এইসব টাওয়ারে সিকিউরিটির কড়াকড়ি থাকে । গেটে  সিসিটিভিতে মুখ দেখালে যাঁর ফ্ল্যাটে যাবো তিনি মুখখানা দেখে অনুমতি দিলে যাওয়া যাবে । নয়তো গেটে দাঁড়িয়ে ইনটারকমে কথা বলে কাজ সারো । টাওয়ারগুলোর লিফ্টও দু'রকমের । ফাস্ট আর স্লো । বেশি ওপরে যারা থাকে তারা ফাস্ট ধরে উঠে যায়, সময়ও কম লাগে , কেননা তাদের গতিও তীব্র । যত বৈভবশালী তত ওপরে । প্রতি ঘনইনচ দাম বাড়তে থাকে ওপরের ফ্ল্যাটগুলোর ।
আমি যাঁর ফ্ল্যাটে যাবো তিনি এই টাওয়ার সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ; ফলে আরও কড়াকড়ি । কিন্তু গেটে দেখলুম পুলিস দাঁড়িয়ে । টাওয়ারেও চুরি ? এত সিকিউরিটি সিসিটিভি ইত্যাদি সত্বেও ? হতে পারে, ভাবলুম । আজকাল চোরেরা কোন কোন ফ্ল্যাটে দুপুর গৃহবধু বা বুড়ো বা বুড়ি একা থাকে তার খবরটবর নিয়ে হানা দেয়, কুরিয়ারের লোক বা প্লামবার বা কার্পেন্টার ইত্যাদির চেহারায় । বেশ কিছু মানুষ, যারা একা ছিল, খুন হয়েছে সম্প্রতি ।
কিন্তু পুলিশগুলোকে দেখে মনে হল না যে কেউ খুন হয়েছে , যদিও পুলিশের মুখ প্রায় গোমড়াই থাকে সবসময় । বাড়িতে গিয়ে গোমড়ানো মুখোশটা খুলে তারপর হয়ত বউ-বাচ্চার সঙ্গে গল্পগুজব করে । কিন্তু খুন হয়ে থাকলে এমনভাবে নিজেদের জিপগাড়িটা গেটের কাছে দাঁড় করিয়ে গুলতানি করত না । দু'জন কন্সটেবলকে তো দেখে মনে হল মুচকি হাসির আভাস রয়েছে । মুচকি হাসি দেখে এটা অন্তত বুঝলুম যে, যাক, কেউ তাহলে ওপর থেকে লাফ মারেনি । কিংবা খুন হয়নি কেউ ।
যাঁর ফ্ল্যাটে আমি যাব তিনি একদা হিন্দি অফিসার ছিলেন । হিন্দি অফিসারদের মতন আরামের চাকরি আর হয় না । ইংরেজিতে লেখা চিঠি এলে, যে ভাষায় ছাড়া এখনও কেন্দ্রীয় সরকারে কাজ চলে না, ওনারা অনুবাদ করে দেন । সে অনুবাদ কেউ পড়ে না । তারপর উত্তরটা ইংরেজিতে তৈরি হয়ে গেলে ওনারা তার অনুবাদ করে দেন । দুটো চিঠি একই সঙ্গে প্রাপকের কাছে যায় । এবার প্রাপকের ইচ্ছে সে কোন ভাষায় উত্তর দেবে । অহিন্দি রাজ্য হলে অনেক অফিসার সেই রাজ্যের ভাষায় চিঠির উত্তর পাঠিয়ে দেন । তারপর তাগাদা পেয়ে আবার ইংরেজিতে-হিন্দিতে উত্তর দেন । কেননা এরও ডাটা রাখতে হয় হিন্দি অফিসারদের । তাঁদের কাজ ডাটা বাড়াতে থাকা । ব্যাস । যত ডাটা বাড়ে তত অফিসারের সংখ্যা বাড়ে । কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসগুলোয় কয়েকটা হিন্দি সংবাদপত্র আর ম্যাগাজিন নেয়া বাধ্যতামূলক । ফলে হিন্দি অফিসাররা সারাদিন টাইমপাস করার মতো খোরাক পেয়ে যান । সারা ভারতে হিন্দি পত্র-পত্রিকার বিক্রি সেকারণে অস্বাভাবিক । আমার তো মনে হয় অন্যান্য ভাষাভাষীদের দাবি করা উচিত যে যত টাকা হিন্দি পত্র-পত্রিকা কিনতে সরকারিভাবে খরচ করা হচ্ছে তত টাকা অন্যান্য ভাষার পত্রিকাদের ভরতুকি হিসাবে দেয়া হোক । হিন্দি পত্র-পত্রিকার অমন বিপুল বাজারের দরুন তাদের লেখকরাও ভাল আয় করেন ।
যাহোক, আমি মুখ দেখিয়ে কথা বলে পৌঁছোলুম হিন্দি অফিসারে ফ্ল্যাটে । আমি ওনার কাছে এসেছিলুম আমার একটা কবিতার অনুবাদের ব্যাপারে । প্রাথমিক অনুবাদ করে দিয়েছিলেন একজন উঠতি হিন্দি কবি, যিনি বাংলা জানেন না । এই হিন্দি অফিসার বহুকাল কলকাতায় ছিলেন বলে বাংলা শব্দ কীভাবে খেলানো হয় তার আইডিয়া আছে ।
কিন্তু সে কাজটি আর করানো গেল না । অফিসার দরোজা খুলে দিতে দেখলুম তাঁর স্ত্রী একরকম , কী বলব, হ্যাঁ, ধূর্তই বলে, ধূর্ত হাসি হেসে ভেতরে চলে গেলেন ।
আমি বললুম, পুলিস এসেছে দেখলুম, গেটের কাছে জিপগাড়ি দাঁড়িয়ে, কয়েকজন কন্সটেবল গুলতানি করছে ?
হিন্দি অফিসার এবার প্রায় অট্টহাসিতে ফেটে পড়লেন ।  ভেতরের ঘর থেকে ওনার স্ত্রীও যে একা-একা হাসছেন আর তা সামলাতে পারছেন না টের পেলুম । গেটের কাছে পুলিস আর এনারা এরকম বেআক্কেলে হাসি হাসছেন ।
ওনার হাসির কারণ শুনে আমার অনুবাদের খসড়াটা পকেটেই থেকে গেল ।
উনি বললেন, তেইশ তলার ফ্ল্যাটে একজন মডেল থাকেন, জানেন তো, আরেকজন টুটা রাশিয়ানের সঙ্গে ? টুটা রাশিয়ান মানে সাবেক সোভিয়েট রিপাবলিকের কোনো অঙ্গরাজ্য ।  এই সমস্ত অঙ্গরাজ্যের যুবতীরা বা টুটা রাশিয়ান মেয়েরা বেরিয়ে পড়েছেন সারা পৃথিবীতে রোজগারের ধান্দায় , নিজেদের দেশে, সোভিয়েট রিপাবলিক ভেঙে যাবার পর খাবার জোটানো কঠিন হয়ে গেছে । বহু যুবতী, স্হানীয় ভাষা বলতে না পারলেও, রোজগেরে যুবক পেলে বিয়ে করে থেকে যাচ্ছেন ।
আমি বললুম, জানি, ওনাকে প্রায়ই দেখি রুপোলি স্যানট্রোতে আমাদের সামনের রাস্তা দিয়ে যেতে ; কখনও-কখনও টুটা রাশিয়ান মেয়েটিও থাকে সঙ্গে । তবে ওনারা কোন তলায় থাকেন তা জানি না ।
হিন্দি অফিসার বললেন, মডেল তো রোজ আটটার সময় বেরিয়ে যান ফেরেন অনেক রাতে । ওনার টুটা রাশিয়ান বন্ধু আবার ফেরেনও না ; দু'চার দিন কোথাও কাটিয়ে ফেরেন । আজ ওনার ফ্ল্যাট থেকে এমন আওয়াজ আসছিল যে ওনার প্রতিবেশি এসে বললেন যে মডেল তো চলে গেছেন সকালে কিন্তু নিশ্চই চোর ঢুকেছে , করাত দিয়ে বা কোনো কিছু দিয়ে কাটার আওয়াজ আসছে  ।  আমি প্রেসিডেন্ট ; তাই অনেকে নিজের ডুপলিকেট চাবি আমায় দিয়ে রেখেছেন, অরিজিনালটা হারিয়ে গেলে বা ভেতরে লক হয়ে গেলে আমার কাছ থেকে ডুপলিকেট নিয়ে গিয়ে খোলেন ।
আমি তক্ষুনি গেলাম তেইশ তলায় । গিয়ে আমিও শুনে আন্দাজ করলাম যে চোরই ঢুকে থাকবে আর সে ব্যাটা কোনোকিছু কাটার চেষ্টা করছে । চোরটাকে ধরতে হবে ; পুলিসে ফোন করে দিলুম । পুলিস যখন এলো  তখনও চোরটা কেটেই চলেছে , তাও দিনদুপুরে ।
পুলিসের সামনে ডুপলিকেট চাবি দিয়ে দরোজা খুললাম। আওয়াজটা তবুও আসছিল, ওনার বেডরুম থেকে । বেডরুমে গিয়ে দেখি কি চোর নয় , মডেল মেমসাহেবার ব্যাটারি অপারেটেড ভাইব্রেটার ম্যালফাংশান করে আপনা থেকেই ভাইব্রেট করছে । একা থাকেন, বয়ফ্রেন্ড নেই, আজকাল যুবতীরা  বেশ সতর্ক হয়ে গেছেন , তাই ভাইব্রেটার দিয়ে নিজের সঙ্গে নিজে প্রেম করেন । এটা তো নিজেকে ভালোবাসার স্বর্ণযুগ ; শীলাকি জওয়ানি গানটা শুনেছেন তো ?
নিজের সঙ্গে নিজে প্রেম !
ওটা কোথায় ? জানতে চাইলুম, পুলিস কি নিয়ে গেছে ? ডিলডো নামের বস্তুটি দেখেছি , নানা রঙের, মাপের, আকারের । অটোমেটিক ব্যাটারি চালিত ভাইব্রেটার দেখা হয়ে ওঠেনি ।
হিন্দি অফিসার ড্রইংরুম সংলগ্ন বাথরুমে গেলেন ,  তোয়ালে দিয়ে ধরে একটি গোলাপি রঙের জিনিস নিয়ে এলেন । বললেন, দেখে তো মনে হচ্ছে রাতে ইউজ করা, তাই তোয়ালে দিয়ে ধরে আছি ।
গোলাপি ! রঙের চয়েসটাও প্রসংশনীয় ।
ভাইব্রেটার যা ঘটায় তা হল অরগ্যাজম । অকুস্হলে পরিয়ে বিছানায় চোখ বুজে শুয়ে পড়ো , মৃদু কোনো সুর বাজতে থাকুক প্রায়ান্ধকার বেডরুমে । ভাইব্রেটার তার কবিত্বের কাজ চালিয়ে যাবে তৃপ্তি না পাওয়া পর্যন্ত । তৃপ্তির চরমে পোঁছোলে বস্তুটির সুইচ অফ করে গভীর ঘুমে এলিয়ে পড়ো । পুরুষ সামলাবার হ্যাপা নেই । পুরুষের অসফল, অর্ধসফল, সময়ের পূর্বেই ফুরিয়ে ফেলার অতৃপ্তি নেই ।
নেমে এলুম টাওয়ারের ফাস্ট লিফ্ট বেয়ে । তাহলে কেবল মৃত্যু নয় , টাওয়ারগুলো প্রেম-ভালোবাসাকেও আত্মস্হ করতে শিখে ফেলেছে ।
আগে দেখিনি । গেটের বাইরে দেখলুম গ্র্যানাইটে সোনালি অক্ষরে টাওয়ারটার নাম লেখা: 'স্মাইলিং লিপস অ্যাপার্টমেন্টস' ।

চিত্রঃ মৃগাঙ্কশেখর গঙ্গোপাধ্যায়



344 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

কোন বিভাগের লেখাঃ উৎসব ইস্পেশাল ২০১২  গপ্পো 
শেয়ার করুন


Avatar: সুরজিত্‍ সেন

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

মলয়দা আপনার গদ্য আর অ্যাপ্রোচ অসাধারণ। দারুণ।
Avatar: sosen

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

আমি গল্পটির এপ্রোচ বেশ অপছন্দ করলাম। ভাইব্রেটর এর ব্যবহার এর সঙ্গে প্রেম ভালবাসার মৃত্যুর কোনো কোরিলেশন টানা খুবই আদ্যিকেলে ধারণা। এবং বায়াসড ও বটে। যান্ত্রিক সহায়তায় অর্গ্যাজম এচিভ করার অভ্যাস কি প্রেম ভালবাসাতে কোনো ব্যাঘাত ঘটায়? গুরুতে এরকম লেখা প্রকাশিত হওয়ায় একটু অবাক হলাম।

Avatar: siki

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

আমিও বেএশ অবাক হলাম। এটা লেখা হয়েছে? আগাপাস্তলা কিছুই বোঝা গেল না, পড়ে মনে হল ফালতু দশ মিনিট টাইম দিলাম।

তাও পড়েছি যখন সুচিন্তিত মতামত দিয়ে যাই। লেখক এক জায়গায় লিখেছেনঃ "প্রতি ঘনইনচ দাম বাড়তে থাকে ওপরের ফ্ল্যাটগুলোর ।"

ঘন ইনচ মানে কিউবিক ইঞ্চি। ওটা দিয়ে ফ্ল্যাটের পরিসর মাপে না। ফ্ল্যাট মাপা হয় স্কোয়ার ইঞ্চি দিয়ে। তাকে বাংলায় বলে বর্গইনচ।
Avatar: 4z

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

প্রথমে হিন্দি অফিসারের সংজ্ঞা, তারপর টুটা রাশিয়ানের, শেষে ভাইব্রেটরের। গল্প কই?
Avatar: সিদ্ধার্থ

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

আমার পুজো সংখ্যায় পড়া সবথেকে বাজে লেখা লাগল
Avatar: i

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

ধারাবাহিক কলামের কোনো একটা পর্ব হিসেবে এ লেখা হয়তো ঠিক আছে। আলাদা করে গল্প হিসেবে গ্রহণ করা মুশকিল। গদ্য বা শৈলীর কোনো বৈশিষ্ট্যও খুঁজে পেলাম না এ লেখায়।
Avatar: চৈতালি

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

টাওয়ার নিয়ে বিশ্লেষণটুকুই ভালো লাগল খালি। আর আঁকাটাও ভালো লেগেছে।
Avatar: sch

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

লেখাটা প্রথম পড়েছিলাম যখন, তখন একটাও কমেন্ট পড়েনি - নিজের বিরক্তি আর খারাপ লাগা প্রকাশ করতে ভয় হয়েছিল - কারণ লেখক একজন নামকরা মানুষ, হ্যাংরি/আংরি যুগের প্রতিভূ...কাজেই ভেবেছিলাম যে আমিই বোধহয় বুঝতে পারিনি। এখন সিকি আর সোসেনের কমেন্ট দেখে বুঝলাম আমি ঠিকঠাকই বুঝেছিলাম।

একটাই প্রশ্ন মনে এল - লেখক হঠাৎ এই তথ্য কোত্থেকে পেলেন শুধু টাওয়ারেই এই যন্ত্রের ব্যবহার হয়?
Avatar: R

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

লেখাটা অসাধারন না হলেও জনগণ যেরকম ভাবে পাতে না দেওয়ার যোগ্য গোছের ভাব দেখাচ্ছেন তা আমার মোটেও মনে হয় নি। আর কে যেন মন্তব্য করতে ভয় পেলেন, মনে হয় লেখক পাঠক এর স্তুতি বা নিন্দা দুটোই সমান ভাবে আশা করেন।

Avatar: se

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

Othering এর গল্প।
Avatar: pradip naskar

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

motamuti cholbe.

Avatar: Sourav Bhattacharya

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

আমি সাহিত্যের কিছুই বুজি না যদিও,কিন্তু আমার পরে বেশ ভালো লাগলো
Avatar: Sourav Bhattacharya

Re: আকাশকুঞ্জে রতিভ্রমর

বানান ভুল হওয়ার জন্য দুঃখহীত,আমি গুগল লেআউট ব্যবহার করিনি আগে


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন