• খেরোর খাতা

  • #কাদামাটির_হাফলাইফ ৯

    Emanul Haque লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৬ জুলাই ২০২১ | ২৩২ বার পঠিত
  • #কাদামাটির_হাফলাইফ ৯


    শ্রদ্ধেয় পবিত্র সরকার আগের  লেখাটি পড়ে লিখেছেন, আরও লিখতে। সাহস বেড়ে গেল।


    প্রথম কিস্তি লিখেছিলাম, ২০১৫ তে।


    শঙ্খ ঘোষ বলেছিলেন, ছেড়ে দিও না । লিখে যাও। 


    কিন্তু লেখা হয় নি। অন্যায় করেছি।


    এবার লিখতেই হবে।


    কবে করোনা করুণা করবে!!


    পরেশনাথ চক্রবর্তী ছাড়াও আরও কয়েকজন শিক্ষক ছিলেন, যাঁদের প্রভাব পড়েছে জীবনে। ভবানীপ্রসাদ রক্ষিত। বাংলা পড়াতেন। ধনীর সন্তান। তিন তিনটে লাক্সারি বাস চলতো তাঁদের পরিবারের। বর্ধমানে দামোদর নদীর দক্ষিণ দিকে আমাদের বাস। নদী থেকে ১৫ কিমি দূরে সেহারাবাজার।


    বাঁকুড়া থেকে রায়না বিডিআর নামে রেল চলতো। বিডিআর, বাঁকুড়া দামোদর রিভার রেলওয়ে বোধহয়। লোকে বলতেন, বড় দুঃখের রেলওয়ে। ধিকি ধিকি চলতো। থামার আগে চলন্ত গাড়ি থেকে নামা যেতো। গার্ডের কামরার হাতল ধরে সাইকেল চেপে প্যাডল না করে গেছি। মোরাম বিছানো রেল লাইনের পাশে ছিল সাইকেল রাস্তা।  এই রেল নিয়ে অমর মিত্রের উপন্যাস আছে।


    এই রেল নিয়ে একটা আলাদা লেখার ইচ্ছে।


     পরে।


    সেহারাবাজার ছিল বিডিআরের জংশন স্টেশন।


    বাঁকুড়া সোনামুখী ইন্দাস থেকে অনেকেই এখানে নেমে বাসে চেপে বর্ধমান যেতেন।


    সেখান থেকে কেউ কেউ কলকাতা।


    এই কারণে সেহারাবাজারের আলাদা অর্থনৈতিক গুরুত্ব ছিল।


    সেহারাবাজারে বাস এবং মিল মালিকরাই বড়লোক। কিছু ব্যবসায়ীও ছিলেন। সিমেন্ট, লোহা, মুদির দোকানের। 


    ভবানীবাবুদের লাক্সারি বাস।


    আরতি ভারতী শাশ্বতী সম্ভবত।


    লঝঝড়ে নয়। সুন্দর। লাক্সারি বাস তখন খুব কম। এক্সপ্রেস হিসেবে চলে।


    ধনী বাড়ির ছেলে। কিন্তু তার কোন প্রকাশ নেই।


    পড়তেন, সাদা কালোপেড়ে ধুতি। কালো চামড়ার কুয়োভাদিস ধরনের চটি। আর সাদা পাঞ্জাবি।


    সারা জীবন এক পোশাক।


    শিশিরবাবু আর দু একজন  ছাড়া তখন সব স্যার ধুতি পাঞ্জাবি পড়তেন।


    তাহলে স্বাতন্ত্র্য কোথায়?


    ধুতির পাড়ে আর চটিতে।


    অন্যদের পাড়ের রঙ বদলায়, চটি বদলায় ভবানীবাবু আমৃত্যু এক।


    আর উনি বাংলা ছাড়া কোন শব্দ উচ্চারণ করতেন না। সেলাই করা নয় তাঁর ভাষা। একটিও ইংরেজি শব্দ বলতেন না।


    পোশাক আসাক ও কথায় আমার জীবনে তাঁর প্রভাব সমধিক।


    প্রিয়নাথ নন্দীকে নিয়ে মজা করত আড়ালে ছেলেরা। কারণ উনি খুব উচ্চারণে ভুল ধরতেন। এবং ডিসিপ্লিনে খুব জোর দিতেন। বারবার বলতেন, ডিসিপ্লিন খুব জরুরি। ছেলেরা নাম দিল, ডিসিপ্লিন স্যার।


    রাশিয়া নয় রাশা, আমেরিকা নয় মেরিকা-- এই সব বলতেন ইতিহাসের ক্লাসে। নাম হয়ে গেল রাশা নন্দী। কংগ্রেস সমর্থক ছাত্ররা বলত, মেরিকা নন্দী। বিচিত্র সব নাম। আড়ালে। কিন্তু তাতে মজা ছিল ব্যঙ্গ ছিল না। ক্লাসে ঢুকলেই নিস্তব্ধ।


    তিনি একবার আমার প্রাণ বাঁচান।


    নতুন স্কুলে এসেছি।


    আমাদের গ্রামের জুনিয়র হাইস্কুলে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা পঞ্চম থেকে অষ্টম মিলে ৬৭ জন। অনুমোদন বজায় রাখার জন্য মাস্টারমশাইরা ৩২০--৪০০ দেখাতেন ।


    অনেক মিথ্যা সই করানো হতো ছাত্রদের দিয়ে।


    কারণ প্রায়ই ঝড়ে বৃষ্টিতে একটি ঘর, ষষ্ঠ শ্রেণির, ভেঙে পড়ত।


    গ্রামে বিদ্যুৎ ১৯৭৯ পর্যন্ত  ছিল না। পাখার তো প্রশ্নই নেই।


    সেহারাবাজার চন্দ্রকুমার ইনস্টিটিউশনে এক একটি ক্লাসে ১৫০ র বেশি ছাত্র। তিনটি করে বিভাগ। এ বি সি।  পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি-- ২২০০ থেকে ২৩০০ ছাত্র। শিক্ষকদের থাকার ঘর।


    ছাত্রদের একটা ছোট আবাস।


    সেই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি নবম শ্রেণিতে। পড়ার বেশ চাপ। দাদা বলতেন, বাঁশ বনে শেয়াল রাজা। গ্রামে প্রথম হওয়া নিয়ে।


    নতুন বিদ্যালয়ে অনেকেই ক্লাসের পড়াশোনায় ভালো।


    বাইরের বই, তখনকার ভাষায়, আউট বইয়ে আমার যদিও দখল বেশি, কিন্তু অঙ্কে ইংরেজি ও বিজ্ঞানে ওঁরা এগিয়ে। প্রথম সীতেশ দ্বিতীয় নবকুমার তৃতীয় শ্রীচরণ পড়াশোনা অন্ত প্রাণ।


    হেরে যাব ভাবলেই একটা জেদ আমার মধ্যে চেপে বসতো।


    বিশেষ করে প্রশান্তবাবুর বাঁকা কলম ঠেলার অপমান চাগিয়ে রাখতো।


    তা আমি ঠিক করলাম, এখানে রাজনীতি কম। পড়াশোনা বেশি।


    কিন্তু খোঁড়ার পা খানায় পড়ে।


    ভর্তি হওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই আসামে বাঙালি নির্যাতনের প্রতিবাদে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ডাকে বন্ধ। ১৯৮০ । বন্ধ ভাঙতে বামফ্রন্ট মরিয়া। শত শত মানুষ লাঠি টাঙি নিয়ে রেললাইনে ভিড় করে আছে।


    তাতে কী? সেহারাবাজার ছিল কংগ্রেসিদের ঘাঁটি। ওঁ গোষ্ঠী বলে একটা ক্লাবের ব্যাপক দাপট।


    খেলাধুলা বা দাদাগিরি-- সবেতেই তারা এগিয়ে।


    ওঁ গোষ্ঠী কংগ্রেসি ক্লাব।


    সেই ক্লাবের কংগ্রেস সমর্থক ছেলেরা এসেছে বন্ধ  করতে।


    আমি তখন ক্লাস কামাই কোনদিন করবো না পথের সমর্থক। তার ওপর এস এফ আইয়ের ছোটখাটো নেতা। লোকাল কমিটির সদস্য হয়ে গেছি ১২ বছরেই। 


    তো আমি আমার সাইকেল নিয়ে এগোচ্ছি। একটা ছুরি উঁচিয়ে উঠল একজন। 


    হঠাৎ দেখি একটা লম্বা হাত এসে খপ করে ধরে ফেললেন, সেই ছুরি


    তো আমি স্বভাবতই সেই হাতের মালিকের ভক্ত হয়ে গেলাম। তিনি গোপীনাথ নন্দী। 


    নবম শ্রেণিতে ষাণ্মাসিক পরীক্ষার ফল বের হয়েছে। ইতিহাসে প্রচুর নম্বর পেয়েছি। আগেও পেতাম।‌১৫ তে ১৪ নম্বর আমি চতুর্থ শ্রেণি থেকেই পাই।


    এরপর খাতা দেখানোর পালা।


    প্রিয়নাথ নন্দী স্যার খাতা দেখাচ্ছেন।


    উনি বললেন, এই শোন, ইতিহাস আর সাহিত্য এক নয়। নম্বর পেয়েছিস বটে, আমি হলে এত নম্বর দিতাম না।


    সাহিত্য আর ইতিহাস এক হয়ে গেলে উচ্ছ্বাস এসে যায়।


    উছ্বাস ইতিহাসের ধর্ম নয়।


    মন দমে গেল।


    কিন্তু কথাটা মনে রয়ে গেল।


    বঙ্কিমি ধাঁচের অনুপ্রাস কন্টকিত বাংলা সেই থেকে কমল। আমি আগে যাত্রাগন্ধী অনুপ্রাস নির্ভর লেখা লিখতাম ভাষায় মারপ্যাঁচ দিয়ে। 


    প্রিয়নাথবাবুর নাম দিয়েছিল, আমার এক বন্ধু, বাটি পোস্ত।


    কারণ স্যার তখনকার দিনে এক কেজি পোস্ত কিনতেন।


    আর বাটা পোস্ত খেতেন এক বাটি।


    বাটি পোস্তের কথা ক্লাসেও দুয়েকবার শুনেছি। সব্জি আর পোস্ত দুই খাওয়াতে জোর দিতেন।


    তো প্রিয়নাথ নন্দীর স্বভাব ছিল, নবম দশম শ্রেণিতে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় চতুর্থকে তাঁর বাড়ি নিয়ে গিয়ে পড়ানো। আমি ষাণ্মাসিক পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়েছি। ১৩ নম্বরের তফাতে। এবার লক্ষ্য অঙ্কে ৩০ নম্বর বাড়ানো। পারলেই প্রথমের থেকে এগিয়ে যাবো। 


    পড়ানো নামেই, যে বিষয়ে যে ভালো সে বিষয়ে অন্যদের পড়াবে।


    উনি আটকে গেলে আছেন।


    বিদ্যালয় বাড়ি থেকে ক্যানেল পাড় দিয়ে গেলে ছ  কিমি তারপর আরও আড়াই কিলোমিটার দূরে স্যারের বাড়ি। যেতে অনীহা।


    খালি গায়ে সব্জি খেতে কাজ করছেন, আর জিজ্ঞেস কী করছিস এখন? ইংরেজি গ্রামার কর বা অঙ্ক।


    গল্পগাছার সুযোগ ছিল না।


    বিনা পয়সায় পড়ানো।


    তবু যাওয়া বন্ধ করতেই হল।


    অত্যাচারে।


    স্যারের খাওয়ানোর অত্যাচারে।


    নিজের হাতে সকালে জাল ফেলে চারাপোনা ধরতেন পুকুর থেকে। সেটি দুটি করে বরাদ্দ।


    এরসঙ্গে কাঁচা পোস্ত বাটা।


    এবং টাটকা তোলা সবজির স্টু।


    স্টু শব্দ গল্প উপন্যাসে পড়া ছিল, বাস্তবে সেটি ভয়াবহ হয়ে উঠল।


    অন্য সময় না থাক, স্যার খাওয়ার সময় হাজির। সব খেতে হবে।


    সঠিক পুষ্টি ছাড়া আবার পড়াশোনা হয় নাকি?


    এবং নিজে দাঁড়িয়ে থেকে  দুইয়ে আনা টাটকা গোরুর এক গ্লাস কুসুম কুসুম গরম দুধ। 


    কাঁসার গ্লাসে।


    আমরা প্রিয়নাথ নন্দীর বাড়ি যাওয়া ছেড়েছিলাম খাওয়ার ভয়ে।


    সেই থেকে শিখেছি, ছাত্র খেয়েছে কি না জিজ্ঞেস করা।


    অন্ন ছাড়া বিদ্যা হয় না, এটা যদি সব শিক্ষকরা বুঝতেন!


    ৮ এপ্রিল ২০২০


    Emanul Haque ইমানুল হক

  • ১৬ জুলাই ২০২১ | ২৩২ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন