• বুলবুলভাজা  পড়াবই  সীমানা ছাড়িয়ে

  • শানিত সূক্ষ্ম হিউমারে কেটেকুটে দেখেছেন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানস

    জয়া চৌধুরী
    পড়াবই | সীমানা ছাড়িয়ে | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৬৩৬ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • মারিও বেনেদেত্তি। উরুগুয়ের সাহিত্যিক। লেখার জগত বহুধা বিস্তৃত। প্রবন্ধ, চিত্রনাট্য, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, গান রচনা, গান গাওয়া সব দিকে ছড়িয়ে আছে তাঁর প্রতিভা। রয়েছে একাধিক বহুল পঠিত ও প্রশংসিত উপন্যাস। তবে হিস্পানিক সাহিত্যে ছোটো গল্পের সম্রাট। ১৯৭৪-এ সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে নির্বাসনে থাকতে হয়েছে বহু বছর। লিখছেন স্প্যানিশ ভাষার শিক্ষক ও তরজমাকার জয়া চৌধুরী



    মারিও বেনেদেত্তি

    ২০২০ সাল ছিল তাঁর জন্ম শতবর্ষ। ওঁর সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় দেখা আট বছর আগের এক শীতের দিনে—একটি ছোটো গল্প ‘un dia de 2030’ বা ‘২০৩০-এর একটি দিন’ পড়ে। এত ভালো লেগেছিল যে সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় অনুবাদ করে ফেলেছিলাম। সে বইতেই প্রথম পড়ি কিংবদন্তি আর্জেন্টিনীয় ট্যাঙ্গো গায়ক কার্লোস গারদেলের নাম। বিশ শতকের প্রথম অর্ধে ওঁর দাপট ছিল সম্পূর্ণ লাতিন দুনিয়া জুড়ে। বলছি উরুগুয়ের বুম যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মারিও বেনেদেত্তির কথা। সংগীত যাঁর সৃষ্টির উৎস ও ধারক ছিল। যাঁর বহু কবিতায় সুর দিয়ে রেকর্ড করা হয়েছিল। আধুনিক হিস্পানিক সাহিত্যে বেনেদেত্তি এক ব্যতিক্রমী বিপুল নাম। ব্যতিক্রমী বললাম কেননা সাধারণভাবে হিস্পানিক সাহিত্যে স্যাটায়ার, ব্যঙ্গ, রসিকতা যথেষ্ট থাকলেও বিশুদ্ধ উইট বা হিউমারের প্রচলন বেশ কম। তবুও যদি ভাবতেই হয় তাহলে বরং আধুনিক স্পেনীয় সাহিত্যের গুরু মিগেল সেরভান্তেসের দোন কিখোতে উপন্যাসের কথাই মনে আসে। সে উপন্যাসের নায়ক ও তাঁর ল্যাগব্যাগে ঘোড়া রোসিনান্তে কিংবা তাঁর সহচর মোটাসোটা এবং ধূর্ত সাঞ্চো পাঞ্জাকে নিয়ে যে সূক্ষ্ম হাস্যরসের ছবি উঠে এসেছিল পাঁচশো বছর আগে বেনেদেত্তিকে তাঁর সঠিক উত্তরাধিকারী বলা যেতেই পারে।

    ১৯৪৯ সালে যখন প্রথম গল্প সংকলন বের হল ‘এস্তা মানিয়ানা’বা ‘আজ সকাল’, সেখানেই প্রথম দেখতে পাওয়া গেল বিষাদকে লড়াই করবার অস্ত্র হিসেবে তিনি হিউমারকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর উরুগুয়ের ১৯৪৫-এর প্রজন্মের কবি সাহিত্যিকদের একটি প্রবণতা দেখা গিয়েছিল দেশ গড়ে তোলার, জনগণের মানসিকতা গড়ে তোলার। যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতিজনিত ও হিটলারের নৃশংসতার কারণে তদুপরি জাপানে হিরোশিমা নাগাসাকির বোমা বুদ্ধিজীবীদের নতুন করে দায়িত্বশীল, স্বদেশপ্রেমী, মানবতাবাদী করে তুলেছিল। উরুগুয়ে ততদিনে দক্ষিণ আমেরিকার সুইৎজারল্যান্ড—এই তকমা হারিয়ে ফেলেছে। সে দেশের প্রেক্ষাপটে এই সময়েই সেখানকার মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানস তুলে ধরছিলেন বেনেদেত্তি। বেছে নিয়েছিলেন সূক্ষ্ম হিউমারের ধার। হিস্পানিক সাহিত্যে বোর্খেস, কোর্তাসার, মার্কেস, ফুয়েন্তেস, কার্পেন্তিয়ের—এঁদের রচনার মধ্যে ব্যঙ্গ বা স্যাটায়ারের যে ঝিলিক দেখা যায় তার থেকে আর একটু অন্যরকম এই হিউমারের স্বাদ। মধ্যবিত্ত শ্রেণির নানান সুবিধাবাদী বিচ্যুতি, বোবাকালা হিপোক্রিসির অবস্থান, আবার তাদের ক্ষেত্রেই সমাজমুখী মানসিকতার অভিমুখ বদলে দেবার অসীম ক্ষমতা—এই দুটি ছিল তাঁর লেখা গড়ে তোলার আধার। এই শ্রেণিকে তাঁর মতো সফল ভাবে কেউ তুলে আনতে পারেননি লেখায়। সমসময়ের অন্যান্য উরুগুয়ের সাহিত্যিক খুয়ান কার্লোস ওনেত্তি বা ফেলিসবের্তো এর্নান্দেস বা ওরাসিও কিরোগা ইত্যাদি বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের ভিড়েও মারিও বেনেদেত্তি তাই অনন্য।

    আশিটির বেশি বই লিখেছেন তিনি সারাজীবনে। ১৪ বছর বয়স থেকে চাকরি করতে শুরু করেন। গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য নানারকম পেশা নিয়েছেন জীবনে। শেষমেশ ১৯৪৪ সাল থেকে মারজিনালিয়া পত্রিকাটি সম্পাদনা শুরু করেন। এবং প্রথম যে বইটি প্রকাশ পায় সেটির নাম ‘প্রবন্ধ’। তবে ১৯৪৫ সাল থেকে উরুগুয়ের বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘মার্চা’-র সঙ্গে যুক্ত হন। সেই সম্পর্ক চলেছিল ১৯৭৪ সাল অবধি। সেইসালে উরুগুয়েতে একটি মিলিটারি অভ্যুত্থান ঘটে এবং এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি বিশেষ ভাবে জড়িয়ে পড়েন বলে স্বৈরাচারী শাসক খুয়ান বোরদাবেরি তাঁকে নির্বাসন দেন। সেইসময় তিনি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। এরপর থেকে বহুবছর নির্বাসনে কাটাতে হয় বিভিন্ন দেশে। আর্জেন্টিনা হয়ে কিউবা হয়ে পরে স্পেনের মায়োরকাতেও থাকেন। এ সমস্ত জায়গায় তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় লিখতে থাকেন এবং বই প্রকাশ করতে থাকেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলি এ সময়েই প্রকাশিত হয়।

    এখানে পড়ুন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘I love you’ সহ পাঁচটি কবিতাhttps://culturacolectiva.com/books/mario-benedetti-love-poems-for-your-partner

    সর্বোপরি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘Primavera con esquina rota’ বা ‘কোনা ভাঙা বসন্তকাল’ এই সময়ে প্রকাশিত হয়। এর ইংরিজি অনুবাদ পাওয়া যায় ‘Spring With a Broken Corner’ নামে।

    বেনেদেত্তির লেখার জগত বহুধা বিস্তৃত। প্রবন্ধ, চিত্রনাট্য, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, গানরচনা, গান গাওয়া সব দিকে ছড়িয়ে আছে তাঁর প্রতিভা। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে গাব্রিয়েল গারসিয়া মারকেসের সমসময়ে জন্মগ্রহণ করার জন্য ইংরেজিভাষী দুনিয়ায় সে খ্যাতির দাপটের ছায়ায় পড়ে যান তিনি। অথচ মন, মনন ও মস্তিস্কের নানান গহিন অধ্যায় যে ভাবে তাঁর কলমে উঠে এসেছে তার তুলনা আজও পাওয়া যায়নি হিস্পানিক সাহিত্যে। তাঁর মতো ভেদকারী অন্তর্দৃষ্টি এবং হিউমারের ধরন বুম যুগের আর কোনো সাহিত্যিকের লেখায় ফুটে ওঠেনি। মন্টে ভিডিও শহর ও তার মধ্যবিত্ত সমাজকে আশ্রয় করে চিরকালীন মধ্যমানসিকতাকে কত বছর আগে ফুটিয়ে তুলেছেন। ইংরিজিতে এখনও খুব বেশি অনূদিত নন অথচ লাতিন দুনিয়ায় তিনি বেস্ট সেলার আজও। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস La Tregua বা ‘সন্ধি’। উপন্যাসটি সম্পূর্ণ ডায়রি লেখার আঙ্গিকে লিখেছেন তিনি যা ইংরিজিতে Truce নামে অনূদিত। এই বইয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া চলচ্চিত্র ‘শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার ছবির’ জন্য অস্কার নমিনেশনও পেয়েছিল। বাংলায় এটি অনুবাদ করেছি আমি। এখন যন্ত্রস্থ। শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।

    তবুও নিরপেক্ষ পাঠকের বিচারে তাঁকে আমি গল্পের রাজা বলে মনে করি। সারাজীবনে আটটি গল্প সংকলন প্রকাশ করেছেন। সেসব গল্পের মাধ্যমেই সরাসরি পাঠকের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন তিনি। ১৯৫৯ সালে একটি গল্প লিখেছিলেন ‘dejánoscaer’ বা ‘আমাদের পতিত হতে দাও’। জেম্‌স জয়েস বা ভার্জিনিয়া উলফের লেখায় যে অন্তর্মুখী মনোলগ পড়েন পাঠক, এই গল্পটিতে মারিও যেন বহির্মুখী মনোলগ লিখছেন চাপা তুমুল হাস্যরসের মাধ্যমে। তিনি ভীষণভাবে স্বদেশীয় হয়েও অসম্ভব আন্তর্জাতিক হয়ে ওঠেন এই ভাবে। আর-একটা গল্প ‘Punteroizquierdo’ বা বামপন্থী পয়েন্টার। ১৯৫৪ সালে লিখেছিলেন। গল্পে ফুটবল লিগের সফলতম ফুটবলারটি ঘুষ নিচ্ছে। ক্রমে সে খেলার বদলে ঘুষ নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল...। যতকাল বেঁচেছেন পাঠকের হৃদয়ে রাজার মতো থেকেছেন মারিও, চিরকাল থাকবেন।



    মারিও বেনেদেত্তি-র একাধিক উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ ও গল্প সংকলনের ইংরেজি তরজমা কিনতে পারেন এখানে


    গ্রাফিক্স: মনোনীতা কাঁড়ার

    এই বিভাগের লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে 'পড়াবই'এর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন।
  • বিভাগ : পড়াবই | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৬৩৬ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Soumyadip Maschatak | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১০:০৯102569
  • অসাধারণ এবং সুলিখিত। এক নতুন দিগন্তের খোঁজ পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। মারিও বেনদেত্তির বঙ্গানুবাদ পড়ার জন্য অপেক্ষা করবো।

  • lcm | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৪:২৪102578
  • আচ্ছা, এখানে 'কিখোতে' বা 'বোর্খেস' বলা হয়েছে, কিন্তু আমরা 'কিহোতে', 'বোরহেস' শুনেছি -- এটা বোধহয় ওই সাইলেন্ট J, যেটা কখনও 'খ' বা কখনও 'হ' দিয়ে উচ্চারণ হয় 

  • জয়া চৌধুরী | 223.191.19.121 | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১২:২৫102726
  • মন্তব্য করার জন্য পাঠকদের ধন্যবাদ জানাই

  • বুবুন চট্টোপাধ্যায়। | 2a00:23c6:c519:7e01:9949:d87c:9242:4cbb | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:১৫103085
  • অনেক কিছু জানতে পারলাম। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন