• খেরোর খাতা

  • কিছু লটারি অথবা একটি কাগজের নৌকোর গল্প

    Chowdhury Production লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৮ অক্টোবর ২০২০ | ১০৩ বার পঠিত
  • ৪/৫ (৩ জন)
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • নিত্যানন্দপুর গ্রামের জোবেদা খাতুন মেমোরিয়াল প্রাইমারি স্কুলের পঞ্চাশোর্ধ বাংলার শিক্ষক তমল সাহা হঠাৎ লটারি নগদ দুই লক্ষ টাকা জিতে গেলেন। তার বায়ান্ন বছরের জীবনে এমন চমকপ্রদ ঘটনা আগে ঘটেনি। এতোদিন মোটামুটি ভাবে চলে আসা সংসারে আচমকা এতোগুলো টাকার আগমন আগে হয়নি। 

    আশেপাশের লোকজন,বিশেষ করে তার স্কুলের

    অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীরা বেশ বিষ্ময় প্রকাশ করলো। বিজ্ঞান শিক্ষক অমল মল্লিক তো বলেই ফেললেন, "সত্য করে বলেন তো, দাদা কবে থাইকা লটারি কিন্যা আসতেছেন?" তিনি কিছুতেই তাকে বোঝাতে পারলেন না যে তিনি এবারই জীবনে প্রথম লটারি কিনেছিলেন! বলা যায়, কতকটা অনিচ্ছাতেই। বাজারে দোকান থেকে সদাই কিনে দেখেন দোকানির কাছে ভাংতি নেই পাঁচশো টাকার। তার নিজের কাছেও খুচরো নেই বেশি। সময়টা ভরদুপুর হওয়ায় খুব বেশি দোকান খোলা ছিল না আর যে কটা খোলা ছিল সেগুলোতেও ঝাঁপ ফেলার তোড়জোড়। বাকি নেয়া যেতো অবশ্য, কিন্তু তাহলে আবার ওবেলা আরেকবার আসতে হবে। ঠিক এসময়ই পাশের রাস্তা দিয়ে লটারির টিকেটের ভ্যানটা যাচ্ছিলো। তাদের কাছে গেলে তারা এমনি এমনি খুচরো দিতে রাজি হলো না। শেষমেষ বাধ্য হয়েই গোটাপাঁচেক টিকেট কিনতে হয়েছিলো তাকে। 

    বিপত্নীক - নিঃসন্তান মানুষ তিনি। স্ত্রী দীপালি কর্মকার মারা গেছেন প্রায় বছর কুঁড়ি আগে। সংসারে রুচি হয়নি আর। আত্মীয়-স্বজনদের বেশিরভাগই ভারতে স্থায়ী হয়েছেন, তাদের সাথে যোগাযোগ নেই বললেই চলে। দেশে গুটিকয়েক লতা-পাতায় আত্মীয় যারা আছেন তারা শহরবাসী, কালেভদ্রে যোগাযোগ হয় তাদের সাথে। স্কুলকে ঘিরেই এখন তার জীবন বলা যায়। সময় কাটানোর জন্য স্কুল  ছুটির পরেও স্কুলের লাইব্রেরিতে বসে থাকেন তিনি। সেদিনও ছিলেন। পত্রিকা পড়তে পড়তে হঠাতই বড় করে ছাপানো লটারির ফলাফলটা চোখে পড়ে তার। লটারিগুলো মানিব্যাগেই ছিল, নম্বর মিলিয়ে দেখতেই কপাল ঘামতে থাকলো তার। বারকয়েক চশমার কাঁচগুলো মুছতে গিয়ে আরো বেশি ঘোলা করে ফেললেন সেগুলোকে। গা কাঁপছিলো তার। মাথার ভেতরটা খালি খালি লাগছিলো। তৃষ্ণায় গলা কাঠ কাঠ লাগছিলো। স্কুলের দপ্তরি আব্দুল আজিজকে চেঁচিয়ে ডাকলেন তিনি। দপ্তরি আসার আগেই লটারিগুলো আবার সযত্নে মানিব্যাগে ভরে নিলেন। সে আসতেই পানি আনতে বললেন তাকে। আব্দুল আজিজ পানির গ্লাস হাতে দিয়ে কিছুটা উৎকন্ঠিত স্বরে তাকে প্রশ্ন করেছিলো," স্যার,আপনের কি শইল খারাপ?" প্রত্যুত্তরে তিনি দুই ঢোকে পানি শেষ করে গ্লাস ফিরিয়ে দিয়ে বলেছিলেন,"ঘর আটকে দাও, আমি বেরোবো।"

    বাড়ি ফিরে চুলোয় ভাত আর ডাল বসিয়ে ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে বসলেন তিনি। এতোগুলো টাকা দিয়ে কী করবেন তিনি! হেডমাস্টার আবুল কাশেম সাহেব বলেছেন গন্জে গিয়ে ব্যাংকে জমা রাখতে। তাতে সুদও পাবেন। তিনি আরো বলেছেন এই দু লক্ষ টাকার পুরোটা পাবেন না তমলবাবু। কিছুটা ট্যাক্স হিসেবে কেটে রাখা হবে। তবে কুটোটিও না নেড়ে একসাথে এতোগুলো টাকা পেয়ে যাচ্ছেন, সে বিচারে তা-ই বা কম কী! কালই গন্জে গিয়ে ব্যাংকে একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। সাথে পুরস্কারটা কীভাবে তোলা যায় টিকিট দেখিয়ে, তাও জেনে নিতে হবে। আসন্ন প্রাপ্তির কথা ভেবে মনটা কিছুটা খুশি খুশি হয়ে উঠলো তার। হঠাৎ মনে পড়লো, ঘোরাঘুরিটা কোনোদিনই তেমন করা হয়নি তার। টাকাটা পেলে তার থেকে কিছুটা নিয়ে কক্সবাজার ঘুরে আসবেন দিনকতক ছুটি নিয়ে। তার স্ত্রীর সমুদ্র দেখার শখ ছিল।

     ২. রাতে খুটখাট শব্দে তার ঘুম চটে গেল হঠাৎ। অনেকক্ষণ ধরেই শব্দটা কানে আসছিলো, তবে এবার বোধহয় একটু বেশি জোরালো মনে হলো। আস্তে আস্তে বিছানা ছেড়ে বাতি জাললেন। না, কোথায়ও কিছু নেই। ইঁদুরের উপদ্রব হবে হয়তো। চোরের উপদ্রব যে এ অঞ্চলে একেবারে কম, তা নয়। তবে তার থেকে নেবার মতো আছেই বা কী! মনে মনে হেসে খাটে উঠে পাশ ফিরে শুতেই তার মনে পড়লো, আগে ছিল না বটে তবে এখন তো তার থেকে নেবার মতো মহার্ঘ জিনিস আছে! তার লটারি জেতার খবরটা এখন গাঁয়ের অনেকেরই জানা, গ্রাম-গঞ্জে এসব খবর চাপা থাকে না। তা শুনে কি কারো মাথায় টিকিটটা ঝেড়ে দেবার বদ খেয়াল চাপতে পারে না? তাড়াতাড়ি উঠে বসে টেবিলের ওপর থেকে মানিব্যাগ নিলেন। নাহ,ঠিক জায়গা মতোই আছে জিনিষটা। কিছুটা নির্ভার বোধ করলেও পূর্বের শংকাটা তার মনে চেপে বসলো আবার। কী করা যায় ভাবতে ভাবতে ঘুমোবেন না ঘুমোবেন না করেও শেষরাতের দিকে ঘুমিয়ে পড়লেন তিনি।

    3. পরদিন স্কুলে যেতে দেরী হয়ে গেল তার ঘুম সময়ে না ভাঙায়। টিচার্স রুমে অমল মল্লিক মজা করে বললেন,"টাকার গরমে ঘুম আসতেছিলো না মনে হয়, দাদার।" তমলবাবু কোনো মন্তব্য না করে তিন দিনের ছুটির দরখাস্ত করলেন। 

    ছুটির পরে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার পাশের পুকুরটার ঘাটে গিয়ে বসলেন তিনি। ছেলেবেলায় এখানে প্রায়ই আসতেন স্কুল ছুটির পর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে। ঢিল ছুঁড়ে পুকুরের শ্যাওলা ভরা শান্ত জলে আলোড়ন তোলার প্রতিযোগিতা করতেন। বিয়ের পর দীপাকে নিয়েও এসেছেন বার কয়েক। জলে নিজেদের ছায়া দেখতে ভালো লাগতো তার। পুকরের পাশেই প্রাচীন কিছু নুয়ে পড়া নারিকেল গাছ। জলে সেগুলোর ছায়া পড়ে অদ্ভুত সুন্দর প্রতিবিম্ব তৈরী হয়। কয়েক সিঁড়ি নেমে চোখে - মুখে বারকয়েক জলের ঝাপটা দিলেন তিনি।ঘাড়েও বুলিয়ে নিলেন জলের পরশ।আরাম বোধ হলো তাতে। বাড়ি থেকে গামছা আনতে গেলেন তিনি, গোসলটা সেরে নেবেন। 

    ৪. দিনভর খাটনির পরে ঘুমোবার আয়োজন করতে ব্যস্ত কালিগোলা আঁধারে ঢাকা প্রকৃতি। ঘুমোতে গেলেন তিনিও কিন্তু ঘুম আসছিলো না তার নানান ভাবনায়। মানিব্যাগটা বালিশের নিচে রেখে দিয়েছেন আর একটু পরপর সেটা বের করে দেখছেন টিকিটটা জায়গা মতো আছে কিনা। ঝিমুনি আসলেও একটু পর পর নানান শব্দে ঘুম চটকে যাচ্ছে তার। আর চমকে উঠে বালিশের নিচে হাতড়ে দেখছেন মানিব্যাগটা জায়গামতো আছে কিনা। এভাবে একসময় পুরোপুরিই ঘুমে তলিয়ে গেলেন তিনি।

    গভীর রাতে হঠাৎ ঝন ঝন শব্দে ঘুম চটকে গেল তার। চোখ খুলে চারদিকে ঘুরঘুট্টি আঁধার ছাঁড়া কিছুই দেখতে পেলেন না। প্রবল বৃষ্টির ঝম ঝম শব্দ শোনা যাচ্ছে। আর মাঝে মাঝে বজ্রপাতের গুরুম গুরুম গর্জন। অন্ধকারের সাথে চোখকে মানিয়ে নিতে খানিক সময় লাগলো। বাতি জ্বালিয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তার মনে আছে। সেটা নিভে গেছে। এখানে ইলেক্ট্রিসিটির সাথে ঝড়ের চোর-পুলিশ সম্পর্ক। একটা আসলে অন্যটা পালিয়ে যায়। খাট থেকে নামতে গিয়ে কোমড়ের হাড়ে বেমক্কা টান পড়ায় 'আঃ' বলে আর্তনাদ করে উঠলেন। ডান হাত দিয়ে খানিকক্ষণ কোমড় মালিশ করার পর কিছু আরাম হলো। টেবিল হাতড়ে হাতড়ে ম্যাচবক্সটা পেয়ে গেলেন। একটা কাঠি জ্বেলে সেই আলোয় একটা ঈষৎ ক্ষয়ে যাওয়া মোমবাতিও পেয়ে গেলেন। জলন্ত মোমবাতিটা ওখানেই রেখে আলমারীতে রাখা টর্চটা জ্বেলে রান্নাঘরের দিকে গেলেন। মেঝেতে আলো ফেলতে এক সাদার মধ্যে কালো ছোপ মেশানো রঙের একটা চারপেয়ে প্রাণীকে জ্বলজ্বলে হলদে চোখে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখলেন। একটা বেড়াল! সম্ভবত জানালার গ্রিল দিয়ে ঢুকেছে। পাশেই তার চা খাওয়ার অ্যালুমিনিয়ামের গ্লাসটা মেঝেতে পড়ে আছে। এটাতেই চা খান তিনি, গরম গ্লাস হাতের চামড়ায় লাগলে একরকম জ্যান্ত অনুভূতি দেয় তাকে। বেড়ালটা বৃষ্টিতে আটকা পড়েছে বোধহয়। থাকুক নাহয়, বৃষ্টির বেগ কমলে নিজে থেকেই চলে যাবে।তাছাড়া এখানে রান্না করা খাবারও নেই তেমন যে নষ্ট করবে। গ্লাসটা তুলে রেখে নিজের ঘরে ফিরে গেলেন। খাটের ওপর বসলেন। টিকিটটা বের করে দেখলেন আরেকবার। চোখের তারায় অস্থিরতা দেখা দিল  তার। খাটে হেলান দিয়ে বসলেন।সারারাত আর ঘুম হলো না তার।

    ৫.   ভোরে যখন বিছানা ছাড়লেন তখন বৃষ্টির বেগ অনেকটা কমে এসেছে, আকাশও ফর্সা হতে শুরু করেছে। ইলেক্ট্রিসিটি আসেনি এখনও। ধীরপায়ে বাড়ির দরজার দিকে গেলেন তিনি। জোর বৃষ্টিটা এখন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে নেমে এসেছে। দরজার তালা খুলে তাতে হালকা ধাক্কা দিতেই ক্যাঁচক্যাঁচ আওয়াজে আর্তনাদ করে খুলে গেল লোহার দরজাটা। 'ম্যাঁও'। বেড়ালটা এসে দাঁড়িয়েছে তার পাশে। এটা এখনও আছে তাহলে! "কীরে ব্যাটা ঘুম আসে না?" কন্ঠে কিছুটা স্ফূর্তি এনে বললেন তিনি। দরজার বাইরে তাকালেন। বৃষ্টির পানিতে দরজার সামনে থেকে শুরু করে উঠোন পর্যন্ত মোটামুটি বড় একটা সাময়িক খাল তৈরি হয়ে গেছে একটা। প্রতিবার বর্ষাতেই এই অবস্থা হয়। প্রায়বারই ভাবেন জায়গাটা পাকা করে নেবেন সিমেন্ট কিনে এনে, কিন্তু ঐ ভাবা পর্যন্তই। করা আর হয়ে ওঠে না। বর্ষা আসলে খানকতক ইট বিছিয়ে দিয়েই কাজ চালিয়ে নেন। এই উঠোনেই পিছলে পড়ে মিসক্যারেজ হয়ে গিয়েছিল তার স্ত্রী দীপার। পেটের বাচ্চাটাকে বাঁচানো যায়নি। দীপা বেঁচে গিয়েছিল, তবে সেই বেঁচে থাকা জীবন্মৃতের মতোই । এরপর যে কবছর বেঁচে ছিলেন, যন্ত্রের মতো দায়িত্ব পালন করে গিয়েছিলেন শুধু...প্রাণ ছিল না তার মধ্যে। 

    ছোট্ট একটা শ্বাস ফেললেন তিনি। বেড়ালটার দিকে তাকিয়ে বললেন,"দাঁড়া, তোকে একটা জিনিস দেখাই। বলে দরজা সরাগে খোলা রেখেই ঘরে ঢুকে গেলেন। ফিরে এলেন লটারির টিকিটগুলো হাতে। তারপর বৃষ্টির ছাঁটে ভেজা মেঝেতে বসে নৌকো বানাতে থাকলেন সেগুলো দিয়ে। দীপার খুব প্রিয় খেলা ছিল এটা। কাগজের নৌকো বানিয়ে ভাসিয়ে দেয়া। বয়স যতই পরিণত হোক না কেন, এরকম কিছু ছেলেমানুষীকে প্রশ্রয় দিয়ে আমরা নিজেদের বুকের ছোট্ট কোণে সযত্নে লালন করি। তমলবাবু নিজেও স্ত্রীর জোড়াজুড়িতে খেলতেন এটা কার নৌকো বেশিক্ষণ ভেসে থাকতে পারে সেটার প্রতিযোগিতা হতো, দীপাই জিততো বেশিরভাগ সময়।

    বর্তমানে ফিরে এলেন তিনি। পাঁচটি টিকিটের নৌকোই বানানো শেষ। ভাসিয়ে দিলেন তাদের একে একে বাড়ির সামনের সদ্য তৈরি হওয়া খালে। দুটো প্রথমেই ডুবে গেল। খানিকবাদে আরো একটা। এখন শুধু দুটো নৌকো ভাসছে। সমান্তরালে। এবার ঈষৎ পিছিয়ে পড়লো একটা। খানিকবাদে ডুবে গেল সেটাও। রাশি রাশি জলের ওপরে শুধু একটি মাত্র নিঃসঙ্গ নৌকো। গভীর আগ্রহ নিয়ে সেটাকে ডুবতে দেখার অপেক্ষায় পলকহীন দৃষ্টিতে সেটার দিকে চেয়ে রইলেন জীবন সায়াহ্নে দাঁড়িয়ে থাকা একজন নিঃসঙ্গ মানুষ 

  • ১৮ অক্টোবর ২০২০ | ১০৩ বার পঠিত
  • ৪/৫ (৩ জন)
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ২২ অক্টোবর ২০২০ ১৩:২৫98753
  • বাঃ , ভালো গল্প।

  • i | 203.219.27.59 | ২৫ অক্টোবর ২০২০ ০৮:৪৩98914
  • শেষের ছবিটা অনেকদিন মনে থাকবে- বেড়াল, বুড়ো মানুষ একজন আর বৃষ্টির জলে কাগজের নৌকা -

  • Amalendu Chanda | ২৫ অক্টোবর ২০২০ ১৯:৪৩98986
  • আরে ধুর বেশ একটা পরিসর তৈরি হচ্ছিল উপসংহারে এসে নিঃসঙ্গতা র যজ্ঞ হয়ে গেল 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন