• খেরোর খাতা

  • ফুঁকা পানি

    আফতাব হোসেন লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৫১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  • যাচ্ছেতাই ...

    আরবে কেউ নাই আমার । ঘরের লোক বেছে বেছে ইয়া বড় মুসলমান নাম কিকরে রাখলো তা আজ অবধি বুঝি নি। নামের আগে আবার শেখ আছে আমার। আধার, রেশন, ভোটার সব ভুলের বাধা টপকে যখন সরকারি খাতায় ঠিক নাম দেখি তখন একটু জিরান আসে মনে। তাও শান্তি নাই। ইদিকের পঞ্চায়েত মেম্বার হেব্বি খাতির করে বলে কিনা আপনে মুরুব্বি মানুষ।

    জীবনে কিচ্ছু গোছাতে পারি নি। তাই কয়েক বছর ধরে নিজের ইমেজ গোছাচ্ছি। পলিটিক্যাল ইমেজ। নন পলিটিক্যাল নাকি আপলিটিক্যাল জানি না। তবে দুটোই গোছাচ্ছি। সময় থাকতে শিখেছি সব কিছু আধা উত্তরে পুরা সম্মান পাওয়া যায়। সারাজীবন মুকুল থাকা ভালো। ফুল ফল হয়ে পাকলেই সালা মাটিতে পড়বো না হয় কারো পেটে যাবো এটুকু শিওর।

    বেশ কদিন আগে গ্রামের মুরুব্বি সদ্য বিদেশী ধর্মডিগ্রী ধোঁয়ার ফাঁকে সুধিয়েছিল হাল কি বোঝেন মাস্টার? জ্যোতি বসুর আমল হলে বলতাম লবার হাল। এখন উপায় নাই। একে মাস্টার তায় মুরুব্বি। জিলেট সেভিং দাঁড়ি চুলকে বললাম চাপ আছে, তবে চাপেই তো বাপ হয় বলুন। দেখুন না কি হয়।

    আল্লাতালা আমাদের সঙ্গেই...

    উনি তখন কি বুঝেছিলেন জানি না।

    তবে কদিন আগে দেখাতে একেবারে বুকে জড়িয়ে এককাকার…

    বললেন,
    আপনে ঠিকই বলেছিলেন ..
    আলহামদুলিল্লা, বাপ বাপ ই থাকে..
    দেখেছেন না সালাদের ঘরে ঢুকিয়ে দিয়েছি।
    আপনাগো দ্যাসেও তো সালা মীরজাফর কে এমন মুর্শিদ খাঁ দেখিয়েছি না ও সালা মনে রাখবে মরা পর্যন্ত্য।

    বললাম,
    চাচা আমি বায়োলজির, ইতিহাস বুঝিই না, এটা তো আবার পলিটিক্যাল সায়েন্স।

    কি বুঝলো কে জানে।

    বললো ইবার মেম্বার হয়েছি। জালসা র মেহ্ফিল দিয়েছি জুম্মাবার। আসতেই হবে। রাজস্থানের ইস্কলার। এখন উত্তরপদেশে খুব চল ওনার। ছুয়ারা বলে ইটুব বলে একটা টিভিতে উহার বিরাট ফ্যান। খুদার রূপ পুরা চোখে, এমন তেজ … নয় হাজারে বুক করেছি, আসতেই হবে।

    পঞ্চায়েত মেম্বারের রিকোয়েস্ট। উপায় নাই।

    তাই

    জুম্মাবারে একবারে সামনের সারিতে .. খুদার কাছাকাছি।
    সব শুনলাম…
    শফি মোল্লা থেকে শেক্সপিয়র, কামারুজ্জামান থেকে করোনা, মীরজাফর থেকে এনার্সি, ভ্যাকসিন থেকে ফ্লাইওভার, ঈমান থেকে লক্ষি ভান্ডার ।
    সওওব..
    বললো আল্লার গজব নেমেছে আমেরিকার ওপর। সালাদের আফগানিস্থান থেকে খেদিয়েছি। বলুন সুবানাল্লাহ…
    বললাম,
    ভাবছিলাম ফিদা হয়ে। সব্বাই বুঝছে হিন্দি। ভুলে গিয়েছিলাম ওইদিন আবার হিন্দির নাকি দিন ছিল।

    তাল কাটলো এগারো বছরের পুঁচকের চিৎকারে।
    আমারই ছাত্র। জানি,
    অংকে নব্বই আর বিজ্ঞানে আশি ছিল গেলবার,

    - "মোক যাতে দিতে হবেক, মুই জাবুই…"

    জাপটে ধরে আপ্রাণ ওর আব্বা।

    ছেলে চিল চিৎকার

    - "জাবক জাবক জাবক"…

    সাথে নাকে ঝরঝর করে সর্দি ..
    ওর আব্বার অবস্থা তথৈবচ।
    আবার চিৎকার।
    আমায় সামনে দেখে সুর একটু বাড়লো মনে হয়।

    - "ও স্যার মোক যাতে দে"..

    ইশারার প্রশ্রয় এ এলো। আমার দিকে না তাকিয়ে সোজা
    হুজুরের পায়ে মাথা রেখে সে কি কান্না।
    হুজুর সর্দি বাঁচিয়ে আরবি ভাষায় নিজেকে লুকালো
    আর আমার অংকে নব্বই এর গর্বে সামনের বেঞ্চে বসে থাকা আমি হতাশায় মুখ লুকোলাম মোবাইলে।

    তারপর একঘন্টা সবে। সিরাম ইন্টারন্যাশনাল এর কোভিশিল্ড এর ফর্মুলা হুজুরের গলায়, দেশি ভ্যাকসিনে নাকি মোদির তৈরি, না নেওয়াই ভালো। শুনলাম। ভ্যাকসিনের হালাল হারাম আছে। শুনলাম। ভ্যাকসিন না নিয়েই তালিবান বেঁচে আছে। সেটাও শুনলাম। এদিকে হোয়াটস আপ এ সব চেক করা কমপ্লিট আমার। মেসেঞ্জার সব ক্লিয়ার। জলসাও শেষ। আমার কনফিডেন্স ও। সালাম না সেরে আসায় মাইকে শুনলাম বাজছে গভীর কন্ঠ -

    "আল্লাতালা সব দেখ রহা হে ..."

    বাইকের পেছনে খালি দেখে সওয়ারী নিল একজন। ওই পুঁচকার বাপ। বললো মাস্টার চিনি তোকে, ছুয়াটা একা গেছে। অনেকটা। একটু আগায় দে।
    পুরো ঘর পর্যন্ত্য এগোলাম।
    নামাবার সময় কি খেয়ালে পুঁচকে কে ডাকাডাকি তে না আসায় ভেতরে গেলাম। অনিচ্ছায়।
    দেখলাম
    এগারো বছরের নাকে সর্দি, গ্লাস নিয়ে বসে চামচে করে জল খাওয়াচ্ছে কাউকে। শুয়ে আছে কেউ। অসুস্থ।
    মাস্ক ওপরে তুলে হাত স্যানিটাইস করলাম একবার। বুঝলো মনে হয় লোকটা।
    হাউমাউ করে বললো।
    না না।
    আমার বউ, ওর মা, পোয়াতি।
    জিজ্ঞাসা করলাম শুয়ে কেন? কদ্দিন?
    বললো চাঁদের হিসাবে সময় হয়েছে। আজ কালেই হবে হয়ত ।
    - হাসপাতাল যাওনি?
    বললো এখন করুনার সময় আগে থেকে যেতে মানা করেছে দিদিমণি। ডেট হলে ওরা জানাবে বলেছে
    কাল থেকে প্যাটে ব্যাথা খুব।
    সাহস করে সামনে গিয়ে বুঝলাম

    আমারই অবস্থা

    মা লক্ষির শরীরের ভান্ডার মেরেকেটে বিয়াল্লিশ কিলো হবে, বিএমআই দশের নীচে হবেই।

    পুঁচকা অবাক হয়ে তাকিয়ে..

    বললাম কিরে মা কে ভালো করে খাওয়াস না কেন?

    নাক ঝেড়ে বললো
    আব্বার কাম নাই, পুইসা নাই ঘরে,

    কিছুই বলার নাই। অস্বস্তি খানিকটা।

    তাও বললাম,
    জলসায় চিৎকার করছিলি কেন?

    বললো
    ম্যায়ের প্যাটে দর্দ খুব..
    আব্বা কখন গেছিল ফুঁকা পানি আনতে। দেরি করলো অনেক। মা কাঁদছিল।

    আবার অস্বস্তি। ওর বাবার দিকে তাকাতে বললো

    কাম নাই, পুইসা নাই, ইবার জলসার চাঁদা দিতে পারি নাই।
    কুন মুখে ওয়াজ শেষের আগে পানিপড়া চাইবো বলেন।

    ছুয়াটা বুঝেই না ..

    ছুয়ার চোখে বিশ্ব জয়ের হাসি। বললো আপনাকে দ্যাখেই আমি সাহস করে হুজুরের পায়ে পড়ে ফুঁকা পানি নিয়ে এসেছি। দু চামচি দিতেই প্যাট ব্যাথা ঠিক।
    দ্যাখেন মা কেমন ঘুমাচ্ছে।

    ঘোর চোখে বললাম চিন্তা করিস না। ঠিক হয়ে যাবে।

    চকচকে চোখ বললো -
    এখনো রেখে দিয়েছি হাফ গিলাস।

    হাসলাম একটু।

    বেরোনোর সময় পুঁচকার বাপ বললো -
    কবে এ দুঃখু স্যাস হবে সার .. আর যে পারি না।

    ভেবেছিলাম বলবো পুঁচকার হোয়াটস আপে ক্লাস করে না কেনর কথা ।
    ভেবেছিলাম বলবো লক্ষির শরীরে ভিটামিন, ম্যাগনেশিয়াম আর ফলিক এসিডের কথা।
    ভেবেছিলাম বলবো রাখো কিছু টাকা।
    ভেবেছিলাম ..বলবো পানি পড়া আর ফুঁকা পানির কথা। ভেবেছিলাম বলবো পেন কিলারের কথা ।

    বললাম কই। বলতে পারলাম কই।

    কাফের আমি
    প্রথম বার মুখ দিয়ে বেরোলো
    চিন্তা কোরো না,

    "আল্লাতালা সব দেখ রাহা হে..."

    হিন্দি দিবস ছিল। তাই হিন্দিতেই।

    #সালা কাফের আমি ।

    বললাম না
    যাচ্ছেতাই ।

    #কাল্পনিক

     

  • আরও পড়ুন
    বার্ড - Sambaran Sarkar
    আরও পড়ুন
    জিগীষা - Tanima Hazra
  • বিভাগ : অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৫১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • আশিস কর্মকার | 2001:bc8:1820:614::1 | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:২২498419
  • ভাই আফতাব,
    তোমার এই লেখার মধ্যে দিয়ে আমি বর্তমান সমাজের একটি চিত্র পেলাম - দারিদ্র, ধর্ম, রাজনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ভাষা - মানুষ - সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতি। সব শেষে যখ্ন লেখকের মুখ থেকেও বিড়বিড় করে বেরিয়ে আসে - সব ঠিক হয়ে যাবে, ভগবান আছে, আল্লা আছেন ---- তখন এক অদ্ভুত অসহায়তা ধরে পরে।
    আরও লেখো ভাই।
    ধন্যবাদ।
    আশিস কর্মকার
  • আফতাব হোসেন | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:২৯498431
  • আশিস বাবু ধন্যবাদ।. আসলে প্রান্তিক মানুষ এখনো খুব অসহায় । এরা জন্মায় তো নিজেরা , কিন্তু ধর্মে এরা পঙ্গু হয় আর রাজনীতি এদের খুন করে ।
  • Kuntala Lahiri-Dutt | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৪:৪৮498443
  • খুব ভালো লাগলো, আর অনেক অনেক বছর আগে পড়া একটা বইয়ের কথা মনে পড়ে গেলো। 
    কোনো পরিবর্তন হয়নি? এই এতগুলো দশকেও? লাল সালু সেরকমই গরীব মানুষের আফিং, না না, অসহায়ের আঁকড়ে ধরার, আস্থা রাখার জিনিস।
  • Gopa Deb | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২০:১৬498447
  • খুব ভালো লাগলো ।.কিছু লেখা একদম মনের  খুব ভিতরে গিয়ে লাগে আপনার এই লেখাটি ঠিক তেমন l বিশেষ করে ভেবেছিলাম কিন্তু পেরে উঠিনি.....e যেন এক প্রশ্ন ,হাহাকার কিংবা কান্নার সামনে পাঠক কে হঠাৎ দাঁড় করিয়ে দেয় l
  • aranya | 2601:84:4600:5410:c4d1:c76b:b854:7104 | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:৩১498450
  • ভাল লেখা 
  • বিপ্লব রহমান | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:১৬498536
  • সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহকে মনে পড়ছে। "শস্যের চেয়ে টুপি বেশী, ধর্মের চেয়ে ধর্মের আগাছা বেশী!" 
     
    খুব শক্তিশালী লেখা। আরো লিখুন
  • আফতাব হোসেন | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:৫৩498539
  • কুন্তলা ম্যাম,
    খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি । অন্তত মননে একেবারেই না ।  পরিসংখ্যান বলছে গাণিতিক অবস্থা আরো খারাপ ।
    আসলে মাথা ঢাকার কাপড়ে চেতনা ঢাকা পড়লে কোন সরকার বা প্ল্যান এর উপায় থাকে না মনে হয় ।
  • আফতাব হোসেন | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:৫৪498540
  • বিপ্লব বাবু 
    ধন্যবাদ, চেষ্টা করছি , ভালো থাকবেন খুব
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন