ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  সমোস্কিতি

  • ডাবল নিরলস

    তাতিন বিশ্বাস
    সমোস্কিতি | ১৬ মে ২০২২ | ১৫৩৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (৪ জন)
  • ছবিঃ র২হ



    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বাংলা আকাদেমির রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে কিছু মজার ঘটনা ঘটল। আকাদেমির সাধারণ পরিষদের সদস্যরা তাঁদেরই মধ্যের একজনকে রবীন্দ্র পুরস্কারের জন্য মনোনীত করলেন। এতদ্ব্যতীত যাঁরা রবীন্দ্র পুরস্কার নিলেন, তাঁদের একজনকে দেখা গেল চেয়ারে বসে বসেই পুরস্কারটা গ্রহণ করতে, যদিও দৃশ্যত তাঁকে অসুস্থ লাগছিল না এবং অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি সিঁড়ি দিয়ে মঞ্চে উঠলেন। কিন্তু, পুরস্কার নেওয়ার সময়ে উঠে দাঁড়ানোর স্বাভাবিকতাটুকু দেখা গেল না। (এইসবের পাশাপাশি অবশ্য ফ্রাঁস ভট্টাচার্যকে পুরস্কার দেওয়া হল, বহির্বিশ্বে বাংলাসাহিত্যের প্রসারে তাঁর দীর্ঘদিনের সাধনার কথা বাংলার কিছু মানুষ জানতে পারল হয়তো) এর পরে এল আসল হুলাবিলা। আকাদেমির চেয়ারপার্সন ঘোষণা করলেন এক ত্রিবার্ষিক নতুন পুরস্কার তাঁরা চালু করছেন, সেই পুরস্কার অর্পণ করা হচ্ছে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে। এর আগের পুরস্কারগুলি প্রদান করা হলেও এইটি অর্পণ করা হল। আমরা হর্ষে-বিস্ময়ে দেখলাম মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে বসে থাকলেও এই পুরস্কার নিতে এলেন না, বরং এই পুরস্কার গ্রহণ করলেন বাংলা আকাদেমির চেয়ারম্যান যিনি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছিলেন! তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন। পুরস্কারের সঙ্গে প্রদেয় সাম্মানিক উত্তরীয়টি পরানো হল সাহিত্যিক আবুল বাশারের গলায়, যিনি বস্তুতই হতভম্ব মুখ করে বসে থাকলেন। পরে অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকেও একটি উত্তরীয় দেওয়া হল। এরপর দেখলাম শুরু হয়ে গেল সন্তোষ ট্রফি বিজয়ী দলের কিছু ফুটবলারকে রাজ্যসরকারের চাকরি দেওয়ার ঘোষণা।
    পাড়ার ক্লাবের রবীন্দ্রজয়ন্তী, ছোট পত্রিকার সম্মাননা পুরস্কারপ্রদানের অনুষ্ঠান এর থেকে বেশি পেশাদারিত্ব নিয়ে হয়।

    যাই হোক, মুখ্যমন্ত্রীর পুরস্কার নিয়ে প্রভূত সমালোচনা চলছে। বাংলার সমস্ত শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক তাঁকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করেছেন, এরকম বলা হল। আকাদেমি চেয়ারম্যান বললেন, নিরলসভাবে সাফল্যের সঙ্গে সমাজের অন্যক্ষেত্রে অবদান রাখার পাশাপাশি যাঁরা নিরলস সাহিত্যচর্চা করে যান, তাঁদের জন্য এই পুরস্কার। এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা-বিতান কাব্যগ্রন্থটি স্মরণে রেখে এই পুরস্কার। এই কাব্যগ্রন্থটি দুর্ভাগ্যবশতঃ আমাদের পড়া নেই। দুচারটি কবিতা আমাদের গোচরে এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর কিছু বক্তৃতায় এবং বিশেষ করে খেয়াল করা যায়, একটি বাজেটভাষণে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র এই বইয়ের একটি কবিতা কোট করেছিলেন। কবিতাগুলি অপাঠ্য এরকম আমরা বলতে পারি না, তবে গুণমানে কোনও সাধারণ সাহিত্যপত্রিকায় নির্বাচিত হবে না বলেই মনে হয়। লক্ষ্যণীয়, সাহিত্যপত্রিকার কথা বললাম, স্কুল কলেজ ম্যাগাজিন বা অফিস-আবাসনের সুভেনিয়রে এইধরণের কবিতা পাঠক অবশ্যই দেখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকৃতীর সঙ্গে পরিচিত হতে চাইলে, পাঠক হোয়াটস-অ্যাপ বা ফেসবুক পোস্টের উপর ভরসা না করে, ইন্টারনেটে সহজলভ্য আজব ছড়া বইটি দেখে নিতে পারেন- “ভাবি যখন একূল ওকূল/ মনে পড়ে কবি নজরুল/ শিকল পড়ার ছল/ বাড়ায় মনের বল” বা “টাপুর টুপুর বৃষ্টি পড়ে/ বৃষ্টির জল মোদের ঘরে/ ইচ্ছে হয় সাঁতার কাটি রাস্তা ধরে/ বৃষ্টি পড়লে মিষ্টি ঝরে” এরকম। আমাদের চারপাশে অবশ্যই কিছু লোককে আমরা দেখেছি, যাঁরা এরকম ছড়া লেখেন। নিজের পরিচিতমহলে সেগুলো শোনান-পড়ান। এঁরা অনেকেই নিজের পরিবার বা তার বৃহত্তর কোনও সামাজিক পরিসরের উন্নতিকল্পে নিরলস পরিশ্রম করেন এবং তাঁর মধ্যেও সাহিত্যচর্চা করেন। কিন্তু, সমস্যাটা হল, যে আমরা জানি অনুরূপ কঠিন পরিস্থিতিতে এর থেকে গুণমানে অনেকটা উন্নত সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চা বাংলার বহুমানুষ করছেন। খবরের কাগজ বা সাময়িক পত্রতে তাঁদের খবর প্রায়ই পড়তে পারা যায়। সোশাল মিডিয়া তো মাসে একটা করে রাণু মণ্ডল বা ভুবন বাদ্যকরকে বের করে আনছে। কিন্তু, আমাদের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকরা তা জানলেন না? এই প্রসঙ্গে আকাদেমির শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকদের শ্রেষ্ঠত্ব পুনর্বিচারের প্রয়োজন দেখা দেয়। তার আগে, একটা কথা স্মর্তব্য- কবিতা-বিতান বইটি একদিক থেকে কিন্তু বাংলার তাবৎকালের সমস্ত কবিতার বইয়ের থেকে এগিয়ে। তা হল দামে। ফ্লিপকার্টে বইটির দাম দেখাচ্ছে ১১৮০ টাকা। তবে, আমরা সহজেই আন্দাজ করে নিতে পারি এত দাম রাখা হয়েছে মূলতঃ ফান্ড রেইসিং-এর জন্য। দুর্জনে বলেন বাংলার সমস্ত সরকারি লাইব্রেরিকে এই বই কিনতে হয়েছে।

    যাই হোক, আমরা এবার আকাদেমি ও তার পরিচালনার ব্যাপারে আসি। বাংলা আকাদেমির পরিচিতি হিসাবে পাচ্ছি “Paschimbanga Bangla Akademi is the official regulatory body of the Bengali language in West Bengal, India” অর্থাৎ, এই পুরস্কার দেওয়া বা দুচারটে বইপ্রকাশের বাইরে বাংলা আকাদেমির এক বিরাট কাজের পরিসর রয়েছে। আমরা জানি, বর্তমানে মান্য বাংলা বানান ও লিখনরীতির জন্য আমরা আকাদেমি নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করি। এছাড়াও বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দ, কোনও নতুন বিষয়ে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে বাংলায় আলোচনার পরিভাষা ও পদ্ধতি এবং আঞ্চলিক ভাষা ও উপভাষা থেকে মান্য বাংলায় আসা শব্দ ও বাক্যাংশ বাগ্‌ধারার প্রচলন বিষয়ে আকাদেমির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকার কথা। তেমনি হাজার একটা নতুন প্রকাশনা, মিডিয়া ই-মিডিয়া এবং ব্রডকাস্টিং চ্যানেলে বিভিন্নভাবে বাংলার অভিনব প্রয়োগ দেখতে পাচ্ছি, ভুল প্রয়োগও দেখছি, ভুল উচ্চারণ, ভুল অর্থে শব্দ প্রয়োগ দেখছি। আকাদেমির নিশ্চিতভাবে কাজ সেই সংক্রান্ত গাইডলাইন জারি করা। কবীর সুমন কবে চেয়েছেন, গভার্নমেন্টে থাকা উচিত উচ্চারণের ডিপার্টমেন্ট। আবার আন্তর্জালে যখন পশ্চিমবঙ্গ, আসাম-ত্রিপুরা-ঝাড়খন্ড-আন্দামান এবং বাংলাদেশের বাঙালিরা কাছাকাছি চলে আসছেন, নিয়মিত মতবিনিময় করছেন, বাংলার বিভিন্ন মান্যরীতির মধ্যের ফারাকগুলি প্রকট হচ্ছে, বাংলা আকাদেমি সম্ভবতঃ সমতাবিধানের কাজটি শুরু করতে পারেন। কিন্তু, আমরা দেখি আকাদেমির সদস্যদের মধ্যে ভাষাবিদ কেউই নেই। সকলেই প্রায় সাহিত্যিক, কয়েকজন আমলা বা প্রকাশক এবং সাহিত্যিকদের মধ্যেও মাত্র একজন এইমুহূর্তে সরাসরি অধ্যাপনার সঙ্গে জড়িত। অর্থাৎ, ভাষাচর্চার লোক প্রায় কেউই নেই। সাহিত্যিকরা ভাষাকে দিশা দেখাতে পারেন, কিন্তু ভাষার সংস্কার বিশারদদের কাজ। এবং বাংলাভাষা যেহেতু বহুভাষার থেকে পুষ্টিগ্রহণ করে, বিবিধ ভাষার এক্সপার্টদের আকাদেমির প্রথমসারির নিয়ামকের ভূমিকায় থাকার দরকার তা নেই।

    তাহলে কারা আছেন? যাঁরা আছেন, তাঁরা সকলেই প্রায় সাহিত্যিক, তদুপরি তাঁরা সকলেই শাসকদলের ঘনিষ্ঠ। আকাদেমির চেয়ারম্যান বাংলার বিশিষ্ট নাট্যকার, কিন্তু তিনি তো মন্ত্রীও। তিনি নিরলসভাবে রাজনীতিটিও করেন। আকাদেমির আরেকজন প্রভাবশালী সদস্যের কথা এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, তিনি কবি। ২০১৩ সালে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান, উৎপলকুমার বসু তখনও সাহিত্য আকাদেমি পান নি। পুরস্কার পাওয়ার নিরিখে তিনি উৎপলকুমারের থেকে এগিয়ে ছিলেন। তাঁর সাম্প্রতিক ফেসবুক কবিতার দুটি ছত্র দেখলাম- “আগে ছিল লাইন মারা, আজ সব অনলাইনে/ কাকে ভালোবাসব আমি লেখা নেই কোনও আইনে।” কিম্বা দেখলাম গলা কাঁপিয়ে আবেগভরে আবৃত্তির ভিডিও করছেন- “এ বস্তিতে ও বস্তিতে সে বস্তিতে লোপাট ভগবান/ এ বস্তিতেও বস্তিতে সে বস্তিতে আছে একটা করে খেতে না পাওয়া প্যাংলা শাহরুখ খান”, মজার হল তাঁর কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলিও এর থেকে বেশি কিছু উচ্চমানের নয়। অন্ত্যমিলের চাপ না থাকায় একটু বেশি হাত খুলে লিখছেন, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা নিয়ে, তার শেষে দুটো ভারী কি-ওয়ার্ড কিম্বা একটা হাল্কা স্ল্যাং জুড়ে একটু সভা গরম করছেন। কিন্তু লক্ষ্যণীয় যে প্রায় কোনও কবিতাই ঘটনার সাম্প্রতিকতার বাইরে বেরোচ্ছেন না। আর, ছন্দ এবং অন্ত্যমিলের কাঠামোতে ঢুকলে এঁর হাবুডুবু খাওয়া ক্লাস ইলেভেনের হাত মকশো করা ছেলেমেয়েদের মনেও শ্লাঘা জন্মাবে।

    সভা-গরম কবিতার একটা হালকা বাজারদর আছে, মেনস্ট্রিম সিনেমার মতন। কিন্তু, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপকদের বাকি তালিকা দেখলে সেই তালিকায় এঁর উপস্থিতি বুঝতে একটু অতিরিক্ত মাথা খাটাতে হতে পারে। বর্তমানে বাংলা আকাদেমিতে এই কবির প্রতিপত্তি নাকি অবিসংবাদী এমনকী সাহিত্য আকাদেমিতেও বাংলা থেকে মনোনীত কমিটির ইনিই চেয়ারপার্সন। বাকি সদস্যদের অনেকেই এঁর সুপারিশে কমিটিতে ঢুকছেন, পুরস্কার পাচ্ছেন। আমরা জানি, তিনি আগের শাসকদলের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সিংগুর নন্দীগ্রামপর্বে সিপিএম নেতাদের থেকেও বেশি করে সিপিএমকে সমর্থন করেছেন। এর পাশাপাশি নিজস্ব এক বলয়, একটি গোষ্ঠী বজায় রেখেছেন, যাঁরা এঁকে বাহবা দেবে, মঞ্চে এগিয়ে দেবে। পরিবর্তনের পর অনুরূপ নিরলস সাধনায় তৃণমূল কংগ্রেসের কাছের লোক হয়ে উঠেছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কবিতা লিখেছেন, ক্রমশঃ মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর পাশের আসনের দাবিদার হয়েছেন। এবং এর পাশাপাশি নিজের গোষ্ঠী নির্মাণ, সেই গোঠের চূড়ামণি হয়ে থাকার কাজটিও করে গিয়েছেন। এবং ক্রমে সেই গোষ্ঠীর বাকিরাও সাহিত্যকমিটিগুলোর মাথায় উঠেছে। সেই সকল কবি-সাহিত্যিকের মধ্যেও ভাষাচর্চার বাইরে অন্যক্ষেত্রে নিষ্ঠা বেশি চোখে পড়ে। বিশেষতঃ মিডিয়া ও রাজনীতির মঞ্চে তাঁদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতন। এবং এইভাবে একটি চক্র সাহিত্যসমাজের পুরোভাগে বিরাজ করছেন। এই চক্র নিশ্চিতভাবে শুধু আজকের দিনের ব্যাপার না। পেশাদার রাজনীতিকদের বাইরে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিকদের পৃষ্ঠপোষণা ছাড়া এই চক্রাবর্তন চলত না। এবং, এই সব করতে গিয়ে বাংলাভাষার উন্নতিকল্পে আকাদেমির ভূমিকা খাটো হয়ে আসছে।

    তাই, পুরস্কার ইত্যাদির ক্ষেত্রে, শুধু কবিতার মানের প্রশ্নটুকুতেই বিচার নির্ধারিত হচ্ছে না। কবিতার মান ব্যাপারটিতে যেহেতু কিছু অজানা ফ্যাক্টর, কিছু ধোঁয়াশা মিশে থাকে, বলতে গেলে যে কোনও শিল্পসাহিত্যেই থাকে, বাকি ব্যাপারগুলি নিয়ে নিরলস সাধনা চালালে কবিখ্যাতি থেকে শুরু করে রাজসমাদর সবই যে জুটতে পারে, তা দেখা যাচ্ছে। বিশেষতঃ, একটি রাজনৈতিক দল অবসম্বাদীভাবে ক্ষমতায় থাকলে, তার পরিধির লোকজন তথাকথিত নিরলস সাহিত্যচর্চার পাশে সেই সকল সাধনাই করে যেতে থাকেন।

    অর্থাৎ সাহিত্য পুরস্কার পাওয়ার চাবিকাঠি সহজেই হয়ে ওঠে সেই ডাবল নিরলসতা। মুখ্যমন্ত্রীর পুরস্কার সেইটাকেই হাইলাইট করছে।

  • সমোস্কিতি | ১৬ মে ২০২২ | ১৫৩৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • r2h | 134.238.14.27 | ১৬ মে ২০২২ ১৫:৪৫507720
    • ছন্দ এবং অন্ত্যমিলের কাঠামোতে ঢুকলে এঁর হাবুডুবু খাওয়া ক্লাস ইলেভেনের হাত মকশো করা ছেলেমেয়েদের মনেও শ্লাঘা জন্মাবে।
    কী আর বলি, এ মানে, সর্বব্যাপী, আর কিছু না বলাই ভালোঃ)
    তবে শ্রীজাতকে জনগন আজকাল যতই গাল দিক, উনি এই জিনিসটায় যত্নবান। অন্ত্যমিলের কী দরকার, বা ছন্দ মিলিয়েও কত সার্থক কবিতা হলো সেসব কূট তর্ক, কিন্তু চারদিকে কবিরা যা ছ্যাড়াব্যাড়া করে রাখেন তাতে মর্মপীড়া হয়।

    এ বাদে, সৃষ্টিশীলতার জগতে নানান প্রকারের নিরলসতার জোরে নানান প্রকারের অ্যাকোলেড কেমন করে ঝরে পড়ে, এই পুরস্কার সেটাকে চোখে আঙুল না, ছ্যাৎলা পড়া উঠোন পরিষ্কার করার ঝাঁটার কাঠি দিয়ে খুঁচিয়ে দেখালো! যে যাই বলুক, আমি ব্যাপক আমোদ পেয়েছি।
  • কৃশানু ভট্টাচার্য | 157.119.104.208 | ১৬ মে ২০২২ ১৯:১৬507730
  • যুক্তিগ্রাহ্য বিশ্লেষণ 
  • Prativa Sarker | ১৬ মে ২০২২ ২০:০৩507732
  • তাতিন কিন্তু ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু সব নষ্টের গোড়া এ-ই লাইন না নিয়ে বড় গাছের গোড়ায় জন্মানো আগাছা নিকেশে বেশি জোর দিয়েছেন। মুশকিল হচ্ছে ছায়ায় আগাছা বেশি জন্মায়।  ছেঁটে  দিলেও (কেউ দেবে না) আবার হবে।  সব জমানাতে, সব ক্ষেত্রে এ-ই প্রবণতা।  মনুষ্য জাতির  পদস্খলনের গোড়ার কথা। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:4944:26e4:73f0:fc40 | ১৬ মে ২০২২ ২০:১১507733
  • যেটা নোট করার, নিরলস সাধনার কথা বলা হয়েছে, সাহিত্যে 'অবদান' এর কথা বলা হয় নি, যদি না মিসিয়ে থাকি। 
    বাংলা সাহিত্যে, দিদি-র কোন অবদান আছে, এটা  তোষামুদেরাও মুখ মুছে বলতে পারছেন না । 
     
    নাকি, 'অবদান' -এর কথাও বলেছে, পুরস্কার ঘোষণার সময় ? 
  • Sekhar Sengupta | ১৬ মে ২০২২ ২০:৩৬507735
  • ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু  যে সব নষ্টের গোড়া সেটা প্রতিভা যথার্থ  বলেছেন।  আর এটাও চিরন্তন সত্য  যে সব জমানাতেই  আগাছার দল মহীরুহের বদান্যতায় বেঁচে থাকে। 
  • সর্বভুক পাঠক | 2409:4061:4e80:7855::5689:c810 | ১৭ মে ২০২২ ০৯:১৮507749
  • সবচেয়ে বড় হাসির ব্যাপার হল — একাডেমির সদস্যপদে থাকা লেখকরা ফেসবুকে খিস্তি খাচ্ছে, কবিরাও খাচ্ছে, কিন্তু দুই প্রকাশকের ব্যাপারে সবাই একদম চুপ।
     
    আসলে মেরুদণ্ড বিক্রি করে বই বিক্রি করতে হবে, তাই এই নীরবতা।
     
    প্রিয় সাহিত্যিক, বিখ্যাত পাঠক (যারা মাসে প্রচুর বই কিনে ফেসবুকে পোস্ট ঝাড়েন) এবং রিভিউয়ারদের আবার একবার চিনলাম।
  • santosh banerjee | ১৭ মে ২০২২ ০৯:৫৩507751
  • আরে,,,,, এটা একরকমের নিকৃষ্ট ধরনের চাটুকারিতা। যারা ঐ মঞ্চ আলো ( বা অন্ধকার ) করে নিজেদের চরম সুবিধাবাদী রূপ টা প্রকাশ ‌‌‌‌‌‌‌‌করলেন, তারা বহু যুগের ওপার হতে এই ঐতিহ্য বহন করে চলেছেন । এদেরকে চিনতে বা জানতে অসুবিধে নেই। অসুবিধে নেই শাষক দলের এই "" ঠিক কিনা ‌‌‌‌‌??,,"" ধরনের  চোখ রাঙানি ( ‌‌‌‌এরথেকে বাঁচতে হবে না? )তা না হলে যে ওদের পাবলো নেরুদা বা সরোজ দত্ত'র পরিনতি হতে পারে।কে বাবা এসব সাহিত্যের বিপ্লব ইত্যাদি করে বাপু।?? তার চেয়ে নেত্রী'র কাছা ধরে ঝুলে পড়ো। সাম্মানিক, কাঞ্চন মূল্য ইত্যাদির সুবিধা ও থাকলো , আবার  সাহিত্য ও হলো। সমস্যা টা হলো, এধরনের সস্তা চটুল আর রবিঠাকুর, জীবনানন্দ, নজরুল , ভৈরব গাঙ্গুলি ,,, এদের কে খাবলে খুবলে, নকল করে কালীঘাটের সাহিত্য করা টা কোন চরম উৎকর্ষের সাধনা তার ভগবান জানেন। একটা অসভ্য, অ সংস্কৃত, লুম্পেন, মানুষ খুন করা , চরম সুবিধাবাদী, ধোকাবাজ সরকারের প্রতিনিধি কে তৈল মর্দন,,,, এবং বঙ্গ ভাষার এহেন অবমাননা ,,,এটাই বিস্ময়কর। শেষের কথা , আবুল বাশার মহাশয়,,, আপনাকে তো এই মুখ্যমন্ত্রী ই "" বাশার না পাছার"" বলে গাল দিয়েছিল।তার আপনিও ভুলে গেছেন? বাকী দের তো চামড়া মোটা জানি!!!
  • r2h | 134.238.14.27 | ১৭ মে ২০২২ ১০:২০507754
  • প্রকাশক কে, দে'জ?

    এমনিতে, লাভজনক বাণিজ্যিক প্রকাশনা, ওদের যা ইচ্ছে তা ছেপেছে, কে কী বলবে। কিন্তু পারচেজের ব্যাপারগুলো তো খুব সুবিধের কিছু না, সহজও না। যে গুরুচণ্ডা৯ খসড়া বাবদ, দালালি বাবদ, চটিচাটা বাবদ, আরও কত রকম ভাবে কে জানে সিআইএ, এম আই সিক্স, মোসাদ, র, তৃণমূল সবার থেকে কোটি কোটি টাকা পেয়ে লাল নীল হলুদ সবুজ হয়ে গেল, সেই গুরুচণ্ডা৯ একটি পয়সা সরকারি বিক্রি করতে পারে নি। ত্রিপুরায় কুড়ি হাজার টাকার লাইব্রেরি পারচেজ হয়েছিল, তাও সিপিয়েমের আমলে, তার পয়সা আজ অবদি পাওয়া যায়নি।

    সে যাক, কবিতা বিতান ইত্যাদির প্রকাশনার কর্ণধাররা নিজেরা প্রভাবশালী জায়গায় বসে আছেন, কতগুলি অর্থহীন আবোল তাবোল স্কুলের বাচ্চাদের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ টাকার সরকারি পারচেজ হচ্ছে, তো বাণিজ্যের উদ্যোগটা যাদের নামে হচ্ছে, তাদের নিয়ে কিছু প্রশ্ন তো ওঠাই উচিত ছিল। কিন্তু আমোদগেঁড়ে, প্রতিবাদী, বোদ্ধা ইত্যাদিরা দশ টাকা দামের দগ্ধ নিয়ে গুরুকে ধুয়ে দিলেন, এই কোটি, বা নিদেন লক্ষ লক্ষ টাকার ঘাপলা নিয়ে বলতে কইলজা শুকাইয়া যায়। এই তো ছোট বাংলা বাজার, এই মুহূর্তে কাদের লবি আর কাদের কথা চলে সেও গোপন কিছু না। কিন্তু সহজে গাল দেওয়া যায় জয় গোঁসাইকে, কারন তিনি কিছু উল্টো কথা বলেছেন, এবং তাঁর বাড়ির সামনে বহ্নুৎসব করার হুমকি দিলে সরকার কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখবে না। বিপ্লবী ও বোদ্ধাদের নরম লক্ষ্য দেখে কনুই মারার এই বেড়ালপনা একটা কুৎসিত জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

    জয় গোস্বামী কেমন করে কবিতা লিখবেন, গুরু কী বই ছাপবে (ও, প্রসঙ্গত, গুরু জয়ের আরেকটি বই ছেপেছে, নিজের বিরুদ্ধে, কালই বাজারে এসেছে। আশা করা যায় আরো কোটি কোটি টাকা রোজগার হবে খিল্লি ও খিস্তি শুরু কর যেতে পারে।)

    জয় কেমন করে কবিতা লিখবেন, গুরু কী বই ছাপবে, সেসব নিয়ে কী আম্বা। কিন্তু রাঘব বোয়ালদের সুনির্দিষ্ট টার্গেট করে একটা বিবৃতি নামানোর ধক কারো নেই, কোথায় বাধে কে জানে!

    সরকার খারাপ, আপামর জনতা ছাগল। কিন্তু প্রতিবাদীদের যা ফর্মা, তা দেখে একটা তূরীয় ট্রিপ অনিত্যদর্শন ধরনের ব্যাপার হয়।

    ভাট থেকে এটা থাকঃ
     
    • :-) | 223.29.193.92 | ১১ মে ২০২২ ১১:৫২501988
    • প্রকাশনার ব্যপারটা সোজা। তবু বলে রাখি। মোটের ওপর ৫০০ কপি মত ছাপার ক্ষেত্রে, বইছাপার যা খরচ মোটামুটি তার ৩ থেকে ৪ গুণ থাকে বইয়ের মুদ্রিত মূল্য। কিছু কিছু পাবলিশার আরও বেশি রাখে, (গুরু-র চটি মডেল হিসেবে ধরছি না) সে যাক। এবার বইয়ের দামের ১০% হওয়ার কথা রয়ালটি। মূল চ্যালেঞ্জ বই বিক্রি করা। টাকা ঘরে এলে তবেই তা থেকে লাভ বা রয়ালটি। পাবলিশারকে বইয়ের দোকানে বিক্রি করতে হলে আবার ৩০-৪০% ডিসকাউন্ট দিতে হয়।
      মমব্যানের বই পাবলিশারের ঘর থেকে সোজাসুজি কেনা হয় পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল লাইব্রেরির জন্য। সরকার নিজেই কেনে। এছাড়া সমস্ত সরকারি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের দেওয়ার জন্যেও সে বই পাবলিশারের ঘর থেকে সরকার নিজেই কেনে। সাধারণ পাঠক একটিও বই না কিনলেও তাই প্রকাশকের ঘর থেকেই (বইয়ের দোকানকে একটুও ডিসকাউন্ট না দিয়েই) প্রতিটি বই হাজার হাজার কপি বিক্রি হয়ে যায়। মানে সরকারই কিনে নিয়ে স্কুলের লাইব্রেরি আর পুরস্কার প্রাপক ছাত্র ছাত্রীদের হাতে ধরিয়ে দেয় রাজ্যব্যাপী। সরকার কেনে মানে আমাদেরই ট্যাক্সের টাকায় কেনা হয় আরকি, শিক্ষাখাতে যা বাজেট ধরা আছে তার অংশ হিসেবে।
      এর থেকে রয়ালটি বাবদ প্রকাশক যদি ১০% এর জায়গায় ২০ বা ৩০% ও লেখিকাকে দেন তাতে এই সরকারের প্রদেয় বইয়ের বিক্রয়মূল্যের থেকেই কাটমানির মতই ১০ বা ২০ বা ৩০% রয়ালটি হিসেবে প্রকাশকের হাত ঘুরে লেখিকার অ্যাকাউন্টে ঢোকে।
      এবার প্রতিবছর এরকম বিক্রির নিশ্চয়তার কারণে সোল-পাবলিশার হিসেবে দে'জ যদি এক একটি বই ৫,০০০ বা ১০,০০০ কপি করেও ছাপে (যেরকম ছাত্রবন্ধু বা কোশ্চেন ব্যাঙ্ক ছাপার রেওয়াজ সারা রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের ডিমান্ড মেনে) তাহলে প্রতি বই ছাপার খরচ আরও কমে আসে, প্রকাশকের লাভ বাড়ে। 
      বেশি কপি ছাপার লাভের হিসেব বুঝতে ছোট্ট পরিসংখ্যান, পারুল তার বইয়ের বুকসেলার্স ডিসকাউন্ট দেয় ৪০% (চল্লিশ)। আর তার ছাত্রবন্ধুর বুকসেলার্স ডিসকাউন্ট দেয় ৬৫% (পঁয়ষট্টি)। 
       
  • | ১৭ মে ২০২২ ১০:৪৬507758
  • হ্যতোর প্রথম পাঁচটা প্যারায় সম্পূর্ণ সমর্থন। 
  • এলেবেলে | 202.142.80.80 | ১৭ মে ২০২২ ১১:০৫507761
  • প্রকাশক দে'জ-এর সিস্টার কনসার্ন বুকটুক। 
     
    রাজ্যে সরকার পোষিত সাধারণ গ্রন্থাগারের সংখ্যা ২,৪৮০। কবিতাবিতানের মুদ্রিত মূল্য ১২০০ টাকা। গ্রন্থাগারগুলো সাধারণত পুরস্কারপ্রাপ্ত বই ১০ কপি করে কিনে থাকে। সেক্ষেত্রে মোট বিক্রি ২৪৮০০ কপি। লেখক বই পিছু রয়্যালটি পাবেন ১২০ টাকা। সুতরাং কেবল সরকারি গ্রন্থাগার থেকেই তাঁর প্রাপ্তি ২৪৮০০ x ১২০ টাকা  = ২৯,৭৬,০০০ টাকা মানে ৩০ লাখ টাকা। 
     
    এ ছাড়া স্কুল ও কলেজ লাইব্রেরিগুলোতে এই বই কেনা হবে, ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কার হিসেবে এ বই দেওয়া হবে। তার মানে আরও ২০ লাখ টাকার ধাক্কা। একটি কবিতার বই থেকেই তাঁর রয়্যালটির পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লাখ। আর প্রকাশকের তো পোয়া বারো। 
     
    এই সুধাংশু দে আর ত্রিদিব চাটুজ্যে বাম আমলেও বইমেলার দুই প্রধান হর্তাকর্তা ছিলেন। কাজেই তাঁদের টিকি ছোঁবে কে?
     
    বাহবা সময় তোর সার্কাসের খেলা।
  • পলিটিশিয়ান | 2600:6c52:6000:138d:bd60:5464:259d:bd0d | ১৭ মে ২০২২ ১৫:০৫507766
  • প্রকাশকদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কথাই হয়েছে ও হচ্ছে। এমনিতে কোম্পানীগুলো সরকারকে ঘুষ দিয়ে জিনিষ বিক্রি করে বা কন্ট্রাক্ট পায়। তাই কোম্পানীগুলোর দুর্নীতি নিয়ে অনেক কথা হয়। এক্ষেত্রে তো সরকার নিজেই দু নম্বরি পারচেজ করছে। প্রকাশক তো ঘুষ দেয়নি।
     
    অ্যাকাডেমীর সাহিত্যিকরা তাদের কর্তব্য পালন করেন নি। তাই তাদের নিয়েও কথা হচ্ছে। প্রকাশকরা ঘুষ দেননি। আর ব্যবসায়ী যেহেতু, তাই লাভ করাটা খুব অন্যায় সেটা বলা যাবে না।
     
    জড়িত তিন পক্ষের (সরকার, অ্যাকাডেমী আর প্রকাশক) মধ্যে প্রকাশকের দোষ সবচেয়ে কম। তাই তারা গালাগাল কম খাচ্ছে। 
     
    এমনিতেও এই সাজেশনটা ঠিক নয় যে সোশ্যাল মিডিয়াতে যারা লিখছে তারা সবাই পলিটিক্যালি মোটিভেটেড।
     
    • সর্বভুক পাঠক | 2409:4061:4e80:7855::5689:c810 | ১৭ মে ২০২২ ০৯:১৮507749
    • সবচেয়ে বড় হাসির ব্যাপার হল — একাডেমির সদস্যপদে থাকা লেখকরা ফেসবুকে খিস্তি খাচ্ছে, কবিরাও খাচ্ছে, কিন্তু দুই প্রকাশকের ব্যাপারে সবাই একদম চুপ।
  • r2h | 134.238.8.208 | ১৭ মে ২০২২ ১৫:১২507767
    • পলিটিশিয়ান | ১৭ মে ২০২২ ১৫:০৫
    • প্রকাশক তো ঘুষ দেয়নি।
       
    এমন দৃঢ়্প্রত্যয়ী উচ্চারণ আজকের অবিশ্বাসের যুগে বিরল। মনে আশা জাগলো।

    পরশুরামের উৎকোচতত্ত্বও মনে পড়লো।
  • পলিটিশিয়ান | 2600:6c52:6000:138d:bd60:5464:259d:bd0d | ১৭ মে ২০২২ ১৫:২৪507768
  • প্রকাশক ঘুষ দিয়েছে? জানতাম না। যায়নি যখন বলছেন তখন হবে। তো সেটাই বলুন, প্রকাশক অমুককে ঘুষ দিয়েছে।
  • পলিটিশিয়ান | 2600:6c52:6000:138d:bd60:5464:259d:bd0d | ১৭ মে ২০২২ ১৫:২৪507769
  • আপনি যখন বলছেন।
  • :-) | 43.251.171.187 | ১৭ মে ২০২২ ১৫:৩৮507770
  • প্রকাশক দে'জ।  বুকটুক একটি অনলাইন বইবিক্রির সংস্থা,কলেজস্ট্রীট ডট নেট বা রুবানশপ এর মতোই। 
    ১০০০ পাতা বইয়ের দাম ১৪০০ টাকা। ১২০০ টা পুরস্কার পাওয়ার আগের দাম হতে পারে।
    বই ছাপা, বিক্রি আর রয়ালটি হিসেবে কাটমানির এই ছকটি দে'জ আর সরকারের মিলিত সেটাপ। বই ছাপার সিদ্ধান্তের ও চুক্তিপত্রের সাথেই এসব ফিক্সড হয়ে যায়। পুরস্কার প্রদান ব্যপারটিও সকলের মিলিত নির্মাণ। আম্বানী যেভাবে পরোক্ষে সরকারী নীতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং সকলেই ভাগ পায়। 
    কনটেন্ট তৈরির জন্য আলাদা লোকজন থাকে বলেই ধারণা বা বাড়ির সব স্কুলপড়ুয়ারা। 
  • r2h | 134.238.8.208 | ১৭ মে ২০২২ ১৫:৪৩507771
    • পলিটিশিয়ান | ১৭ মে ২০২২ ১৫:২৪
    • ...সেটাই বলুন, প্রকাশক অমুককে ঘুষ দিয়েছে।
     
    আমি কী করে জানবো! আমি কিছুই বলছি না। 
  • এলেবেলে | 202.142.80.4 | ১৭ মে ২০২২ ১৫:৪৮507773
  • হ্যাঁ, ঠিক। প্রকাশক দে'জই। তবে আমি দামটা দেখেছি ১২০০ টাকা। সেটা পুরস্কার পাওয়ার আগে কি না, সেটা অবশ্য দেখিনি।
     
    এই শুধাংশু-ত্রিদিব জুটি বাম আমলে কোন কোন বাম নেতাদের বই ছাপত সেটা দেখলেই এই ঘুষ-ফুসের ব্যাপারগুলো পরিষ্কার বোঝা যাবে।
  • Stalin | 113.21.76.147 | ১৭ মে ২০২২ ১৫:৫১507774
  • তাতিন তোমার নামটা তাতিন হল কেন ?
  • হেহে | 198.148.89.34 | ১৭ মে ২০২২ ১৬:০৭507775
  • ঘুষ কি সুদু পৈসা রে ভাই? রাণীমার কৃপাদৃষ্টিতে থাকতে পারলেই হোলো। সুধাংশু-ত্রিদিবের মত রাঘববোয়াল খোলাখুলি দালালি মেরে বেড়ায়। আর গুচুর মত চুনোপুঁটি দগ্ধ কবির বিদগ্ধ কবতে ছেপে শ্যাম ও কুল দুই রক্ষা করে। এই আর কি!
     
    সমোস্কিতি হলদী নদীর কুমিরের পেটে, বুইলেন দাদা? হেহেহে
  • হেহ হেহ হেহ | 2405:8100:8000:5ca1::326:12e2 | ১৭ মে ২০২২ ১৬:২৩507776
  • লোকাল কমিটির পৈসা কতদিন ঘরে ঢোকে না লা জবাবও গাধার গাঁড়ে কি আর হবে তাই এদিক সেদিক আঙলি করে বেড়ানো
    হেহে হেহে মাইকোভস্কি আর চিলিতে গুফনে ভেসে গেছে  নদ্দমা দিয়ে।
    খ্যাক খ্যাক
  • হেহে হেহে | 23.105.88.138 | ১৭ মে ২০২২ ১৬:৩২507778
  • সে ত গেচেই রে বাঁড়া! একুন নিওকমিনিজমের যুগ। মুলোদের ধর্মবাপ ব্রাত্য বসু বলেচে। গুচু উনার এট্টা চটি ছেপে দিক। খিক খিক খিক!
  • একক  | 43.239.80.133 | ১৭ মে ২০২২ ১৬:৪৮507779
  • এই যাঁরা হেহে খে খে নানারকম নিক থেকে চুলকে যায় এরা এতো আনইন্টারেস্টিং কেন ?? লেখার শিরোনামে ডাবল রয়েচে  , তিনটে নিক থেকে পোস্টাচ্চেন , দিব্যি  " ডাবল ডাবল টয়েল এন্ড ট্রাবল " স্টাইলে শুরু কত্তে পারতেন !!! তিনটে নিক তিন ডাইনি সাজতো ! কত মজার হতো ! 
     
    গুরুকে খেস্তাবেন প্রাণ খুলে খেস্তান , ছন্দে ছন্দে খেস্তান :)) জাস্ট মনে হলো উগরে দিলেন ,কোনো সৌকর্য নাই ,এ কেমন 
    :((  
  • আরে | 74.201.73.194 | ১৭ মে ২০২২ ১৭:১২507781
  • এককভাই, খিস্তোব কেন, টেস্টেবল ক্লেম দিলুম ত!! ভেবেছিলুম এআই রোবট লাগিয়ে আপুনি এট্টা ফয়সালা করবেন, তার বদলে ফুউউউস! এই দ্যাকেন খাজা বুদ্ধিতে এট্টা এক্সপেরিমেন্ট প্রপোজ করি কেমুন? :)
     
    গুচু এই পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে জয় গোঁসাইয়ের এট্টা বিব্রিতি ছেপে দেখাক। কবতে নয়, পাতি গদ্যে। দেখা যাক উনি স্বচ্ছ কিনা। জদি জয় গোঁসাই বিব্রিতি না দেয়, তবে সেটুকুই গুচু লিখে দিক। তাইলেই পষ্টাপষ্টি হয়ে যায় গুচুর স্বচ্ছতা।
     
    দুর্নীতি ত ঘুষ খেলেই হয়না, একদিকে জয় গোঁসাইয়ের বই ছাপব, অন্যদিকে উনাকে অস্বস্তিকর পোশ্নো করব না। এ ত ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা লোকের স্তাবকতা।
     
    সাদা পাবলিকের মনে কাদা জাগবেই দাদা। লে পঞ্চা মিলিয়ে দিলুম! হেহেহে
  • JSL | 134.238.8.208 | ১৭ মে ২০২২ ১৭:২৪507782
  • গুরু খামোখা বিবৃতি দিতে যাবে কেন? রোজ কত কী হচ্ছে, কতিপয় ধান্দাবাজ তোষামুদে লোক মুখ্যমন্ত্রীকে একটা পুরস্কার দিয়েছে, এ কী একটা বিবৃতি দেওয়ার মত ব্যাপার?

    আর জয়ই বা বিবৃতি কেন দিতে যাবেন? এই বয়সে সংস্কৃতির ঘুঘুর বাসায় নিতান্ত নড়বড়ে অবস্থান ও কোটিখানেক অনিশ্চয়তার মধ্যেও দু' দু'খানা সন্দেহজনক বই লিখে যে দুঃসাহসের পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্যে আমি তো অন্তত তাঁকে লালে লাল লাল সেলাম দিই। ভদ্রলোককে আর বিপদে ফেলার কোন মানে হয় না।

    আর, সম্পাদিত বিভাগে লেখা বেরোলে সেই লেখার বক্তব্যের সঙ্গে গুরুর কিছুটা সম্পৃক্তি ইন্ডিকেট করে, এটা অতি সহজবোধ্য ব্যাপার। এই বিষয়ে আরো জনগনের কাছে লেখা চাওয়া হয়েছিল, কেউ দেননি। তো ধরে নেওয়া যায় অনেকর কাছেই এটা তেমন বড় কিছু না।

    আমার কাছেও না, যাঁরা পুরস্কার দিয়েছেন তাঁদের ধান্দা বুঝতে যদি পুরস্কার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে সে বোঝা নিস্ফল। বিশ্লেষণগুলি পড়তে মজা লাগে, ঐটুকুই।
  • | ১৭ মে ২০২২ ১৭:৩৩507783
  • আচ্ছা এই লোকটাই তো চান্নং প্ল্যাটফর্মে  দেবাশীস  ভট্টচার্য্যের লেখা এলেবেলের বইয়ের উপরে একরাশি খিস্তির লিংক মহা গর্বভরে দিয়েছিল তাই না? এই খেউড়সুধাটি  বেসিকালি খিস্তি খোঁজে। সাথে এট্টু বুদ্ধির মিশেল থাকলে ভাল হত আর কি।  তা যা নেই তা নেই কি আর করা! 
  • আরে | 167.88.63.49 | ১৭ মে ২০২২ ১৭:৪৮507784
  • এলবোর সেই বিদ্যেসাগর আর দেবাশীসের খেউড়! হেব্বি খোরাক! হিহি
  • r2h | 2405:201:8005:9947:4d33:8c0d:1ffb:4b72 | ২০ মে ২০২২ ২৩:৪১507898
  • এটা পেলাম :)
     
  • Bratya Basu:'মমতা ছাড়া এই পুরস্কারের একজনও যোগ্য থাকলে দেখান’ | 23.105.88.138 | ২০ মে ২০২২ ২৩:৫৭507899
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::26:e313 | ২১ মে ২০২২ ০১:০৪507900
  • গুরু আর দেজ পাবলিকেশানকে আমি অন্তত আলাদা মনে করি। দগ্ধ নিয়ে গুরুর সমালোচনাটা অবশ্যই অবান্তর এবং রাজনৈতীক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

    অন্যদিকে দেজ পাবলিকেশান একটা আদ্যপান্ত প্রফিট-ওরিয়েন্টেড সংস্থা। তারা ৫ টাকার জিনিস ৫০০ টাকায় বেচলে যদি যথেষ্ট ক্রেতা পেয়ে যায়, সেটাই করবে। ওসব এথিক্স, ফেয়ার ট্রেড প্র্যাক্টিসের গল্প অনেকদিন আগেই শেষ হয়ে গেছে। এবারে বলতে পারেন যে ক্রেতা তো রাজ্যসরকার; ফলে ট্যাক্সপেয়ারের টাকা পাবলিশার আর রয়্যাল্টির মাধ্যমে একটি রাজনৈতীক দলে ফিরে আসছে। সেটা তো অনেকদিন ধরেই রেভিনিউ মডেল। একটু চোখ কান খোলা রাখুন; এরকম অনেক স্কীম-খেলা-মেলা দেখতে পাবেন। আর পুরষ্কার যারা দিয়েছেন, তাদের অনেক আগেই চেনা হয়ে গেছে। তাই এটা আমার কাছে নতুন কিছু না। কে যেন লিখেছিলেনঃ আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ। তফাত শুধু ....
  • খিকখিক | 74.201.73.194 | ২১ মে ২০২২ ০১:১৫507901
  • যিনি লিখেছিলেন, তিনিও ত তিনোমুলের চামচা। ওনার সঙ্গে যাঁর হেবি খারাখারি, সেই গুবরে সুমনও ঘাসফুলে। যেদিকে তাকাই, তিনো দেখি ভাই .......
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন