• খেরোর খাতা

  • #কাদামাটির_হাফলাইফ ৫

    Emanul Haque লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৪ জুলাই ২০২১ | ২৪৩ বার পঠিত
  • #কাদামাটির_হাফলাইফ ৫


    গ্রামে সত্তর দশকে বিনোদন বলতে মধ্যবিত্ত ও বড়লোকদের রেডিও। আর শীতে মেলা, যাত্রা। গরিবদের শীতকালটাই ভালো কাটতো। খাবার অভাব হতো না। নিজের জমি না থাকলেও এই সময় কাজ মিলতো। জমিতে ঘুরে ঘুরে পড়ে থাকা ধানের শিস কুড়াতো ছোটরা। জমির মালিকরা কাছে পিঠে থাকলে নামতে দিত না। তবে ভোরে এবং সন্ধ্যায় ফাঁকা মাঠে ইঁদুরের গর্তে জমানো ধানের শিস মিলতো। গৃহস্থ বাড়িতে কাজও মিলতো ঘরের মেয়েদের। ধান ওঠার পর কত আনন্দ। পিঠে পুলি হতো সব সম্পন্ন বাড়িতে। তার জন্য চালের আটা বানানোর ধূম ঢেঁকিতে। খই মুড়িও হতো দেদার। ধান সিদ্ধ শুকানোর কাজও হতো এই ক-মাস। ফলে শীতে ভাত জুটত দু বেলা। কিন্তু গরম পোশাকের কষ্ট ছিল গরিবের। খুব কম  মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়ের সোয়েটার হতো। গায়ের চাদর জুটতো। গরিবেরা সকালে কাঁথা গায়ে দিতো। মেয়েরা কোনো একটা চাদর। তাও উলের নয়। সুতি আর ক্যাশমিলনের বুনন। পায়ে মোজা পরতো খুব কমজন। মধ্যবিত্ত পরিবারে চল ছিল অল্প। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ বাইরে না গেলে জুতো পরতেন না। শীতে একটু জুতো পরার রেওয়াজ। আর ছিল খেজুর রস ও গুড়ের ধুম। সেই সঙ্গে ছেলেছোকরার দলের মজা করে খেজুর রস চুরি। কখনো কখনো হাঁড়িতে পেচ্ছাপ করেও রেখে দিত কোনো কোনো দুষ্টু।


    আর শুনতো বাখান বা গাল। পরদিন সকালে। মা  বাপ বোন -- কেউ বাদ যেতো না। মায়েদের উদ্দেশে বিশেষ কর্ম করার আদিম পুরুষতান্ত্রিক কথাটি বেশি উচ্চারিত হতো। একবার বড়ো বয়সে আমরাও খেজুর রস চুরি করে খাই।  জীবনের প্রথম ও শেষ চুরিতে থাকা। ২৫ ডিসেম্বর ফিস্ট ছিল। ১৯৯৩। তো গ্রামে গেছি। সবাই ধরল, চল, আগের মতো ফিস্ট করি। ছোটোবেলায় শীতকাল জুড়ে ফিস্ট চলতো। আমাদের বেড়াতে যাওয়া ছিল না। পিকনিক চড়ুইভাতি ছিল না। বেড়াতে যাওয়া মানে মাসি পিসির বাড়ি। দীঘা পুরী যেতো কলেজের ছেলেমেয়েরা। 'মেয়েরা'টা বোধহয় বেশি বললাম-- ছেলেরা। স্কুলে নবম শ্রেণিতে উঠলে একটা শিক্ষামূলক ভ্রমণ হতো। বছরের পর বছর বাঁধা রুট। শান্তিনিকেতন, বক্রেশ্বর, তারাপীঠ। ৩০ টাকা।


    তা ফিস্ট এবং খেজুর রস চুরির প্রসঙ্গে ফিরি। তা রাতে হাঁস এবং দেশি মুরগির মাংস মিলে জবরদস্ত ফিস্ট হলো। তো সেই সময় মধ্যবিত্ত শিক্ষিত ছেলে গ্রামে মদ খায় -- এটা ভাবাই যেতো না। আর আমি তো চা বিড়ি সিগারেট পর্যন্ত খাই না। তা, আমার কোন বন্ধু ফিস্টে মদের কথা তুলবেই না। আর সে-সময় এতো মদের প্রচলন ছিল না। 


    সেদিন রাতে খাওয়া শেষ হতে না হতেই,  একটা বড় ঘটনা ঘটল।  হাতির পাল ধেয়ে আসছে। কানাঘুঁষা চলছিল, হাতির পাল বের হয়েছে, দলমা পাহাড় থেকে। আসতে পারে। কিন্তু এ-পথে আসবে তেমন কথা সে-ভাবে ভাবে নি সবাই। গ্রামে সে-সময় টেলিফোন মাত্র একটি। সমবায়ে। মোবাইলের বালাই নেই। কল্পনাতেও ছিল না। কিন্তু কথা ঝড়ের বেগে ছড়াতো। রাত ১১ টায় ঘুম থেকে জেগে উঠল হাজার হাজার মানুষ।


    বাংলাদেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও চিন্তক বদরুদ্দীন উমর ২০০৮-এর জানুয়ারিতে সিঙ্গুরের টাটার কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের বৈশিষ্ট্য কী জানো? চারপাশে গ্রাম। মাঝে বিশাল ধান জমি। পূর্ব বঙ্গে উল্টো। একটা গ্রাম একটা মাঠ। 


    যাই হোক আমাদের এলাকায় বৃত্তাকারে গ্রাম। আউশাড়া উদগড়া বোড়া কোনা সেহারা ক্ষেমতা রামকৃষ্ণপুর।  মাঝে ছয় কিলোমিটার লম্বা চওড়া বৃত্তাকার ধানখেত। মাঝখান চিড়ে গেছে দামোদর ভ্যালি করপোরেশনের ক্যানাল বা খাল। গ্রামে বলতাম কেনেল। একটু দূরে রেলপথ। উর্বর ধান জমি। ভারতের শস্যাগার বলা হয় বর্ধমানকে। বর্ধমানের শস্যাগার আমাদের থানা (উপজেলা) রায়না। এখানে খাস ধান বলে একটা ধান হয় যার খড়েও সুগন্ধ। খাস মানে আসল নয় সুগন্ধি।  এই চালকে কলকাতা বলে গোবিন্দভোগ। এবার ধান হয়েছে দারুণ। গতবার খাসচালের ভালো দাম গেছে। চাষি বেশি করে খাস ধান লাগিয়েছে, যদিও আড়তদার আর মিল মালিক ও মজুতদারদের ষড়যন্ত্রে একবার ভালো দাম, তো পরের বার খারাপ দাম। আলু পেঁয়াজ ধান--সবেতেই এক পরিস্থিতি। আজ-ও তা থেকে চাষির মুক্তি মেলে নি। 


    যাক হাতির পাল খাস ধানের গন্ধেই হোক আর তাড়া খেয়েই হোক এ-পথে হাজির।


    সে-এক অসাধারণ দৃশ্য। চারপাশ ঘিরে লোকের হাতে হাতে খড়ের মশাল। ছয় কিমি এলাকা জুড়ে খড়ের মিশাল। হলিউডের কোন শিলডন এই দৃশ্য বানাতে পারবেন কি না সন্দেহ। হাতির পাল দেখে গেল। সবাই ছুটলাম , হাতি দেখতে, সঙ্গে সাবধান বাণী। সামনে পড়লে আলের ধারে শুয়ে পড়তে। দু কিমি ছুটেছি সবাই। হঠাৎ  হাতির পালের চিৎকার--বৃংহন। বৃংহন  পড়েছিলাম, এই প্রথম স্বকর্ণে শুনলাম। মনে হল, পাশেই। সবাই শুয়ে পড়লাম আলের ধারে। মনে হল মৃত্যু সামনে। হিমস্রোত বয়ে গেল শিরদাঁড়া দিয়ে। জীবনে এই-রকম মৃত্যু ভয় ২০১০-এ ট্রেনের তলায় পড়েও পাইনি।


    খানিক পরে সবাই ধাতস্থ হলাম। জানা গেল, হাতির পাল তখন আরো ৭ কিমি দূরে রায়নায়। অত দূরে ডাক-- মনে হল ঠিক পাশে।


    ৫০ টি হাতি সেবার চন্দননগর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। নদী পার হতে পারেনি। চন্দননগরে একজনকে আছড়ে মারে। একজনকে তেলের গরম কড়াইয়ে ডোবায়। পরে সে-সব পড়ি কাগজে।


    তা রাতে ফিরে আর ঘুম হলো না। যার যত হাতির গল্প আছে--সে-সব বলা ও শোনা হল। জিম করবেট থেকে খগেন মিত্তির, বুদ্ধদেব গুহ থেকে নিজের বাপ দাদো নানা --সবার গল্প উঠল। এই গ্রামে যে এক সময় বাঘ আসতো তাও আরেকবার শোনা হল। অবধারিত ভাবে ভূতের গল্প । একটু আধটু দেশ দুনিয়া-রাজা উজির। ভোরের আলোয় ইচ্ছে, খেজুর রস খাওয়ার। উপায়? শিউলি তো আসবে আরো পরে। একজন, 'ক',  বুদ্ধি দিল, শোন জিকরিয়াভাইয়ের খেজুর রস পেড়ে খাই-- যা গাল দেবে না--শুনে মজা আছে।


    জিকরিয়াভাই বড়লোকের ছেলে ছিলেন। সুদর্শন পুরুষ। সব উড়িয়ে পুড়িয়ে পাশের গ্রামে এসে  এক সুন্দরীকে বিয়ে করে রয়ে  গেছেন। প্রথমে মাইকের ব্যবসা ফেঁদে ছিলেন। বায়না যতো হতো , তত পয়সা দিতো না লোকে, মাথায় হাত বুলিয়ে। বড়োলোকের ছেলে। লোকের বাড়ি গিয়ে ব্যবসা করব, খেতে দেবে, বলে বসে থাকতে সম্মানে লাগে। হিন্দু বাড়ি হলে থালা ধুয়ে দিতে বলে। ব্যবসার গণেশ ওল্টালো। জিকরিয়াভাই ভালো লোক। তবে রেগে গেলে খেপে যান। ইনোভেটিভ সব গাল দেন।  বামুনপাড়ায় গিয়ে খেজুর রস পাড়া হলো। বামুনদের খেজুর গাছের রসের দায়িত্ব মুসলিম জিকরিয়াভাইয়ের হাতে।


    হিন্দু মুসলমান ভেদ তো তখন ছিল না। বন্ধুদের মধ্যে দু' সম্প্রদায়ের মানুষই ছিল। দু' হাঁড়ি খেয়ে কল থেকে জল ভরে টাঙ্গিয়ে দিল একজন।


    খারাপ লাগল-- আহা বেচারির ক্ষতি হয়ে গেল। হিসেব করে দেখা গেল, ২০ টাকা দাম। তা আমার পকেটে অনেক খুচরো ছিল। ৩০ টাকা মতো । ভরে দেওয়া গেল। যথা সময়ে ভোরে বেলায় জিকরিয়া ভাই নামালেন হাঁড়ি। অভিজ্ঞ মানুষ বুঝলেন গণ্ডগোল আছে। একজনকে খেতে দিলেন। রস নাই। জল । শুরু হল গাল। এরপর ঢেলে দিলেন হাঁড়ি। বের হল খুচরো পয়সা। এবার আর বাঁধ মানল না গালের। 'শ্লারা গরিব ভেবেছে আমায়, দয়া করেছে, তোদের ইয়ে করি'।


    আমরা  তো পাশেই বারোয়ারি তলার কাছে নব চক্রবর্তীদের বাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে শুনছিলাম। দয়ার কথা শুনে কাছে গিয়ে বললাম, ভাই , আর গাল দিও না। আমি করেছি। জিকরিয়াভাই বিশ্বাস করবেই না। 'তুমি করতেই পারো না'।


     সত্যিটা বললাম। দলে ছিলাম। ভাই বললেন, ভাই আমাকে বললেই পারতে, ঘরে দিয়ে আসতাম। 


    আমি বললাম , সে তো আমাদের খেজুর গাছও আছে। কিন্তু এই মজাটা হতো না।


    জিকরিয়াভাই খুব দুঃখ প্রকাশ করল, ইস তোমার বাপ মা কতো ভালো মানুষ তাঁদেরও না জেনে গাল দিয়ে দিলাম বাপ মা তুলে।


    আমি বললাম, না জেনে বললে দোষ নাই।


    পরের দিন আরেক কাণ্ড জিকরিয়া ভাই--দু' হাঁড়ি রস নিয়ে হাজির। 


    'এই রস খেয়ে দেখো'। 


    খেতে হলো। পয়সা নিল না কিছুতেই। খেলাম। ভালো লাগলো।


    কিন্তু দুষ্টুমি করে খাওয়ার মজাই আলাদা। সে স্বাদের ভাগ হয় না। 


      ১-৯-২০২০


    Emanul Haque ইমানুল হক

  • ১৪ জুলাই ২০২১ | ২৪৩ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন