• বুলবুলভাজা  খ্যাঁটন  খানাবন্দনা  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • চাষার ভোজন দর্শন – ১২শ

    সুকান্ত ঘোষ
    খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৮৭ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)

  • হট পট

    হট পট কনসেপ্ট মনে হয় আজকাল ভারতে অনেক জায়গায় চালু হয়ে গেছে। জানি না কলকাতায় এমন রেস্টুরান্ট কেমন জনপ্রিয় হয়েছে – এখনো ট্রাই করিনি ভারতে এই ব্যাপারটা। তবে টেবিলে গ্রিল করার ব্যাপারটা নাকি চালু হয়েছে শুনেছি। কিন্তু হট পট কেসটা আর একটু জটিল – নানাবিধ সস্‌, মশালা বা যা রাঁধবেন – সেই সবের জটিলতার দিক থেকে।

    কিন্তু আগের দুই দিন যে রোমান্টিক এবং এক্সোটিক রেস্টুরান্টে খাবার কথা লিখলাম, তার সাথে হট পট-কে মিশিয়ে ফেললে হবে না। হট পট লোকাল ডেলিকেসি হয় ঠিক আছে, কিন্তু এক্সোটিক হবার জন্য হট পট চালু হয়নি – এর উৎপত্তি এবং জনপ্রিয়তা মূলত সহজ/তাড়াতাড়ি খাবার হিসাবেই। অবশ্য আজকাল এক্সোটিকও হয়ে গেছে অনেক জায়গায় –রোমান্টিকও। মানে যত দামি ইনগ্রেডিয়েন্ট বা মাংস বা দামি মাছ দেবেন, তত এক্সোটিক হয়ে উঠবে। যত গুড় দেবেন তত মিষ্টি – আমাদের বাংলা প্রবাদ বাক্য অনুযায়ী।

    জাপানের ওই ‘সাবু সাবু’ কনসেপ্ট কিন্তু অনেকটা এই হট পটের মতই। কিন্তু বয়সের দিক থেকে দেখতে গেলে সাবু সাবু একদম বিংশ শতাব্দীর অবদান – ওসাকা শহরে যার জন্ম। এই নিয়ে অন্যদিন লিখব – আজকে ফোকাসে থাক হট পট, যাকে অনেক সময় স্যুপ-ফুড বা স্টিমবোটও বলা হয় জায়গা বিশেষে। কথিত আছে এমন রাঁধার উৎপত্তি নাকি মঙ্গোলিয়া থেকে। মানে টেবিলের মাঝে একটা ঝোল জাতীয় (স্যুপ) জিনিস মৃদু ভাবে ফুটবে – আর তাতে নানা শাক-সবজি, মাংস, মাছ ইত্যাদি দিয়ে ফুটিয়ে খাওয়া।

    মঙ্গোলিয়াতে এর উৎপত্তি হলেও, আজকাল সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়েই এর উপস্থিতি দেখতে পাবেন। হট পটের রকমফের হয়েছে, সে খাবার বিবর্তিত হয়েছে দেশ অনুযায়ী – কিন্তু মূল কনসেপ্ট থেকে গেছে একই রকম। এ জিনিস আপনি পাবেন চীন দেশে, জাপানে, কাম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, থাইল্যান্ড এবং আরো অন্য দেশে। কিন্তু হট পটকে ভালোবাসতে তাইওয়ানের মত আর কেউ মনে হয় পারেনি! তাইওয়ানিজরা বলতে গেলে এই হট পট নিয়ে ক্রেজি! আপনি যদি ওদের সাথে ঘোরেন বা থাকেন তাহলে মাথা পাগলা করে দেবে হট পট ট্রাই করার জন্য!

    আচ্ছা এটা মনে রাখবেন, যে হট পটের সাথে ওই ফন্ডু বলে যে জিনিসটা আছে – তার একটা বেসিক পার্থক্য আছে। হট পটে আপনি খাবার বানাবেন বা ফোটাবেন একটা জলীয় স্যুপে – আর ফন্ডুতে রান্নার তেল ব্যবহার করা হয়। হট পটের স্ট্যান্ডার্ড রান্নার উপাদানগুলি হল – খুব পাতলা করে কাটা মাংসের টুকরো, সবুজ পাতার সবজি, মাশরুম, নানা প্রকারের ন্যুডল্‌স্‌, কাটা আলু, টফু, নানাবিধ বিনস্‌, মাছ বা সি-ফুড। এই সব উপাদানই সরু সরু করে কাটা থাকে – তা না হলে ওই মৃদু আঁচে ফুটতে থাকা স্যুপে সিদ্ধ হয়ে খাওয়ার মত হতে রাত হয়ে যাবে! তা ছাড়া এক্সট্রা সস রাখা থাকে পাশে – আপনি নিজের ইচ্ছেমতন খাবার স্পাইসি বানিয়ে নিতে পারবেন সিদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর।


  • মাটি ইত্যাদি খুঁড়ে চীন দেশে ঝাও সাম্রাজ্যের সময় থেকে এমন হট পট-এর প্রমাণ পাওয়া যেতে শুরু করে। এর পরে মিং সাম্রাজ্যের কালে নাকি চীনে বেশ জনপ্রিয় হতে শুরু করে এই হট পট – তখন অবশ্য সাধারণ মাটির হাঁড়ি জাতীয় জিনিস কাঠকয়লার উপর বসিয়ে এমন রান্না হত। আর এটাও লক্ষ্য করা যায়, যে শীতের সময় এমন হট পটের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায় – এখন তো চীনের অনেক শহরে বা অন্য দেশের চায়না টাউনে গেলে হট পট টুরিষ্টদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

    হট পট তো সেই কবে থেকে খেয়ে আসছি – এটা আমি মেনে নিয়েছি যে টেবিলে হট পট-এ রান্নার মাঝ দিয়ে এক সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি হয়, নিজেদের মধ্যে আদান প্রদান বেশি হয়। এমন রেস্টুরান্টে আজকাল তো গেলে দেখতে পাই জনতা খাবারের অর্ডার দিয়ে বসে বসে মোবাইল ঘাঁটছে! কিন্তু হট পটে আপনাকে হাত লাগাতেই হবে – মানে নিজে কি খাবেন নিজেকেই ঠিক করে রেঁধে নিতে হবে। তাই হাত গুটিয়ে বসে থাকলে উপোস করে থাকবেন – ফলে কেউ মোবাইল ঘাঁটার সময় পায় না। বরং নিজেদের মধ্যে কথা বলতে বলতে রান্না করতে থাকে। বন্ধুবান্ধব মিলে এই হট পট খেতে যাওয়া খুবই জনপ্রিয় এবং কমন তাই।

    আগেকার দিনে একেক পাত্রে একেক ফ্লেভারের ঝোল/স্যুপ থাকত – কিন্তু এখন রেস্টুরান্টে গেলে দেখবেন খাপ করা পাত্র আছে, যাতে করে এক পাত্রেই আপনি নানা ফ্লেভারের স্যুপ আস্বাদন করতে পারবেন। কম স্পাইসি থেকে খুব স্পাইসি, ঈষৎ স্বাদহীন (আমাদের ভারতীয় জিভে) থেকে খুব মশালাদার – যেমন চাই আপনি সেই ঝোল বানিয়ে নিতে পারবেন।


    তাই যখন সেবারে তাইওয়ান বেড়াতে গেলাম – অন্তত একদিন তাইওয়ানের বন্ধুদের সাথে হট পট ট্রাই করা হবে না – এমন আবার হয় নাকি! এই সব ব্যাপারে আইভি (আমার এক তাইওয়ানিজ বান্ধবীর ইংলিশ নাম) আবার বিশাল এক্সপার্ট। তাইপে শহরের এক নামকরা হট পট করা যায় এমন রেস্টুরান্ট বের করে ফেলল। সেই রেস্টুরান্ট আড়ম্বরের দিক থেকে কিছু এক্সোটিক ছিল না, কিন্তু এদের খাবার নাকি স্থানীয় মহলে খুবই জনপ্রিয়। টেবিলে বসে সামনে ওই হট পট থাকে – আর রেস্টুরান্টের এক ধারে রাখা থাকে রান্নার উপাদানগুলি। আপনাকে উঠে গিয়ে প্লেটে করে নিয়ে আসতে হবে – অনেকটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক জায়গায় সেই ন্যুডল স্যুপ খাবার মত। দোকানের সামনে রাখা উপাদানগুলি আপনি নিজে পছন্দ করে নিলেন – এরপর সেগুলি হ্যান্ড-ওভার করে দিলেন রাঁধুনিকে, সে রেঁধে দেবে। এখানে অবশ্য আপনাকে নিজে রাঁধতে হবে।

    আমরা যে পট-টা খেয়েছিলাম তাকে তাইওয়ানে বলা হয় “উয়ান ইয়াং” পট – স্যুপ (বা ব্রথ) ছিল খুব স্পাইসি। তাইপে শহরে শীতকালে হটপট এবং গরমে বারবিকিউ খুবই জনপ্রিয় রেস্টুরান্টগুলোর মাঝে। একটা জিনিস লক্ষ্য করে দেখবেন – আমাদের বড় শহরগুলোর তুলনায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বড় শহরগুলোতে রেস্টুরান্টের সংখ্যা অনেক বেশি এবং কমবয়সি ছেলে মেয়েদের ভিড় খুব বেশি রেস্টুরান্টগুলোতে। এর পিছনে কারণও আছে, ইউরোপের (বা অনেক সময় আমেরিকাতেও) মতন সাধারণ রেস্টুরান্টের খাবার অত দামি নয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, আর সারাদিন কাজ করে পাবলিকের হাতে অত সময় বা এনার্জি থাকে না বাড়ি ফিরে রান্না করার। তাই অনেকেই অফিস থেকে কাজ সেরে সবাই মিলে কিছু খেয়ে নিয়ে একেবারে বাড়ি ফেরে।


    যাই হোক, সেদিন খুব উপভোগ করলাম জনা-ছয়েক তাইওয়ানিজ বন্ধুর সাথে। ফেরার পথে আইসক্রিম বাদ যায় কেন! হ্যাগেন-দাশ এরা আবার খুব ভালোবাসে – কারণটা আমি ঠিক বুঝতে পারিনি। এমনিতে চীনা বা তাইওয়ানিজরা একদম বেশি মিষ্টি খেতে পারে না – কিন্তু এদিকে হ্যাগেন-দাশ খায়, যেটা আমার মতে বাকি অনেক আইসক্রিমের থেকে একটু বেশি মিষ্টি। তবে আমার কিছু প্রবলেম নেই – মিষ্টি হলেই হলো! তাই বিনা প্রতিবাদে খেয়ে ফেললাম।
    আজকের গল্প এইটুকুই – হ্যাগেন-দাশ এর গল্প অন্য কোন সময়।


  • বিভাগ : খ্যাঁটন | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৮৭ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ramit Chatterjee | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৩:১০498190
  • এটা পড়ে কলকাতার ইউ চু রেস্তোরাঁর চিমনি স্যুপ এর কথা মনে পড়ল।
  • dc | 103.217.234.224 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৩:৫৬498191
  • হট পট আমার খুব প্রিয় ব্যাপার, সুকান্তবাবুকেধন্যবাদ এটা নিয়ে লেখার জন্য। থাইল্যান্ডে খেয়েছি, চেন্নাইতেও একটা থাই রেস্টুরেন্টে কয়েকবার খেয়েছি। বিশেষ করে দুতিনটে ফ্যামিলি একসাথে হলে সবাই মিলে নানারকম জিনিষ ট্রাই করে খাওয়ার মজাই আলাদা। 
  • kk | 68.184.245.97 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৯:৫৩498211
  • হটপট আমিও ভালোবাসি। আমি সাউথ ইস্ট এশিয়ার কোনো দেশে যাইনি। ক্যানাডাতে খেয়েছিলাম কোনো প্যান এশিয়ান রেস্টুরেন্টে। কয়েকজন বাঙালী সহযাত্রী মুখ বাঁকিয়ে বলেছিলেন - "ছুটিতে এসেও নিজেরা রান্না করে খেতে হবে?"
  • সুকি | 49.207.212.122 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৪:১৬498251
  • রমিত, কলকাতায় বেশ কিছু চাইনীজ রেষ্টুরান্টে স্যুপ খেলেও, এখনো হট-পট ট্রাই করি নি। আমি নিশ্চিত কলকাতায় এখন অনেক জায়গাতেই এটা চালু হয়ে গেছে। সময় সুযোগ মত খেতে হবে 
     
    ডি সি, অনেক ধন্যবাদ। তবে আপনি আমাকে সুকান্ত-বাবু বলেন, কেমন শুনতে লাগে :) আমাকে সুকি বলতে পারেন - বেশ ইনফরমাল হয়ে যাবে ব্যাপারটা
     
    কেকে, অন্য সব দিক বাদ দিলেও, শুধু খাবারের স্বাদ নেবার জন্যই মনে হয় সাউথ ইষ্ট এশিয়ায় ট্রিপ দেওয়া যায়। এদিকটা না ঘুরলে খাই-খাই জগতে কিছু একটা খালি-খালি থেকে যাবে :) 
  • dc | 182.66.146.240 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৫:৩৭498254
  • সুকির সাথে পুরো একমত। সাউথ ইস্ট এশিয়ার ক্যুজিন অসাধারন, প্রতিটা দেশের রান্না আলাদা আলাদা করে এক্সপ্লোর করার মতো। 
  • Kausik Ghosh | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২২:৫৯498272
  • নিজে যাইনি, যাবার সুযোগও হয়তো হবে না। তবে আমার টাকাপয়সা আর ট‍্যাক্সের হিসেব টিসেব করেন যে ভদ্রমহিলা, উনি রান্নায় বেশ দড়, মানে কাটা, সাঁতলানো, ভাজা, ফোটানো এসবের আইডিয়া পরিষ্কার।
    ওনাকে পড়ে শোনালাম, মনে হচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে ঘরেই পেয়ে যাবো। 
    শুধু ছবিতে যেমন দেখানো আছে, ঐরকম একটা পার্টিশন করা পাত্র চাইলেন। কাল বিকেলে দুজনে মিলে বেরোবো, শিবুদার দোকানে অর্ডার দিলে বানিয়ে দেবে নিশ্চয়ই। তারপরে ইউটিউব ঠাকুরের আশির্বাদে হয়ে যাবে আশা করি।
  • Kausik Ghosh | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:০০498273
  • আগের এগারোটা খন্ডও ঘাঁটতে হচ্ছে দেখছি।
  • সে | 2001:171b:c9a7:d3d1:1df7:c89a:e579:1f5 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫০498275
  • ফঁদু তো অন্য জিনিস। ফুটন্ত চীজ, যাতে ওয়াইন দেওয়া থাকে — সেটায় ছোট ছোট রুটির টুকরো ডুবিয়ে খাওয়া হয়। সুইস খাদ্য। এতে তো তেল দেওয়া হয় না একেবারেই।
    ফঁদু ( ফন্ডু নয়, ...) র সঙ্গে হটপটের তুলনা কেন হচ্ছে বুঝলাম না।
    তবে ফঁদু-শিনোয়া বলে একটা ব্যাপার হয়, তাতে ফুটন্ত সুপে পাতলা পাতলা মাংসের স্লাইস কাঠিতে গেঁথে ডুবিয়ে সেদ্ধ মতন করে খাওয়া হয়। খুব ধীরে ধীরে খাবার কালচার এটা। ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে গল্প করতে করতে টুকটাক খাওয়া। গপগপ করে খাওয়া নয়। এটার সঙ্গে হটপটের তুলনা হতে পারে।
    তবে খাঁটি ফঁদু সম্পূর্ণ অন্য জিনিস। এবং ফঁদুর জ্ঞাতি ভইয়ের নাম রাকলেট। ফঁদুর চীজ বিশেষ ধরণের। রাকলেটের চীজ অন্য প্রকার। ফঁদু সবাই বানাতে পারে না। চীজ যাতে পুড়ে না যায়, ডেলা বেঁধে না যায়, এবং টগবগিয়ে না ফোটে, সেজন্য অনেক কসরৎ করে মিশ্রণটা বানাতে হয়। বিশেষ পাত্রও থাকে।
  • সে | 2001:171b:c9a7:d3d1:1df7:c89a:e579:1f5 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫৫498276
  • https://en.m.wikipedia.org/wiki/Fondue
    ফঁদু বিষয়ে জানতে হলে ওপরের লিংক দেখুন।
  • সুকি | 49.207.217.189 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:৩৫498295
  • সে-দি ধন্যবাদ। অরিজিন্যাল উচ্চারণটা শেখা হল - আসলে বৃটিশ ইংরাজী তে তো একে 'ফন্ডু' বলেই অভ্যস্ত।
     
    আচ্ছা আর একটা ব্যাপার - 'হট অয়েল ফন্ডু (বা ফঁদু)' বেশ জনপ্রিয় নানা জায়গায়। এমনি খোদ ফ্রান্সেও, যেমন "fondue bourguignonne" - এই হট অয়েল ফন্ডুর সাথেই হট-পটের তুলনা করেছি লেখায়, কারণ টেবিলে বসে প্রায় একই কেতায় খাওয়া হয়, চীজ ফঁদুর সাথে নয়। 
  • dc | 122.174.123.172 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১:৫১498302
  • এই সুযোগে দেখা নেওয়া যাক সেই অমর প্রশ্নঃ ডু য়ু ফন্ডু
     
  • সে | 2001:171b:c9a7:d3d1:1df7:c89a:e579:1f5 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:৩২498309
  • সুকি,
    ফঁদু শব্দটা ফরাসী। ব্রিটিশরা যে ফরাসী শব্দের উচ্চারণ করতে গিয়ে পেছনটা ভালো করেই মেরে রাখে তা নতুন নয়। এখানেও সেটাই করেছে। ফঁদু আসলে চীজের খাবার। বাকিগুলো ফঁদু নয়, ওগুলো নিয়ে খোলাপাতায় মন্তব্য না করাই বিধেয়।
  • সে | 2001:171b:c9a7:d3d1:1df7:c89a:e579:1f5 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:৩৪498310
  • আর "খোদ ফ্রান্স" নিয়ে ফঁদুর মাথাব্যাথা নেই। ওটা সুইস খাবার। ফরাসীরা ওর কী জানে?
  • aranya | 2601:84:4600:5410:bf:20c7:75f3:140b | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৬:৫০498356
  • এই সিরিজ -টা উপভোগ করছি। 
    সুকি, সম্ভব হলে ভারতবর্ষের -এর বিভিন্ন জায়গার খাবার-দাবার নিয়েও লিখ। ভারতের পাঠক-দের অনেকের পক্ষেই তো এসব বিদেশ-এর  রেস্তোরা-য় যাওয়া সম্ভব হবে না 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন