• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • ।।দেশবিদেশের অন্ত্যেষ্টি শিল্প।‌। (তৃতীয় পর্ব: ফায়ুম মমি পোর্ট্রেট)

    Sudipto Pal
    বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৮ জুন ২০২০ | ৩২২ বার পঠিত
  • প্রথম পর্ব: https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17793
    দ্বিতীয় পর্ব: https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17799

    গল্পটা মিশরের, কিন্তু শুরু করব রোম দিয়ে। কারণ কথায় আছে, সব পথই রোমে যাবার পথ।

    চিত্রশিল্পের ইতিহাসে য়ুরোপীয় রেনেসাঁর যুগকে আমরা একটা বৈপ্লবিক যুগ বলে জানি। তার কারণ এই যুগের চিত্রশিল্প মধ্যযুগের কুসংস্কারাচ্ছন্ন য়ুরোপের থেকে অনেকটাই আলাদা। এরা অনেক বেশী বাস্তবানুগ (অর্থাৎ মানুষ ও প্রকৃতিকে হুবহু তুলে ধরার চেষ্টা) এবং এখানে আবেগের বহিঃপ্রকাশও অনেক বেশী জোরদার। বাইবেলের বিভিন্ন ঘটনাকে অত্যন্ত সজীব ও নাটকীয় ভাবে তুলে ধরত এই ছবিগুলো, মানুষকে সত্যিকারের মানুষ বলেই মনে হত এই ছবিগুলোতে। এই বাস্তবানুগতা মধ্যযুগের ছবিতে ছিল না। এবার প্রশ্ন জাগে মধ্যযুগের পূর্ববর্তী সময়ে কি এই মানের চিত্রশিল্প ছিল? ছিল, এবং য়ুরোপেই ছিল। প্রাচীন গ্রীস ও রোমের অধিকাংশ চিত্রশিল্পই নষ্ট হয়ে গেছে। এই যুগের মর্মর মূর্তিগুলো টিকে থাকলেও চিত্রশিল্পের নিদর্শন সামান্যই টিকে আছে। তার কারণ নানারকম- এক তো, অনেক ছবিই আঁকা হত অভিজাত লোকেদের বাড়ীর দেয়ালে- মুরাল পেইন্টিং হিসাবে। বেশীরভাগই ইঁটের বাড়ী হত- বাড়ী ধ্বসে যাওয়াতে ছবিগুলোও নষ্ট হয়ে গেছে। যেগুলো কাঠে বা ক্যানভাসে আঁকা হত সেগুলোও নানা কারণে হারিয়ে গেছে- এক তো যে বাড়ীগুলোতে থাকত সেগুলো নেই, তাছাড়া রেনেসাঁ যুগের ছবিগুলো যেভাবে বিভিন্ন গীর্জায় ও অভিজাতদের বাড়ীতে বা প্রাসাদে রক্ষিত হত সেটাও হয়নি। তার কারণ ৪৭৬ সালে রোমের পতন।

    তাহলে কি সেই যুগের ছবি কিছুই অবশিষ্ট নেই? আছে, তবে সীমিত কয়েকটা জায়গায়। এক, ইতালির পম্পেই নগরীর ধ্বংসাবশেষে- প্রথম শতকে বিসুবিয়াস আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণে এই শহর ধ্বংস হয়ে যায়, কিন্তু শাপে বর হয়- ছাইয়ের নিচে সংরক্ষিত হয় সেযুগের অনেক বাড়ী- অনেক দেয়ালচিত্র- যেগুলো উনিশ শতকে নূতন করে খুঁজে পাওয়া যায়। দুই, সামান্য কিছু টিকে থাকা বাড়ী ও পাতালস্থিত সমাধিগৃহে। তিন, ভূমধ্যসাগরের অন্য পাড়ে- মিশরে।

    আজ যে সমাধি শিল্পের কথা বলব সেটি যতখানি মিশরের ততখানি রোমেরও। তৃতীয় পূর্ব শতকে আলেকজান্ডারের সাম্রাজ্য বিস্তারের পর মিশর গ্ৰীকদের নিয়ন্ত্রণে আসে, গ্ৰীকরাই ফারাও উপাধি নিয়ে মিশর শাসন করতে শুরু করে। তারপর ৩০ পূর্বাব্দে মিশর রোম সাম্রাজ্যের অধীনে আসে। এর ফলশ্রুতি হিসাবে এক নূতন ধরনের সমাধি শিল্পের জন্ম হয়। তার নাম হল ফায়ুম মমি পোর্ট্রেট।

    মিশরে এর আগে মমির ঢাকনার উপর একটা মুখের ছবি থাকত। সেগুলো কিন্তু অতটা বাস্তবানুগ এবং জীবন্ত হত না। রোমের প্রভাবে অঙ্কনশৈলীর পরিবর্তন আসে। জন্ম হয় ফায়ুম শহরের মমি পোর্ট্রেট শিল্পের। এই মমি পোর্ট্রেট গুলো শোভা পেত কফিনের উপর। কাঠের উপরে মোম বা ডিম রঙের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করে এবং বিভিন্ন খনিজ থেকে রং সংগ্রহ করে এগুলো আঁকা হত। অজন্তার থেকেও কিছুটা পুরোনো এই ছবিগুলো। লক্ষ্য করুন গাল, নাক, দাঁড়ি ইত্যাদির কি ডিটেলিং। আর আলোর স্থানভেদকে ব্যবহার করে কি সুন্দর ত্রিমাত্রিকতা ও বাস্তবানুগতা আনা হয়েছে। কোনো কোনো ছবিতে মনে হবে মোড়া কাপড়ের মধ্যে থেকে একটা জানলা দিয়ে মানুষটা বাইরের পৃথিবীকে দেখছে।

    আমরা অনেকেই ভাবি অভিজাত মানুষদের পোর্ট্রেট আঁকানোর বিলাসিতা শুরু হয় রেনেসাঁর যুগে। সেটা ভুল। এর অনেক আগে, প্রথম পূর্ব শতকে, মিশরের ফায়ুম মমি পোর্ট্রেটে আমরা পোর্ট্রেট আঁকানোর চল দেখি। তার আগে যে মমির মুখোশ হত সেগুলোতে মৃত মানুষের মুখের আদল থাকত ঠিকই, কিন্তু হুবহু মুখ আঁকার কারিগরি হল রোমের প্রভাব। আগেই বলেছি প্রাচীন রোমের চিত্রশিল্প সবই ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু পম্পেই থেকে যেটুকু রোমান চিত্রশিল্প পাওয়া গেছে, সেখান থেকে এই সিদ্ধান্তে আসা যায়।

    এগুলো তৈরী করাতেন মিশরের স্থানীয় অভিজাতরাই। রোমানরা তখন মিশরে রাজত্ব করছে। তবে রোমানরা, এবং গ্ৰীকরাও, কবর দেয়ার থেকে শবদাহই বেশি করত। শবদাহে এই রকম মমি পোর্ট্রেট বানানোর সুযোগ থাকে না। মিশরীয়দের কবর দেয়ার প্রথার সাথে রোমের শিল্পরীতি যোগ হয়ে তৈরী হল এই নূতন শিল্প।

    কবর মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। এই ছবিগুলো কবরের সাথে যুক্ত না হলে হয়তো এতদিন টিকে থাকত না, অন্য রোমান ছবির মতই নষ্ট হয়ে যেত। এই জন্যই সমাধি শিল্প এত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো বাঁচিয়ে রাখে অনেক ঐতিহাসিক তথ্যকে হাজার হাজার বছর ধরে।

    আগের দুই পর্বে বলেছি কবর থেকে একটা সংস্কৃতির মানুষের জীবনশৈলী জানা যায়। তারা কী খেত, কী গয়না পড়ত, কতটা বৈষম্য ছিল- এগুলো জানা যায়। এই মমি পোর্ট্রেট গুলো থেকেও কিন্তু সেযুগের মিশরের জামা কাপড়, অলঙ্কার, আর বিশেষ করে চুলের স্টাইল সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া গায়ের রং যেটা মর্মর মূর্তি থেকে বোঝা যায় না, ছবি থেকে আংশিকভাবে হলেও বোঝা যায়।

    ব্যক্তিস্বাতন্ত্র (individualism) ব্যাপারটা বরাবরই ভারতে কম, পাশ্চাত্যের তুলনায়। ভারতে ব্যক্তিবিশেষের ছবি আঁকা বা মূর্তি বানানো ইংরেজরা আসার আগে বিশেষ দেখা যায় না। খোদ সম্রাট অশোকের মাত্র খান তিনেক মূর্তি পাওয়া গেছে তাও খুব অ্যাবস্ট্রাক্ট- যেগুলো দেখে ওনার মুখ কেমন ছিল বলা সম্ভব নয়। আর এগুলো জ্যান্ত অশোককে চাক্ষুষ দেখে বানানোও নয়। বুদ্ধের মূর্তি বানানো শুরু হয় তাঁর মৃত্যুর কয়েকশো বছর পর থেকে, তাই তাঁর সবচেয়ে পুরোনো মূর্তিগুলো দেখেও বলা সম্ভব নয় তিনি কেমন দেখতে ছিলেন। বাকি বড় বড় রাজাদেরও ছবি শুধু তাঁদের মুদ্রায় পাওয়া গেছে। এগুলোর কোনোটা থেকেই রাজাদের সঠিক চেহারা জানা সম্ভব নয়। কনিষ্ক গ্রীক ও পারসিক প্রভাবে যাও বা নিজের মূর্তি বানিয়েছিলেন, তার মুখ আর নেই। একটা হিন্দু-বৌদ্ধ-জৈন মন্দিরের গায়ে হাজার হাজার মূর্তি থাকে, কিন্তু মুখ তাদের সবার প্রায় একরকম হয়। মুঘল যুগে মুঘল পেইন্টিংএর মাধ্যমে কিছুটা ব্যক্তিবিশেষের ছবির চল আসে। বিশেষ করে জাহাঙ্গীরের পৃষ্ঠপোষকতা এ ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য ছিল, এবং তিনি অনেকটাই য়ুরোপীয় বণিকদের দ্বারা প্রভাবিত হন। পাশ্চাত্যে ব্যক্তিবিশেষের গুরুত্ব অনেকটাই ছিল, অন্ততঃ অভিজাত সমাজে। তাই তাঁদের ছবি তাঁদের মত করেই আঁকা হত, তাঁদের মূর্তি তাঁদের মত করেই গড়া হত।

    অর্থাৎ আমাদের ইতিহাস রক্ষণ পদ্ধতি পশ্চিমের থেকে অনেকটাই আলাদা। রাজারা নিজেদের কাহিনী বিশেষ লেখাতেন না বলে, পুরাণ থেকে অনেক কষ্ট করে ইতিহাস খুঁজে বার করতে হয়। আর তাঁদের চেহারা কেমন ছিল কখনই হয়তো জানা যাবে না, তবে সাজপোশাকের ব্যাপারে ধারণা অবশ্য পাওয়া গেছে।

    তৃতীয় শতকে রোম সাম্রাজ্যের অবক্ষয় এবং মিশরে খৃষ্টধর্মের দ্রুত প্রসারের ফলে এই শিল্প ক্ষীয়মান হতে থাকে। ধীরে ধীরে নিজের পোর্ট্রেট আঁকানোর বিলাসিতার বদলে ধর্মীয় ছবির চল বাড়তে থাকে। কাঠের গায়ে মুখের চিত্রাঙ্কনের ধারা চলতে থাকে, তবে শুধুমাত্র যীশু ও খৃষ্টান সাধুসন্তদের ধর্মীয় ছবি- যেগুলি গীর্জায় স্থান পেত। এভাবে একটা সুন্দর সেক্যুলার শিল্পশৈলী ধীরে ধীরে অবলুপ্ত হয়ে যায়।

    আগের দুই পর্বে অন্ত্যেষ্টিশিল্পকে আমি অনেকটাই ধর্মের সাথে যুক্ত করেছি। কারণ ধর্মের উৎপত্তি পরলোকের প্রতি বিশ্বাস থেকে, তার বহিঃপ্রকাশ প্রতীকী আচারের মাধ্যমে, তার বিকাশ আনুগত্যের মাধ্যমে- আর এগুলোর সবকটাই প্রতিফলিত হয়েছে বিভিন্ন অন্ত্যেষ্টিশিল্পে- সেই প্রস্তর যুগ থেকে- যার কথা আগের দুই পর্বে বলেছি। কিন্তু এই ফায়ুম মমি পোর্ট্রেটে অন্ত্যেষ্টিশিল্পের একটা ধর্মনিরপেক্ষ দিকও ফুটে ওঠে। কিছুটা শখের জন্যই নিজের প্রতিকৃতি রেখে যাওয়া বা প্রিয়জনের প্রতিকৃতি গড়ানো- পারলৌকিক অনন্তসুখের থেকে ইহলৌকিক শিল্পসুষমার দিকে বেশী আগ্রহ- এটা সমাধিশিল্পের অন্য একটা দিক, যেটা ফায়ুম মমি পোর্ট্রেট আমাদের দেখায়।

    (চলবে)

    শেষ ছবিটা বাদে সবই ফায়ুম মমি পোর্ট্রেটের ছবি। শেষ ছবিটা পুরোনো স্টাইলের মমির মুখোশ- তুলনার জন্য।








    তথ্যসূত্র:
    https://en.wikipedia.org/wiki/Fayum_mummy_portraits
    https://en.wikipedia.org/wiki/Roman_art
    https://en.wikipedia.org/wiki/Roman_funerary_practices
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৮ জুন ২০২০ | ৩২২ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • r2h | 2401:4900:314d:83dd:8df:7890:d0d9:1671 | ২৮ জুন ২০২০ ০২:৫৮94670
  • এই লেখাটা খুব ইন্টারেস্টিং।
  • গবু | 2401:4900:3144:11f5:f57c:c394:d2e7:7606 | ৩০ জুন ২০২০ ০৮:৫০94750
  • বেশ লাগছে।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত