ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পুঁজির সর্বগ্রাসী লালসা ও একটি অরণ্যঅঞ্চলের ধ্বংসসাধন

    Mao Tse Tung লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ এপ্রিল ২০২২ | ৪২৯ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • আসুন আজ কিছু নতুন বিষয় নিয়ে কথা বলি। নতুন ? না... খুব নতুন নয় , সেই একই গল্প।
    পুঁজির সর্বগ্রাসী লোভ, নিজেদের সম্পদের পাহাড় আরও বাড়িয়ে তোলার পৈশাচিক লালসা এবং তাদের লালসা চরিতার্থ করার জন্য তাদের দ্বারা পরিচালিত রাষ্ট্রযন্ত্রের শোষণ। শোষণ প্রকৃতির, শোষণ আদিবাসীদের, শোষণ সাধারণ মানুষদের।
    আমি দেখতে পাচ্ছি হয়তো আবার একটি নিয়মগিরি, বাস্তার উঠে আসবে ভারতের মানচিত্রে। 
    থাক আর ভয় দেখাবোনা, তার চেয়ে বরং চলুন মুখ্য বিষয় প্রবেশ করা যাক এবার ।
    ভারতবর্ষের একটি রাজ্য ,নাম 'ছত্তিসগড়'।
    বিভিন্ন সময় খবরের শিরোনামে থাকা একটি রাজ্য। সেখানকার একটি জেলা ছতরপুর, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে বাকস্বাহা, পাহাড় জঙ্গলে ঘেরা বিন্ধ্য অঞ্চলের মধ্যে সুন্দর শান্ত 'বাকস্বাহা'।
    যেখানকার 'পান্না টাইগার রিজার্ভ'-এর কথা সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া ছেলেমেয়েরা মুখস্ত রাখে, তো এই এলাকাতেই মাটির গভীরে সন্ধান পাওয়া গিয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে চকচকে ও পুঁজির চোখে মূল্যবান রত্ন গুলিরর মধ্যে অন্যতম হীরের। যার পরিমান তিন কোটি ক্যারেট এর চেয়েও বেশি হতে পারে ।
    আর এই হীরেকে মাটি খুঁড়ে বাইরে বের করে আনতে হলে কাটতে হবে আনুমানিক 2.15 লক্ষাধিক বনের গাছ। উপরোক্ত অঞ্চলটির ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের অন্যতম খরাপ্রবণ অঞ্চল গুলির মধ্যে একটি বুন্দেলখন্ড এলাকায়, যা তৈরি হয়েছে মধ্যপ্রদেশে ও উত্তরপ্রদেশের কিছু পাহাড়ঘেরা অরণ্যপ্রবণ এলাকা দিয়ে, যেখানে বেশিরভাগ সময় চলতে থাকে খরা, যেখানে অপর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থার জন্য ঠিকমতো চাষাবাদ হয় না, ভূগর্ভস্থ জলের স্বল্পতার জন্য এখানকার মানুষদের যেতে হয় দূর-দূরান্তে পানীয় জল আনতে, তাপমাত্রার দিক থেকেও গিনেস বুকে নাম ওঠাতে পারে এই এলাকাটি। এসব কারণে প্রায়ই এ অঞ্চলে দেখা যায় খাদ্যসঙ্কট , কৃষকের মৃত্যুও এখানে স্বাভবিক।
    এইরকম অঞ্চলে যেখানে ভূগর্ভস্থ জলের সংকট চরমে, খরা প্রায় লেগেই থাকে, যেখানে একটি গাছের চারা রোপন করাও দুঃসাধ্যকর ব্যাপার, সেখানে বড়লোকের হাতের ও গলার শোভা বৃদ্ধির জন্য সোয়া দুই লক্ষাধিক অরন্যের গাছ বলি দিতে তৈরি হচ্ছে পুঁজিপতিদের দ্বারা চালিত  রাষ্ট্রশক্তি।
    এর প্রভাব কি হতে পারে সে সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র কল্পনা করলে শিউরে উঠতে হয়।
    বাকস্বাহা অঞ্চলের লাগোয়া যে খনিজ অঞ্চল টি তার নাম 'পান্না' দামি খনিজসম্পদ নিজের গর্ভে ধারণ করার জন্য অঞ্চল টির নামকরেন হয় পান্না, পান্না খনি অঞ্চলে আনুমানিক 2200000 (22 লাখ) ক্যারেট হীরের উপস্থিতি অনুমান করা হয়,  যার থেকে এখনো পর্যন্ত 1300000 (13 লাখ) ক্যারেট হীরে ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করা হয়েগিয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবেই তার জন্য ধ্বংস করতে হয়েছে সেখানকার জনজীবন অরণ্য লক্ষ-লক্ষ গাছ এবং যেই uncontrolled way তে এখানকার সম্পদের লুঠ হয়ে চলেছে , তাতে আর কিছু দিনের মধ্যেই খনিটি শূন্য হতে চলেছে। এবং তাই তাদের শোষণ, মুনাফা যাতে না থামে তাই তারা খুঁজে নিয়েছে শোষণের, মুনাফার  নতুন ক্ষেত্র 'বাকস্বাহা' যার সম্পদ 'পান্না'র চেয়ে বহুগুণ বেশি। যেখানে পান্নার হীরক খনি তে ২২ লক্ষ ক্যারেট হীরে ছিল, সেখানে বাকস্বাহা তে রয়েছে তিন লাখ ক্যারেট হীরের চেয়েও কিছু বেশি। মানে এবার আরও বেশি প্রকৃতির শোষণ, আরো বেশি মানুষের শোষণ এবং আরও আরও আরওওওও বেশি মুনাফা.....  এসবের সূত্রপাত হয়েছিল 2003 সালে।

    এক অস্ট্রেলিয়ান মাইনিং কোম্পানি, নাম 'Rio-tinto' যারা 'বাকস্বাহা' অরণ্য-এ 2003 থেকে 2005 সাল পর্যন্ত একটি সার্ভে করে জানায় যে এখানে আনুমানিক 3.43 কোটি ক্যারেট হীরে রয়েছে মাটির নিচে ।
    2007 থেকে 2010 সালের মধ্যে এই অঞ্চলে তারা একটি পাইলট প্রোজেক্ট চালায় যার জন্যও নির্বিচারে কাটা হয় প্রচুর গাছ।
    2017 তে Rio Tinto হাজির হয় তার কিছু বড় ধরনের expansion plan নিয়ে।
    যার মধ্যে ছিল প্রায় 11 লক্ষ-এরও বেশি গাছ কাটার এক ভয়াবহ প্রস্তাব*।
    হোঁচট খেলেন..? হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন 11* লক্ষ গাছ'* এবং সমস্তটাই বনজ গাছ, বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, ভাবতে পারছেন...? 
    সেই সময় বেশ কিছু পরিবেশপ্রেমী সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জোরদার প্রতিবাদের চাপে সরকার সাময়িকভাবে পিছিয়ে আসে প্রস্তাব বাস্তবায়িত করা থেকে।
    যদিও শোনা যায় অস্ট্রেলিয়ান সংস্থাটি সরকারের উপর বিভিন্ন রকমের প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করে কিন্তু সরকার তার 'লুঠের প্ল্যান' অবস্থা ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখে। (rio tinto-র উপর অস্ট্রেলিয়াতেই বহু কেস চলছে, পরিবেশ ধ্বংসের ক্ষেত্রে নিজের দেশকেও ছাড়েনি সংস্থাটি)
    এরপর আসে 2019 সাল, যখন ক্ষমতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী হন শিখ দাঙ্গার অন্যতম অভিযুক্ত মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা কমলনাথ ।
    তিনি ক্ষমতায় এসেই বকস্বাহা খনির সম্পদকে  নিলামে তোলার জন্য আসর ডাকেন যেখানে অংশগ্রহণ করে  পৃথিবীর প্রায় সব বড় বড় পুঁজিপতি সংস্থাগুলি ।
    তাদের মধ্যে কম্পিটিশনে এগিয়েছিল ভারতীয়দের কাছে পরিচিত দুটি  কোম্পানি ১. বিড়লা গ্রূপ-এর  ESSEL Mining Company.
    ২. আদানি গ্রূপ।
    বিড়লারা 55 হাজার কোটি টাকা দিয়ে জিতে নেয় Bid, অধিকার পায় আইনসম্মত শোষণের, লুন্ঠনের, ধ্বংসের।যেই ধ্বংস দোসর হবে সরকার। এই নিলামি থেকে সরকার পক্ষও পাবে 41.55 শতাংশ রয়্যালটি, অর্থাৎ 55 হাজার কোটি থেকে 23 হাজার কোটি টাকা রাজস্ব (আর্থিক দুর্নীতি করার জন্য অর্থের প্রয়োজন পড়ে, সেই অর্থের জোগান দেয় পুঁজিপতিরা)

     আর এই পরিমাণ অর্থের জোগান দিয়েই তারা পেয়ে যাবে টানা 50 বছর ধরে শোষণের আইনত অধিকার অধিকার । অধিকার পায় পরিবেশ ধ্বংস করার, জনজীবনকে ছিন্নভিন্ন করার। এই ভূগর্ভস্থ হীরা উত্তোলনের জন্য বিড়লারা বক্সার সাগোরিয়া গ্রামে 62.64 হেক্টর জমির উপর খননের অনুমতি চেয়েছে কিন্তু তাদের অসীম স্বার্থন্ধতা এখানেই থেমে থাকেনি তারা আরো 382.13 হেক্টর ফরেস্ট ল্যান্ড-এ অরণ্য ধ্বংস করার দাবি জানিয়েছে যেখানে তারা লক্ষ লক্ষ অরন্যের গাছ কেটে ডায়মন্ড প্রসেসিং এর কারখানা, পালিশ এর কারখানা, স্টাফ কোয়ার্টার, অফিস খোলার জন্য অরন্যের জমি দাবি করেছেন । যেসব গাছ কাটা হবে সেগুলি বিভিন্ন Rare species এর গাছ এবং এর মধ্যে বহু গাছের প্রজাতি এমনও রয়েছে যেগুলি শুধুমাত্র পান্না রিজিয়ন-এই পাওয়া যায়। এখানেই শেষ নয় এই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী এবং আরো অনেক শ্রেণীর প্রাণী আছে যাদের অস্তিত্ব আজ সংকটাপন্ন । 
    মজার বিষয় হলো এই কন্ট্রাক্টটি sanction হওয়ার পর যে Wildlife Report টি পেশ করা হয় তাতে বলা হয়েছে বকস্বাহা অঞ্চলে কোনোরকমের বন্যপ্রাণের অস্তিত্ব নেই যেগুলো আছে তার পার্শ্ববর্তী পান্না ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারিতেই  আছে কিন্তু সরকারেরই পাঁচ বছরের পুরনো রিপোর্টেই এই অঞ্চলের বিভিন্ন প্রজাতির উপস্থিতির কথা স্বীকার করা হয়েছিল । আর এই প্রোজেক্টকে বাস্তবায়িত করতেই খাতায় কলমে অঞ্চলটিকে বন্যপ্রাণ মুক্ত বলে দেওয়া হল... 
    শুধু হীরার খনির প্রোজেক্ট নয়, রাষ্ট্র এই অঞ্চলে অরণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তির উল্লেখ না করে পারছি না 
    1.এই অঞ্চলে একটি সজলা নদীর উপস্থিতি রয়েছে নাম তার 'কেন' সরকার এখানে 'Ken- Betwa River interlinking Project হাতে নিয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে 'পান্না টাইগার রিজার্ভ'-এর 23 লাখ গাছের সলিল সমাধি ঘটবে 
    2. দ্বিতীয় প্রোজেক্ট:- তৈরি হচ্ছে বুন্দেলখন্ড Expressway যার জন্যও প্রায় দুই লক্ষাধিক গাছের বলি দিতে হবে।
    এত পরিমান বৃক্ষনিধন ! ভাবতে পারছেন ? এমন একটি অঞ্চলে, যা অলরেডি খরাপ্রবণ । 
    এর প্রভাব কী হতে পারে একবার কল্পনা করার চেষ্টা করেছেন ? এসব প্রোজেক্ট বাস্তবায়িত হলে এই পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিক্ষয়ের হার কোথায় গিয়ে ঠেকবে..? জমির উর্বরতা কোন পর্যায়ে যাবে ? ভূগর্ভস্থ জলের হার..? সেখানে বসবাসকারী জনগণ , বন্যপ্রাণ ? তাদের দশা কি হবে ভেবেছেন..? ভাবা প্র্যাকটিস করা তো বহু আগেই ছেড়ে দিয়েছেন কমসেকম নিজেদের জন্য না হলেও নিজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে সেখানে বসবাসকারী আদিবাসী সাধারন জনগনের জন্যে ভাবুন.. 

    এবার সাধারণত যে প্রশ্নগুলো উঠে আসে তাদের মধ্যে একটি হলো সরকার এত ক্ষয়ক্ষতির চিন্তা না করেই এসব প্রোজেক্টকে গ্রীন সিগন্যাল দিয়ে দিল?" "আরে এনভায়রনমেন্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার অত সহজ নয় নিশ্চয়ই ভালো বুঝেই দিয়েছে" এনভায়রনমেন্ট ক্লিয়ারেন্স ? কে দেয় বাপু ক্লিয়ারেন্স ? দেয় বিভিন্ন Expert Appraisal committee, এই কমিটির সদস্য হন কারা ? খোঁজ নিয়ে দেখেছেন নিয়ে দেখবেন একবার এই কমিটির বেশির ভাগ সদস্যই যুক্ত থাকেন বিভিন্ন মাইনিং ইন্ডাস্ট্রির সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা। 
    নিজ উদ্যোগে খোঁজ নিয়ে দেখবেন না হয়, এসব কমিটির সদস্যদের ব্যাকগ্রাউন্ড । 
    কিছুদিন আগেই কর্ণাটক থেকে খবর এসেছিল, সেখানকার স্টেট বোর্ড ওয়াইল্ডলাইফ বোর্ড থেকে ওয়াইল্ডলাইফ এক্সপার্টদের সরিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও শিল্পপতি ও তাদের এজেন্ট দের বসানো হয়েছিল, যাঁদের বন ও বন্যপ্রাণী নিয়ে বিন্দুমাত্র জ্ঞান থাকেনা, যদি কিছু থাকে তাহল অপরিসীম লালসা, লালসা বনজ সম্পদের প্রতি, অরন্যের মাটির নিচের খনিজ সম্পদের প্রতি , অরন্যের একরের পর একর জমির উপর ।
    তাদের কাছ থেকে আপনি কি আশা করতে পারেন ? যে তারা এনভায়রনমেন্ট ক্লিয়ারেন্স আটকে দেবে। এদের কমিটিগুলো ভর্তি থাকে লুচ্চা নেতা ও দালালদের দিয়ে। পরিবেশের সাথে ইকোসিস্টেমের সাথে এইসব দালালদের  কোনোদিনও এদের কোনো স্বার্থজড়িত থাকেনা, গোটা পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেলেও এদের কিছুই যা আসেনা, এদের চোখে শুধুই ধরা পড়ে টাকা আর টাকা।
     আর এই ধান্দাবাজি শুধু ভারতেই নয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চলে আসছে।
    চলে আসছে পুঁজিপতিদের দ্বারা চালিত রাষ্ট্র পুঁজিপতিদের সাথে হাত মিলিয়ে পরিবেশের শোষণ ও মানবজীবন ছিনিবিনি করার ক্রুর খেলা।
    এখনও সময় আছে ঘুরে দাঁড়ান, সচেতন হন, সচেতন রাষ্ট্রের সর্বগ্রাসী লালসার বিরুদ্ধে। সব শেষ হওয়ার আগে রুখে দাঁড়ান। একটা গাছ লাগিয়ে ফেসবুকে তার ছবি দেওয়ার চেয়ে অরণ্য ধ্বংসের প্রতিবাদে নিজের পরিবেশ সচেতনতা জাহির করুন পারলে। একটা গাছ লাগিয়ে একরের পর একর অরণ্য ধ্বংসের কানাকড়িও পুষিয়ে দিতে পারবেননা আপনি....
    তাই বলছি রুখে দাঁড়ান।
    এখন আর সময় নেই। এই শেষ সময়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sobuj Chatterjee | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ১৬:১৪506889
  • এই পরিসংখ্যান গুলি কোথায় পেলেন একটু জানাবেন। 
  • অনামী | 2409:4060:2d8d:52c1::b5c9:c801 | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ১৯:৫৯506892
  • এরকম anti-establishment পোস্ট চিনে বসে করা  যাবে?
     
  • পলিটিশিয়ান | 107.84.156.240 | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ২০:২৮506893
  • যাবে এবং যায়। সরকার শোনে কিনা সেটা আলাদা প্রশ্ন।
  • dc | 122.174.7.138 | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ২১:০৫506895
  • রুখে তো দাঁড়াবো, কিন্তু কোথায় দাঁড়াবো? 
  • Ranjan Roy | ২৬ এপ্রিল ২০২২ ১৩:০৮506915
  • প্রথমেই একটা বড় ভুল। ছতরপুর আদৌ ছত্তিশগড় রাজ‍্যের জেলা নয়; ওটা মধ‍্যপ্রদেশ রাজ‍্যের উত্তর দিকে বূন্দেলখন্ড অঞ্চলে, পান্নাও ওখানকার জেলা। এসব ছত্তিশগড়ের থেক কয়েকশ' মাইল দূরে।
    আর এধরণের লেখায় তথ‍্যসূত্রের উল্লেখ একান্ত আবশ‍্যক। ফের মাওকে নিয়ে টানাটানি কেন?
     
    এইটুকু সম্বল নিয়ে হঠাৎ 'দাও ফিরে সে অরণ‍্য লহ এ নগর' বলে ডাক দিলে কে আর সাড়া দেবে!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন