ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • নির্মাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা

    দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৫ জুন ২০২২ | ২৪৫ বার পঠিত
  • - এত উঁচুতে আমরা কি করে এলাম?
    - তোর মনে নেই? ওই লোকটা মেলার দোকান থেকে কিনে নিয়ে এলো যে আমাদের । এটাই ওর বাড়ি । বৌ ছেলেকে নিয়ে থাকে ।
    - না, ঘুমিয়ে পড়েছিলাম আমি তখন । কিন্তু মেলার দোকানে কি করে এলাম আমরা?
    - সে তো আমারও মনে নেইরে । শুধু মনে আছে আমার চোখ ফোটার আগে চারিদিকে অন্ধকার ছিল । ঘুটঘুটে অন্ধকার । চোখ খোলার পর দেখলাম তুই তৈরি হচ্ছিস পাশের হাপরের আগুনে ।
    - কে বানালো আমাদের?
    - আমি মুখ দেখতে পাইনি । শুধু হাতদুটো দেখতে পেয়েছিলাম । ওখানে আরো সব আমাদের মত মানুষের মূর্তি, জীবজন্তু, থালা, বাসন কত্ত কিছু তৈরি হচ্ছিল । তারপর ওই মেয়েটা আমাদের সব ঝোলা ভর্তি করে নিয়ে এসে মেলার দোকানে সাজিয়ে রাখল । তোকে আর আমাকে সাজিয়ে রাখল পাশাপাশি । কেউ কিনতে এলে বলল, এই দুটো পুতুল কিনলে একসাথে কিনতে হবে বাবু । এরা দুজন মা আর মেয়ে ।
    - মানে আমার নাম মেয়ে আর তোমার নাম মা?
    - না রে, ওগুলোর মানে মানুষদের কাছে অন্যরকম । যেমন বাচ্চা ছেলেটা দেখিস নি ওই লোকটার বৌকে মা বলে । মা মেয়ে মানে ওটা একরকম সম্পর্ক মানুষদের কাছে ।
    - তাহলে আমাদের আসল নাম কি?
    - আসল নামটা জানলে তো এখান থেকে পালিয়ে যেতাম। দেখিসনি আর যেসব পুতুলের সাথে আমাদের রেখে দিয়েছে ওরা কেউ নিজেদের নাম জানে না । এরা সবাই এখানেই বেশ ভালো আছে, কেউ বাইরে কি আছে জানতেই চায় না ।
    - উহ ওই কাঁচের বাড়িটা সত্যি দমবন্ধ হয়ে আসে । চার পাঁচ তলা জুড়ে সব কি ক্যাচরম্যাচর শুরু করে রাত্তির বেলা । একটা মুশকো পুতুল আছে, আমাকে দেখলেই ওর কুকুরটাকে লেলিয়ে দেয় ।
    - হ্যাঁ ওই পুতুলটা খারাপ । ওর থেকে দূরে থাকবি ।
    - তাও মন্দের ভালো সকালবেলাটা আমাদের এখানে খোলা রোদ হাওয়াতে রেখে দেয় ।
    - এই চুপ চুপ । মাটি কাঁপছে । এদিকে আসছে কেউ ।
     
    সাত্যকি ব্যালকনিতে উঁকি মেরে পোড়ামাটির পুতুল দুটোকে দেখল । মেলা থেকে কিনেছিল কয়েকমাস আগের শীতে । দেখলে মনে হয় একজন মা আর আরেকজন মেয়ে, এত সুন্দর হাতের কাজ । এদেরকে মাঝে মাঝে দিনের বেলা ব্যালকনিতে রেখে রোদ খাওয়াতে হয় । যে মেয়েটা মেলায় এদের বিক্রি করছিল, সে বলে দিয়েছিল তাকে এই কথাটা ।

    সাত্যকির মনে হল কিছুক্ষণ আগে পুতুল দুটোকে যেভাবে রেখে গেছিল, পুতুলদুটো যেন একটু ঘুরে গেছে । অনেকটা মুখের ওপর রোদ পড়লে মানুষ যেরকম পাশের দিকে ঘুরে দাঁড়ায় । যেন সোজা সুজি সূর্যের আলোয় ওদের অসুবিধা হচ্ছিল ।

    "তোমরা নিজেরাই এসব পুতুল বানাও?" - কেনার আগে হাতে তুলে দেখতে দেখতে সাত্যকি জিজ্ঞেস করেছিল দোকানের মেয়েটাকে ।
    "না রে বাবু । আমাদের শুধু বেচা কাজ । বানায় অন্য লোক ।" - মাথার ওপর হাত তুলে মেয়েটা আশ্চর্য ভঙ্গিতে হাত ঘুরিয়েছিল । সাত্যকি বুঝেছিল এরা কোথা থেকে পুতুল এনে মেলায় বিক্রি করে সেটা খদ্দেরদের জানাতে চায় না ।

    এরকম সব পুতুল কেনা সাত্যকির একটা হবি । আরো অনেক পুতুল তার শোকেসে সাজিয়ে রাখা আছে । সবই লোকশিল্পের কাজ । নানা মেলা আর টুরিস্ট গঞ্জের বাজার থেকে খুঁজে খুঁজে কেনা ।

    লবিতে বসে তার ছ বছরের ছেলে ঋক মন দিয়ে ছবি আঁকছিল স্কেচপেনে আর্ট পেপারে । সাত্যকি গিয়ে ছবিটা দেখল । ওই পুতুলদুটোরই ছবি আঁকছে ঋক ।

    সে ঋককে ডেকেয়ারে রেখে হাসপাতাল যাবে । সব ভাল থাকলে কালই উত্তরাকে রিলিজ করে দেবে হাসপাতাল । উত্তরা ভাল হয়ে উঠছে ক্রমশ ।

    উত্তরাকে হাসপাতালে দেখে চারঘন্টা বাদে সে আবার ঋককে ডেকেয়ার থেকে গাড়িতে নিয়ে বাড়ির পথ ধরল ।

    - বাবা, মাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিলে আমরা আবার ঘুরতে যাবো?
    - হ্যাঁ রে, কতদিন ঘুরতে যাওয়া হয়নি, দেখি এবার সমুদ্রের ধারে যাবি?
    - হ্যাঁ, বাড়ির মধ্যে থেকে থেকে দম আটকে আসে।

    সাত্যকির মনে পড়ল সমুদ্রের ধারে ঝিনুক দিয়ে তৈরি অনেকরকম পুতুল পাওয়া যায় ।

    - তুই যে আজ দেখলাম পুতুল দুটোর ছবি আঁকছিস, দেখালি রুনা ম্যামকে?

    রুনা ম্যাম আঁকা শেখান বাচ্চাদের ডেকেয়ারে । সাত্যকিকে চেনেন, হাসেন দেখলে ।

    - হ্যাঁ, উনি বললেন খুব ভাল হয়েছে, তারপর জিজ্ঞেস করলেন এদের নাম কি?
    - নাম? পুতুলের আবার নাম কেন?
    - আমিও তাই বললাম, যে এদের তো কোনো নাম নেই । তখন ম্যাম বললেন যে তাতে কি হয়েছে , আমরাও তো সব অন্য কারুর হাতের পুতুল, কিন্তু আমাদের তো নাম আছে । এদেরও দুটো নাম দাও ছবি এঁকেছ যখন। তখন আমি ছবিতে ওদের তলায় নাম লিখে দিলাম - রুমা আর মাম্পি ।
    - বাহ্ ভালো নাম দিয়েছিস
    - কিন্তু ম্যামের ওই কথাটা বুঝলাম না - আমরাও সব অন্য কারুর হাতের পুতুল মানে কি ?
    - হ্যাঁ, ওটা আমি পরে তোকে বুঝিয়ে বলব

    ফ্ল্যাটে ফেরার পর ঋক ব্যালকনিতে গিয়ে পুতুল দুটোর সামনে দাঁড়িয়েছিল। আর্ট পেপারটা খুলে তার আঁকা ছবিদুটো পুতুলদুটোকে দেখিয়ে বলেছিল - তোমাদের নাম আজ থেকে আমি দিলাম রুমা আর মাম্পি।

    পরদিন ভোরের আলো তাদের গায়ে লাগার সাথে সাথে পুতুল দুটো জেগে উঠেছিল । এতদিন তারা নামহীন ছিল । এবার তারা নাম পেয়েছে । পরিচিতি পেয়েছে । তারা ব্যালকনির ড্রেন পাইপ ধরে বারোতলা থেকে ধীরে ধীরে মাটিতে নেমে এলো । এই শহর এখনো ঘুমন্ত ।

    ঠিক সেসময় সাত্যকি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে একটা স্বপ্ন দেখছিল । ভোরবেলার স্বপ্ন । কাঁচের শোকেসের মধ্যে বসে পুতুলগুলো নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছে । বাজনদার পুতুলটা নিজের তানপুরাটা ছুঁড়ে একটা কাঁচের দেওয়াল ভাঙার চেষ্টা করছে । আর একটা দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে একটা টকটকে লাল কাপড় দেখিয়ে পুতুল বুলফাইটারটা পুতুল একটা ষাঁড়কে খেপিয়ে তুলছিল । তারপর ষাঁড়টা ক্ষেপে উঠে ছুটে গিয়ে শেষ মুহূর্তে বুলফাইটার সরে যাওয়াতে দেওয়ালটা সত্যি সত্যি ভেঙে ফেলল । সেখান দিয়ে দুদ্দাড় করে বেরিয়ে আসতে লাগল সমস্ত পুতুলগুলো । ঠিক এইসময় সাত্যকির স্বপ্নটা ভেঙে গেল ।

    সে কিছুক্ষণ গড়িমসি করে উঠে লবিতে এসে দেখল ব্যালকনির দরজা খোলা । রাত্তিরে লাগাতে ভুলে গেছিল । মূর্তি দুটোকে তুলতেও ভুলে গেছিল সে কাল সকালে রোদ খাওয়ানোর পর , মনে পড়ল এখন । সারারাত ওরা বাইরেই ছিল । কিন্তু, ব্যালকনিতে বেরিয়ে সে আর মূর্তি দুটোকে পেল না । জোরে হাওয়া দিচ্ছে, যেরকম দেয় এত উঁচুতে । সে উঁকি মেরে কার্নিশে দেখল, নেই । ভেবেছিল , ঝোড়ো হাওয়াতে কার্নিশে পড়ে চুরমার হয়ে গেছে । কি মনে হতে লবিতে এসে পুতুলের শোকেসটা দেখল, সেখানে সব পুতুল যথাস্থানেই আছে ।

    খুব বেশিক্ষণ এটা নিয়ে ভাবার সময় পেল না সাত্যকি । পুতুল আরো অনেক কেনা যাবে । ঋককে ঘুম থেকে তুলে বেরোতে হবে । উত্তরাকে আনতে হবে হাসপাতাল থেকে।

    ঠিক সেইসময় পুতুল দুটো চার দেওয়াল থেকে মুক্তি পাবার আনন্দে খোলা নীল আকাশের নিচ দিয়ে ছুটে যাচ্ছিল । সাঁতরে পেরিয়ে যাচ্ছিল বরফগলা নদী , সবুজ ঘাসের দিগন্ত । পালিয়ে যাচ্ছিল তারা মানব সভ্যতা পিছনে ফেলে রেখে এক অলৌকিক কারখানা আর কাল্পনিক পুতুল নির্মাতার খোঁজে । যিনি একতাল মাটি দিয়ে সেখানে নিরন্তর সৃষ্টি করে চলেছেন এক পুতুল গ্রহ, আকাশগঙ্গা, কৃষ্ণগহ্বর...

    [ঋণস্বীকার: র২হর ক্যামেরায় তোলা কিছু পুতুলের ছবি]
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2601:448:c400:9fe0:2107:955d:4c73:bd0a | ২৫ জুন ২০২২ ০১:৪৫509351
  • শেষ লাইনটা আমার ভালো লাগলো। বাকি গল্পের আইডিয়াটা তো আগেই ভালো লেগেছিলো, যখন ছবির টইতে বলেছিলেন। কিন্তু লেখাটা সামহাউ একটু রাশড লাগলো আমার। ক'দিন পরে আবার পড়ে দেখতে হবে। তখন হয়তো ওরকমটা নাও লাগতে পারে।
  • দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় | ২৫ জুন ২০২২ ১৮:১০509387
  • @kk, হ্যাঁ আসলে গল্পের টাইমলাইন চব্বিশ ঘন্টা বলে রাশড বলে মনে হতে পারে yes 
  • dc | 2401:4900:2301:9549:9d05:bb87:a440:129f | ২৫ জুন ২০২২ ১৮:৪৭509390
  • গল্পটা ভালো লাগলো। 
     
    আর লাস্ট লাইনটা পুরো একটা উপন্যাস। পিটার হ্যামিল্টন ​​​​​​​এর ​​​​​​​ভয়েড ​​​​​​​ট্রিলজি ​​​​​​​মনে ​​​​​​​পড়িয়ে ​​​​​​​দিলো, ​​​​​​​এই ​​​​​​​ট্রিলজির ​​​​​​​প্রথম ​​​​​​​বই ​​​​​​​দ্য ​​​​​​​ড্রিমিং ​​​​​​​ভয়েড ​​​​​​​এর ​​​​​​​শুরুটা ​​​​​​​খানিকটা এরকম। ​​​​​​​মানে ​​​​​​​গল্পটা ​​​​​​​এক নয়, ​​​​​​​তবে আইডিয়াটায় ​​​​​​​কিছুটা ​​​​​​​মিল ​​​​​​​আছে। ​​​​​​​
     
     
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৬ জুন ২০২২ ০৭:১৬509419
  • দীপাঞ্জনের লেখার দক্ষতা নিয়ে কোন কথা হবে না। কুশলী, প্রত্যয়ী। কিন্তু এই গল্পের যে মূল সূত্র ছিল সেটা থাকে নি। পুতুলদুটি যে বাড়িতে আছে সেই বাড়ির মানুষ আমাদের পুতুলদের দুটি নাম জানিয়েছিলেন। কিন্তু লেখকের প্রস্তাব ছিল যে সেই নাম তাদের আসল নাম নয়। এই যে সেই কথাগুলি - "আসলে কিন্তু এদের নাম রুমা আর মাম্পি নয় আর এরা পুতুলও নয় । এদেরকে যে শিল্পী বানিয়েছে সে এদের অন্য নামে ডাকত । এবার সেই আসল নামে ডাকলেই এরা জীবন্ত হয়ে উঠবে । সেই আসল নাম কি করে জানা যাবে ? - এরকম একটা গল্প হতে পারে :-)" সেটা হল কোথায়, দীপাঞ্জন! আমি আবার অপেক্ষায় থাকলাম। smiley
  • dc | 2401:4900:1cd1:3d9f:1c2b:cf42:4076:f204 | ২৬ জুন ২০২২ ০৮:০১509420
  • আসল নাম মানে কি মেকারের দেওয়া নাম? কিন্তু মেকার কে, সেই প্রশ্ন উঠতে পারে। 
     
    বিটিডাব্লু, উর্সুলা গুঁই এর আর্থ সি সিরিজ পুরোটাই এই আসল নামের ওপর বেস করে লেখা :-)
  • দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় | ২৭ জুন ২০২২ ১৩:২৭509444
  • @অমিতাভ চক্রবর্ত্তী laugh​প্রথমে ওরকম ভাবলেও লিখতে গিয়ে মনে হয়েছিল মেকার কে সেই প্রশ্নটা তুললে গল্পটা বেটার হবে , dc ঠিকই বলেছেন আসল নাম ইত্যাদি নিয়ে লিখতে গেলে একটা ছোট গল্পে ব্যাপারটা আঁটানো মুশকিল 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন