• টইপত্তর  বইপত্তর

  • ঐতিহ্যমন্ডিত বাংলা চটি সিরিজ

    sumeru
    বইপত্তর | ২৯ জানুয়ারি ২০১০ | ৪০৬২২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 132.163.31.77 | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:৫৪434558
  • *বন্দিনী
  • pi | 132.163.31.77 | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:৫৪434557
  • '‘অদ্ভুত নরম স্বর এ্যালিসিয়ার যা তীক্ষ্ণ আর্তনাদ করে ওঠে’, বলছেন বার্নিস জনসন রীগান। সত্তরের দশকে যখন সামাজিক ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠার দাবিতে তীব্র ঝড় আমাদের দেশে, তখন ওই একই দাবিতে একই রকম ঝড় আছড়ে পড়ছে ল্যাটিন আমেরিকার আর্জেন্টিনায়। রাষ্ট্রীয় নিপীড়নে সে দেশে ‘নিখোঁজ’হয়ে যান ত্রিশ হাজারের বেশি তরুণতরুণী। সেই রকম এক গোপন বন্দীশালার ডায়েরি ‘দ্য লিট্‌ল স্কুল’। ১৯৭৭এর বন্দীশালার দলিল লিখেছে নরকের এক বান্দিনি- এলিসিয়া পার্টনয়।
    বাংলা অনুবাদ করলেন বাংলার সত্তরের বন্দীশালা হয়ে আসা, ‘হন্যমান’ লেখিকা জয়া মিত্র।
    '
  • - | 109.133.152.163 | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ১০:৫৯434559
  • একজোড়া চটির ইমেজ আসছে। বাকি সব "কনটেন্ট নট ফাউন্ড"। প্রচ্ছদের ছবি তো দেখতে ইচ্ছে করছেই!
  • pi | 132.163.31.77 | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ১১:০৩434560
  • শেষেরটা এসেছে ?
  • অভিষেক সরকার | 127.194.251.239 | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ১১:০৯434562
  • চটি সিরিসের ‘আমার যৌনতা’ এক কথায় এক অনবদ্য প্রয়াস ! প্রকাশনা সংস্থা হিসেবে কলার তোলার দাবি জানায় গুরুচণ্ডালী । হাত মেলান বন্ধুরা !
    লেখাগুলো বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রসূত বলেই হয়ত যন্ত্রণা , বেদনা আর সংকল্পের নিশান ভারি সুস্পষ্ট । এর মধ্যে কয়েকটার অভিঘাত আমাকে রীতিমত নতুন করে ভাবতে সাহায্য করেছে ।
    ধরে নেওয়ার যথেষ্ট সংকেত আছে যে এই প্রকাশনার মানসিক সমর্থন আছে এই বইয়ে যারা কথা বলেছেন এবং যাদের কথা বলেছেন তাদের প্রতি , নিছক ব্যবসা করার জন্যে বা ছদ্ম-আধুনিকতার আতর মেখে বাজার মৌতাত করতে নয় ।
    প্রকৃত হৃদয়বৃত্তি এবং দৃঢ় মানবিক কোমলতা আপনাদের গুরু নিশ্চয় বানাবে কিন্তু চন্ডালকে এখনও সেই অর্থে পেলাম না আপনাদের এবারের এই সংকলনে। আগ্রহী হয়ে থাকলাম অর্থনীতির নিম্নপ্রান্তে বেঁচে থাকা মানুষদের ভিন্নতর জীবন সঙ্গী নির্বাচন প্রক্রিয়ার কথা জানতে ।
    তাদের বেদনা , প্রচলিতের সঙ্গে সংঘাত আর নিজস্ব তরিকায় সমাধান বোধহয় অন্যতর কোন পথ । কোন NGO এখনও ভগীরথ হয়ে দেখা দেননি তাদের কাছে ,হয়ত। সিরাজের মায়ামৃদঙ্গের কথা মনে পড়ছে ।
    ব্যক্তিগত ধারণা বলব যে , যতক্ষণ বাংলায় ‘সমপ্রেমি’ বা ওই জাতীয় শব্দের প্রচলন এবং প্রসার না ঘটছে , ততক্ষণ মধ্যবিত্ত মানস এই রকমই বিদ্রোহ করে যাবে এই আপাত-নতুনের সঙ্গে । English এ কি এরকম কোন শব্দের আবির্ভাব হয়েছে ? জানা নেই ।
    আরও অনুরোধ করব এখনকার এই সংকলন ENGLISH এও বার করুন । বৃহত্তর পাঠকের মনন শুদ্ধির জন্যে নাহয় তা এক স্ফুলিঙ্গই হোক।
    মজার কথা হোল যে , LGBT MOVEMENT আর কিছু বছরের মধ্যেই ইতিহাসের পাতায় আশ্রয় নেবে সামাজিক বিবর্তনের ধারা মেনেই । ঠিক যেমন দাসত্ব প্রথা বা সাম্রাজ্যবাদ (প্রচলিত অর্থে বললাম ) ।
    আপনাদের এই সংকলন ,আরও অনেক লেখার মতন , তখন কিছু ডিগ্রীকামি মানুষের অবশ্য গন্তব্য হয়ে দাঁড়াবে ! কাজেই মুদ্রণ প্রমাদেও একটু নজর দেবেন ..
  • - | 109.133.152.163 | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ১১:২৬434563
  • @পাই (১১-০৫), একটা ফেবু পাতা পাচ্ছি, কিন্তু চটির প্রচ্ছদ নেই সেখেনে।
  • Ishan | 24.99.147.184 | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ১১:৪২434564
  • https://www.facebook.com/guruchandali

    এখানে সব পাবেন। একটু স্ক্রল করতে হতে পারে।
  • - | 109.133.152.163 | ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ ১৭:৪৫434565
  • ধন্যবাদ ঈশান।
  • pi | 132.163.28.40 | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:০৯434567
  • 'খুঁজে পাওয়া পুরোনো ডাইরির পাতায় তিনটি সমান্তরাল জবানিতে লিপিত হচ্ছে এই আখ্যান। এবং এর মধ্যে তৃতীয় ভাষ্যটি এমন একজনের যিনি কিছু বাকি দুজন, যারা আমাদের নায়ক-নায়িকা, তাঁদের সঙ্গে কোনও ভাবে সংযুক্ত নন। ভারি বিক্ষিপ্তভাবে তার কিছু লেখা (যা আদতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল সমাজের ক্রিটিক), খানিকটা যাত্রার বিবেকের মতন এসে পড়ছে বাকি ঘটনা পরম্পরার মধ্যে। ঘটনাক্রম মূলতঃ রতিক্রিয়াময়। এবং ক্রমশঃ দিয়েই শরীরী উচ্চারণ থেকে মননশীলতায় এসে পড়ছে এই আখ্যান, এবং আশ্চর্যভাবে হয়ে উঠছে সমসময়ের বিশ্বরাজনীতির কমেন্টারি।'
  • pi | 132.163.28.40 | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:১০434568
  • অবান্তর পাঠশালা, প্রচ্ছদ সুমেরু মুখোপাধ্যায়

    নখদন্ত, প্রচ্ছদ দেবর্ষি সরকার
  • pi | 132.163.28.40 | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:১৮434569
  • 'আমাদের সকলের খুব ভয় হত, যদি লোফালুফিটার মধ্যে কোনও একজনও একদিন একটু তারতম্য করে তাহলেই তো মত্যু, অন্তত হাড়গোড় ভাঙবেই। কিন্তু কোনোদিনই সেটা হয় নি। প্রত্যেকদিনের অভিনয়ে এভাবেই অন্যেরা লোফার জন্য রেডি হয়েছে কিনা সেদিকে না তাকিয়েই বাদল সরকার ডায়লগ বলতে বলতে ঝাঁপ দিচ্ছেন এবং অন্যেরা লুফেও নিচ্ছেন। কিভাবে ঘটত এই ম্যাজিক?

    এই সাক্ষাৎকার মূলত তাঁর দেশ বিদেশে খ্যাতি অর্জনকারী নন প্রসেনিয়াম থিয়েটার নিয়ে। অনেকে সহজ করে বলেন “থার্ড থিয়েটার”, উনি বলেন “অঙ্গনমঞ্চ”। সেই অঙ্গনমঞ্চ নিয়েই, এই সাক্ষাৎকার। যার গুরুত্ব কখনই দিইনি আমরা।

    এটাই একমাত্র সাক্ষাৎকার, যেটায় কেবলমাত্র অঙ্গন মঞ্চ ও তার পশ্চাদপট, ভাবনার গড়ে ওঠা, রাজনীতি ও রাজনীতির ফাঁদে পড়া- নাটক ও স্বয়ং বাদল সরকার।'
  • pi | 132.163.28.40 | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:৪০434570
  • বাদল সরকার, প্রচ্ছদঃ সুমেরু মুখোপাধ্যায়
  • pi | 132.163.28.40 | ৩০ জানুয়ারি ২০১৫ ০৮:৪১434571


  • প্রচ্ছদ ঃ সায়ন কর ভৌমিক, ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক
  • pi | 127.194.8.176 | ৩১ জানুয়ারি ২০১৫ ২৩:৪২434572
  • কাল বইমেলায়, ৫০৮, মানে গুরুর স্টলের সামনে বইপ্রকাশের মোচ্ছব। সক্কলের নেমন্তন্ন।
  • অভিষেক | 127.194.238.172 | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৯:৪১434573
  • খেড়োবাসনা - সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    এটাও দারুণ লেখা তবে আমি পড়েছি কোন একটা পত্রিকা সংখ্যায় । নাম ভুলে গেছি সে পত্রিকার আধুনিক সাহিত্যের গদ্য কথন ভঙ্গীমার প্রায় সমস্ত লক্ষণ এতে আছে তবে অপ্রচলিত Narrative Style কাউকে কাউকে বেদম ধাক্কা দিতে পারে। আমার কিন্তু দিব্যি লেগেছে এবং এমত অদীক্ষিত পাঠককে এই লেখা ছুঁয়ে গেলে বাকিদেরও নির্ভয়ে এ বই পড়ে ফেলা উচিত । সময় নষ্ট হল বলে হতাশ হবেন না , নিশ্চিত । প্রসঙ্গত এ লেখা পড়েই আমার The Curious Incident of the Dog in the Night-Time ের কথা মাথায় এসেছিল ।
    https://www.facebook.com/guruchandali/photos/a.111205548942825.15646.104248922971821/683144535082254/?type=1&থিয়েটার
  • Ishan | 24.99.239.53 | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৯:১৩434574
  • চুপচাপ নয়, বেশ ধুমধাড়াক্কা মেজাজেই বেরিয়ে গেল গুরুর চারখানা চটি। গুরু আর চন্ডালদের কারবার, কেলোর কীর্তির অভাব ছিলনা, যথারীতি। গুচিয়ে ভিড় আর কোলাহল, তার মধ্যে মাইকের স্লাইট দরকার ছিল, উদ্বোধকদের গলার আওয়াজ তো আর চন্ডালদের মতো নয়, কিন্তু ছিলনা। চেয়ার কম ছিল, অতএব খচাখচ ভিড়, সঞ্চালক তার মধ্যেই ফেঁড়ে চেঁচালেন, একটু গুলিয়ে ফেললেন, এবং শেষমেশ সামলেও নিলেন। মাঝে মাঝেই উদ্বোধকরা হারিয়ে গেলেন, তাঁদের আবার খুঁজে আনতে হল। এই পরিস্থিতি আন্দাজ করে আগে থেকেই ঠিক করা ছিল, উদ্বোধক না পাওয়া গেলে যেকোনো বই উদ্বোধন করে দেবেন বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার প্রমোদ গুপ্তা এবং বিখ্যাত লেখক সৈকত বন্দ্যো (মাক্কালী প্রমোদকে বলা ছিল), কিন্তু সে রাস্তায় হাঁটতে হয়নি। মীরাতুন নাহার এবং দেবব্রত বিশ্বাস উদ্বোধন করলেন "অপ্রকাশিত মরিচঝাঁপি", মৈত্রীশ ঘটক উদ্বোধন করলেন অদ্রীশ বিশ্বাসের "মিছিলে বাদল সরকার"। বইমেলার মাঠে বছরের পর বছর যিনি ঘুরে ঘুরে "পড়বেন দু মিনিট হাসবেন আধঘন্টা" বিক্রি করে বেড়ান সেই অলকদা উদ্বোধন করলেন মলয় রায়চৌধুরির "নখদন্ত"। এবং জয়া মিত্রের "অবান্তর পাঠশালার" আবরণ খুললেন যাদবপুরের একগুচ্ছ কলরবী। তাতে নিট লাভ যা হল, যে, কলরব নিয়ে প্রশ্নোত্তরের সেশনে পর্যবসিত হল অনুষ্ঠান মঞ্চ। শেষমেশ সঙ্চালক বাওয়াল দিয়ে বললেন, আপনারা এসব পরে করবেন, আগে আমাদের প্যাঁচালিটা উদ্বোধন করে ফেলতে দিন। তাতে অবশ্য আড়াই সেকেন্ড সময় লাগল। ঝপ করে উদ্বোধন করে দিলেন ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক। তার পরেও অবশ্য প্রশ্নোত্তরের সেশন চলল অনেকক্ষণ। কিন্তু সেসব সিলেবাসের বাইরে। আর কে না জানে, সিলেবাসের চেয়ে তা অনেক বেশি মিষ্টি।

    যাঁরা পরে এলেন, তঁরা শুধু ভিড় পেলেন, এবং এই মিষ্টত্ব মিস করলেন। কী হারালেন জানলেনও না। সে দায় কর্তৃপক্ষের নহে।
  • সায়ন্তন মাইতি | 125.124.41.34 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৯:৩৫434576
  • গুরুচণ্ডালির যুগ্ম সংখ্যা 'অন্য যৌনতা', ১৭টা আত্মকথা নিয়ে 'আমার যৌনতা' আর ঈপ্সিতা পালভৌমিকের 'অসুখ সারান' - তিনটে অনবদ্য সংকলন। বছর দুয়েক আগে যখন প্রথম ঠিক করি, সমকামিতা নিয়ে পড়াশুনা করব, লিখব, তখন বই হাতড়ে বেড়াচ্ছিলাম। তারপর এক এক করে এই তিনটে সংখ্যা নজরে এল। জানলাম, শিখলাম, ফিল্ডে নামলাম।
    সত্যজিৎ রায়ের প্রোফেসর শঙ্কু সিরিজের 'কর্ভাস' বলে একটা গল্প আছে যেখানে শঙ্কু কাকদের শিক্ষিত করার জন্য 'অরনিথন' যন্ত্র আবিষ্কার করেছিলেন। অরনিথনের দরজা খুলে কাককে ঢুকিয়ে দিয়ে সুইচ টিপে দিলে বৈদ্যুতিক মাধ্যমে সে 'শিক্ষিত' হয়ে বেরিয়ে আসত, তারপর মানুষের মত আচরণ করত। এখন, আমার মনে হয়েছে এই বই তিনটে অরনিথনের মত। এদের ভিতরে একবার ঢুকতে পারলে একশো শতাংশ অবহিত করেই ছাড়বে। সমাজের যেসব অশিক্ষিত রক্ষণশীলরা এখনো সমকামিতার উপর নিন্দার মোড়ক দিয়ে রাখতে পছন্দ করে, প্রেমের পরামার্থ বিচার করে বংশবিস্তারে, তাদের উপলব্ধিতেও চিরন্তন সত্য ধরা দেবে।
    যুগ্ম সংখ্যা ‘অন্য যৌনতা’ পড়লে সমকামিতা সম্পর্কে যে কারোর ধারণা পরিষ্কার হতে বাধ্য। স্বাভাবিকত্বের বয়ান প্রতিষ্ঠায় এত বিস্তৃত আলোচনা এবং একসাথে এত বই ও ওয়েবপেজের রেফারেন্স নিতান্তই দুর্লভ। ‘অসুখ সারান’-এর আদ্যোপান্ত ঈপ্সিতা পালভৌমিক লিখেছেন স্যাটায়ারের আঙ্গিকে (রামদেবের ‘হোমোবাদ’এর উপর ‘আস্থা’শীল লোকজন এটাকে আদৌ ‘স্যাটায়ার’ বলে বুঝবে কি? আমাদের পারদর্শিতার অন্যতম ক্ষেত্র তো চাট হজম করায়। কবি ঈশ্বর গুপ্তের ভাষায় “আমরা ভুষি পেলেই খুশি হব, ঘুষি খেলে বাঁচব না”....)। অনেক বিদেশী সংস্থা সমকামিতা ‘কিওর’ করার ভাঁওতা দেয়। কিছু বিদেশী মনস্তত্ত্ববিদ ‘বিকৃত’ বলে আখ্যা দেন। লেখিকা কোনো কিছুই এড়িয়ে যান নি। ওয়েব অ্যাড্রেসও দিয়ে দিয়েছেন দেখার জন্য। যাতে বইটা পড়ার পর এমন সংস্থার কথা শুনলে কারোর মনে প্রশ্ন না জাগে। যারা সমকামিতাকে রোগ মনে করে সমাজের চাপে ‘চিকিৎসা’ করাতে গেছেন, তাদের নারকীয় অভিজ্ঞতার কথাও লেখা আছে। সেসব পড়ার পর গুচ্ছের থেরাপি করে যৌনতা পাল্টানোর চেষ্টা বা অন্যকে পাল্টাতে পরামর্শ দেওয়ার বাসনা কারোর জাগবে না। কারণ, ওগুলো আদৌ ‘চিকিৎসা’ নয়। যা রোগ নয় তার সুশ্রূষা হয় না। বরং যারা উদার যুক্তির কাছে পরাস্ত হয়ে ‘প্রাকৃতিক’ বলে স্বীকার করে নিলেও সমকামীদের দেখলে নাক সিঁটকান, তাদের চিকিৎসার জন্য গুরুচণ্ডালির তিনটে বইই অব্যর্থ ওষুধ।
    ‘আমার যৌনতা’ সংকলন নিয়ে একটু বিস্তারিতভাবে বলার ইচ্ছে আছে। আমি মনে করি যেসব সমকামী মানুষ সমাজের চাপে নিজেদের পরিচয় গোপন রেখেছেন, তাদের যথার্থ কাউন্সেলিং হবে এই বই পড়লে। পাশাপাশী সমকামিতা নিয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন এমন অনেক মানুষও ‘হোমো’ এবং ‘ট্রান্স’কে গুলিয়ে ফেলেন। তাদের মতে, ‘গে’ মানেই পুরুষদেহে বসবাসকারী আদ্যন্ত একজন নারী, আর ‘লেসবিয়ান’ মানেই নারীর চেহারায় একজন সর্বাঙ্গ পুরুষ। কিন্তু নারী-পুরুষের এই বাইনারী ছকটা সবার ক্ষেত্রে সত্যি নয়। LGBT শব্দটা ভাঙলেই আমাদের ভুল ভাঙবে। ‘T’ অর্থাৎ Transgender এর মধ্যে রয়েছে রূপান্তরকামী, লিঙ্গান্তরকামী এবং মধ্য যৌনতায় অবস্থানকারী মানুষজন। রূপান্তরকামীরা মানসিকভাবে বিপরীত লিঙ্গের ভূমিকায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন (আচরণগতভাবে এবং যৌনতাগতভাবে), লিঙ্গান্তরকামীদের মধ্যে এই স্বাচ্ছন্দ্যবোধটা অনেক বেশি থাকে বলে তারা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লিঙ্গান্তর করাতে চান (এদের Transexual বলে, যা Transgender এর অংশবিশেষ), আর মধ্য যৌনতার মানুষরা মানসিকভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ পুরুষ, নারী কোনোটাই নন, উভয় প্রকৃতিযুক্ত। খেয়াল করবেন, ‘মধ্যলিঙ্গ’দের কিন্তু Transgender-এর মধ্যে রাখি নি, মধ্য যৌনতাদের রেখেছি। আবার, L (Lesbian) এবং G (Gay) মানে তার আকর্ষণ সমলিঙ্গের প্রতি, B (Bisexual) এর ক্ষেত্রে উভয়লিঙ্গের প্রতিই প্রায় সমান সমান। কিন্তু এদের আচরণ, হাবভাব নিজের লিঙ্গের মত হতেও পারে, নাও পারে। ...এখন এই প্রারম্ভিক ধারণাগুলো অনেকের কাছেই স্পষ্ট নয়। এদের উৎপাতেই ফেসবুকে ‘গে শি-মেল হিজড়ে’ নামের একাধিক পেজ অবস্থান করছে। এদের অজ্ঞানতার ফলেই গত ১৫ই এপ্রিল হিজড়েরা তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি পাওয়ার পর অনেকে ভেবেছেন ৩৭৭ ধারার অবলুপ্তি হল। এই কনফিউশন কাটানোর জন্য বিশেষ করে পড়তে বলব, ‘আমার যৌনতা’র শুরুতে অনিরুদ্ধ দত্তের লেখা ‘কোন রূপের অন্তর’ প্রবন্ধ।
    আর, এই প্রসঙ্গ ধরেই বলছি, ‘আমার যৌনতা’ আর ‘অন্য যৌনতা’র কোনো কোনো লেখায় মধ্য যৌনতার যোগসূত্র ধরে ‘ইণ্টারমিডিয়েট জেণ্ডার’এর কথা বলা কিংবা শিখণ্ডী, বৃহন্নলাদের আত্মজীবনী, লওণ্ডা নাচের বর্ণনা, নৃসিংহ মারিয়া বা নপুংশকদের কথা বলা– এগুলো না রাখলেই ভালো হত। সমকামিতা নিয়ে লিখতে গিয়ে অবধারিতভাবে অন্তর্লিঙ্গ টেনে আনার অভ্যাস অনেক লেখাতেই দেখেছি, এমন কী গবেষণামূলক লেখাতেও। অনেক ওয়েবসাইটে দেখেছি, সমকামিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে কিন্তু সাইট সাজানো হয়েছে অন্তর্লিঙ্গ মানুষের ছবি দিয়ে। এইভাবে জেণ্ডার মাইনরিটি ও সেক্সুয়াল মাইনরিটিকে (তথাকথিত মাইনরিটি) জগাখিচুড়ি বানানো হয় বলে মানুষ বোঝেও ভুল। এসব অর্ধোন্মিলিতদের কথা ভেবে ঐ প্রসঙ্গগুলো অ্যাভয়েড করে গেলে ভালো হত বলে আমি মনে করি। বরং পুরুষ-নারী-হিজড়ে এই বিভাজনটা লিঙ্গভিত্তিক, আর সমকামী-বিষমকামী-উভকামী-রূপান্তরকামী-লিঙ্গান্তরকামী ইত্যাদির বিভাজন যৌনতাভিত্তিক, LGBT বিভাজনটা যৌনতার নিরীখে, লিঙ্গ নিরীখে নয়, ফলে হিজড়েরা LGBT-র মধ্যে পড়েন না –এই সত্যিটা আরো সহজপাচ্য করে গলাধঃকরণ উপযোগী করে দিলে বইদুটো আরেকটু ‘পারফেক্ট’ হত। এই সামান্য খুঁতটুকু আমার চোখে পড়েছে, যেটা বইয়ের সারবত্তার তুলনায় নগন্য বললেই চলে। ঈপ্সিতাদির বইটা সব অ্যাঙ্গেল থেকেই আমার মাস্টারপিস মনে হয়েছে, আমি সমকামিতা নিয়ে লিখতে উৎসাহী হয়েছি এ বই পড়ে।
    সবশেষে বলি, প্রোফেসর শঙ্কুর অরনিথনে প্রথম ঢুকেছিল ‘কর্ভাস’ নামের একটা কাক, যে ঐ গল্পের মুখ্য চরিত্র। তার জ্ঞানলাভের ইচ্ছে ছিল বলে লাফাতে লাফাতে সোল্লাসে ঢুকে পড়েছিল যন্ত্রের মধ্যে। যন্ত্রটা কিন্তু নিরুৎসাহী পাখীদেরও জ্ঞান বুদ্ধি বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখত, যদিও তেমন কোনো খেচরকে শঙ্কু আনেন নি। আমি এবং আমার মত যারা এই বিষয়টি নিয়ে পড়াশুনা করতে চান, তারা ঐ ‘কর্ভাস’এর মত। নিজে থেকে ঢুকেছি। আমার লক্ষ অন্য জায়গায়। যারা সমকামীদের দেখলেই পাঁচ হাত ছিটকে যান, তারা কবে ঢুকবেন এই যন্ত্রে? যাদের নেহাৎ জোর না করলে LGBT বিষয়ক লেখা পড়েন না, পড়তে তাদের গা ঘিনঘিন করে, তাদের দৃষ্টিভঙ্গি না পাল্টালে তো সমাজের ‘অসুখ’ সারবে না। আমরা কি আশা করতে পারি, গুরুচণ্ডালি এরপর এই নিয়ে ভাবনাচিন্তা করবে?
  • kaskabed | 127.203.213.98 | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৪১434578
  • এই মেসেজটা আমি মার্চ ২০১৪তে সৈকতকে পাঠিয়েছিলাম, খেরোবাসনা পড়ে ভাল লাগা জানাতে "Under the spreading chestnut tree
    i sold you and you sold me"
    জর্জ অয়েলের নাইনটিন এইটিফোরের একটা ছায়া দেখতে পেয়েছি খেরোবাসনায়, কারুবাসনা নামটার সিলেকশন মনে হয় উইয়ার্ড।
  • গুরুচন্ডালি | ২৫ নভেম্বর ২০১৫ ১১:১৪434582
  • আর কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশে পাওয়া যাবে গুরুচণ্ডা৯ র চটিসিরিজ।
  • গুরুচন্ডালি | ২৭ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:০২434583
  • কল্লোলের কারাগার, বধ্যভূমি ও স্মৃতিকথকতা, কুলদা রায়ের কাঠপাতার ঘর, মলয় রায়চৌধুরীর অলৌকিক প্রেম ও নৃশংস হত্যার রহস্যোপন্যাস এবং অন্য মহীন এখন পাওয়া যাবে না।

    কারাগার, বধ্যভূমি ও স্মৃতিকথকতার তৃতীয় সংস্করণ, অলৌকিক প্রেম ও নৃশংস হত্যার রহস্যোপন্যাসের দ্বিতীয় সংস্করণ, কিছু নতুন গল্প সহ কাঠপাতার ঘরের পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ এবং অনেকগুলি নতুন লেখা সহ অন্য মহীনের পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে।
  • গুরুচন্ডালি | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৯:২২434584
  • কোলকাতায় কলেজস্ট্রীটে ধ্যানবিন্দু, বুকমার্ক, রাসবিহারীতে থিমা ও কল্যাণদার কাছে গুরুর চটি পাওয়া যাচ্ছে।
  • গুরুচন্ডালি | ০৩ জানুয়ারি ২০১৬ ০৯:০০434586
  • আগরতলা পুস্তকমেলায় লিটল ম্যাগ স্টল ও সৈকত প্রকাশনীর স্টলে গুরুচণ্ডা৯ র বই থাকছে। চলবে ৭ জানুয়ারি অব্দি...
  • pi | 192.66.103.56 | ২২ জানুয়ারি ২০১৬ ০৭:২৪434587
  • অদ্রীশ বিশ্বাসের 'মিছিলে বাদল সরকার' সুব্রত সরকার লিখেছেন,

    'এই লেখাটুকু পড়েই অনেকগুলো দিন পিছিয়ে গেলাম ! ১৯৮৮ সাল বোধয় । ম্যারাপ বেঁধে নাটক এর উৎসব হয় আমাদের মফঃস্বলে । শুরুর দিন প্রভাতফেরী তে প্রতিবার গলা ফাটিয়ে "নাটক করার মঞ্চ চাই" স্লোগান দিই গুটিকয় বিপথগামী অর্বাচীন । কিছুতেই বুঝতে পারিনা রাজ্যের হাতে সীমিত ক্ষমতা কি করে প্রকল্পিত মঞ্চের জায়গা বেচে দ্যায় ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কাছে । হাল ধরতে এগিয়ে আসে থার্ড থিয়েটার । বাদল'দার চেলা দেবাসিশদা এলেন আমদের অঙ্গন-মঞ্চ'র নাটক শেখাতে । হ্যাঁ... সাগিনা মাহাত' র সেই সাগিনা । ...............শিখিয়েছিলেন চোখ বুজে ঝাঁপ দিতে......এমন কনফিডেন্স ছিল সেই বলায় যে ঝাঁপ দিয়েছিলাম উত্তাল নদীর দৃশ্যে ...আর জেনেছিলাম সংগীদের বাড়নো হাত থাকবেই লুফে নিতে...............তারপর কত নাটক ...চাপা পড়া মানুষ , নুনাহি, হা হা অনাহার, এবং ইন্দ্রজিত, ভোমা , নাট্যকারের সন্ধানে তিনটি চরিত্র........... কৃষনগর তীরন্দাজ , পথসেনা হালিসহর, শান্তিপুর , নবদ্বীপ , কাচড়াপাড়া , বারাসাত, অশোকনগর , ব্যারাকপুর , কলকাতা' র কত টীম ...টিমের ভাঙন............... তবুও কখনো সোচ্চারে , কখনো টিমটিম করে জানান দিয়ে যাচ্ছি ..................আমরা ছিলাম, আছি ,থাকব............মানুষের মধ্যে থেকে, মানুষদের নিয়ে অভিনীত নাটকের সেই ধারায় ............. কিং সাইজ সিগারেট বা মোলায়েম ব্লেন্ডে'র সঙ্গে পাল্লা দিয়ে.....................নাটকের শেষে লাল শালু পেতে দিয়ে, জনগনের দান' এর দাবীতে ।'
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন