• খেরোর খাতা

  • কাদামাটির হাফলাইফ ২১

    Emanul Haque লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৩৫ বার পঠিত
  • #কাদামাটির_হাফলাইফ ২১
    স্মৃতিকথার নিয়মে এই অংশ লেখার কথা এখন নয়। কিন্তু একটু আগে  আজ দুপুরে গায়ে ব্যথাময় স্বপ্নে একজনের সঙ্গে কথা হলো। না লিখলে ঘোর অন্যায় হবে। অভীক লাহিড়ী। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। বাংলা নিয়ে। রোগা ছোটোখাটো শরীর। ইন্দ্রনীল  মজুমদারের কল্যাণে এঁদের সঙ্গে চেনা। নীলোৎপল বসু তখন এস এফ আই রাজ্য কমিটির পক্ষে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে। তাঁর সঙ্গেও এখানে আলাপ। আগে দেখেছি ১৯৮০তে।‌  শ্যামসুন্দর কলেজে এস এফ আই রাজ্য কমিটির দু'দিনের সভা হয়। গ্রামে বাড়ি বাড়ি ঘুরে চাল ডাল সংগ্রহ করে জমা দিতে যাই শ্যামসুন্দর কলেজ ছাত্রাবাসে। তখন দেখি। সেখানেই ভালোভাবে কথা  সাইফুদ্দিন চৌধুরী ও সুব্রত মুখোটি,  মইনুল হাসানের সঙ্গে। ওঁদের লেখা পড়তাম 'ছাত্রসংগ্রামে'।  যাদবপুরে যাতায়াতের সূত্রে চেনাজানা  হয়  অভীক লাহিড়ী, পল্লব পোদ্দার, জয়দেব বসু, দেবেশ দাস, শুভময়দা, শান্তনু বসু, মানস দাস, স্বাতীদি, সৌম্য দত্ত, বিদ্যুৎ মজুমদার, উৎপল দত্ত,   সৌগত রায়, সৌগত রায়ের মেধাবী ভাই ( চেহারা মনে পড়ছে, নাম মনে পড়ছে না) , নীলাঞ্জনা গুপ্ত, গৌতম গুপ্তর সঙ্গে। পরে দেখা ইন্দ্রনীলদার মামা মামী ও  সৌগতদার মা, বাবাকে।  সাঙ্ঘাতিক বন্ধুত্ব হল খড়্গপুর আই আই টি ক্যাম্পাস থেকে আসা, সাহেব সিধুদা ( সিদ্ধার্থ), ঈশানী, সুপর্ণার সঙ্গে। আর ছিল শর্মিষ্ঠা, জয়তী, অনিন্দ্য। যাদবপুরে তখন বাংলা নিয়ে পড়তেন রাণিগঞ্জ টি ডি বি কলেজের অধ্যাপক ও কবি বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে প্রত্যয়দা। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুগুণে গুণী অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই। অনিন্দ্যদাকে নিয়ে পৃথক একটা লিখতে হবে। আমার বাবা ছাড়া অতিপরিচিতদের মধ্যে এতো গুণ একসঙ্গে আর দেখি নি।
    পরে, সুপর্ণা ঈশানীরা বলতো, প্রত্যয়দার মতো বাংলা লিখতে পারবি? প্রত্যয়দা নেই। অভীক লাহিড়ীও। অকালে প্রয়াত দুজনেই। একজন কর্কট রোগে আর একজন হৃদরোগে।
     
    ১৯৮৪ তে। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছি। মনে মনে ঠিক করলাম, আর বর্ধমান নয়, কলকাতায় পড়বো। দু' একটি কলেজে আবেদন করেছিলাম। পেয়েও গেলাম। এইসময় মনে পড়ল ইন্দ্রনীলদার কথা। যাদবপুর। ওখানে পড়লে কেমন হয়? আবেদন তো করি নি। দেখি তবু  একবার,  বলে আমার যাতায়াত শুরু হল যাদবপুরে। পড়া হয়‌ নি, কলকাতায়। পুনর্মুষিকোভব করে রাজ কলেজেই পড়া।
    কিন্তু যাদবপুর আসাটা নেশা হয়ে গেল। সুযোগ পেলেই আসি। কলকাতায় কোন কাজ থাকলে পুরানো জায়গায় না থেকে যাদবপুরেই ছাত্রাবাসে বা কারো বাড়িতে থাকি। যাদবপুরে তিনটি আকর্ষণ, এক বুদ্ধিদীপ্ত কথাবার্তা। দুই, পোস্টার লেখা। তিন, ইস্তেহার রচনার কৌশল। এ-ছাড়াও আকর্ষণ ছিল, গান্ধীভবন লাগোয়া ক্যান্টিনের এক টাকা দামের মোগলাই পরোটা।
    ঠিক, মোগলাই পরোটা নয়, ওর সঙ্গে দেয় আলুর একটা গুণ ছিল। কী গুণ জিভ জানে। আমি না। মিলনদার ক্যান্টিনের চেয়েও আমার আকর্ষণ গান্ধী ভবনের ক্যান্টিন। এক টাকায় এক গ্লাস ঘধ দুধ। চার টাকায় মাছ ভাত। হোস্টেলে মাংস ভাত ছিল চার টাকা। 
    আরেকটা ব্যাপার আমি দেখেছি, ছাত্র রাজনীতির যা অনিবার্য গুণ, গোষ্ঠীবাজি-- এটা দেখি নি। প্রত্যেককে দেখতাম পরস্পরের গুণগ্রাহী। ইন্দ্রনীল মজুমদারের জনপ্রিয়তা যাঁরা চোখে দেখেন নি, বিশ্বাস হবে না। ছাত্র ছাত্রী অধ্যাপক শিক্ষা সহায়ক কর্মী এমনকী ক্যান্টিন বালকেরাও ইন্দ্রনীল বলতে অজ্ঞান। 
    বর্ধমানের একজন, নীল নাম ছিল, ডি এস এফের অন্যতম নেতা। বুদ্ধিদীপ্ত মুখ। উন্নাসিক। পরে তাঁকে বর্ধমানের মোবারক বিল্ডিংয়ের তলায় নিজেদের ওষুধ দোকানে ওষুধ বিক্রি করতে দেখে কষ্ট পাই।
    যাদবপুরে দু'পক্ষই শক্তিশালী। বিজ্ঞান বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় জোর। এস এফ আই জেতে। প্রকৌশলী বিভাগ এখনকার মতো তখনো নকশালপন্থীদের দখলে। কলা বিভাগে এস এফ আই হারে। কিন্তু ‌সেবার এ জি এস পদে ইন্দ্রনীল মজুমদার একাই জিতে চমকে দিয়েছে। ইন্দ্রনীলদার ব্যাপারস্যাপার দারুণ। তামিল ছাত্রী ছাত্রী দেখলে বলতো, আমাকে একটু তামিল শেখাবে।
    তিনিও হেসে বললেন, অবশ্যই। কিন্তু তোমার সময় থাকবে কী? ইন্দ্রনীলদা যার যেটা পছন্দের বিষয় সে-বিষয়ে কথা বলতো। আমিও এখান থেকে কিছুটা শিখি। বর্ধমান শহরের ধনী পরিবারের মেয়েরা আমাদের বিরোধী ছিল। তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তা চালাতে আমি ম্যানিকিউর রূপসজ্জা সুগন্ধি ও সুগন্ধির ইতিহাস , নেলপলিশ তৈরির ইতিবৃত্ত, শাড়ি ও পোশাকের ইতিহাস,  রান্না বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করি। সুফলও পাই।
    যাদবপুরে দেখতাম, প্রতিটি ভবনের সামনে দৈনিক নতুন পোস্টার। বর্ধমান রাজ কলেজে এটা অন্যভাবে চালু করা হল। কলেজ শুরুর ৩০ মিনিট আগে কর্মীদের আসতে বলতাম।   সবাইকে কাগজ পড়ে আসতে হতো। কোন খবর আজ  গুরুত্বপূর্ণ তা ঠিক হতো। শিরোনামটা দিয়ে,  আমাদের পাল্টা বক্তব্য থাকতো পোস্টারে, সব জায়গায়। তাড়াতাড়ি পোস্টার লেখার অভ্যাস ছিল। আজও আছে অনেকটা।
    বলা হতো, কথাবার্তায় এই প্রসঙ্গগুলো বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। খবরের কাগজ পড়ার বিষয়টি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে করতো কৌশিক চক্রবর্তীর দিদি বর্ণালী। শাড়ি পরে ঠিক কাঁটায় কাঁটায় হাজির হতো। বলা ভালো, আমাদের সময় মেয়েরা সবাই শাড়ি পরে আসতো। সালোয়ার কামিজ পরে প্রায় কাউকে কলেজে আসতে দেখি নি। জিন্স ইত্যাদির প্রশ্নই ছিল নি।
    একাদশ দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় দু'একজন‌ সালোয়ার কামিজ পরতো। যেমন ডোনা। সেন্ট জেভিয়ার্সের মেধাবী ছাত্রী। পরে প্রকৌশল বিদ্যা পড়তে চলে যায়। একাদশ বিজ্ঞানের সোমাও পরতো। আমাদের পছন্দ করতো না শুরুতে। তারপর ক্যুইজ বিতর্ক ইত্যাদি সূত্রে আমাদের সঙ্গে এলো।  আশ্চর্যের বিষয় স্নাতক স্তরে উঠে ওইসব সালোয়ার কামিজের দল শাড়ি পরা প্রজাপতি হতো।
     
    ইন্দ্রনীলদা ছিল আমাদের মিউনিসিপ্যাল স্কুলের ছাত্র। মেমারিতে ছাত্র রাজনীতি করতো। এবং রাজনৈতিক পড়াশোনা। তখন রাজনৈতিক পড়াশোনা করাদের নিন্দা  প্রশংসার মাঝামাঝি দৃষ্টিতে অতি বিপ্লবী বলা থেকে পাকা বলার উত্তরণের যুগ।
    মনে রাখবেন, ১৯৭৭ থেকে ১৯৮২  বেশি দিন নয়। ১৯৮২তেই ইন্দ্রনীলদার সঙ্গে ভালো আলাপ। এর আগে দুর্গাপুরে স্কুল ছাত্র সম্মেলনে ১৯৮০ তে দেখা হয়েছে। তা ইন্দ্রনীলদার জনপ্রিয়তা দেখে, যাদবপুরে,  অনেকেই এস এফ আই ( আই) বলতেন। 'আই' মানে ইন্দ্রনীল মজুমদার। ইন্দ্রনীলদা ও অভীক লাহিড়ী ভালো পোস্টার লিখতেন। তাঁর সঙ্গে ওই রকম স্বাদু তথ্যমূলক চাবুক ইস্তেহার বা লিফলেট লিখতে দ্বিতীয় কাউকে দেখি নি। বর্ধমানে ছাত্র রাজনীতি করার সময় আমার একটু খ্যাতি হয় লিফলেট লেখায়, তা অভীকদার অনুপস্থিত উপস্থিতিতে,  শেখা।
    অভীকদা,  এখন  পরিচিত সিপিএম নেতা শমীক লাহিড়ীর দাদা। তখন শমীক দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজে পড়ে। পরিচিত হয় নি তখন। শমীকের প্রাথমিক পরিচয় আমার কাছে ছিল, অভীকদার ভাই। উজ্জ্বল চোখ ছিল শমীকের। পরে সাংসদ হয়। এস এফ আইয়ের সর্বভারতীয় সম্পাদকও।
     
    একটা পংক্তি, আজ স্বপ্নে, অভীকদাকে বললাম, আমরা কেউ দস্তানা পরে হাত ধোব না, এই কথাটা মনে আছে তোমার। লিখেছিলে?
    পরে এই পংক্তিটি আমিও ভিন্নভাবে ব্যবহার করি।
    অভীকদাকে প্রশংসা করলে বলতেন, ছাড় না। ওঁদের লিফলেটটাও দেখ। কী ভালো লেখা রে।
    বিরোধী ডি এস এফ,  ডিএস সি-র লিফলেটও ছিল পড়ার যোগ্য। ডি এস সি ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস। ওঁদের রাজনৈতিক সংগঠন ছিল, এস এস সি। শ্রমিক সংগ্রাম কমিটি। পরে কৃষক সংগ্রাম কমিটিও গড়েন ওঁরা। রায়না থানায় এস এফ আই ছেড়ে অসীমদা, এমানুর এঁরা এই সংগঠনে যুক্ত হোন। সিপিএমের কাছে প্রচুর মার খান। থানা থেকে ঠেকে চমকেও দেয়। এ-সব ১৯৮০-৮১র ঘটনা।
    ডিএসএফের ইস্তাহার রসবোধে শ্লেষে ব্যঙ্গে ছিল ক্ষুরধার। কিন্তু অভীকদা অভীকদাই। তীক্ষ্ণ তীব্র একটা জবাব দিত ব্যক্তি আক্রমণ ছাড়াই। নীতিগত। পলুদা তাগাদা দিতেন, অভীক ছাড়। লেখাটা দে। ওঁদের তো বেরিয়ে গেছে। 
    পলুদা ( পল্লব পোদ্দার) তখন ছাত্র শাখা সম্পাদক। কাজ বোঝে। সবসময় সিরিয়াস‌। এবং সময়ে কাজ চাই। নইলে বকুনি। 
    তোরা কীরে! একটা কাজ সময়ে করিস না।
    দাদাসুলভ বকুনি।
     
     অভীকদা হচ্ছে হবে ধরন।
    একটা সিগারেট ছাড়। তবে তো লেখা পাবি।
     
    সবাই আড্ডা মারছে, এক দিকে বসে, অভীক সিগারেটে সুখটান দিতে দিতে আধঘন্টাটাক পর বলতো, এই নে। তাঁর মাঝেই কাগজের পাতা হাতবদল হতো। একটু আধটু সংযোজন চলতো। সঙ্গে,  সিগারেট উধাও, স্বাতীদি এলে। স্বাতীদির মা মা চেহারা। সবাইকে আগলে রাখা মুখ। স্বাতীদি অভীকদা এক ছাদের নীচে বাস করে পরে।
     
    অভীকদা লেখা সম্পর্কে একটি বিশেষ শব্দ ব্যবহার করতো। যতদূর সম্ভব, চোতা। নে, চোতা রেডি।
     
    আজ স্বপ্নে দেখলাম,, ধর্মতলায় বাসে, করোনা কালে সভায় যাচ্ছি। শঙ্খ ঘোষ আসার কথা। ফোনে জানলাম, আসতে পারছেন না, শারীরিক কারণে। গতকালও একটি সভায় যোগ দিয়েছেন। কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে। স্বপ্নে দেখছি। স্বপ্নেই কাগজ পড়ছি। বাসে লোহার রডে হেলান দিয়ে ।
     এমন সময় সাংবাদিক অনিরুদ্ধ চক্রবর্তীর ফোন। এই কথা সেই কথার পর,  বললাম, ভালো লিফলেটের বড়ো আকাল। অনিরুদ্ধদা বললেন, কেন, আজ অভীক লাহিড়ীর লেখাটা 'আজকালে' পড়ো নি। ওটাই ছাপিয়ে দাও।
    বললাম, অভীকদা তা লিখতো। আজকাল আর দেখেই না। বলল, লেখে। বে-নামে। 'আজকাল' সম্পাদকীয় দপ্তরে কাজ করে। ( বাস্তবে অভীকদা ছিল অধ্যাপক)।
    তারপর বলল, তাগাদা দাও তো ব্যাটাকে। 
    স্বপ্নে কত কী কোথায় জুড়ে যায়।  'নন্দন' সম্পাদক অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী 'আজকাল'-এর লাইব্রেরিতে। অভীকদা দেখলাম, লম্বা এবং আরো রোগা হয়েছে। মুখে বিড়ি নিয়ে কথা বলছে, স্বপ্নে তো ফোনেও ভিডিও কল ছাড়াই দেখা যায়।
    অভীকদা বললেন, ফাটিয়ে সভাসমিতি কর।
    বেশি দেরি নেই, বিপ্লব হবেই।
    শ্লা এই কলম পেশা ছেড়ে গ্রামে চলে যাবো, কৃষকদের হয়ে লড়তে। চল, আর এই শৌখিন মজদুরি ভাল্লাগছে না।
     
    বিপ্লব হবে, অভীকদা? এই বাংলায়?
  • বিভাগ : অন্যান্য | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৩৫ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন