• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  ইতিহাস

    Share
  • ।।দেশবিদেশের অন্ত্যেষ্টি শিল্প।‌। (প্রথম পর্ব: প্রতিকৃতি )

    Sudipto Pal লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ইতিহাস | ২৫ জুন ২০২০ | ৬৯৬ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • তাজমহল, গিজার পিরামিড, পেট্রার আল-খাজনা- মিলটা কোথায় বলুন তো? এক, বিশ্বের সদ্যনির্বাচিত সপ্তাশ্চর্যের তালিকায় এদের নাম আছে। দুই, পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত পর্যটনস্থল হল এগুলি। কিন্তু আরেকটা মিল আছে। কী বলুন তো? সবচাইতে বড় মিল হল- এদের প্রত্যেকেই হল সমাধিস্থল। কিন্তু সমাধিস্থল নিয়ে এত উদ্দীপনা কেন আমাদের, এত আয়োজনই বা কেন? এটা আমায় খুব ভাবাতো। প্রাচীন গ্রীক ভাস্কর্যগুলোও বেশীর ভাগই মৃত মানুষের প্রতিকৃতি- তাদের স্মৃতিতে বানানো। মিশরের মমি আর তাদের ঐশ্বর্যভাণ্ডারেরও একই উদ্দেশ্য। তাই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বেরিয়েই পড়লাম। কিছু নিজের ক্যামেরায়, কিছু অন্যদের ছবি থেকে, কিছু বইপত্র ঘেঁটে, কিছু বা নিজের ভাবনা থেকে- এর উত্তর খোঁজার যে চেষ্টা সেটাকে আপনাদের সামনে নিয়ে আসার জন্যই এই ধারাবাহিক।

    Funerary art এর বাংলা প্রতিশব্দ ঠিক কী জানি না, তাই আমি অন্ত্যেষ্টি শিল্প কথাটা ব্যবহার করছি। এর কোনো গ্রহণযোগ্য বাংলা প্রতিশব্দ থাকলে অবশ্যই জানাবেন। এই বিষয় নিয়ে আগ্ৰহ জাগার একাধিক কারণ। একটা কারণ যেটা আগের অনুচ্ছেদে বলেছি। আর একটা কারণ হল সমাধিস্থলগুলো একটা সংস্কৃতির অনেক চিহ্ন বহন করে- সেখানকার বাসন কোসন, অলংকার, জামাকাপড় থেকে শুরু করে মানুষের এনাটমি থেকে শুরু করে সেখানকার মানুষের শিল্পবোধ অনেক কিছু জানা যায়। এমনকি কবরের মাপের বৈচিত্র্য থেকে সমাজে কতটা অসাম্য ছিল, নারী পুরুষ ভেদ কতটা ছিল এমন অনেক কিছুই জানা যায়। সেইজন্য funerary art বা অন্ত্যেষ্টি শিল্প ইতিহাসের একটা অপরিহার্য অঙ্গ। আমি পৃথিবীর বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য অন্ত্যেষ্টি শিল্প এই লেখায় তুলে ধরার চেষ্টা করব। খুব গভীরে যাব না, একটা রেখাচিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করব।

    আজকের বিষয় এইন গজালের মুখোশ- আমার দেখা সবচেয়ে পুরোনো অন্ত্যেষ্টি শিল্প এটাই। জর্ডানের এইন গজালের (Ain Ghazal) অধিবাসীরা ছিল নব্যপ্রস্তর যুগের শুরুর দিকের- কুমোরশিল্প আবিষ্কারের আগের যুগের মানুষ- পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো চাষীদের মধ্যে অন্যতম। সিরিয়া, প্যালেস্তাইন, লেবানন, জর্ডান ও ইসরাইলকে একত্রে লেভ্যান্ট অঞ্চল বা সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়। লেভ্যান্ট, মিশর ও ইরাককে একত্রে বলে fertile crescent। এই fertile crescent থেকেই চাষবাসের শুরু। স্থানীয় নাতুফিয়ানদের সাথে আনাতোলিয়া থেকে আগত মানুষদের মিশ্রণেই এইন গজালের মানুষদের সৃষ্টি হয়। নাতুফিয়ানরা ছিল প্রাচীন প্রস্তরযুগ ও নব্যপ্রস্তরযুগের সন্ধিক্ষণের মানুষ। যাদের হাত ধরে কৃষির প্রাথমিক রূপের সূচনা হয় এবং যাদের মাধ্যমে মানুষ প্রাচীন প্রস্তর যুগ থেকে নব্যপ্রস্তর যুগের দিকে এগোয়, সেইসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি হল নাতুফিয়ানরা। এরা বাস করত উত্তর জর্ডানে ও প্যালেস্তাইনের পুব দিকে। আনাতোলিয়রাও চাষবাস নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিল।

    আমরা এই পঞ্চাশ বছর আগেও, যখন ক্যামেরা দুর্লভ ছিল, মৃত মানুষদের চিহ্ন রাখতাম পায়ে আলতা পরিয়ে। অনেকটা একই রকম ভাবে এইন গ়জ়ালের মানুষেরা মৃত পরিজনদের খুলিতে চুনাপাথরের প্লাস্টার লাগিয়ে সেটাকে শুকিয়ে বের করে আনত। মুখোশের মত এই জিনিসটাই স্মৃতিচিহ্ন হয়ে থাকত। লোকে বাড়িতে এদের রাখত, কড়ি বা বীডস দিয়ে এদের চোখ বানাতো। এটার উদ্দেশ্য শুধুই স্মারক হিসেবে ব্যবহার করা ছিল নাকি কোনো বিশেষ ধর্মীয় উদ্দেশ্য ছিল সেটা জানা নেই। অবশ্য পূর্বপুরুষকে স্মরণ করা, তাদের তর্পণ করা (অর্থাৎ তৃপ্ত করা), তাদের পুজো করা- এগুলো বরাবরই ধর্মের অঙ্গ, সেই প্রাচীন প্রস্তর যুগ থেকে।

    এইন গজাল জর্ডানের রাজধানী আম্মানের আশেপাশে। এদের সাথে নিকট সম্পর্কিত মানুষ চল্লিশ কিমি দূরে প্যালেস্তাইনের জেরিকো শহরের আশপাশেও থাকত। জেরিকোকে অনেকে বলেন পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর (তবে ধারাবাহিক ভাবে অধিবাসিত নয়)। আম্মান পৃথিবীর প্রাচীনতম ধারাবাহিক ভাবে অধিবাসিত শহরগুলোর মধ্যে একটি। প্লাস্টারের মুখোশ এইন গজাল আর জেরিকো দুই জায়গায়ই পাওয়া গেছে। এইন গজালে খননকার্য থেকে মুখোশ ছাড়াও পাওয়া গেছে অনেকগুলো মূর্তি যাদের পৃথিবীর প্রাচীনতম স্ট্যাচু (মানুষের সাইজের মূর্তি) বলে দাবি করা হয়। মজার ব্যাপার যে প্লাস্টারের তৈরী এই মূর্তিগুলোকে কবর দেয়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। এটা একটা সিম্বলিজমের ইঙ্গিত দেয়। তাছাড়া এদের শোয়ানো ছিল পূর্ব পশ্চিম মুখ করে। এটাও সিম্বলিজমের আভাস দেয়, আর সুবিন্যস্ততারও আভাস দেয়। এখন যাদুঘরে ঠেস দিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখা হলেও এই মূর্তিগুলোর পক্ষে দাঁড়ানো সম্ভব ছিল না- এরা কবরের মধ্যেই শুয়ে থাকত হয়তো। কিসের প্রতীক ছিল এই মূর্তিরা? পূর্বপুরুষদের? জানা নেই।

    এগুলি মোটামুটি ৮০০০ থেকে ৭০০০ পূর্বাব্দের। PPNB (Pre-Pottery Neolithic- B) যুগের। হয়তো এই সিম্বলিজমের দিকে ঝোঁকটা শিকার-জোগাড় থেকে চাষবাস ও স্থিতিশীল জীবনের দিকে এগোনোর ইঙ্গিত দেয়। ৩৫০০০ পূর্বাব্দের আগে কবর দেয়ার বিশেষ প্রমাণ নেই। তার পরেও যে প্রাচীন প্রস্তরযুগে প্রচুর প্রচুর কবরের প্রমাণ আছে তা নয়। কবর দেয়া ব্যাপারটা একটা সভ্যতার দিকে এগোনোর ইঙ্গিত দেয়‌। আর বাড়িতে মৃত মানুষের মুখোশ রাখাটা পরিবারের ধারণা শুরু হবার আভাস দেয়। কবরের ইতিহাস আরও পুরোনো হলেও বড় আকারে অনেক অনেক লোককে একটা জায়গায় কবর দেয়া, এইন গজালেই প্রথম দেখা গেছে, এবং এইন গজালের পূর্বসুরী নাতুফিয়ানদের মধ্যেও কিছুটা দেখা গেছ।

    কবর দেয়ার প্রচলন প্রাচীন প্রস্তর যুগের শেষদিকেই সম্ভবতঃ শুরু হয়ে যায়, অর্থাৎ মানুষ চাষবাস শেখার আগেই শুরু হয়ে যায়। মানুষের আবির্ভাব প্রায় পঁচিশ লক্ষ বছর আগে হোমো হ্যাবিলিস প্রজাতির মাধ্যমে, আর আমাদের মত বুদ্ধিমান মানুষের (অর্থাৎ হোমো সাপিয়েন্সের) আবির্ভাব তিন লক্ষ বছর আগে, চাষবাসের শুরু মাত্র দশ-বারো হাজার বছর আগে- এটা নব্যপ্রস্তর যুগের সূচনাকাল। তার আগের পঁচিশ লক্ষ বছরকে বলা হয় প্রাচীন প্রস্তরযুগ। কিন্তু আচরণগতভাবে আধুনিক মানুষের আবির্ভাব কিন্তু চাষবাস শুরুর আগেই, প্রায় পঞ্চাশ কি সত্তর হাজার বছর আগে। যুবল নোয়া হারারি এই যুগটাকে কগ্নিটিভ রিভল্যুশনের যুগ বলেছেন- চাষবাস আসেনি কিন্তু বুদ্ধির বিকাশ দ্রুতগতিতে হচ্ছিল। এখানে আচরণগত আধুনিকতা (Behavioral modernity) বলতে বোঝানো হচ্ছে অ্যাবস্ট্রাক্ট ভাবনা ভাবার ক্ষমতা, সিম্বলিজমের দিকে আগ্রহ। এই দুটো জিনিস থেকেই কিন্তু মানুষের শিল্পকলার দিকে ঝোঁক শুরু হয়, এগুলিকে ঘিরেই প্রযুক্তির উন্নতি, ভাষা ও সঙ্গীতের আবির্ভাব, আবার এই সিম্বলিজম থেকেই ধর্মের জন্ম। এই ধরনের সিম্বলিজম তিরিশ চল্লিশ হাজার বছর আগের চাষবাস না জানা মানুষের মধ্যেও দেখা গেছে- মূর্তি গড়া, কবর দেয়া, গুহাচিত্র এসবের মাধ্যমে। ভাষা ও সংগীতের আবির্ভাবও চাষবাসের আগে। কিন্তু এইন গজালের সংস্কৃতিতে মূর্তি কবর দেয়া, আর মৃত পরিজনের মুখোশ বানিয়ে ঘরে রাখা- এগুলো নূতন একটা স্তরের সিম্বলিজমের আভাস দেয়।

    চাষবাস না জানা মানুষের মধ্যে পরিবার বা উত্তরাধিকারের ধারণা ছিল না তেমনভাবে। এইন গজালের আদি কৃষকদের বাড়ীতে রাখা স্মারক মুখোশ সম্ভবত পরিবার ও উত্তরাধিকারের উদ্ভাবনের ইঙ্গিত দেয়। আমরা পরবর্তীকালে দেখব চাষবাস থেকেই পরিবার ও উত্তরাধিকারের ধারণার জন্ম- জমির মালিকানার ধারণার জন্ম। হয়তো এইন গজালের আদিকৃষকরা এই ভবিষ্যতেরই আদি প্রতিভূ। সমাজে বৈষম্য বা উঁচুনিচুর ভেদেরও আদিরূপ এইন গজালের কবরেই দেখা যায়, কারণ কারোর ঠাঁই হয়েছে বাড়ীর উঠোনের নিচে, কারোর স্থান হয়েছে গণকবরে। জমির মালিকানা আর উত্তরাধিকারের ধারণা না থাকলে তো 'নিজের' বাড়ীর উঠোনে নিজের কবর হয় না, তাই না?

    সিম্বলিজম থেকেই বৌদ্ধিক বিকাশ ও বিজ্ঞানের আবির্ভাব। আবার মজার ব্যাপার এই সিম্বলিজম থেকেই কিন্তু ধর্মেরও জন্ম। আর উত্তরাধিকারের ধারণা থেকে প্রযুক্তি ও অর্থনীতির দ্রুত প্রসার। এই সিম্বলিজমের এবং উত্তরাধিকারসচেতনতার একটা গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসাবে ইতিহাসের পাতায় থাকবে এইন গজালের মূর্তি ও মুখোশেরা।

    পরের পর্বে আসব অন্য কোনো দেশের অন্ত্যেষ্টি শিল্প নিয়ে।

    (চলবে)

    পরবর্তী পর্ব: https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17799

    নিচের ছবিগুলি The Jordan Museum, Amman এবং The Jordan Archaeological Museum, Amman থেকে তোলা। সব ছবিই লেখকের স্বত্বাধীন ও তাঁর অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার নিষেধ।





























    Sources:

    The descriptions kept in The Jordan Museum, Amman and The Jordan Archaeological Museum, Amman (pictures of the descriptions provided)

    https://en.wikipedia.org/wiki/Behavioral_modernity

    https://en.wikipedia.org/wiki/%27Ain_Ghazal

  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৫ জুন ২০২০ | ৬৯৬ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
    Share
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত