বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পরাণ বাগ্দী - ১১ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৮ জুন ২০২২ | ১৮৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • সকাল আঠটার সময় দেবমাল্যর বাড়িতে চলে এল মৌসুমী । কাল রাত্রেই ফোনে পুরো বৃত্তান্ত জানিয়ে দিয়েছে কলতানকে । সব শুনে  কলতান যদিও ফুরফুরে মেজাজে আছে , মনে একটা উৎকন্ঠার কাঁটা বিঁধে আছে যে রেকর্ডটা ঠিকমতো হল তো ? নাহলে এত টানাহ্যাচড়া, ঝকমারি সব মাঠে মারা যাবে । 
    মৌসুমী ঢুকতেই কলতান বলে উঠল, ' ব্রেভো ব্রেভো ... ইয়াং গার্ল ... হ্যাটস অফ ... হোয়াট আ গ্রেট জব ... ' 
    পারলে ওকে জড়িয়ে ধরে কলতান। কোনরকমে নিজেকে সামলে নিল । মৌসুমী বলল, ' আরে দাঁড়ান দাঁড়ান ... ঠিকমতো রেকর্ডেড হল কিনা দেখে নিন আগে । তারপর সেলিব্রেট করবেন ... '
    ----- ' ইয়েস  অফ কোর্স ... অফ কোর্স ... দেখি দে তো ওটা ... '
    কলতান অ্যটাচি থেকে একটা জ্যাক আর মোবাইল সেট বার করল । জ্যাক দিয়ে চকলেটটা লাগিয়ে মোবাইল ক্লিক করল । 
    খোলা মাঠে দূরের হাওয়ায় অপরাহ্ণের কাক ডাকার আওয়াজে মিশে মৌসুমীর গলায় ... ' এমন কথা আর কখনও বোল না ..... ' থেকে 
    ' ... আমার বাবার তৈরি হাত ...পিছন থেকে  গলায় আড়াআড়ি চাকু টেনে দিল ... ' , তারপর ' ... ছুরিটা ... মাঝরাতে গিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিলাম ওই বড় পুকুরের জলে ... ' আর .... ' ... তুই যেন এসব কথা কাউকে বলিস না ...আমাকে বাঁচতে দেবে না  ... ' সব পরিষ্কার ধরে রেখেছে ক্ষুদে যন্ত্রটা । ঝিঁঝিঁ পোকার একটানা ডাকও অবিচ্ছেদ্য অর্কেস্ট্রার মতো বেজে চলেছে । এত জলজ্যান্ত প্রমাণ যে ওদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে এ যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না দেবমাল্যর । সে মৌসুমীর দিকে তাকিয়ে বলল, ' আমেজিং ... ইনক্রেডিবল ... এটা অনেকগুলো কপি করে রাখতে হবে ... ' 
    মৌসুমী বলল , ' পুরো প্ল্যানটাই তো কলতান স্যারের ব্রেনচাইল্ড ... '
    ------ ' আরে প্ল্যান তো সবাই করতে পারে ... যে প্ল্যান এক্সিকিউট  করে আসল ক্রেডিট 
    তারই ... যাক,  আমাদের কাজ কিন্তু একেবারেই শেষ হয়নি ... উই আর আনলি হাফ ওয়েভ থ্রু ... এটা দেবমাল্য ভাল বলতে পারবে ... কি দেবমাল্য ? '
    ----- ' হ্যা ... শিওর ... যতক্ষণ না এভিডেন্সের ভ্যালিডিটি এসট্যাবলিশড হচ্ছে ততক্ষণ এটা ইনভ্যালিড ... তবে জেনুইনলি ট্রু ডকুমেন্ট তো ফাইনালি এনডোর্সড হবেই । এটা তো আর কোন ডকটরড্ স্টাফ নয় ... সুতরাং ... ' 
    ----- ' রাইট... অ্যবসোলিউটলি রাইট ... ' কলতান দেবমাল্যকে সমর্থন করল ।
         মৌসুমীকে বলল, ' তিনটে পেপারে বসলি আর ফোর্থ পেপারটা কমপ্লিট করবি না ? '
    ----- ' নিশ্চয়ই বসব ... কিন্তু এ পেপারের সিলেবাসটা একটু বলুন না ... ' 
    ----- ' সিলেবাস হল বসন্ত মন্ডলের বাবা হৃদয় মন্ডল ... '
    ------ ' ওরে বাবা ... সেটা কিভাবে সম্ভব !  কি করতে হবে ? '
    ------ ' কিছুই না , খুব সিম্পল । আগের পেপারগুলোর মতো কমপ্লিকেটেড নয় । কোনভাবে হৃদয়ের সঙ্গে আলাদা করে মিট করে তোকে বলতে হবে যে তার ছেলে তোকে ভীষণ বিরক্ত করছে ... তিনি যেন তার ছেলেকে আটকান । আর হ্যা ... হৃদয় মন্ডলকে এটাও বলবি যে , তুই যে হৃদয়ের সঙ্গে দেখা করে এই সব বলেছিস , তা যেন বসন্ত ঘুণাক্ষরেও না জানে ... । ব্যস ... এইটুকুই ... তারপরে দেখবি খেলা । মোস্ট প্রোব্যাবলি দুজনের মধ্যে একজনের লাশ পড়বে ... তোকে আর হ্যাজার্ড ফেস করতে হবে না ... '
    মৌসুমীর মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল , ' উঃ ... মা গো ... ' 
    ----- ' কি হল মৌসুমী ..... '
    ----- ' না  ... কিছু না স্যার ... '
    ---- ' ব্যস ... তারপরে তোর ছুটি  ... '
    ---- ' হুমম্ ... ' মৌসুমীকে ক্লান্ত দেখায় । 
    দেবমাল্য একটা ফাইলের পাতা উল্টোচ্ছিল । সে এবার বলে ওঠে , ' না স্যার ... একেবারে ছুটি বলা যায় না । রেকর্ড করা ভয়েস কোর্ট ভেরিফাই করতে চাইলে মৌসুমীর ডাক পড়তে পারে ... '  
    ------ ' হুঁ  ... সেটা একটা কথা বটে ... সে পসিবিলিটিটা কিভাবে এলিমিনেট করা যায় ?'
    ----- ' একটা রাস্তা হল ...  মৌসুমীর ভয়েসটা যদি ডিলিট করে দেওয়া যায় ।  কিন্তু সে ক্ষেত্রেও কোর্ট জানতে চাইবে ডিপোজিশানটা আপনারা কোথা থেকে পেলেন ? কে কিভাবে কালেক্ট করেছে ... ' দেবমাল্য জানায় । 
    ------ ' হুমম্ ... তাই তো ... ভেবে দেখি কি করা যায় ... এখনও তো কদিন টাইম আছে  ... মৌসুমীকে কোর্টে নিয়ে গিয়ে এক্সপোজ করতে চাই না ... ওর সামনে পরীক্ষা ... পড়াশোনা আছে ... '
    ----- ' একদম ঠিক কথা ... ' 
    এই সময়ে মৌসুমীর ফোনে একটা কল এল ।
    বসন্ত ফোন করেছে সাত সকালে । মৌসুমী ফোন ধরে ... 
    ----- ' হ্যালো ... বল ... এখন কোথায় ? '
    ----- ' এই ... একটু বেরিয়েছি ... বাজারের দিকে যাব ... বলছি যে ... আজও কি ওই একই টাইমে ? ওখানেই তো ... '
    ----- ' না না ... শোন ... আজকে হবে না ... আজ যেতে পারব না ... অসুবিধে আছে ... '
    ----- ' আজ আসতে পারবি না ... ও ... তা'লে .... '  , বসন্তর গলা হতাশ শোনায় ।
    ' ... অসুবিধে আছে ... তা'লে আর কি করা যাবে .... কালকে আসবি তো .....  সবসময় তোকে দেখতে ইচ্ছে করছে ... ' 
    ----- ' হ্যা... ঠিক আছে ... আমি ফোন করব তোমাকে ... তখন কথা হবে ... এখন রাখছি..... ঠিক আছে  ... '
    মৌসুমী ফোন ছেড়ে দেয় । চেয়ারে বসে পড়ে । মাথা নীচু করে দুহাত দিয়ে মুখ ঢেকে বলল, ' উঃ ...মাগো ... ' 
    কলতান গভীর দৃষ্টিতে চেয়ে রইল মৌসুমীর দিকে ।

         বিকেলবেলায় বটতলার মোড়ে পথসভা । হৃদয়কে ওরা সভাপতি করেছে । হৃদয় কিন্তু বলে কয়ে নিয়েছে যে সে কোন বক্তৃতা টক্তৃতা করতে পারবে না । ওসব তার আসে না । তবে মিটিং-এর খরচ আর খাওয়া দাওয়া বাবদ টাকা পয়সা যা লাগে সে দেবে ।  
    সুশীল বলল , ' আরে না না ... আপনাকে ওসব কিস্যু করতে হবে না । স্পীচ দেওয়ার অন্য লোক আছে । আপনি প্রোগ্রামের শেষে শুধু একবার বলবেন ---- 'এখানে সমবেত হয়ে আজকের পথসভাকে সাফল্যমন্ডিত করার জন্য উপস্থিত সকলকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন ।'
    এ প্রস্তাবেও হৃদয় মন্ডলকে দোনামোনা করতে দেখে সুশীল বলল , ' আচ্ছা ঠিক আছে ... আপনাকে একটা চিরকুটে লিখে দেব ... আপনি শুধু দেখে দেখে পড়বেন ... '
    এ কথা শুনে হৃদয় ঈষৎ লজ্জার সঙ্গে বলল, ' হ্যা : ... সেটা কেমন দেখাবে !  ওই কথাগুলো বরং তুমিই বলে দিও  ... '
    সুশীল হেসে বলল , ' আচ্ছা হৃদয়দা ... আপনি বলছেন যখন ...তাই হবে ... '  

        মিটিং সবদিক দিয়েই সাফল্যমন্ডিত হল । তা সে গরম গরম বক্তৃতাই হোক আর সভান্তে খাওয়াদাওয়াই হোক । সাড়ে ছটা নাগাদ সুশীল আর গোবিন্দ হৃদয়কে রিক্শায় তুলে দিল । রিক্শা যখন গার্লস স্কুলের কাছাকাছি হৃদয় দেখল একটা মেয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে আছে তার দিকে হাসিমুখে তাকিয়ে । রিক্শা আরও কাছে আসতে হৃদয় দেখতে পেল ক্ষুদিরাম সামন্তর মেয়ের মৌসুমী । মেয়েটাকে একদম পছন্দ করে না হৃদয় । কেমন যেন এঁচড়ে পাকা স্বভাব ‌। তাছাড়া বসন্তর মাথা যে চিবিয়ে খাচ্ছে সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই হৃদয়ের ।  
    কিন্তু এসব ঝাঁঝ দেখালে চলবে না । হৃদয় ভাবল, সে জনপ্রতিনিধি হতে চলেছে । মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে । পাল্টে নিল নিজেকে ।  একগাল হেসে বলল, ' কি ..... এখানে দাঁড়িয়ে যে ... ' 
    ------ ' এই একটু কাজ ছিল ... জেঠু ... '
    রিকশা থেমে গেছে । 
    ------ ' আ..চ্ছা ... বাড়ি ফিরবে তো ? '
    ----- ' হ্যা জেঠু ... '
    ----- ' উঠে এস ... '
    মৌসুমী রিক্শায় উঠে বসল । রিক্শা চলতে লাগল ।
    ----- ' তুমি তো এবার এইচ এস দেবে ... না ? '
    ----- ' হ্যা জেঠু ...  ' 
    ----- ' বেশ বেশ ... পড়াশোনা ঠিকমতো হচ্ছে তো ... মাস্টারের দরকার থাকলে বোল ... আমি বলে দেব ... '
    মৌসুমীর মনে পড়ল বসন্তর কথা ...
    ' ... বাবার... তৈরি হাত ... পিছন থেকে   গলায় আড়াআড়ি চাকু টেনে দিল  ... '
    কার পাশে বসে যাচ্ছে সে ! সে চুপচাপ বসে থাকল । ফোর্থ পেপারের পরীক্ষা চলছে ...
     হৃদয় মন্ডলের বাড়ি এসে গেল প্রায় ‌। ওখানেই নেমে যাবে তারা । 
    মৌসুমী ঝট করে বলল , ' একটা কথা ছিল জেঠু ... '
    এরকম কত লোকের কত আর্জিই তো শুনতে হচ্ছে সারাদিনে । হৃদয় এতে অভ্যস্ত ।
    সে অলস ভঙ্গীতে বলল, ' হ্যা ... বল না ... '
    সিলেবাস অনুযায়ী  হৃদয়ের কাছে বসন্তর নামে একরাশ কটু অভিযোগ করার কথা মৌসুমীর । 
    ----- ' বলছিলাম যে ... মানে ... '
    ------ ' হ্যা ... বল না ... তুমি ক্ষুদিরামের মেয়ে ... আমারও তো দায়িত্ব আছে ... '
    ------ ' না ... মানে ...
    ------ ' বল ... বল ... লজ্জার কি আছে ! '
    রিক্শা বাড়ির গেটে পৌঁছে গেল । হৃদয় রিকশা থেকে নেমে দাঁড়াল ।  হৃদয় ভাবল রিকশাওয়ালার উপস্থিতিতে মৌসুমী বোধহয় সংকোচ বোধ করছে । 
    রিকশাটা চলে যেতে হৃদয় আবার বলল , 'হ্যা ... বল এবার ... '  
    -----' না ... মানে ... আমার কিছু বইয়ের দরকার ছিল .....  নামগুলো আপনাকে পরে লিখে দেব ... '
    ------ ' ও ... এই কথা ! লিখে দিও ... লিখে দিও ... সব ব্যবস্থা করে দেব ... ছেলেটাকে তো পারলাম না ... '
    ----- ' ঠিক আছে ... জেঠু ... আসছি ... '
    চতুর্থ পত্রের পরীক্ষায় খালি খাতা জমা দিয়ে বাড়ির দিকে হাঁটতে লাগল মৌসুমী । 
     ( ক্রমশঃ )
    ************************************************************************************

      
     

     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Mousumi Banerjee | ১৮ জুন ২০২২ ২১:৫৬509146
  • এই রে! "বসন্ত এসে গেছে" ???
  • Mousumi Banerjee | ১৮ জুন ২০২২ ২২:২৬509149
  • মৌসুমীর মনে বসন্ত জায়গা ক‍রে নিচ্ছে বোধহয়। স্নেহ, ভালোবাসা বা সুশিক্ষা থেকে বঞ্চিত বসন্ত। দেখা যাক, কি হয়
  • যোষিতা | ১৮ জুন ২০২২ ২২:৪২509150
  • কাহানি মেঁ টুইস্ট
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন