• বুলবুলভাজা  ভোটবাক্স  বিধানসভা-২০২১  ইলেকশন

  • বামিস্লামিক সোনালী কাবিন অথবা কমিয়নিষ্ট ফ্রন্ট অফ আলিমুদ্দীন(ফুরফুরা)

    জালাল উদ্দীন
    ভোটবাক্স | বিধানসভা-২০২১ | ০৭ মার্চ ২০২১ | ২৩১৫ বার পঠিত | ৩ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ভোটবাক্স খোলার পর থেকে মাঝেমাঝেই বেরিয়ে আসছে ঝাঁঝালো, তীব্র গন্ধ। তা কোনও কোনও সময়ে কারও ঘ্রাণে কটুও লাগছে, বলাই বাহুল্য। এবারের বাংলা ভোট, কার্যত বহু ধরনের তীব্রতার জন্মদানে সক্ষম। দৃশ্যত অভূতপূর্ব ঘটনাবলী ঘটে চলেছে রাজনীতির ময়দানে, প্রতিক্রিয়াও ঘটছে নিদারুণ তীব্রতায়। এ পরিস্থিতিতে উল্লেখ থাকা প্রয়োজন, যে সব স্বর এখানে প্রকাশিত হচ্ছে, তার সবের সঙ্গে গুরুচণ্ডা৯ একমত নয়। এ লেখায় আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে বাম জোটকে দেখা হয়েছে ক্ষতিকর হিসেবে, সুতীব্র শ্লেষে বিদ্ধ করা হয়েছে তাকে।

    পীরজাদার রাজনৈতিক রূপান্তর ও বিবর্তনটার দিকে একবার চোখ মেলে দেখে নেওয়া যাক।

    শওকত মোল্লা ভাল না খারাপ সেটা যে যার মত হিসেব করুন। কিন্তু শওকত মোল্লা একজন রাজনৈতিক কর্মী। আজ জিতেছে, কাল হেরে যাবে। আর সেই শওকত মোল্লা এই পীরজাদাকে পীরজাদা হিসেবে পাত্তা দেয় নি, তার বাহুবলিত্বের কনুই ধরে মুচড়ে দিয়েছিল। তারপরই পীরজাদার নেতা হওয়ার ইচ্ছা চাগাড় দিয়ে ওঠে। তার রাজনৈতিক ভাষণ শুরু হয় তার ওয়াজ মেহফিলেই! তার শুরুয়াতি রাজনৈতিক বক্তব্য কী ? “দাদাহুজুরের হাত ধরে জান্নাত যেতে চাও আর পীরজাদার আদেশে ভোট দেবে না?” হ্যাঁ, ঠিক শুনছেন। এটা কমরেড পীরজাদার প্রথম ফতোয়া। প্রথমে তিনি মমতারই দ্বারস্থ হন। বাদ সাধেন তাঁর চাচা ত্বহা সিদ্দিকী। পীর পরিবারের প্রত্যক্ষ রাজনীতি করায় আপত্তি তার। শওকত মোল্লা তো ছিলই।

    এরপরের ঘটনাক্রম দেখার মত।

    দিলীপ ঘোষ তাঁকে রাজনীতিতে প্রবেশের জন্য অভিনন্দন জানান, ওয়েসি ফুরফুরা আসেন, বলে যান যে তিনি এখানে মিমের সংগঠন বানাবেন না, আব্বাসের সঙ্গে থাকবেন। এবং কালাতিপাত না করে সিপিএম-কংগ্রেস তাঁর কাছে যায় কবুল-কবুল-কবুল বলতে! সুতরাং ধর্মও এল, জিরাফও এল, পীরজাদার কদমবোস করতে।

    একটি বোধোদয় বিমানবাবুদের হয়েছে: যেন-তেন-প্রকারেণ-মমতাকে-হারানোর জন্য ২০১৬তে তারা যে ভোট পদ্মপুষ্পায়ঃ নমঃ করেছিল তা আর ফেরত আসছে না। তাই মমতারই ‘মুসলিম তোষণের’ কম্যুনিস্টিক সংস্করণ সৃষ্টি করার এই মহৎ প্রয়াস। মমতাকে মমতার খেলায় মাৎ দিতে হবে। বিমানদার নিজের সিদ্দিকুল্লা চাই। হ্যাঁ, বিমানবাবুরা জামায়েত উলেমায়ে হিন্দের পদাধিকারী বলে সিদ্দিকুল্লাকে সাম্প্রদায়িক ব্যক্তি মনে করেন। পড়াশোনা করার জন্য বিখ্যাত কমরেডরা ‘জামায়েত উলেমায়ে হিন্দ’ শব্দবন্ধের মানে জানে না, সংস্থাটির ইতিহাস জানে না। চাড্ডিমান্য সংজ্ঞা অনুযায়ী দাড়ি আর টুপি ছাড়া সিদ্দিকুল্লার কোন নেড়েগুণ নাই। অধুনা রাজনৈতিকোচিত হার্মাদপনা, বাটপাড়ি অবশ্যই আছে। তবু, বিমানদা যখন বলেছেন, তখন সিদ্দিকুল্লা জামাতে উলেমায়ে হিন্দের পদাধিকার বলেই সাম্প্রদায়িক। তাই বিমানদার এককাঠি সরেস, নিরেট, একেবারে একটা আস্ত জ্যান্ত পীরজাদা চাই! উলেমায়ে হিন্দ বনাম স্বয়ং শ্রীমান পীরজাদা! ইহা ধ্রুপদী প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িক রাজনীতি।

    আমাদের বিমানবাবুরা একটু বেশি উপরচালাক। আইএসএফ, সোরেন ইত্যাদি। কেবল রাজনীতি করে বলে বাঙালি নেতা বাঙালি জনতাকে শাকে ঢাকা দিয়ে পচা মাছ খাওয়ানোর সাহস করে!

    এবার এই কাবিননামার দেনমোহরের হিসেবটা দেখা যাক। ওয়েসি মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ, বিহারে কী করেছে সেটা রাজনীতির ক্লাসের শেষ বেঞ্চের শিক্ষানবিশরাও জানে। একটা উদাহরণ দিই। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ। মুসলমান আবাদি ২৭ শতাংশ। রামপুর, মুজফফরনগর, মোরাদাবাদের মতো লোকসভা আছে, যেখানে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মুসলমান ভোটার। ২০১৩ পর্যন্ত সেখানে আধ ডজন মুসলিম সাংসদ আর ডজন দুই মুসলিম বিধায়ক ছিলেন, এসপি/বিএসপি/কংগ্রেস থেকে। ২০১৪ তে সেখানে কোন মুসলমান সাংসদ তো দুর, কোন অমুসলিম অ-বিজেপি নেই। মনে করিয়ে দিই, ২০১৩-তে মুজফ্ফরনগরে দাঙ্গার সূচনা হয় পাকিস্তানের এক ভিডিও উত্তর প্রদেশের বলে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে। কাজটি করে সঙ্গীত সোম, বর্তমান বিজেপি বিধায়ক। আর হ্যাঁ, ২০১৪-র ভোটে ওয়েসি মিয়া উত্তর প্রদেশে ভোটে লড়েন। বলাই বাহুল্য ওয়েসি এইসব মুসলমান অধ্যুষিত এলাকাতেই প্রার্থী দিয়েছিলেন। এখন, আব্বাস সিদ্দিকী কোন আসনে প্রার্থী দেবেন, তা কি বলে দিতে হবে? কমরেড বিমান বসুরা তাঁকে অমুসলিম অধ্যুষিত, অন্তত তপশিলি আসন ছাড়ছেন নাকি?

    আসামে আজমল মিয়ার মুসলমান পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির পরিণতি কারোর অজানা নয়। আসামে মুসলমান আবাদি ৩৩ শতাংশ। বিজেপি একক নিরঙ্কুশ এবং হিমন্ত বিশ্বশর্মা ঢাক গুড়গুড় না করে বলে দিয়েছে মুসলমান ভোট তার দরকার নেই।

    এই হল এই হালাল সোনালী কাবিনের সোনার মোহর ভর্তি দেনমোহরের থোলো! বাঙালি মুসলমান, চিল্লাইয়া কন, আমীন।

    ******

    ভোটের পাটিগণিতটা একটু বোঝার চেষ্টা করা যাক। আব্বাস মুসলমান অধ্যুষিত সিটে প্রার্থী দেবে।
    তৃণমূল, বিজেপি, জোট(আব্বাস) ত্রিমুখী লড়াই। আব্বাস সিপিএমের ফেবল্ড ৭%পাবে? এই ভোটেরও একভাগ কেবল আব্বাসের কারণে বিজেপিতে যাবে।

    অন্যদিকে কংগ্রেস ভোটের একাংশও বিজেপির দিকে ঝুঁকবে। বিশেষত অধীর-গড়ে তাঁর ভোটের একটা বড় ভাগ কার্তিক ঠাকুরের আশীর্বাদরূপে আসে। আব্বাস তাঁর মুরীদের ভোট পাবেন। খুব বেশি হলে ৫/৭ শতাংশ মুসলমান ভোট। এটা দুই ২৪ পরগনায়, অধীর-গড় ও অন্যত্র আরো কম। গত নির্বাচনে তাঁদের সিংহভাগ মমতাকেই ভোট দিয়েছিল। আইএসএফের একটা প্রার্থীও জিতবে? মনে হয় না। সুতরাং এইসব সিটে পালাবদল হলে বিজেপিই জিতবে। তবু বিমানদার এই আঁতাত কেন চাই? আদিবাসী ও নমঃশূদ্র হয় ঘাসফুলে চরছে নয় হিন্দুত্বে দীক্ষিত হয়ে গেছে। মুসলমানরা আর ‘বিজেপি চলে আসবে’ বললে মজছে না, তারা ৩৪ বছরের খতিয়ানে নিজেদের দেনাপাওনা খুঁজছে। তাই সিদ্দিকুল্লার অ্যান্টিবায়োটিক চাই বিমানদার। একেবারে আস্ত জ্যান্ত একটা কমরেড পীরজাদা!

    নাকের বদলে নরুণ। টাক ডুমা ডুম ডুম। দুই কুকুরের হাড্ডাহাড্ডিতে হাড্ডি শেয়ালেই খাক।

    কে এই আব্বাস সিদ্দিকী? আব্বাস সিদ্দিকী ফুরফুরা সিলসিলার অভিষিক্ত পীরজাদা। বেশ বিখ্যাত। তার ল্যাঙ্গোয়েজ, বডি ল্যঙ্গোয়েজ, অমুসলিমবিদ্বেষ, নারীবিদ্বেষ রীতিমত হিংসে করার মত। সুফি ইসলামের মানবতাবাদের নামগন্ধ তাতে কিছু নেই। পারিবারিক পরিবেশে শোনার মত নয়, পাড়ার চায়ের দোকানের আড্ডায় উদ্ধৃতি যোগ্যও নয়। জনসমাবেশে গ্রহণযোগ্য উচ্চারণে বাংলা বলতে পারেন না! হ্যাঁ, এখানে জন্মানো, বড় হওয়া, বাঙালি মুসলমান পরিবারের মাদ্রাসা যাওয়া সন্তান ঠিক করে বাংলা বলতে পারে না।
    একই ব্যক্তির সাথে একই বাক্যে তুই-তুমি-আপনি/নেবে-লেবে’তে যুগপৎ আনায়াস, রুথলেস, বিরাট কোহলির পৃথিবীর বিভিন্ন পিচে ব্যাটিংয়ের মত যেন!

    he displays that streak of extra theatricality in public speaking that jumps over the boundary of acting & lands in the domain of idiocy, dumbness , amply adorned with his legendary semantic somersaults.

    ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রিতে বর্ণিত মন্দাবুদ্ধির অন্যতম লক্ষণ এটি। অবশ্য অধুনা প্রধানমন্ত্রী সম্বন্ধেও আমাদের পরিচিত ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রিস্ট আশিস নন্দী একই কথা বলেছেন প্রায় তিন দশক আগে।

    ইউটিউব ভরে পড়ে আছে। যার ইচ্ছা দেখতে পারেন।
    এবং ক্লিপগুলি নিয়ে আপনার পরিচিত কোন ক্লিনিক্যাল সাইকিয়াট্রিস্টকে দেখাতেও পারেন।

    এখন, হঠাৎ করে এহেন আব্বাস সিদ্দিকীকে নিয়ে পড়লাম কেন? আমি পড়ছি না, পড়েছেন আব্বাস সিদ্দিকী, যেভাবে এক টেম্পেরামেন্টাল মন্দাবুদ্ধি পড়তে পারেন। যেটা হওয়ার কথা নয়। একই ধর্মের মানুষ হলেও এই প্রাণীটি ৯০ শতাংশ বাঙালি মুসলমানের সামাজিক, পারিবারিক,রাজনৈতিক পরিসরে ছিলেন না। হ্যাঁ, আড়াই কোটির ১০ শতাংশ ২৫লাখ। একটু বেশিই রাখলাম পীরজাদার ভাগায়,খুব বেশি হলে এর আধা হবে। এ হেন কমরেড পীরজাদা হুট করে খুঁটি ছেঁড়া হোঁৎকা বলদের মত ঢুকে পড়েছে মুসলমান ভোটের সবুজ মাঠে।

    ভুল বললাম, খুঁটিছেঁড়া নয়, খুঁটি থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। লঞ্চ করা হয়েছে বলা যায়! তাকে রাজনৈতিক রাখালেরা চরাচ্ছে। মুসলমান ভোটের মাঠে। দিলীপ ঘোষ, ওয়েসির শুভেচ্ছাপ্রাপ্ত, বিমান বসু, অধীর চৌধুরী এই পীরজাদাকে রাজনীতিতে অভিষিক্ত করেন ব্রিগেডে। তাকে সাবআলটার্ন ভয়েস বলা হচ্ছে। ব্রিগেডে তার নারায়ে তকবীর না-বলার মধ্যে দেশি লেনিনরা সর্বহারা বিপ্লবের অঙ্কুরোদ্গম শুঁকছে। এই পীরজাদাই দরকার হলে রক্ত দিয়ে দেশের “স্বাধীনতা করবে!” মুসলিম অভিনেত্রীর পেশা ও অমুসলিম জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার কারণে সর্বসমক্ষে ‘চাবকে চামড়া তুলে’ সর্বহারার বিপ্লব সমাধা করবে।

    সোস্যাল, প্রিন্ট, অডিও-ভিস্যুয়াল মিডিয়ায় কমরেড ভাইজান পড়ানো হচ্ছে সাবআলটার্ন অল্প-অর্ধ-অশিক্ষিত গরিব মুসলমানদের। সবচেয়ে বিষাক্ত শ্রেণিশিক্ষক হচ্ছে কতিপয় তথাকথিত মেকলেশিক্ষিত লেনিনপ্রসূত সেলিমেরা। এইসবই ঐশী, স্বতঃস্ফুর্ত ভাববে কিন্তু ঐ ১০/১৫ লাখ মুরীদ। এই গোয়েবলসিয়ান, সঙ্ঘী খুড়োর কল বাকিদেরও যত সম্ভব যথাসম্ভব মুরীদিকরণের শুভ উদ্যোগ নিয়েছে।

    রাজনীতিতে আমরা যেভাবে নেতাজী-নেহরু-আজাদ পেয়েছি, শ্যামাপ্রসাদ-জিন্নাহ কিন্তু আমরা সেভাবে পাইনি। আবার শ্যামা-জিন্নাহ যেভাবে পেয়েছি মোদী-যোগী-ওয়েসি সেইভাবেই পেয়েছি। নেতাজী যদি মায়ের হাতের পলান্ন হয় শ্যামা হল পাড়ারই/বাড়িরই নর্মদার নোংরা পাঁক। এই আব্বাস সিদ্দিকীও সেই নর্দমা থেকেই, ধর্মান্ধতার পাঁক থেকেই, মুসলমান সমাজের নর্দমার!

    এই খেলার প্রথম খেলোয়াড় এঁরা নন, মমতা সেটাও খেলে রেখেছেন পীরজাদার চাচাকে দিয়ে। এঁরা অগ্রবর্তী সংস্করণ এনেছেন। ত্বহা পীর পরিবারের হলেও পীর নয়; এঁরা একেবারে অভিষিক্ত পীরজাদা এনেছেন।

    মুসলমান বাঙালি, তোমারই নর্দমা থেকে নোংরা পাঁক তোমারই থালায় পলান্ন বলে রাখছে ওরা। সম্প্রদায়ের অযোগ্যতম লোকেদের থেকে একজনকে সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক অভিভাবক বানানোর কমিয়নিষ্টকারী বিপ্লব থেকে নিজেদের বাঁচাতে না পারলে সেটা আত্মহত্যা হবে।



    (কমিয়নিস্ট বানান ভুল নয়, অনিষ্ট সৃষ্টিকারী নামধারী কমিউনিস্ট বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে)

    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন

  • বিভাগ : ভোটবাক্স | ০৭ মার্চ ২০২১ | ২৩১৫ বার পঠিত | ৩ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
আরও পড়ুন
মা  - Mousumi GhoshDas
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • Abhyu | 47.39.151.164 | ০৮ মার্চ ২০২১ ০১:১৫103234
  • ভাল লেখা।

  • Ranjan Roy | ০৮ মার্চ ২০২১ ০১:৪৯103235
  • তেতো সত্যি কথা।

  • &/ | 151.141.85.8 | ০৮ মার্চ ২০২১ ০২:৫৮103236
  • খুব ভালো লেখা। 

  • Politician | 2603:8001:b143:3000:25bf:5c60:1cd3:eb15 | ০৮ মার্চ ২০২১ ০৬:৫১103240
  • পশ্চিমবঙ্গে অসাম্প্রদায়িক দল কেউ আছে? 

  • Politician | 2603:8001:b143:3000:25bf:5c60:1cd3:eb15 | ০৮ মার্চ ২০২১ ০৮:৩১103246
  • জবাব পেয়েছি। রামকৃষ্ণ মিশন। 

  • Ranjan Roy | ০৮ মার্চ ২০২১ ০৮:৩৮103247
  • ধর্মীয় সম্প্রদায়ের কথা ভাবলে অবশ্য সবগুলো কমিউনিস্ট দলগুলো। এরা আদর্শগত দিক থেকে কোন ধর্মীয় গ্রুপ বা নেতাকে তোল্লাই না দিয়ে সবার থেকে সমান দুরত্ব রাখতেন।  কোন মন্দির মসজিদ গির্জায় মাথা নোয়াতেন না। অন্ততঃ প্রথম কয়েক দশক। পরের কংকালীতলা বা "আমি আগে ব্রাহ্মণ ' বা ইলেকশনের আগে বড়মা ফুরফুরে শরীফ ইত্যাদি স্যাক্রিলেজ বল্লেও কম বলা হয়।


    2 স্বামী সহজানন্দ, অগ্নিবেশ বা ভদন্ত আনন্দ কৌশল্যায়ন পার্টির সাথী হয়েছিলেন কৃষক আন্দোলন  বা মানবাধিকার আন্দোলনে যুক্ত হয়ে লাঠি খেয়ে জেলে গিয়ে। কোন ধার্মিক সাম্প্রদায়িক বক্তব্য দিয়ে নয়। আব্বাসবাবুর সঙ্গে এদের তুলনা?

  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 2405:201:8008:c03c:bc78:82a3:bc1a:342e | ০৮ মার্চ ২০২১ ০৯:৫৪103250
  • একেবারেই চালাকি তে ভরা লেখা। উপর না খুব ই নিম্নমানের। 'গুড মুসলিম-ব্যাড মুসলিম' একটি পরিচিত রোগ।


    বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত

  • এলেবেলে | 202.142.71.86 | ০৮ মার্চ ২০২১ ১৮:১০103274
  • কেয়াবাত। দুর্দান্ত লেখা। হ্যাঁ, শওকত মোল্লার কথা যখন লিখেছেনই তখন ভেড়ির ভাগাভাগি নিয়ে আব্বাসের গোঁসার কথাটাও খুল্লম খুল্লা লিখতেই পারতেন। তারপরেই তো তাঁর মহাবিবর্তন। সবাই সব জানেন, শুধু সিপিএম কিছু জানে না গো মা! তাই জাগো জাগো সর্বহারার ফাটা রেকর্ড বাজিয়েই যাচ্ছে!!

  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 2405:201:8008:c03c:bc78:82a3:bc1a:342e | ০৮ মার্চ ২০২১ ২০:১৩103277
  • ভেড়ির ব্যাপারটার দুটি মূল বৈশিষ্ট  হল, পুকুর টি মিম সমর্থক হায়েদ্রাবাদী মুসলমান , মাছ গুলি বাঙালি মুসলমান। এছাড়া গভীর তদন্তে জানা গেছে , ওদিকটায় মানুষ নাই। সব ই বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ্কারী। 


    :-))))))))))))))))))))) 


    ভাটের একটা লিমিট আছে মাইরি। :-)))) 


    একটা নতুন দল, দুটি নিরাকার ব্রহ্ম সাইনবোর্ডের সঙ্গে একটি জনসভা করেছে। কয়েকটি ছেলে মেয়ে কয়েকটি অসইব্য গান গেয়েছে। এখনো সব প্রার্থী ঘোষণা হয় নি। তাতে লোক জন হিলে গেল। 


    মশাইরা বুকে বল নিয়ে বিজেপি করুন, অবসরে তৃণমূল করুন, প্রতিটি টিভি চ্যানেল আপনাদের , অসুবিধে কি, এত নার্ভাস কেন, দাঁত কপাটি রোগের নতুন সিম্পটম এ সোশাল নেটওয়ার্ক ভরে গেল। 


    বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত

  • Ranjan Roy | ০৮ মার্চ ২০২১ ২১:২২103284
  • কমরেড 


    কেন ভিকটিম গেম খেলছেন? বিগ্রেডে  বহুকাল বাদে একটা চমৎকার জনসমাগম হয়েছে। এতেই এত অহংকার ? যেন লড়াই  জিতে গেছেেন? কে কোথায় যাবে তার ফরমান জারি করছেন! এই অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে? 


    আর কমরেড আব্বাসবাবুর দলটি একটি নতুন দল, এখনও নাড়ি কাটেনি? প্রতিষ্ঠাতার কোন পূর্বাপর কোন ইতিহাস নেই? কী সুইট! আপনি কি এতটাই নাঈভ?


    সিপিএম একটি রাজনৈতিক দল।  বাংলাবাজারে পাবলিকের ভোট চাইছে। তার নীতির সমালোচনা খোলা পাতায় করলে ধমক খেতে হবে?


    গীতায় শ্রীভগবান বলিয়াছেন---- অহংকারেণ ইত্যাদি!

  • এলেবেলে | 202.142.96.229 | ০৮ মার্চ ২০২১ ২১:৫৯103288
  • তো বাপু এতই যখন নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা, তবে মায়া মায়া জপলেই তো হয়। খামোখা একে-তাকে ধমকানো কেন? সাব-অল্টার্ন কি আব্বাস খায় না মাথায় মাখে?


    আর হ্যাঁ, ভেড়ির মাছ ও তার মালিকানা সম্পর্কে গভীর চেতনাসম্পন্ন একজনই আছেন। মজিদ মাস্টার। হে হে।

  • Politician | 2603:8001:b143:3000:29be:68a6:2efe:8fb8 | ০৯ মার্চ ২০২১ ০৪:২১103296
  • ধমক ধামক কিন্তু রঞ্জন আর এলেবেলেই দিচ্ছেন। 

  • &/ | 151.141.85.8 | ০৯ মার্চ ২০২১ ০৪:২৬103297
  • এই ব্যাপারকেই চচিচ এর ঈশেনবাবু গানে গেয়ে গিয়েছেন (একটু বদলিয়ে), "ধমকে ধামকে তারে ধরণী ধরিতে নারে, আঁধার ধারণা মাঝে সে ধারা শিহরে কই?/ ধরি ধরি ধরো ধরো ধরি কিন্তু ধরে কই?" :-)

  • Ranjan Roy | ০৯ মার্চ ২০২১ ০৬:৪০103299
  • পলিটিক্যাল


    ঠিক বল্লেন কি? 


    আমার ও এলেবেলের প্রথম পোস্টগুলো ছিল শুধু প্রবন্ধ নিয়ে, কোন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে নয়। বোধির প্রথম পোস্টও তাই, যদিও ভিন্ন সুরে। আমরা কিছুই বলিনি, আপনার সঙ্গে 'অসাম্প্রদায়িক দল' নিয়ে আলাপ জুড়েছি।


    হঠাৎই উনি "মশাইরা" বলে সোজা আক্রমণ করে আমাদের বিজেপি তিনো করার ফরমান দিলেন, আমরা নাকি নার্ভাস, কমরেড আব্বাসবাবুর বিক্রম দেখে নাকি 'দাঁতকপাটি'   ইত্যাদি।


    প্রতিবাদ করে বলেছি খোলাপাতায় একটি দলের নীতি নিয়ে কথা হচ্ছে, সেখানে বিষয় ছেড়ে ব্যক্তি আক্রমনের অধিকার কে দিয়েছে?


    মিলিয়ে দেখুন,  তারপর বলুন কে কাকে ধমকাচ্ছে?

  • পলিটিশিয়ান | 76.174.114.1 | ০৯ মার্চ ২০২১ ০৮:০৯103302
  • এই তর্কটায় ঢুকলে আসল আলোচনা বন্ধ হয়ে যাবে। প্রশ্ন হল পশ্চিমবঙ্গে সব দলই কি সাম্প্রদায়িক? যদি তাই হয় তো ভোট করে লাভ কিসের? 


    সিপিএম মোটেও সতী সাধ্বী নয়। আগেও বহু দলের সাথে জোট করেছে। আমি শিওর পরেও করবে। তো সিপিএম আজকে সতীত্ব হারাল বলে এত দুঃখ কেন? সিপিএম এমন কি করেছে যেটা আগে করেনি? 

  • PM | 182.160.126.210 | ০৯ মার্চ ২০২১ ১৩:৫০103325
  • Bengal minister Siddiqullah Chowdhury says Quran will prevail over Constitution

    https://www.thestatesman.com/india/bengal-minister-siddiqullah-chowdhury-says-quran-will-prevail-over-constitution-1502687901.html

    পঃ বঃ এর রাজনীতির খেলার নিয়মবলী যখন পাল্টাচ্ছিলো তখন রন্জন্দারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন। এখন খেলার নিয়ম পাল্টে গেছে--- খেলতে গেলে নতুন নিয়ম এই খেলতে হবে--- হঠাত জেগে কান্নাকাটি করলে হবে ?

    এই সিদ্দিকুল্লা যখন নন্দিগ্রামের সময় নানা মিথ্যে বলে সংখ্যালঘু ভোট পোলারাইজ করছিলো বামেদের বিরুদ্ধে তখন সব ঠিক ছিলো--- আব্বাসের বেলায় হাঠাত সব রসাতলে গেলো!!!

    "তেরা কুত্তা কুত্তা পর মেরা কুত্তা টমি" এই খেলা আর কদ্দিন চলবে ?

    আমরা যারা সিদ্দিকুল্লার ক্ষেত্রে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম, ইমামভাতায় আপত্তি জানিয়েছিলাম, মুখ্যমন্ত্রীর মাথায় ভেল পড়ে নমাজ পড়ায় আপত্তি জানিয়েছেলাম তারা আব্বাসের সাথে জোটেও আপত্তি জানাচ্ছি--এটা জেনেও যে খেলার নিয়ম ১০ বছর ধরে পাল্টানো হয়েছে।

    কিন্তু রন্জন দারা কি সেই অধিকার এখনো রেখে দিয়েছেন ?

  • Aa | 2409:4060:2e9d:c8bb:b3bf:44bd:6c55:eac0 | ০৯ মার্চ ২০২১ ১৪:৪৯103331
  • ভারতের রাজনীতিতে টিকতে গেলে আইডেন্টিটি পলিটিকস হবেই। আব্বাস কে নিয়ে যাদের সমস্যা মিম কে নিয়ে তাদের কোনো সমস্যা নেই। যদিও মিম বিজেপির b team. এই মীম গরম গরম সাম্প্রদায়িক কথা বলে হিন্দু ভোট consolidate করার চেষ্টা করে এবং সফল ও হচ্ছে। বিহার ইলেকশন প্রমাণ। আব্বাস মীমের হাত ধরলে polarization হতো। রুজি রুটির কথা বাদ পড়ে যেত শুধু ধর্মভিত্তিক ভোট হতো আর বিজেপি ক্ষমতায় চলে আসতো। বিজেপি একশো পেলেও সরকার গড়বে, তৃণমূলের লোকজন ভাঙিয়ে নিয়ে। ওরা ডেসপারেট। তাই বাম আব্বাসের হাত ধরেছে বলে বিজেপির সমস্যা হয়ে গেল খুবই। তাতে ভক্তবৃন্দের কষ্ট হতে পারে বামপন্থীদের হওয়া উচিত নয়।

  • এলেবেলে | 202.142.71.40 | ০৯ মার্চ ২০২১ ১৬:৪৩103339
  • এখানে কে এমন বললেন যে 'আব্বাস কে নিয়ে যাদের সমস্যা মিম কে নিয়ে তাদের কোনো সমস্যা নেই'? কেউ বললেন নাকি এমনটা কাউকে দিয়ে বলিয়ে নিতে পারলে নিজের ন্যারেটিভটা বেশ জোরালো হয়? কোনটা? ত্বহা সিদ্দিকি কোন দিকে? তাঁর ভাইপো সহস্যা অন্যদিকে গেলেন কেন, তার কাটাছেঁড়া হবে না? মিমের সঙ্গে আব্বাসের তালমিলের প্রসঙ্গ উল্লিখিত হবে না?


    'বাম আব্বাসের হাত ধরেছে বলে বিজেপির সমস্যা হয়ে গেল খুবই'। তাই? আব্বাস মুসলমান ভোট কাটবেন। আদৌ একটা আসনেও জিততে পারবেন কি না সন্দেহ। তা মুসলমান ভোট কাটলে বিজেপির সমস্যা হবে? সে তো ৬৭% হিন্দুদের কনসোলিডেট করার জন্য মরিয়া। আব্বাস তাদের অক্সিজেন দেবে ভায়া বাম। তাতে তিনো অনেক সিটে মার্জিনালি হারবে, সিপিএমের আশা পূর্ণ হবে।


    সিপিএমের স্লোগান - তিনো নিকটতম শত্রু, বিজেপি বৃহত্তম শত্রু। এই স্লোগানের আগামাথা কেউ বুঝতে পেরেছেন? 


    আর এত দাগিয়ে দেওয়ার প্রবণতা কেন? মানে সিপিএমকে সমর্থন না করলেই সে হয় ঘেসো নতুবা চাড্ডি নয়তো লিবারেল। এত স্ট্যাম্পো মারার শখ কেন?

  • PM | 180.210.220.15 | ০৯ মার্চ ২০২১ ২০:০২103356
  • তিনো দের  নিজেদের  তিনো  বলতে  লজ্জা  পেতে  দেখে  লোকে একটু  হেল্প  করে  দিচ্ছে  মাত্র 

  • রাজর্ষি রায়চৌধুরী | 82.27.43.175 | ১০ মার্চ ২০২১ ১৭:২৪103470
  • উপরে বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্তর সঙ্গে একমত। খুব একটা নতুন কিছু নেই লেখাটাতে, apart from the (by now) expected and usual demonisation of আব্বাস সিদ্দিকী।


    মানে ধর্মের সুড়সুড়ির বাইরে বেরিয়ে, ম্যানিফেস্টো ইত্যাদি সংক্রান্ত অন্ততঃ দু-একটি বাক্য থাকলে খুশি হতাম।

  • PT | 203.110.242.22 | ২১ মার্চ ২০২১ ০০:৪৫103918
  • "সিপিএমের স্লোগান - তিনো নিকটতম শত্রু, বিজেপি বৃহত্তম শত্রু। এই স্লোগানের আগামাথা কেউ বুঝতে পেরেছেন? "


    খানিক বুঝেছি নিজের মত করে। ওই যেমন সব দেব দেবীর একটা করে বাহন থাকে, তিনোরা হচ্ছে bjp/rss এর বাহন। নিজেদের survival এর জন্য তিনোরা ক্রমাগত bjp/rss কে বহন করে আনতেই থাকবে। কেননা নিজেরা কখনই 45 শতাংশের বেশি ভোট পাবে না। বিজেপিকে দরকার অন্তত: 25-30 শতাংশ দখল করে বসে থাকার জন্য। বামেদের (পোকিত হোক না হোক) উন্নতি হলে তিনোরা অবলুপ্তির পথে যাবে কেননা ভারতের অন্য কোথাও তাদের কোন অস্তিত্ব নেই।

  • Rifon Sircar | ২১ মার্চ ২০২১ ০১:০১103919
  • খুব ভালোl লেখা ।

  • বিপ্লব রহমান | ২৩ মার্চ ২০২১ ০৭:৪১103973
  • ''ভুল বললাম, খুঁটিছেঁড়া নয়, খুঁটি থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। লঞ্চ করা হয়েছে বলা যায়! তাকে রাজনৈতিক রাখালেরা চরাচ্ছে। মুসলমান ভোটের মাঠে। দিলীপ ঘোষ, ওয়েসির শুভেচ্ছাপ্রাপ্ত, বিমান বসু, অধীর চৌধুরী এই পীরজাদাকে রাজনীতিতে অভিষিক্ত করেন ব্রিগেডে। তাকে সাবআলটার্ন ভয়েস বলা হচ্ছে। ব্রিগেডে তার নারায়ে তকবীর না-বলার মধ্যে দেশি লেনিনরা সর্বহারা বিপ্লবের অঙ্কুরোদ্গম শুঁকছে। এই পীরজাদাই দরকার হলে রক্ত দিয়ে দেশের “স্বাধীনতা করবে!” মুসলিম অভিনেত্রীর পেশা ও অমুসলিম জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার কারণে সর্বসমক্ষে ‘চাবকে চামড়া তুলে’ সর্বহারার বিপ্লব সমাধা করবে।"


    আব্বাসকে চেনা খুব সহজ কথা নয়। তবে এই লেখায় বহুরূপী গাছপাকা তালেবান ঠিকই ধরা  পড়েছে। এমনই করেই প্রকাশ্যে এদের মাস্ক ছিঁড়ে ফেলে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করতে হবে। ব্রেভো!

  • PT | 203.110.242.23 | ২৩ মার্চ ২০২১ ১০:২৩103976
  • পবর "সেকুলার" মুসলমান নেতা ও মন্ত্রী। তিনোপ্রেমে মাতোয়ারা পন্ডিতেরা কখনো বিশেষ বাইট খরচা করেন নাই এনার ওপরে। নন্দীগ্রামের মুসলমানদের ক্ষ্যাপানোর জন্য ইনি বিস্তর কলকাঠি নেড়েছিলেন।
    "...... the Bangladesh government has denied him (Siddiqullah Chowdhury) a visa for a five-day trip.....
    Chowdhury has been an outspoken critic of the Sheikh Hasina government in Bangladesh.......he is perceived to be close to Begum Khaleda Zia’s opposition Bangladesh Nationalist Party, and against Hasina’s Awami League.
    ...........
    Chowdhury held meetings in support of the Razakars, and hailed them as “religious leaders”........
    ....... his organisation demanded the removal of a statue of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, ....... college hostel in Kolkata."
    https://theprint.in/politics/siddiqullah-chowdhury-mamatas-extreme-minister-who-clashes-with-modi-sheikh-hasina/341326/

  • | ২৩ মার্চ ২০২১ ১২:৪৮103980
  • "ইমামদের বলছি ভাতা নেবেন না ছেলেমেয়ের চাকরির জন্য লড়াই করুন।" বললেন আব্বাস। ধর্মান্ধ? হবেও বা। আপাতত এইটুকু শুনেই খুশী আমি। ইনি কালেদিন্জে জিন্নাহ হবেন কিনা সে সময়ই বলবে। তবে জিন্নাহের জিন্নহ হয়ে ওঠার পেছনেও কঙগ্রেসের  হিন্দুলবির কিছু অবদান ছিল। দেখা যাক 


    https://thewall.in/news-abbas-siddiqui-attacks-trinamool-and-bjp-simultaneously/?fbclid=IwAR0gAjzjI1BN_86NsP7Lgd0MNzRRAjJNVf5DbHImBAwCO2Y4Frax0BX557U

  • PT | 203.110.242.23 | ২৫ মার্চ ২০২১ ১৪:২৪104052
  • এক্কেবারে সেকুলার তিনোমুলঃ
    "৩০% এক হয়ে গেলে চার চারটি পাকিস্থান হয়ে যাবে। তখন ৭০% কোথায় যাবে?"
    হাম্বাগ টিভি দেখুন ও সেকুলারদের পোকিতো চোরিত্তো জানুন- কেমন খেলা হচ্ছে তিনোমুল স্তরে। এ পোসোঙ্গে কোনো পোবোন্দোর পোত্তাশা কর্বেন না।
    (হাম্বাগ টিভির ক্লিপিংস ও মন্তব্যের দায় পিটি নিচ্ছে না)

  • Aa | 2409:4060:2111:118b:6b0b:53af:258a:ee75 | ২৬ মার্চ ২০২১ ০১:৫৩104088
  • @ এলেবেলে আপনি আমার কথা বোঝেন নি। মীম আর আব্বাস হাত ধরলে যে হিন্দু polarisation হতো সেটা হতো ওয়াইসি এবং তার চেলা চামুন্ডাদের গরম গরম সাম্প্রদায়িক বুলির জন্য। ইদানিং নির্বাচনে ওয়াইসি এবং বিজেপি মিলিতভাবে এই খেলাটা খেলে। নাহলে ওই ধরনের কথা বলার জন্য ওয়াইসি নিশ্চিত জেলে যেত। ( যেখানে সাংবাদিক কাপ্পান , উমর খালিদ বা ভিমা Koregaon case এ কিরকম প্রমাণের ভিত্তিতে জেলে ভরা হয়েছে সেটা তো ক্রমশ প্রকাশ হচ্ছে)। এই জন্য মিম কে নিয়ে বিজেপির কোনো আপত্তি নেই (ওরা আসলেই তো বিজেপির সুবিধা হয়)।


     বামপন্থীদের সাথে মিলে আব্বাস চাকরি বেকারত্ব এসব নিয়ে কথা বলছে বলে বিজেপির polarisation এর চেষ্টা মাঠে মারা গেল। হিন্দু মুসলিম polarisation হলে হিন্দু ভোট তৃণ তে পড়বে এমনটা নিশ্চয়ই ভাবেন না। তৃণ কে যেভাবে বিজেপি মুসলিম তোষন কারি বলে হিন্দু ভোট consolidate করার চেষ্টা করত নিশ্চয় দেখেছেন সেদিক থেকে বিজেপি হাল ছেড়ে দিয়েছে , বেশি কিছু বলছে না। এভাবে ভাবলে তৃণ র দুটো লাভ দেখতে পাচ্ছি আব্বাস বামের হাত ধরায়।


    আচ্ছা বাম কং জোট বেশি ভোট পেলে বা মজবুত হলে তো বিরোধী ভোট ভাগ হবে। সেক্ষেত্রে তৃণ এর লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা ষোলো আনা নয় কি? আমি তৃনমূল বিরোধী যতো লোকজনের সাথে কথা বলেছি মনে হয়েছে তারা অনেকেই  বিজেপিকে ভোট দেবে তৃণ র পাড়ার মস্তান দের অত্যাচারের অবসানের আশায়। সংযুক্ত মোর্চা শক্তিশালী হলে এই ভোটের একটা বড় অংশ সংযুক্ত মোর্চায় ফেরত আসার কথা। সেক্ষেত্রে তৃণ ও বাম দুয়ের লাভ, বিজেপির ক্ষতি। 


    আমি কাউকেই দাগিয়ে দেইনি, বামপন্থীদের সমস্যা হওয়ার কথা নয় এটাই বলেছি।


    বাম পন্থী দলগুলো ক্লাস স্ট্রাগল এর পাশাপাশি বিভিন্ন মাইনরিটি এবং oppressed section গুলোকে নিয়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার চেষ্টা করছে (dmk বা rjd র সাথে জোট)। সারা বিশ্ব জুড়েই বামপন্থী শক্তিগুলো এভাবে ভাবছে ও আইডেন্টিটি পলিটিকস কে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে ক্লাস স্ট্রাগল কে শক্তিশালী করার জন্য। (একটা ও সিট জিতুক বা না জিতুক)। 


    আর একটা কথা, আগুন নেভাতে আগুনের ব্যবহার জানেন তো?


    https://www.ctif.org/news/prevention-control-using-back-fire-combat-wildfire


    বাম নেতৃত্বের উপর আস্থা রেখে দেখা যাক।

  • লক্ষ্মীপেঁচা | 2a0b:f4c2:1::1 | ২৬ মার্চ ২০২১ ০২:১৯104089
  • বিজেপি ৪০% ভোট পেয়েও আরামসে জিততে পারে যদি বাকি ৬০% ভোট ভাগ হয়ে যায়। এই বাকি ভোট তিনোর দিকে যদি বেশি যায়, তাহলে বিজেপির বিপদ। তাই বিজেপি নিজের স্বার্থেই চায় বামেদের দিকে একটু ভোট ভাগ হয়ে যাক, তিনো আর বাম ৩০-৩০% হলে বিজেপির খুব সুবিধে হয়। বামেরাই এখন বিজেপির ভরসা। বামেরাই বিজেপির লক্ষ্মীপেঁচা। বামেরা যত তিনো বিরোধিতা করবে বিজেপির তত পোয়াবারো।

  • তিনোর পেঁচা | 2620:7:6001::183 | ২৬ মার্চ ২০২১ ০২:৩২104090
  • একই যুক্তি কিন্তি তিনোদের ক্ষেত্রেও খাটে।
    অর্থাৎ, তিনোরাও ৪০% ভোট পেলেই জিতে যেতে পারে, যদি বাকি ৬০% ভোটের বেশির ভাগ ভোট বিজেপির দিকে না যায়। তাই তিনোরাও চাইবে বিরোধী ভোটের একটা ভাগ বামেদের দিকে যাক, ভোট ভাগ হোক। তিনোদেরও লক্ষ্মীপেঁচা বামেরা। বামেরা যত বিজেপি বিরোধিতা করবে তত তিনোদেরও পোয়াবারো।
    বামেরা যদি তিনোর ভোট ভাঙাতে পারে তাহলে বিজেপির লাভ, আর বামেরা যদি বিজেপির ভোট ভাঙাতে পারে তাহলে তিনোর লাভ।

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :

Abbas Siddiqui, Jamiat E Ulemaye Hind, Indian Secular Front, CPM ISF Ally, Abbas Brigade Rally, Abbas Nusrat, West Bengal Assembly Election, West Bengal Assembly Election 2021, West Bengal Assembly Election Coverage, West Bengal Assembly Election Guruchandali, West Bengal Assembly Election human story, West Bengal Assembly Election Politics, West Bengal Assembly Election Votebaksho, West Bengal Assembly Election Votebakso, West Bengal Assembly Election, West Bengal Assembly Election Votebakso Guruchandali, Guruchandali Election Coverage, Guruchandali Assembly Election West Bengal 2021
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন