ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পাকিস্তানের ভাষায় কিঁউ বাতচিত করতা হ্যায়

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ এপ্রিল ২০২২ | ১২৩২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • আপনি কোনো উত্তরপ্রদেশের লোককে কখনও বলেছেন, ব্যাটা পাকিস্তানের ভাষায় কিঁউ বাতচিত করতা হ্যায়? পাকিস্তানিরা কোন ভাষায় কথা বলে? যদি ইসলামাবাদের মান্য লব্জ ধরেন, তো ওরা প্রধানমন্ত্রীকে বলে উজির, সেটা হিন্দুস্তানি চালু কথা, নেহাৎই সংস্কৃত করে এদিকে 'প্রধানমন্ত্রী' করে দেওয়া হয়েছে। এরকম কিছু  ফার্সি-সংস্কৃত গোলমাল ছাড়া, ও ভাষাটা পুরোদস্তুর হিন্দুস্তানি। যদি পাকিস্তানি সিরিয়াল দেখেন, দেখবেন হুবহু হিন্দি। গুণমানে অবশ্য অনেক উন্নত, ভারতের সিরিয়ালের মতো অখাদ্য না, কিন্তু সে অন্য কথা। মোদ্দা কথা হল, উর্দু বলুন আর হিন্দি, ভাষাটা মূলত একই। 

    আপনি কখনও কোনো পাঞ্জাবিকে বলেছেন, ওয়ে মুন্ডা পাকিস্তানি ভাষায় কথা বল কেন? অথচ যদি এপারে অমৃতসরে গিয়ে বাতচিত শোনেন, আর ওপারে লাহোর, তাদের কোনো তফাত নেই। দুজনেই পাঞ্জাবি বলে। অমৃতসর আর লাহোর কতটুকুই বা দূর। মাঝখান দিয়ে একটা লাইন টেনে দিলেই তো আর ভাষা বদলে যায়না। হ্যাঁ, ওপারে কথায় কথায় ইনশাল্লা বলে, এদিকে বলেনা। এদিকে পাগড়ি পরে, ওদিকে পরেনা। কিন্তু সে অন্য কথা। মোদ্দা কথা হল দুজনেই পাঞ্জাবিতে কথা বলে।

    এদের কেউ পাকিস্তানি বলেনা, অথচ, আপনাকে থেকে থেকেই শুনতে হয়, 'রাষ্ট্রভাষা'য় কথা না বলে কিঁউ বাংলাদেশের ভাষায় বাত করতা। আমি নিজের কানেই বারকতক শুনে ফেলেছি, চারদিকে আরও গুচ্ছের হয়, এ নিয়ে সন্দেহ নেই। আসামে তো স্রেফ বাঙালি বলে এন-আর-সির নামে ল্যাজ তুলে দেখে নেওয়া হল, কে এঁড়ে কে বকনা। কে ভারতীয় আর কে বাংলাদেশী। কারণ ভাষাটাই তো বাংলাদেশের। পশ্চিমবঙ্গেও অবস্থা খুব সুবিধের নয়। এসব নেহাৎই আকাটপনা, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু আকাটপনা হলেও রাষ্ট্রীয় আকাটপনা, সিলেক্টিভ আকাটপনা। কারণ, উত্তর এবং পশ্চিমভারতের বেশিরভাগের ভাষাই যে পাকিস্তানের, সে নিয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রের বিশেষ মাথাব্যথা নেই। বরিশালের কথ্যভাষা বুঝতে আমার যা সমস্যা হবে, করাচির ভাষা বুঝতে কোনো হিন্দিভাষীর তার চেয়ে অনেক কম হবে। বা হবেইনা। 

    কথা হল এই আকাটপনা নিয়ে কী করা যায়। নেহাৎই ভারতের কোনো রাষ্ট্রভাষা নেই, এইটুকু বলা? নাকি এই পুরো যেটা লিখলাম, সেটা বুঝিয়ে বলা? নাকি পাল্টা জিজ্ঞাসা করা উচিত, যে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষায় তুমি কিঁউ বাত করতা হ্যায়? টানা এই মূর্খামি শুনে যাওয়া এমনিই মুশকিল। তার উপর রাষ্ট্রীয় মূর্খামি, কোটি কোটি লোকের ভিটেমাটি চাঁটি করে দিতেই পারে। পারে, যে, তার নজিরও নেহাৎ কম নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • দীপ | 2401:4900:3a00:2ba0:a05f:f4ee:fb58:f81a | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:০৮506820
  • বাংলাভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে ধারাবাহিক বিবর্তনের মাধ্যমে এসেছে। তৎসম শব্দ তেমন আছে, তদ্ভব শব্দ‌ও তো আছে। এই দুই ধরনের শব্দ নব্ব‌ই শতাংশের বেশি।
    যাখুশিতাই লেখার আগে একটু পড়াশোনা করুন!
  • lcm | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:১৯506821
  • বাংলা ভাষা সংস্কৃত থেকে আসে নি, যদিও এরকম একটা চালু ধারণা আছে। সংস্কৃত ছিল হিন্দু ব্রাহ্মণদের মন্ত্রের ও পাঠের ভাষা। ভারতে সাধারণ মানুষের কথ্য ভাষা ছিল না সংস্কৃত। উত্তর ভারতে ছিল প্রাকৃত, পালি, মগধি-প্রাকৃত  ইত্যাদি ... আর দক্ষিণ ভারতে তামিল এবং অন্যান্য দ্রাবিড়িয়ান ভাষা  ...

    Many assume that it was born from Sanskrit. But scholars and linguists believe that it was derived from Indo-Aryan languages like Magadhi Prakrit and Pali.

    Although Sanskrit was practised by Hindu Brahmins in Bengal since the first millennium BCE, the local Buddhist population were speaking in some varieties of the Prakrit.

    These varieties generally referred to as "eastern Magadhi Prakrit", as coined by linguist Suniti Kumar Chatterji, as the Middle Indo-Aryan dialects were influential in the first millennium when Bengal was a part of the Magadhan realm.

    https://en.wikipedia.org/wiki/Bengali_language
  • এলেবেলে | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:২০506823
  • আজ্ঞে, দ্রাবিড় ভাষাগোষ্ঠীর সংখ্যা বাংলা শব্দভাণ্ডারে কত? সাঁওতালি? ফারসি? আরবি? তুর্কি? মোটে দশ শতাংশ বুঝি! তাহলে সুনীতি চাটুজ্যে ও কথা বললেন কেন?
     
    এই অংশটা সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা --- শূদ্রের বেদ অধ্যয়নে অনধিকারের সূত্র ধরে, এই সাহিত্যিক সাধু বাংলাকেও অনতিক্রম্য করা হল এমনভাবে যাতে ব্যয়বহুল শিক্ষা ও অনুশীলন ছাড়া এ ভাষা কোনোমতেই আয়াসসাধ্য হবে না। এ ভাষায় কাদের অধিকার সম্ভব, তা রামমোহন রায়ও এ শতকের শুরুতেই নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন --- “যাঁহাদের সংস্কৃতে বুৎপত্তি কিঞ্চিতো থাকিবেক আর যাহারা বুৎপন্ন লোকদের সহিত সহবাস দ্বারা সাধু ভাষা কহেন আর শুনেন তাঁহাদের অল্প শ্রমেই ইহাতে অধিকার জন্মিবেক।” সুতরাং, এ ভাষার শ্রেণিচরিত্র বেশ স্পষ্ট। অতীতের সামন্ততান্ত্রিক হিন্দু সমাজের সংস্কৃতজ্ঞ উঁচু জাতের লোকেরা যাঁরা ইংরেজ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় উনিশ শতকের কলকাতার শিক্ষাজগতে করে খাচ্ছেন, এবং অন্যান্য সৌভাগ্যান্বেষণী, করিৎকর্মা লোকেরা যাঁরা তাঁদের নব্যপ্রাপ্ত অর্থবলে ‘ব্যুৎপন্ন লোকদের সহিত সহবাসে সক্ষম’ --- অর্থাৎ হিন্দু কলেজ, সংস্কৃত কলেজ, ইত্যাদি শিক্ষায়তনে তাদের ছেলেদের পড়াতে পারেন--- এঁদের জন্যই সাধু বাংলা ভাষা।
     
    মাতব্বর! বলুন?
  • hehe | 38.75.136.147 | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:২৫506824
  • গঙ্গারামপুরের গঙ্গাফড়িং ফের নাপাতে লেগেচে!
  • এলেবেলে | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:২৫506825
  • পোচ্চুর পড়াশোনা করে যে বিশুদ্ধ বাঙি ফাটিয়েছেন তা বুঝতেই পারছি। নিন এবারে এটা মুখস্থ করে নিন, কাজে লাগবে।
     
    প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার দুটি রূপ - সাহিত্যিক রূপ ‘ছান্দস’ ও কথ্য রূপ - প্রাচ্য, উদীচ্য এবং মধ্যদশীয়। আনুমানিক ৫০০ খ্রিপূ-তে পাণিনি মধ্যদেশীয় আর্যভাষার সাথে তাঁর মাতৃভাষা উদীচ্যের কিছু উপাদান মিশ্রিত করে বেদের ভাষার বিকৃতিরোধের উদ্দেশ্যে ‘সংস্কৃত’-র সৃষ্টি করেন। সে হিসাবে সংস্কৃত হল মুষ্টিমেয় শিক্ষিত লোকের ভাষার ওপরে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যের ‘সাধুভাষা’ এবং ইঞ্জিনিয়ারড ভাষা। এই সংস্কৃত যখন সাহিত্যের ভাষারূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে তখনকার বৃহত্তর জনসাধারণের মুখের ভাষা ছিল ‘প্রাকৃত’। সে হিসেবে সংস্কৃত আদতে বৈদিকের পরবর্তী একটি প্রায়-কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা
     
    এবারে এটা দেখুন। সংস্কৃত - ছান্দস ও কথ্য । কথ্য → প্রাচ্য, উদীচ্য, মধ্যদেশীয় → প্রাকৃত → প্রাচ্যা→ মাগধী → মাগধী প্রাকৃত → মাগধী অপভ্রংশ ‘অবহট্‌ঠ’ → পশ্চিমা ও পূর্বী → পশ্চিমার অন্তর্গত মৈথিলি, ভোজপুরি এবং পূর্বীর অন্তর্গত ওড়িয়া ও বঙ্গ-অসমিয়া → বঙ্গ-অসমিয়া থেকে বাংলা ও অসমিয়া। 
     
    কোথায় মশাই আপনার সংস্কৃত?
     
  • দীপ | 2401:4900:3a00:2ba0:a05f:f4ee:fb58:f81a | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:২৮506826
  • বাংলা ভাষা সরাসরি‌ সংস্কৃত ভাষা থেকে আসেনি, ধারাবাহিক বিবর্তনের মাধ্যমে এসেছে। সেটাই বলেছি।
    কিন্তু তার মূল উৎস সংস্কৃত ভাষা।
    আর যেকোনো ভাষাই ধারাবাহিক বিবর্তনের মাধ্যমে দিয়েই আসে। রামমোহন থেকে আজ একুশ শতকের বাংলাভাষা সেভাবেই এগিয়ে চলেছে! তার জন্ম রামমোহনের পিণ্্ডি্্ড্
    পিণ্ডি চটকানোর কোনো দরকার নেই!
  • দীপ | 2401:4900:3a00:2ba0:a05f:f4ee:fb58:f81a | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:৩০506827
  • আরে  আপনিই তো প্রথমে সংস্কৃত দিয়ে শুরু করলেন।
  • এলেবেলে | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:৩৬506828
  • সংস্কৃত থেকে আসেইনি, এসেছে প্রাকৃত থেকে। কোনও ইঞ্জিনিয়ারড ভাষা থেকে অন্য ভাষা আসে না। আসে প্রাণবন্ত ভাষা থেকে। এখন সাধুভাষাটাই উঠে গেছে। কেবল আপনাদের মতো কিছু 'বিদ্বান' তার লাশটা সযত্নে বহন করে চলেন। ওই হিন্দিও একটি ইঞ্জিনিয়ার্ড ভাষা কিন্তু হিন্দুস্তানি একটি প্রাণবন্ত ভাষা।
     
    শিক্ষিত মানুষজন মিথ্যে বললে ভয়ানক বিরক্ত লাগে। জনগণমন এবং সংস্কৃত নিয়ে সর্বপ্রথম বারফাট্টাই আপনি করেছিলেন। যেমন করেছিলেন বাধ্যতামূলক বাংলা মাধ্যম নিয়ে।
  • দীপ | 2401:4900:3a00:2ba0:a05f:f4ee:fb58:f81a | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০০:৪৪506829
  • আপনার তথ্যসূত্র অনুযায়ী বৈদিক ভাষা সংস্কার করে সংস্কৃত ভাষা এসেছে, সেখান থেকে ধীরে ধীরে অন্যান্য ভাষার উদ্ভব। এটাই তো বলা হয়েছে। 
    অ, সংস্কৃত ভাষা প্রাণবন্ত ভাষা নয়! সেজন্য ভাস, কালিদাস, ভারবি, শূদ্রক অসামান্য সৃষ্টি করলেন!
  • এলেবেলে | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০১:০৩506831
  • ধুর, বিজ্ঞানের অধ্যাপক 'ইঞ্জিনিয়ারড' শব্দের অর্থ বোঝেন না? 
     
    লেখা হয়েছে - আনুমানিক ৫০০ খ্রিপূ-তে পাণিনি মধ্যদেশীয় আর্যভাষার সাথে তাঁর মাতৃভাষা উদীচ্যের কিছু উপাদান মিশ্রিত করে বেদের ভাষার বিকৃতিরোধের উদ্দেশ্যে ‘সংস্কৃত’-র সৃষ্টি। তার আগে সংস্কৃত কোথায়? বৈদিক ভাষা বলে কিছু ছিল?  
     
    সংস্কৃতকে একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা বলা হলে সাহিত্যিকরা কোন ভাষায় সেটা রচনা করবেন? শকুন্তলা পড়েছেন? সেখানে শকুন্তলা সংস্কৃত বললেও অনসুয়া প্রাকৃত বলেন কেন? ভাষার শ্রেণিচরিত্র বোঝেন? না বুঝলে সুমন্ত বন্দ্যোটা ফের পড়ে নিন।
  • দীপ | 2401:4900:3a00:2ba0:a05f:f4ee:fb58:f81a | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০১:১৫506832
  • একটি কৃত্রিম ভাষায় সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান রচনা সম্ভবনয়। গোড়াতেই গলদ।
  • এলেবেলে | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০১:১৭506833
  • হা হা, হা হা এবং হা হা। ঘুমাই।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::2d6:c30f | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০৪:৪৮506835
  • আচ্ছা এই ভাষার বিবর্তনের উপরে একটা প্রবন্ধ লিখুন না। ভাষার ইতিহাস খুবই ইন্টারেস্টিং।
  • a | 59.102.29.98 | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ০৮:১০506837
  • একখান টই ছেলো ভাষা বিবর্তনের উপর, কেউ তুলে দিন্না 
  • ar | 173.48.167.228 | ২৩ এপ্রিল ২০২২ ১৭:৫৭506846
  • “There is a Bangladeshi type of language…some kind of Bengali sounding language in which they were shouting slogans,” said Medha Lal of the Delhi Police in a TV interview.
     
    Hindutva Watch
    How the ‘Bangladeshi’ dog whistle helps justify violence against Indian Bengali Muslims
    Compared to Urdu-speaking Muslims, Bengali Muslims are doubly victimised for their language and religion, with even their citizenship called into question.
    Adil Hossain
    8 hours ago
    https://scroll.in/article/1022362/how-the-bangladeshi-dog-whistle-helps-justify-violence-against-indian-bengali-muslims

    "A range of political reactions have emerged after the horrific and illegal demolition campaign by the North Delhi Municipal Corporation in Jahangirpuri. One of the most bizarre reactions came from the ruling Aam Aadmi Party. The Arvind Kejriwal-led AAP claimed that the BJP had orchestrated the whole demolition and the communal violence through the illegal Bangladeshis and Rohingyas. Unfortunately, the capital’s ruling party has labelled Delhi’s Bengali-speaking Muslims as Bangladeshis. The chief minister of Delhi must acknowledge that not all Bengali-speaking Muslims are Bangladeshis. The Rohingyas do not speak Bangla or Bengali. The AAP has defamed Bengalis, Bangladeshis, Muslims and Rohingyas shamefully by taking this forbidden political stand."

    https://www.news18.com/news/opinion/aap-must-know-calling-all-bengali-speaking-muslims-bangladeshis-or-rohingyas-is-vile-5032267.html
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::2ce:20a8 | ৩০ এপ্রিল ২০২২ ২০:০৭507036
  • গোবলয়ের লোকেদের কথা সিরিয়াসলি নেবেন না। ছোটবেলা থেকে খাজা হিন্দি সিনেমা দেখে দেখে ডায়লগবাজীতে বদভ্যাস হয়ে গেছে।
  • যদুবাবু | ০১ মে ২০২২ ০১:১৮507046
  • আমার আঁকা কার্টুনটাও এখানে রেখেই যাই। 

  • ar | 173.48.167.228 | ০১ মে ২০২২ ০৬:৪৫507048
  • তা বটে। গোবলয়ের লোকেদেরকে ভয় পাই না। চিন্তা হয় ঐ বলয়ের বাইরের লোকেদের নিয়ে!!
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন