• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • এনকাউন্টার কারে কয়

    Prativa Sarker লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১০ জুলাই ২০২০ | ১৭৩৭ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • সরকার না চাইলে যেমন দাঙ্গা হয়না, তেমনি রাষ্ট্র না চাইলে অপরাধী বা নিরপরাধী কেউ এনকাউন্টারে মরে না। এনকাউন্টারকে বাহবা দেয় যারা, তারা মব লিঞ্চারের সমগোত্রীয়। নিজের হাতে আইন তুলে নিতে চায়। তুচ্ছ করে দেশের সংবিধানকে, যেখানে একরকম আইনানুগ সুবিধে সবারই পাওনা একথা স্পষ্টাক্ষরে লেখা আছে।

    বিকাশ দুবেকে কোর্টে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এসটিএফের শক্তপোক্ত গাড়িতে, এইরকম একটি জি নিউজ ভিডিও দেখছিলাম। আবহাওয়া ফিল্মিই ছিল বটে। আকাশে গাঢ় শ্লেটরঙের মেঘ। বেশ বৃষ্টির ছাঁট ক্যামেরার লেন্সের দিকেও ধেয়ে আসছে। গাড়িগুলো যাচ্ছে হাইওয়ে ধরে। সব আলোগুলো জ্বালানো। মোবাইলের ছোট পর্দায় তাদের দেখাচ্ছে যেন ছুটন্ত আলোর রেখার মতো। জানা গেল গ্যাংস্টার বিকাশ দুবেকে কোর্টে তোলার তাড়ায় এতো দ্রুতগামী তারা।

    হঠাৎ কয়েক মূহুর্ত বাদে ক্যামেরা জুম করল একটা কাত হয়ে পড়ে থাকা গাড়ির ওপর। ব্যাকগ্রাউন্ডে ভাষ্য বলে দিল এসটিএফের গাড়িটি দ্রুতগতি অথবা পেছল পথের কারণে পিছলে গেছে। এটা একটা এক্সিডেন্ট এবং ঐ এক্সিডেন্ট করা গাড়িটিতেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বিকাশ দুবেকে। এক মূহুর্তের জন্য হলেও মনে হবে, আর কোন গাড়ি ওল্টালো না, বেছে বেছে এইটাই বা কেন !

    আরো আছে। কিছুক্ষণ পর এক প্রত্যক্ষদর্শীর জবান ভেসে এল, তিনিও কানপুরেই যাচ্ছিলেন। বললেন , পুলিশ সবাইকে ঐ জায়গা খালি করে দিতে জোরাজুরি করছিল। তার গাড়ি তাই এগিয়ে যেতে বাধ্য হয়, কিন্তু কিছুদূর যাবার পরই শুনতে পাওয়া যায় গুলির শব্দ। ক'বার ? তিনি খেয়াল করতে পারলেন না।

    এরপর ভেসে এল স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া একটি লম্বাচওড়া মৃতদেহের আবছা ছবি। কানের পর্দা ফাটিয়ে তখন জি নিউজের মহিলা ভাষ্যকারের উত্তেজিত কন্ঠ, এনকাউন্টারমে খতম বিকাশ দুবে। জি নিউজ পহেলা চ্যানেল হ্যায় যো ইয়ে এক্সক্লুসিভ নিউজ আপকে লিয়ে...

    এনকাউন্টারে অপরাধীদের নিকেশ করা নতুন কিছু নয়। কিন্তু এতো বেপরোয়াভাবে এবং এতো অল্প সময়ের ব্যবধানে এনকাউন্টার, মব লিঞ্চিং ইত্যাদি ঘটলে তা জনচক্ষুতে মান্যতা পেয়ে যায়। খুনীদের মাথায় পুষ্পবৃষ্টি করার জন্য জনতার হাত উশখুস করতে থাকে। আইন আদালত নিরর্থক হয়ে পড়ে। সংবিধান যে আইনের শাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার বদলে এই জঙ্গলের শাসনই কি তবে কাম্য !

    জঙ্গলের শাসনে কী হতে পারে এ রাজ্য তা দেখেছে। অগুন্তি নিরপরাধ তরুণের শবদেহ কাশিপুরে গঙ্গার ঘাট ছুঁয়ে নিরুদ্দেশ যাত্রা করেছিল, একথা অনেক মানুষ আজও মনে রেখেছেন। এমনিতেই প্রবল বর্ণবাদী জাতিবাদী এই রাষ্ট্রে ধর্ম ও জাতের ভিত্তিতে অপরাধীর তকমা লাগিয়ে দেওয়া হয়। ফাঁসির দড়ির প্রতীক্ষা যাদের, যারা কোনোরকম বিচার ছাড়াই জেল খেটে চলেছে, পুলিশি অত্যাচারের শিকার যারা, তাদের মধ্যে বেশির ভাগই হয় সংখ্যালঘু নয় দলিত। দারিদ্র আর ধর্ম এই দুই মিলে অপরাধের বিচারসভা বসালে আইনের আর দরকার কী !

    বিকাশ দুবে অবশ্য বর্ণশ্রেষ্ঠ, ব্রাহ্মণ। হিন্দুত্ববাদীরা তার পরিজনকে চাঁদা তুলে মামলা লড়ার টাকা পাঠাবে কিনা জানা নেই, তবে এর মধ্যেই তার ব্রহ্মতেজ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় অনেকেই নিঃসংশয়। কিন্তু গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক ছায়ায় থাকা ব্রাহ্মণ বিকাশ দুবে, ঘরে ঢুকে পঞ্চায়েত প্রধানকে গুলি করে মারা বিকাশ দুবে, মাথার ওপর ষাটখানা মামলা ঝুলে থাকা বিকাশ দুবেরও বিচার পাবার অধিকার ছিল সেকথা অস্বীকার করা অতি বিপজ্জনক। এরপর রাজনৈতিক মতভেদে সাধারণ ঘরের তরুণটিকে গুলি করে মেরে দিলে বিচার চাইতে পারব তো? রাষ্টের নিন্দা করতে পারব আর টি আই এক্টিভিস্টের গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া গেলে ?

    বিচার ছাড়া এনকাউন্টার করা সন্ত্রাসমূলক কাজ। রাষ্ট্র আর সন্ত্রাসীর মধ্যে তফাত তবে কী? দুজনেই তো চোরাগোপ্তা গুলি চালায়। দুজনেই নিজের কাজকে মান্যতা দিতে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। দুজনেই আইনকে এড়িয়ে চলে। দুজনের হাতেই বহু নিরপরাধের প্রাণ যায়। দুজনেরই একই লক্ষ - মানুষকে ভয় দেখানো।

    কিন্তু আমাদের রাষ্ট্র তো সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র নয়। এটি একটি কল্যাণকামী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ক'রে যতো বেশিজনের পারা যায় কল্যাণ করাই এর উদ্দেশ্য। এই দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা এনকাউন্টারকে বাহবা দিই কোন মুখে ? আমাদের টাকায় জেলে বসে বিরিয়ানি খাবে, এইধরণের লজিকই বা আসে কোন লজ্জায়। আমাদের টাকার সদব্যবহার হলে কী আর সান্ত্রী মন্ত্রীরা মস্ত মস্ত জেট বিমানে সারা পৃথিবী চষে বেড়াতে পারত ? না পরিযায়ী শ্রমিককে রাস্তায় ধুঁকে মরতে হতো? টাকার সদব্যবহার বা অসদব্যবহার নয়, নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে আইনের শাসনই একমাত্র কাম্য।

    যদি কথাগুলো না পছন্দ হয়, তবে রাতবিরেতে দরজায় কড়া নাড়ায় চমকে উঠবেন না। কেন, আমি কি অপরাধী, এই বলে বড়াই করবেন না। কাশ্মীরে হাজার হাজার এনকাউন্টারে মৃতের বেশির ভাগই অপরাধী ছিলেন না।

    এনকাউন্টার কারে কয় ? তার আর এক নাম, ধরে নিন, বুমেরাং। যে গতিতে ছুঁড়বেন, ঠিক সেই গতিতেই ফিরে আসবে।
  • বিভাগ : আলোচনা | ১০ জুলাই ২০২০ | ১৭৩৭ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • debu | 170.213.19.62 | ১০ জুলাই ২০২০ ২৩:১৬95068
  • হ্যা , ঠিক লিখে ছেন , ওর ছবি টা বধিয়ে ঘরে লাগান , মালা পরাতে ভুল বেন না
  • | ১০ জুলাই ২০২০ ২৩:৩২95069
  • সবকা সাথ সবকা বিকাশ।
    একে আদালতে সোপর্দ করলে এই ছবির **গুলোর কথা সব পাবলিক হয়ে যায় যদি! এমনিতে অবশ্য এরা দুকানকাটা...। তবু রিস্ক নিয়ে কাজ কি? মেরে ফেলাই ভাল।

  • শিবাংশু | ১১ জুলাই ২০২০ ০০:০৪95070
  • চিত্রনাট্যটি লেখা হচ্ছিলো দেবেন্দ্র মিশ্রের পোস্টিংয়ের পর থেকেই। এক লাখ ব্রাহ্মণ ভোটের ঠেকা অন্য লোককে দেওয়া হবে তা স্থির হয়ে গেছে। যেমন ভাবে একদিন সন্তোষ শুক্লকে যেতে হয়েছিলো। লক্ষণীয় এই মাফিয়া ছবিটির সব পাত্রই ব্রাহ্মণ। 'এপক্ষ-ওপক্ষ'। লোকটা চড়ে গিয়ে আটটা পুলিশকে মেরে না ফেললে এবার এম এল এ হতো। বিহারের লোক। কাছ থেকে দেখেছি এই সব অঙ্ক। করোনাকালের একঘেয়ে খবরে ক্লান্ত পাবলিকের জন্য দু-চার মুহূর্তের সনসনিখেজ বক্স অফিস।

    আর যা বাকি থাকলো, সবই গবাদি পশুর দেশপ্রেম...
  • এনকাউন্টার | 54.39.189.87 | ১১ জুলাই ২০২০ ০১:০৪95071
  • বিকাশ দুবে মরলো ,
    দিল্লির ধর্ষকদের ফাঁসিও হলো ! কিন্তু মরিচঝাঁপির খুনি- ধর্ষকরা এখনো বহাল তবিয়তে আছে কেন ??????

  • দম দেওয়া পুতুল | 94.177.247.92 | ১১ জুলাই ২০২০ ০১:০৯95072
  • বিকাশ দুবে যখন পুলিশ হত্যা করে পালালো- ইউপি প্রশাসন কিচ্ছু কাজের না, খুব খারাপ, ইচ্ছা করে পালাতে দিয়েছে।

    যখন বিকাশ দুবের লোক এনকাউন্টারে মরল-  বিকাশকে ছেড়ে ওর শাগরেদ কে মারল, প্রশাসন নাটক করছে।এসব শুধু নজর ঘোরানো, ওকে কখনও ধরবে

    যখন  ধরা পড়ল- ওকে ওখানেই এনকাউন্টার করল না কেন? নিশ্চয় বড় লেভেলের হাত আছে, পুলিশের ক্ষমতা নেই ওকে এনকাউন্টার করার।দুদিন থাকবে তারপর জামিনে ছাড়া পয়ে বিন্দাস ঘুরবে আবার।

    যখন পুলিশ এনকাউন্টার করলো- এসব নাটক, ওকে বাঁচিয়ে রাখলে নেতারা ফেঁসে যেত।

    আরে ভাই, আখির কেহেনা ক্যা চাহতে হো !!

  • বিল্লিগী আর সিঁধলে | 46.36.41.42 | ১১ জুলাই ২০২০ ০৪:৩৬95074
  • এর চেয়ে বাংলা পুলিশ ঢের ভালো,ক্যালান খেয়ে আলু তেল নুন আটা বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসে, অবশ্যই শান্তির ধর্মের ছেলে হতে হবে

  • Prativa Sarker | ১১ জুলাই ২০২০ ০৯:৫৯95079
  • প্রচুর তেনারা এসেছেন। তেনাদের কাছে কোশ্চেন আছে।

    মরিচঝাঁপি ইত্যাদির হোয়াটেবাউটারি না করে আগে বলুন বিকাশকে এনকাউন্টারে মারা হয়েছে কিনা। হ্যাঁ কি না। 

     এই এনকাউন্টার করে মেরে ফেলা কোন নিরপরাধের সঙ্গে হয় কিনা আর হলে সেটা ভাল হয় কিনা। মানে বন্দুকের নল আমার আপনার দিকে যে কোন সময়ে ঘুরে যেতে পারে কিনা।

  • অনির্বাণ মুখোপাধ্যায় | 103.87.143.10 | ১১ জুলাই ২০২০ ১০:৪৬95080
  • একটা ছোট্ট ঘটনা। 18th March, 1984. DC Port বিনোদ মেহতা দিনের বেলা তার দেহরক্ষী সহ নৃশংস ভাবে খুন হন গার্ডেনরিচে। প্রধান অভিযুক্ত ইদ্রিস আলীকে পুলিশ হেফাজতে পিটিয়ে খুন করা হয়। তখন পশ্চিমবঙ্গে কাদের সরকার ছিল এবং গার্ডেনরিচে কোন প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিল, একটু মনে রেখে বিকাশ দুবের জন্যে চোখের জল ফেলবেন please.

  • anonymous | 73.223.64.61 | ১১ জুলাই ২০২০ ১০:৫৫95081
  • amar mone hoi na protibha di bikash dubey ba idrish ali r jonno chokher jol felchen. serokom lok uni non - onar lekha porlei bojha jai. tobe oporer lekha ti te ekta simplification korechen - seta holo bichar babosthar prothi astha rhaakte hobe. seta ki adou aar practical? satya cinema te ekta dialogue chile. police super bolchen "encounter koi rasta nahi hain" ... r young police officer ra frustrated hochchen je jotobar criminal der dhora hove totobar tara jamin peye beriye jaabe

  • Arpan Bose | 2409:4060:98:dec5:6897:43fc:183b:e34f | ১১ জুলাই ২০২০ ১২:১১95083
  • দিদি, আপনার মূল বিষয়টা বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা রাখা। খুব ন্যয্য ও সঙ্গত কথা। 

    সঙ্গত কথা নেদারল্যান্ড বা ফিনল্যান্ডের মতন দেশের জন্য। আমি নিরাপরাধ মানুষ কে খুন করার বিরোধী, অপরাধী অপরাধ করল কি না করল এই দেশে কি সত্যি কিছু এসে যায়? এনকাউন্টার সমর্থন করা যায়না। অন্তত একটা বিচার পাওয়ার অধিকার একটা চরমতম খুনীর ও আছে। 

    কিন্তু এদেশে বিচার দেবে কে?  আগে সেটার নিরসন করুন। বিচার ব্যবস্থার এই কদর্য পরিস্থিতি বলেই রাজনীতির ক্ষেত্রেও চূড়ান্ত অবক্ষয় এসে গেছে। নইলে প্রধান বিচার পতির সৌজন্যে একটা বিল পাশ হয়ে যায় মিথ্যা কথাকে বেস করে অযোধ্যায়!!! আপনি মানবধিকার কর্মী হিসাবেই ভাবুন তো ডঃ কাফিল খান বা ভারাভারা রাও কোন যুক্তিতে সরকারের বিষ নজরে পড়ে আজও জেলের ঘানি কাটছে।। মানবধিকারের বানী গুমতে গুমরে এ দেয়াল সে দেয়াল কাঁদছে। 

    একটা বিকাশ কে মেরে হাজার বিকাশ মারা যাবেনা। কিন্তু বিকাশের সাথে মূল মাথা গুলিকেও বিনা বিচারে মারতে পারলে বেশি ভাল হত।

    কত কোটি কেস জমে আছে বলুনতো সারা দেশে। কত নির্দোষ জেলে পচছে বিচারের বানী লুকিয়ে মুখ ঢেকেছে ফাইলের নীচে। আমি জানিনা বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দেশে আদৌ কোন বিচার বলে কিছু আছে কিনা। আগে বিচার ফিরুক তারপর ভাবা যাবে বিকাশ কে মারা ঠিক কি বেঠিক। তবে চাইব বিকাশের  মাথায় হাত রাখা সব কটা দলের নেতাদের ধরে বিচারের ছায়ায় নিয়ে আসা হোক। সেটা আপিনি নরেন বাবুর সরকারের কাছে আশা করেন কি?  যেদিন সেই ব্যবস্থা হবে সেদিন বিকাশদের আগে বিচার হবে তারপর হবে এনকাউন্টা।। 

  • aranya | 2601:84:4600:9ea0:c8c3:d576:2eae:82e4 | ১১ জুলাই ২০২০ ১২:২৪95084
  • বিকাশের মাথায় হাত রাখা নেতাদের বাঁচানোর জন্যই হয়ত বিকাশ-কে মেরে ফেলা হল
  • কুশান | 202.78.232.110 | ১১ জুলাই ২০২০ ১২:৩৩95085
  • লেখাটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় এখনকার বিজেপি শাসিত রাজ্যের চেহারা।

    নগ্ন হয়ে পড়ছে প্রশাসন, রাষ্ট্র ও ক্রিমিনাল যোগ।

    আরো লিখুন, প্রতিভাদি।
  • কমন সেন্স | 115.96.197.245 | ১১ জুলাই ২০২০ ১২:৩৪95086
  • প্রতিভার লেখাটা তাদের জন্য নয় যারা বর্তমান কর্ণধারদের সমালোচনার সুর শুনলেই ৩৪ বছরকে টেনে আনে,যেন ৩৪ বছরের খারাপ কাজ গুলো এখনকার খারাপ কাজগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ করে। এবং সমালোচককে দেশদ্রোহী বলে। এই রেওয়াজটাও কি ৩৪ বছর থেকে নেওয়া ? 

    আসলে এরা দেশ ও সরকারের ফারাক বোঝে না। বোঝার বোধটাও নেই।

    দেশ বা রাষ্ট্র নাগরিকদের মৌলিক  অধিকারকে মর্যাদা দিয়ে অপরাধী কে বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেয়। তার জন্য এলাহি ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু সন্ত্রাসবাদী এবং গ্যাংস্টাররা বিচারের ধার ধারে না। ইচ্ছমতো মানুষ খুন করে।

    রাষ্ট্রও যদি সেই পথ নেয় তাহলে এই এলাহি ব্যবস্থা তুলে দিলেই হয়।তাহলে অবশ্য সন্ত্রাসবাদ আর রাষ্ট্র ব্যবস্থার মধ্যে কোনো তফাত থাকে না। 

    জর্জি ডিমিট্রভ তো বলেইছেন ফ্যাসিবাদ হচ্ছে ফিনান্স ক্যাপিটালের সবচেয়ে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী এবং সবচেয়ে সাম্রাজ্যবাদী অংশের সন্ত্রাসবাদী একনায়কত্ব।

    এদেশে এখন সেটাই চলছে। বিকাশ দুবের এনকাউন্টারটা যে বেশ সাজানো-গোছানো নয় তাতে এদের বয়েই গেল। বিপদটা আসলে এখানেই। নিরন্তর পেশি ফুলিয়ে পাকিস্তান এবং মুসলমানদের নিকেশ করার সগর্জন প্রচার এমনভাবে চারিদিকে চারিয়ে যাচ্ছে যে গ্যাংস্টার অথবা অভিযুক্ত ধর্ষক এনকাউন্টারে মারা গেলে লোকে পুষ্পবৃষ্টি করে।

    সমাজের এই সার্বিক ফ্যাসিবাদীকরণ বর্তমান শাসকের ফিলজফিকে পুষ্ট করে। তাই দেশের অর্থনীতি রাজনীতি ও সমাজনীতিকে রসাতলে পাঠিয়েও এরা পর পর নির্বাচনে জিতে যায়।

    বিপদটা এখানে।

    তাহলে উপায় কী ?  বুঝ লোক যে জানো সন্ধান।

     
  • প্রশান্ত মিত্র | 77.73.68.222 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:১৫95088
  • অনেক বিদগ্ধ জনের মন্তব্য পড়লাম , আমি এর আগে কোনোদিন নিজে না লিখলেও নিয়মিত গুরু র পাঠক 
     

    এনকাউন্টার মধ্যযুগীয় নিশ্চই , আমরা নিজেরা কোন যুগীয় ?
    কাল ভাটিয়ালি র পাতায় একটা ঘটনা দেখলাম , ছোট কিন্তু আমার মনে হলো গুরুত্ব আছে মানবচরিত্র বর্ণনে 
     

    একজন লোক কিছু অসংলগ্ন পোস্ট করছিলেন , গুরুর অ্যাডমিন সেগুলো ডিলিট করতে থাকে , সে না হয় কমন সেন্স অনুযায়ী ঠিক , কিন্তু এই গুরু সমাজ এর লিখিত নিয়ম নিয়ে তারপরে একটা প্রশ্ন তিনি তোলেন এই বলে যে পোস্ট মোছা হবেনা এটা লিখিত নিয়ম ছিল 
    এটাও ঠিক যে পোস্ট গুলোতে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অশ্লীল গালাগালি ছিলোনা 
    বাকি সবাই এর মতো আমিও প্রগতিশীল এবং কমন সেন্স এর চক্করে 'তেনারা ' ধরে নিয়ে বিভিন্ন খিল্লি উপভোগ করছিলাম , কিন্তু পরে মনে হলো এই যে ছোট ছোট বিরক্তি ও অসহনশীলতা , এর বাইরে বেরোবার ক্ষুদ্র সাহস কজন সত্যিকারের প্রগতিশীল  রাখেন ?

    কেউ কিন্ত নিয়ম পরিবর্তন করতে বলেন নি বা অ্যাডমিন এর ইমোশনাল কমন সেন্স নিয়ে প্রশ্ন করেন নি , এখনো করবেন না জানি 

    বিকাশ ক্রিমিনাল ছিল (কোর্ট এ প্রমাণিত নয় যেমন গুজরাট দাঙ্গা র জন্য মোদী অপরাধী প্রমাণিত নয় ) , পুলিশ মেরেছিলো (কোর্ট এ প্রমাণিত হয়নি ), যার নামে ৬০ টা মামলা ঝুলছে , ৬১ নম্বর মামলায় যাবজ্জীবন হবে কষ্টকল্পনা , দুদিন পর জামিনে বেরিয়ে যে অফিসার arrest করেছে তাকে উড়িয়ে দিতো , তার বিধবা পেনশন এর জন্য এপ্লিকেশন লিখতে বসতো কোলে বাচ্চা নিয়ে , 

    তো সামনে পেয়েছে , বন্দুক হাতে ছিল , ইমোশন আর কমন সেন্স মেরে দিতে বললো , মেরে দিলো , হ্যাঁ পুলিশ কাস্টডি র নিয়ম আছে ধৃত কে প্রটেকশন দিতে হবে , সেই শপথ নিয়ে লোকে সার্ভিস জয়েন করে , কিন্ত ইমোশন ??

    একটা সামান্য ই ম্যাগাজিনে প্লাটফর্ম এ লিখিত নিয়ম বজায় রাখতে গেলে আমাদের ইমোশন আর কমন সেন্স পাঁচবার এসে খোঁচা দেয় 

    আমি স্প্যামিং সাপোর্ট করিনা ব্যক্তিগত ভাবে , কিন্তু লিখিত নিয়ম নিজের ইমোশন আর কমন সেন্স স্যাটিসফাই করার জন্য বেন্ড করে নেওয়ার উদাহরণ সর্বত্র সেটাই বলার ছিল , উদাহরণ ক্ষেত্র ছোট হোক বা বড় 

  • Prativa Sarker | ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:১৯95089
  • অনির্বাণবাবু, আপনি ইদ্রিস আলি তুললে আমি হরেন পান্ডিয়া তুলতে পারি। কোন রাজ্যে কোন আমলের গুপ্তহত্যা আপনার স্মরণে আছে নিশ্চয়। কিন্তু তাতে তর্কটা এগোবে না। আমি বিকাশের জন্য অশ্রুবিসর্জন করিনি, শুধু বলেছি ওরও বিচার পাবার অধিকার আছে। ওরও আইনের দ্বারস্থ হবার সুযোগ থাকা উচিত ছিল। আমার তর্কটা গণতান্ত্রিক দেশে কী হওয়া উচিত এবং কী না হলে সাধারণ মানুষের ঘোর বিপদ তাই নিয়ে। ব্রডার বেসে। সেখানে বিশেষ জমানা, বিশেষ ঘটনায় প্রাপ্যের অধিক জোর দিলে হোয়াটেবাউটারি করা হয়। 

    একবার জোর গলায় জানান দিন তো আপনি এনকাউন্টারবাদী না বিচারবাদী। 

    বাকি কথা পরে হবে।

  • শিবাংশু | ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:২৫95090
  • @ অনির্বাণ মুখোপাধ্যায়,
    বিকাশ দুবের জন্য এই লেখায় 'চোখের জল' ফেলা হয়নি। 'চোখের জল' পড়েছে এই দেশের পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থার হাল দেখে। এই বিকাশের 'বিকাশ'ই হতো না যদি ২০০১ সালে প্রকাশ্যে, দিনে দুপুরে, কানপুরের কাছে শিবলি থানার ভিতরে এক গাদা সশস্ত্র পুলিশের সামনে, তাকে রাজনাথ সিং মন্ত্রীসভার সদস্য সন্তোষ শুক্লকে হত্যা করার জন্য সাজা দেওয়া হতো। রাজনীতিকদের নির্দেশে কুড়ি জন পুলিশ অফিসার হস্টাইল হয়ে যায়। দু বছর পরে বিকাশ ছাড়া পেয়ে যায়। চৌবেপুরের এক লাখ ব্রাহ্মণ ভোটের নিয়ন্তা বিকাশকে সপা, বসপা এবং তিনটি মেয়াদে ভাজপা ব্যবহার করেছে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে। এই সব অপরাধীর সময় একদিন এভাবেই শেষ হয়। কিন্তু সে যাদের হয়ে ঘাতকের কাজ করেছে, তাদের শাদা বা গেরুয়া খাদির জামায় রক্তের দাগ বাঁচাতে এইসব ছেলেমানুষি 'এনকাউন্টার'। যাঁরা ভাবছেন বেশ হয়েছে, একদিন তাঁদের দিকেও রাষ্ট্রের ক্ষিপ্ত বন্দুকের নল ঘুরে আসতে পারে। সভ্য দেশে 'অপরাধী' নির্ধারণ করে বিচার ব্যবস্থা। খ্যাপা রাজনীতিকদের বন্দুকের নল নয়।
  • | ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:৩০95092
  • ফলস ডাইকোটমির হদ্দমুদ্দ একেবারে।
    সেই রোবু লিখেছিল না
    'ফ্যাসিজমওয়ালে কো
    স্পেস দো সালেঁ কো'
    সেই লাইনে এসে গেছে পুরো।

    আজকাল ইস্কুলে বাংলা কমপ্রিহেনশান একদম পড়ায় না। নাহলে এই লেখা পড়ে মনে হয় বিকাশের জন্য প্রতিভা চোখের জল ফেলছে!! মগজে ঝামাপাথরের গুদাম তো।
  • Prativa Sarker | ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:৩৩95093
  • অর্পণবাবু, নিজের নড়বড়ে অবস্থান ঠিক করুন আগে। আপনি এনকাউন্টারবাদী না বিচারবাদী ? যদি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন গণতান্ত্রিক দেশে সংবিধান অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থার দ্বারস্থ হবার অধিকার সবার তাহলে সেখানেই থাকুন। 

    বিচারব্যবস্থা নষ্ট হয়েছে। একা বিচার ব্যবস্থা নষ্ট হয়েছে ?  শিক্ষাব্যবস্থা, সামরিক ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, কোন ব্যবস্থাটা ঠিক আছে। বলেন নাকি আগে সিলেবাস থেকে উড়িয়ে দেওয়া সেকুলারিজম, ফেডেরাল সিস্টেম ইত্যাদি চ্যাপ্টার ফেরত আসুক তারপর মেয়েকে ভর্তি করব। বলেন নাকি হাসপাতালের অবস্থা ভাল হোক তারপর ভর্তি হব।

    সবকিছুকে নষ্ট করা হচ্ছে, আর বিচারব্যবস্থা পূত পবিত্র থেকে যাবে ?  সিস্টেমের ভেতর থেকে সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়াইটাকে গুরুত্ব দিন। কতজন আর টি আই একটিভিস্টের মৃত্যু হয়েছে গত দুবছরে খবর রাখেন ?  তারা সিস্টেমটাকে ভাল করতে চেয়েছিল, নিজে থেকে ভাল হবে সে অপেক্ষায় বসে ছিল না। 

    গণতন্ত্রের ফাঁক মস্ত মস্ত। তবু গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে থাকাই কাম্য। কারণ সমালোচনা প্রতিবাদ একমাত্র গণতন্ত্রেই চলে। এই প্রশ্নে পাশের রাষ্ট্রের অবস্থা দেখুন। আমরা কেউ কি চলে যেতে চাইব। 

    ভাঙাচোরা গণতন্ত্র শাসক যেটুকু অবশিষ্ট রেখেছে তার জন্যই লড়া। যদি নতুন সকাল আলোর দিশা দেয়। 

  • dc | 103.195.203.228 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:৩৭95094
  • বাব্বা এই টইতে তো অ্যাপোলজিস্টদের ভিড় লেগে গেছে দেখছি! এখানে পোস্ট করলে কি বেশী রেট পাওয়া যাচ্ছে?
  • সেই তেনারা | 103.94.27.198 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:৪১95097
  • সপা /বসপা এরকম অনৈতিক ও অগণতান্ত্রিক কাজ করতেই পারে না , ওরা তো বন্ধুলোক , ভালো ছেলে সব 

    তখন যদি পলিটব্যুরো ঐতিহাসিক ভুল না করতো , বিকাশ এর কবে ফাঁসি হয়ে যেতো , আর টেস্ট টিউব বেবি সুভাষ ডাক্তার কে একটু রিকগনিশন দিলে কারাত এর কোলে আজকে নাতি আসতো 

    চীন ও কেমন ম্যাদা মেরে গ্যালো , কোতায় বাপ দিল্লি দখল করে ছিতারাম কে পদানমন্তী আর সূয্যি ডাক্তার কে পতিরোক্কা মন্তী করে দিয়ে যাবে যাতে কিনা দেশে শান্তি আর সুশাসন ফেরে , ফালতু সীমান্তে লাফালাফি 

    ধুর , ভাল্লাগেনা , বিচিপি হয়ে যাবো ভাবছি 

  • | ১১ জুলাই ২০২০ ১৩:৫০95098
  • আহা অক্সফোর্ড ডিকশনারিতে নিতুন শব্দ আসতে চলেছে গ্যালওয়ানিজম। মানে হল গিয়ে এগসিট উইদাউট এন্ট্রি। ভারতের সীমানায় চীন নাকি ঢোকেই নি ওদিকে নাকি বেরিয়েও যাচ্ছে।
  • আলুর দম | 89.163.152.196 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৪:০৮95100
  • কোয়েটাস ইন্টারাপ্টস হয়ে কত লোকের যে অর্গাজম এর সাধ অপূর্ন থেকে যায় 

  • মরিচঝাঁপি | 193.182.144.50 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৪:৩৪95101
  • মরিচঝাঁপি নাম টায় কিন্তু ঝাঁঝ আছে , অনেকটা সেই জলকীয়া লঙ্কা না কি যেন নাম সেইরকম 

    একবার এই সব ই গ্রুপ এ একটু ঘষে দিলে লোকজন তিড়িং বিড়িং লাফিয়ে যে সব জ্বালাময়ী লম্বা লম্বা লেখা দেয় , ঘণ্টা দুয়েক সময় কখন পেরিয়ে গ্যাছে টের ও পাওয়া যায়না 

  • Sekhar Sengupta | ১১ জুলাই ২০২০ ১৫:২০95104
  • এনকাউন্টরে সমর্থকদের একটাই প্রশ্ন অপরাধীদের এনকাউন্টারে মারা জায়েজ হলে এতো পয়সা খরচ করে বিচার ব্যবস্থা রাখার দরকার কী? 

  • পুঁচকে ইঁদুর | 204.89.59.1 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৫:২৯95106
  • যোগী আদিত্যনাথের নামে একাধিক ফৌজদারি মামলা ছিল যা মুখ্যমন্ত্রী হয়ে নিজেই সব খারিজ করে দিয়েছে| বিকাশ দুবে একটু ঠান্ডা মাথায় খেলে যোগীর সরকারে মন্ত্রী সান্ত্রী হয়ে গেলে পারত |বিজেপি বৃহত্তর স্বার্থে একজন সম্ভবনাময় দাবাং বাহুবলি ভবিষ্যৎ নেতার বলিদান দিয়ে দিল|এইটা কেউ বলছে না! আশ্চর্য!
  • Sekhar Sengupta | ১১ জুলাই ২০২০ ১৫:২৯95107
  • প্রতিভার ঐ কথাটার সঙ্গে একমত যে রাষ্ট্রের মদত ছাড়া এনকাউন্টার সম্ভব নয়। ওসব ইমোশন টিমোশন ফালতু কথা।  

  • অনির্বাণ মুখোপাধ্যায় | 103.87.143.10 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৬:০৩95109
  • @প্রতিভা দি, আমি ইদ্রিস আলীর উল্লেখ করেছি শুধু মাত্র এই বোঝাতে যে এই বিপদ আজ নতুন কিছু নয়। Ism পাল্টে যায়, কিন্তু সেই tradition সমানে চলছে। ভারতীয় রাজনীতি তার জন্ম লগ্ন থেকে এই নোংরামির সঙ্গে পরিচিত। তাই নতুন করে আশ্চর্য হই নি। শুধু মাত্র কোনো বিশেষ রাজনৈতিক মতবাদ কে কাঠগড়াতে দাঁড় করানোর প্রয়োজন বোধ করি নি। গনতন্ত্রের মৃত্যু কখনো কাম্য নয়। একই সঙ্গে বিচার ব্যবস্থার আমূল সংস্কার দরকার। আমি এই সংস্কারবাদী । আমি সেই উন্মুক্ত নিরপেক্ষ মতামতের সমর্থক, যে মতামত ism দেখে দোষ বিচার করে না। স্থান, কাল, পাত্র ভেদ না করে ভুল কে ভুল আর ঠিক কে ঠিক বলার সাহস দেখায়। 

  • সামন্ত্যক সেন | 52.66.250.178 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৭:২১95111
  •  অনির্বান বাবু কে বলি 
    অবক্ষয় সব জায়গায় সব স্তরে আছে , তার মানে নয় যে আইন সাধারণ  মানুষ  বা পুলিশ নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে নিজেরাই বিচার করে তাৎক্ষণিক শাস্তি দিয়ে দেবে 

    মানবতা আজ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে ?

    এই কি নির্বাচিত সরকার এর দায়িত্ববোধ সংবিধান এর প্রতি ?
    আমি প্রতিভা দেবী ও দ  এর সঙ্গে একমত যে এই পরিকল্পিত হত্যা গণতন্ত্রের ক্ষয়িষ্ণুতার ওপর আরেক আঘাত 
    একটা অন্যায় আরেকটা অন্যায় এর জবাব হতে পারেনা 
    পুলিশ এর কাজ অভিযুক্ত কে বিচারের আওতায় আনা , বিচার করা নয় 
    বিচার ব্যবস্থা সময়সাপেক্ষ কিন্ত আম্বানি আদানি কে জঙ্গল বা খনির মালিকানা হস্তান্তর ব্যতিরেকে এদেশে কোন জিনিস টা সঠিক সময়ে হয় ? সরকারি শিক্ষায় সময়ে পরীক্ষা হয় ? সরকারি নিয়োগ ঠিক সময়ে হয় ? সরকারি হাসপাতালে আর্জেন্ট কেস এলে আর্জেন্ট স্ক্যান হয় ? রেগুলার অডিট হয় সরকারি অফিস এ ?
    তার মানে  কি এই যে অভিযুক্ত কে পুলিশ এনকাউন্টার করবে আর শাসকদল নিস্চুপ থাকবে ? কোই , কোনো পুলিশ তো চার্জশীট খেলোনা এখনো , কেউ সাসপেন্ড হলোনা এখনো 
     

    উপসংহারে বলি , এই নির্মমতার কোনো ক্ষমা হয়না , পুলিশ এর উচিত ছিল বিকাশ কে কলকাতায় নিয়ে এসে বিজন সেতুর ওপর বেঁধে পুড়িয়ে মারা , সেক্ষেত্রে প্রতিভা দেবী বা দ  বা আমি , কারো কিচ্ছু বলার থাকতোনা 

  • Prativa Sarker | ১১ জুলাই ২০২০ ১৭:২৭95113
  • আরে অনির্বাণবাবু ভারী সুন্দর লিখলেন তো। আশ্চর্যও হলেন না, সংস্কার চেয়ে আমাকে বিকাশ দুবের জন্য কাঁদতে দেখলেন মাত্র !  আপনি আসলে মহাজন। আপনার পন্থাই গ্রহণীয়। 

    মাঝে মাঝে আমার পাতায় আপনার মন্তব্যগুলি ভুলিনি ভাই। 

  • অনির্বাণ মুখোপাধ্যায় | 103.87.143.10 | ১১ জুলাই ২০২০ ১৮:১০95117
  • @প্রতিভা দি, তাহলে ব্যক্তিগত আক্রমণটাই শেষ আশ্রয় হয়ে দাঁড়ালো! গনতন্ত্রের জয় গান গাইবেন, অথচ we agree to disagree - - এই সামান্য মত টি হজম হল না। আপনার পাতায় কোনো ব্যক্তিগত বা অপমানকর মন্তব্য আমি করি নি, কারণ সেটা আমার রুচিতে বাধে। অবশ্যই দ্বিমত হয়েছে এবং আপনার post এ নিজের মতামত জানিয়েছি মাত্র। হঠাৎ সে প্রসঙ্গ এখানে এলো কেন, সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। আলোচনা সুস্থ পথে এগোবে এটাই কাম্য ছিল, তাই আপনার অনেক সমর্থকের মতো ছদ্মনামের আশ্রয় নিতে হয় নি। আপনার লেখা আমার ভালো লাগে, কিন্তু রাজনৈতিক ভাবে একপেশে লাগে। আশা করি, পাঠক হিসেবে এ মত পোষন করার অধিকার আমার আছে। না হলে তো মত প্রকাশের সেই encounter ই হল এত বড় লেখা প্রকাশের পরও। আপনার নতুন লেখার অপেক্ষায় রইলাম মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে। সে মত আপনার পছন্দের হবে, সে guarantee দিতে পারলাম না ।

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন