• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • না, নোভেল করোনাভাইরাসকে ল্যাবে তৈরি করা হয়নি, এটি নেচারাল সিলেকশনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বিবর্তনেরই ফসল

    Sumit Roy
    বিভাগ : আলোচনা | ২০ মার্চ ২০২০ | ১৩৩৩ বার পঠিত
  • নোভেল করোনাভাইরাস নিয়ে অনেক রকম মিথ, মিসইনফরমেশন চারদিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই ভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে সবচেয়ে এক্সাইটিং মিথটা ছিল যে এই ভাইরাসটা আসলে একটা বায়োউইপন বা জৈব-অস্ত্র, যা চীনের ল্যাবরেটরি থেকে বাইরে বের হয়ে গেছে, আর তার ফলে তৈরি হয়েছে এই প্যান্ডেমিক।

    গত ২২ ফেব্রুয়ারিতে নিউইয়র্কপোস্ট এর একটি আর্টিকেল প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করা হয়, যার শিরোনাম ছিল "“Don’t buy China’s story: The coronavirus may have leaked from a lab”।[১] সংবাদপত্রটির অপিনিয়ন অংশে প্রকাশিত স্টিভেন মোশের এর লেখা এই আর্টিকেলে দাবি করা হয়, ভাইরাসটি চীনের উহানে অবস্থিত বায়োউইপন ল্যাব থেকে পালিয়ে এসে থাকতে পারে। আর্টিকেলটির অনেক সমালোচনা হয়েছিল সেসময় এসেছিল। অনেকে বলছিল এখানে লজিকের অনেক স্টেপকে অনুসরণ না করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে, আবার অনেকে বলছিল আর্টিকেলটি বায়াসড।

    এরপর দেখা গেল, ৯ই মার্চে, ইরানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ তার একটি টুইটে ঘোষণা করেন, কোভিড -১৯ একটি বায়োউইপন বা জৈব অস্ত্র।[২] সেই টুইটে তিনি জাতিসংঘের জেনারেল সেক্রেটারি এন্টোনিও গুতেরেসকে তার লেখা একটি চিঠিও সংযোজন করে দেন। অনেকে আবার দাবি করেন বিল গেটসেরও এই "ল্যাবে তৈরি ভাইরাসটির" সৃষ্টিতে ভূমিকা আছে, এক্ষেত্রে সাথে এই ষড়যন্ত্র যুড়ে দেয়া হয় যে, এই রোগের প্রাদুর্ভাবে বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অনেক বড় ব্যাবসায়িক লাভ হবে।

    যাই হোক, নতুন একটি গবেষণা বলছে কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী নোভেল করোনাভাইরাস SARS-CoV-2 - কে ল্যাবে তৈরি করা হয়নি। নেচার মেডিসিন নামক জার্নালে নতুন একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।[৩] সেখানে SARS-CoV-2 ভাইরাসের বিবর্তনকে ট্রেস করা হয়েছে, আর এর স্ট্রাকচারের সাথে অন্য করোনাভাইরাসগুলোর তুলনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেখা গেছে যে কোভিড-১৯ এর সাথে জড়িত SARS-CoV-2 ভাইরাসটি আসলে নেচারাল ইভোল্যুশন বা প্রাকৃতিক বিবর্তনেরই ফল। এই গবেষণাটিতে এই ভাইরাসটির উৎপত্তির ব্যাপারে জানার ক্ষেত্রেও কিছু আশার আলো দেখিয়েছে।

    এই পেপারটির লেখক হচ্ছেন, ক্রিপস রিসার্চ এর ইমিউনোলজি এন্ড মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্টের এসোসিয়েট প্রফেসর ক্রিসচিয়ান এন্ডারসেন, পিএইচডি। তিনি বলছেন, "এপর্যন্ত আমদের কাছে যতগুলো জানা করোনাভাইরাস স্ট্রেইন এর জিনোম সিকুয়েন্স ডেটা রয়েছে, সেগুলো তুলনা করে খুব নিশ্চিত হয়েই নির্ণয় করা যায় যে, এই SARS-CoV-2 ভাইরাসটির জন্ম প্রাকৃতিক উপায়েই হয়েছে।"[৪]

    এন্ডারসেন বলছেন, "SARS-CoV-2 ভাইরাসটির স্পাইক প্রোটিনের রিসেপ্টর-বাইন্ডিং ডোমেইন অংশের মিউটেশন ও এর অনন্য ব্যাকবোন স্ট্রাকচার - এই দুটো বৈশিষ্ট্য বলছে একে কোন ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা সম্ভব নয়।" এই দুটো বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে একটি বিস্তারিত আলোচনা করে নেয়া যাক -

    ১। গবেষণা থেকে পাওয়া এই সিদ্ধান্তের জন্য দায়ী পরিষ্কারতম ক্লুগুলোর মধ্যে একটি ছিল SARS-CoV-2 এর আণবিক গঠন। গবেষকেরা বলেন এই নোভেল করোনাভাইরাসের একটি ভিন্ন ধরণের "ব্যাকবোন" স্ট্রাকচার রয়েছে, যা এর আগে দেখা গেছে এমন করোনাভাইরাসগুলো থেকে ভীষণভাবে আলাদা, আর এটির সাথে বাদুড় ও প্যাংগোলিনে পাওয়া যায় এমন ভাইরাসগুলোর সাথে সম্পর্কিত। যদি কেউ ল্যাবে এই নোভেল করোনাভাইরাস তৈরি করত, তাহলে তিনি এভাবে সেই করোনাভাইরাসকে তৈরি না করে ইতিমধ্যে জানা গেছে এমন করোনাভাইরাসের মলিক্যুলার স্ট্রাকচারের সাথে মিলিয়ে তৈরি করতেন। আর সেই পথ ধরে না গিয়ে তিনি বাদুড় ও প্যাংগোলিনে পাওয়া যাওয়া ভাইরাসের মোলিক্যুলার স্ট্রাকচারের সাথে মিলিয়ে তিনি ভাইরাসটি তৈরি করবেন তা খুবই অপ্রত্যাশিত একটি বিষয়।

    ২। এই নোভেল করোনাভাইরাসের রিসেপ্টর-বাইন্ডিং ডোমেইনটা একরকম "লক এন্ড কি" সিস্টেমে কাজ করে। হোস্ট সেলে (যাকে আক্রান্ত করবে) প্রবেশাধিকার পাওয়ার জন্য ভাইরাসটি এই সিস্টেমকে ব্যবহার করে। এই রিসেপ্টর-বাইন্ডিং ডোমেইনে রয়েছে স্পাইক প্রোটিন, যা মানুষের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণকারী কোন কোষকে টারগেট করতে প্রচণ্ডভাবে কার্যকরী। গবেষকদের মতে, নতুন ভাইরাসের এক্ষেত্রে এই মাত্রায় কার্যকারিতা সবলভাবে নির্দেশ করছে যে এটির উৎপত্তি নেচারাল সিলেকশন বা বিবর্তনের প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমেই হয়েছে।

    এছাড়া SARS-CoV-2 ভাইরাসের জিনোমিক সিকোয়েন্সিং এনালাইসিস এও দেখিয়েছে যে কিভাবে এই ইনফেকশনটি অন্য প্রাণীদের থেকে মানুষের শরীরে আসতে পারে এসম্পর্কে দুটো সাম্ভাব্য সিনারিও এর কথা বলছে -

    (ক) একটি সাম্ভাব্য সিনারিও হচ্ছে, এই ভাইরাসটি মানুষ ছাড়া অন্য একটি প্রাণীর পোষকদেহে তার এই বর্তমান প্যাথোজেনিক অবস্থায় প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়েছে, আর তারপর মানব শরীরে প্রবেশ করেছে।

    (খ) অন্য সিনারিওটি হল, এই ভাইরাসের একটি অক্ষতিকর ভারশন প্রাণীদেহ থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে, আর তারপর এটি তার বর্তমান প্যাথোজেনিক অবস্থায় বিবর্তিত হয়। (এই ভাইরাস নিয়ে আরেকটি থিওরিও আছে, যেটির সম্ভাবনা কম কিন্তু অনেক বেশি চিন্তার। তা হল, এই ভাইরাসের আরেকটি প্যাথোজেনিক স্ট্রেইন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দ্বিতীয়বারের মত মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।)

    যাইহোক, আপাতত এটা এখনও জানা সম্ভব হয়নি যে উপরের দুটো সিনারিও এর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি সাম্ভাব্য। কিন্তু তারা এটা বের করবার চেষ্টা করে যাচ্ছেন, কেননা এই জ্ঞানটি এই ভাইরাসটিকে বোঝার জন্য আর এটি সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য গবেষকদেরকে সহায়তা করবে।

    তথ্যসূত্র-
    (১) ভাইরাসটি ল্যাবে তৈরি বলে দাবি করা সেই আর্টিকেলটি - https://nypost.com/2020/02/22/dont-buy-chinas-story-the-coronavirus-may-have-leaked-from-a-lab/
    (২) আহমাদিনেজাদের টুইট - https://twitter.com/Ahmadinejad1956/status/1237072414841937920
    (৩) পেপারটির লিংক - https://www.nature.com/articles/s41591-020-0820-9
    (৪) ডঃ এন্ডারসেনের বিবৃতি - https://www.scripps.edu/news-and-events/press-room/2020/20200317-andersen-covid-19-coronavirus.html
  • বিভাগ : আলোচনা | ২০ মার্চ ২০২০ | ১৩৩৩ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • π | 162.158.165.233 | ২১ মার্চ ২০২০ ০২:০২91632
  • বেশ ভালভাবে বোঝানো হয়েছে।
    এই ব্যাকবোনের তফাতটা আরেকটূ বিস্তারিত হবে ?

    তবে এটা নিয়েই দ্রি কোথায় প্রশ্ন করছিলেন না ? আর খুঁজে পাচ্ছিনা।
  • দ্রি | 162.158.94.189 | ২১ মার্চ ২০২০ ২০:২৩91660
  • এই লেখাটা বেরোনোর আগেই এই নিয়ে অন্য টইতে কথা হয়ে গেছে। এই লেখাটি যে মূল লেখা থেকে অনুপ্রাণিত সেটা অরিন্দম আগেই দিয়েছিলেন। তার প্রতিক্রিয়া আমি আগেই জানিয়ে দিয়েছি।

    ------------------------------------------
    anirban | 162.158.159.39 | ১৯ মার্চ ২০২০ ১৫:১২91570
    এই সব কন্সপিরেসি থিয়োরি রাইট উইঙ্গ থেকে প্রথমে আসছিল (https://www.aljazeera.com/news/2020/03/conspiracy-theories-coronavirus-200303170729373.html)।

    এর সঙ্গে রয়েছে রেসিজম (https://www.economist.com/china/2020/02/17/the-coronavirus-spreads-racism-against-and-among-ethnic-chinese)।

    এইগুলি অয়ম্প্লিফাই না করলেই ভালো। এই ভাইরাস মানুষের তৈরী নয়। কীভাবে মানুষের মধ্যে এলো সেটা গবেষণা-সাপেক্ষ।
    https://www.nature.com/articles/s41591-020-0820-9

    দ্রি | 172.68.143.65 | ২০ মার্চ ২০২০ ০০:৫৬91591
    প্রথম লিংকটা আলোচনার যোগ্য নয়। দ্বিতীয় লিংকটা তো পড়াও যাচ্ছে না।

    তৃতীয় লিংকটা ভালো এবং এনগেজিং।

    It is improbable that SARS-CoV-2 emerged through laboratory manipulation of a related SARS-CoV-like coronavirus. As noted above, the RBD of SARS-CoV-2 is optimized for binding to human ACE2 with an efficient solution different from those previously predicted7,11. Furthermore, if genetic manipulation had been performed, one of the several reverse-genetic systems available for betacoronaviruses would probably have been used19. However, the genetic data irrefutably show that SARS-CoV-2 is not derived from any previously used virus backbone20.

    এখানে অথার মনে করেন ভাইরাসটি ল্যাব জেনারেটেড নয় সেটা লেখা রয়েচে। এক, আগে ভাইরাস কিভাবে হিউম্যান সেলের সাথে আটকাবে সেই নিয়ে কিছু প্রেডিকশান দুটো রেফারেন্সড পেপারে ছিল। কিন্তু এই বাইন্ডিংটা ভিন্ন রকম। দুই, ভাইরাসের ব্যাকবোনও নোন/সিনথেসাইজড ব্যাকবোনের চেয়ে আলাদা। তাই কনক্লুশান হল এটা ল্যাবে বানানো হতে পারে না।

    কিন্তু প্রবলেমটা হল অ্যাকাডেমিক বডি অফ রিসার্চে বাইন্ডিংএর যে কটা প্রেডিকশান আছে, এবং যে কটা ব্যাকবোন আছে, মিলিটারী রিসার্চে তার চেয়ে বেশী নেই এটা কি আমরা শিওর? মিলিটারী রিসার্চের সব তথ্য অ্যাকাডেমিক ডোমেনে আসেনা তো। মেরিল্যান্ডের ফোর্ট ডিট্রিক, ক্যানাডার উইনিপেগ, চীনের উহান এগুলো বায়ো ওয়েপনস ল্যাব। লেভেল ৪ সিকিওরিটি। এমনকি আফ্রিকাতেও আছে, সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া, উগান্ডা। এখানে কি হচ্ছে তার সব কিছু পাব্লিক ডোমেনে আসেনা। কিছু আসে। যা আসেনা সেগুলো ফ্রিডম অফ ইনফর্মেশান অ্যাক্ট করে জানতে চাইলে কিছু ডকুমেন্ট পাওয়া যায়, তাও খুব হেভিলি রিড্যাক্টেড। এরকমই দুএকটা ডকুমেন্ট থেকে জানা গিয়েছিল ইবোলাকে ওয়েপনাইজ করার কথা ভাবা হচ্ছে।
    ----------------------------------------
  • | 162.158.62.12 | ২৫ মার্চ ২০২০ ০০:২৫91727
  • পেপার টা অনেকবার দেখ্লাম।

    এইটা বুঝ্লাম না যে পেপারটা কবে communicated আর কবে accepted হয়েছে। সাধারণত জারনালগুলো এই information টা পাবলিক ডোমেইনে রাখে। এই পেপার এর শুধু পাবলিকেশন ডেটটা দেওয়া আছে।

    এইটা বোঝা গেল...... অথার প্রথমেই ধরে নিয়েছেন যে কৃত্রিম ভাবে ভাইরাসটা বানানো হয়নি, এবং পেপারটাও ও যুক্তিপরম্পরা (বায়ো-ইনফ্হরম্যাটিকস) দিয়ে সেই ভাবেই লেখা হয়েছে। পেপারের assumption অংশটা খেয়াল করবেন।

    কিন্তু কথা হল, কৃত্রিম ভাবে "র‌্যানডাম মিউটাজেনেসিস" করে ভাইরাসএ মিউটেশন করা কঠিন কিছু ব্যাপার নয়। এমনকি একটু বড় অংশ ভাইরাল জিনে ঢুকিয়ে দেওয়াও অসাধ্য নয়। ফিউশন প্রোটিন তৈরি করা বা জাংশান সাইটে প্রলিন ঢুকিয়ে "কিনক" করা (সাইট-ডাইরেকটেড মিউটাজেনেসিস), এমন কিছু অসম্ভব কাজ নয়। প্রচুর কোম্প্যানী বা ল্যাবে এই কাজ হয়, টু স্টে এহেড ওফ দা কার্ভ। র‌্যানডাম মিউটাজেনেসিস করে প্রোটিন মিউটেশন করে ড্রাগ রেসিসটেনন্ট স্ট্রেন হামেশাই বানানো হয়। যাতে পরবর্তী প্রজন্মের ওষুধ্টা বের করা যেতে পারে (তৎ সহ, বণিজ্য ইত্যাদি)। ইনটারনেটে একটু সার্চ দিলেই প্রোটোকল পাওয়া যাবে।

    নেচার মেডিসিন এর ইমপ্যাকট ফ্যকটর হল ৩০ঃ৬৪১, সেখানে শুধু সিকোয়েনস হোমোলজি সার্চ করে (ডেটা এন্যালিসিস করে), কোন একসস্পেরিমেন্টাল ভ্যালিডেশান ছাড়াই এই ধরনের পেপার ছেপে যাওয়া একটু কৌতুহল জাগায়। একাডেমিক দিক দিয়ে পেপারটা অমার কাছে দুর্বল লেগেছে। কিন্তু পেপারটা ছেপে দিয়ে অথার বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে এই বার্তা বেশ ভালোভাবে বিস্তার করে দিতে পেরেছেন যে এই সমস্ত ঘটনা একটি "জুনোটিক স্পিলওভার এন্ড ন্যাচারাল সিলেকশান প্রসেস" , ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু কেন বায়োএনজিনিয়ারড নয়, সেটার ব্যাপারে কোন জোরদার যুক্তি পেপারে দেওয়া হয়নি। দুটোর যে কোন একটা হতে পারে। কিন্তু পেপারটাতে একটা দিকই অতিরিক্ত মাত্রায় ধরা হয়েছে। জারনালের ইমপ্যাকট ফ্যাকটর ত্রিশ না হয়ে দু-তিন হলে, এত সহজে জনগণকে "স্পিলওভার" খাওয়ানো যেতো না!!

    তো, কথা হল, আমার মতন বৃদ্ধ নীপারা সবাই এক অর্থে "দ্রিঘাংচু-রাশি" জাত!!!
    পেপারটার লাস্ট বা সিনিয়র অথারের নামটা দেখলাম। রবার্ট এফ গ্যারি । ইনি আবার Zআলজেন ল্যাবের (ভাইরলজির ) এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যাদের অন্যতম পার্টনার হল, UTMB’s Galveston National Laboratory। সার্চ কোরে দেখে নিতে অনুরোধ করলাম।

    Note: Dr. Thomas Geisbert’s biosafety level 4 (BSL4) containment laboratory at UTMB’s Galveston National Laboratory focuses on the pathogenesis of emerging and re-emerging viruses and the development of countermeasures against these viruses. The Geisbert laboratory focuses on using recombinant vesicular stomatitis virus (rVSV) as a vaccine vector for viral hemorrhagic fevers. Specific interest areas include modifying rVSV vectors for optimal safety and immunogenicity, identifying antigens needed to develop a multiagent vaccine that can protect against major groups of hemorrhagic fever viruses (Ebola, Marburg, Lassa), and determining the role of cellular and host immune responses in protection. The Geisbert laboratory currently participates in the development of immunotherapeutics for Lassa fever in collaboration with Tulane and Zalgen Labs.

    এইটা পাবলিক ডোমেইন থেকে টুকলাম। কিন্তু পাবলিক ডোমেইন এর বাইরে আরো অনেক অনেক ডোমেইন থেকে যায়, যা আমার বা আমাদের মতন দিন আনি দিন খাই লোকের নাগালের বাইরে।

    পেপারটিতে আরো একটা সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ল্যাব এস্কেপের ঘটনা। অথার এইরকমটা না হওয়ার দিকেই সওয়াল করেছেন। আমার মনে হয়েছে, যেন জোর করে বলা হচ্ছে, এই রকমটা হতেই পারেনা।

    সেই তৃতীয় অংশটা তুলে দিলাম।

    3. Selection during passage

    Basic research involving passage of bat SARS-CoV-like coronaviruses in cell culture and/or animal models has been ongoing for many years in biosafety level 2 laboratories across the world27, and there are documented instances of laboratory escapes of SARS-CoV28. We must therefore examine the possibility of an inadvertent laboratory release of SARS-CoV-2.

    In theory, it is possible that SARS-CoV-2 acquired RBD mutations (Fig. 1a) during adaptation to passage in cell culture, as has been observed in studies of SARS-CoV11. The finding of SARS-CoV-like coronaviruses from pangolins with nearly identical RBDs, however, provides a much stronger and more parsimonious explanation of how SARS-CoV-2 acquired these via recombination or mutation19.
    The acquisition of both the polybasic cleavage site and predicted O-linked glycans also argues against culture-based scenarios. New polybasic cleavage sites have been observed only after prolonged passage of low-pathogenicity avian influenza virus in vitro or in vivo17. Furthermore, a hypothetical generation of SARS-CoV-2 by cell culture or animal passage would have required prior isolation of a progenitor virus with very high genetic similarity, which has not been described. Subsequent generation of a polybasic cleavage site would have then required repeated passage in cell culture or animals with ACE2 receptors similar to those of humans, but such work has also not previously been described. Finally, the generation of the predicted O-linked glycans is also unlikely to have occurred due to cell-culture passage, as such features suggest the involvement of an immune system.

    আমার একটাই প্রশ্নঃ নিজে করে দেখেছো??

    সার্স এজেন্টের ল্যাবে ম্যানিপুলেশনের এর একটা পুরোনো রেফ দিলাম।
    https://www.pnas.org/content/100/22/12995
    এই রেফ্গুলো থেকেও কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
    https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/S0304416519301333
    https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC5469293/

    এই ভাইরাস এর আবির্ভাব এর ফলে সমগ্র মানব জাতির কি পরিণতি হবে, সেইটা সময় বলবে।
    কিন্তু এই মুহুর্তে বেশ দেখতে পারছি যে......., এই ভাইরাসের বাজারে দু থেকে চার ট্রিলিয়ান ডলার জনগণের টাকা মুফতে বেশ কিছু লোকের (মানে গহন প্রদেশের নাগরিক আর কি!!) একরকম হাতের নাগালেই এসে গেছে!!!

    পুনশ্চঃ গুরুর বাল্যকালের হেল্প লেআউটটা এখানে থাকলে ভালো হয়।
  • ar | 162.158.62.12 | ২৫ মার্চ ২০২০ ০০:২৭91728
  • নামটা এলো না

    ar
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত