ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   বই

  • আপনার প্রিয় কল্পবিজ্ঞান/ ফেবারিট সায়েন্স ফিকশন 

    জয়
    আলোচনা | বই | ২২ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩০৪৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • বই উপন্যাস নভেল
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 2a02:26f7:d6c1:680d:0:3815:b547:3720 | ০৮ জানুয়ারি ২০২২ ২১:৫৫735355
  • জয়, হাইপেরিয়নের পাঠকপ্রতিক্রিয়া সময় করে ​​​​​​​লিখবো। নিউরোম্যান্সার আর ​​​​​​​কালচার ​​​​​​​সিরিজেরও ​​​​​​​লেখার ​​​​​​​ইচ্ছে ​​​​​​​আছে। ​​​​​​​
  • &/ | 151.141.85.8 | ০৯ জানুয়ারি ২০২২ ০৩:২৭735356
  • ডিসি, খুব ভালো হচ্ছে। দুর্দান্ত। থামবেন না।
  • &/ | 151.141.85.8 | ০৯ জানুয়ারি ২০২২ ০৭:১২735364
  • @জয়, আপনি মেয়েকে 'তৃণার স্বপ্নপৃথিবী' শোনাতে পারেন, এটা কৈশোরোপযোগী। এমনকি 'গ্রহণের রাত' ও শোনাতে পারেন, চাইলে কিছু কিছু জায়্গা সেন্সর করে দিতে পারেন। তবে সেন্সর না করলেও ক্ষতি নেই, সেরকম আপত্তিকর কিছু নেই ,আমার মতে ।
  • জয় | 82.1.126.236 | ০৯ জানুয়ারি ২০২২ ১৩:৩৭735365
  • @&/ "হ্যারিসন বার্জেরন" বলে যে গল্পটি উল্লেখ করেছেন, তার pdf এখানে পাবেন। অবশ্যই পড়ুন। ছোট্ট গল্প। ভালো লাগবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক গীতিনাট্যের সঙ্গে মিল পেলাম একটু। @b বলবেন- সাই ফাই কিনা। আমি বলব- হয়ত, বা।
     
  • &/ | 151.141.85.8 | ০৯ জানুয়ারি ২০২২ ১৪:০৪735366
  • এটা মনে হয় সাইফাই এর ছদ্মবেশে সমাজ ও রাজনীতির গল্প।
  • R.K | 203.18.35.200 | ১১ জানুয়ারি ২০২২ ০৮:৩৮735371
  • বাংলায় চমৎকার সাইন্স ফিক্শন 
     
      file:///C:/Users/ipnrrk/Downloads/Tomader%20Jonno%20Valobasha%20By%20Humayun%20Ahmed%20(BDeBooks.Com).pdf
  • R.K | 203.18.35.200 | ১১ জানুয়ারি ২০২২ ০৮:৪০735372
  • আরো একটি 
    file:///C:/Users/ipnrrk/Downloads/Titron%20Ekti%20Groher%20Nam%20Muhammed%20Zafar%20Iqbal%20(BDeBooks.Com).pdf
  • jlt | 146.112.12.23 | ১১ জানুয়ারি ২০২২ ১০:৪৭735373
  • গ্রেগ এগান: https://www.gregegan.net/
    অর্থোগোনাল ট্রিলজি (ক্লকওয়ার্ক রকেট, ইটারনাল ফ্লেম, অ্যারোজ় অফ টাইম), পারমিউটেশন সিটি, জ়েন্দেগি, টেরানেসিয়া, শিল্ড্‌'স ল্যাডার, ডায়াস্পোরা, ওশানিক ... আর শুরুর দিকের কিছু সাইবারপাঙ্ক ছোটগল্প।
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ০৯:১৮735374
  • যাঁরা সাই ফাই লেখার সন্ধান দিচ্ছেন তাঁদের জন্য রইল অনেক ধন্যবাদ। এক একটা বিশেষ ভালোলাগা বা পছন্দের লেখা নিয়ে ছোটো খাটো (এই এক কি দুই প্যারাগ্রাফ )আলোচনা লিখলে আরো ভালো লাগবে। তাতে হয় কি, আমরা যারা লেখাগুলো পড়িনি বা সেই সম্পর্কে একেবারেই অবহিত নই, তারা পড়ে দেখার একটা টান অনুভব করবো।
  • dc | 122.174.155.194 | ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ০৯:৪৩735375
  • তাহলে অ্যাসিমভের এই গল্পটা চট করে পড়ে নিনঃ The Billiard Ball
     
     
    অ্যাসিমভ ওনার উপন্যাসগুলোর জন্য বিখ্যাত হলেও, আমার মতে ওনার মতো ছোট গল্প আর কেউ লিখতে পারেন নি। এই গল্পটা তার একটা ক্লাসিক উদাহরন। দুই বন্ধু, একজন থিওরেটিকাল ফিজিসিস্ট, আরেকজন ইনভেনটর কাম ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট। এই দুজনের রেষারেষি নিয়ে গল্প। 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ০৯:৪৮735376
  • বহু বছর আগে এটা পড়েছিলাম বাংলা অনুবাদে। আনন্দমেলায়।
  • dc | 122.174.155.194 | ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ০৯:৫৫735377
  • আমিও প্রথম বাংলা অনুবাদই পড়েছিলাম। তারপর খুঁজে খুঁজে ইংরেজি ভার্সনটা যোগাড় করেছিলাম। আমার মনে হয় বাংলা ভাষাটা সাই ফাই লেখার উপযুক্ত না, কারন বাংলায় সেভাবে টেকনিকাল জার্গন তৈরি হয় নি। ফলে ইংরেজিতে যে টেকনোব্যাবল তৈরি করা যায়, সেটা বাংলায় যায় না। বাংলায় শিশুপাঠ্য সাই ফাই হয়তো লেখা যায়, জুলস ভার্ন বা আর্লি অ্যাসিমভ লেভেলের, কিন্তু মডার্ন সাই ফাই লেখা সম্ভব না। 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ০৯:৫৯735378
  • আর কালচারটাও তো অন্যরকম। ইংরেজীতে যেভাবে এই অ্যাকাডেমিয়া আর ইন্ডাস্ট্রির সূক্ষ্ম টানাপড়েন একেবারে সমাজে বিদিত, সেই সুবিধে বাংলার তো নেই।
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ১০:০১735379
  • আরও অন্য বহু কালচারাল ব্যাপার, যেটা ইংরেজীভাষার সমাজে ওতপ্রোত হয়ে আছে, সেটার সুবিধে সাইফাই গুলো পাচ্ছে। মিথ, ইতিহাস, টেকনোলজি, বাণিজ্য, জার্গন, এমনকি জোকস---সবকিছু।
  • dc | 122.174.155.194 | ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ১০:০৪735380
  • কালচারের তফাতও হতে পারে, বাঙালিরা ইন জেনারাল ঘরকুনো টাইপের আর পুরো উপমহাদেশটাই বিজ্ঞানবিমুখ, পুজো ছাড়া আর কিছু জানে না। ইন্ডিয়াতে কখনোই সায়েন্টিফিক কালচার গড়ে ওঠে নি। 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ১০:১২735381
  • সেটাই। বাঙালির (গোটা উপমহাদেশেরই) বিজ্ঞান কোথায়? টেকনোলজিই বা কোথায়? অন্যেরা করে, এরা কেনে। উপভোক্তা। আর গবেষণা ইত্যাদিও তো নানারকম লালফিতের ফাঁসে আটকে থাকে। সেগুলোর উপরে নির্ভর করে ইন্ডাস্ট্রি তৈরী তো আরও দূরের ব্যাপার।
    পুত্র না হলে পুত্রশোক সম্ভব নয়। আগে বিজ্ঞান হতে হবে, তারপর কল্পবিজ্ঞান।
  • জয় | 82.1.126.236 | ১৪ জানুয়ারি ২০২২ ০৪:০৮735382
  • dc "নিউরোম্যান্সার"নিয়ে লেখার পর আমি না হয় নীল স্টিফেন্সনের "স্কাই-ক্র্যাশ" নিয়ে পাঠক-প্রতিক্রিয়া লিখব। আমার মনে হয় স্কাই-ক্র্যাশ, নিউরোম্যান্সারের খানিকটা ফলো-আপ? 
    তাছাড়া নিজেকে একটা লম্বা ডেডলাইনও দিলাম। অবশ্যই dc বা অন্য কেউ লিখলে প্লীজ লিখুন। খুব বিখ্যাত বই, সাই-ফাই অনুরাগীদের অনেকেরই পড়া।
  • জয় | 82.1.126.236 | ১৪ জানুয়ারি ২০২২ ০৪:১০735383
  • পাগল হলাম নাকি- স্নো-ক্র্যাশ! কি ভাবতে কি লিখছি
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৪ জানুয়ারি ২০২২ ০৫:১০735384
  • ক্র‌্যাশ ফ্যাশ ধুমধারাক্কা, দুম দুম করে যুদ্ধ, বিস্ফোরণ ইয়ে। এক্কেবারে হিন্দি গুন্ডা সিনেমা মার্কা হয়ে গ্যাছে কল্পবিজ্ঞান দুনিয়া। সাইবর্গ ফাইবর্গ যেই আসে, খালি যুদ্ধ করে। আর গুড়ুম গুড়ুম করে গ্রহ ফ্রহ গুঁড়িয়ে একশা। আগে এমন ছিল না মনে হয়, ষাটের দশকের কল্পবিজ্ঞান টিভি সিরিজ বরং অনেক শান্ত, গভীর, চিন্তাভাবনাওয়ালা ছিল। স্টার ট্রেক ওরিজিনাল সিরিজ তো এরকম গুড়ুম গুড়ুম না। স্পেস ওডিসি ২০০১ ও বেশ গভীর ও চিন্তা জাগানিয়া।
  • জয় | 82.1.126.236 | ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ০২:২৮735387
  • না না &/, এটা অমন নয়- বরং কম্পিউটার বা ব্রেন ক্র্যাশের কথা ভাবতে পারেন। স্নো-ক্র্যাশ একটা নিউরো-লিঙ্গুইস্টিক সফটওয়ার ভাইরাস যা রিয়াল ওয়ার্লডে ব্রেন আর ভার্চুয়ালি কম্পিউটার প্রোগ্রামকে ইনফেক্ট করতে পারে!!!
     
    রিভিউটা লিখছি।
  • জয় | 82.1.126.236 | ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ২১:৪০735388
  • @dc
    করোনা-জয়ের জন্য অভিনন্দন।আশেপাশের আর সবাই ভালো তো?
     
    আপিস/ ইস্কুল/ কাজকম্ম পুরোদমে শুরু হওয়ার আগে এক কিস্তি হবে নাকি? প্লীজ।
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৭ জানুয়ারি ২০২২ ০০:৪৫735389
  • আরে জয়, সেইজন্যেই তো বললাম। যত্ত সব ক্র‌্যাশ আগে ছিল গাড়ি বাড়ি গ্রহ গুঁড়ানো, এখন হয়েছে নতুন ফ্যাশান ব্রেইন ফ্রীজ করে দেয় কি নেটোয়ার্ক গুঁড়িয়ে দেয়, সাইবারস্পেসে যুদ্ধ করে---হরে দরে একই। "যুদ্ধ ছাড়া কাটে না দিন, অসহ্য এই আলস্য/ বলল যারা সব মার্কিন, গান ক্লাবেরই সদস্য"--এইটা ছিল একটা প্রাচীন বিদেশী গল্পের অনুবাদে। ঃ-)
    এক্কেবারে যা তা। একটা সাম্প্রতিক ফিক্শন পড়ছিলাম, সেই মিশরের স্ফিঙক্সের মধ্যে হল অব রেকর্ড না কী পেয়েছে সেই নিয়ে, ওরেব্বাঅব দুমধারাক্কা ছোটো সেসনা প্লেন নিয়ে পড়ল জঙ্গলে ----মানে কী বলবো!!!!
    অত্যন্ত বিরক্তিকর!
    এর চেয়ে ওরিজিনাল সিরিজের এমপ্যাথ, অ্যামক টাইম, জার্নি টু ব্যাবল ---এসব দেখা বরং অনেক ভালো। ঃ-)
  • জয় | 92.40.198.205 | ১৯ জানুয়ারি ২০২২ ২১:০৯735395
  • রিভিউঃ স্নো-ক্র্যাশ

    লেখক প্রতিক্রিয়াঃ নীল স্টিফেনসন; সাইবারপাঙ্ক জঁর ফাউন্ডিং ফাদার হিসেবে উইলিয়াম গিবসন (নিউরোম্যান্সার), ব্রুসস্টারলিং (মিররশেড অ্যান্থোলজি- সবগুলো নয়), একটু আগের পি কে ডির (D.A.D.E.S) সঙ্গে এক নিশ্বাসে ইনার নাম উচ্চারণহয় (***dc আগের পোষ্টগুলো দারুন সুন্দর করে লিখেছেন)। নীল স্টিভেন্সন এত নিশ্চিতভাবে ভবিষ্যতের টেকনলজি প্রেডিকসন করেছেন যে টেক কোম্পানীগুলো তাঁকে চিফ ফিউচারিষ্ট হিসেবে পাওয়ার জন্য লাইন দেয়। ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে তাঁরঅগাধ জ্ঞানের জন্য অনেকে তাঁকেই আসল সাতোসি নাকামোতো (বিট কয়েন পেপারের ছদ্মলেখক) ভাবে, যদিও স্টীভেনসন তাঅস্বীকার করেন।

    পাঠকপ্রতিক্রিয়াঃ
    জঁরঃ সাইবার পাঙ্ক।
    প্রকাশকালঃ ১৯৯২
    স্থান/ ব্যাকস্টোরিঃ ভবিষ্যতের আমেরিকা (এল এ), কিন্তু খুব দূর ভবিষ্যতের নয়। আঙ্কেল স্যামের অবস্থা খুব সঙ্গীন। প্রায় কোনকিছুই সরকারী নিয়ন্ত্রনে নেই। কেওস (সাইবার পাঙ্ক ট্রোপ)।সবই কর্পোরেট মাফিয়ারা চালায়- পুলিশ, হাইওয়ে, বাসস্থান- প্রায়সবই ফ্র্যাঞ্চাইজি। প্রায় সব এস্টাবলিসমেন্ট সভরেইন, এমন কি কোন কোন ইন্ডিভিজুয়ালও সভরেইন।বেশ কিছু উদ্দামফিউচারিস্টিক কনসেপ্ট আছে "মেটাভার্স"- (ফেসবুক/ গুগুল এখন মেটাভার্স বলতে যে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির কথা বলছে সেটাইনীল স্টিফেনসন সন ৯২ তে বলেছেন) সেখানকার "অবতারের" সঙ্গে বাস্তবের চরিত্রগুলো যখন তখনই মিলে মিশে যাচ্ছে।এখানেও শ্রেণীবিভাজন আছে- বড়লোকেদের অবতারগুলো হাইরেজোলিউসনের, গরীবেদেরগুলো বেসিক, সাদা-কালো।তাছাড়া গুগুলম্যাপ, EEG দিয়ে নিউক ফাটানো, স্মলস্কেল,সেল্ফ-কনটেইনড নিউক্লিয়ারফিসন-ছোটমাপের বায়োনিকরোবোটের ( কুকুর এবং রোবটের মিশ্রণে “ র‍্যাট থিং”) এনার্জির জন্য। ‘৯২-এ লেখা জিপিএস চালিত ইলেকট্রিক কার, মোবাইলকম্পিউটিং, ডিজিটাল কারেন্সি বা অগমেন্টেড রিয়ালিটি হেডসেট আর এখন আমাদের অবাক করবেনা।

    “স্নো-ক্র্যাশ" হল ড্রাগ একই সঙ্গে ফিজিক্যাল (মন) এবং ভার্চুয়াল (কম্পিউটার) ভাইরাসও।

    প্রোটাগনিস্টঃ হিরো প্রোটাগনিস্ট (হ্যাঁ, এটাই তার নাম), পিজ্জা "ডেলিভারার", ফ্রিল্যান্স হ্যাকার (সাইবার পাঙ্কে হ্যাকারতো হতেইহবে, আরেকটা ট্রোপ!) ইনফো-স্ক্যাভেন্জার, সোর্ডসম্যান- রীতিমত সামুরাই তরোয়াল নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

    সংক্ষেপেঃ হিরো আর তার বন্ধুরা (Y.T নামের- ইয়োর্স ট্রুলির সংক্ষেপ, একটি ১৫ বছরের ডাকাবুকো মেয়ে, সেও কুরিয়ার কিন্তুস্কেট বোর্ড তার বাহন; হুয়ানিতা-হিরোর এক্স-গার্ল ফ্রেন্ড; মাস্টারমাইন্ড, রিসার্চার লাগোস; এক লাইব্রেরিয়ান ওরফে একটাসফ্টওয়ার) ভালো মাফিয়াদের পক্ষ নিয়ে ভিলেন মাফিয়া এল. বব রাইফের (সে আবার এক ধর্মগুরু, মিডিয়ামোঘল, যারফাইবার অপটিক্সের মনোপলি আছে) সঙ্গে লড়াইএ নেমেছে। হিরোর কম্পিউটার পৃথিবী ট্র্যাডিশনাল বাইনারি (1-0); ভিলেনরাইফের কম্পিউটার লিঙ্গুইস্টিক (কোডিংওতো একটা ভাষা)।রাইফ প্রাচীন সুমেরু ভাষা দিয়ে কম্পিউটার কন্ট্রোল করতে পারেএমন ভাইরাস বানিয়ে এক অপরাজেয় সৈন্যবাহিনী বানানোর তালে ছিল। এই ভাইরাসই স্নো-ক্র্যাশ। গরীবদেশগুলিতেঅশিক্ষিত জনগনকে ওর চার্চের মিশনারিদের দিয়ে মাস স্কেল ধর্মান্তরীকরণের সাথে সাথে রক্তে ফিজিক্যাল স্নো-ক্র্যাশ ভাইরাসঢুকিয়ে দিত। যা রিয়াল ওয়ার্লডে ফিজিক্যালি ব্রেন/ মাইন্ড আর ভার্চুয়ালি কম্পিউটার প্রোগ্রামকে ইনফেক্ট করতে পারে!!! প্রথমতহ্যাকারদের কম্পিউটার/ টিভির স্ক্রিন থেকে বেরিয়ে অপটিক নার্ভ দিয়ে আপনার সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমে ঢুকে বোধ/ বুদ্ধি/ বিচার গুলিয়ে দেয়; অদ্ভুত ভাষায় কথা বলে (গ্লসোলালিয়া- পেন্টেকোস্টাল খ্রীষ্টানদের মত), প্রোপাগেট হতে হতে, বিচারবুদ্ধিহীনকাল্টে পরিনত করে।

    হিরো এক জায়গায় জিজ্ঞেস করে স্নো-ক্র্যাশটা কি- ড্রাগ না ভাইরাস না রিলিজিয়ন? বেস্ট লাইনটা আসে, হুয়ানিতার মুখথেকে- “হোয়াটস দ্য ডিফারেন্স?”

    প্রথম কটা চ্যাপ্টার কি ফাস্ট! পেজ টার্নার। মাঝামাঝি (৩৩/৩৪ অধ্যায়ে) প্রাচীন মিথোলজি (মেসোপোটামিয়া প্যান্থিয়নের দেব-দেবী, “এনকি”-জল, যাদু, জ্ঞানের দেবতা, ইরিডু শহরের রাজা, সভ্যতার মূলসূত্র(me)র ধারক, এরই মন্ত্র “নাম-সাব” স্টিভেনসনের মতে ভাইরাল ছিল কিন্তু উপকারী এবং স্নোক্র্যাশের অ্যান্টিডোট, “আশিরাহ্”- মাতৃত্ব, কামনা ও ফার্টিলিটিরদেবী- প্রতিহিংসাপরায়ণ, স্টিভেনসন এঁকেই ক্ষতিকারক ভাইরাস বলে লিখেছেন, “ইনানা”- নিজের প্রাণ তুচ্ছ করে এনকির কাছথেকে me নিয়ে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেন)/ ইতিহাস (জেনেসিস, নস্টিক গসপেলের “টেস্টিমনি অফ ট্রুথ”) আসে- যথারীতিভীষণ ইন্টারেস্টিং ইনফো/ কনসেপ্ট, কিন্তু বেশ স্লো, এতটাই মনে হতে পারে এগুলো নীল স্টিভেনসনের লেখা নয় (নীলস্টিভেনসন আগে পরে অনেক কো-রাইট করেছেন! আমার কী সাহস, এমন ঈঙ্গিত করছি?!)। পুরো নভেলটায় সারাক্ষন একটাউইট, একটা স্যাটায়ার কাজ করে।

    গল্পের শেষটায়… না থাক, ওটা আপনারা পড়ে বলুন।

    ভবিষ্যতের মেটাভার্স কেমন হবে, সমাজ কেমন ডিসটোপিক হতে পারে বাজারের হাতে পুরোপুরি পড়লে বা টেকনোলজির উপরঅতিনির্ভরতার জন্য, তা বেশ ইন্টারেস্টিং। প্রাচীন ভাষা কাজে লাগিয়ে হ্যাকিংও অসাধারণ কনসেপ্ট লেগেছে। আরেকটাকনসেপ্ট হল ধর্ম বা ধর্মগ্রন্থ হল ভাইরাস। মানুষের মস্তিষ্ক হল হোস্ট। এক মস্তিষ্ক থেকে বহু কপি তৈরী হয়ে বহু মস্তিষ্কেপ্রোপাগেটেড হয়।

    আরো ইন্টারেস্টিং, যেমন হারপিস সিম্প্লেক্স ভাইরাস একবার ইনফেক্ট করলে আমাদের নার্ভাস সিস্টেমে গিয়ে বসে, কখনই চলেযায় না, বরং আমাদের নিউরনে নতুন জিন/ জেনেটিক রিইন্জিনিয়ারিং ইন্ট্রোডিউস করতে পারে, সেইভাবে ধর্মও পোটেনসিয়ালিআমাদের DNA চেন্জ করতে পারে এবং ইনটার্ণ আমাদের বিহেভিয়ার। আর ভাষা হল ভেক্টর। ভাষা যদি ভিন্ন হয় তবে ভাইরাসআর স্প্রেড করবে না (আইসোলেসন)। এখানে স্টিভেনসন “টাওয়ার অফ বাবেল” এর অবতারনা করেছেন। মানুষ একটা সময়েস্বর্গ পর্যন্ত উঁচু টাওয়ার অফ বাবেল বানিয়েছিল। এই সময় মানুষ একভাষায় কথা বলত। ভগবান কারুকুরিতে সেই টাওয়ারভেঙে পড়ে, মানুষ সারা পৃথিবীতে ছত্রখান হয়ে যায়, বিভিন্ন ভাষায় কথা বলতে শুরু করে - ক্রমশ অপরাপরকে বোঝা একেবারেঅসম্ভব হয়ে যায়।

    এক বন্ধু বলল অডিবলের অডিওবুকটি দারুন শুনতে (আমার কোন কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট নেই)- আমার শোনা হয়নি।

    এর কোন সিনেমা হয়নি এখনো।
  • জয় | 82.1.126.236 | ২২ জানুয়ারি ২০২২ ২০:০২735410
  • @&/
    "তৃণার স্বপ্নপৃথিবী" শুনে জারা ভীষণ উত্তেজিত- ওর ধারনা এমনটা আগামী দশ বছরের মধ্যেই হবে। ওর দুঃখ ওর বাবা, তৃণার বাবার মতো কুল জব করে না। ও বড় হলে এমন জব পেলে আর কিছু চাইবে না।
    জারার বাবারও দারুন লেগেছে গল্পটা।
  • জয় | 82.1.126.236 | ২২ জানুয়ারি ২০২২ ২০:০৬735411
  • @dc
    কথা দিচ্ছি, সামনের উইকএন্ডের আগে আর খোঁচাবনা। হাইপেরিয়েন আর নোম্যান্সারের রিভিউদুটোর জন্য।
  • জয় | 82.1.126.236 | ২২ জানুয়ারি ২০২২ ২৩:৪৬735414
  • @&/
    যদি বিরক্ত না হন- আপনার পরবাসে "বাংলা সাহিত্যে কল্পবিজ্ঞান" লেখাটা পড়লাম এবং যাকেবলে সমৃদ্ধ হলাম- লিঙ্ক এখানে কি শেয়ার করা যাবে? পূর্ণতার খাতিরে?
     
    @dc
    যদি বিরক্ত না হন- আপনার "ডিউন পার্ট-১" (২০২১) সিনেমার রিভিউটা এই টইতে কি শেয়ার করা যাবে? পূর্ণতার খাতিরে?
     
    শুধু এটুকুই বলার ছিল।
  • &/ | 151.141.85.8 | ২৩ জানুয়ারি ২০২২ ০৪:৩৬735416
  • জয়,
    ওই 'কুল জব' করতে গিয়ে তৃণার বাবা তো আর একটু হলেই ঘ্যাচাং ফু হয়ে যাচ্ছিলেন! এমনকি তাঁর সহকর্মীরাও! একটুর জন্য বেঁচে গিয়েছেন সবাই। ঃ-)
    পরবাসের লিংক দিতে চাইলে দিতে পারেন, কোনো অসুবিধা নেই। তবে ওঁদের ফন্ট পাল্টে যাওয়ায় অনেক সময় লিংকে ক্লিকালে ঠিকঠাক আসে না। আবার কখনও কখনও ঠিকঠাক আসে। ঃ-)
  • &/ | 151.141.85.8 | ২৩ জানুয়ারি ২০২২ ০৭:২২735420
  • এই বাংলাসাহিত্যে কল্পবিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধটি বহু বছর আগে লেখা, বহু বছর আগে প্রকাশিত। এতে কিছু তথ্যগত ভুলও আছে যা আর ঠিক করার উপায় নেই। এই লেখা প্রকাশের পরে গঙ্গা যমুনা নীল আমাজন দানিয়ুব মিসিসিপি মিসৌরী কঙ্গো ইরাবতী ইত্যাদি সব নদীতে বহু বহু জল বয়ে গিয়েছে। বদলে গিয়েছে অনেককিছু। হয়তো বাংলাতে গোটা গোটা কল্পবিজ্ঞান-উপন্যাস, কল্পবিজ্ঞান-গল্পসঙ্কলন বই হয়ে প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে। হয়তো এই মুহূর্তেও প্রকাশিত হবার প্রসেসের মধ্য দিয়ে চলেছে। কে বলতে পারে! তবে বাংলার মূলধারায় এর গ্রহণযোগ্যতা মনে হয় এখনও ততটা নেই। তেমন আলোচনা দেখি না। ফেসবুকে বহু বইয়ের গ্রুপ আছে, নানা বই নিয়ে আলোচনা দেখি, বেশিরভাগই সামাজিক কাহিনি বা প্রেমের কাহিনি বা ভৌতিক কাহিনি নিয়ে আলোচনা।
  • জয় | 82.1.126.236 | ২৬ জানুয়ারি ২০২২ ০১:৩৭735462
  • টেড চিয়াংএর "টাওয়ার অফ ব্যাবিলন"। সেদিন ভাটিয়ালিতে রঞ্জনদা সাজেস্ট করলেন। 
    টেড চিয়াংএর প্রথম প্রকাশিত গল্প। ১৯৯০ সালে। নেবুলা প্রাইজ পেয়েছে। টেড এখনকার এক প্রতিষ্ঠিত সাই ফাই লেখক। প্রচুর পুরষ্কার (১২ টি হিউগো, ৬টি নেবুলা, লুকাস) পেয়েছেন।ওঁর গল্প থেকে অ্যাকাডেমি পাওয়া সিনেমা হয়েছে- অ্যারাইভাল (২০১৬)। নেটফ্লিক্সে আছে দেখছি। তবে টেড লিখেছেন খুব কম- খান ১৫ নভেলেট,  না কোন উপন্যাস লেখেন নি এখনও ।
     
    "টাওয়ার অফ ব্যাবিলন"কে সায়েন্স ফিকশন বলা যায় কিনা সে নিয়ে তর্ক হবে। ওল্ড টেস্টামেন্টের ভগবানের রোষে ঐ মিনার ভাঙার গল্প, এক ভাষা থেকে বহু ভাষায় যাওয়ার বহু চর্চিত গল্প টেড সযত্নে এডিয়ে গেছেন এখানে। গল্পের হীরো হিলালাম তামার খনির শ্রমিক। তার আর তার সঙ্গীদের ডাক পড়ে ব্যাবিলনে। মিশর থেকেও অনেকে এসেছিল। ভগবান ইয়াওয়ের উদ্দেশ্যে এই সুউচ্চ মিনার তৈরী হয়েছে কয়েক শতাব্দী ধরে। ইউফ্রেতিসের উপত্যকার মাটি থেকে ইঁট পুডিয়ে।  মিনারে চড়ে স্বর্গে পৌঁছে ভগবান ইয়াওয়ের "ভল্ট" খোঁড়ার বরাত পেয়েছে হিলালামদের দল। এটা ব্যাঙ্কের ভল্ট নয়- "ভল্ট অফ হেভেন" বা "ফার্মামেন্ট" খোদ ইয়াওয়ে বানিয়েছিলেন যা স্বর্গের সমুদ্র (আপার সি) কে নীচের সমুদ্র থেকে আলাদা করতে পারে। যাতে পৃথিবীর সৃষ্টি হতে পারে। তখন ব্যাবিলনবাসীরা ভাবত পৃথিবী চ্যাপ্টা। পৃথিবী আর ওপরের আকাশ ঘিরে আছে দুই সমুদ্র। প্রথম মহাপ্লাবনে এই দুই সমুদ্র থেকে জল এসে পৃথিবী ভাসিয়ে দিয়েছিল। হিলালাম আর তার দলবল যন্ত্রপাতি, চার মাসের খোরাক গাড়িতে চাপিয়ে যাত্রা শুরু করল। মিনারের মধ্য দিয়ে মাটি থেকে স্বর্গে পৌঁছাতে চার মাস লাগে। টেড বর্ননা করেছেন চারমাস ব্যাপী এই যাত্রার কথা। মিনার কিভাবে বানানো হয়েছে। কিভাবে মিনারে মানুষ বাস করছে তাদের সারা জীবন ধরে, মেঘ থেকে কিভাবে জল টেনে চাষ আবাদ করছে,  কিভাবে সূর্যের উত্তাপ থেকে বাঁচছে। চন্দ্র, সূর্য, তারা এক সময়ে পায়ের নীচে চলে যায়। গাছ নীচের দিকে/ পাশের দিকে বাড়ছে। ব্যাবলনবাসীরা ভগবানকে মানত কিন্তু ওরা পুরোহিতদের ওপর নির্ভর না করে বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বাঁচতে শিখেছিল। মিনারের মধ্যে অন্য এক সভ্যতা বানিয়েছিল। এমন কি আছডে পড়া উল্কা থেকে ধাতু নিষ্কাশন করে যন্ত্রপাতি বানাবার কথাও ভাবে।এই গল্প অনেকাংশেই এই মিনার সভ্যতার গল্প। সাইফাইএ উৎসুক পাঠকের মনে হবে ক'বছর বাদেই আমরা মঙ্গল গ্রহে কলোনী করব! 
    ব্যাবিলনীয়রা স্বর্গের ভল্ট খুঁড়তে চেয়েছিল ভগবানের সৃষ্টিকে আরো গভীরভাবে জানতে। অবশেষে ভল্ট খুঁড়তে তারা সফল হল। বন্যা প্রতিরোধের জন্য ভল্টের দেওয়ালে টানেল আর স্লাইডিং দরজা বানিয়েছিল। হিলালাম আর তার দুই বন্ধু টানেলে আটকা পড়ে। হিলালাম সমুদ্রে সাঁতার কাটতে কাটতে একসময় বেহুঁশ হয়ে পড়ে। জ্ঞান ফিরলে সে নিজেকে আবিষ্কার করে আবার পৃথিবীতে। ব্যাবিলনের ঠিক বাইরের মরুভূমিতে। হিলালাম বুঝতে পারে পৃথিবী চ্যাটালো নয়,  বোধহয় সিলিন্ডারের মত। 
    এই গল্পে ভগবানের উল্লেখ বারবার হয়েছে,  কিন্তু টেড ভগবানকে একবারের জন্যও হাজির করান নি। গল্পের চরিত্রগুলো ধর্মভীরু,  আবার একইসাথে সন্দিহান কোন দিব্য-হস্তক্ষেপে।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন