ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • জনবিস্ফোরণ নামক ঢপের চপ ও একালীন দেশীয় সমাজ

    রৌহিন লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ১৫৬০ বার পঠিত | রেটিং ৪.৩ (৩ জন)
  • দিল্লীতে যা চলছে, তা স্রেফ ট্রেলার মাত্র - এমন আশঙ্কার কারণ আছে। কাশ্মীর ফাইলস এর মত সিনেমা টিনেমা বানানোই হয় এইসবের প্রেক্ষাপট তৈরী করতে। ২০২৪ যত এগিয়ে আসবে, মেরুকরণের উদ্দেশে এই ধরণের ভাঙাভাঙি, সাজানো দাঙ্গা, পাকিস্তানে গিয়ে কাক মেরে আসা, নিজের সেনাদের কনভয়ে সাবোতাজ করে জঙ্গী সন্ত্রাসের প্রমাণ দেওয়া - এসব ক্রমশঃ বাড়বে। টাইম টেস্টেড ছক। উত্তরপ্রদেশ, আসাম ইতিমধ্যেই জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য আইন প্রণয়নের দিকে এগোচ্ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি মানে অবশ্য "ওদের" জনসংখ্যা বৃদ্ধি।

    এখন এই "জনবিস্ফোরণ" ব্যপারটা আমাদের ভদ্রবিত্তদের খুব প্রিয় লব্জ। আমাদের সকল দুর্দশার জন্য দায়ী আসল ভিলেন হল এই "জনবিস্ফোরণ" - এত লোক না থাকলে সবাই কী সুন্দর দিব্যি থাকা যেত, পৃথিবীরও এত্ত ক্ষতি হয়ে যেত না - সব কিছু সুন্দর হত - মানে মোদ্দা কথা আচ্ছে দিন এসেই যেত, এই এত এত মানুষ পিলপিল করে না জন্মালে। ছোটলোক আর মোল্লারা গাদাগাদা বাচ্চা দেয়, হিন্দুদের খৎরে মে ফেলে দিচ্ছে, এদের জন্যই দেশ রামরাজ্য হতে পারছে না।

    তো এই "জনবিস্ফোরণে"র ব্যপারটা একটু খতিয়ে দেখা যাক। দেখি যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এর প্রভাব কিরকম। জিডিপি শব্দবন্ধটার সঙ্গে আমরা সকলেই মোটামুটি পরিচিত - তাই তো? দেশের জিডিপি গ্রোথ কত হল, তাই নিয়ে আমাদের চিন্তার অন্ত নেই। তা এই জিডিপি বা গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট ব্যপারটা ঠিক কি? না একটা দেশের মোট উৎপাদিত সম্পদের পরিমাণ – অর্থাৎ আমার, আপনার, শিয়ালদা স্টেশনের ভিখিরিটার, গৌতম আদানি আর মুকেশ আম্বানির, অভিষেক ব্যানার্জীর আর বিমান বসুর – সবার সম্মিলিত উপার্জন এবং উৎপন্ন সম্পদের সমষ্টি হল দেশের গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট – জিডিপি। তো ভারতের জনসংখ্যা যেহেতু বিপুল, তার জিডিপিও বিপুলই হবার কথা। কতটা? গুগলবাবা বলছে, ২০২০ সালে ভারতের জিডিপির মোট পরিমাণ ছিল কমবেশী দুই লক্ষ বাষট্টি হাজার কোটি ডলার। ভারতের মোট জনসংখ্যা সেই সময়ে ১২০ কোটি ছাড়িয়েছে। তাহলে, গুচ্ছ গুচ্ছ শুন্যের হিসাব ক্যালকুলেটারকে করতে দিন – মাথাপিছু আয় (জিডিপি পার ক্যাপিটা) কত দাঁড়াল বলুন দেখি? সরল পাটিগণিতের হিসাবে, অর্থাৎ যদি ধরে নিই এই ১২৫ কোটির সকলেই – দশ দিনের শিশু থেকে নব্বই বছরের বৃদ্ধ – সবাই কাজ করে, তাতেও মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় প্রায় ১৩০০ ডলারের মত – মানে ২০২০ র হিসাবেই মোটামুটি বছরে প্রায় আশি হাজার টাকা – মাসে সাত হাজার টাকার মত। একটা চারজনের পরিবারের মাসিক গড় আয় ২৫ হাজার টাকা। ভারতের বর্তমান জনসংখ্যায়। মাসিক পঁচিশ হাজার টাকা খুব বেশী নয় বটে, কিন্তু একটা পরিবারের ন্যুনতম প্রয়োজনগুলি শুধু নয়, সেই সঙ্গে ছোটখাটো শখ আহ্লাদও এই বাজারেও মেটানো এই টাকায় সম্ভব বই কি।

    এবং সেই কারণেই, আজ যদি আপনি বলেন, নিয়োগ করার জন্য মাসিক পঁচিশ হাজার টাকা মাইনের একটি কি দুটি চাকরি আপনার কাছে আছে, দেখবেন আপনার দরজার বাইরে এক মাইল লম্বা লাইন পড়ে গেছে – কিন্তু কেন? কারণটা আমরা সবাই জানি। ভারতবর্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে মাথাপিছু সাত হাজার টাকা মাসিক রোজগার এখনো অলীক স্বপ্ন। অথচ পাটিগণিত অন্য কথা বলছে – কেন? হিসাবের কড়ি তো বাঘে খায় না – তাহলে খেলো কে? বলার জন্য কোনো প্রাইজ নেই, বুঝতেই পারছেন কে বা কারা খেলো? সাত হাজার একটি গড় মাত্র। সেই গড়ের মধ্যে যেমন টেনেটুনে সপ্তাহে সাতশো টাকা রোজগেরে আছেন, বিন্দুমাত্র রোজগার না করা মানুষ আছেন, তেমনি আছেন ঘন্টায় সাত কোটি রোজগার করা লোকও। প্রথম দলকে আপনি রোজ চোখে দেখেন, মুখ চেনেন, কিন্তু প্রায় কারোরই নাম জানেন না। দ্বিতীয় দলকে আপনি প্রায় কখনোই দেখতে পান না, জীবনে কখনো পাবেনও না – কিন্তু তাদের নাম আমি, আপনি সবাই জানি। কারণ, এই এক শতাংশ দেশবাসীর হাতে আছে দেশের মোট সম্পদের ৭০ শতাংশ। আর তার পরের ধাপের কুড়ি শতাংশ ভাগ্যবানের হাতে আছে প্রায় উনিশ শতাংশ সম্পদ। তাহলে হাতে রইল কি? পেনসিল? না দাদা – এগারো শতাংশ। ভাগীদার কজন? দেশের প্রায় আশি শতাংশ মানুষ।
     
    খুব জটিল অঙ্ক? তাহলে বরং অ্যাবসোলিউট ফিগারে কিছু কষে দেখা যাক। ২০২০ সালের হিসেবটাই ধরি – যদিও তারপরে অবস্থা আরও জটিল হয়েছে, তবুও। মোট সম্পদ – দুই লক্ষ বাষট্টি হাজার কোটি মার্কিন ডলার (২৬২০০০০০০০০০০০) – আর দেশের মোট জনসংখ্যা – একশো পঁচিশ কোটি আনুমানিক (১২৫০০০০০০০০)। তাহলে মোট সম্পদের ৭০ শতাংশ – কত হয়? ২৬২০০০০০০০০০০০ x ৭০% = ১৮৩৪০০০০০০০০০০ (এক লক্ষ তিরাশি হাজার চারশো কোটি) মার্কিন ডলার। এই টাকা ভাগ করে নিচ্ছে কারা? দেশের এক শতাংশ জনতা – ১২৫০০০০০০০০ x ১% = ১২৫০০০০০ (এক কোটি পঁচিশ লক্ষ)। প্রত্যেকের ভাগে কত পড়ছে? ১৮৩৪০০০০০০০০০০ / ১২৫০০০০০ = ১৪,৬৭,২০০০০ (চোদ্দ কোটি সাতষট্টি লক্ষ কুড়ি হাজার) মার্কিন ডলার – আরে দাঁড়ান মশাই – গল্প এখানেই শেষ নয়। এবার যদি বলি – এটাও নেহাৎই একটা গড় – মানবেন তো? দাদা – এই এক লক্ষ তিরাশি হাজার চারশো কোটি ডলারের মধ্যে কুড়ি হাজার কোটি ডলারের মালিক শুধুমাত্র দেশের প্রথম দশ জন – হেহে। আবার এই প্রথম দশের মধ্যে প্রথম দুজনের ভাগে দশ হাজার কোটি – হেহেহেহেহেহেহেহে। আচ্ছা যাকগে – বড়লোকেদের ব্যপার স্যাপার থাক। বাকিদের ভাগ্যে কী রইল? দেশের আশি শতাংশ মানুষ – যার মধ্যে আমি, আপনিও পড়ি – আমাদের ভাগে কি রইল? এগারো শতাংশ – ২৬২০০০০০০০০০০০ x ১১% = ২৮৮২০০০০০০০০০ (আঠাশ হাজার আটশো কুড়ি কোটি) মার্কিন ডলার। এই টাকা কাদের মধ্যে ভাগ হচ্ছে? দেশের আশি শতাংশ মানুষ – ১২৫০০০০০০০০ x ৮০% = ১০০০০০০০০০০ (একশো কোটি)। প্রত্যেকের ভাগ কত? ২৮৮২০০০০০০০০০ / ১০০০০০০০০০০ = ২৮৮.২০ (দুশো অষ্টাশি ডলার) – মাসিক আয় – মেরেকেটে ২৪ ডলার – ২০২০সালের হিসাবে যা কম বেশী দেড় হাজার টাকার মত। দাদা, ওপর তলার মত নীচতলাতেও যথেষ্টই হেহেহেহে আছে, ভুলে যাবেন না।

    আচ্ছা এত মাথা ঘোরানো অঙ্ক থেকে মোদ্দা কথাটা তাহলে কী বুঝলেন? সম্পদের বন্টনের অসাম্য – আমাদের এই দারিদ্রের জন্য প্রধান দায়ী – এবং দেশের জনসংখ্যা কোনোভাবেই দায়ী নয়। কারণ এখনো, সম্পদের ঠিকঠাক বন্টন হলে, এই দেশের জনসংখ্যা তার মোট সম্পদের তুলনায় এমন কিছু বেশী নয়। কিন্তু তা হতে গেলে যেটা সর্বাগ্রে প্রয়োজন, তা হল রাষ্ট্রের সদিচ্ছা – যেটা অন্তত এই মুহুর্তে সোনার পাথরবাটির চাইতে বেশী কিছু মনে হচ্ছে না কারোরই। কারণ রাষ্ট্র কখনোই সম্পদের সুষম বন্টন চায় না – তার শাসনের সুবিধার্থে। সে সবসময়েই চাইবে এই এক শতাংশ মানুষের হাতেই থাক দেশের সম্পদ – তাহলে তা ক্ষমতাকে আরও মদত দেবে। কেন্দ্রীভূত সম্পদ = কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা – তাই এই জনবিস্ফোরণের মিথ। একে ওকে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দিতে পারলেই ব্যাস – আমি, আপনি ব্যস্ত হয়ে পড়ব সেই দোষীরা কতটা বদমাশ, তার হিসাব নিতে – রাষ্ট্র বগল বাজাবে। ক্ষমতা বগল বাজাবে। মুষ্টিমেয় মানুষ ধনী থেকে ধনীতর হবে। ঠিক যেমন হয়েছে কোভিডের সময়ে – আমরা যখন প্যান্ডেমিকের প্রকোপে হাঁসফাস করেছি, রোজগার, জীবিকা খুইয়েছি, পেটে গামছা বেধে দেশসেবার নিমিত্ত থালা বাজিয়েছি, তখন দেশের প্রথম দশজন মাল্টি বিলিয়নেয়ারের উপার্জন বেড়েছে প্রায় ৭৫% (সারা পৃথিবীতে এই হার ২৫%)। একেই আমরা গোদা বাংলায় আচ্ছে দিন বলে অভিহিত করে থাকি।
     
  • আলোচনা | ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ১৫৬০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • স্বাতী রায় | 117.194.33.159 | ২৬ এপ্রিল ২০২২ ১৭:৪৯506926
  • সার কথা।   রাষ্ট্র কখনোই সম্পদের সুষম বন্টন চায় না – তার শাসনের সুবিধার্থে।  অথচ চাইলেই  কিছু কিছু করতে পারত। যেমন  সরকারি- বেসরকারি ক্ষেত্রে সংস্থার সর্বনিম্ন কর্মী আর সর্বোচ্চ কর্মীর মধ্যে সর্বমোট প্রাপ্যের অনুপাত বেঁধে দেওয়া যেত।  কেন করবে সে সব? তবে শুধু আচ্ছে দিনের সরকার না কোন সরকার ই এই কাজ করেনি  করবে না।  আর আমরাও তো মাইনে বা নেটওয়ার্থ এর বাড় দিয়েই অগ্রগতি মাপি  তাই না? 
  • S | 2605:6400:30:f00f:1854:a31c:7871:2582 | ২৬ এপ্রিল ২০২২ ২০:০৩506927
  • হিসাবে গোলমাল আছে।
  • dc | 122.183.156.242 | ২৬ এপ্রিল ২০২২ ২১:৪৫506932
  • একটা কথা মনে হলো। সম্পদ বন্টনে অসাম্য আর জনসংখ্যার বিস্ফোরন, এদুটো কিন্তু আলাদা সমস্যা, একটার সাথে আরেকটা রিলেট করাটা ঠিক না। ভারত আর চীন হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী দুটো জনবহুল দেশ। ইন্ডিয়ার আর্বান সেন্টারগুলোতে পপুলেশান ডেনসিটিও খুব বেশী (যদিও তার কারন ইন্ডিয়াতে এখনও খুব কম শহর আর সেগুলোতেই ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট বা আর্নিং অপরচুনিটি বেশী। আরও দ্রুত আরও অনেকগুলো শহর তৈরি হওয়া উচিত যাতে শহরগুলোর ওপর চাপ কমে)। তবুও, পপুলেশান গ্রোথ ঠিক ঢপের চপ না। ওয়েল্থ ইনইকুয়ালিটি তো অবশ্যই খুব বড়ো সমস্যা। ইকোনমির স্ট্রাকচারাল রিফর্ম আরও অনেক করা দরকার, কিছুটা উচিত, কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই সামান্য। আর পপুলেশান গ্রোথ রেট যাতে ১% এর আশেপাশে থাকে (এখন সেরকমই রেট চলছে), সেটাও দেখা উচিত। 
  • dc | 122.183.156.242 | ২৬ এপ্রিল ২০২২ ২১:৫৬506934
  • মুশকিল হলো, নব্বুই সালে যে ইকোনমিক রিফর্মস শুরু হয়েছিল তা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। সরকারের উচিত সোশ্যাল সিকিউরিটি নেট তৈরি করা, শিক্ষা আর স্বাস্থ্যে আরও অনেক বেশী ইনভেস্ট করা, ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করা। সেসব না করে সরকার এখনও একগাদা পাবলিক সেক্টর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যাংকিং আর ফিন্যান্স সেক্টরে অনেক রিফর্ম বা লিবারাইলেজেশান দরকার, সেসব করছে না। ফলে আর্নিং অপরচুনিটি এখনও খুব কম। 
  • প্রশ্ন | 2409:4060:e85:cff2::b5c9:c112 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ০০:১১506940
  • কিন্তু টাকা fiat currency , মানে ইচ্ছা করলে যত খুশি ছাপানো যায়। মোট সম্পদ উৎপাদন যদি একই থাকে তাহলে সবার জীবন যাত্রার মান কিভাবে বাড়বে ? এবার জীবনযাত্রার মান বাড়াতে গেলে  for example, per capita protein ইনটেক বাড়াতে হবে, power consumption বাড়াতে হবে ( কোল প্লান্ট থেকে ), consumer goods production বাড়াতে হবে। infrastructure বাড়াতে হবে। সব গুলোতেই কার্বন নিঃসরণ অনেক বাড়বে । গাছপালা কাটতে হবে, জলা বুজাতে হবে ইত্যাদি।
     
     
    লিবারাইলেজেশান / সংস্কার / automation/ AI / machine learning / robotics এসব জিনিস একশো চাকরি eliminate করে একটা কি দুটো চাকরি তৈরি করে, highly privileged না হলে ওই চাকরি সাধারণ মধ্যবিত্ত (lower middle class) পায় না। Liberalisation, globalisation শুধু top 1 percent এর জন্য।
  • Amit | 121.200.237.26 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ০৪:৫১506943
  • তো পুপুলেশন আর সম্পদ অসাম্যের সমস্যা মেটাতে সরকারের কি কি করা উচিত ? বিজেপি নাহয় কমুনালিজম থেকে ​​​​​​​ফায়দা ​​​​​​​ওঠাচ্ছে। ​​​​​​​বাকিরা ধরা যাক একদম সাচ্চা নন-কম্যুনাল- অবশ্য মাঝে সাঝে দিদির মুখ ফসকে দুধের গরু ইত্যাদি বেরিয়ে যায় যদিও। তো তাদের ​​​​​​​অল্টারনেটিভ ​​​​​​​-সাস্টেনেবল মডেল ​​​​​​​টা কি ? 
     
    বাই ​​​​​​​দা ​​​​​​​ওয়ে - পাবলিক সেক্টর কোম্পানিগুলোতে সর্বনিম্ন কর্মী আর সর্বোচ্চ কর্মীর মধ্যে সর্বমোট প্রাপ্যের অনুপাত বেঁধে দেওয়া ছিল। ​​​​​​​কয়েকটা ​​​​​​​বাদ ​​​​​​​দিলে ​​​​​​​সেগুলো ​​​​​​​বেশির ​​​​​​​ভাগ ​​​​​​​লসে ​​​​​​​চলেছে যুগ যুগ ধরে। আর যেগুলো লাভ করেছে সেগুলোর মধ্যেও অনেকগুলোই প্রোটেক্টেড মার্কেট থাকার কারণেই- যেমন ৭০-স থেকে ৯০-স এর মাঝামাঝি তেল তোলা /রিফাইনিং বা মার্কেটিং সবই ​​​​​​​১০০-% পাবলিক ​​​​​​​সেক্টরের ​​​​​​​হাতে ​​​​​​​ছিল। ওপেন মার্কেট থাকলে তাদেরও কি হাল হয় গত কয়েক বছরে দেখা গেছে। 
     
  • dc | 122.174.151.227 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ০৬:৫৮506944
  • প্রশ্ন, মোট সম্পদ উৎপাদন এক রেখেও জীবনযাত্রার মান বাড়ানো যায় যদি সেই সম্পদ আরেকটু এফিসিয়েন্টলি ব্যবহার করা যায়। আর অবশ্যই যদি সরকার সোশ্যাল সিকিউরিটি নেট তৈরি করে। কোভিডের সময়ে দেখা গেল ইন্ডিয়াতে লক্ষ লক্ষ মাইগ্রান্ট কর্মীদের কি অসম্ভব দুরবস্থা। এনাদের জন্য সাবসিডাইজড রেশান, হাউসিং, শিক্ষা, বিনামূল্যে বা খুব কম টাকাত স্বাস্থ্যবিমা দেওয়া কেন্দ্র আর সবকটা রাজ্য সরকারের কর্তব্য। ফার্মিং সেক্টরের রিফর্ম ভয়ানক জরুরি। এগুলো করতে পারলে এখনকার সম্পদ আরও এফিসিয়েন্টলি ইউটিলাইজ করা যায়। আর ইকোনমিক এক্সপ্যানসান এর জন্য কার্বন নিঃসরন বাড়বেই, কিছু করার নেই। 
  • dc | 122.174.151.227 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ১৩:০৩506952
  • কিছুদিন আগে এই ভিডিওটা দেখছিলাম। মহারাষ্ট্রে নাগপুর টু মুম্বাই আট লেনের ফুললি অ্যাক্সেস কনট্রোলড এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি হচ্ছে, ট্রাভেল টাইম হবে আট ঘন্টা। এরকম এক্সপ্রেসওয়ে চেন্নাই থেকে ব্যাঙ্গালোরেও তৈরি হচ্ছে, বলছে আড়াই ঘন্টা ট্রাভেল টাইম হবে (এখন লাগে পাঁচ ঘন্টা মতো), দিল্লি টু মুম্বাই আরেকটা তৈরি হচ্ছে। এই ধরনের মেগা প্রোজেক্ট যতো বেশী করে তৈরি হবে ততো ভালো হবে। ইকোনমিক প্রোগ্রেস হবে, সবাই সেই প্রোগ্রেসের অংশ নিতে পারবেন। 
     
  • r2h | 134.238.31.83 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ১৩:১৫506953
  • থাম্বনেলের ছবিটায় কত দূর পর্জন্ত দেখা যাচ্ছে, ধূসর, কোন বড় গাছপালা নেই।
    না থাকলেও কিছু না, তবে যা গরম পড়েছে, এদিক ওদিক বরফ গলে মহাপ্রলয় না হয়ে যায়।
  • dc | 122.174.151.227 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ১৩:৫৮506955
  • ভিডিওটায় বলছে নাকি অনেক গাছ লাগাবে। তবে সেসব গাছ বড়ো হতে হতে নিশ্চয়ই ৫-১০ বছর লাগবে, তার পর হয়তো সবুজ হতেও পারে। চেন্নাই টু ব্যাঙ্গালোর যাওয়ার এখনকার মেন রুট যেমন কৃষ্ণগিরি হয়ে, তার অসাধারন সিনিক বিউটি। দুধারে গাছপালা ভর্তি, ডিভাইডারেও ফুলের গাছ লাগানো। কিন্তু এই রুটটা প্রথম যখন বানিয়েছিল তখন নিশ্চয়ই গাছ ছিল না, গতো দশ পনেরো বছরে সেগুলো বড়ো হয়েছে। 
  • r2h | 134.238.31.83 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ১৭:৪৯506957
  • হ্যাঁ, ওদিকে কিছু রাস্তাঘাটের আশপাশ সুন্দর।

    কত বনভূমি কেটে কতটা বনসৃজন করা হয়েছে, এলাকা এবং সময়ের স্প্যান ধরে - এরকম কিছু পাওয়া গেলে বোঝা যেত একটু। আগে যেমন লম্বা রেলযাত্রায় লম্বা জনহীন জঙ্গল টঙ্গল পড়তো টুকটাক, এবার কলকাতা নাগপুর আসা যাওয়ার পথে সেরকম কিছু দেখলাম না, গ্রাম, শহর, ক্ষেত, পাথর কাটা - কিছু না কিছু হচ্ছে।
  • dc | 122.174.151.227 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ১৮:৫৬506958
  • বনভূমি কেটে বনসৃজন করা হলেও সেটা অতোটা এফেকটিভ হয় বলে মনে হয়না, কারন অরিজিনাল বনভূমির পুরো ইকোসিস্টেম মনে হয়না মানুষের পক্ষে মাত্র কয়েক দশকের মধ্যে বানানো সম্ভব। বৃক্ষরোপন করা হয় অবশ্য। ডেভেলপমেন্টের জন্য পরিবেশের ক্ষতি অবশ্যই হয়, সে নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। 
  • a | 59.102.29.98 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ১৯:০৫506960
  • পুপুলেশন কথটির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হলাম, না ঋদ্ধ হই নাই 
  • r2h | 134.238.31.83 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ২০:০৫506962
  • পরিবেশের ক্ষতি হলে তেমন কিছু সমস্যা নেই। কিন্তু ডেভেলাপমেন্ট তো মানুষের সুবিধের জন্যে, এখন ডেভেলাপমেন্টের ঠ্যালায় মানুষেরই প্রাণ ওষ্ঠাগত, এই হল সমস্যা।
  • dc | 182.65.214.126 | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:১৮506963
  • এই যে, চেন্নাই থেকে ব্যাঙ্গালোরের রাস্তায় কৃষ্ণগিরির কাছে কোথাও একটা :-)
     
  • Ranjan Roy | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ২৩:২২506965
  • আলোচনা কি একটু বেলাইনে? প্রশ্ন ছিল ভারতে জনসংখ‍্যা বিস্ফোরণের বর্তমান তত্বটির সারবত্তা কতটুকু?
    একটি জনগোষ্ঠীর বৃদ্ধি দরের বর্তমানে স্বীকৃত সূচক হল TFR (Total Fertility Ratio)। অর্থাৎ কমিউনিটির প্রজননক্ষম বয়সের মহিলাদের বর্তমান গড় প্রজনন দর। আদর্শ অনুপাত 2.1 , যাতে জন্ম মৃত‍্যু কাটাকাটি করে জনসংখ‍্যা প্রায় স্থির থাকবে। 
    সরকারি তথ‍্যসূত্র অনুযায়ী ভারত ইতিমধ‍্যেই 2.2 দরে পৌছে গেছে। তাই আর এস এসের বুদ্ধিজীবি এবং রাজ‍্যসভার  এমপি ড: রাকেশ সিন্হার আনা জনসংংখ‍্যা নিয়ন্ত্রণ বিলটি বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় রাজ‍্যমন্ত্রী ফিরিয়ে দিয়েছেন।
    মজার ব‍্যাপার হল মুসলিম বহুল কাশ্মীর ও বঙ্গে এই দর 1.6!
    অথচ, হিন্দুবহুল ইউ পি ও গুজরাতে এই দর 2.7।
    এখনও মুসলিম জনসংখ‍্যা বৃদ্ধি দর হিন্দু দের থেকে সামান‍্য বেশি। কিন্তু দরটি হিন্দুদের তুলনায় দ্রুতহারে কমছে।
    উনীজী ও যোগীজিরা ক'ভাইবোন একটু গুগলিয়ে নিন।
  • Ranjan Roy | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ২৩:২৬506966
  • ফ্রান্স সমেত অনেক শিল্পোন্নত দেশে, এমনকি চীনে, এই দর 1.6 থেকে 2.0। ওদের সমস‍্যা দরকারের চেয়ে কম জনসংখ‍্যার। কিন্তু এখন উলটো ফরমান দিলে মা-জননীরা রাজি হবেন? ইল্লি আর কি!
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::43:7498 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০১:৪১506968
  • রন্জনদা, রেট অলরেডী ২ এ নেমে গেছে। শুধুমাত্র বিহার(৩), মেঘালয় (২,৯), ইউপি (২,৪), ঝারখন্ড (২,৩), মণিপুর (২,২), মধ্য্প্রদেশ (২), এবং রাজস্থান (২) ছাড়া বাকী সব রাজ্যে ২ এর কম।

    আর মুসলিমদের জন্য ইন্ডিয়ার পপুলেশান বেড়েছে এইটা জাস্ট চূড়ান্ত ঢপ। বিগত ত্রিশ বছরে ভারতের পপুলেশান বেড়েছে প্রায় ৫০ কোটি। একটা ১১% মাইনরিটি কমিউনিটির পক্ষে এই জনবিস্ফোরণ অসম্ভব। এর মূল দায় (যদি আদৌ সেটাকে দায় বলা যায়, ইন ল্যাক অফ আ বেটার ওয়ার্ড) মেজরিটি কমিউনিটির।

    পবের রেট এখন ১,৬। তার সঙ্গে প্রচুর বাঙালীরা কর্ম জীবনের প্রথমেই অন্য রাজ্য এবং দেশে চলে যাচ্ছে। এইটা খুবই চিন্তার। আগামী এক প্রজন্মে এর প্রভাব দেখা যাবে। যথেষ্ট পরিমাণে ইমিগ্রেশান না হলে রাজ্যে ওয়ার্কিং পপুলেশান ব্যাপকহারে কমে যাবে।

    https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_states_and_union_territories_of_India_by_fertility_rate
  • রঞ্জনদা যা বলেছেন তার ছপি - ১ | 2601:5c0:c280:4020:ccf8:7e42:4925:de46 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৬:০৪506969
  • Image
  • কোথায় কতোটা কমেছে তাও দেখতে হবে। ছবি - ২। | 2601:5c0:c280:4020:ccf8:7e42:4925:de46 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৬:০৫506970
  • Image
  • dc | 122.183.157.163 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৮:১০506973
  • ওপরের তিনটে ছবি তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে বিহার, ইউপি আর দিল্লি এনসিআর এ সর্বাধিক পপুলেশান আর সর্বাধিক পপুলেশান ডেনসিটি। এর মধ্যে দিল্লি এনসিআরে মনে হয় ইমিগ্রেশান একটা বড়ো কারন পপুলেশান ডেনসিটি বেশী হওয়ার। তবে আরেকটা ব্যপার হলো, বিহার আর ইউপিতে টিএফআর প্রায় ১১% রেটে কমছে, যেটা আশাজনক। অন্যদিকে তামিল নাড়ুতে ৬% আর কেরলে সাড়ে বারো পার্সেন্ট রেটে বেড়েছে, অর্থাত আগামী দিনে এই দুটো রাজ্যে পপুলেশান বাড়তে চলেছে। 
  • dc | 122.183.157.163 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৮:১৭506974
  • এবার এই টেবিলটাও দেখুন, শহরগুলোর পপুলেশান ডেনসিটি। শহরগুলোর ওপর এই চাপ কমানোর জন্য আরও অনেক আর্বান বা সেমি-আর্বান সেন্টার তৈরি হওয়া উচিত, বা গ্রামে থেকেও যাতে ভালোভাবে জীবিকা নির্বাহ করা যায় সেই ব্যাবস্থা নেওয়া উচিত। অর্থাত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আর ইনফ্রা ডেভেলপমেন্ট। 
  • যদুবাবু | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৮:৩৮506975
  • @dc: প্রায় পুরোপুরি একমত, একটু speculation বাদ দিলে। By the way, NFHS এর সুন্দর রাজ্য বা জেলা ভিত্তিক ডেটা চাইলে (মানে যেখান থেকে এই ম্যাপগুলো বানানো) এখানে পাওয়া যাবে (লিংক নিচে)। অনেকদিন ধরেই NFHS এর ডেটা দেখতে চাইছি একটু সময় নিয়ে বসে, আপনি (বা আর কেউ) আগ্রহী হলে জানাবেন। 
  • dc | 122.183.157.163 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৯:০০506976
  • যদুবাবু, ধন্যবাদ। আপনার লিংকে গিয়ে দেখলাম সিএসভি ফাইলও আছে। হাতে ফাঁকা সময় পেলে এগুলো ট্যাবলোতে লোড করে ভিসুয়ালাইজেশান বানিয়ে দেখবো ইন্টারেস্টিং কিছু পাওয়া যায় কিনা। 
  • r2h | 134.238.18.211 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ০৯:৫৭506977
    • Ranjan Roy | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ২৩:২২
    • আলোচনা কি একটু বেলাইনে? 
      ...এখনও মুসলিম জনসংখ‍্যা বৃদ্ধি দর হিন্দু দের থেকে সামান‍্য বেশি। কিন্তু দরটি হিন্দুদের তুলনায় দ্রুতহারে কমছে।...
     
    ধর্ম ধরে জনসংখ্যার বৃদ্ধি ইত্যাদি - এই সব কি বিজেপি আরএসএসের রমরমা আগে মূলধারার পাবলিক আলোচনার পরিসরে খুব হতো?

    বাম বা লিবারালরাতো অনেক, বা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উগ্র দক্ষিনপন্থার ফাঁদে অলরেডি জড়িয়ে পড়েছেন, আরএসএসের ডিজাইন করা পরিসরেই কথাবার্তা চলে। কাউন্টার ন্যারেটিভের চাপে নিজেদের ন্যারেটিভ ভোগে। এইটাও সেরকম কিনা ভাবছি।
  • Ranjan Roy | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ১৭:৩৬506981
  • এই জন‍্যেই গুরু তে আসা।
    ক‍্যা ডেটা! ক‍্যা ছপি! লা জবাব!! এস, ডিসি ছবিওলা এবং যদূবাবু সবাইকে ধন‍্যবাদ।
     
    ডিসি ও যদুবাবুর সঙ্গে অনেকটাই সহমত।
     
    হুতো
    অবশ‍্যই বাম রমরমায় আমরা ধর্মভিত্তিক জনসংখ‍্যা নিয়ে পাবলিক পরিসরে আলোচনা করাটা অসভ‍্যতা মনে করতাম। ফলে ওরা তথাকথিত চার চার বৌ এবং 'বন‍্যার জলের মত পূত্রকন‍্যা , হে ঈশ্বর এ কী অপরূপ" গোছের অ্যানেকডোট নির্বিবাদে চালিয়ে গেছে। অনেক বাম সমর্থক ও সেগুলো বিশ্বাস করেছেন।
    উনীজী ও যোগীজিরা যথাক্রমে 6 ও 7 ভাইবোন। যে গায়ক নেতা  ইউপি তে দূটোর বেশি বাচ্চা নয় প্রচার করছে তার চার সন্তান।
    এদের খোলা মাঠে গোল দিতে দেওয়া উচিত? 
    বামেরা বিজেপির এজেন্ডায় এনগেজ করছে -^ সেটা ভুল নয়। ভুল হল তাতে মেতে গিয়ে নিজেদের এজেন্ডা ভুলে যাওয়া।
    ব‍্যাকহ‍্যান্ড ফোরহ‍্যান্ড দুটোতেই মজবুত হওয়া দরকার।
    একটা অন‍্যটার পরিপূরক, বিকল্প নয়।
  • সিএস | 103.99.156.98 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ১৮:০২506984
  • - ওরা যে তিনটে করে বিয়ে করে, বিয়ে করে বেশী বাচ্চা পয়দা করছে
    - পার্ক সার্কাসে ওরা তো হেলমেট পড়ে ঘোরেনা, পুলিশও কিছু বলে না
    - কাশ্মীরের কেন স্পেশাল স্ট্যাটাস থাকবে, নকশালরা কেন কাশ্মীরের 'আত্মনিয়ন্ত্রণ' - এর অধিকার নিয়ে মিছিল করবে
    - মুলায়ম কীভাবে অযোধ্যার করসেবায় পুলিশ দিয়ে মেরে মেরে মাথা ফাটিয়েছে

    এসব তো আগে ফুসফুস করে হত, অল্প কিছু লোকজনের মধ্যে। আগে মানে অন্তত ১৫ বছর আগেও শুনেছি। তো কথাগুলো তো ছিলই, এ বঙ্গে বা কলকাতায় ছিল, অন্য জায়গায় হয়ত আরো বেশী ছিল। ভাজপার ক্রেডিট যে এইসব প্রেজুডিসগুলোকেই অ্যাজেণ্ডা বানিয়ে ফেলেছে, প্রচার করে করে করে।
  • r2h | 134.238.18.211 | ২৮ এপ্রিল ২০২২ ১৮:০৭506985
  • হুম, কাউন্টার দরকারি তাও ঠিক।

    বামেদের ক্রমেই দেখি নিজ এজেন্ডা নিজ ন্যারেটিভ দূরে সরে যাচ্ছে, এই মুশকিল।

    আর শুধু বাম বলে না, ডান বাম নির্বিশেষে উদারমনস্ক লোকজন এইসব নিয়ে আগে আদৌ মাথা ঘামাতেন না। আজকাল এগুলো রোজকার আড্ডা আলোচনার অংশ হয়ে গেছে। না হলেই ভালো হতো।
    এবার হয়ে গেছে, কাউন্টার না করে উপায় কী, তাও ঠিক।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন