• বুলবুলভাজা  আলোচনা  শিক্ষা

  • শিক্ষক-দিবসও এখন একটা ইভেন্ট

    সীমান্ত গুহঠাকুরতা
    আলোচনা | শিক্ষা | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১২০৩ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • বিষয়টি বিতর্কিত। শিক্ষক-দিবস কি একটি আরও একটি ল্যাজামুড়োহীন দিবস, যেখানে মোবাইল বার্তা আসে, হ্যাপি টিচার্স ডে? শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক কি ক্রমশ কেরানি-গ্রহিতার সম্পর্কে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে? এর পিছনে সরকারের ভূমিকা কি? লেখক তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাপ্রসূত কিছু পর্যবেক্ষণ এবং সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। সকলকে তাতে একমত হতে হবে এমন না। বরং নানা মত কাম্য। সকলেই লিখুন। নানা মতে ভরে উঠুক পাতা।
    অপারেশন বর্গা বা ভূমি-সংস্কারের পাশাপাশি অপর যে সংস্কারটির ফসল বামফ্রন্টের নেতারা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ভোটের আকারে ঘরে তুলেছেন, তা হল শিক্ষকদের চাকরি পাকা করা। ইতিপূর্বে এ রাজ্যে শিক্ষকরা ছিলেন আক্ষরিক অর্থেই হতদরিদ্র। তাঁদের বেতন ছিল যৎসামান্য, তাও নিয়মিত পাওয়া যেত না। ধনী পরিবারে গৃহশিক্ষকতা করে, নানাবিধ উঞ্ছবৃত্তি করে, কখনও বা ধারদেনা করে তারা সংসার প্রতিপালন করতেন। সামাজিক সম্মান তাঁদের হয়তো যথেষ্টই ছিল, কিন্তু সম্মান তো আর ভাতের সঙ্গে মেখে খাওয়া যায় না। বাম-জমানায় এই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি পাকা হল, বেতনবৃদ্ধি হল লক্ষ্যণীয় হারে, তাঁদের জীবন-যাপনে স্থিতি এল, শান্তি এল। শিক্ষাক্ষেত্রে এই সংস্কারটি জরুরি ছিল, সন্দেহ নেই। এবং এর কৃতিত্বও নিঃসন্দেহে তৎকালীন বামনেতাদের প্রাপ্য।
    কিন্তু মুশকিল হল, কোনো সংস্কারই এককালীন হয় না -- তা সে ভূমিসংস্কার হোক বা শিক্ষাক্ষেত্রের কোনো সংস্কার। ‘সংস্কার’ সব সময়ই একটা ‘প্রক্রিয়া’, তাকে ক্রমাগত ‘চালিয়ে’ যেতে হয়। তার নিয়মিত ‘আপডেশন’ দরকার হয়। সেটা হয়নি বলেই দুটি দশকের মধ্যেই ভূমিসংস্কারের চাকা উল্টোদিকে ঘুরতে শুরু করে এবং এ রাজ্যের কৃষি অর্থনীতির মৌলিক কাঠামোটা ফিরে যায় ভূমিসংস্কারের আগের দশায়। তফাৎ শুধু এইটুকু ঘটে যে, আগে বেশিরভাগ জমির মালিকানা থাকত স্থানীয় জমিদার-জোতদারের হাতে, পরে সেই জমিগুলিই চলে আসে পার্টির মাতব্বরের কবলে।
    শিক্ষার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার ঘটেছে। এই প্রসঙ্গে কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেবার লোভ সামলাতে পারছি না। শিক্ষকতার চাকরি পেলাম ২০০৬ সালে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার মাধ্যমে। প্রথম পোস্টিং সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রামে। সেখানেই অস্থায়ী আবাস জুটিয়ে কাজে যোগ দিতে হল। প্রথমদিনই জানা গেল, নাম-কা-ওয়াস্তে একজন প্রধানশিক্ষক থাকলেও স্কুলের যাবতীয় কাজে ছড়ি ঘোরান যে শিক্ষকমহাশয়, তিনি স্থানীয় গ্রামের একটানা কুড়ি বছরের পঞ্চায়েত মেম্বার। তিনি ইচ্ছামত স্কুলে আসেন, সময়-সুযোগমত ক্লাস নেন। যেদিন স্কুলে আসেন, রেজিস্টার খাতায় তার আগের অনুপস্থিতির দিনগুলোতে অম্লানবদনে সই করেন। প্রথম দিন তরুণ মাস্টারমশাইয়ের উদ্দেশ্যে তার সুভাষিতাবলীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশটি হল, ‘শোনো বাবা, শিক্ষকতা অইল এট্টা মহান পেশা, এর জন্যি কত আত্মত্যাগ করতি হয়, বাপ-মা-ভাই-বোন এসব ভাবলি এই পেশায় থাকা চলে না।’ চাকরির প্রথমদিনই সিনিয়ারের মুখে এমনতরো ‘জ্ঞান’ শুনে অন্তরাত্মা শুকিয়ে গেসল। পরদিনই অবশ্য তিনি স্কুলে ঢুকে বললেন, ‘আইজ তো শনিবার। বাড়ি যাবা তো? যাও চলি যাও, আমি হেডমাস্টারমশাইরে বইল্যে দেবখন’।
    এই হল ‘সংস্কার’-কে বদ্ধ জলায় পরিণত করে ফেলার কুফল। বিগত বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঘরোয়া এক রাজনৈতিক আলাপচারিতায় অভিভাবক-স্থানীয় জনৈক প্রবীণ বামপন্থী বললেন, ‘বামফ্রন্ট ছিল বলে তবু চাকরিটা পেয়েছিলে, সেটা মাথায় রেখো’। হাসতে হাসতে তাকে বলেছিলাম, ‘সত্যি কথা। কিন্তু তার চেয়েও বড় সত্যিটা কী জানেন? চাকরিতে যোগ দেবার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে বুঝে গেছিলাম, এখানে কোনো কাজ না করলেও আমাকে শাসন করার কেউ নেই। স্কুলের সমস্ত ছাত্র অক্ষরপরিচয়হীন থেকে গেলেও আমার এক পয়সাও মাইনে কাটা যাবে না। শিক্ষাকে এই অচলাবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার দায়ও কিন্তু বামফ্রন্ট সরকারেরই।’

  • এহো বাহ্য, আগে কহি। সম্ভবত দুহাজার সালে, বাম-শাসনের দুদশক পরে চালু হয় স্কুল সার্ভিস কমিশন। অতঃপর স্কুল-শিক্ষকতা আর দশটি সরকারি চাকরির মতই নিছক একটা চাকরিতে পরিণত হত। লোভনীয় বেতনের হাতছানিতে দলে দলে শিক্ষিত বেকার ছেলেমেয়ে বি এড কলেজ আর বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার কোচিং সেন্টারে ভিড় জমাতে শুরু করল। স্কুল সার্ভিস কমিশন এসে শিক্ষক-নিয়োগে দুর্নীতি অনেকখানি কমিয়ে দিল বটে, কিন্তু ‘বাজার’-কে ঘুরপথে এনে ঢুকিয়ে দিল সরকারি শিক্ষার অঙ্গনে। তৈরি হল কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্কহীন একটা চাকুরিজীবী শ্রেণির। যেকোনো সরকারী অফিসের কেরানির সঙ্গে তার অফিসের যেমন সম্পর্ক হয়, কিন্তু একজন ব্যাঙ্ককর্মীর যেমন সম্পর্ক হয় তার ব্যাঙ্কের সঙ্গে, এই নতুন শিক্ষকশ্রেণির সঙ্গে তাদের স্কুলের সম্পর্কও ঠিক সেই তারে বাঁধা হয়ে গেল। এঁরা বেশিরভাগই দূর-দূরান্ত থেকে স্কুলে আসেন, রুটিন মেপে ক্লাসে যান, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে এদের বেশিরভাগেরই কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকে না, এঁদের মন পড়ে থাকে ঘড়ি আর ক্যালেন্ডারের লাল দাগওয়ালা দিনগুলোর দিকে। লর্ড কর্নওয়ালিস প্রবর্তিত ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ যেমন তৈরি করেছিল জমির সঙ্গে সম্পর্কহীন একটা জমিদারশ্রেণি, ঠিক তেমনই এই স্কুল সার্ভিস কমিশন তৈরি করে শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কহীন একটা শিক্ষকশ্রেণি। গোটা বছরজুড়ে এরা থাকেন নিছক সরকারি কর্মচারী হয়ে। সরকারি অর্ডারের বাইরে তাঁরা এক পাও চলেন না, রুটিনের বাইরে একটা ক্লাসও নেন না, সিলেবাসের বাইরে একটা কথাও বলেন না। শুধু বছরের একটা দিন এঁদের মধ্যে শিক্ষকসত্ত্বা জেগে ওঠে এবং পরম তৃপ্তিতে তারা পরস্পরের পিঠ চুলকোন। সেই একটা দিন হল ৫ সেপ্টেম্বর।
    আরও বড় একটি সমস্যা হল, এই নতুন শিক্ষকশ্রেণি আর্থিকভাবে প্রবলরকম ‘সঙ্গতিসম্পন্ন’ হওয়ায় শ্রেণিকক্ষগুলির মধ্যে তৈরি হচ্ছে এক অদ্ভুত বৈষম্য। এ রাজ্যের সরকার-পোষিত স্কুলগুলোর অধিকাংশ ছাত্রই আসে দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবার থেকে। তাঁদের উল্টোদিকে বসে বা দাঁড়িয়ে যে শিক্ষক বা শিক্ষিকা তাদের পড়ানোর কাজটি করেন, ইদানীং তাঁদের বেশিরভাগেরই পরনে থাকে দামি ব্রান্ডেড জামাকাপড়। তাদের হাতের ঘড়ি, পায়ের জুতো, চোখের সানগ্লাস, স্কুল-চত্বরে দাঁড় করিয়ে রাখা তাদের দু-চাকা বা চার চাকার বাহন সবই হয় ঝাঁ-চকচকে। তাঁদের এই পালিশ করা চেহারা শুধু যে তাঁদেরই দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে এক অদ্ভুত সামাজিক বিভাজন তৈরি করে, তাই-ই নয়, অপরিণত শিশুমনগুলিতে ওই বিলাসদ্রব্যগুলো একজাতীয় লোলুপতা তৈরি করে। এই লোলুপতা ‘বাজার’-এর স্বধর্ম। যা আমার জন্য নিতান্তই অপ্রয়োজনীয় যা আমার সামর্থ্যের বাইরে, তার প্রতি এক অর্থহীন এবং দিশাহীন ‘লোভ’ জাগিয়ে তোলাই তো বাজারের কাজ। এইভাবেই একবিংশ শতাব্দীতে সরকারি সহযোগিতায় শিক্ষাঙ্গনে ঢুকছে বাজার,ঢুকছে ভোগবাদ।
    বছর পাঁচেক আগেকার কথা। একটি ক্লাস সেরে টিচার্স রুমে ঢুকে দেখি টেবিলের ওপর বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন। জানা গেল ছাত্রছাত্রীদের থেকে সেগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একজন দিদিমনি সেই মোবাইলগুলি ঘাঁটছেন আর প্রবল আক্রোশে গজগজ করছেন। দিদিমনি যারপরনাই সুন্দরী, রূপসজ্জা-পটিয়সী, নানা আছিলায় সেলফি তোলা আর ফেসবুকে পোস্ট করা তার সর্বক্ষণের বিলাসিতা। ছেলেরা ফেসবুক থেকে তার প্রোফাইল থাকা ছবিগুলো ডাউনলোড করেছে দেদার। জানতে চাইলাম, মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে – ভাল কথা, তাই বলে তাদের ব্যক্তিগত মোবাইল ঘাঁটা হবে কেন? দিদিমনি হাঁ হাঁ করে উঠলেন, ‘ওরা ফেসবুক থেকে আমার প্রোফাইল পিকচার নামিয়েছে’। সহকর্মীর প্রতি অমন উক্তি করা সাজে না, তবু মুখ ফসকে বেরিয়ে গেসল – ‘বেটার ইউ মেইনটেইন ইয়োর প্রোফাইল’।
    কে কার প্রোফাইল মেইনটেইন করবে আজ? শিক্ষক-দিবসও এখন একটা ইভেন্ট, তাতে প্রাইভেট মাস্টারের চেম্বারে কেক কাটা হয়, প্রচুর খানাপিনাও চলে। হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা আসে ‘হ্যাপি টিচার্স ডে’।
  • বিভাগ : আলোচনা | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১২০৩ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | 117.194.45.124 | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:৩২497701
  • স্কুল সার্ভিস পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঢের আগে ঝাঁকে ঝাঁকে মেয়েরা স্কুলে ঢুকেছে কারণ মেয়েদের জন্য শিক্ষকতা ভাল পেশা এবং বাচ্চা মানুষ করার জন্য গরমের ছুটি এবং পুজোর ছুটি বেশ কাজে আসে। পড়ানোর aptitude আছে কিনা তা ভাবার বিষয় না। বি এডের শেখা জ্ঞান শুধু পরীক্ষা পাশের জন্যই।  এর মধ্যে থেকেও কিছু জন নিশ্চয় ভাল শিক্ষিকা হয়েছেন।  সবাই হন নি বোধহয়। যে alienation এর কথা লেখক বলেছেন, তার গোড়া বোধহয় আরও আগে, আমাদের সামাজিক কাঠামোতে। 
  • Prajjwal Pal | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০০:২৬497702
  • শিক্ষক আর গুরু এক নয়। প্রকৃত গুরু বিদ‍্যা (তত্ত্ব ও তথ‍্য) বিক্রি করেন না এবং শিক্ষার্থীদের জীবনের সামগ্রিক দিক তৈরি করে দেন। প্রচলিত অর্থে শিক্ষক সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বা ব‍্যক্তিগতভাবে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অর্থের বিনিময়ে পড়াতে বাধ‍্য হন। লটারি করে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি, পাশ-ফেল উঠে যাওয়া, শাস্তি উঠে যাওয়া সব মেনে নিতে হয়। আগে আমাদের ছাত্রজীবনে বহু বন্ধুদের অভিভাবক/অভিভাবিকা কোনরকমে পাশ করা সন্তানকে এক ক্লাসে দুইবার স্বেচ্ছায় রেখে দিতেন ভালো করে শেখার জন‍্যে। আর এখন নামি স্কুলের দামি ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক/অভিভাবিকা টুকলি করতে দেওয়ার জন্যে আন্দোলন করছেন, শিক্ষক/শিক্ষিকাদের মারছেন। ফলে শিক্ষক অসহায়। বিদ্যালয় সমাজের ক্ষুদ্র সংস্করণ ফলে সমাজ যা চাইবে তাই হবে। তাছাড়াও প্রাচ‍্য শিক্ষা ব‍্যবস্থায় সব শিক্ষার্থীদের একই সময়ে, বয়সে একটি নির্দিষ্ট পাঠ‍্যক্রম শেষ করতে হবে এমন ব‍্যাপার ছিল না এটা পাশ্চাত্য শিক্ষা ব‍্যবস্থার দান যার কুফল হল পরীক্ষা এবং তার ফলাফল এর উপর জোর, সে সত্যিই শিখলো কিনা জানার উপায় নেই।
  • শক্তি | 2405:201:8005:9078:3574:8c7c:411c:55af | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:১৯497720
  • শিক্ষক দিবস যে একটা ইভেন্ট ছাড়া কিছু নয় তা হয়তো ঠিক। লেখাটি মনোযোগ আকর্ষণ করবেই, সুচিন্তিত এবং অভিজ্ঞতা সঞ্জাত। এ বিষয়ে আমার বক্তব্য আমি আলাদা ভাবেই লিখতে চাই, গুরুচণ্ডা৯ যখন সুযোগ দিয়েছেন। একটু সময় নিচ্ছি 
  • Ramit Chatterjee | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৪:৪৬497732
  • ভীষণ জরুরি দ্রুত এই সমস্যার সঠিক সমাধান খোঁজার চেষ্টা করা। শ্রেণী বৈষম্য যত বাড়ছে, গোটা দেশে এক ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্ব অভিভাবক দের কাছে কমে যাচ্ছে এবং শিক্ষার বেসরকারি করণের পথ সুগম হচ্ছে। গ্রামে ক্লাস 4 এর একটা বাচ্চা যেখানে বিয়োগ ঠিক মত শিখে উঠতে পারছে না সেখানে শহরে নার্সারিিতেই সেসব শেখানোর পর ক্লাস 3 - 4 এর বাচচআকে কোডিং  গলাধঃকরণ করানো হচ্ছে। আর শুধু সরকারি স্কুুুলকে সব দোষ দিয়ে লাভ নেই, বেেসরকারি স্কুলেও অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার হাল বেশ খারাপ। ইংলিশ শিখছে গ্রামার জানে না, অংক মুখস্ত করছে। ওভারঅল শিক্ষা নয়, চাকরির জন্য মুখস্ত বিদ্যা কপচানোর কল হয়ে দাঁড়িয়েছে স্কুলগুলো।
  • জিৎ | 2409:4060:2e0f:3ab8:b174:44d3:1739:1f6b | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৮:১৮497748
  • সবাই ভালো শিক্ষা পেলে সবাই ভালো চাকরি চাইবে। এখন সেরকম চাকরি দেশে কোথায়? ভালো পড়াশুনা শিখে কি পাকোড়া বা চপ ভাজবে? তবু  'তোমরা ঠিকমতো শেখনি, যোগ্যতা থাকলে ঠিকই মোটা মাইনের চাকরি পেতে ' এসব নয়া উদারবাদী গোলগোল কথা বলে চালানো যাচ্ছে। সবাই ঠিকঠাক পড়াশুনা শিখলে শিক্ষার ponzi scheme টা collapse করে যাবে। এখন দেশের দরকার হচ্ছে সস্তা দক্ষ শ্রমিক, যাতে চিন বা ভিয়েতনামের চেয়ে সস্তায় manufacturing করা যায়। সে জন্য নিউ এডুকেশন পলিসি, যাতে প্রচলিত শিক্ষাকে বাদ দিয়ে ভোকেশনাল ট্রেনিং দেওয়া যায়।
  • সীমান্ত গুহঠাকুরতা | 103.75.161.13 | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৮:৪৪497749
  • প্রজ্জ্বল পাল কে লিখছি --

    লটারি করে ভর্তি, পাশফেল তুলে দেওয়া, মারতে না দেওয়া -- এই সবকটি সরকারী সিদ্ধান্ত 'মেনে নিতে হয়েছে' বলে জানিয়েছেন আপনি। আমার কিন্তু মনে হয় উক্ত তিনটিই শিক্ষাবিজ্ঞানের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ পদক্ষেপ। শিক্ষাদান এবং গ্রহণ এমন একটি প্রক্রিয়া যাকে নিয়মিত আপডেট করতে হয়, ক্রমাগত নানা বদলের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বৈদিক যুগের গুরুবাদী শিক্ষাব্যবস্থা আজকের দিনে অচল। ভাগ্যিস অচল। নইলে একলব্যদের কী হাল হয় তা তো আমাদের জানাই আছে। ( একালের একলব্যদেরও অবিশ্যি আমরা ফার্স্ট জেনারেশন লার্নার, বাড়িতে শিক্ষার পরিবেশ নেই ইত্যাদি কত অজুহাতে পিছন দিকে ঠেলে রাখি। মনুবাদ আমাদের অন্তরে আজও সগৌরবে বিরাজমান।) উক্ত তিনটি পদক্ষেপ পরিবর্তিত সময়ের দাবি। শিক্ষার বিজ্ঞানের সাম্প্রতিকতম গবেষণা এবং গণতন্ত্রের সদর্থক প্রসারের সুফল ওগুলি। যখন লটারি ছিল না তখন ভাল স্কুলে শুধু তথাকথির ভাল ছেলেরাই (পড়ুন সম্পন্ন শিক্ষিত পরিবারের) পড়ার সুযোগ পেত। কারণ ভর্তি-পরীক্ষায় তারাই এগিয়ে থাকত। একই যুক্তি বাকি দুটি ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। যে মাস্টারমশাই মারধোর করে ছাত্রদের পড়ান, আসলে তিনি তার অযোগ্যতাকে ঢাকার চেষ্টা করেন ওইভাবে। 
  • Prajjwal Pal | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০০:৫৪497771
  • সত্যি আপনি কত উদার, বাবা মা কি কখনো শিশুদের শাস্তি এবং পুরস্কার দেয় না? শাস্তি এবং পুরস্কার প্রথা শিক্ষা বিজ্ঞানে একটি বিতর্কিত বিষয় হতে পারে, বাতিল যোগ্য নয় কারণ বিদ্যালয় সমাজের ক্ষুদ্র সংস্করণ, সমাজজীবনে প্রতিটি মানুষের সাফল্য এবং ব‍্যর্থতা আসতে পারে, আসতে পারে শাস্তি বা পুরস্কার। এই শাস্তি মানেই মারধর হবে আপনি ধরে নিলেন কিভাবে? একলব‍্যের উদাহরণ তো দিলেন প্রকৃত ঘটনা কেউ জানি না কি হয়েছিল, প্রমাণ নেই কোন। কিন্তু পাশ ফেল না থাকার ফলে চোখের সামনে শিক্ষার্থীদের মান কমছে। দয়া করে আমার লেখা পড়ুন মন দিয়ে আমি শাস্তির কথা লিখেছি, মারার কথা নয়, ঐ কথাটি আপনি নিজে লিখেছেন। আমি "বৈদিক যুগের" এই শব্দ লিখিনি আপনি লিখেছেন।  প্রতিটি শিক্ষা পদ্ধতি, শিক্ষা দর্শনের ভালো মন্দ দিক আছে তা নিয়ে বিতর্ক আছে থাকবেও সেটা ভালো। কিন্তু ভিন্ন মত হলেই তিনি অযোগ্য শিক্ষক এমন আমি কিন্তু লিখিনি আপনি লিখেছেন। আমি প্রাচ‍্যের সাথে পাশ্চাত্যের শুধু পরীক্ষা ব‍্যবস্থার পার্থক‍্যের কথা বলেছি। বলতে চেয়েছি পরীক্ষার উপর জোর দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শেখার উপর জোর কম দেওয়ার কথা। শিক্ষা বিজ্ঞান একটু পড়েছি, এখনো পড়ি প্রয়োজন মতো। গরীব এবং প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া বলে সে ফেল করলেও সর্বশিক্ষার কল‍্যানে পাশ করলে সেতো আরো কয়েক প্রজন্ম পিছিয়ে যাবে, যেমন ইংরেজ আমলে ইংরেজরা ভারতীয়দের কেরানি বা কর্মী তৈরি করার উদ্দেশ্যে শিক্ষা পরিকল্পনা করেছিল। আমি অনেক গরীব লোককেও দেখেছি কষ্ট করে হলেও বেসরকারি ও ইংরেজী মাধ‍্যম স্কুলে ভর্তি করে দিচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণীতে যখন লটারি ছিল না, ভর্তি পরীক্ষা হতো তখন প্রত‍্যেক স্কুলে শিক্ষার্থী মোটামুটি ভাগ হতো এখন লটারির কল‍্যানে এখন আপনার লেখার তথাকথিত "ভালো স্কুল" গুলিতে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে। লটারি হলেও তা একটি অঞ্চলে বা ব্লকে যদি কেন্দ্রীয় ভাবে হতো তবে তা নিরপেক্ষ হতো‌। আপনি "মনুবাদ" এর প্রসঙ্গ তুলেছেন আমি তুলি নি। চাকদহ রামলাল একাডেমির মাননীয় প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক (জাতীয় শিক্ষক) সুবল চন্দ্র মণ্ডল মহাশয়ের সাথে একবার মনুবাদ নিয়ে কথা হয়েছিল এবং বলেছিলাম, নারীদের প্রতি, দলিতদের প্রতি মনুবাদের কুফলের কথা, উনি ওঁর মনুবাদ নিয়ে একটি লেখা পড়তে দেন সেখানে কিন্তু উনি অনেক প্রমাণ সহ মনুবাদ যে নারী এবং দলিতদের পক্ষে তা লিখেছিলেন এবং আরো জানতে বলেন। মনুবাদ নিয়ে বহু বিতর্ক আছে। আপনি "মনুবাদ, বৈদিক" ইত্যাদি শব্দের তথ‍্য প্রমাণ সহ ব‍্যাখ‍্যা এবং আমার পূর্বের মন্তব্যের সাথে প্রাসঙ্গিকতা যদি দয়া করে লেখেন তবে কৃতজ্ঞ থাকবো। মনুবাদের কথা তুলেছেন কেন জানি না, আমার লেখায় কোথাও নারীদের বা দলিতদের নিয়ে কোনো কথা তুলি নি। 

    ধন‍্যবাদ ভালো থাকবেন
  • আফতাব হোসেন | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:৫৩497807
  • মোক্ষম জায়গায় দিয়েছেন ।
    অনেকের শব্দ হবে । অনেকের শত্রুও হবেন ।
    আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলি ...
    বাইরে থেকে চাকরি করতে আসছি শুনে এক মাতব্বর গার্জেন বলেছিলেন .. যা চলছে চলতে দেবেন না হলে মেয়ে কেসে ফাঁসিয়ে দেব ।
    কি চলছে আর কি চলতে দেবে বলছিল ওটা বললাম না।. 
    ওই গার্জেন এখন পঞ্চায়েত মেম্বার । আবার অখন্ড ভারতের ও পোস্ট দেন ফেসবুকে ।
  • Ramit Chatterjee | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২২:৫২497812
  • কি চলছে একটু আলগোছে খোলসা করুন না, নইলে শিক্ষা জগতের বাইরের লোকেরা জানবে কি করে।
  • দেবব্রত মণ্ডল | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:৫১497815
  • Apnar sathe ki konovabe contact kora jabe simanto babu? Jodi konovabe contact kora jeto tahole khub upokrito hota. 
  • পাঠক | 2402:3a80:a44:bfd8:0:74:c75e:5101 | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৪৮497820
  • এই দেবব্রাত মন্ডল সব লেখার নীচে লেখকদের যোগাযোগ চেয়ে বেড়াচ্ছেন কেন?  
  • অনিকেত পথিক | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৪:১০498149
  • সীমান্তবাবুর এই লেখাটা পড়ে একটু হতাশ হলাম। সমস্যাগুলোর কথা এল কিন্তু কিছু সমাধানের কথাও আসা উচিত ছিল। কারণ সমস্যাগুলো এমনই যে তাদের খুব সরল একরৈখিক সমাধান হয় না। যেমন পরীক্ষানির্ভর নির্বাচন পদ্ধতি ছাড়া কিভাবে নিরপেক্ষভাবে শিক্ষক নির্বাচন সম্ভব ছিল ? বাড়ির কাছের লোককে চাকরি দিতে গেলে যে ঘুঘুর বাসা তৈরী হয়ে যায় (ঘুঘুর বাসা অবশ্য এখনো হচ্ছে অন্য কোনো রূপে) সেটা নিশ্চই কাম্য নয়। দ্বিতীয়তঃ লোলুপতা কি শুধু শিক্ষকই তৈরী করেন ? ঝকঝকে পোষাক-বাহন-ফোন ইত্যাদি কি শুধু শিক্ষকেরই আছে ?  ওই যে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে স্মার্টফোন উঠে এসেছে তারা সেটা ইস্কুলেও এনেছে সেটা তো শিক্ষকের দোষে নয়। প্রাইভেট মাস্টারের 'চেম্বারে' বা বেসরকারি ইস্কুলের দরজায় ভীড় হয় কেন ?সে কি শুধুই ইস্কুলে শিক্ষক ঠিকমত পড়ান না বলে ? সময়ের সঙ্গে সবই বদলায়। শিক্ষকতা যদি শুধু পেশা-ই হয়,ক্ষতি কি ? দরকার যথার্থ পেশাদারীত্ব। এই বিষয়ে আপনার মতামত পেলে ভালো লাগত।
     
    স্বাতী রায়ের মন্তব্যটিও অদ্ভুত লাগল। পেশা নির্বাচন মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ীই করে সেই পেশার শর্তগুলোও পছন্দ হওয়া / না হওয়ার কারণের মধ্যে থাকে। ঠিকই যে অনেক মেয়েই 'বাচ্চা মানুষ করার' জন্য অন্য অনেক সম্ভাবনা অগ্রাহ্য করে পড়ানোর চাকরিকে বেছে নেন। তাতে আপত্তির কি আছে ! বাচ্চা মানুষ করা কি কোনো কাজ নয় ? ডাক্তার / ইঞ্জিনিয়ার হবার আগে কি কেউ মেপে দেখে কতটা অ্যাপ্টিটিউড আছে ? এ বিষয়ে আমার তত্ত্ব হল পড়াতে সবাই পারে কেউ বেশি ভালো পারে কেউ কম ভালো পারে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন