ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • আফগানিস্তান নিয়ে তসলিমা নাসরিন 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৯০৯১ বার পঠিত | রেটিং ৪.৪ (৫ জন)
  • তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশ প্রতিদিনে আফগানিস্তান ইত্যাদি নিয়ে একটি লেখা লিখেছেন। তার সারকথা মোটামুটি এইঃ
     
    ১। আমেরিকা আফগানিস্তানে গণতন্ত্র গড়ে দিতে গিয়ে অশ্বডিম্ব প্রসব করেছে।
    ২। সাধারণ মুসলমানরা এখন আফগানিস্তান থেকে পালাচ্ছেন, বা পালাতে চাইছেন, কারণ মুসলমানরাই সপ্তম শতাব্দীর ধর্মীয় আইনকে খুব ভয় পায়। 
    ৩। তালিবানি আইন চূড়ান্ত নারীবিরোধী। সামান্য স্বাধীনতা উপভোগ করতে গেলেই মেয়েদের তারা পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলে। এবারও ফেলবে। বিয়ের নামে যৌনদাসী বানাবে। 
    ৪। এই তালিবানি আইন এক দেশের ব্যাপার না। সিরিয়া এখন এসে গেছে আফগানিস্তানে, আফগানিস্তান বাংলাদেশে। এ হল প্যান ইসলামিজম। গোটা উপমহাদেশকে তার ফল ভুগতে হবে। 
    ৫। বর্বর এই জঙ্গীরা নারীর সর্বনাশ করবে। তাদের মদত দেবার দায় পাকিস্তান, চিন, রাশিয়ার। 
    ৬। দুনিয়ার মুসলমানরা নারীর এই অবমাননার বিরুদ্ধে তেমন প্রতিবাদ করছেনা, যেমন তারা করে থাকে পালেস্তাইনের ক্ষেত্রে। মুসলমান মৌলবাদীরা তো জায়গায় জায়গায় তালিবানের নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছে।
    ৭। নারীর পরনে যে দাসত্বের শৃঙ্খল, তা ভেঙে ফেলতে কয়েক শতাব্দী লেগেছে। এখন দুদিনেই আবার পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ধর্মের আরেক নাম পুরুষতন্ত্র। কিন্তু ধর্মন্ধতা, মৌলবাদ, নারীবিদ্বেষ পুরুষকে রক্ষা করবেনা।
     
    এই সারসংক্ষেপ আমার তৈরি (শুধু পরের মুখে ঝাল না খেয়ে আসল লেখাটি অবশ্যই পড়ুন -- https://www.bd-pratidin.com/editorial/2021/08/19/681973 ) । আলোচনার জন্য। না, তসলিমাকে নিয়ে কিছু বলার নেই, বরং ধন্যবাদই দেবার আছে। এই ধরণের একটি ন্যারেটিভ আভাসে ইঙ্গিতে টুকরো-টাকরায় পশ্চিমী এবং প্রাচ্যের মিডিয়া এবং সোশাল মিডিয়ায় ঘুরছে, সেটাকে গুছিয়ে স্পষ্ট করে লিখে ফেলার জন্য। না লিখলে আলোচনাটাই করা যেতনা। 
     
    তা, এই ন্যারেটিভের কয়েকটি সুনির্দিষ্ট লক্ষণ নিয়ে কথা বলা যাক। এই ন্যারেটিভের প্রথম লক্ষণ হল, আফগানিস্তানকে আফগানিস্তান বানানোর জন্য পাকিস্তান, চিন এবং কখনও সখনও দুষ্টু রাশিয়াকে দায়ী করা। আর আমেরিকাকে স্রেফ একটু ব্যর্থতার জন্য সমালোচনা করা। আমেরিকা আফগানিস্তানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লাট করেছে, সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু উদ্দেশ্য তো ভালোই ছিল, গণতন্ত্রই তো গড়তে গিয়েছিল। মানুষকে ধর্মান্ধতা থেকে স্বাধীনতা দিয়েছিল, মেয়েদের দিয়েছিল ওড়ার আকাশ। কাইট রানার সেই পশ্চিমী স্বাধীনতার প্রতীক, মালালা হল মুখ। এখন আমেরিকার পিছিয়ে আসায় সে আকাশ ভেঙে পড়ে যাচ্ছে, এবার অ্যাসিড বৃষ্টি আসন্ন -- এরকম একটা ভাব। 
     
    তো, এ ন্যারেটিভ এতই মোটাদাগের, এবং এতটাই অলীক, যে, আলাদা করে সমালোচনা করার এমনি কোনো কারণই নেই। তবু লেখা যখন হচ্ছে, তখন সংক্ষেপে, স্পষ্ট করেই বলা যাক, বাস্তবতা থেকে এসব অনেক দূরে। ইন্দোনেশিয়া থেকে আফগানিস্তান হয়ে আরব পর্যন্ত মৌলবাদীদের উত্থানে সক্রিয় ভূমিকা, মদৎ ছিল কাদের তা কোনো গোপন তথ্য নয়। আফগানিস্তানে মুজাহিদিনদের প্রশিক্ষণ, সৌদি আরবের অগাধ কনট্র‌্যাক্ট, এবং তালিবানদের সঙ্গে চলমান আলোচনা, এসব নিশ্চয়ই গণতন্ত্র এবং নারীর অধিকারের স্বার্থে করা হয়নি। বস্তুত জঙ্গী ইসলাম, মূলত প্রত্যক্ষভাবে পশ্চিমের তৈরি।  
     
    এই ন্যারেটিভের দ্বিতীয় লক্ষণটি আরও কৌতুহলোদ্দীপক। লেখাটিতে, এই ধরণের লেখাগুলির সবকটিতেই, দুইটি বর্গের রমরমা। নারী এবং ইসলাম। এই দুটিকে ঘিরেই চর্চা চলে অবিরত। তা, এই নারী বর্গটি নিয়ে বিস্ময়ের কিছু নেই। গোটা পশ্চিমী মিডিয়াতেই এখন তথাকথিত 'অপর'দের প্রাধান্য। নারী হোক বা কালো রঙের লোক। এও এক নির্মিতি। কিন্তু তার গতিবিধি আলোচনা এখানে করা হচ্ছেনা। যেটা আকর্ষণীয়, সেটা হল, অন্য এক 'অপর'এর ক্ষেত্রে এই অপরবান্ধবতা একেবারেই ভেঙে পড়ছে। সেই অপর হল 'ইসলামিজম'। ইসলামও পশ্চিমের এক 'অপর'। পশ্চিমী সভ্যতার আলোর উল্টোপিঠ। কিন্তু এই 'অপর'কে গৌরবান্বিত করার ব্যাপার তো নেইই, বরং পুরোটাই ভিলেনের রঙে আঁকা। প্যান ইসলামিজম এখানে ভিলেন। দুষ্টু লোক। 
     
    এটা একটু কঠিন করে বলা হয়ে গেল। সোজা করে বললেই ব্যাপারটা বোঝা যাবে। ধরুন, হিলারি ক্লিন্টন ছিলেন যুদ্ধবাজ। বা মার্গারেট থ্যাচার উজিয়ে ফকল্যান্ডে যুদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু এঁদের জন্য নারীবাদকে বা নারীকে পশ্চিমী মিডিয়ায় কেউ ভিলেন ঠাওরায়না। যদি আদৌ কথাটা ওঠে, তখন বলা হয়, ওগুলো ব্যক্তির লক্ষণ, নারী নামক বর্গের নয়। কথাটা অবশ্য ওঠেইনা, বস্তুত এঁদের গৌরবের প্রশ্নে এই লক্ষণগুলোকে সযত্নে আড়াল করা হয়। যেমন হিলারি ক্লিন্টনের পক্ষের মিডিয়া ন্যারেটিভ ছিল 'গ্লাস সিলিং ভাঙা'। যুদ্ধ টুদ্ধ তার অনেক পিছনে। এই সমর্থন  বা সহমর্মিতা কিন্তু ইসলামিজম পায়না। আড়াল করার তো প্রশ্নই নেই, বরং হিলারির সম্পূর্ণ উল্টোদিকে গিয়ে লাদেন একজন বিচ্ছিন্ন মানুষ নন, একটি প্রতীক হয়ে যান, যদিও হিসেব করলে দেখা যাবে, লাদেনের আদেশে একটি শহরের একটি বহুতল ভেঙেছে, হিলারির আদেশে হয়তো একশটি। মুসলমানরা সদলবলে তালিবানদের নিন্দে না করে ভিলেন হয়ে যান, কিন্তু দুনিয়ার পশ্চিমীরা, মিডিয়া সহ, বুশ নামক এক রাষ্ট্রনায়কের স্রেফ গুলবাজি করে ইরাক নামক একটি গোটা দেশকে ধ্বংস করে দেবার নিন্দে সজোরে কখনই করে উঠতে পারলনা, তাই তারা গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। এই অন্তর্নিহিত দ্বিচারিতা, আলোকজ্জ্বল পশ্চিমে আছে। ফলে লিঙ্গ বা গাত্রবর্ণ নিয়ে যতই ঢক্কানিনাদ চলুক, আদতে অপরবান্ধবতা, বোঝা যায়, পশ্চিমের আর পাঁচটি গিমিকের মধ্যে একটি।
     
    তৃতীয় এবং সর্বশেষ লক্ষণটি এখানে লক্ষ্যণীয়, যে, শুধু ইসলামিজম-বনাম-নারী দ্বৈত নয়, আরও একটি দ্বৈতও এখানে প্রকট। সেটি হল নারী বনাম পুরুষ। নারীকে শুধু জঙ্গী ইসলামই পীড়ন করছে তা নয়, সামগ্রিক ভাবে পুরুষও একই দোষে দুষ্ট। অর্থাৎ শুধু 'ঐস্লামিক' পুরুষ নয়, এই ক্ষেত্রে বৃহত্তর ভিলেনটি হল পুরুষ। এর জন্য নির্মান করা হয়েছে একটি নতুনতর বর্গ, পুরুষতন্ত্র। ইংরিজিতে যে কথাটি ব্যবহৃত হত, বা এখনও হয়, তার বাংলা হল পিতৃতন্ত্র। সেটা ব্যবহার করা হত, বা হয়, একটি নির্দিষ্ট কারণে। পিতৃতন্ত্র একটি ব্যবস্থা, যা পুরুষ এবং নারীর জন্য অসমঞ্জস অবস্থান নির্ধারণ করে। অর্থাৎ, পুরুষ যুদ্ধ করবে, দেশনেতা হবে, নারী বাড়ির কাজ করবে, নার্স ও শিক্ষিকা হবে -- মোটাদাগে বললে, এইরকম। নারীর স্বার্থে এই ব্যবস্থাটা বদলানো দরকার, বিংশ শতকের নানা ঢেউএর নারীবাদ, সেই কথাই বলত, আভ্যন্তরীন নানা বিতর্ক এবং মতভেদ সত্ত্বেও। এখানে কাঠামোগতভাবে কোনো ভিলেন ছিলনা। কিছু পুরুষ নিশ্চয়ই বদ, পুংরা জাতিগতভাবেই ভিলেন না, ভিলেন হল কাঠামোটা। একবিংশ শতকে জনপ্রিয় আখ্যানে বিষয়টা বদলাতে শুরু করে। ব্যবস্থা নয়, সরসরি 'ম্যান'কে ভিলেন তৈরি করা হয়। পুরুষের বৈশিষ্ট্য আলাদা করে চিহ্নিত করে তাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। তৈরি হয় 'টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি' বা 'ম্যানসপ্লেনিং' এর মতো বর্গ। বিংশ শতকের 'এমসিপি' জাতীয় বর্গের সঙ্গে এর তফাত হল, এমসিপি বা মেল-শভিনিস্ট-পিগ বলা হত কিছু ব্যক্তিকে। কিন্তু 'বিষাক্ত পৌরুষ' জাতীয় বর্গ সামগ্রিকভাবে পুরুষের লক্ষণকে উদ্দেশ্য করে তৈরি। ইংরিজিতে পিতৃতন্ত্র বর্গটি এইভাবেই তার পুরোনো অর্থ থেকে নড়েচড়ে গেছে। শব্দটি যদিও বদলায়নি। বাংলায় সোজাসাপ্টা ভাবে শব্দটিই বদলে পিতৃতন্ত্রের জায়গায় পুরুষতন্ত্র করে ফেলা হয়েছে। এই বর্গের ব্যবহার একটুও আপতিক না, কারণ তসলিমার আখ্যানও এই একই লক্ষ্যে ধাবিত। 
     
    এটাও একটু কঠিন করে বলা হয়ে গেল। সোজা করে বললে, ধরুন, আপনার চারদিকে 'প্রগতিশীল' মনে করেন এমন একজন মানুষকেও দেখেছেন, যিনি তালিবানদের সমর্থক? লিঙ্গ বা ধর্ম নির্বিশেষে? খবরের কাগজে এরকম লোকেদের কথা নিশ্চয়ই পড়েছেন, কিন্তু কাছে পিঠে? সম্ভবত দেখেননি। কারণ তালিবানি কথাটিই প্রায় সর্বজনস্বীকৃত নিন্দাসূচক শব্দ। খোদ আফগানিস্তানেও পুরুষরা কি খুন হচ্ছেন না, না লড়ছেন না? নিশ্চয়ই তালিবানরা সংখ্যায় অনেক, কিন্তু উল্টোদিকটাও, কম হলেও তো আছে। তার মরছে টরছেও। তাহলে ধর্ম পুরুষদের রক্ষা করছে, বা চিরকাল করবেনা, এই কথাটার মানে কী? 
     
    মানে একটাই। এই কথাটা শুধু নয়, সামগ্রিক ভাবে তিনটি লক্ষণেরই। একবিংশ শতকে রাজনীতির নতুন বয়ান তৈরি হচ্ছে। এগুলো তার অংশ। সেখানে আমেরিকা বা সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমী সাম্রাজ্যবাদ আর ভিলেন নয়। মূল ভিলেন সন্ত্রাসবাদ, বা পড়ুন প্যান ইসলামিজম। খুচরো ভিলেন সামগ্রিকভাবে পুরুষরা। এবং সহমর্মিতা ধাবিত হবে, নারী, কালো, নিচু জাত এই বর্গগুলির দিকে। বিংশ শতকের রাজনীতির থেকে যা অনেকটাই আলাদা। 
     
    বিংশ শতকের রাজনীতির এরকম নির্দিষ্ট কেন্দ্রিকতা ছিলনা। পশ্চিমী দুনিয়ায় মূল শত্রু ছিল কমিউনিজম। নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত। তৃতীয় বিশ্বে পরিস্থিতি ঠিক উল্টো ছিল। সেখানে চিরশত্রু ছিল পুঁজিপতিরা এবং আমেরিকা। দুই জায়গাতেই এই রাজনীতিই মূল প্রাধান্য পেত। নারী বা কৃষ্ণাঙ্গ বা সমকামীদের ইস্যু ছিল পিছনের সারিতে। তারা মাঝেমাঝে উপচে পড়ত মূল ধারায়। চলত বিতর্ক। এখন হয়েছে ঠিক উল্টো। লিঙ্গ-বর্ণ-জাত -- শুধু উপচে পড়েছে নয়, নির্ণায়ক জায়গা নিয়ে নিয়েছে রাজনীতিতে। অবাস্তবরকম চরম জায়গায়ও চলে যাচ্ছে থেকেথেকেই। উল্টোদিকে পুঁজিবাদ আর ভিলেন নয়, নতুন ভিলেন হয়েছে, আগেই যা বলা হল, সন্ত্রাসবাদ, পুং ইত্যাদি। 
     
    রাজনীতি এভাবেই বদলায়। বিতর্ক হয়। আবার বদলায়। তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু একবিংশ শতকের রাজনীতির একটা জায়গাই খুবই বিপজ্জনক। তার রাজনীতির এককেন্দ্রিকতা। বিতর্কের অভাব। বিংশ শতকের রাজনীতি, তার সমস্ত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, বিতর্কের অভাবে কখনও ভোগেনি। বিতর্কের অভাব, পৃথিবীর ইতিহাসে, বরাবরই টোটালিটারিয়ান বা প্রায়-টোটালিটারিয়ান ব্যবস্থা ডেকে এনেছে। সে ম্যাকার্থির আমেরিকাই হোক, বা হিটলারের জার্মানি। শুধু তসলিমা তো নন, তাঁর লেখায় যে তিনটি লক্ষণের কথা বলা হয়, বাম-দক্ষিণ নির্বিশেষে সেগুলি সকলেরই গ্যান্ড ন্যারেটিভ হয়ে উঠছে। ভয়টা সেখানেই। গ্র‌্যান্ড ন্যারেটিভের ভয়। দেয়ার ইজ নো অল্টারনেটিভ এর ভয়। যে ভয়, বিংশ শতকে কেউ কখনও পায়নি। 
  • | রেটিং ৪.৪ (৫ জন) | বিভাগ : আলোচনা | ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৯০৯১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • র২হ | 49.37.33.108 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:৫৫497239
  • আর বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ তাঁদের স্বাধীনতাটি কাঁচা এমন শুনলে খুব একটা সম্মানিতও বোধ করেন না!
     
    মানে, সিরিয়াসলি, এমন একটা সলিউশন তোমার কাছে প্রেফার্ড যাতে নিশ্চিতভাবেই 'আরো বেশী মানুষ মারা যেত'? বিভৎস অপমানজনক সিভিলিয়ানের মৃত্যু? যে মৃত্যুতে ভিকটিমের কনসেন্ট স্টেক কিছুই নেই? সিরিয়াসলি?!
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:৫৭497240
  • তর্কের খাতিরে কল্লোলদা একটু বয়ে গেছেন আর কি 
  • ? | 115.114.47.197 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৫:২১497242
  • বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস।
    যদি কোনো রাষ্ট্রে বন্দুকের নলের জোরে কিছু লোক ক্ষমতা দখল করে রাষ্ট্রকাঠামোকে, তার নাগরিকদের নিজেদের ভোগ্য ও অধীন করে তোলে, তবে অন্যান্য দেশগুলোর মনে করিয়ে দেওয়াই উচিত বন্দুক শুধু কিছু মানুষের একচেটিয়া নয়। মানুষ রাষ্ট্রপরিচয়ের বাইরে শুধু মনুষ্যত্বের দাবিতেই বাকি পৃথিবীর মানুষের সাহায্য চাইতে পারে। সে সাহায্য তাকে করাটা কর্তব্য। আফগানিস্তান থেকে যারা চলে যেতে চায়, অন্য দেশে, সংখ্যালঘু হলে তাদের অভিবাসন দেওয়াটা বাকি পৃথিবীর কর্তব্য।  আর মেজরিটি দেশের মানুষ তালিবানদের অধীনে থাকতে না চাইলে তালিবানেরা যাতে সে দেশের শাসনভার হাতে না রাখতে পারে সেটা দেখাটাও বাকি পৃথিবীর কর্তব্য।  সীমান্ত করে মানুষকে ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোনো দেশে আটকে রাখা অনৈতিক। কল্লোলদা সমর্থন করছেন?
  • Kallol Dasgupta | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৬:০২497245
  • র২হ। বাংলাদেশের স্বাধীনতাটি "কাঁচা" এটা একজন অ-বাংলাদেশী বললে যেকোন বাংলাদেশীর গায়ে লাগবে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এমনি কাউকে জিজ্ঞাসা করুন স্বাধীন বাংলাদেশ কেমন মনে হয় ? তারপর উত্তরে যেসব অ-সংসদীয় কথার চাষ হবে, তা আর কহতব্য নয়। সব কিছুই দাম দিয়ে পেতে হয়। মানুষ মারা যাবার চিন্তা থাকলে অতো ভাষা আন্দোলন করে মানুষ মারা যাবার চক্করে যাবার কি ছিলো ? পাকিস্তানের কথা মেনে নিয়েই তো শান্তিই শান্তি থাকতো। মানুষ মরতো না। 
    হ্যাঁ। ভিয়েৎনামের লড়াই বহুদিন ধরে চলেছে, তাতে বহু মানুষ মারা গেছেন। দেশটা শক্তপোক্ত হয়েছে। চীনারা নাক গলিয়ে উত্তর কোরিয়া "সমাজতান্ত্রিক" করে দেয়। তাতে কি হয়েছে আজ দেখা যাচ্ছে। আমেরিকা নাক গলিয়েছিলো কিন্তু শেষ পর্যন্ত সরে এসে দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষকে তাদের সরকার গড়তে দিয়েছে। ফল আজ ফলছে। এমন নয় যে দঃ কোরিয়ায় গরীব নেই। সকলেই দারুণ সুখে আছে। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার মতো ভয় আর ত্রাসে নেই। 
     
    ? - আন্তর্জাতিক ব্রিগেড গড়ে যতোবার এইসব "ত্রাতা" সাজার চেষ্টা হয়েছে, ততোবার উল্টো ফল হয়েছে- প্রমাণ বলিভিয়া, কঙ্গো, স্পেন। আপনার তত্ত্বে এখন একমাত্র বিশ্বাসী আইসিস। সেখানেই নানা দেশের মানুষ লড়ছে একসাথে ইসলামী সাম্রাজ্য কায়েমের চেষ্টায়।  
     
  • র২হ | 49.37.33.108 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৬:১৮497247
  • এই তর্কটা আট বছর আগে একবার হয়ে গেছে, বিপ্লবদা কুলদাবাবু এঁরাও ছিলেন, আর পুনরাবৃত্তির মানে নেই। কাটালাম।
  • Kallol Dasgupta | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৭:১২497250
  • র২হ। পুরনো তক্কের লিংক খুঁজে পেলে দিস তো। কি যে বলেছিলাম তখন মনে নেই। 
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৭:২১497251
  • তো কল্লোলদার চমকপ্রদ প্যারামিটার গুলো ধরলে তো আজকের নাইজেরিয়া পাপুয়া , মোজাম্বিক সুদান  এসব দেশগুলোর শক্তপোক্ত  হতে  হতে পুরো স্টিল হয়ে যাওয়া উচিত মনে হয়। মানে জন্মে ইস্তক এসব দেশে ট্রাইবাল ওয়ারফেয়ার চলছে কি না।
  • একক | 2409:4060:2e08:f3ae:8128:b147:6219:91d0 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৭:২৪497253
  • [ এখেনে খুব কম লোকের সঙ্গে তক্কেই সে রেগেমেগে যাবে কিনা ভরসা পাইনে কল্লোলদা ছাড়া :) অতএব আবার ]
     
    " চীন, রাশিয়া, আমেরিকা, কিউবা, ভারত কারুর তাঁবে আফগানিস্তানের কোন ভালো হবার নেই। তাদের দেশের মানুষ ঠিক করবে ওখানে কি হবে বা হবে না। সেটা ঠিক করার অধিকার আর কারুর নেই।"
     
    কেনো নেই ??? পাশের ​​​​​​​ফ্ল্যাটে ​​​​​​​বৌ ​​​​​​​ক্যালালে ​​​​​​​বা ​​​​​​​শিশুসন্তানের ​​​​​​​মেরে ​​​​​​​মুখ ​​​​​​​ফাটিয়ে ​​​​​​​দিলে ​​​​​​​তুমি ​​​​​​​চুপ থাকবে ​​​​​​​দিনের ​​​​​​​পর দিন ? এই ​​​​​​​যে ​​​​​​​ব্যক্তিস্বাধীনতাকে ​​​​​​​মেনে ​​​​​​​নিয়েও , সভ্যতার ​​​​​​​একটা কমন ​​​​​​​ডেফিনিশনকে ​​​​​​​রক্ষা ​​​​​​​করা ​​​​​​​এবং ​​​​​​​দরকার ​​​​​​​হলে ব্যক্তিস্বাধীনতা ​​​​​​​রক্ষার ​​​​​​​স্বার্থেই ​​​​​​​ইনভেড ​​​​​​​করা ​​​​​​​;এতো ​​​​​​​ইউরোপীয় ​​​​​​​মোরালিটির ​​​​​​​দান। ​​​​​​​তুমি ​​​​​​​তো ​​​​​​​এঙ্গেলস পড়েচ ; ব্যক্তি ​​​​​​​-পরিবার ​​​​​​​-সমাজ ​​​​​​​-দেশ ​​​​​​​এগুলো ​​​​​​​যে ​​​​​​​শুধু ​​​​​​​সেট ​​​​​​​ও ​​​​​​​সাবসেট ​​​​​​​ও ​​​​​​​তার ​​​​​​​এপ্লিকেশন ​​​​​​​লেয়ার ​​​​​​​মাত্র ​​​​​​​;তা ​​​​​​​বুজতে অসুবিধে ​​​​​​​কেন ?? 
     
    "তাদের দেশের মানুষ " কি মঙ্গোল গ্রহের ?? এই পৃথিবী তো ! জাস্ট বিগার সেট !! আজ ওই ছুঁচো গুলো মেয়েদের পাথর ছুঁড়বে কাল লিথিয়ামের পয়সায় আরো বলীয়ান হয়ে যদি বলে অলিম্পিকে স্টোনিং একটা ইভেন্ট হিসেবে রাখা হোক ?? 
     
    যদ্দিন পজ্জন্ত এই গ্রহের একটা রুমালের মত জায়গার  ও অর্থনীতি -বিদেশনীতি -সংস্কৃতি এগুলো বৃহত্তর ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে সক্ষম তদ্দিন তো সে আমাদের স্কেল অনুযায়ী সভ্য না অসভ্য সেই প্রশ্ন থাকবে। যে কারনে আমি চাইবোনা রেগুলার ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স করা একটা লোক আমার পাড়ায় থাকুক ,তাকে এসাইলামে পাঠাবো একই কারনে লিথিয়ামের খনির উপর বসে থাকা তালিবানদের বাড়বাড়ন্ত মেনেনেওয়া যাবে কীকরে ? 
     
    যারা তেলের ওপর বসেছিলো তাদের সময় পড়তির দিকে। কিন্তু তাতেই তারা কিভাবে টেরোরিজম প্রমোট করেছিল দেখেচি | আফগান দখলে যাওয়ার পর তালিবানরা নতুন প্রোমোটার | কোই শক ?? এখানে আফগানিস্তান না হয়ে মাদাগাস্কার হলেও প্রশ্নটা এক :তালিবানদের ক্ষমতাবৃদ্ধি সভ্যতার পক্ষে অশুভ | 
     
    [কোন সভ্যতা ? হ্যাঁ ইউরোসেন্ট্রিক | ব্যাকটেরিয়া তাড়াতে এখনও  এন্টিবায়োটিক ই লাগে ] 
  • a | 14.201.190.139 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৭:৪৯497256
  • তাহলে সব মিলিয়ে কি খাড়াইল? তালিবান হটাতে আফগানদের ভিতর থেকে উঠে আসা গান্ধীবাদ অথবা ইউ এনের হস্তক্ষেপ? কোনটা পারসু করছি আমরা? 
  • Kallol Dasgupta | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৮:১৯497257
  • একক। তোর সাথে আমার প্রথম দেখা হওয়াটা মনে আছে ? তুই আমায় চিনিস না, আগে দেখিস নি, ছবিও না। শুধু ঈপ্সিতা আমাকে তোর ফোন্নং দিয়েছিল তাতেই কথা ও দিন ঠিক করে দেখা। তুই কিন্তু আমার আইডি দেখতে চাস নি, আমিও তোরটা চাই নি। কিন্তু এটাই যদি রাষ্ট্রীয় ব্যাপার হত, নানান প্রোটোকল থাকতো। কেন বল তো ? ব্যক্তি পরিসর আর রাষ্ট্রের পরিসর আলাদা। রাষ্ট্র-পরিবার-ব্যক্তি মালিকানা সবই মানুষের তৈরী করা ভুয়ো ব্যাপার। কিন্তু চাই বা না চাই মানতে হয়। ভূটানে গেলেও পাসপোর্ট না হোক আইডি দেখতে চায়। তাই পাশের বাড়ি আর পাশের দেশের তুলনা হয় না। তবু যদি পাশের বাড়ির নিপীড়িতকে উদ্ধারের জন্য গিয়ে নিপীড়ককে ক্যালাস, তাতে আনেক সময়েই নিপীড়িতের থেকে শুনতে হয় আপনি কেন আমার পরিবারের ব্যাপারে নাক গলাচ্ছেন ? তখন এক গাল মাছি ছাড়া আর কিছু থাকে না। কোনটা নিপীড়ন কোনটা নয় কে ঠিক করবে ? অবলোকনকারী না  নিপীড়িত ? আর বললামই তো রাষ্ট্র আর ব্যক্তি পরিসর একেবারেই এক নয়। ব্যক্তি সামজিক সত্ত্বা, রাষ্ট্র সমাজবিচ্ছিন্ন - ঐ এঙ্গেলসই কয়েছেন। 
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৮:২৪497258
  • অর্থাৎ পাশের বাড়িতে বৌ পেটালে প্রতিবেশী র আটকাতে যাওয়া বা নালিশ করা উচিত নয় -এই তো ? তারা নিজেরা বুঝে নিক। যত তারা লড়াই করবে , তত বাড়িটা শক্ত পোক্ত হবে। দেয়ালে পেরেক পোঁতা যাবেনা। 
  • a | 14.201.190.139 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ২০:১০497262
  • আহা বৌ পেটানোটা নিপীড়ন কে বলেছে? ওসব ওয়েস্টার্ন মতামত চাপিয়ে দেবেন না বাইরে থেকে, প্লিজ।ওনাদের নিজেদের বিবাদ বুঝে নিতে দিন।    
     
  • sm | 42.110.137.86 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ২০:৪৫497267
  • পিটিয়ে তো দিলেন। পিটোতে গিয়ে যদি বর বেচারা মারা যায়! তখন কি বলবেন নিজেকে? 
    তার পর যদি শোনেন,ওটা ঝগড়া মারামারি ছিলো না,টিভি সিরিয়াল চলছিলো! তখন?
  • Kallol Dasgupta | ২৭ আগস্ট ২০২১ ২১:৩৪497269
  • আপনাদের যুক্তি কম পড়িয়াছে, তাই আশ-কথা পাশ-কথা নিয়া খিল্লির ব্যর্থ চেষ্টা করেছেন। আমি তো লিখলামই - "পাশের বাড়ি আর পাশের দেশের তুলনা হয় না", তারপরেও পাশের বাড়ি নিয়ে কথা বলে যাবেন। আসল যুক্তিটায় আসুন ভাইসব - অন্য রাষ্ট্র তার নাগরিকদের উপর অমানবিক হলে, মেয়েদের উপর অত্যাচার করলে সেখানে সৈন্য সামন্ত নিয়ে শিক্ষা দিয়ে আসতে হবে।  কি তাইতো ?
    তৈলে - 
    ১) ইসরায়েলএ গিয়ে প্যালেস্তিনীয়দের ইসরায়েল রাষ্ট্রের অত্যাচার থেকে বাঁচাতে ভারতকে কি কি করতে হবে, সেই নিইয়ে এট্টু জ্ঞান বিতরণ করেন। আমেরিকাই বা কি কি করতে পারে জানাবেন।
    ২) সৌদী আর ইরাণেও না মেয়েদের উপর কি অবিচারটাই না হয়। তারপর এই দেখুন অপরাধের শাস্তি কি প্রকাশ্যে শিরচ্ছেদ কোন সভ্য দেশে হয় ? বলুন ? সেখানে আমেরিকার কি করা উচিৎ - এনিয়ে যদি এট্টু আলো দেন। 
    ৩) এই তো পাশে বাংলাদেশে হিন্দুদের কেমন বিনাকারনে অত্যাচার করা হয়, মেরেও ফেলে। আর কেই না হোক ভারতের তো কিছু করা উচিৎ, তাই না ? কি কি করা উচিৎ যদি সামান্য উপদেশ দিতেন, বড্ড ভালো হতো।
    ৪) এইত্তো চীনে উইঘুরদের ওপর কি অমানুষিক অত্যাচার হয়েছে। তা আমেরিকা কি কি কোল্লো ?  আপনি জানেন ? কিছু না করে থাকলে ভারতের তো সৈন্য-টইন্য নিইয়ে যাওয়া উচিৎ, তাই না ?
    ৫) বার্মায়ও তো রোহিঙ্গাদের ঝাড়েবংশে মেরে ফেলছে, তাড়িয়ে দিচ্ছে। ভারত কি কিছুই কত্তে পারে ন ? কি করবে যদি বলে দিতেন।  
    ৬) পাকিস্তানেও তো সংখ্যলঘদের ওপর কি অত্যাচার হয়। আমেরিকা, ভারত কি কিচ্ছুটি করবে না ? বলুল না ?
    লিস্টি আর লম্বা করবো ? আচ্ছা - আগে এই কটারই উত্তর পাই। তাপ্পর মোদীকে বাইডেনকে জানতে হবে। কাজ কি কম ?
     
    আর না দিতে পারলে - হক্কলের বাসার ঠিকানা দিবেন - পঞ্চানন তর্করন্তের নব্যন্যায়ের তর্কসিদ্ধান্ত পাটিয়ে দেবো। পড়াশুনা করা ভালো। পেট ঠান্ডা থাকে। 
     
  • ? | 115.114.47.197 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ২২:৫৯497273
  • হ্যাঁ আফগানিস্তানের মেয়েদের বোরখা নিয়ে যাদের এত সমস্যা তারা আগে নিজের দেশের ঘোমটা ও পর্দাপ্রথার নিরসন করুক। আফগানিস্তানের মেয়েদের সেক্স স্লেভ হওয়ার চিন্তায় যাদের রাতে ঘুম হচ্ছে না, তারা আগে নিজের দেশের মেয়েদের সেক্স স্লেভারি বন্ধ করুক। মৌলবাদ, ধর্মান্ধতা, পিতৃতন্ত্র ইত্যাদি ও দেশের সমস্যাগুলি আপনার নিজের দেশেও কিছু কম নেই। সেগুলো যদ্দিন সামলে উঠতে পারছেন না, ্তদ্দিন অন্যকে জ্ঞান দেওয়া বন্ধ করুন। তবে মনে রাখবেন, আপনি একটি গণতান্ত্রিক দেশে বাস করছেন, আর এমন একটি দেশের সাথে তুলনা করছেন যাকে বন্দুকের নলের জোরে কিছু মানুষ দখল করেছে। সেখানে একটা যুদ্ধ চলছে। গৃহযুদ্ধ হলেও সেটা যুদ্ধ।  এই মুহূর্তে দেশে একটা যুদ্ধ শুরু হলে, আর তাতে হেরে গেলে নিজের নিজেদের অবস্থাটা কী হতে পারে সেন্স করতে পারছেন তো?
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৮ আগস্ট ২০২১ ০২:২২497277
  • বোঝো। যেসব আপনাদের উত্তর দেওয়ার কথা  সেগুলো আবার কল্লোলদা উল্টে আমাদেরই জিগাচ্ছেন। এতো ঘুরিয়ে নাক দেখানো চলছে পুরো। ওকে ,  তাহলে এক এক করে আমার ভিউ পয়েন্ট গুলো দিয়ে দি ? 
     
    ১। "ইসরায়েলএ গিয়ে প্যালেস্তিনীয়দের ইসরায়েল রাষ্ট্রের অত্যাচার থেকে বাঁচাতে ভারতকে" কিচ্ছু করার ​​​​​​​দরকার ​​​​​​​নেই  তো । ​​​​​​​আম্রিগা ​​​​​​​তো ​​​​​​​অলরেডি ​​​​​​​অনেক ​​​​​​​করছে . সেটা ​​​​​​​আপনাদের ​​​​​​​পছন্দ ​​​​​​​নয় তো কি ​​​​​​​করা যাবে , যেসব ​​​​​​​আম্রিগান ​​​​​​​আছেন এই ​​​​​​​ফোরামে ​​​​​​​সৈকতবাবুর ​​​​​​​মতো ​​​​​​​তারা ​​​​​​​নাহয় ​​​​​​​তাদের ​​​​​​​মতো ​​​​​​​করে ​​​​​​​চেষ্টা ​​​​​​​চালান ​​​​​​​ওখানে। আর ​​​​​​​পাশের ​​​​​​​এতগুলো ​​​​​​​ইসলামিক ​​​​​​​দেশ ​​​​​​​কি ​​​​​​​করছে ? 
     
    ২। "সৌদী আর ইরাণেও না মেয়েদের উপর কি অবিচারটাই না হয়। "- এইটা ​​​​​​​নিয়েই ​​​​​​​তো ​​​​​​​শুরু ​​​​​​​হয়েছিল।তো আমি ​​​​​​​জিগালাম কি ​​​​​​​করা ​​​​​​​উচিত . তখন ​​​​​​​সৈকতবাবু ​​​​​​​বললেন ​​​​​​​আম্রিগার ​​​​​​​নাকি হাত ​​​​​​​গুটোনো ​​​​​​​উচিত। ​​​​​​​তো ​​​​​​​সেটাও ​​​​​​​তো ​​​​​​​তাদেরই - মানে আম্রিগার নাগরিকদের ই ​​​​​​​দেখার ​​​​​​​কথা ​​​​​​​- তাইনা ? এখন আবার আপনি সেটাই জিগাচ্ছেন  কি করা উচিত ? ওটা ​​​​​​​আগে ​​​​​​​আপনারা ​​​​​​​নিজেরা ​​​​​​​ঠিক ​​​​​​​করে ​​​​​​​ন্যান ​​​​​​​বরং। ​​​​​​​নাহলে ​​​​​​​নিজেরাই ​​​​​​​ঘেটে ​​​​​​​ছড়িয়ে ফেলছেন। 
     
    3."এই তো পাশে বাংলাদেশে হিন্দুদের কেমন বিনাকারনে অত্যাচার করা হয়, মেরেও ফেলে"- তার ​​​​​​​জন্যেই ​​​​​​​তো ​​​​​​​মোদী সরকারের সিএএ ​​​​​​​বিল ​​​​​​​আনা ​​​​​​​হয়েছে ​​​​​​​সেসব ​​​​​​​প্রতিবেশী ​​​​​​​দেশের ​​​​​​​পার্সুকাটেড সংখ্যালঘুদের ​​​​​​​নাগরিকত্ব ​​​​​​​দেওয়ার ​​​​​​​জন্যে।প্রথমে ​​​​​​​ভাবতাম ​​​​​​​ওটা ​​​​​​​ভুল। ​​​​​​​এখন ​​​​​​​তালিবান ​​​​​​​নিয়ে ​​​​​​​আপনাদের উলুত পুলুত রিঅ্যাকশন দেখে ​​​​​​​বুঝতে ​​​​​​​পারছি ​​​​​​​ওটাই ​​​​​​​একদম ​​​​​​​ঠিক ​​​​​​​স্টেপ। 
     
    ৪। "এইত্তো চীনে উইঘুরদের ওপর কি অমানুষিক অত্যাচার হয়েছে।" ভারতের ​​​​​​​কিচ্ছু ​​​​​​​করার ​​​​​​​দরকার ​​​​​​​নেই তো। এতগুলো ইসলামিক দেশ পাশেই আছে তো ওদের নিয়ে চিন্তা করার জন্যে।  ওরা ​​​​​​​কি ​​​​​​​ভারতে ​​​​​​​রেফিউজি ​​​​​​​স্টেটাস ​​​​​​​চেয়েছে ? তাহলে ​​​​​​​ভারত ​​​​​​​কেন ​​​​​​​নাক ​​​​​​​গলাবে ?
     
    আফগানিস্তানের সাথে গোলাবেন না আশা করি। ওখান থেকে ভারতে লোক পালিয়ে আসার চেষ্টা করছে , মানে যারা  পৌঁছতে পারছে আর কী। অনেকেই তো তালিবান , আইএস এর দয়ায় এয়ারপোর্টে ভবপারে। 
     
    ৫। "বার্মায়ও তো রোহিঙ্গাদের ঝাড়েবংশে মেরে ফেলছে, তাড়িয়ে দিচ্ছে।"-ভারত ​​​​​​​অনেক ​​​​​​​রোহিঙ্গাদের ​​​​​​​আশ্রয় ​​​​​​​দিয়েছে ​​​​​​​তো। ​​​​​​​আর ​​​​​​​কি ​​​​​​​করবে ? আর এতগুলো ইসলামিক দেশ পাশেই আছে তো ওদের নিয়ে চিন্তা করার জন্যে। তারা সবাই কি করেছে এখনো অবধি ? (বাংলাদেশকে ছেড়ে দিচ্ছি। শেখ হাসিনা যেভাবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন , আমার মতে ওনার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল।  সিরিয়াসলি. ইয়ার্কি মারছিনা। আর বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে কালকের কমেন্টটা খুব নিচু টেস্টের -আপনার থেকে অন্তত আশা করিনা)
     
    ৬। "পাকিস্তানেও তো সংখ্যলঘদের ওপর কি অত্যাচার হয়।"- সিএএ ​​​​​​​বিল।রেফার নম্বর ৩। 
     
    আরো প্রশ্ন থাকলে দ্যান। বেশ একটা কুইজ কুইজ ফিলিং আসছে  মাইরি । 
     
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৮ আগস্ট ২০২১ ০৪:৩১497279
  • ও হ্যা. বাকি সব জায়গায় ইন্ডিয়ার মাথা ঘামানোর দরকার নেই বলছি। এদিকে আফগানিস্তানে কেন আমেরিকান অকুপেশন সাপোর্ট করছি সেটাও বলে দি আপনি জিগানোর আগে। তালিবানগুলো শুধু জঙ্গি নয়। বেসিকালি যুদ্ধ আর গুলি চালানো ছাড়া আর কিছু শেখেনি গত কয়েকশো বছর ধরে। সৈয়েদ মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে দেখে ন্যান। যেহেতু দেশ চালানোর রিসোর্স বা জ্ঞান কিছুই নেই, ইন কামিং দেস , এদের অনলি রিসোর্স হবে ড্রাগ চালান আর মার্সেনারি। সব ট্রাবলড জায়গায়- ইনক্লুডিং কাশ্মীর এরা জঙ্গি এক্সপোর্ট করবে। বাকি দুনিয়ায় যা ইচ্ছে হোকগে যাক। নিজের ঘরের পাশে আমি কখনোই চাইবোনা এ ধরণের ধর্মান্ধ , ফ্যানাটিক জঙ্গিরা ফুটহোল্ড পাক। সেখানে আমেরিকান ব্রিটিশ , আফ্রিকান পাওয়ারফুল দেশগুলো যারা এদের থেকে কম ধর্মান্ধ তারা যেকেউ ওদের দাবিয়ে রাখতে পারলে আমার বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই . আশা করি বোঝাতে পারলাম ? 
  • বিপ্লব রহমান | ২৮ আগস্ট ২০২১ ০৭:৩৭497284
  • তসলিমা নাসরিন বরাবরই তার ছক কাটা শত্রুদের আক্রমণের বাইরে যান না, এ এক আশ্চর্য বিকার! 
    রাশিয়াকে বাগে রাখতে আমেরিকার তালেবান প্রশিক্ষণ, অস্ত্রের যোগান, এমনকি পপি ক্ষেতের চাষ সম্পর্কে তিনি নীরবই থাকেন। 
    তালেবান ও শরিয়া আইন অবশ্যই খুব ঘৃণ্য, কিন্তু অন্তত ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানে প্রত্যক্ষ মার্কিনী শাসন বৈধ ছিল? 
    আমেরিকার, তুরস্ক, চিন, রাশিয়া, পাকিস্তানি ক্রীড়নকদের সামগ্রিক সুতো তসলিমা আর কবে দেখবেন! 
     
  • বিপ্লব রহমান | ২৮ আগস্ট ২০২১ ০৭:৪৩497285
  • র২হ। বাংলাদেশের স্বাধীনতাটি "কাঁচা"...(!?) আজকাল এইসব তর্কে খুব হাই ওঠে, চন্ডলের নাম উঠেছে, তাই জানিয়ে গেলাম। 
    ভাল থাকুন সকলে 
  • Kallol Dasgupta | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১০:০০497289
  • অমিত। আমার উত্তর পাওয়া হয়ে গেছে। তুমি মনে করো কারুর বাড়িতে বউ পেটালে যেমন প্রতিবেশীদের গিয়ে সেই বাড়ি চালানোর ভার নেওয়া উচিৎ তেমনি কোন দেশে মানুষের ওপর অত্যাচার হলে আমেরিকার উচিৎ সেই দেশ "অকুপাই" করে নেওয়া। 
    ভারতে বিনা বিচারে বিরোধীদের জেলে আটকে রাখা হচ্ছে।ফেসবুকে লাইভ করে দলিত বলে মানুষ পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাতে হত্যাকারী শাসকদলের হয়ে ভোটে দঁড়িয়েও পড়ছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মন্ত্রী বলছে গোলি মার শালোঁকো। থলে না ফ্রিজে গরুর মাংস আছে বলে পিটিয়ে মেরেই ফেলা হচ্ছে। ধর্ষকের সমর্থনে শাসক দল মিছিল করছে। আমেরিকা তবে ভারত "অকুপাই" করবে। নাকি এসব কিছু না করে আফগানদের শরণার্থী স্ট্যাটাস দিয়ে আফগালিস্তানে একটা স্যাংশন চাপিয়ে দিলেই যথেষ্ট। কি জানি ?? তবে আমেরিকা ভারত "অকুপাই" করলে তোমার যে খুব আলহাদ হবে তা টের পাচ্ছি।
    আমি তোমায় বাম বলে জানতাম। সে আমার গাধামো। তুমি আমেরিকান "অকুপেশন"এর সমর্থক,এনআরসি-সিএএর সমর্থক। ঠিকই আছে। বামও কতো রকম হয় এও দেখা হলো। ভিয়েৎনামে কমিউনিস্টেরা কি গাধামোই না করেছে আমেরিকার "অকুপেশন" হঠিয়ে - এটাও শুনতে হবে "বাম"দের থেকে।   
    হেপ্পি অকুপেশন। 
  • আরে | 192.184.90.177 | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১০:২৩497291
  • বাকুনিন এলে হুদাই ঠিক হই যাবে। চিন্তা কইরেন্না। যাও সব নিজ নিজ কাজে।
  • Ramit Chatterjee | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১০:৩০497292
  • প্রথমত, এখানেও প্রচুর পপি চাষ করা দরকার। পোস্তর দাম যেভাবে বাড়ছে, বেশি বেশি করে চাষ করলে একটু নাগালের মধ্যে আসবে। আমাদের জল হাওয়ায় ভালোই চাষ হবে।
    দ্বিতীয়ত, আমেরিকা সুপার পাওয়ার ছিল এবং আছে। থাকবে কিনা সময়ই বলবে। কিন্তু আমেরিকা দিনে দিনে ভীষন রকম সেলফ সাফিশিয়েন্ট হয়ে যাচ্ছে। এমনকি বর্তমানে প্রযুক্তি র উন্নতির কারনে যে তেল তোলা আগে তোলা যেত না, এখন প্রচুর পরিমাণে তোলা যাচ্ছে। টেক্সাসের তেল কোম্পানি গুলোর রমরমা দেখার মতো। এছাড়াও দেশে উৎপাদিত দ্রব্যের বাজার হিসেবে আমেরিকার বিপুল পপুলেশন রয়েছে। নিরাপত্তা শিল্পেও ওরা এক নম্বর, সব টপ লেভেলের অস্ত্রপাতি রয়েছে, আটলান্টিক পার করে কারুর সেথায় হামলা করা খুব কঠিন,  তাই কারুর থেকে কোনো নিরাাপত্তা র ও দরকার নেই। অটোমেশন এর উন্নতির ফলে   আমেরিিকা র  ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প কেেও চীন  থেকে দেশে ফেরানো সম্ভব। একমাত্র সেমিকন্ডাকটর এর জন্য তাাই ওয়ান কে এখনো দরকার। তো সব মিিলিয়ে আমেরিকা   দেখছে সবার  ব্যাপরে নাাক গলিয়ে বেেশি লাভ নেই। ওরা আবার আইসোলেশনিস্ট পলিসি নিতে চায়, বাকিরা যা করছে করুক গিিয়ে। আবার বড়ো কোনো গ্লোবাল ইভেেন্ট হলে  দেখা যাাবে। তাই আমার বিিশ্বাস 5 -10 বছরের মধ্যে আমেরিকা  ধীরে ধীরে সবকিছু অন্তরজাতিিিকক বিিিষয় থেকে হাত গুটিিয়ে নেবে। বাকি দের নিজের কুকুর নিজেদের সামলাতে হবেে।
     
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১১:১৮497294
  • মাইরি কল্লোলদা। এবার আপনি একগাদা ধারণা আমার মুখে বসিয়ে দিলেন। শুধু আমেরিকা নয়, আমি বলেছি যেকোনো দেশে একটা মেজর স্কেলে হিউম্যানিটেরিয়ান ক্রাইসিস হলে ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির সাইলেন্ট হয়ে থাকা উচিত নয় জাস্ট ইন্টারনাল ম্যাটার বলে ছেড়ে দিয়ে। 
     
    আচ্ছা - আজকে ধরুন আপনার প্রতিবেশী ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এ ইনভল্ভড। আপনি নিজে কি করবেন ? 
  • sm | 2402:3a80:aa5:362b:0:63:f1be:9601 | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১১:৪০497295
  • যাক একটা নির্দিষ্ট দেশ থেকে ইন্টারন্যাশনাল কম্যুনিটি এলো,তাহলে!
  • Kallol Dasgupta | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১২:২৯497296
  • অমিত। অ্যারে কয় গুলপুস্ট সরাইয়া পুলভোল্টের পিট বানানো। 

    তুমি ২৮ আগস্ট ২০২১ ১১:১৮ লিখছো - "আমি বলেছি যেকোনো দেশে একটা মেজর স্কেলে হিউম্যানিটেরিয়ান ক্রাইসিস হলে ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির সাইলেন্ট হয়ে থাকা উচিত নয় জাস্ট ইন্টারনাল ম্যাটার বলে ছেড়ে দিয়ে। "

    ২৮ আগস্ট ২০২১ ০৪:৩১ বলেছো - "আফগানিস্তানে কেন আমেরিকান অকুপেশন সাপোর্ট করছি সেটাও বলে দি আপনি জিগানোর আগে"

    মানে তুমি “ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির সাইলেন্ট হয়ে থাকা উচিত নয়” বলতে বোঝাচ্ছো একটা দেশে সৈন্যসামন্ত নিয়ে গেঁড়ে বসা ও সেখানে একটা পুতুল সরকার চালানো। যা ভিয়েৎনামে আমেরিকা ৭০ বছর আগেও করেছিলো। সেটাই করা উচিৎ।

    অপূর্ব।

    আমি মনে করি অন্যায় হচ্ছে মনে হলে প্রতিবাদ করা উচিৎ সকলেরই। তার জন্য আন্তর্জাতিক ফোরাম আছে। তেমন মনে হলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছেদ, ব্যবসা বন্ধ এসবও করা যেতেই পারে। কিন্তু “অকুপাই” ?????

    অসাধারণ।

    জিগাইছ – আজকে ধরুন আপনার প্রতিবেশী ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এ ইনভল্ভড। আপনি নিজে কি করবেন ? 

    আমি পাড়ার পাঁচজনকে ডেকে কথা বলবো। তারপর প্রতিবেশী পরিবারের সাথে কথা বলে এসব বন্ধ করার কথা বলবো। দরকারে পুলিশে খবর দেবো। দোষী ব্যক্তির সাথে মেলামেশা করবো না।

    তুমি কি করবে ? এবার তোমার মুখে আমিই কথা বসাই ? বলে কয়েই বসালাম। 

    তুমি তোমার পাড়ার বন্ধুদের নিয়ে প্রতিবেশীর বাসায় চড়াও হবে। দোষী ব্যক্তিকে উত্তম-মধ্যম দেবে। অত্যাচারীতকে সে পরিবারের প্রধান বানাবে। তাকে গাঁট্টা মারা, খিল দিয়ে পেটানো, ঝাঁটা দিয়ে পেটানো শেখাবে। দরকারে খিল ও ঝাঁটা কিনে দেবে। ও তার পরিবারের মূল্যবান বস্তু গাপ করবে, নিরাপত্তা দেবার বদলে।

    আমার কেমন বমি পাচ্ছে তোমায় এই ভূমিকায় ভাবতে।   

    অ্যার নাম “ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির” ভুকাল হওয়া !!!!!!

    রক্ষে করো। 

  • Amit | 118.211.26.57 | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১২:৪৩497299
  • আচ্ছা অকুপাই নিয়ে ঠিক কবে থেকে আপনি এতো সেনসিটিভ হয়ে গ্যালেন ? কমিউনিস্ট সরকারকে রক্ষার নামে সোভিয়েতরা ৬০-৮০ এ পূর্ব ইউরোপ থেকে আফগানিস্তান - এক গাদা দেশে ট্যাংক ঢুকিয়ে তো সেখানে পাপেট সরকার চালাতো। তখন আপনার স্ট্যান্ড কি ছিল ?
  • একক | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১৩:০১497302
  • আবার!  ঃ)) 
     
    প্রথমত এংগেলস খুড়ো রাস্ট্র নিয়ে লিখেছিলেন দেশ নয়, প্রধানত আধুনিক গঠন্তন্ত্রের কাঠামো ইত্যাদি থেকে অনেক আগের সে লেখা। আমি সেট - সাবসেট বোঝাতে প্রসঙ্গ টেনেচি। গনতন্ত্রের কাঠামোতে দেশ আদোউ কতটা সমাজবিযুক্ত,  রাস্ট্র যেমন তা নিয়ে সন্দেহ আচে। দেশের ভোটদাতাদের প্রভাবিত করতে হয় যুদ্ধ লাগানোর জন্য -  তারা যুদ্ধবাজ দলজে নিরবাচন করে আনে। এমনি এমনি আকাশ থেকে কিচু হয়না,  কাজেই আধুনিক দেশ রাস্ট্র যাই বলো তাকে সমাজবিযুক্ত বলাটা যাস্ট যুক্তিতে দাঁড়ায় না। 
     
    দ্বিতীয়ত,  হোয়াই অকুপাই? ?? 
     
    উত্তর সিম্পল। লজিস্টিক কারনে। 
    কারো বাড়িতে বাচ্চার উপর বা মেয়েদের উপির ভায়োলেন্স হলে কোর্ট নিরদেশ দিতে পারে যে মহিলাকে সেফ শেল্টার দেওয়া হোক।
    একটা দেশশুদ্ধু লোক আনসেফ হলে মলেস্টেড হলে কি আরেকটা নতুন দেশ বানাবে তাদের সেফ শেল্টার হিসেবে??  ল্যান্ড কই?  আর অপ্রেসন ত কালচার থেকে আসচে।  শুধু একজন দুজনের ব্যাপার না। কাজেই লজিস্টিকস এর দিক দিয়ে বেস্ট সলিউশন গোটা দেশটা অকুপাই করে তাদের সভ্য করা। 
     
    এগুলো ত একেবারেই ফীসিবিলিটির ব্যাপার। ওরকম " উচিত " এর কিচু না। প্রথম পোস্টেই লিখেছিলুম, ইউরোপীয় সভ্যতার মডেল যদ্দিন ফিসিবল ছিল,  সেভাবে চলেচে। এখন সভ্য করে তোলার চে অসভ্য থাকতে দিয়ে শর্ট টারম ফায়দা তোলা এবং দালালি খাওয়া বেশি জরুরি তাই জংগীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া মোর ফীসিবল। তাই হচ্চে। 
     
    এবার প্রথম মডেল টায় মানুষ সভ্য ছিল না এখন আচে সেইটে প্রশ্ন। আন্তর্জাতিক ফোরাম সেখানে নাক গলাতে ত পারেই এমনকি উপরিউক্ত কারনে অকুপাই কেও সাপোর্ট দিতে পারে। 
  • Kallol Dasgupta | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১৫:২০497309
  • অমিত। ঐ সময় থেকেই আমরা (পরে যারা নকশাল হলাম) সোভিয়েৎ সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ বলতাম। অন্যেরা প্রভূত্বকামী সংশোধনবাদী বলতো। আর কেউ কেউ বলতো রাইট অর রং সোভিয়েৎ হর টাইম সাচ্চা/সবসে আচ্ছা। 
  • Kallol Dasgupta | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১৫:২৪497310
  • একক। দেশ বা রাষ্ট্র আলাদা কিচু নয়। দেশেরও হাত পা নেই রাষ্ট্রেরও নেই। চালায় তার মূর্ত রূপ সরকার। সেটা চিরকাল সমাজবিচ্ছিন্ন। সরকার একটা আলাদা ক্ষমতাকেন্দ্র। 
  • একক | ২৮ আগস্ট ২০২১ ১৬:০৪497312
  • এগুলো ত ওপিনিয়ন।  এর যুক্তি গঠনপ্রক্রিয়া কি?  যেসময় পুঁথিতে এসব লেখা হত তখন কার রাস্ট্র আর এখনকার রাস্ট্র এক নয়। কোন যৌকতিক স্ট্রাকচার ছাড়া " অমুক হল তমুক "  টোনে কথা বলা কি ঠিক?  
     
    আমি বলছি,  রাস্ট্রকে সমাজবিচ্ছিন্ন করে মডেল খারা করার মধ্যে নিহিত আচে,  ব্যক্তির বৌদ্ধিক চিন্তা ও বাস্তবের অসফলতা জনিত হতাশা। এই পাগ্লাটে ছাগ্লাটে সিস্টেম আমরাই বানিয়েছি সেটা মেনে নিলে যে বৌদ্ধিক হতাশা ও ব্যর্থতা গ্রাস করবে তাকে এড়াতে এই এলিয়েনেশন যে রাস্ট্র একটা আলাদা হাওয়াকল। 
     
    তো লাও এটা আমার থেওরি। যুক্তিক্রম নেই - স্টাডি নেই - ভ্যালিডেশন নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন