• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • যখন সাহায্য দরকার হয়

    Blank
    বিভাগ : অন্যান্য | ০৮ মার্চ ২০০৮ | ৯৯৩ বার পঠিত
আরও পড়ুন
এ¾ট্রী - Blank
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • আবেদন | 83.162.22.190 | ১৫ জুলাই ২০১৬ ১৩:০৩398344
  • বনগাঁ ষ্টেশন থেকে বাগদা রোড ধরে ১৫ কিলোমিটার দূরে কমলাপুর গ্রামের ছেলে উত্তম সরকার । বাবা ভ্যান চালক। অসুস্থ মানুষ। মাঝে মাঝে রাস্তায় যন্ত্রনায় বসে পড়তে হয়। মা দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী । ভুল চিকিৎসার ফলে স্নায়ুর অসুখে আক্রান্ত। একমাত্র বোন অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছেলের পাল্লায় পড়ে বিয়ে করে এবং তার অত্যাচারে আতিষ্ঠ হয়ে গত বছর আত্মহত্যা করে। উত্তমের স্কুল জীবন শেষ করে প্রত্যুষের কাছে আসে ওর পড়াশুনার জীবন যাতে বন্ধ না হয় তার আবেদন নিয়ে। প্রত্যুষ উত্তমের অবস্থা বিবেচনা করে পড়াশুনার সমস্ত দায়িত্ব গ্রহণ করে। সাথে সাথে ওর বাবা, মা এবং উত্তমের চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব ও নেয়। সম্প্রতি উত্তম Mathematics এ Hons. নিয়ে BSc. পাশ করেছে। উচ্চতর শিক্ষার প্রতি টান থাকলেও সংসারের অভাব দূর করতে এবং বাবা মাকে সাহায্য করতে উত্তম সরকারী চাকুরীর প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার জন্য কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়েছে। টাকাটা (৮০০০) প্রত্যুষ দিয়েছে। ইতিমধ্যে আইএসআই থেকে জনৈক অধ্যাপক ৩০০০ টাকা দিয়েছেন । বাকি ৫০০০ টাকার জন্য কয়েকজনকে বলা হয়েছে। উত্তম এখানেই থেমে থাকতে চায় না। অঙ্ক নিয়ে এম.এস.সি সম্পূর্ন করতে চায় Distance Education scheme থেকে। এখানেও টাকা লাগবে দু বছরে ১৪০০০ টাকা । অর্থাৎ, প্রায় ২০০০০ টাকা । আমরা ওকে সাহায্য করবো । আমাদের পাশে কেঊ দাড়াতে পারলে চাপটা কম পড়বে । এই উদ্যোগে সামিল হবার জন্য সব্বাইকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে । যোগাযোগ করুন- Pratyush cdcw Taki Road, Gholarhat Kazipara, Barasat, North 24 Parganas, Kolkata – 700124 Telephone – 9433737115 ,Email : [email protected], URL: http://pratyush.org.in/
  • ranjan roy | 132.180.218.255 | ১৫ জুলাই ২০১৬ ১৩:১৮398345
  • @আবেদন,
    প্রত্যুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার ( IFSC সহ) দিতে পারেন?
  • আবেদন | 83.162.22.190 | ১৫ জুলাই ২০১৬ ১৩:২৬398346
  • রঞ্জনদা,
    ঐ নাম্বারে ফোন (9433737115) করে কথা বললে পেয়ে যাবেন।
  • | 213.99.211.81 | ১৫ জুলাই ২০১৬ ১৪:০৮398347
  • ডঃ ঊদয় চৌধুরী। উনি তিন দিন বাগবাজারে বসেন আর তিন দিন বসেন লাউডন স্ট্রীট এ। খুব ই নির্ভর যোগ্য।
  • একটু | 133.242.242.17 | ১৫ জুলাই ২০১৬ ১৬:০৫398348
  • কথা বলাটা চাপের, কেঊ একটু a/c আর IFSC কোডটা দিলে কিছু টাকা দেওয়া যেত।
  • sch | 132.160.114.140 | ১৫ জুলাই ২০১৬ ১৬:৪৯398349
  • Pratyush Bank details:
    name of the Account :Pratyush C D C W
    Account Number ; 3910000100063113 (savings account)
    Name of the Bank : PUNJAB NATIONAL BANK
    Name of the Branch ; Barasat Branch, Colony more
    IFSC : PUNB0391000

    etai mone hoy
  • স্চকে | 133.242.242.17 | ১৫ জুলাই ২০১৬ ১৭:১৯398350
  • ধন্যবাদ।
  • ranjan roy | 132.180.218.255 | ১৬ জুলাই ২০১৬ ০০:০০398351
  • ধন্যবাদ।
  • π | 233.176.37.210 | ২৭ জুলাই ২০১৬ ১৬:০৮398352
  • লুরুবাসীদের জন্য,
    কল্লোলদার কাল বা পরশু বাইপাস অপারেশন, আজ রাত্রে ডেটটা ঠিক করে জানা যাবে। আপাততঃ তিনজন রক্তদাতা লাগবে , যেকোন গ্রুপের হলেই হবে। কাল বা পরশু দিতে হবে, কাল হলেই মনে হয় ভাল হয়। লুরুর নারায়ণ হ্রুদয়ালয়ে, ইলেক্ট্রনিক সিটিতে।
    কেউ যেতে পারলে একটু জানান।
  • π | 192.66.24.179 | ২৭ জুলাই ২০১৬ ১৭:২৫398354
  • পাওয়া গেছে।
  • ranjan roy | 132.162.202.149 | ২৭ জুলাই ২০১৬ ১৯:৩৯398355
  • সব ঠিক হয়ে যাবে।
    অপারেশন হয়ে গেলে পাই বা কেউ প্লীজ এই পাতায় একটু আপডেট দেবেন।
  • π | 192.66.27.7 | ২৭ জুলাই ২০১৬ ২০:৪৬398356
  • কাল সকাল ছ'টায় অপারেশন। ঠিকঠাক হয়ে যাক।
    কয়েকজন রক্ত দিতে যাবেন বলেছেন, ঝঙ্কার মালাকার ও তাঁর বন্ধুরা। তবে অন্য কেউও দিতে চাইলে যেতে পারেন। হাসপাতাল থেকে প্রথমে পাঁচ বোতল রক্ত চাইছিলো, দরকার হতে পারে।
  • dc | 120.227.240.21 | ২৭ জুলাই ২০১৬ ২০:৫৩398357
  • আশা করছি কল্লোলবাবুর প্রোসিডিওর ঠিক মতো হয়ে যাবে, উনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন।
  • ranjan roy | 192.69.124.80 | ২৯ জুলাই ২০১৬ ১৮:৫৪398358
  • পাই,
    এনি আপডেট?
  • d | 37.58.43.124 | ২৯ জুলাই ২০১৬ ১৯:৩৯398359
  • ভাটে দিয়েছে তো একক আর পাই। অপারেশান হয়ে গ্যন ফিরেও এসেছে। ভেন্টিলেশান খুলে নেওয়া হয়েছে।
  • d | 37.58.43.124 | ২৯ জুলাই ২০১৬ ১৯:৪১398360
  • জ্ঞান
  • π | 192.66.33.88 | ২৯ জুলাই ২০১৬ ২০:৩৮398361
  • ভাটে লিখেছিলাম।
    অপারেশন ভালভাবে হয়েছে। কল্লোলদার জ্ঞান ফিরে এসেছে। রবিবারে জেনেরাল ওয়ার্ডে দিতে পারে।
  • ranjan roy | 192.69.124.80 | ৩০ জুলাই ২০১৬ ১৪:৪০398362
  • থেন্কু!!
    এবার থেকে ভাটে নিয়মিত উঁকি মারবো।ঃ))))
  • pi | 24.139.209.3 | ৩০ জুলাই ২০১৬ ১৯:১৬398363
  • কল্লোলদাকে জেনারেল ওয়ার্ডে দিয়ে দিয়েছে ঃ)
  • Abhyu | 81.12.145.3 | ০৯ আগস্ট ২০১৬ ২২:৪০398366
  • স্বামীর সঙ্গে বছর দশেক হল কোনও সম্পর্ক নেই ঊর্মিলার৷ অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করে তিনি সংসার পেতেছেন অন্যত্র৷ ঊর্মিলার জীবনের সম্বল একমাত্র ছেলেটাই৷ মেশিনে সায়া -ব্লাউজ সেলাই করে সামান্য কিছু উপার্জন করেন তিনি৷ এ ছাড়াও তাঁর বাবার তৈরি করে দেওয়া বসতবাড়ির কয়েকটি ঘর ভাড়া দেওয়া৷ সব মিলিয়ে টেনেটুনে চলে যায় মা -ছেলের সংসার৷ কিন্ত্ত ছেলের এই রোগের চিকিত্সা করানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই ঊর্মিলার৷ তবু ছেলের মুখ চেয়ে তিনি হাল ছাড়তে নারাজ৷ আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী , রাষ্ট্রপতি , রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী , রাজ্যপাল -সহ সকলের কাছেই৷ কিন্ত্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ত্রাণ তহবিল থেকে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা ছাড়া এখনও পর্যন্ত মেলেনি কিছুই৷

    ইতিমধ্যেই ছেলের চিকিত্সার জন্য দুই বোনের নামের বাড়িটা বন্ধক রেখেছেন তিনি৷ চোখের জল মুছতে মুছতে ঊর্মিলা বললেন , ‘ক্যান্সারের রোগীর খাওয়াদাওয়ার অনেক বাছবিচার রয়েছে৷ ডাক্তারবাবু খাবারের চার্ট দিয়েছেন৷ কিন্ত্ত আমি মা হয়ে রুগ্ণ ছেলের মুখে শুধু ডাল , ভাত , আলুসেদ্ধ ছাড়া আর কিছু তুলে দিতে পারছি না৷

    ঊর্মিলা পোদ্দার
    অ্যাকাউন্ট নম্বর (বন্ধন ব্যাঙ্ক , মোহনপুর শাখা) 50150084357870
    ব্যাঙ্কের এমআইসিআর : 700750020
    আইএফএসসি কোড : BDBL0001073
  • Porphyrion | 69.92.144.25 | ২৪ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪৪398367
  • একটা বাচ্চার ভয়ানক ডেঙ্গুতে লিভার ফেইল করেছে। আর্জেন্টলি ১০ ইউনিট প্লেটলেট দিতে হবে, কালকের মধ্যে। AB+, বেলভিউতে। যোগাযোগের নম্বর - +৯১ ৯৮৩০৫২২৬৮৩ (অনির্বাণ)
  • π | 24.139.209.3 | ২৪ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪৭398368
  • রাজীবদাদের জানাচ্ছি।

    কিন্তু যেকোন গ্রুপ থেকে দিলে হবেনা ?
  • Porphyrion | 69.92.144.25 | ২৪ আগস্ট ২০১৬ ২১:৫১398369
  • বল্ল তো স্ট্রিক্টলি এবি+, আর ফ্রেশ। ডাক্তারি ব্যাপার, আমার মাথায় ঢোকে না।
  • sch | 132.160.114.140 | ২৬ আগস্ট ২০১৬ ১১:২৩398370
  • Urgent requirement of fresh O- blood for a Dengue patient admitted in critical conditoon in AMRI, Dhakuria.
    Can anyone help. The hospital will only accept O- donors - not exchanges.
    Patient: Sampurna Mishra
    Contact:
    Sougata Mishra
    09999007967
    2 units have been arranged - another 2 units are required.
  • π | 24.139.209.3 | ২৬ আগস্ট ২০১৬ ১১:৪৪398371
  • শেয়ার করে দিয়েছি।

    অরিজিতদা, ঐ কেসের আপডেট কী ? আর লাগবে ?
  • pi | 233.191.51.93 | ২৬ আগস্ট ২০১৬ ১৩:৫৮398372
  • Purono phn number chilo amar kache.. jani na ekhon kaj korbe kina.
    O Negative Blood Group Club 033-25540084 , 09831062157.

    একজন জানালেন। শ্চ দেখতে পারেন।
  • Porphyrion | 37.63.136.108 | ২৬ আগস্ট ২০১৬ ১৪:২৬398373
  • ৫/৬ ইউনিট দেওয়া হয়েছিলো, কিন্তু ফের ফল করেছে। আইসিইউতে আছে শুনলাম।
  • sch | 132.160.114.140 | ২৬ আগস্ট ২০১৬ ১৫:০৮398374
  • থ্যাঙ্কস পাই।
    নাম্বারটা দিয়ে দিয়েছি।
    ফেসবুক পোস্ট থেকে এখন অব্দি তিনজন ডোনর পাওয়া গেছে - তাঁরা আজ দেবেন - ডাক্তার সিচুয়েশান বুঝে কাল ডিসাইড করবেন আর কতোটা লাগবে
  • শুভ | 113.249.7.115 | ৩০ আগস্ট ২০১৬ ১২:৩০398376
  • A+ গ্রুপের রক্ত প্রয়োজন।

    স্বাতীলেখা কুন্ডু, বালুরঘাট সমমনের থিয়েটার কর্মী ও আবৃত্তিকার, ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এই মুহূর্তে কলকাতার বেল ভ্যু ক্লিনিকে ভর্তি। গতকাল থেকে তার অবস্থা আশংকাজনক এবং ব্লাড প্লেটলেট অত্যন্ত কমে যাবার ফলে তার ব্লাড ট্রান্সফ্যুশন করতে হচ্ছে। তার রক্তের গ্রুপ A+।
    সহৃদয় ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ অনুগ্রহ করে স্বাতীলেখার দাদার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করুন :
    কুন্তল কুন্ডু - 9475612674
  • pi | 127.194.80.162 | ১৪ অক্টোবর ২০১৬ ১৭:৩৬398377
  • আরুণি দাশগুপ্ত লিখেছেন,
    Urgently required platelet for 13 year old dengue patient at Ruby Hospital and B+ blood.

    Extremely urgent and serious.

    Contact Kathakali Biswas (mother )
    Mobile 8583817770, 9748405409
  • ফরিদা | 192.68.240.144 | ০৪ নভেম্বর ২০১৬ ২০:৩৩398378
  • পরিচিত একজন বেশ কিছুদিন স্কিন সমস্যায় ভুগছেন। কলকাতার বাসিন্দা। দেশের মধ্যে ভালো স্কিন স্পেশালিষ্ট এর সন্ধান পেলে বাধিত হই।
  • সোমনাথ দাশগুপ্ত | 69.160.210.3 | ১১ জানুয়ারি ২০১৭ ১৪:৪৬398379
  • এই ব্যক্তির সদ্য লে-অফ হয়েছেন। খুবই ভালো, হার্ড ওয়ার্কিং ও এফিশিয়েন্ট, কিন্তু কোম্পানির অবস্থা গোলমেলে ছিল। সংসারে একমাত্র আর্নিং মেম্বার। অর্থনৈতিক অবস্থাও সঙ্গীন। খুবই আতান্তরে পড়েছেন। মাসে অন্তত পনেরো পেলেও জয়েন করে যাবেন। কারো কোনো সোর্স থাকলে বা কোথাও রিকোয়ারমেন্ট আছে জানা থাকলে কাইন্ডলি একটু হেল্প করবেন?

    অপ্রাসঙ্গিক, কিন্তু বন্ধুদের জানানো থাক, http://indraindrajal.blogspot.in/ এই ব্লগটি ইনি চালান। এই সময় কাগজে (১৯শে জুলাই ২০১৪) ইন্দ্রজাল কমিকস সংগ্রাহক হিসেবে এঁরই সাক্ষাৎকার পড়ে PM দা মন্তব্য করেছিলেন - "এই ইন্দ্রনথ ব্যানার্জ্জী কিনি যিনি IT কাজ করে জল চুইয়ে পড়া টিনের চালের বাড়িতে থাকেন?"

    সত্যিই থাকেন। ব্যক্তিগতভাবে চিনি। অনুমতি নিয়েই সিভি পোস্ট করলাম।

    . . . . . . . . . . . . . . . . . CV INDRANATH BANERJEE
    -------------------------------------------------------------------------------------------------

    Address: Dum Dum (Cantt), Nalta, 50, School lane. Saheb Bagan. kolkata-700028
    (Mob): +917686868550
    Gmail ID: bnindra2000

    Twelve years of experience.
    Working with experience in Systems Administration.

    Keyskills - Ubuntu Linux, windows Administration.

    Job experience:

    SHIELDWATCH INFOTECH PVT. LTD. (SEC-5 SALTLAKE,TAMPA-FLORIDA.US) 14.09.2015 – 04.01.2017)

     Installation and configuration of open source applications on LAMP environment.
    . . . . . . Installation and configuration of MySQL, Apache Web Server, PHP, postgreSQL,
    . . . . . . Handling LAN, Warless LAN, Work Group, Domain Client, Domain Server 2008. 2012
     Handling Active Directory Domain.
    . . . . . . 2008 server , Windows XP ,Windows Vista, Windows 7, WINDOWS 8 , WINDOWS10

    AAA INFOSOLUTION ,KOLKATA (SECTOR-1, SALT LAKE) (01.11.06 - 12.09.2015)

     Handling LAN, Warless LAN, Work Group, Domain Client, Domain Server 2003.
     Handling Active Directory Domain.
    . . . . . . 2008 server , Windows XP ,Windows Vista, Windows 7, WINDOWS 8.
    . . . . . . ISP Configure, Internet Sharing. Warless Router Configure. Back Boon Switch.
    . . . . . . DHCP Configure, DNS Configure.

    CAFÉ DIGITAL, KOLKATA (NSCBI AIRPORT PROJECT. Airport Authority of India) (02.09.04 - 31.10.06)
    Worked as Customer Support Engineer

     LAN, Workgroup, Warless LAN. Crimping & Caballing.
     Computer Hardware.
     PC Assembling.
     Various ISP Configure.
     ISP Sharing. Outlook Express Configure.
     PC and Laptop OS Loading.
     PC and Laptop Troubleshooting.

    GOLDEN TECHNOLOGY, KOLKATA ( 03.04.02- 31.08.04)
    Worked as Junior Engineer

    • Mother Board Testing.
    • RAM , SMPS Testing. Various Software Loading.
    • Windows 98, Windows me, Windows 2000 Loading.
    • PC and Laptop Formatting.
    • PC Assembling Troubleshooting

    Subjects of Interest : Voice Server, Cisco Router, PIX Firewall,

    Professional Qualification :
    5. Percuasing RHCE from Akra Institute of Global Certification
    4. M.C.P. from Cisconet Infotech PVT. LTD.
    3. Computer Hardware Engineering from E.T.D.C.W.B. Gov. 0f INDIA.
    2.Microprocessor & MicroComputer system E.T.D.C.W.B. Gov. 0f INDIA.
    1.Electronics & Telecommunication Engineering Diploma (3 Years)

    General Qualification: Higher Secondary W.B.C.H.S.E 1994

    Strengths:
    Decision making
    Sincere & Determined.

    Personal Details:
    DOB: 19 August 1977
    Sex: Male
    Nationality: Indian
    Marital Status: Married
    Father : BHUBANMOHAN BANERJEE

    Hobbies:
    Old Book Collection , Philately, Old Cinema Collection, Currency Collection.

    OTHER ACTIVITIES:
    Black Belt Karate.
    Ex-member : K.I.C.K. (U.S.A), W.K.F. (USA), KICK BOXING SCHOOL OF WEST BENGAL (WORLD KICK BOXING FEDERATION GERMANY)

    Languages: English, Hindi, Bengali
  • T | 229.75.11.86 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:৩৮398380
  • জনতা, একটা বিষয়ে একটু সাহায্য পেলে ভালো হয়। আমার এক পরিচিতা আত্মীয়া শ্বশুরবাড়ীর অত্যাচার (স্পেসিফিক্যালি স্বামীর) সহ্য করতে না পেরে বাপের বাড়ী চলে এসেছেন। ফলে প্রাণে বেঁচেছেন। ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের মামলা রুজু হয়েছে। শীঘ্রই ডিভোর্সের মামলা রুজু হবে।

    ওঁর মেয়ে রয়েছে। সে ক্লাস সেভেনে পড়ত, দূর্গাপুরের একটি স্কুলে, আইসিএসই বোর্ড। এইবার এখন তাকে কলকাতার একটি স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে, যেটি কিনা বেঙ্গল বোর্ড। যাই হোক, কলকাতার স্কুলটিতে সে ক্লাস এইটে ভর্তি হয়েছে, ক্লাস করছে। কলকাতার স্কুলটিতে যখন ভর্তি হয় তখন প্রিন্সিপাল জানিয়েছিলেন যে, আপাতত উনি মেয়েটিকে ভর্তি নিচ্ছেন, কিন্তু পুরোনো স্কুলে সেভেন থেকে এইটে ওঠার পরীক্ষাটি দিতে হবে, এবং পাশ করেছে এটাও দেখাতে হবে, নচেত হবে না। সেই অনুযায়ী সে পুরোনো স্কুলে সেভেন থেকে এইটে ওঠার পরীক্ষাটিও দিয়ে এসেছে, পাশও করেচে।

    এইবার কলকাতার স্কুলটির প্রিন্সিপালের নতুন দাবীটি হচ্চে যে একমাসের মধ্যে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দেখাতে হবে নয়তো ভর্তি ক্যানসেল করে দেবেন। তড়িঘড়ি দূর্গাপুরের স্কুলটিতে যখন ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করা হয়, তখন সেখানকার প্রিন্সিপাল ম্যাডাম বলেন যে মেয়ের কাস্টডি যে মা পেয়েছে সেইটা দেখাতে নতুবা ট্রান্সফার সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে না কারণ মেয়ের বাপ স্কুলে এসে হুজ্জুতি পাকাতে পারে।

    ভদ্রমহিলার উকিলের বক্তব্য, যেহেতু মেয়ে মায়ের কাছেই আছে, সেজন্য নতুন করে কাস্টডির দাবী করা যায় না। এরপর ইনি এক হাইকোর্টের উকিলের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেন। ইনি সব শুনে বলেন যে প্রথমে আমরা রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে আবেদন করব, তারপর আইসিএসই বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করব ইত্যাদি ইত্যাদি। তো, এই আবেদন নিবেদনের পদ্ধতিটা আমার ঠিক গ্রহণযোগ্য লাগছে না, কারণ এইভাবে একমাসের মধ্যে কিছু হওয়া মুশকিল।

    এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে ছেলেমেয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবক হিসেবে যেহেতু মায়ের অধিকার আইনতঃ স্বীকৃত সেহেতু শুধুমাত্র মা চেয়েছেন বলে স্কুলের প্রিন্সিপাল ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিতে বাধ্য কিনা। যদি বাধ্য হ'ন তাহলে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে কিছু লাভ হবে কিনা। এছাড়া রাইট টু এডুকেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী নতুন স্কুলে ভর্তির জন্য ট্রান্সফার সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক কিনা। মানে যদি কোনো এফিডেভিট শো করা যে অমুক স্কুলেই একমাত্র মেয়েটি এনরোলড হয়ে আছে, মাল্টিপল স্কুলে নয়, সেটি কাজ চালানোর জন্য যথেষ্ট কিনা। নেটে খুঁজে এইরকম স্পেসিফিক কিছু পাচ্ছি না।

    সবশেষে হাইকোর্টের উকিলটির বক্তব্য এবং তার গোঁপ ঠিক সুবিধের লাগছে না। ফলে সাহায্য প্রার্থনাটা হচ্চে এই যে, কেউ যদি এইসব বিষয়ে ওয়াকিবহাল কারো খোঁজ দিতে পারে তো ভীষণ উপকার হবে। সেক্ষেত্রে যোগাযোগের ফোন নাম্বার বা ঠিকানা আমাকে মেইল করে দিতে পারেন, titas1979 অ্যাট gmail.com এ। গুরুর জনতার যদি এই শিক্ষার অধিকার আইন ইত্যাদি সংক্রান্ত প্যাঁচ পয়জার জানা থাকে তো জানালে খুবই বাধিত হইব।
  • aka | 75.205.190.115 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:৫৮398381
  • অদ্ভূতুড়ে ব্যপার স্যপার। মাথা ঘুলিয়ে যায়। শুধু এই ক্ষেত্রে নয়, রোগ ভোগের ক্ষেত্রে এমন আরও বেশি হয়। এর আর কি সাহায্য, স্থানীয় নেতা ধরে প্রিন্সিপালের কাছে ফোন করতে হবে। এর কোন লজিকাল সলিউশন নেই, থাকতেও পারে না।
  • T | 229.75.11.86 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:০২398382
  • ধন্যবাদ আকাদা, হ্যাঁ কোনোকিছু উপায় না থাকলে নেতা ইত্যাদি ধরতেই হবে আর কী।
  • dc | 181.61.232.119 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:১৩398383
  • রিসেন্টলি আমাকে একজন উকিলের সাথে কাজ করতে হয়েছিল, কিন্তু উনি বারুইপুর সিভিল কোর্টের উকিল (আমার কাজটা ঐ কোর্টের জুরিসডিকশানে পড়েছিল)। T যদি বলেন তাহলে আমি ওনাকে জিগ্যেস করে দেখতে পারি, তারপর নাহয় এগনো যাবে। তবে আকাবাবুর সলিউশানটা সবচে এফেক্টিভ মনে হচ্ছে, যদি সম্ভব হয় তো। এই কারনে, যে কোর্টের কাজ কম সময়ে করানো অসম্ভব, বরং পলিটিকাল প্রেশার দিতে পারলে এক দিনে কাজ করানো যায়।
  • Pi | 57.29.133.215 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:১৩398384
  • এক উকিলকে পড়তে দিলাম।কী বলে দেখি
  • T | 229.75.11.86 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৩৩398385
  • ডিসি, হ্যাঁ অবশ্যই জিজ্ঞাসা করে দেখতেই পারেন। থ্যাঙ্কু।

    পাইদিকেও ধন্যবাদ, একটু দেখো তো।
  • Arpan | 37.97.223.216 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৪০398387
  • তিনটি উপায়। তিনটিই অবস্থাবিশেষে কাজে দেবে হয়ত। যদিও দ্বিতীয়টি নিয়ে বেশ পরিমাণ কিন্তু কিন্তু আছে।

    ১। অবস্থা ব্যক্ত করে টুইট করুন এবং তাতে স্মৃতিম্যাডামকে ট্যাগ করুন। পরিচিত টুইটারকারীদের বলুন সেটাকে রিটুইট ইত্যাদি করে ছড়িয়ে দিতে।

    ২। স্থানীয় তিনো কাউন্সিলর/ এমএলএ ইত্যাদির স্মরণাপন্ন হোন এবং মাত্রা ও কানেকশন অনুযায়ী শ্বশুরবাড়ি, দুর্গাপুর ও কলকাতার স্কুলে চমকান। শিক্ষামন্ত্রীর তাঁবেদার তল্পিবাহক যেই থাকুন না কেন তাকেও ধরতে পারেন।

    ৩। পারলে এই সময়ে চিঠি লিখুন ও তাদের রিপোর্টারকে দিয়ে হাঙ্গামা মাচান।
  • dc | 181.61.232.119 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৪৬398388
  • স্মৃতিম্যাডামকে ট্যাগ করে এখন কি হবে? উনি তো আর এডু মিনিস্ট্রিতে নেই, এখন তো জাভাদেকার হিউম্যান রিসোর্স মিনিস্টার!
  • T | 229.75.11.86 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৪৭398389
  • অর্পণদা থ্যাঙ্কু, কিছুতেই কিছু না করা গেলে এমএলএ কে ধরতেই হবে আর কি :)। তবে আমার স্থির বিশ্বাস কোনো একটা স্ট্যান্ডার্ড আইনি প্রসিডিওর রয়েছে।
  • Arpan | 24.195.235.129 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ২২:১২398390
  • টি, হ্যাঁ, ঐ ঘি তোলার গল্প আর কী।

    স্মৃতিম্যাডামের ব্যপারটা স্মৃতি থেকে বেরিয়ে গেছিল একদম!
  • Du | 182.58.107.242 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ২২:৩২398391
  • শিক্ষার অধিকার আইন আছে তো। বাবা মা না থাকলেও
  • Du | 182.58.107.242 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ২২:৩২398392
  • শিক্ষার অধিকার আইন আছে তো। বাবা মা না থাকলেও
  • pi | 57.29.243.26 | ২৩ এপ্রিল ২০১৭ ১০:২৯398393
  • এখানেও থাকল।

    মৃণাল কোটালের পোস্ট।

    চুনী কোটাল স্মৃতি পাঠাগার*
    ---------------
    দীর্ঘদিন ধরে একটা পরিকল্পনা মাথার মধ্যে ঘুরঘুর করছিল।তাই এই সিদ্ধান্তগ্রহণ করলাম।কতদূর করতে পারব তাও জানিনা,আমি জানি ঠিক হয়ে যাবে।
    আমি খুব আশাবাদী।

    পশ্চিম মেদিনীপুর এ এক প্রত্যন্ত গ্রাম
    গোহালডিহি, এই গ্রামেই জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সমাজের এক দর্পণ নাম চুনী কোটাল।

    এই গ্রামে পড়াশুনো মান একদন নিম্ন
    ,সাবাই টাকা পয়সার অভাবে পড়াশুনো করতে পারেনা।
    তাই ঝোলা কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে পেটের যোগাড় করতে।
    তাই আমার এই বৃহত্তম প্রয়াস একটি পাঠাগার নির্মানের।
    এবং এই সব ছেলে স্কুল ছুট না হয়, তার জন্য সমস্ত রকম সাহায্য করব।
    প্রতি বছর তাদের পড়ারর জন্য সমস্ত বই দেওয়া হবে।
    এই পাঠাগার থেকে।
    শিক্ষা কে প্রসার ও সামাজিক উন্নয়ন।
    এবং সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ কে সাহিত্য অনুগামী করা, বেশি করে বই পড়ানো অভ্যাস করা,
    ইত্যাদি।

    আমি দৃঢ় আশা রাখছি আপনারা আমার এই বৃহত্তর প্রয়াসে পাশে থাকবেন।
    আপনি আপনার সমস্ত লিটিল ম্যাগাজিন পাঠাতে পারেন আমাদের পাঠাগারে,
    আপনি আরো উদ্দ্যোগী হলে আপনার
    প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, গল্পসমগ্র, উপন্যাস,পাঠাতে পারেন।
    যদি আপনি চান কেন না আমারা কোন আর্থিক মূল্য দিয়ে কিনতে পারবো না।
    পাঠাগার এর সমৃদ্ধকরণ যদি চান
    তবেই আমারা সমৃদ্ধ হব।

    এছাড়া ও অর্থ মূল্য দিয়ে সাহায্যদান করতে পারেন।
    সেক্ষেত্রে আপনি আপনার মূল্যবান অর্থ উন্নয়নকার্য দান নয়,
    শিক্ষাপ্রসারে আপনার চেষ্টার প্রয়াস।
    সেক্ষেত্রে আগ্রহীরা ইনবক্স যোগাযোগ করতে পারেন।
    একদিন রাস্তার ভালো খাবার না খ্যেয়ে
    অন্যদের চোখে আলো দিচ্ছেন
    এটা কম প্রাপ্তিস্থান নয়।
    আপনি সুন্দর নির্মাণকাল প্রবেশ করছেন।
    আপনার দ্বারা সমাজ উন্নতকরণ হচ্ছে।
    আপনি ও সামিল,এই মহান কর্মকাণ্ডে।
    আপনার এই প্রচেষ্টা কে সাধুবাদ জানাবে
    তাবদ সমাজ।
    আপনার নাম
    লেখা হবে পাঠাগার খোদায় অক্ষরে।

    আগামী দিনে হাজার হাজার গরীবের চোখে আলো প্রদান করবে আপনার নামের খোদায় অক্ষর।
    আসুন আমি একা নয়, আপনি ও
    সামিল এই জনউন্নয়ন মূলক কাজে
    সেলাম জানাবে আপনাকে তাবদ বিশ্ব।

    প্রচেষ্টার মূল উদ্দীপক
    -----_---------------------
    মৃনাল কোটাল

    লিটিল ম্যাগাজিন /বই
    পাঠানোর ঠিকানা ------
    মৃনাল কোটাল
    গ্রাম+পোঃ- গোহাল ডিহি
    থানা- শালবনী
    পিন- ৭২১১২৯
    ফোন নং- ৯৮০০০৬৩৭৬৯
  • pi | 57.29.246.154 | ১৬ জুন ২০১৭ ১২:০৮398394
  • রোশনী ঘোষের একটা পোস্ট শেয়ার করলাম।

    'লমন্দের্‌নেশা
    #রোশনি্‌ঘোষ

    অনেক অনেক দূরে শাল বনের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে একটা লাল মাটির পথ ছিল আর পথের শেষে ছোট্ট একটা গ্রাম। সেই গ্রামে একটা ছোট্ট মেয়ের বাড়ি। জানি এ পর্যন্ত পড়েই আপনারা ভুরু কুঁচকে ভাবছেন, এ আর নতুন কথা কি? পথের শেষে গ্রাম থাকবেই আর সে গ্রামে যে একটা না একটা মেয়ে থাকবে সেও তো জানা কথাই। এ আর নতুন কি? আহা, ধৈর্য ধরে একটু শুনুনই না। হয়তো নতুন কিছু আছে এ গল্পের শেষে।

    যাকগে যা বলছিলাম, গ্রামের সেই ছোট্ট মেয়ে একটা কুঁড়েঘরে থাকে তার মা বাপের সাথে। মেয়ের নাম বাহামণি, না আপনাদের সিরিয়ালের নয়, এই বাহামণি একটা ছোট গ্রামের মা বাপের আদরের একটা ছোট মেয়ে। মা-বাপ ভোর থাকতে উঠে রান্নাবান্না করে, নিজেরা খেয়ে মেয়ের জন্য খাবার ঢেকে রাখে। তারপর লাল মাটির পথ ধরে জঙ্গল পেরিয়ে যায় ইঁটভাটায় কাজ করতে। আর ছোট্ট বাহা ঘুম থেকে উঠে মুরগিকে খেতে দেয়, ঘর নিকোয় তারপর নিজে খেয়েদেয়ে বেরিয়ে পরে ইস্কুলের দিকে। ইস্কুলে কেন? ওমা বলিনি বুঝি? ইস্কুলে যে মিড-ডে মিল দেয়। বাড়িতে একা একা থাকলে নয়তো খাবে কি ছোট্ট মেয়েটা? মা বাপের তো ফিরতে ফিরতে সেই সন্ধ্যে পেরিয়ে রাত্তির। রাত্তিরে ওরা বাড়ি ফিরলে মা রান্না করে ভাত আর শাক। আর কিছু কেনার পয়সা জোটে না ওদের। নমাসে-ছমাসে পয়সা পেলে সাথে একটু চুনোমাছ। সেদিনগুলো ওদের উৎসবের দিন। মা যখন রান্না করে, বাহা তখন বাপের কোলের কাছটিতে বসে বসে তার সারাদিনের গল্প শোনায়, ইস্কুলে সে কি করলো, কাঠবেড়ালীটা আজ গাছ থেকে কবার ওঠানামা করেচে এই সব কত্ত কি। বাপেও গল্প শোনায় মেয়েকে ইঁটভাটাতে তারা কিরকম করে ইঁট বানায়, মালিকের খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটা নকল করে দেখায়। খাওয়া-দাওয়া হলে তিন জন শুয়ে পড়ে, পরের দিন তো আবার সক্কাল সক্কাল উঠতে হবে তিনজনকেই।

    ইস্কুল জায়গাটা মন্দ না, কিন্তু বেশিরভাগ দিদিমণিরাই বড় রাগি। পান থেকে চুন খসলেই বকা দেন। কিন্তু ওর মধ্যেও কয়েকজন দিদিমণি আবার বড্ডো ভালো। হাতে ধরে তারা মেয়েদেরকে অ-আ-ক-খ শেখান, অংকের মজা বোঝান। রোজ ইস্কুল যেতে যেতে বাহার আস্তে আস্তে নেশা লেগে গেলো। পড়াশুনোর নেশা, বই পড়ার নেশা। মা বাবা রাত্তিরে যখন বাড়ি ফেরে, মেয়ে তখন তার পড়াশুনার গল্পও শোনায় বাবামাকে। বাহা খেয়াল করেনা বাবা কিন্তু আগের মতন তাকে আর ইঁটভাটার গল্প শোনায় না, অন্যমনস্ক ভাবে হুঁ হাঁ করে যায় খালি। রান্নাও কমে গেছে আগের থেকে, এখন শুধু নুন আর ভাত হয় রোজ রোজ।

    তা মেয়ের যেমন নতুন নেশা লাগলো, বাপ মায়ের নতুন নেশা লেগেছে তদ্দিনে, তবে পড়াশুনার নয় চোলাইয়ের। আসলে হয়েছে কি, ইঁটভাটাতে গোলমাল, বাপ মা মাইনেকড়ি পায় না ঠিকমতন। রোজই কাজে যায় শুকনোমুখে, ভাবে আজ নিশ্চয়ই ঠিকমতন মাইনে পাবে, আর রোজই হতাশমুখে ফেরত আসে। তা সেরকম একদিন ফেরার পথে এক বন্ধু মা বাবাকে নিয়ে গেলো চোলাইয়ের ঠেকে। বাপ মা এর আগেও যে চোলাই খায়নি তা নয়, কিন্তু সেসব উৎসবের দিনে আনন্দ করতে, আর এদিন খেলো, দুঃখ ভুলতে, মনের চিন্তা তাড়াতে। চোলাই খেলে যে বাস্তবটা দূরে সরে যায়। তখন মনে রাখতে হয়না, মাইনেকড়ি হচ্ছে না, ঘরে খাবার নেই, ছোট্ট মেয়েটার পরনের জামাকাপড়ও নেই। মেয়ের যত পড়াশুনার নেশা বাড়ে, বাপ মায়ের পাল্লা দিয়ে বাড়ে চোলাইয়ের নেশা।

    দিনে দিনে এমন হলো, বাপ মা সকালে উঠেই কাজে যায় আর মাঝরাতে টলতে টলতে বাড়ি ফেরে। বাহা যতটুকু পারে বাড়ির কাজ করে, তারপরে চলে যায় ইস্কুলের দিকে। মিডডে মিলের একটু খেয়ে বাকিটা বাঁচিয়ে আনে রাতের জন্য। বাপ মায়ের মদের নেশার সাথে মেয়ের পড়াশুনার নেশা পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। এমনি করে সিক্স, সেভেন, এইট সব টপকে যায় বাহা। নাইনে উঠে আরেক বিপদ, মিডডে মিল বন্ধ। তবে খায় কি মেয়েটা দুপুরে? বাপ মায়ের যা অবস্থা, তাতে চাইলেও খাবার পাবেনা বাহা। মা বাপের মতন ইটভাঁটায় কাজ করতে যেতে পারে কিন্তু তাহলে তো ইস্কুল যাওয়া হবে না। তবে কি সে লেখাপড়া ছেড়ে দেবে? নাহ, এতো সহজে সে হাল ছাড়ার মেয়ে বাহা নয়। সে খোঁজ নিয়ে দেখলো, বাড়ির কাছের জঙ্গল থেকে শালপাতা কুড়িয়ে মহাজনকে দিলে, মহাজন টাকা দেবে। প্রতি একশোটা শালপাতা পিছু ছ টাকা। খুবই সামান্য টাকা, এটাকায় আমার-আপনার একবেলার ফুচকার খরচও মেটে না। বাহা কিন্তু এই টাকাকে সম্বল করেই নেমে পড়লো ওর পরের লড়াইতে। সূর্য ওঠার আগে মেয়ে ওঠে, একদফা শালপাতা কুড়িয়ে মহাজনকে দিয়ে, টাকা বুঝে ইস্কুলে যায়, ইস্কুল ফেরত আবার একদফা শাল পাতা কুড়িয়ে টাকা বুঝে নেওয়া। তারপরে তো রান্না বান্না, পড়াশুনা আছেই। এভাবেই আস্তে আস্তে মাধ্যমিকটাও পেরিয়ে গেলো বাহা। ইলেভেন-টুয়েলভের লড়াইটা আরো কঠিন।

    একে তো পড়াশুনা আগের থেকে কঠিন, তার ওপরে মা বাপের প্রায় সম্পূর্ণ দায়িত্ত্বই এখন বাহার ওপরে। ওর ওই শালপাতা বেচার টাকাতেই সংসার চলে আজকাল। মাবাপের রোজগারটুকু পুরোটাই যায় চোলাইয়ের পেছনে। আর যেন টানতে পারছে না ছোট্ট মেয়েটা। একদিন সেকথাই ইস্কুলে বসে বসে ভাবছিলো মেয়ে হঠাৎ ওর হাত ধরে কে যেন টান মেরে বললো
    "ফুটবল খেলবি?"
    বাহা তাকিয়ে দেখে রুক্মিণী ওর দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাসছে। রুক্মিণী, রুক্মিণী কিস্কু বাহার প্রাণের বন্ধু, বাহার ঘরের অবস্থা প্রায় সব টুকুই জানে সে। সেজন্যই বাহার আরো রাগ হলো। সব জেনেও রুক্মিণী এরকম করে বলে কি করে তাকে?

    বাহা একটু রাগ রাগ মুখেই বলল
    "তুই জানিস না আমাদের বাড়ির অবস্থা? এর মধ্যে তুই খেলার কথা বলিস কি করে? আর এদিকের কোন মেয়ে এই ধাড়ি বয়েসে ফুটবল খেলে যে হঠাৎ তোর মাথায় ফুটবল খেলার ভূত চাপলো? ওসব তো ছেলেদের খেলা।"
    রুক্মিণী একটা কথারও উত্তর না দিয়ে মিটিমিটি হাসতে হাসতে বাহার হাতে একটা প্যাকেট ধরিয়ে দিলো। "আরে, তুই ডিম্-পাঁউরুটি কোত্থেকে পেলি?"
    উত্তরের অপেক্ষা না করেই বাহা ডিমে কামড় দিতে গিয়ে থমকে যায়।।। "তোর কই?"
    আবার মিটিমিটি হাসতে হাসতেই রুক্মিণী বলল "ফুটবল খেলে পেয়েছি। একটা পাগলা মতন দাদা এসেছে। নাকি আমাদের ফুটবল খেলা শেখাবে। আর যারা যারা শিখবে, সবাইকে খাওয়াবে।"

    "কিন্তু, গ্রামের লোকে কি বলবে রে আমরা ফুটবল খেললে?" "ছাড় তো তোর গ্রামের লোক। আজকে কে দুটো খাবার দিতে আসে তোদের মুখে? তুই যা রোজগার করিস তাতেই তো চলে। ভালো কথা বলি শোন, ফুটবল খেলতে চল, না হোক রাতের খাবারটা জোগাড় হয়ে যাবে। সে সময়ে পড়তে পারবি।"
    বাহা একটু ভাবে। ইস্কুলেও তো একসময় মিডডে মিলের লোভেই পড়তে এসেছিল। আজকেও নয় যাবে খাবারের লোভে। আর তার থেকেও বড় কথা এখানে একটু সময় দিলে ওর আসল নেশা লেখাপড়ার জায়গাটাকেও আরেকটু সময় দিতে পারবে বাহা।

    ফুটবল খেলতে খুব লজ্জা করছিল বাহার। একে তো পরনে খাটো হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি। প্রানপনে হাফপ্যান্টটা নিচের দিকে টানছিলো ও। তার ওপরে কোচের ধমক,
    "জামার দিকে মন না দিয়ে বলের দিকে তাকা সবাই।"
    শুধু বাহা নয়, যে কজন খেলছিল সবারই এক দশা। খাবারের জন্যই খেলতে এসেছে বেশিরভাগ মেয়ে। শাড়ি বা সালোয়ার ছাড়া কিছু পরেনি কোনোদিন কেউ হাফপ্যান্টে তো অস্বস্তি হবেই। এসবি অন্যমনস্ক হয়ে ভাবছিলো বাহা তখনি শুনলো কোচ শিবুদা জিগেস করছে
    "আচ্ছা তোদের কারোর ওপর রাগ হয়?"
    কেউ কিছু উত্তর দেওয়ার আগেই বাহা অবাক হয়ে দেখলো ওর ডান হাতটা কখন যেন নিজের থেকেই ওপরে উঠে গেছে। ঠিক ইস্কুলের দিদিমণিরা প্রশ্ন করলে যেরকম হাত ওঠে সেরকম। শিবুদা এতক্ষন ওকে আলাদা করে লক্ষ্য করেননি, এবারে জিগেস করলেন
    "নাম কি রে তোর?"
    "বাহা, বাহামণি "
    "আচ্ছা, এদিকে যায় এবার, এই বলটার সামনে, এবার এটার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে বল তোর কার ওপরে রাগ হয়।"
    "আমার।।। আমার না ভীষণ রাগ হয় চোলাইয়ের দোকানগুলোর ওপরে, আমার বাবামাকে তো ওরাই কেড়ে নিলো। আমার রাগ হয় ওই ইঁটভাটার মালিকের ওপরে, উনি ঠিকমতন মাইনেকড়ি দিলে বাবামা এরকম নেশা করতো না।"
    "তুই এবারে ওই বলটার দিকে ভালো করে তাকা, মনে কর ওটাই চোলাইয়ের দোকান, ওটাই ইঁটভাটার মালিক। এবার প্রাণপনে ওটার গায়ে একটা লাথি মারতো দেখি।"
    বাহার মনের মধ্যে কিরকম একটা করছিলো। এখানে বলার আগে ও সত্যি বোঝেনি ওর মনে ঠিক কতটা রাগ জমে আছে এই চোলাইয়ের দোকান বা ইঁটভাটার মালিকের প্রতি। কেমন একটা ঘোরের মধ্যেই বলটায় লাথি মারলো ও। সবার হাততালিতে চমক ফিরলে দেখলো বলটা বহুদূরের গোলপোস্টের জালে জড়িয়ে আছে। শিবুদা এবার ওকে জড়িয়ে ধরে বললো
    "বুঝলি বাহা, আমাদের সবার জীবনেই নানা সমস্যা আছে। আমাদের কাজ হল ওগুলোকে লাথি মেরে গোলের ভেতর পাঠিয়ে দেওয়া। আজকে যেরকম করলি তুই ঠিক সেরকম। এবার থেকে বলটাকে ধরলেই তোর সমস্যাগুলোর কথা ভাববি। তোর রাগটাকে খেলার মাঠে ঝেড়ে বের করে দিবি। দেখবি, সমস্যাগুলো তখন আর অত বড় মনে হবেনা।"

    কথাগুলো শুনেছিল বাহা। প্রথমে একটা কথাও বিশ্বাস করেনি, মনে মনে ভেবেছিল সব গাঁজাখুরি। কিন্তু ধীরে ধীরে বাহা কথাগুলো বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল। ওর সব সমস্যাগুলোকে লাথি মেরে গোলে পাঠিয়ে মন দিতে শুরু করেছিল লেখাপড়ায়।

    তারপরে? তারপরে আবার কি? বাহাদের টিম কিছু প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলেছে, নিজেদের ওপর ভরসাটাও আরো অনেকগুণ বেড়ে গেছে। আর এবারের উচ্চমাধ্যমিকে বাহামণি কোন গৃহশিক্ষকের সাহায্য ছাড়াই সসম্মানে পাশ করেছে। পাশের খবর পেয়েই বাহা ছুটে গেছিলো শিবুদাকে খবর দিতে। এই লোকটা ততদিনে ওর নিজের দাদার মতোই হয়ে গেছে। দাদার হাত ধরে ও একটু আধটু কম্পিউটার চালাতে শিখেছে আর সব থেকে বড় কথা, শিখেছে নিজেকে বিশ্বাস করতে, নিজের ওপর ভরসা রাখতে। পাশের খবর পেয়েই শিবুদা একগাল হেসে বাহাকে জড়িয়ে ধরে বলল
    "তোর একটা সমস্যা তুই সমাধান করেছিস, তাই গোলের দায়িত্ব এবার আমার ঘাড়ে। তোর কলেজের খরচটা আমি দেব। যা এবার ওই গোলটাও দিয়ে আয়।"
    বাহা প্রণাম করতে যেতেই শিবুদা জিগেস করলো
    "কিরে আমার গুরুদক্ষিণা দিবিনা?"
    "কিন্তু আমি কি দেব তোমায়? আমার তো কিছুই নেই।"
    "কে বললো তোর কিছু নেই? তোর এই জেদটা আছে, একটা মাথা আছে। এগুলোকে কাজে লাগা। নতুন ছাত্রীদের পড়া। আজকে যদি তুই পড়াশুনা না করতি, তাহলে হয়তো এদ্দিনে তুইও চোলাইয়ের নেশায় বসে থাকতি। আজকের এই নতুন ছাত্রীদের সেটা শেখাতে পারবি না? চেনাতে পারবি না ওদের ভালো আর মন্দ নেশার পার্থক্য?"
    ছলছল চোখে একগাল হেসে ঘাড় নাড়ে বাহা, পারবে না মানে? পারতেই হবে ওকে।

    পুনশ্চঃ যারা এতক্ষন আমার এই বকবক পড়লেন কষ্ট করে, তাদের বলি বাহামণি বা শিবুদা দুজনের কেউই কিন্তু কাল্পনিক চরিত্র নয়। বাহামণির কথা আমি প্রথম শুনি শ্রীজার ফাউন্ডার-ডিরেক্টর শিবুদার কাছে। গল্পের খাতিরে একটু ফাঁকফোকর ভরাট করা ছাড়া বাহামণির সম্পর্কে লেখা পুরো গল্পটাই সত্যি। শুধু মনের জোর সম্বল করে একটা অসম লড়াই চালাচ্ছে মেয়েটা। আপনারা একটু সাহায্য করবেন ওকে প্লিজ? বেশি কিছুই না, নতুন ছাত্রীদের পড়ানোর জন্য নাইন-টেনের বই সংগ্রহ করছে শ্রীজা। আজকে প্রায় আটটা গ্রাম জুড়ে দেড়শো ছাত্রীর পড়ার ব্যবস্থা করতে চাইছে শ্রীজা। আর তার জন্য গড়ে তুলতে চাইছে প্রতিটি গ্রামে একটা করে লাইব্রেরি। আপনাদের চেনা পরিচিত অনেকেই তো মাধ্যমিক দিয়েছে এবার, ওদের বইগুলো সংগ্রহ করে একটু যদি শ্রীজা কলকাতা মুখপাত্র কে দেন, বাচ্চা মেয়েগুলো একটু লড়াইয়ের হাতিয়ার পায়। পারবেন আপনারা এটুকু সাহায্য করতে? বাহার মতন বাকি মেয়েদেরও প্রতিকূলতার লড়াইয়ে সামিল হতে? শ্রীজা কলকাতা মুখপাত্রের নাম অপরাজিতা দত্ত আর ওনার ইমেইল এড্রেস হল

    অপরজিতদুত্ত।জু@গ্মইল।োম।

    অনেক আশা নিয়ে আপনাদের কাছে আবদার করলাম, প্লিজ নিরাশ করবেন না কিন্তু।

    হ্ত্ত্প্সঃ//্ব।ফেবূক।োম/গ্রৌপ্স/হ্রীজঈন্দিঅ/

    হ্ত্ত্প্সঃ//্ব।ফেবূক।োম/স্স্দস্গুপ্ত?ফ্রেফ=ন্ফ'
  • pi | 57.29.135.148 | ১৮ জুন ২০১৭ ২০:৫৮398395
  • পেলাম।

    তন্ময় চন্দ্র রায় "একিউট এপ্লাস্টিক এনিমিয়া" য় ভুগছেন। কলকাতায় ইউনিটেক গেট নাম্বার ওয়ানের পাশে দাদা আর তাঁর বোন মণীষা অসহায় অবস্থায় আপনার মুল্যবান সময় ও রক্তের অপেক্ষায়। তন্ময় চন্দ্র রায় আগামী বুধবার টাটা মেডিকেল সেন্টার, রাজারহাটে ভর্তি হবেন। "বোন ম্যারো ট্রান্সপ্যান্ট"। দরকার রক্ত। টাটা সেন্টারের ডাক্তাররা জানিয়েছেন, ১০ জন অন্তত ও+ ব্লাড গ্রুপের চাই অপারেশন চলাকালীন ও পোষ্ট অপারেটিভ সময়ে। বাকি অন্তত ৫ জন যে কোন ব্লাডগ্রুপের হলেই হবে পরশুর মধ্যে। যোগাযোগ :মণীষা ( 9681147972)
  • ? | 193.82.199.156 | ১৯ জুন ২০১৭ ০৬:৫৮398396
  • ওটা [email protected], বানানটা ঠিক আছে?
  • করোনা ভাইরাস

  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত