• খেরোর খাতা

  • কাদামাটির হাফলাইফ ১৪

    Emanul Haque লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১১ বার পঠিত
  • #কাদামাটির_হাফলাইফ ১৪
    শ্যামা নৃত্যনাট্য দেখি নি আগে। শুনেছি। একটি গলা চমকে দেয়। 'তুমি ইন্দ্রমণির হার' বলে শুরু হয়ে যায় গান। গানের কথা ও সুরের চেয়ে গায়কী আমাকে মুগ্ধ করে দেয়।
    লং প্লে রেকর্ডে অনেক নাম ছিল। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসল নামটি জানতে সময় লাগে। সন্তোষ সেনগুপ্ত। কী অসাধারণ গায়কী। বেসুরো গলায় গুণগুণ করি। কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারি না। তখন তো আর ইউ টিউব গুগল দাদা ছিল না।
    বুকের ভেতর লুকিয়ে রাখি কল্পনার শিল্পীকে। যেমন লুকিয়ে রাখি, গোরুর গাড়ি করে আলু বইতে যায় কালো  টগর ভাইরা। গোরুর গাড়ির তলায় লন্ঠন বাঁধা থাকে। গোরুর গাড়িতেই বাস। সেখানেই দল বেঁধে রান্না। কী রোমান্টিক জীবন।
    সে জীবন যাপন করা হলো না।
    আমার কল্পনার গোরুর গাড়িতে একটা টেপ থাকতো। তাতে বাজতো কত কী?
    শ্যামা, শাপমোচন।
    সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, মুকেশ, গীতা দত্তের গান। চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের পাগল করা গান।
    চাঁদের সাম্পান ভাসিয়ে দেবেন শ্যামল মিত্র। তারপরই চিন্ময়।
    সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি তারায় তারায় খচিত।
     
    রাণার  বাজবে ভোরের আগে। হুহম না হুহুম না করে পাল্কির গানের পর বাজবে নটী বিনোদিনী পালা।
    সিরাজউদ্দৌলা শুনতে হবে। হবেই।
     
    গোরুর গাড়ির জীবন হয় নি।
    তেমন  হয় নি সমরেশ বসুর 'গঙ্গা' পড়ে নদীতে জেলেদের সঙ্গে বসবাস। কতবার ভেবেছি। এমনকী চন্দননগর সরকারি কলেজে পড়ানোর সময়।
    ইলিশ পাওয়া যেত টাটকা।
    ফিট করে ফেলেছিলাম এক মাঝিকে।
    এক সহকর্মী জানতে পেরে বলেছিলেন, পাগল হয়েছো।
    #
    পাগল হতে পারা কি সোজা।
    ছোটো বেলায় পাগলামি ছিল সাইকেল ঘিরে।
    কবে একটা নিজস্ব সাইকেল হবে।
    একদম একলার।
    যখন ইচ্ছে চড়ব।
    সাইকেলে ভারত ভ্রমণের ইচ্ছা আজো মরে নি।
     
    আমাদের সময় গ্রামে যানবাহন বলতে তিনটি।
    গোরুর গাড়ি।
    মোষের গাড়ি।
    আর সাইকেল।
    কারো নিজস্ব মোটর সাইকেল ছিল না।
    এখন তো ঘরে ঘরে দু চাকা চার চাকা।
    বিয়েতে পাল্কি ছিল বর কনের বাহন।
    পাল্কি ভাড়া পাওয়া যেত বৈঠারি গ্রামে।
    পালকির গায়ে দেখা থাকতো, হুগলির এক গ্রামের নাম।
    আমার খুব যেতে ইচ্ছে করত।
    নামটা পেটে আসছে মুখে আসছে না।
    ওখানেই খুব ভালো গোরুর গাড়ির চাকা হতো।
    বাবা তিনদিন থেকে চাকা বানিয়ে নিয়ে ফিরলেন।
    লোকে দেখতে এল। চা পানি খেল।
    তখন তো এগুলোই ছিল দেখার জিনিস।
    আনন্দের উপকরণ।
    গোরুর গাড়ির চাকায় জল ছিটানো হল।
    বামুনরা যেমন ছিটায়।
    নতুন গোরু বা মোষ কিনলেও তার পায়ে জল ঢালা হতো।
    গলায় মুখে জল দিতেন বাড়ির গিন্নি।
    তিনিই ঘরে ঢোকাতেন। এটাই ছিল সায়িত বা ভাগ্যের কাজ।
    গাই গোরুর খাতিরই আলাদা।
     
    শরৎকালে গোরুর বিয়ে দেওয়া হতো।
    গোয়াললতা বলে একটা লতা গাছ পড়িয়ে। গায়ে আলতাব ছোপ দেওয়া হতো আলু কেটে। ওটাই ছিল শিলমোহর।
    কারো গোরু মোষ  কেনা হলে লোকে দেখতে আসতো। লোকে মিষ্টি খাওয়াতো আনন্দে।
     
    মিষ্টি তখন গাদা নয়।
    রসগোল্লা, মাখা সন্দেশ, বোঁদে, দানাদার, মন্ডা আর দরবেশ বা লাড্ডু। লাড্ডু কম দরবেশ বেশি।
    লোকে চিনির আস্তরণ দেওয়া দানাদার বেশি খাওয়াতো।
    চার আনা পিস।
     
    আজ পয়সা অনেক কিন্তু সমঝদারি নেই।
    এখন আপনার গর্ব পড়শির ঈর্ষা।
    আগে লোকে সাইকেল গোরুর গাড়ি মোষের গাড়ি গোরু মোষ নিয়ে আলোচনা করতো।
    কারটা সে রা।
    গোরু আর মোষের দৌড় হতো আগরাপুরার মাঠে।
    আর ছোটোরো তো গোরু ছাগল চরাতে গিয়ে আকছার কম্পিটিশন করতো।
    দেখ দেখ তোর... মুখে ফেনা তুলে দেবে।
    #
     
    গোরুর গাড়ির প্রতিযোগিতাও দেখেছি।
     
    হই হই হ্যাট হ্যাট করে গোরুর লেজ মুলে চলল গাড়োয়ানের দল।
    কিন্তু লাঠি পেটা চলবে নি।
     
    ২৬.০৯.২০২১
  • ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১১১ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Emanul Haque | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৪:৫৭498728
  • #কাদামাটির_হাফলাইফ ১৪
    রবীন্দ্রনাথের শ্যামা' নৃত্যনাট্য দেখি নি আগে। শুনেছি। বড়বেলায় দেখেছি।  রেকর্ডের একটি গলা চমকে দেয়। 'তুমি ইন্দ্রমণির হার' বলে শুরু হয়ে যায় গান। গানের কথা ও সুরের চেয়ে গায়কী আমাকে মুগ্ধ করে দেয়।
    লং প্লে রেকর্ডে অনেক নাম ছিল। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসল নামটি জানতে সময় লাগে। সন্তোষ সেনগুপ্ত। কী অসাধারণ গায়কী। বেসুরো গলায় গুণগুণ করি। কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারি না। তখন তো আর ইউ টিউব গুগল দাদা ছিল না।
    বুকের ভেতর লুকিয়ে রাখি কল্পনার শিল্পীকে। যেমন লুকিয়ে রাখি, গোরুর গাড়িময় একমাস যাপন। গোরুর গাড়ি করে পূবে আলু বইতে যায় কালোভাই  টগর ভাইরা। গোরুর গাড়ির তলায় লন্ঠন বাঁধা থাকে। গোরুর গাড়িতেই বাস। সেখানেই দল বেঁধে রান্না। তার ওপরেই বা নীচে শোওয়া। কী রোমান্টিক জীবন।
    সে জীবন যাপন করা হলো না।
    আমার কল্পনার গোরুর গাড়িতে একটা টেপ থাকতো। তাতে বাজতো কত কী?
    শ্যামা, শাপমোচন।
    সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, মুকেশ, গীতা দত্তের গান। চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের পাগল করা গান।
    চাঁদের সাম্পান ভাসিয়ে দেবেন শ্যামল মিত্র। তারপরই চিন্ময়।
    সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি তারায় তারায় খচিত।
     
    রাণার  বাজবে ভোরের আগে। হুহম না হুহুম না করে পাল্কির গানের পর বাজবে নটী বিনোদিনী পালা।
    সিরাজউদ্দৌলা শুনতে হবে। হবেই।
     
    গোরুর গাড়ির জীবন হয় নি।
    তেমন  হয় নি সমরেশ বসুর 'গঙ্গা' পড়ে নদীতে জেলেদের সঙ্গে বসবাস। রাতে জেলে নৌকায় লন্ঠনের আলো আমাকে ডাকতো।
    আয় আয়।
    কতবার ভেবেছি। ওদের সঙ্গে ভেসে ভেসে বেড়াব।
    আর নুন নুন ঝাল ঝাল মশলা দিয়ে সাদা ভাত আর মাছের তরকারি খাব।
     
     ভেবেছি, এমনকী চন্দননগর সরকারি কলেজে পড়ানোর সময়।
    ইলিশ পাওয়া যেত টাটকা। কিনেছি কয়েকবার। 
    ফিট করে ফেলেছিলাম এক মাঝিকে।
    এক সহকর্মী জানতে পেরে বলেছিলেন, পাগল হয়েছো।
    #
    পাগল হতে পারা কি সোজা? 
     
    ছোটো বেলায় পাগলামি ছিল সাইকেল ঘিরে।
    কবে একটা নিজস্ব সাইকেল হবে।
    একদম একলার।
    যখন ইচ্ছে চড়ব।
    সাইকেলে ভারত ভ্রমণের ইচ্ছা আজো মরে নি।
     
    আমাদের সময় গ্রামে যানবাহন বলতে তিনটি।
    গোরুর গাড়ি।
    মোষের গাড়ি।
    আর সাইকেল।
    কারো নিজস্ব মোটর সাইকেল ছিল না।
    এখন তো ঘরে ঘরে দু চাকা চার চাকা।
    বিয়েতে পাল্কি ছিল বর কনের বাহন।
    পাল্কি ভাড়া পাওয়া যেত বৈঠারি গ্রামে।
    পালকির গায়ে লেখা থাকতো, হুগলির এক গ্রামের নাম। 
    আমার খুব যেতে ইচ্ছে করত।
    নামটা পেটে আসছে মুখে আসছে না।
    এখন আজম জানাল, গ্রামের নাম চান্দুর। আরামবাগের কাছে বেঙ্গাইয়েও ভালো পালকি হতো।
    নকশাদার। ঢাকার রিকশার মতো আমাদের পালকিও হতো সাজানো।
    পালকি বাহকেরা নিত ১৯৭১ এ মেয়ের বিয়েতে ১০ টাকা। খোরাকি। আর দিনে একটা হাঁস। এছাড়া মদের খরচ আলাদা। নিজেরা রান্না করে খেতো। মুসলিম বাড়িতে খেতো না।
    আর বর্ণহিন্দু বাড়িতে একসঙ্গে খেতে পেতো না।
    ছয় জন থেকে আটজন থাকতো।
     
    চারজন বইতো।  চারজন বদলি।
    চান্দুরের কাছে কামারপুকুর ‌। সেটা ছাড়িয়ে মেদিনীপুরের জাড়া গ্রাম।  
    ওখানেই খুব ভালো গোরুর গাড়ির চাকা হতো।
    বাবা তিনদিন থেকে চাকা বানিয়ে নিয়ে ফিরলেন।
    চাকা আনতো স্পেশ্যাল লোক।
    হাত দিয়ে য়গড়িয়ে গড়িয়ে নিয়ে আসতো ৪০-৫০ কিলোমিটার রাস্তা।।
    আমরাও চাকা গড়ানোর খেলা খেলতাম, বড়দের আড়ালে।
    চাকা লোকে দেখতে এল। চা পানি খেল।
    তখন তো এগুলোই ছিল দেখার জিনিস।
    আনন্দের উপকরণ।
    গোরুর গাড়ির চাকায় জল ছিটানো হল।
    বামুনরা যেমন ছিটায়।
    নতুন গোরু বা মোষ কিনলেও তার পায়ে জল ঢালা হতো।
    গলায় মুখে জল দিতেন বাড়ির গিন্নি।
    তিনিই ঘরে ঢোকাতেন। এটাই ছিল সায়িত বা ভাগ্যের কাজ।
    গাই গোরুর খাতিরই আলাদা।
     
    শরৎকালে গোরুর বিয়ে দেওয়া হতো।
    গোয়াললতা বলে একটা লতা গাছ পড়িয়ে। গায়ে আলতাব ছোপ দেওয়া হতো আলু কেটে। ওটাই ছিল শিলমোহর।
    কারো গোরু মোষ  কেনা হলে লোকে দেখতে আসতো। লোকে মিষ্টি খাওয়াতো আনন্দে।
     
    মিষ্টি তখন গাদা নয়।
    রসগোল্লা, মাখা সন্দেশ, বোঁদে, দানাদার, মন্ডা আর দরবেশ বা লাড্ডু। লাড্ডু কম দরবেশ বেশি।
    লোকে চিনির আস্তরণ দেওয়া দানাদার বেশি খাওয়াতো।
    চার আনা পিস।
     
    আজ পয়সা অনেক কিন্তু সমঝদারি নেই।
    এখন আপনার গর্ব পড়শির ঈর্ষা।
    আগে লোকে সাইকেল গোরুর গাড়ি মোষের গাড়ি গোরু মোষ নিয়ে আলোচনা করতো।
    কারটা সে রা।
    গোরু আর মোষের দৌড় হতো আগরাপুরার মাঠে।
    আর ছোটোরো তো গোরু ছাগল চরাতে গিয়ে আকছার কম্পিটিশন করতো।
    দেখ দেখ তোর... মুখে ফেনা তুলে দেবে।
    #
     
    গোরুর গাড়ির প্রতিযোগিতাও দেখেছি।
     
    হই হই হ্যাট হ্যাট করে গোরুর লেজ মুলে চলল গাড়োয়ানের দল।
    কিন্তু লাঠি পেটা চলবে নি।
     
    ২৬.০৯.২০২১
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন