• খেরোর খাতা

  • বাঙালির বাণী, বাঙালির মোহেন্জোদড়ো

    Kausik Ghosh লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪২৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • বাণী ব‍্যাপারটা গোলমেলে। সে খালি গুরুদের একচেটিয়া। মানে যারা নিজেদের গুরু মনে করে, আর বাকি পৃথিবীকে চন্ডালতুল্য, তাদের একচেটিয়া। কাজ অবশ‍্য খুব কঠিন না, কারণ একবার গুরু বনে গেলেই বেরিয়ে আসতে থাকে অমৃতভাষণ, যার বেশিরভাগই আসলে অনৃতভাষণ। সচেতনভাবে যদি ঢপ না-ও দিয়ে থাকে, তবুও। সেই কোন প্রাচীনকালে ভারতচন্দ্র বলে গেছেন "সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর"।

    কোন ভারতচন্দ্র? মানে? কেশনগরের ভারতচন্দ্র হে। রায়গুণাকর। বিদ‍্যাসুন্দরের ভারতচন্দ্র।

    বিদ‍্যাসুন্দর বললেই মনটা কেমন সিক্ত হয়ে উঠলো, না? আফটার অল বাঙালি তো। মানে, বলছি যে ভারতচন্দ্র আফটার অল বাঙালি। ফলে বাকি ভারত আগামিকাল ভেবে ফেলার আগে তিনি আজই চরম সত‍্যিটা লিখে রাখলেন। উত্তরকালের জন‍্য।

    তো কথা হচ্ছিলো গুরুদের নিয়ে। বাণীবিতরণে যাঁরা প্রসারিতওষ্ঠ। প্রসারিতহস্ত প্রসাদবিতরণে। রইলো বাকি যারা, তারা জন। জনগণ।

    জন বললেই গ‍্যাঁড়াকলের শুরু। জন শব্দটা একাই বহুবচন সামলাতে পারে, গণ ছাড়াই। জনসেবা, জনরোষ। গণ-কে পেছনে আটকে দিলে মনে হয় বেশ গেরামভারি হয় জিনিসটা, বেশ পৌরুষ জাগ্রত হয়। যখন একলা জনকে বেঁধে চোর অপবাদ দিয়ে অনেকে মিলে পেঁদিয়ে বৃন্দাবন দেখানোর দরকার হয়, বাঙালি তখন কিন্তু জনধোলাই বলে না। বলে গণধোলাই। জাগ্রত পৌরুষের বেলায় বাঙালির খুব ফেবারিট এই এক কাজ, কাজটার নাম শুনলেই বীরত্ব কুড়কুড়িয়ে ওঠে মনের গভীরে।

    যারা বাঙালিকে আলসে বলে দেগে দিতে অভ‍্যস্ত, তারা গণধোলাই খাওয়ার স্বাদ পায়নি বলেই অমন বলে। হিংসে, স্রেফ হিংসে।

    তবে হ‍্যাঁ, বাঙালি সব সময়েই ধোলাইসুলভ পরিশ্রমসাধ‍্য কাজ করে তাও না। বিশেষ করে জিভের পরিশ্রম তো এক্কেবারে মানা। ক্ষেত্রবিশেষে ছাড়া। মাছের বাজারে বাঙালি সব সময় পাঁশশো কাটামাছ কিনবে, কিন্তু বিনা পয়সায় দিলেও পাঁচশো মাছ নেবে না। মাত্র উচ্চারণের খাটনি কমাবার জন্য অতোখানি ত‍্যাগস্বীকার। ট্রেন কি বাস ধরতে যাবার সময় এক মহিলার নাম উচ্চারণ করবে দুগ্গা দুগ্গা বলে। মনে হয় সৌজন‍্যবোধের দায়ে। কিন্তু কিছুতেই দুর্গা বলবে না। পৃথিবীতে কে বা কবে রণে বনে জঙ্গলে রওনা দেবার সময় বা ভাতঘুম দেবার সময় মেয়েছেলের নাম টেনে আনে, হোক না সে দেবতা।

    এই যে দ‍্যাখো আরেক স‍্যাম্পল, মেয়েছেলে। বাঙালির নিজস্ব আবিষ্কার। এ্যানথ্রপোলজি সাবজেক্টটা হজম করে নিয়ে একটা জাত দাঁড়িয়ে আছে। মেয়েরা মানুষ না, তারা মেয়েছেলে। বললেই বোঝা যায় বেশ একটা আতুপুতু ব‍্যাপার। লালপাড় শাড়ি, লাল টুকটুকে লিপিশটিক, গোল গোল বড়ো চোখে তাকালেই পৌরুষ ডবল জাগ্রত।

    তারপরে ধরো গিয়ে সামনেই তোমার আসছে পুজো। সব বারোয়ারি। বড়ো বড়ো বারোয়ারি। শব্দটার মাঝখান থেকে বেমালুম হ্রস্ব-ই গায়েব করে দিয়েছে বাঙালি রসনা। পাঁজ্জন বাঙালি বলে, পাঁজ্জনে লেখে, পাঁচজনে তো নয়, কাজে কাজেই হুতোম যাকে বারোইয়ারি লিখে গেছেন, তার হ্রস্ব-ই হ্রস্বতর হয়ে লোপ পেয়ে গেলো। তবে হুতোম একটু গাঁইয়া টাইপ ছিলেন, না দেখে গেছেন মেট্রো রেল, না ছুঁয়েছেন আট জিবি র‍্যামের ফোন, না আই সেভেন প্রসেসর। ওঁকে অতো সিরিয়াসলি নিস না কাকা।

    বরং মনে রাখিস যে বাঙালি এখন জাতীয় পর্যায়ে খেলছে। এবং সাম‍্যবাদের চরমে পৌঁছে জাতীয় পর্যায়ে খেলছে। তোমার ছেলে যদি পড়াশোনা না করে, তাহলে দক্ষিণ ভারতে যাবে। রাজমিস্ত্রির কাজ করবে। আর যদি পড়াশোনা করে, তাহলেও দক্ষিণে যাবে। ইঞ্জিনিয়ার হয়ে, ব‍্যাঙ্গালোরে।

    নয়তো হায়দরাবাদে। বাঙালি অবশ্য উচ্চারণ করে হায়দ্রাবাদ। জিভ, বুঝলে হে, জিভ, এই বাঙালি জিভের নড়াচড়ায় যেসব মণিমুক্তো উচ্চারিত হয়, খেয়াল করলে দেখবে তার মধ্যেই তিস্তা থেকে ভাগীরথী হয়ে পদ্মা মেঘনা পর্যন্ত যা কিছু দেশী, সব ধরা পড়ছে।

    দাঁড়াও, দাঁড়াও, দেশী না, ওটা দিশী। আর দিশী এলে বিলিতিও আসবে তার পেছন পেছন, বিলেতি বা বিলাতি না। দিশী বা বিলিতি, কোনো মালই বাঙালি ছাড়ে না, দুটোই খায়। কিন্তু উচ্চারণ করার ভঙ্গিতে যেন ল‍্যাদ খাওয়া একদল লোক হাই তুলে আড়মোড়া ভাঙছে। পাঁশশো, বা মিইঁইঁপ্পোঁওঁওঁ শুনলেও ঠিক তাই-ই মনে হয়।

    খুব কষ্টে ঘরের বাইরে বেরিয়েছে। মিনিট পনেরো বাইরে ঘোরাঘুরির পরিশ্রম এতো বেশি যে কোনোমতে মিইঁইঁপ্পোঁওঁওঁ উচ্চারণ করে বিড়ির বান্ডিলটি পকেটে পুরে ঘরে ঢুকে যাবে। নেহাৎ এ্যাটম বোম না মারলে দরজা খোলার গল্প নেই।

    অনীক দত্ত তাঁর ভূতের ভবিষ্যৎ ছবিতে প্রমোদ প্রধান নামটার উচ্চারণ দেখিয়েছিলেন, বাঙালি জিভের পালস্ দত্ত একদম ঠিকঠাক ধরেছেন বোঝা যায়।

    হ‍্যাঁ, ঘরের মধ্যে একবার ঢুকে পড়লে কিন্তু বাঘের বাচ্চা। একটার পর একটা ইনোভেশন। এবং সব ইনোভেশন জিভে। ঐ যে ল‍্যাদ খাওয়া, ওটাই ধরো। জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস বা হরিচরণ বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়কে প্ল‍্যানচেটে ডেকে মানে জিগ্যেস করে দেখো একদিন, দু'জনেরই ভিরমি খাওয়া অবধারিত।

    তাই বলে সবই আবার ল‍্যাদ খাওয়া গোত্রেরও না। এরকম একটা ইনোভেশন তোমার ঐ মাল। ভার্সেটিলিটির চূড়ান্ত। দিশী মাল, বিলিতি মাল, এসব খেয়ে বাঙালি তার ভাষায় ইথাইল এ্যালকোহল মেশায়। আবার খুব চালু মাল বললে প্রচলিত পণ্য থেকে বুদ্ধিমান, চটপটে ব‍্যক্তিত্ব পর্যন্ত একাকার। মালগাড়িতেও মাল পণ‍্যই। আর মাল শব্দের সেম‍্যান্টিক্স চরমে পৌঁছে যায় যখন মাল উচ্চারণ করে বাঙালি জিভ কোনো মেয়েকে বোঝায়। পণ‍্য আর সমাজের অর্ধেক সদস্য তখন সমতুল, সমার্থক।

    পজিটিভ কিছু নেই তবে বাঙালির? কিচ্ছু নেই, ইতিহাস বইয়ের দিব‍্যি। বাঙালির ইতিহাস মানে কি? চর্যাপদ ফুটকি ফুটকি ফুটকি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য, শ্রীচৈতন‍্যদেব ফুটকি ফুটকি ফুটকি ভারতচন্দ্র, মাইকেল, বঙ্কিম, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎ, জসিমউদ্দিন, ডঃ শহীদুল্লাহ্ ফুটকি ফুটকি ফুটকি ঋত্বিক সত‍্যজিৎ অমর্ত‍্য সেন ফুটকি ফুটকি ফুটকি। ব‍্যস। ঐ অজস্র ফুটকিতে আরো অনেক নাম রয়ে গেলো। থাক। বাঙালি এদের নিয়ে গর্ব করে, ঘরে বসেই করে, কিন্তু ঐ পর্যন্ত। সন্তানকে ব‍্যাঙ্গালোরে পাঠিয়ে মোক্ষলাভের পরে এর চেয়ে বেশি কিছু করার আশাও নেই।

    এর পরেও কি মায়া কোথাও রহিয়া যায়? হয়তো যায়। এই সেদিন, বছর দেড়েক আগে, খোঁজ পেলাম বহতা অংশুমালী মুখোপাধ্যায় নামে এক ব‍্যাঙ্গালোর প্রবাসী বাঙালিনির, সে নাকি রাখালদাস বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের পথে হাঁটছে। কম্পিউটার সফটওয়্যার গুলে খেয়েছে সে মেয়ে।

    কে না জানে যারা সফটওয়্যার গুলে খায় তারা সবাই ব‍্যাঙ্গালোরে হায়দরাবাদে থাকে, মাসিক হাজারের হিসেবের বদলে এলপিএতে মাইনে পায় আর উইকএন্ডে মালদ্বীপে সিঙ্গাপুরে ঘুরতে যায়, সুযোগ পেলেই আমেরিকায় কি জার্মানিতে কেটে পড়ে।

    এ মেয়ে দলছুট। এক্কেবারে দলছুট। সফটওয়্যার নিয়ে খোঁচাখুঁচি বাড়ালে যে পরিমাণ উপার্জন হবার কথা, সিন্ধুসভ‍্যতার লিপির পাঠোদ্ধারে তা কখনোই হবেনা, একটি পয়সাও ঘরে আসবে না। অথচ এ মেয়ে লড়ে যাচ্ছে।

    বুনো রামনাথের লিগ‍্যাসি। বুনো রামনাথও তো বাঙালি ছিলেন। শুধু ভালো লাগে বলে জ্ঞানের চর্চা। অর্থলাভের চিন্তা না করেই জ্ঞানের চর্চা। মহাকাশযান ঠিকঠাক উঠবেই, মঙ্গলে পৌঁছবেই, এমন গ‍্যারান্টি ছাড়াই ইসরো বা নাসা যেমন মহাকাশযান পাঠায়, গভীরে ঢুকলে দেখা যাবে যে এও তেমন কাজ। যুক্তিনির্ভর অনুমান এবং গাণিতিক হিসাবের সাহায্যে এক পা এক পা করে এগোনো আছে, চেষ্টার শেষ বিন্দুতে পৌঁছে সাফল‍্য অধরা থেকে যেতে পারে।

    আর কাজটা করছে কোন বাঙালি? নেহাতই এক মেয়েছেলে। গুরু বাঙালি হোক বা চন্ডাল, বাঙালি নির্বিশেষে পুরুষের মুখে ঝামা।

    এ কাজ ক্লোনিং নিয়ে না, নতুন কোনো গ্রহাণু থেকে ডিএনএ-র দানা বা হিরে খুঁজে পাওয়ার না, যেসব কাজে প্রতি মুহূর্তে মুখের ওপরে ফ্ল‍্যাশের ঝলক, এমনকি অসফল হলেও বাইটের পরে বাইট পাবার জন‍্য হামলে পড়ে মিডিয়া।

    একান্ত ব‍্যক্তিগত পর্যায়ের, একান্ত ব‍্যক্তিগত আগ্রহের কাজ। একান্ত ভালো লাগার কাজ।

    নাঃ, নিজের কথা নিজেকেই গিলতে হচ্ছে। বাঙালি মাত্রই ল‍্যাদখোর না, বাঙালি মাত্রই দিনরাত এক জায়গায় বসে পিএনপিসিতে কাটায় না। প্রত‍্যাশা ছাড়াই কেউ কেউ চাঁদের পাহাড়ে যায়। শুধু চাঁদের পাহাড়কে ভালোবাসে বলে যায়।

    রাখালদাসের মোহেন্জোদড়ো আবিষ্কারের শতবর্ষ চলছে। এক ফাঁকে বুনো রামনাথ বা বাঙালি রাখালদাসকে প্ল‍্যানচেটে ডেকে দ‍্যাখ কাকা, তাঁদের লিগ‍্যাসি বয়ে নিয়ে যায় যে বাঙালি মেয়ে, তার একার চেষ্টায় গোটা জাতটার নাম উজ্জ্বল হতে যাচ্ছে, ঠিক এটাই শুনবি ওঁদের মুখে। গ‍্যারান্টি দিচ্ছি, কাকা, লিখে নে, গ‍্যারান্টি।
  • আরও পড়ুন
    শরীরী - Kausik Ghosh
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪২৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বাঙালিনি | 52.87.17.77 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৯:৪১498210
  • এ কেমন হল? কিস্যুই তো জানা গেল না। নাকি এখন জানার সময় নয়? 
  • হরিদাস পাল! | 223.223.130.105 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২০:০১498215
  • পড়লাম। যাকে বলে পড়ে পাওয়া চৌদ্দ আনা। আর দু আনা জুড়লেই ষোলকলায় ঘোর কলাবতী হতো। 
     
    যখন সাঁতার জানতাম না, তখন জলে নামলেই গা চুলকাতো। এখন সাঁতরাতে শিখে গেছি, তা না নামলেই গা চুলকোয়! 
     
  • Kausik Ghosh | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:১৫498226
  • যাঁর কথা একেবারে শেষের দিকে এসে লিখেছি, তিনি বহতা অংশুমালী মুখোপাধ্যায়। অনস্বীকার্য যে ২০২১-এ রাখালদাসের মোহেন্জোদড়ো আবিষ্কারের শতবর্ষ চলছে, সেই সূত্র এ রচনার পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
    বহতা অংশুমালীর নাম উল্লেখ না করার পিছনে বিশেষ কোনো কারণ নেই, বরং আশা আছে আগ্রহীরা গুগল ঘেঁটে ঠিকই বুঝে যাবেন যে কার কথা বলা হচ্ছে।
    খেয়াল করলে দেখবেন পুরো লেখাটাই ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক। একদম শুরুতে 'জন' থেকে বহতা অংশুমালীর কাজ পর্যন্ত। 
    বহতা অংশুমালীর কৃতিত্ব এখানেই যে উনি ভাষাতত্ত্বের ছাত্রী না হয়েও নিজের গণিতের জ্ঞান কাজে লাগাচ্ছেন অজানা কিছু কোডকে ডিক্রিপ্ট করার ক্ষেত্রে, যা পরবর্তীতে ভাষাতত্ত্বকে সমৃদ্ধ করবে এ সম্ভাবনা পূর্ণ মাত্রায় আছে।
  • Kausik Ghosh | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:২২498227
  • লেখার মধ্যে কোথাও ভাষাতত্ত্বের পরিভাষা ব‍্যবহার করা থেকে বিরত থেকেছি। সম্ভবত তার ফলেই কিছু ভুল বোঝাবুঝি জন্ম নিয়েছে।
    বাঙালি সমাজের নানা অভ‍্যাসের সমাজতাত্ত্বিক ব‍্যাখ‍্যা এ লেখার বিষয় নয়। 
    ভাষাতত্ত্বের সীমার বাইরে অন‍্য কিচ্ছু নেই।
  • Kausik Ghosh | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:৪৮498228
  • শেষ পর্যন্ত এডিট করে লেখার শেষের দিকে বহতা অংশুমালীর নাম উল্লেখ করে দিলাম।
    তবে বাকি অংশে বাংলা ভাষার ভাষাতত্ত্বের পরিভাষা এবং গম্ভীর ব‍্যাখ‍্যা দেওয়া থেকে বিরত থাকলাম। যেমনটা ছিলাম প্রথম থেকে।
     
    বুঝ লোক যে জানো সন্ধান।
  • স্বাগতা | 45.250.246.53 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৩৪498233
  • দারুণ হয়েছে। চালিয়ে যান।
  • বিপ্লব রহমান | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:৪১498238
  • "শেষ পর্যন্ত এডিট করে লেখার শেষের দিকে বহতা অংশুমালীর নাম উল্লেখ করে দিলাম।"
     
    কৌশিক বাবু, এইবার ভালোর চেয়ে ভাল হয়েছে। 
    আরো লিখুন
  • Kausik Ghosh | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৬:৪৭498256
  • বিপ্লব ধন‍্যবাদার্হ। অবশ্যই।
  • উৎপল ব্যানার্জী | 43.252.250.110 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৮:৪০498260
  • খুব ভালো লাগলো দাদা। সমৃদ্ধ হলাম। কিছু জানতাম আর তার চেয়েও অনেক বেশী জানলাম।
  • Anindya | 2409:4061:2008:3ddb:b1f6:bf75:f85a:d12c | ০৩ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৩৯499022
  • Bhaloi
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন