ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • আফগানিস্তান নিয়ে তসলিমা নাসরিন 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৯০৮৮ বার পঠিত | রেটিং ৪.৪ (৫ জন)
  • তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশ প্রতিদিনে আফগানিস্তান ইত্যাদি নিয়ে একটি লেখা লিখেছেন। তার সারকথা মোটামুটি এইঃ
     
    ১। আমেরিকা আফগানিস্তানে গণতন্ত্র গড়ে দিতে গিয়ে অশ্বডিম্ব প্রসব করেছে।
    ২। সাধারণ মুসলমানরা এখন আফগানিস্তান থেকে পালাচ্ছেন, বা পালাতে চাইছেন, কারণ মুসলমানরাই সপ্তম শতাব্দীর ধর্মীয় আইনকে খুব ভয় পায়। 
    ৩। তালিবানি আইন চূড়ান্ত নারীবিরোধী। সামান্য স্বাধীনতা উপভোগ করতে গেলেই মেয়েদের তারা পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলে। এবারও ফেলবে। বিয়ের নামে যৌনদাসী বানাবে। 
    ৪। এই তালিবানি আইন এক দেশের ব্যাপার না। সিরিয়া এখন এসে গেছে আফগানিস্তানে, আফগানিস্তান বাংলাদেশে। এ হল প্যান ইসলামিজম। গোটা উপমহাদেশকে তার ফল ভুগতে হবে। 
    ৫। বর্বর এই জঙ্গীরা নারীর সর্বনাশ করবে। তাদের মদত দেবার দায় পাকিস্তান, চিন, রাশিয়ার। 
    ৬। দুনিয়ার মুসলমানরা নারীর এই অবমাননার বিরুদ্ধে তেমন প্রতিবাদ করছেনা, যেমন তারা করে থাকে পালেস্তাইনের ক্ষেত্রে। মুসলমান মৌলবাদীরা তো জায়গায় জায়গায় তালিবানের নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছে।
    ৭। নারীর পরনে যে দাসত্বের শৃঙ্খল, তা ভেঙে ফেলতে কয়েক শতাব্দী লেগেছে। এখন দুদিনেই আবার পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ধর্মের আরেক নাম পুরুষতন্ত্র। কিন্তু ধর্মন্ধতা, মৌলবাদ, নারীবিদ্বেষ পুরুষকে রক্ষা করবেনা।
     
    এই সারসংক্ষেপ আমার তৈরি (শুধু পরের মুখে ঝাল না খেয়ে আসল লেখাটি অবশ্যই পড়ুন -- https://www.bd-pratidin.com/editorial/2021/08/19/681973 ) । আলোচনার জন্য। না, তসলিমাকে নিয়ে কিছু বলার নেই, বরং ধন্যবাদই দেবার আছে। এই ধরণের একটি ন্যারেটিভ আভাসে ইঙ্গিতে টুকরো-টাকরায় পশ্চিমী এবং প্রাচ্যের মিডিয়া এবং সোশাল মিডিয়ায় ঘুরছে, সেটাকে গুছিয়ে স্পষ্ট করে লিখে ফেলার জন্য। না লিখলে আলোচনাটাই করা যেতনা। 
     
    তা, এই ন্যারেটিভের কয়েকটি সুনির্দিষ্ট লক্ষণ নিয়ে কথা বলা যাক। এই ন্যারেটিভের প্রথম লক্ষণ হল, আফগানিস্তানকে আফগানিস্তান বানানোর জন্য পাকিস্তান, চিন এবং কখনও সখনও দুষ্টু রাশিয়াকে দায়ী করা। আর আমেরিকাকে স্রেফ একটু ব্যর্থতার জন্য সমালোচনা করা। আমেরিকা আফগানিস্তানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লাট করেছে, সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু উদ্দেশ্য তো ভালোই ছিল, গণতন্ত্রই তো গড়তে গিয়েছিল। মানুষকে ধর্মান্ধতা থেকে স্বাধীনতা দিয়েছিল, মেয়েদের দিয়েছিল ওড়ার আকাশ। কাইট রানার সেই পশ্চিমী স্বাধীনতার প্রতীক, মালালা হল মুখ। এখন আমেরিকার পিছিয়ে আসায় সে আকাশ ভেঙে পড়ে যাচ্ছে, এবার অ্যাসিড বৃষ্টি আসন্ন -- এরকম একটা ভাব। 
     
    তো, এ ন্যারেটিভ এতই মোটাদাগের, এবং এতটাই অলীক, যে, আলাদা করে সমালোচনা করার এমনি কোনো কারণই নেই। তবু লেখা যখন হচ্ছে, তখন সংক্ষেপে, স্পষ্ট করেই বলা যাক, বাস্তবতা থেকে এসব অনেক দূরে। ইন্দোনেশিয়া থেকে আফগানিস্তান হয়ে আরব পর্যন্ত মৌলবাদীদের উত্থানে সক্রিয় ভূমিকা, মদৎ ছিল কাদের তা কোনো গোপন তথ্য নয়। আফগানিস্তানে মুজাহিদিনদের প্রশিক্ষণ, সৌদি আরবের অগাধ কনট্র‌্যাক্ট, এবং তালিবানদের সঙ্গে চলমান আলোচনা, এসব নিশ্চয়ই গণতন্ত্র এবং নারীর অধিকারের স্বার্থে করা হয়নি। বস্তুত জঙ্গী ইসলাম, মূলত প্রত্যক্ষভাবে পশ্চিমের তৈরি।  
     
    এই ন্যারেটিভের দ্বিতীয় লক্ষণটি আরও কৌতুহলোদ্দীপক। লেখাটিতে, এই ধরণের লেখাগুলির সবকটিতেই, দুইটি বর্গের রমরমা। নারী এবং ইসলাম। এই দুটিকে ঘিরেই চর্চা চলে অবিরত। তা, এই নারী বর্গটি নিয়ে বিস্ময়ের কিছু নেই। গোটা পশ্চিমী মিডিয়াতেই এখন তথাকথিত 'অপর'দের প্রাধান্য। নারী হোক বা কালো রঙের লোক। এও এক নির্মিতি। কিন্তু তার গতিবিধি আলোচনা এখানে করা হচ্ছেনা। যেটা আকর্ষণীয়, সেটা হল, অন্য এক 'অপর'এর ক্ষেত্রে এই অপরবান্ধবতা একেবারেই ভেঙে পড়ছে। সেই অপর হল 'ইসলামিজম'। ইসলামও পশ্চিমের এক 'অপর'। পশ্চিমী সভ্যতার আলোর উল্টোপিঠ। কিন্তু এই 'অপর'কে গৌরবান্বিত করার ব্যাপার তো নেইই, বরং পুরোটাই ভিলেনের রঙে আঁকা। প্যান ইসলামিজম এখানে ভিলেন। দুষ্টু লোক। 
     
    এটা একটু কঠিন করে বলা হয়ে গেল। সোজা করে বললেই ব্যাপারটা বোঝা যাবে। ধরুন, হিলারি ক্লিন্টন ছিলেন যুদ্ধবাজ। বা মার্গারেট থ্যাচার উজিয়ে ফকল্যান্ডে যুদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু এঁদের জন্য নারীবাদকে বা নারীকে পশ্চিমী মিডিয়ায় কেউ ভিলেন ঠাওরায়না। যদি আদৌ কথাটা ওঠে, তখন বলা হয়, ওগুলো ব্যক্তির লক্ষণ, নারী নামক বর্গের নয়। কথাটা অবশ্য ওঠেইনা, বস্তুত এঁদের গৌরবের প্রশ্নে এই লক্ষণগুলোকে সযত্নে আড়াল করা হয়। যেমন হিলারি ক্লিন্টনের পক্ষের মিডিয়া ন্যারেটিভ ছিল 'গ্লাস সিলিং ভাঙা'। যুদ্ধ টুদ্ধ তার অনেক পিছনে। এই সমর্থন  বা সহমর্মিতা কিন্তু ইসলামিজম পায়না। আড়াল করার তো প্রশ্নই নেই, বরং হিলারির সম্পূর্ণ উল্টোদিকে গিয়ে লাদেন একজন বিচ্ছিন্ন মানুষ নন, একটি প্রতীক হয়ে যান, যদিও হিসেব করলে দেখা যাবে, লাদেনের আদেশে একটি শহরের একটি বহুতল ভেঙেছে, হিলারির আদেশে হয়তো একশটি। মুসলমানরা সদলবলে তালিবানদের নিন্দে না করে ভিলেন হয়ে যান, কিন্তু দুনিয়ার পশ্চিমীরা, মিডিয়া সহ, বুশ নামক এক রাষ্ট্রনায়কের স্রেফ গুলবাজি করে ইরাক নামক একটি গোটা দেশকে ধ্বংস করে দেবার নিন্দে সজোরে কখনই করে উঠতে পারলনা, তাই তারা গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। এই অন্তর্নিহিত দ্বিচারিতা, আলোকজ্জ্বল পশ্চিমে আছে। ফলে লিঙ্গ বা গাত্রবর্ণ নিয়ে যতই ঢক্কানিনাদ চলুক, আদতে অপরবান্ধবতা, বোঝা যায়, পশ্চিমের আর পাঁচটি গিমিকের মধ্যে একটি।
     
    তৃতীয় এবং সর্বশেষ লক্ষণটি এখানে লক্ষ্যণীয়, যে, শুধু ইসলামিজম-বনাম-নারী দ্বৈত নয়, আরও একটি দ্বৈতও এখানে প্রকট। সেটি হল নারী বনাম পুরুষ। নারীকে শুধু জঙ্গী ইসলামই পীড়ন করছে তা নয়, সামগ্রিক ভাবে পুরুষও একই দোষে দুষ্ট। অর্থাৎ শুধু 'ঐস্লামিক' পুরুষ নয়, এই ক্ষেত্রে বৃহত্তর ভিলেনটি হল পুরুষ। এর জন্য নির্মান করা হয়েছে একটি নতুনতর বর্গ, পুরুষতন্ত্র। ইংরিজিতে যে কথাটি ব্যবহৃত হত, বা এখনও হয়, তার বাংলা হল পিতৃতন্ত্র। সেটা ব্যবহার করা হত, বা হয়, একটি নির্দিষ্ট কারণে। পিতৃতন্ত্র একটি ব্যবস্থা, যা পুরুষ এবং নারীর জন্য অসমঞ্জস অবস্থান নির্ধারণ করে। অর্থাৎ, পুরুষ যুদ্ধ করবে, দেশনেতা হবে, নারী বাড়ির কাজ করবে, নার্স ও শিক্ষিকা হবে -- মোটাদাগে বললে, এইরকম। নারীর স্বার্থে এই ব্যবস্থাটা বদলানো দরকার, বিংশ শতকের নানা ঢেউএর নারীবাদ, সেই কথাই বলত, আভ্যন্তরীন নানা বিতর্ক এবং মতভেদ সত্ত্বেও। এখানে কাঠামোগতভাবে কোনো ভিলেন ছিলনা। কিছু পুরুষ নিশ্চয়ই বদ, পুংরা জাতিগতভাবেই ভিলেন না, ভিলেন হল কাঠামোটা। একবিংশ শতকে জনপ্রিয় আখ্যানে বিষয়টা বদলাতে শুরু করে। ব্যবস্থা নয়, সরসরি 'ম্যান'কে ভিলেন তৈরি করা হয়। পুরুষের বৈশিষ্ট্য আলাদা করে চিহ্নিত করে তাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। তৈরি হয় 'টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি' বা 'ম্যানসপ্লেনিং' এর মতো বর্গ। বিংশ শতকের 'এমসিপি' জাতীয় বর্গের সঙ্গে এর তফাত হল, এমসিপি বা মেল-শভিনিস্ট-পিগ বলা হত কিছু ব্যক্তিকে। কিন্তু 'বিষাক্ত পৌরুষ' জাতীয় বর্গ সামগ্রিকভাবে পুরুষের লক্ষণকে উদ্দেশ্য করে তৈরি। ইংরিজিতে পিতৃতন্ত্র বর্গটি এইভাবেই তার পুরোনো অর্থ থেকে নড়েচড়ে গেছে। শব্দটি যদিও বদলায়নি। বাংলায় সোজাসাপ্টা ভাবে শব্দটিই বদলে পিতৃতন্ত্রের জায়গায় পুরুষতন্ত্র করে ফেলা হয়েছে। এই বর্গের ব্যবহার একটুও আপতিক না, কারণ তসলিমার আখ্যানও এই একই লক্ষ্যে ধাবিত। 
     
    এটাও একটু কঠিন করে বলা হয়ে গেল। সোজা করে বললে, ধরুন, আপনার চারদিকে 'প্রগতিশীল' মনে করেন এমন একজন মানুষকেও দেখেছেন, যিনি তালিবানদের সমর্থক? লিঙ্গ বা ধর্ম নির্বিশেষে? খবরের কাগজে এরকম লোকেদের কথা নিশ্চয়ই পড়েছেন, কিন্তু কাছে পিঠে? সম্ভবত দেখেননি। কারণ তালিবানি কথাটিই প্রায় সর্বজনস্বীকৃত নিন্দাসূচক শব্দ। খোদ আফগানিস্তানেও পুরুষরা কি খুন হচ্ছেন না, না লড়ছেন না? নিশ্চয়ই তালিবানরা সংখ্যায় অনেক, কিন্তু উল্টোদিকটাও, কম হলেও তো আছে। তার মরছে টরছেও। তাহলে ধর্ম পুরুষদের রক্ষা করছে, বা চিরকাল করবেনা, এই কথাটার মানে কী? 
     
    মানে একটাই। এই কথাটা শুধু নয়, সামগ্রিক ভাবে তিনটি লক্ষণেরই। একবিংশ শতকে রাজনীতির নতুন বয়ান তৈরি হচ্ছে। এগুলো তার অংশ। সেখানে আমেরিকা বা সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমী সাম্রাজ্যবাদ আর ভিলেন নয়। মূল ভিলেন সন্ত্রাসবাদ, বা পড়ুন প্যান ইসলামিজম। খুচরো ভিলেন সামগ্রিকভাবে পুরুষরা। এবং সহমর্মিতা ধাবিত হবে, নারী, কালো, নিচু জাত এই বর্গগুলির দিকে। বিংশ শতকের রাজনীতির থেকে যা অনেকটাই আলাদা। 
     
    বিংশ শতকের রাজনীতির এরকম নির্দিষ্ট কেন্দ্রিকতা ছিলনা। পশ্চিমী দুনিয়ায় মূল শত্রু ছিল কমিউনিজম। নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত। তৃতীয় বিশ্বে পরিস্থিতি ঠিক উল্টো ছিল। সেখানে চিরশত্রু ছিল পুঁজিপতিরা এবং আমেরিকা। দুই জায়গাতেই এই রাজনীতিই মূল প্রাধান্য পেত। নারী বা কৃষ্ণাঙ্গ বা সমকামীদের ইস্যু ছিল পিছনের সারিতে। তারা মাঝেমাঝে উপচে পড়ত মূল ধারায়। চলত বিতর্ক। এখন হয়েছে ঠিক উল্টো। লিঙ্গ-বর্ণ-জাত -- শুধু উপচে পড়েছে নয়, নির্ণায়ক জায়গা নিয়ে নিয়েছে রাজনীতিতে। অবাস্তবরকম চরম জায়গায়ও চলে যাচ্ছে থেকেথেকেই। উল্টোদিকে পুঁজিবাদ আর ভিলেন নয়, নতুন ভিলেন হয়েছে, আগেই যা বলা হল, সন্ত্রাসবাদ, পুং ইত্যাদি। 
     
    রাজনীতি এভাবেই বদলায়। বিতর্ক হয়। আবার বদলায়। তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু একবিংশ শতকের রাজনীতির একটা জায়গাই খুবই বিপজ্জনক। তার রাজনীতির এককেন্দ্রিকতা। বিতর্কের অভাব। বিংশ শতকের রাজনীতি, তার সমস্ত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, বিতর্কের অভাবে কখনও ভোগেনি। বিতর্কের অভাব, পৃথিবীর ইতিহাসে, বরাবরই টোটালিটারিয়ান বা প্রায়-টোটালিটারিয়ান ব্যবস্থা ডেকে এনেছে। সে ম্যাকার্থির আমেরিকাই হোক, বা হিটলারের জার্মানি। শুধু তসলিমা তো নন, তাঁর লেখায় যে তিনটি লক্ষণের কথা বলা হয়, বাম-দক্ষিণ নির্বিশেষে সেগুলি সকলেরই গ্যান্ড ন্যারেটিভ হয়ে উঠছে। ভয়টা সেখানেই। গ্র‌্যান্ড ন্যারেটিভের ভয়। দেয়ার ইজ নো অল্টারনেটিভ এর ভয়। যে ভয়, বিংশ শতকে কেউ কখনও পায়নি। 
  • | রেটিং ৪.৪ (৫ জন) | বিভাগ : আলোচনা | ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৯০৮৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ইউএন | 2409:4061:2c93:f7f0:78f9:73c1:4678:553c | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:২১497205
  • When two small countries are in dispute, the United Nations stepped in, and the dispute is gone.

    When one big and one small countries are in dispute, the United Nations stepped in, and the small country is gone.

    When two big countries are in dispute, the United Nations stepped in, and the United Nations is gone.

    #অরণ্যের_প্রাচীন_প্রবাদ
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:২২497206
  • ইউ এন, ব্যাপক :d
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:২৪497207
  • ইউ এন  পিসকিপিং ফোর্স ​​​​​​​যে ​​​​​​​কইটুকু আসলে করে বা করতে পারে একটু হোটেল রোয়ান্ডা মুভিটা দেখে ফ্যালেন। 
  • sm | 42.110.137.86 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৪১497209
  • তাহলে কে করবে? পাড়ার দাদারা??
  • সিএস | 103.99.156.98 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৪১497210
  • @র২্হ, ১১ঃ১৬। আসলে আমার খচখচ করছে, ওরা সার্বভৌমত্বর জন্য প্রস্তুত নয়, এই শব্দকটিতে। কারণ, প্রশ্ন এসে যাবে, কেন নয়। তখনই ইতিহাস-্ভূগোল, আমেরিকার বোম মারা, বিভিন্ন সময়ে ডীলের চেষ্টা, সেই যখন বোমা মেরেছিল তখন বা ওবামার আমল থেকেই, আফগান পলিটিশিয়ানদেরও তালিবানদের গত কয়েক বছর ধরেই মদত দিয়ে যাওয়া (ওরা আমাদের বিপথগামী ভাইসকল না রাগী ভাইসকল, এরকম কিছু কথা), এসবের প্যাঁচ তো অনেক দিন ধরেই চলছে। আজকে তারা পুরোপুরি সামনে চলে এসেছে দাড়ি ও বন্দুক নিয়ে, ফলে আমরা হতবাক। হ্যাঁ, ক্ষতি তো আছেই, যত ছোটভাবেই হোক না কেন, কিছু মানুষের তো আধুনিক অর্থে পরিবর্তন হয়েছে, কাজ বা পড়াশোনা বা সিনেমা - ছবি ইত্যাদি, তো সেসব হয়ত এবার গেল। কিন্তু ব্যাপার হল, এ তো গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি তদুপরি শরিয়া নিয়ন্ত্রিত, সহজ কোন সমাধান নেই। তবে মনে হয়, সেই দেশগুলো যাদের সেনাবাহিনী ইত্যাদি সেখানে আছে, তাদের আপাতত দূরে সরে যাওয়াই উচিত, তারপর যাকে বলে 'আন্তর্জাতিক মহল' তারা চাপ তৈরী করুক, খেয়ে পড়ে তো তালেবড়দেরও বাঁচতে হবে।
     
  • র২হ | 49.37.33.108 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৪৫497211
  • হ্যাঁ,সার্বভৌমত্বের জন্যে প্রস্তুত নয় এটা খুবই গোলমেলে কথা; এ প্রায় হোয়াইট ম্যান'স বার্ডেন-এর লাইনে যায়।
     
    লেখার সময়ও এটা মনে ছিল :)
  • Ranjan Roy | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৪৭497212
  • "আম্রিগা কোনো ভগবান নয় , সবার আগে সে তার বিসনেস ইন্টারেস্ট দেখে। কিন্তু তার বদলে একটা বার্বারিক রেজিমেকে নিয়ে আসা জাস্ট নট আকসেপটাবল।"
    -না সে শুধু বিজনেস ইন্টারেস্ট দেখে বললে কম বলা হোল। সে গোটা দুনিয়ায় একচ্ছত্র ক্ষমতা চায় তার জন্যে সে বাংলাদেশে পাকিস্তানি সরকারের জেনোসাইড সমর্থন করে ভিয়েতনাম লাওস কাম্বোডিয়ায় 'বার্বারিক' জেনোসাইড (মাই লাই ) নাপাম মেয়েদের স্লেভ ট্রেড সব করে। লাতিন  আমেরিকায় একের পর এক মিলিটারি ডিক্টেটরশিপকে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে জাস্টিফাই করে । সাদ্দাম হুসেনকে মিথ্যে অভিযোগে ইঁদুরের মত মারে। কাবুলে নাজিবুল্লাকে ফাঁসিতে লটকানোর বা সৌদিতে তুরস্কের সাংবাদিককে কুচি কুচি করে কাটার সরকারকে সমর্থন করে। দরকার মত আল কায়দা আল বদর  ওসামা বিন লাদেনকে সৃষ্টি করে। সেটা কখনও ফ্রাঙ্কেন্সটাইন হয়ে যায়। 
    আমেরিকা কোথায় তার পক্ষপুটে কোন দেশে গণতান্ত্রিক আধুনিক রিফর্মিস্ট সরকার স্থাপিত করেছে? আমার জানা নেই জানতে চাই। 
     ২ তালিবান আর আমেরিকার তুলনা আলেকজান্ডার আর দস্যুর তুলনার মত। তালিবান বাইরে থেকে আসেনি। ওরা দস্তুরমত আফগানিস্থানের অধিবাসী। আমেরিকা তাও নয়। তালিবানের ক্ষমতা দখল কোন বিপ্লব নয় সমর্থনের প্রশ্নই নেই। কিন্তু আমেরিকান সৈন্যের উপস্থিতিতে কাবুলে করাপ্ট সরকার--যা আদৌ গণতান্ত্রিক নয় সেটাও কোন বিপ্লব ছিলনা।
    ৩ এখানে আমেরিকার বিরোধিতা করা হচ্ছে তালিবানকে সমর্থনের জন্যে নয়। বরং আমেরিকার বিশ্বের যেকোন প্রান্তে হাজার হাজার মাইল দূরে কোন দেশের অভ্যন্তরে সৈন্য নামিয়ে দেওয়াকে একধরনের বৈধতা দেওয়ার বিরোধিতা করা।
    অন্যদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার মানে এই নয় যে কিছু বলা যাবে না কিছু করা যাবে না। আপত্তি সৈন্য ঢুকিয়ে দেয়ার মত হস্তক্ষেপে। আর কী করা যায়? অনেক কিছু। কূটনৈতিক চাপ আর্থিক প্রতিবন্ধ অনেক কিছু। যুদ্ধবিদ্ধস্ত আফগানিস্তানে যে কোন সরকার আসুক তার আর্থিক সাহায্য প্রয়োজন। সেখানেই বার্গেন। আমরা দেখেছি কিউবা ও ইরানে প্রতিবন্ধের ফলে সরকারের কী অবস্থা। যতদিন সোভিয়েত সাহায্য পেয়েছে কাস্ত্রোর ইকনমি টিকেছে। সেটা সরে যেতেই রাউল কাস্ত্রোদের আপোষ করতে হয়েছে।
    বর্মায় রোহিঙ্গিয়াদের যেভাবে মারা হচ্ছে --অবিশ্বাস্য। অথচ সূ চি আধুনিক ইউরোপীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যে আন্দোলন করেছেন। ঘটনাচক্রে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ হয়েছিল অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের টিভির রিজিওনাল ডায়রেক্টরের সঙ্গে। আন্তর্জাতিক সীমানায় একটা ছোট নদী। সেখানে দাঁড়িয়ে উনি যা দেখেছেন বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন। বললেন-অমন বীভৎস জিনিসের ভিস্যুয়াল দেখানো আইনে বারণ সঠিক ভাবেই।
    সেখানেও আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অবশ্য আর্মির সঙ্গে আপোষ করে সুচি নিজেই গদি খুইয়েছেন।
    কিন্তু আমরা কি চাই রোহিঙিয়াদের ত্রাণকর্তা রূপে চীন বা আমেরিকার সৈন্যবাহিনী ঢুকে পড়ুক? 
    আর পাকিস্তান  বা চীন গোটা ভারতকে গিলে নেবে?  এই স্বপ্ন ওরা দেখে? সীমান্ত সংঘর্ষ আলাদা কথা। 
  • র২হ | 49.37.33.108 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৫১497213
  • "কিন্তু আমরা কি চাই রোহিঙিয়াদের ত্রাণকর্তা রূপে চীন বা আমেরিকার সৈন্যবাহিনী ঢুকে পড়ুক? "
     
    আমাকে যদি জিগান, আমার অ্যাবসোল্যুটলি কিচ্ছু এসে যায় না। যাতে দুটো লোক কম মরে আমি তাকেই সভ্যতার সাফল্য বলে মানি।
  • Ranjan Roy | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৫৩497214
  • হুতো,
     কখনও সৌদি গিয়েছ? একবার গিয়ে ঘুরে এস। আমার পরিচিত মহিলা কাজের সূত্রে গেছল, কয়েক মাস। একেবারে খ্যাঁক করেই কামড়ে দেয়, বিশেষতঃ মেয়েদের।
  • sm | 42.110.137.86 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৫৪497215
  • বাইরের দেশ ঢুকে পড়ায় ইরাকে বা আফগানিস্তানে কি লোক কম মরিয়াছে??
  • র২হ | 49.37.33.108 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৫৯497216
  • আহা সে তো আভ্যন্তরীন, জনমত, গণদাবী।
     
    • Ranjan Roy | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:৫৩497214
    • হুতো,
       কখনও সৌদি গিয়েছ? একবার গিয়ে ঘুরে এস। আমার পরিচিত মহিলা কাজের সূত্রে গেছল, কয়েক মাস। একেবারে খ্যাঁক করেই কামড়ে দেয়, বিশেষতঃ মেয়েদের।
  • sm | 42.110.137.86 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১২:০২497217
  • এটাই তো বাইরের দেশ ঢুকে পড়ার আদর্শ যুক্তি!মহিলা দের সম্মান দেওয়া হচ্ছে না।যুক্তি ও ভিত্তি তৈয়ারী আছেই।সময় মতো ঢুকে পড়লেই হয়।আপাতত জল মাপা মাপি চলছে।
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১২:০৩497218
  • সৌদির অভ্যন্তরীন ব্যপার ওরাই সামলাবে, বাকি কারুর কোন হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। এদিকে আফাগানিস্তানে কিছু করার আগে আমেরিকা কেন সৌদিতে কিছু করছে না সেও এক প্রশ্ন। তাহলে কোনদিকে যাওয়া উচিত? নেশান ওয়ান্টস টু নো। 
  • Amit | 120.22.158.71 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১২:০৭497220
  • কে চায়নি রঞ্জনদা ?রাশিয়া চায়নি একছত্র ক্ষমতা ?আজকে চীন চাইছে না ? জোর যার ​​​​​​​মুলুক ​​​​​​​তার ​​​​​​​দুনিয়া ​​​​​​​এভাবেই ​​​​​​​চলছে ​​​​​​​আমরা ​​​​​​​চাই ​​​​​​​বা ​​​​​​​না ​​​​​​​চাই। 
    আর ​​​​​​​সৌদির ​​​​​​​কথা ​​​​​​​তুলছেন ​​​​​​​আবার। ​​​​​​​এখানে ​​​​​​​কেও ​​​​​​​কি ​​​​​​​সৌদিকে ​​​​​​​সাপোর্ট ​​​​​​​করছে ? তো ​​​​​​​সলুশন ​​​​​​​টা ​​​​​​​কি ? জিগালাম ​​​​​​​তো ​​​​​​​সেটাই। ​​​​​​​সৈকত ​​​​​​​বাবু ​​​​​​​বললেন ​​​​​​​আম্রিগার ​​​​​​​হাত ​​​​​​গুটোতে। ​​​​​​​তো ​​​​​​​সেসব ​​​​​​​তো ​​​​​​​তাদেরই ​​​​​​​করার ​​​​​​​কথা. কল্লোল ​​​​​​​দা ​​​​​​​মনে ​​​​​​​হয় ​​​​​​​যুদ্ধের ​​​​​​​কথা ​​​​​​​বোঝালেন , একটু ​​​​​​​ঘেটে ​​​​​​​গেলো। ​​​​​​​আপনারা ​​​​​​​একটু ​​​​​​​একমত ​​​​​​​হয়ে ​​​​​​​একটা ​​​​​​​প্রপোসাল ​​​​​​দেন ​​​​​​​না , আমাদের ​​​​​​​বুঝতে ​​​​​​​সুবিধা ​​​​​​​হয়। ​​​​​​​
     
  • sm | 42.110.137.86 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১২:১০497221
  • উত্তর দেওয়াই আছে।
    অর্থনৈতিক অবরোধ যে কোন দেশ বা দেশ গোষ্ঠী চাপতেই পারে।
    কোন ডিক্টেটর বা মিলিটারি শাসক কে আন্তর্জাতিক মান্যতা না দিতে পারে।
    সব শেষে আসবে,ইউ এন পিস কিপিং ফোর্সের হস্তক্ষেপ।
    প্রশ্ন আসতেই পারে।ইউ এন কে এতো দুর্বল করে রেখেছে করা অনকি স্বার্থে? 
    কিন্তু, তাবলে হুট করে অন্য দেশে ঢুকে পড়ে,তাকে সবক শেখানো কোন কাজের কথা নয়।
    এ হলো চোর কে আগলাতে ডাকাত কে ডাকা।
    বহিঃ শক্তির আগমনের ফলে কোন দেশের গণ মৃত্যু কমেছে কি? 
     
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১২:১১497222
  • নাঃ কাজে যাই। আপাতত ক্লায়েন্ট সামলাই, পরে আবার সৌদি-আমেরিকা-আফগানিস্তান-চীন এর ডিপ্লোম্যাটদের উপদেশ দেবো নাহয়। সবাইকে চিঠি লিখে দিয়েছি ৬ ঘন্টা অপেক্ষা করতে, তার আগে কেউ কোন প্রেস রিলিজ দেবে না। 
  • sm | 42.110.137.86 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১২:১২497223
  • #কারা ও কি
  • Ranjan Roy | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১২:১৯497224
  • "কে চায়নি রঞ্জনদা ?রাশিয়া চায়নি একছত্র ক্ষমতা ?আজকে চীন চাইছে না ? জোর যার মুলুক ​​​​​​​তার ​​​​​​​দুনিয়া ​​​​​​​এভাবেই ​​​​​​​চলছে ​​​​​​​আমরা ​​​​​​​চাই ​​​​​​​বা ​​​​​​​না ​​​​​​​চাই। "
    --একদম সত্যি কথা। আমরা হরিদাস পালেরা (সাধারণ নাগরিক) কী করতে পারি? সমস্ত 'একছত্র' ক্ষমতার রাস্তায় কাঁটা বুনে দিতে পারি। "কোন শালা অন্যের দেশে সৈন্য ঢোকাবে না" নীতি এইরকম একটি কাঁটা বুনে দেবার প্রয়াস মাত্র।সে শ্যালক আমেরিকা, রাশিয়া চীন--যেই হোক, কোন পক্ষপাত নেই।
    ট্রেসপাস একটি অপরাধ বলে মনুস্মৃতিতেও স্বীকৃত। আর সব সমস্যার চটজলদি সমাধান হয় না। সেটা করতে গেলে হিতে বিপরীত হবে। 
    সিরাজদ্দৌলার অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে ইংরেজ আনলে যা হয়।
    আপাততঃ বিদেশি ফৌজ খবরদারি করবেনা অবস্থানে সৈকত, কল্লোল ও আমি তো একই জায়গায় দাঁড়িয়ে, তাই নয় কি?
  • র২হ | 49.37.33.108 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১২:৩৫497225
  • ট্রেসপাস অন্যায় সে আমিও মনে করি তবে তা নিয়ে মনুস্মৃতিতে কী আছে তাতে আমার কচুপোড়া যায়।
  • Ranjan Roy | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৩:২২497226
  • হুতো
    একদম ঠিক।
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৩:২৭497227
  • ওকে রঞ্জনদা. আমাদের অবস্থান হল সিচুয়েশন খারাপ হলে বাইরের দেশের ইন্টারফেরেন্স ঠিক আছে. যে উদাগুলো দিয়েছি আগেই -কাম্বোডিয়া , রুয়ান্ডা , বাংলাদেশ বা আফগানিস্তান। প্রতিটার ক্ষেত্রেই। লেটস এগ্রি ​​​​​​​টু ​​​​​​​ডিসেগ্রি ​​​​​​​দেন। 
     
    সিরাজদৌল্লা তাড়াতে ​​​​​​​ব্রিটিশ ​​​​​​​এসে পড়ায় ​​​​​​​নেট ​​​​​​​রেজাল্ট ​​​​​​​ভালো ​​​​​​​কি ​​​​​​​খারাপ ​​​​​​​হয়েছে সে ​​​​​​​নিয়ে ​​​​​​​দিস্তা ​​​​​​​দিস্তা ​​​​​​​লেখা যায়. কিন্তু ​​​​​​​সবই ​​​​​​​স্পেকুলেশন. ফ্যাক্ট ​​​​​​​হলো ​​​​​​​ব্রিটিশ ​​​​​​​রাজ্ ​​​​​​​চলেছে ​​​​​​​দুশো ​​​​​​​বছর।
     
    এসএম জিগাচ্ছেন "বহিঃ শক্তির আগমনের ফলে কোন দেশের গণ মৃত্যু কমেছে কি? " ভ্যালিড ​​​​​​​প্রশ্ন। ​​​​​​​কোনো ​​​​​​​কারেক্ট উত্তর ​​​​​​​নেই। ​​​​​​​তবে অনেক ​​​​​​​মেয়ে ​​​​​​​হয়তো ​​​​​​​তালিবানের সেক্স ​​​​​​​স্লেভ ​​​​​​​হওয়া ​​​​​​​ঠেকে বেঁচেছে ​​​​​​​এটা ​​​​​​​বলাই ​​​​​​​যায়। 
     
  • ইউএন | 2409:4061:2c93:f7f0:78f9:73c1:4678:553c | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৩:৩৬497230
  • "আমেরিকা কোথায় তার পক্ষপুটে কোন দেশে গণতান্ত্রিক আধুনিক রিফর্মিস্ট সরকার স্থাপিত করেছে? আমার জানা নেই জানতে চাই।"
    মার্শাল প্ল্যান পরবর্তী পশ্চিম ইউরোপ রিকনস্ট্রাকশন। জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স ইত্যাদি দেশ নিয়ে তেমন অভিযোগ পাওয়া যায় না।
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:০৫497231
  • ইয়ে রঞ্জনদা- "কোনো শালা অন্যের দেশে সৈন্য ঢোকাবে না "- আপনারা তিনজন এই অবস্থান নিলে আশা করি ১৯৭১ এ ইন্ডিয়ার বাংলাদেশে সৈন্য ঢোকানোর জন্যে সমবেত প্রতিবাদ করবেন এবং ইন্ডিয়া গভট- কে পাকিস্তানের এবং আন্তর্জাতিক মহলে কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানাবেন নিশ্চয়? তাই তো ?
     
     
    নাকি আবার তখন প্রেক্ষিত পাল্টে যাবে ?
  • Kallol Dasgupta | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:১০497232
  • একটা কথা কিচুতেই মাথায় ঢুকছে না। সল্যুশন দিয়ে অমিত কি করবে ? এমন আকুল ভাবে জিগাচ্ছে যেন সল্যুশন পেলে সব ফেলে আফগানিস্তানে কি সৌদীতে তেড়ে গিয়ে সল্যুশন ইমপ্লিমেন্ট করে ফেলবে। কি জানি !! সল্যুশন  তো মার্ক্স থেকে লেনিন-মাও-ফিদেল-হো দিয়ে গেছেন সেই কব্বে। যার যার দেশে মানুষ বিপ্লব করলেই হয়। তাই তো করেছিলেন লেনিন মাও ফিদেল হো। 
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:১৪497233
  • কি আর করবো ?মায়াপাতায় অন্তহীন ভাট। আমার দৌড় ওটুকুই। কিন্তু আপনাদের কাছে স্পেসিফিক উত্তর গুলো পেলে ভালো লাগবে। ব্যাস। 
  • Kallol Dasgupta | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:২৪497234
  • অমিত ইতিহাস ভুলে গেছে, নাকি মনে নেই কে জানে ? মনে তো থাকার কথা। ১৯৭১এ তো কলেজ-টলেজে কি নিদেন ১০ কি ১১ তে  পড়তো। ভারত পাকিস্তান আক্রমণ করেছে আক্রান্ত হবার পর। তার আগে পর্যন্ত মুক্তিসেনাদের ট্রেনিং দিয়েছে, ভারতে বেতার কেন্দ্র খুলতে সাহয্য করেছে। রাজনৈতিকভাবে মুক্তিযুদ্ধ সমর্থন করেছে, আন্তর্জাতিক ফোরামে মুজিবের গ্রেপ্তারীর প্রতিবাদ করেছে, বাংলাদেশের সপক্ষে বলেছে, কিন্তু সেনা ঢোকায় নি। সেনা ঢুকেছে জলন্ধর সামরিক বিমানঘঁটিতে পাকিস্তান আক্রমণ করার পর। তারপরেও বলছি ঐ ভাবে চামচে-দিয়ে-খাওয়ানো স্বাধীনতার হাল তো তিন বছরের মধ্যেই হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া গেলো। ওরকম কাছাখোলা সমর্থন না দিলে আরও বেশী মানুষ মারা যেতো, মুক্তিযুদ্ধ আরও অনেকদিন চলতো, কিন্তু স্বাধীনতাটি পাকা হতো।  
  • Kallol Dasgupta | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:২৮497235
  • ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:১০এ =র পোস্টে স্পেসিফিক উত্তর দেওয়ার পরেও আবার স্পেসিফিক উত্তর চাইলে, চাট্টি বন্নোপরিচয় আর সওজপাট পাঠিয়ে দেবো। ঠিকানা দিলে। 
  • Amit | 118.211.26.57 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:৪২497236
  • এহে অতটাও বুড়ো নয় আমি। তার পর জন্মেছি। তবে কিনা আমার পরিবারেই কয়েকজন ছিলেন বা আছেন আর্মি বা অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিতে।  অফিসিয়াল রেকর্ডে তাই বলে বটে যে আক্রান্ত হওয়ার পরে এটাক করেছিল। সেতো সবাই বলে। আজ অবধি কোনো অফিসিয়াল রেকর্ড পড়েছেন যারা স্বীকার করে আগ বাড়িয়ে এটাক করেছে ?
     
    গ্রাউন্ড রিয়ালিটি অন্য রকম শুনেছি। কিভাবে এসল্ট রাইফেল এর ট্যাগ গুলো ইরেজ করে বর্ডার পার করা হতো প্লেন ক্লোথসমেন দের দিয়ে সেই গল্পও অনেক শোনা। 
     
    আর আপনার ভার্সন মানতে হলেও ওসব ট্রেনিং ইত্যাদি ইন্ডিয়া কেন দিতে গেসলো ? ওসব কি তখনকার পাকিস্তানের ইন্টারনাল এফেয়ার্স নয় ?
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:৪৪497237
  • তাহলে একটা অপটিমাইজেশান প্রব্লেম ডিফাইন করা যেতে পারে, কতোজন মানুষ মারা গেলে বা কতোজন মেয়েকে সেক্স স্লেভ করতে পারলে (ক্থা না শুনলে গুলি করলে) পাকা স্বাধীনতা আসবে :-)
  • র২হ | 2405:201:8005:9947:2979:51a8:fb62:3de3 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১৪:৪৮497238
  • "ওরকম কাছাখোলা সমর্থন না দিলে আরও বেশী মানুষ মারা যেতো, মুক্তিযুদ্ধ আরও অনেকদিন চলতো, কিন্তু স্বাধীনতাটি পাকা হতো।"
     
    আমি শিওর যেসব অশিক্ষিত গ্রামীন লোকজন মরে গেছেন বা মরতে মরতে বেঁচে গেছেন তারা পাকা স্বাধীনতার বদলে বেঁচে থাকাতেই বেশি আগ্রহী।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন