• আমাদের কথা
  • গুরুচন্ডা৯র বই

    গুরুচন্ডালি
    বিভাগ : কাগুজে গুরু | ২১ জানুয়ারি ২০১৩ | ৫৫২ বার পঠিত

  • গুরুচন্ডা৯র চটি বই

    বড় বড় বইয়ের ঘ্যামা ঘ্যামা ব্যাপার, যেমন গড়ন তেমনই দাম।
    গুরুচন্ডা৯ নিয়ে এসেছে চটি বই, যা একাধারে শস্তা ও পুষ্টিকর।


    ২০১৮ – গুরুর চটি

    (৬৩) কুমুদির রোমহর্ষক গল্পসমূহ

    কুমুদির গল্প এক নারীর জীবনের টুকরো গল্পের সমাহার, যার সময়সীমা গত সত্তরের দশক থেকে এই নতুন শতক। সময়টা উথালপাতাল থেকে দ্রুত পটবদলের, রঙচটা সাদাকালো খবরের কাগজ থেকে ইন্টারনেট আর ঝকঝকে কেবল টিভিতে বদলে যাবার টাইমটেবিল। কিন্তু জীবন শুধু এই ছক মেনে চলেনা। গৃহযুদ্ধ, পটপরিবর্তন, রাজনীতির পাশাপাশি পায়ে-পায়ে চলতে থাকে আরও এক জীবন। তা অনেক ধীরলয় আর আটপৌরে। কিন্তু বদল সেখানেও আসে, এসেছে। মেয়েদের সেই আটপৌরে জীবন আর তার বদলে যাবার কাহিনী ধরা আছে এই টুকরো গল্পের রসময় ছোট্টো ঝুড়িটিতে।


    (৬২) রংনাম্বার হিরণ মিত্রের সঙ্গে কথোপকথন

    শিল্পী হিরণ মিত্রের দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর পর্ব, প্রয়াত লেখক অদ্রীশ বিশ্বাসের সংগে, সংযোজন হিসেবে একটি দীর্ঘ মূল্যবান সাক্ষাতকার, বিষাণ বসুর নেওয়া।

    কী থাকছে বইয়ে? অনেক না বলা কথা।

    বিষাণ বসুর কথায়, ছবি কী? কেমনভাবে ছবির ভিতরে ঢুকবো? দৃষ্টিনন্দন ছবি যদি বা চোখ টানে, কিন্তু অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট? ছবি, নাকি লক্ষ লক্ষ টাকা দামে বিক্রি হওয়া ছবি, দর্শকের চোখ আটকাবে ঠিক কোথায়? দর্শক আর শিল্পী দুইয়েরই ভাবনার অচেতনে বাজারের ভূমিকা কী? দেশের ছবি, বিদেশের ছবি থেকে হালফিল ডিজিটাল আর্ট। ছবির জগৎ-এর একটা সার্বিক চিত্র উঠে এলো শিল্পী হিরণ মিত্রের সাথে এই অকপট সাক্ষাৎকারে। সাক্ষাৎকার ঠিক নয়, এ এক শিল্প-আড্ডা। সাথে অনিবার্যভাবেই থাকলো হিরণ মিত্রের মঞ্চ-প্রচ্ছদ-সিনেমা-শিল্পজীবন।

    বাংলা ভাষায় শিল্পী এবং শিল্পানুরাগীর কথোপকথনভিত্তিক বই রয়েছে বেশ কয়েকটি। কিন্তু, ঠিক এই ধরণের শিল্প-আড্ডার নজির, বোধ হয়, আর নেই। সেইদিক থেকে দেখলে, শিল্পচর্চার ক্ষেত্রে এই ছোটো বইটি, প্রকৃত অর্থেই, ল্যান্ডমার্ক। আর, সংগে রয়েছে হিরণ মিত্রের অসামান্য কিছু ছবি।

    প্রচ্ছদ - হিরণ মিত্র


    (৬১) তাহাদের কথা (ফেমিনিজম ডট কম-এর সংকলন, একটি গুরুচণ্ডাঌ সম্পাদনা)

    বিরাট বিরাট প্রতীকি বিপ্লব নয়।রকেট বিজ্ঞান বা বিমান চালনা নয়। ছোটো ছোটো পেশা, তেমন কোনো বাধাও নেই ঢুকে পড়তে তবু যেন মেয়েদের জন্য অনধিগম্য। সেইসব এলাকায় চুপচাপ ঢুকে পড়ছেন মেয়েরা। কোনো প্রচার, গৌরবগাথা, এবং সর্বাপেক্ষা যা গুরুত্বপূর্ণ, সমাজ-সংসারের প্রতি বিরাট কোনো অভিযোগ ছাড়াই, স্রেফ নিজের জোরে। পাড়া-প্রতিবেশি-আত্মীয়-স্বজনরা কখনও সাহায্য করছেন, কখনও করছেননা। কিন্তু বাধা হয়েও দাঁড়াচ্ছেননা কোথাও। কোনো বিজয়কেতন, কোনো প্রচারের দামামা ছাড়াই মেয়েরা দাঁড়াচ্ছেন নিজের পায়ে। বলছেন নিজেদের জীবিকার গল্প। জীবনের কথা। এ বই তাঁদেরই নিজের ভাষায়, তাহাদেরই কথা।

    প্রচ্ছদ - চিরঞ্জিত সামন্ত


    (৬০) তোমার সঙ্গে খেলা - বিপুল দাস

    পুবদিকেও হাইরাইজের কাজ শুরু হয়েছে। কিছুদিন বাদে পুব আকাশের দখলও নিয়ে নেবে ইট, সিমেন্ট, কংক্রিট। পার্টি অফিসগুলো দোতলা হয়ে যাচ্ছে। মেঝেতে টাইলস্‌ বসছে। মার্বেলের সিঁড়ি। কিছুদিন বাদে সকালবেলার রোদ আর শাশ্বত পাবে না। অথচ খুব রোদের দরকার শাশ্বতর। প্রতিদিনই মনে হয় তার শরীরের রক্ত আজ আরও একটু শীতল হয়ে গেল বুঝি। আগের মত আবার বুঝি স্থবির হয়ে পড়বে। শীতঘুমে যাওয়ার সময় হল তার। এভাবেই ভাঙনের কথা দিয়ে শুরু হয় এই উপন্যাস। মিতাকে আগুনে জ্বালিয়ে মারতে চেয়েছিল তার স্বামী। বুকে পোড়া ঘায়ের যন্ত্রণা নিয়ে মিতা আর উদাসীন শাশ্বত একসঙ্গে গিয়েছিল নিখিল বিশ্বাস নামের আশ্চর্য এক মানুষের কাছে। লোকটা বাগানে ফুল ফোতায়। সে বলেছিল -- আমি আকাশ, বাতাস, ফুলপাখিনদী, এই জগতের নিয়ম আর নিয়মভাঙার গল্প বলি। জানি না, সেই গল্প কেমন করে দুখি মানুষের কাজে লেগে যায়। জানেন, মাঝে মাঝে আমার নিজেরই খুব ভয় করে। অনেকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করতে চায়। তখন নিজেকে খুব ছোটলোক আর অসহায় মনে হয় ।।। আমার এখানে একটা গাছ আছে, কুঁড়ি আসার এক ঘন্টার ভেতর পুরো ফুল হয়ে ফুটে ওঠে। আপনাকে দেখাব। মানুষের বুকের ভেতরেও একটা দলমন্ডল আছে। ফুল হয়ে ফোটে। কেউ টের পায়, কেউ সারাজীবন টেরই পায় না। অথচ, পাশের লোক তার গন্ধ পায়। শাশ্বত মিতার খোলা বুক দেখতে চেয়েছিল। পুড়ে যাওয়া, উঁচুনিচু, বীভৎস মাংসের দলার ভেতরে কোন কুসুম ফুটে ছিল ? শীতঘুম থেকে জেগে উঠে শাশ্বত কি পেয়েছিল সেই সৌরভ ? এই উপন্যাস সেই সুন্দরকে খুঁজে ফেরার গল্প।

    প্রচ্ছদ - দেবরাজ গোস্বামী।
    নামাঙ্কন - চিরঞ্জিত সামন্ত


    (৫৯) নিরুদ্দিষ্টের উপাখ্যান ও অন্যান্য কাহিনি - অমর মিত্র

    শ্রীরামচন্দ্র গ্লাস ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে শ্রীরাম আবাসনের বিজ্ঞপ্তি। বন্ধ কাচকলের শ্রমিক বৈরাগী মন্ডল বিজ্ঞপ্তি দেখেছিল প্রথম। সে ভাবত কাচকল বন্ধ হয়ে আছে বটে, কিন্তু খুলবে নিশ্চয়। কবে খুলবে তার খোঁজে কলকাতার আলিপুরে মালিকের বাড়ি পর্যন্ত গিয়েছিল সে। গিয়ে ফিরে এসেছিল। সে এখনো ঘুমের ঘোরে শেষ রাতে কারখানার সাইরেন শুনতে পায়। কারখানার প্রাচীরের ভিতরে ছিল যে নিম গাছ, তার ফুলের গন্ধ টের পায় চৈত্র সন্ধ্যায়। সবই ঠিক আছে, শুধু বড় বড় তালা খুললে হয়। আবাসনের কাজ আরম্ভের আগে বকেয়া পাওনা মেটাতে এসেছিল ক্তৃপক্ষ। নিরীহ শ্রমিক বৈরাগী বুঝতে পেরেছিল না খুলে টাকা দিয়ে দেওয়া মানে কারখানা আর খুলবে না। সেই রাতে পুলিশ তাকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়, কিন্তু পরে বলে বৈরাগীকে তোলেইনি। এই উপন্যাস সেই সত্য অনুসন্ধানের এক হৃদয় বিদারক বৃত্তান্ত।

    প্রচ্ছদ - চিরঞ্জিত সামন্ত


    (৫৮) মলয় রায়চৌধুরী নিজের বাছাই - গদ্যের সম্ভারের চূড়োয় ছোট্টো পালক

    “শ্রেষ্ঠ, শিল্প, প্রতিভা, মাস্টারপিস, ইতিহাস ইত্যাদি ভাবকল্পগুলো আমার লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কেননা আমি জানি না ওগুলো ঠিক কি জিনিস । এতকাল যাবৎ আমি যা লিখেছি তা জড়ো করলে একশোর বেশি বই হয়ে যাবে ; গ্রন্হাকারে এর অর্ধেক প্রকাশিত হয়েছে বোধহয় । বোধহয় বলছি দুটো কারণে ঃ প্রথম, আমি নিজের বই সংগ্রহে রাখি না ; দ্বিতীয়, ২০০৫ থেকে, আরথ্রাইটিসের কারণে আমি কলম ধরে লিখতে পারি না বলে আমার সংগ্রহে পাণ্ডুলিপিও নেই যে প্রকাশক খুঁজবো । মাঝে হার্ড ডিস্ক খারাপ হবার ফলে কমপিউটার থেকেও বহু লেখা উধাও হয়ে গেছে । কবিতার কথা বলছি না, কেননা ওগুলো ইমেলের বডিতে লিখে পাঠিয়ে দিই, তারপর হারিয়ে যায় ।
    নিজের বাছাই বলতে তাই আমার পছন্দের বাছাই নয় ; যারা সামনে নেই তাদের তো বাছাই করার সুযোগ নেই । সুতরাং যারা চোখের সামনে পড়ল, তাদের থেকেই বেছে নিলুম । পাঠকের কাছে পৌঁছোতে পারেনি, এই ভেবে বেছে নিলুম । লেখাগুলো শ্রেষ্ঠ বা শিল্প বা মাস্টারপিস ইত্যাদির পর্যায়ে পড়বে না ; আগেই বলেছি, যে এই ব্যাপারগুলো আমি বুঝি না । কেউ সত্যিই বোঝে কিনা সে-ব্যাপারে আমার ঘোর সন্দেহ আছে । তবে আমি চেষ্টা করেছি যে বিয়ে আর বিয়ের পরের নানা রকমের তত্বের মতন আমার প্রতিটি লেখার আড়ালে যে তত্ব সাজানো হয়েছে তার সঙ্গে পাঠকের পরিচয় হোক । বেশি কথা বলতে চাই না । বললে আবার অন্যান্য তকমা চাপানো হতে পারে লেখাগুলোর ওপর, যেমন দ্রোহ, রেবেল, বিপ্লব, প্রতিষ্ঠানবিরোধী, যৌনগন্ধী ইত্যাদি ইত্যাদি । পাঠক নিজেই পড়ুন আর ভাবুন । ভাবনা মানে কেবল কপালের ভাঁজ নয়, মুচকি শ্লেষও তো তাইই। “

    প্রচ্ছদে ব্যবহৃত গীতাঞ্জলী যোশীর আঁকা লেখকের প্রতিকৃতি।
    নামাঙ্কন - চিরঞ্জিত সামন্ত


    (৫৭) নাগরিকপঞ্জি ও ডিটেনশন ক্যাম্পঃ আসামে নাগরিক তৈরীর বৃত্তান্ত
    সংকলন ও সম্পাদনাঃ দেবর্ষি দাস, স্বাতী রায়, সোমনাথ রায়


    এন আর সি আমাদের এক ৪০ লাখি মানবিক সঙ্কট উপহার দিয়েছে। সাথে সাথে ডি ভোটার, বর্ডার পুলিশ, বিদেশি ট্রাইবুনাল, ডিটেনশন ক্যাম্প, অরিজিনাল ইনহ্যাবিটান্ট ইত্যাদি শব্দাবলীর সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। এই বই বাংলা পাঠককে এন আর সি ও ডি ভোটার সংক্রান্ত হয়রানির সাথে পরিচয় করে দেবে। সংখ্যাগুরুর হাতে সংখ্যালঘুর অত্যাচারে রাষ্ট্র কী বিপজ্জনক ভূমিকা নিতে পারে বইয়ের লেখাগুলি তা পরিষ্কার করে দেখিয়েছে।

    প্রচ্ছদ - দেবরাজ গোস্বামী
    নামাঙ্কন - চিরঞ্জিত সামন্ত


    (৫৬) লক্ষ্মীর পাঁচাঌ (সম্পাদনাঃ যশোধরা রায়চৌধুরী)

    লক্ষ্মীর পাঁচাঌ । এ আসলে চিরাচরিত লক্ষ্মীর পাঁচালিকে পুনর্নবীকরণের এক প্রয়াস। লক্ষ্মীর পাঁচালির পয়ার ছন্দটিকে অবিকৃত রেখে বিষয়বস্তুটিকে সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়ে লেখা হচ্ছে নতুন একটি পাঁচালি। একে প্যাঁচালিও বলা যেতে পারে, বা প্যারডি। লোকশিক্ষেও বলা যেতে পারে, বা সাবভার্শন। লিখছেন নানা প্রজন্মের মহিলা ও পুরুষ কবিরা। এর দু-একটি পদ্য ইতিমধ্যেই প্রকাশিত, নানা মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে পপুলারও। এবার সম্পূর্ণ বইটি আপনি পাবেন গুরুচণ্ডাঌর প্রকাশনায়। ছাপা অক্ষরে। যা একটি সম্পূর্ণ ও নবীকৃত লক্ষ্মীর পাঁচাঌ।

    প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বাংলার ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মী-সরা


    (৫৫) মজুররত্ন - তন্বী হালদার (গল্প সংকলন)

    এ এক অন্য জগৎ। এখানে ফরেস্ট বাংলোর চৌকিদারের ছেলের বউ বেহুলা, স্বামীর নাম লখিন্দর। এখানে মেথর কোয়ার্টারের যাত্রাপালায় রাবণের বৌ হয় সীতা। ভিখিরিরা গেয়ে ওঠে একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি। এখানে বিহার থেকে সোনাগাছি ঘুরে আসা মেয়ের নাম গঙ্গা। এখানে সকাল অন্য রকম। রাত অচেনা। অজনা মানুষ, অচেনা গল্প, অপরের জগৎ। অন্য ভাষা অন্য সুরে এই অনন্য উপাখ্যানগুলি গেঁথেছেন তন্বী হালদার।

    প্রচ্ছদে ব্যবহৃত তৃণা লাহিড়ীর পেপার কাট


    (৫৪) পাড়াতুতো চাঁদ – ইন্দ্রাণী (সংকলন - ছোট গল্প)

    শঙ্খ ঘোষ বলেছিলেন, 'আমরা যখন সত্যিকারের সংযোগ চাই, আমরা যখন কথা বলি, আমরা ঠিক এমনই কিছু শব্দ খুঁজে নিতে চাই, এমনই কিছু কথা, যা অন্ধের স্পর্শের মতো একেবারে বুকের ভিতরে গিয়ে পৌঁছয়। পারি না হয়তো, কিন্তু খুঁজতে তবু হয়, সবসময়েই খুঁজে যেতে হয় শব্দের সেই অভ্যন্তরীণ স্পর্শ।" ইন্দ্রাণী খুঁজে চলেছেন।

    প্রচ্ছদে ব্যবহৃত তৃণা লাহিড়ীর পেপার কাট


    (৫৩) অতিনাটকীয় - একক

    কাজী যখন জোলারে জিগান ঃ গেলো বুধবার রাত সাতটায় তুমি অমুকের বাড়ির খাটালে সিঁদ কেটে ঢুকে মোষ চুরি করেছিলে ? জোলা তো রেগে আগুন ! সে এগারো দিন সময় চেয়ে নিল কাজীর কাছ থেকে , তারপর সেরা উকিল -লোক লস্কর ও সাক্ষী সাবুদ এনে কাঁটায় কাঁটায় প্রমান করে দিল , বুধবার নয় জোলার পো মোষ চুরি করেচে বিষ্যুতের ভোরে , বাগানের খোলা দরজা দিয়ে ঢুকে । তার বাগ্মিতা ও উপস্থিত বুদ্ধিতে ধন্য ধন্য কল্ল গাঁয়ের জনগণ । অন্তিমে, জোলার হেঁটোয় কাঁটা দিয়ে ডালকুত্তাদের ভুরিভোজ হলো ।

    এই কৃশকায় বইটির ফঙ্গবেনে কাহিনীসমূহ , গল্পসাহিত্যের বিন্যাসে ও ঘটনাপ্রবাহের যুক্তিজালবিস্তারে উপরিউক্ত জোলার পদাঙ্কানুসারী।এবার , কাজীর বিচার পাঠকের হাতে ।

    প্রচ্ছদ - একক

    (৫২) সিজনস অব বিট্রেয়াল – দময়ন্তী
    ইতিহাস শুধু বইয়ে লেখা থাকেনা, গণস্মৃতিতেও ধরা থাকে ইতিহাসের উল্টে আসা পাতা। দেশভাগ সংক্রান্ত এই বইটি তেমনই এক গণস্মৃতির আর্কাইভ। দেশভাগের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাগুলিকে লেখিকা তুলে এনেছেন পারিবারিক অ্যালবাম থেকে। এ একেবারেই কোনো কল্পকাহিনী নয়, বরং স্মৃতিতে থাকা দেশভাগের আখ্যান, যার সঙ্গে ওতঃপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে সেই বাস্তবতা, যাকে ইতিহাস বলা হয়ে থাকে। এই বইয়ের প্রতিটি অনুচ্ছেদে ফুটনোট হিসেবে তাই জুড়ে দেওয়া আছে এতাবৎকালের লিখিত ইতিহাস ও পারিবারিক স্মৃতির রেফারেন্স। ব্যক্তির স্মৃতি এখানে ইতিহাস হয়ে উঠেছে, আর ইতিহাস হয়ে উঠেছে গণস্মৃতির উপজীব্য। বাংলায় দেশভাগ নিয়ে লেখা এবং স্মৃতিকথন, কারোরই কোনো অভাব নেই। কিন্তু এ দুটিকে পরতে পরতে জুড়ে দিয়ে ইতিহাসের কঠিন বাস্তবতা আর টানটান মানবিক ফিকশনের অনন্য এক যুগলবন্দী গুরুচণ্ডা৯ থেকে প্রকাশিত এই বই।

    প্রচ্ছদ - দেবরাজ গোস্বামী
    নামাঙ্কন - চিরঞ্জিত সামন্ত


    (৫১) আগুনপাহাড় - পিনাকী ঠাকুর

    শহর তখন হয়ে ওঠে নিজেই একটা হারমোনিয়াম। শপিং মলের আলোর পিছনে অন্ধকার ছায়া। একটু পরেই ভিখিরিবাজার। ভিখিরিদের শিশুরা বিক্রি করে দেয় এনজিওর উপহার, গরম সোয়েটার। পয়সা নিয়ে নেশা করে। গড়িয়াহাটের মোড়ে তখন খরিদ্দার খুঁজছেন জাদুকর। আমাকে নামিয়ে দিয়ে যায় কেউ লেক স্টেডিয়ামে। রঙ খুঁজে পাই না। বিকেল আমাকে উগরে দিচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের ভিড়ের রাস্তায়। আড়ালে তৈরি হয় আগুনপাহাড়, কবে তার বিস্ফোরণ হবে কেউ জানে না।'

    (৫০) সিমোন দ্য নেলসন - রোশনারা মিশ্র ও চিরঞ্জিৎ সামন্ত

    বাংলা ভাষায় এই প্রথম গ্রাফিক কবিতার বই কিনা সে বিতর্কে না ঢুকে বলা যায়, রেখা ও শব্দের বিভঙ্গে এই ছোট্টো বইটি অনন্যসাধারণ। রেখা কখনও আধুনিক ও কাটাকাটা, কখনও তুলির মতো পেলব। শব্দ কখনও রূপকথার মতো বিভঙ্গময়, কখনও রূপকথারই মতো ক্রূর। "এতসব টানাপোড়েনের কোনো মীমাংসা নেই। মুক্ত নাকি ছন্দ, পূর্ব ও পশ্চিম, রূপকথা না কেচ্ছা, বিষয় বা আঙ্গিক - সবই মুলতুবি রেখে গড়ে উঠেছে এই গ্রাফিক কবিতা - সিদ্ধান্ত, যে নেবে, তারই।" এই প্রতিজ্ঞাটি ব্যক্ত হয়েছে বইয়ের ব্লার্বে।

    (৪৯) দিনগুলি, রাতগুলি - সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    "গঙ্গার পাড়ে, বোটানিকাল গার্ডেনের পাশে সেই ক্যাম্পাসে মাঠের নাম লর্ডস ও ওভাল, পুকুরের নাম বিদিশার ঝিল। ক্যাম্পাসের ঠিক মাঝখানে কবরখানা, একদিকে মুচিপাড়া, অন্যদিকে সায়েবপাড়ার মাঝখানে 'রহস্যময় মেয়েদের হল'। এখানে আছে 'লাভার্স লেন', যেখানে চাঁদের আলোয় হাত ধরাধরি করে প্রেমিক-প্রেমিকারা হাঁটে।

    "সৈকত ভাল লেখেন, কী খারাপ লেখেন, তা আমার ভাবার এক্তিয়ারে পড়েনা। এ তো আর 'চুপ, আদালত জারি আছে'র মতো ব্যাপার নয়। এখানে গণেশ পাইনের 'আততায়ী'র মুখ আলো-অন্ধকার ফাঁসিয়ে মাঝে মাঝে জেগে ওঠে। পিটার স্যাফারের নাটকে সতেরো বছরের অ্যালান কেন পাঁচটি ঘোড়াকে অন্ধ করে দিয়েছিল? ড. ডিমার্ট কোনোদিন কি তা জানতে পারবে? আমরা জানতে পারব? 'দিনগুলি রাতগুলি' চোরাস্রোতে আমাদের ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। কোথায়? সেই হদিশ জানা থাকলে এ লেখা তো আর উপন্যাস হতনা। মিথ্যার চেয়েও সত্যের বড় বিপজ্জনক শত্রু আত্মবিশ্বাস। সৈকতের উপন্যাস এই আত্মবিশ্বাসের প্রতিস্পর্ধী সত্যের হিরণ্ময় মুখ।" -- এই বইয়ের ভূমিকায় লিখেছিলেন, রবিশঙ্কর বল।

    (৪৮) তক্কোগুলি, চরিতাবলী ও আখ্যানসমূহ – কল্লোল

    মানবচরিত্র এক বর্ণালীর সমন্বয়। কাল বিশেষে সেইসব বর্ণের উপর দুটি বিশেষণ আরোপিত হয়, ভালো ও মন্দ। বর্ণগুলি কোনো জলবিভাজিকায় বিভক্ত নয়। প্রায়শঃই তারা একে অন্যের সঙ্গে মিশে নতুন বর্ণের জন্ম দেয়। কালান্তরে এক একটি বর্ণের সাথে যুক্ত থাকা বিশেষণ দুটি স্থান বদল অক্রে মাত্র, কিন্তু আশ্চর্যভাবে ভালো ও মন্দ থেকেই যায়, তাদের ভালোত্ব ও মন্দত্বে মিশেই থেকে যায়, তৃতীয় বিশেষণ জন্ম নেয়না। তাই হয়তো কোনোকালেই মানুষ ব্যক্তি ও সামূহিকভাবে পুরোপুরি ভালো বা মন্দ হয়ে উঠবেনা। ফলে ভালো থাকার স্বপ্নটি, সকলে মিলে ভালো থাকার স্বপ্নটি অসম্পূর্ণই থেকে যাবে হয়তো। এই অসম্পূর্ণতার হাত ধরে এক আশ্চর্য আকাঙ্খার। এইসব ছোটোবড়ো আখ্যানসকল গেঁথে গেঁথে একটি মহোপাখ্যান গড়ে তোলার আকাঙ্খা। জানি, পণ্ডিতরা নিদান হেঁকেছেন মহোপাখ্যানের দিন ফুরিয়েছে, কিন্তু শেষ বিচার কে কবে করেছে?
    কারাগার ও মধ্যভূমির আখ্যানকার লিখছেন, তাঁর দ্বিতীয় আখ্যানটি। লিখছেন, "একটি মহোপাখ্যানের অকিঞ্চিতকর অংশ হয়ে থাকার স্বপ্নে লিখতে থাকি। স্বপ্ন না পূরণ হলেই বা ক্ষতি কী?"


    (৪৭) কাশ্মীর, রাজনৈতিক অস্থিরতা, গণতন্ত্র ও জনমত – মিঠুন ভৌমিক

    কাশ্মীরের আখ্যান এক অদ্ভুত আখ্যান।
    "পার্স্পেক্টিভ একটা অদ্ভুত ব্যাপার। বেড়ার এপারে যে সন্ত্রাসবাদী, ওপারে সে দেশপ্রেমী। ওপারে যে দখলদার, এপারে সে বেনেভোলেন্ট প্রশাসক। কিন্তু কোথাও কি কোনো অবজেক্টিভিটির অবকাশ নেই? সম্ভবতঃ নেই। সম্ভবতঃ তা অবাস্তব, মতান্তরে অসম্ভব। জার্মান সাহেব নীটশে যেমন বলে গেছেন-'There are no facts,only interpretetions'।হাওয়ার্ড জিন যেমন বলে গেছেন ঐতিহাসিকের অবজেক্টিভিটি অনুচিত, অসঙ্গত। অপরপক্ষে ইতিহাসকে পুরোপুরি সাবজেক্টিভিটি'র হাতে ছেড়ে দিলে যে কী মারাত্মক ফল হতে পারে, তার ভুক্তভোগী আমরা, আর এস এস ছায়ামন্ডিত - ভারতবাসীরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি, আরো পাবো বলেই আশঙ্কা। আর টের পেয়েছিলেন নীটশের দেশের লোকেরা, তৃতীয় রাইখের পদানত জার্মান জাতি( বস্তুতঃ পৃথিবীর সর্বত্রই প্রবল, আধিপত্যকামী শাসকের ছায়ায় ঢাকা জনগণ এ সত্য টের পান অথবা পান না, পেতে চান না)। অতএব কোথাও একটা ব্যালান্সের প্রয়োজন অনস্বীকার্য-আদর্শ গ্যাসের মত আদর্শ অবজেক্টিভ ইতিহাস অসম্ভব জেনেও তার যথাসাধ্য কাছাকাছি পৌঁছোনোর একটা চেষ্টা।ইতিহাসচর্চার এই অবজেক্টিভিটি নিয়ে মিঠুন ভেবেছেন এবং এই বইটি জুড়ে মিঠুন তারই একটি প্রয়াস চালিয়ে গেছেন; সব্সময় সফল হয়েছেন কিনা তার উত্তর পাঠকরাই দেবেন। " - ভূমিকায় লিখেছেন ইন্দ্রনীল ঘোষদস্তিদার।

    (৪৬) গোরা নকশাল – কল্লোল লাহিড়ি

    টানা ন্যারেটিভের মাধ্যমে সময়ের পট-পরিবর্তনকে বুনে চলা বেশ মুনশিয়ানার পরিচয়। কল্লোল সেটুকু পেরেছেন। তাঁর লেখাটির পাঠ খুব সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। এক রম্য দুপুরের রোদে পিঠ ঠেকিয়ে এক নিঃশ্বাসে এই ছোট উপন্যাসটি পড়ে ফেলা সম্ভব নয়। ভাগ্যিস নয় ! ভাগ্যিস এখনো কিছু কিছু গল্প আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, যাদের কুড়িয়ে আনতে গেলে কেটে যায় বেশ কিছু শ্রমবহুল রাত! এভাবেই কিছু কিছু আখ্যান তাদের কাঠিন্যের অন্তরালে দিনবদলের হাতিয়ার হিসেবে অক্ষরের রাইফেলটিকে উদ্যত করে বেঁচে থাকুক ।


    (৪৫) সর্ষেদানায়, ইচ্ছেডানায়ঃ অচল সিকির মোটরসাইকেল ডায়েরি – অচল সিকি

    "অবশেষে সেই সকাল এসেই গেল, অনেকদিন পর যে সকালের জন্য আমি হাত কামড়াব। বছর বিশেক পর আত্মজীবনীর পাতায় স্বীকার করে যাব, এই একটা বই বার করা ভুল হয়ে গেছে বিলকুল। খাচ্ছিল-দাচ্ছিল, কী দরকার ছিল উসকানোর। মধ্যবিত্ত মানুষ দিব্যি সকালে আপিসে গাল খাচ্ছিল, বিকেলে চার আনার মাল। আফ্রিকা টাফ্রিকা, হনলুলু কি মেক্সিকো দেখতে হলে হাতের কাছে বোকা বাক্স ছিল। ন্যাশানাল জিওগ্রাফিক, আরও কত হাবিজাবি। আর এই ছোকরা শুধু সেসব রুলবুক ভেঙে একলা বাইক নিয়ে লাদাখ থেকে লখনৌ, গ্যাংটক থেকে গোবিন্দপুর করে বেড়াচ্ছে তাই না, সেসব লিপিবদ্ধ করেও ফেলেছে। সুস্থ মানুষকে অসুস্থ করার মহতী প্রোজেক্টে ইন্ধন জোগানো ছাড়া আর কী? প্ররোচনার দায়ে এর জেল জরিমানা হওয়া উচিত।হ্যাঁ, অচল সিকির বইয়ের কথাই বইছি। তার বাইক বগলে লাদাখ জয়ের হম্বিতম্বির কাহিনি। আজকে হুগলিতে সে বইয়ের উদ্বোধন আছে। সেখানেও সিকিবাবু আসছেন, দিল্লি থেকে নিজের বাহন হাঁকিয়ে। তা তিনি আসছেন আসুন, আপনি একান্তই যদি যান তো একটু সাবধানে। পারলে সরকারি যানবাহন ব্যবহার করুন, একান্তই না পারলে চারচাকায়। বাইকে একেবারেই না। কারণ অ্যাডভেঞ্চার করতে গিয়ে ঠ্যাং ভাঙলে দায়িত্ব সিকিবাবু নেবেন না। গুরুচন্ডালি তো নয়ই। আর বইটা পড়ে লাদাখ কিংবা খাইবার পাসে লাফিয়ে লাফিয়ে দৌড়বেন না। বরং স্রেফ গপ্পোকাহিনি হিসেবে সোফায় বসে পড়ে ফেলে ডিসকভারি চ্যানেল দেখতে বসে যান। কারণ, বিপদ হলে আপনার হবে। সিকিবাবু বখে গেছেন, তাঁর আর কিছু হবার নেই। আর আমি যেখানে সুখে থাকি তার দুশো মাইলের মধ্যে কোনো সমুদ্র নেই। পাহাড় দেখতে গেলে মহাদেশ এফোঁড় ওফোঁড় করতে হবে। জানি দশ বছর পরে ভুল স্বীকার করেই খালাস হয়ে যাব। বিপদে পড়লে আপনি পড়বেন। তাই সাধু সাবধান। " – প্রকাশকের বিনীত নিবেদন।এ লেখা ভ্রমণকাহিনি, কিন্তু শুধুই ভ্রমণকাহিনি নয়। এ বইতে আছে এক নেশার গপ্পো, যে নেশা অন্যদেরও নেশা ধরিয়ে দিতে পারে।


    (৪৪) স্বাস্থ্য (অ)ব্যবস্থা – সম্পাদনাঃ পুণ্যব্রত গুণ , সারা বাংলা সবার জন্য স্বাস্থ্য প্রচার কমিটি এবং গুরুচণ্ডা৯ প্রয়াস

    স্বাস্থ্য ভারতীয়দের মৌলিক অধিকার নয়। তদুপরি '৪৭ পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে কল্যাণকর ভূমিকা পালন করার উদ্যোগ ছিল, রাষ্ট্র তার থেকে সরে আসছে গত শতকের নব্বই-এর দশকের শুরু থেকে। স্বাস্থ্য এখন মূলত পণ্য, পুঁজির চারণক্ষেত্র এবং মৃগয়াভূমি।এই অদ্ভুত ব্যবস্থায় নাগরিকের ক্ষোভ মেটাতে রাষ্ট্রের কোনও কার্যকর উদ্যোগ নেই, পরিবর্তে আছে কেবল একের পর এক ফাঁপা ঘোষণা। আর স্বাস্থ্যকর্মীদের, বিশেষ করে চিকিৎসকদের জনগণের রোষের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া। যেন একমাত্র তাঁদের দোষেই মানুষ যথাযথ পরিষেবা পাচ্ছেন না।এই সংকলনে লিখেছেন চিকিৎসকরা, জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মীরা, নীতিনির্ধারকরা....যাতে বাস্তবটাকে বোঝা যায়, এবং সেই অনুযায়ী চলার পথ ঠিক করা যায়।


    (৪৩) সবার জন্য স্বাস্থ্য-একটি স্বপ্ন যা সত্যি করা যায় – সম্পাদনাঃ পুণ্যব্রত গুণ , সারা বাংলা সবার জন্য স্বাস্থ্য প্রচার কমিটি এবং গুরুচণ্ডা৯ প্রয়াস।

    ঘুণধরা স্বাস্থ্যব্যবস্থা, আজ রোগী এবং চিকিৎসকদের প্রায় একে অপরের সঙ্গে যুযুধান প্রতিপক্ষ বানিয়ে দিয়েছে। কোথাও মানুষ মারা যাচ্ছেন চিকিৎসা নামধারী মুনাফাযন্ত্রের চাপে। কোথাও চিকিৎসক বিপন্ন বোধ করছেন আক্রমনের আশঙ্কায়। অথচ শর্টকাটে এ সমস্যার সমাধান হবার উপায় নেই। দীর্ঘমেয়াদী কোনো সদুত্তরও কি আছে, এই সমস্যার? সে প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজেছেন দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকরা। এই বইয়ে।'সবার জন্য স্বাস্থ্য' কথাটা এই বইয়ে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তার একমাত্র অর্থ সরকার সমস্ত নাগরিকের স্বাস্থ্যরক্ষার দায়িত্ব সরকারের।আজ শুনতে অলীক লাগে, কিন্তু ১৯৭৮-এর আলমা আটা ঘোষণা পত্রে ভারত এই মর্মে স্বাক্ষরও করেছিল। সবার জন্য স্বাস্থ্যের লক্ষ্যে গঠিত উচ্চস্তরীয় বিশেষজ্ঞ দল হিসেব করে দেখিয়ে দিয়েছিল কি ভাবে এমনটা সম্ভব। যদিও দেশের সরকার সে দায়িত্ব নেয়নি। ফল? আজ সরকারি ব্যবস্থা অপদার্থ, বেসরকারি ব্যবস্থাও মুনাফার লোভে পাগল।এ থেকে এখনও বেরোনোর উপায় এখনও অসম্ভব কিছু না। 'হেলথ ফর অল' এর উদ্যোগে আয়োজিত কনভেনশনে এই মর্মে বিশদ বক্তব্য রেখেছিলেন, ভারতের স্বনামধন্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। এ বই সেই বক্তৃতাবলীরই সংকলন। লিখছেনঃপুণ্যব্রত গুণবিনায়ক সেনঅরুণ সিংহশ্রীনাথ রেড্ডিরাহুল মুখার্জিসত্য শিবরমনঅলকেশ মন্ডলবঙ্কিম দত্ত'সবার জন্য স্বাস্থ্য' শুধু একটি বই নয়। এটি সকলের জন্য আশু এবং জরুরি একটি বিষয়। সংকট সমাধানের জন্য জন সচেতনতা গড়ে তোলার প্রথম ধাপ।


    (৪২) বাংলা স্ল্যাং, সমুচয় ঠিকুজিকুষ্ঠি – অজিত রায়

    অজিত রায়ের গদ্যপ্রযুক্তি, প্রকাশদীপ্তি ও ব্লেডের মতন ক্ষুরধার চলিত শব্দপ্রয়োগে অভ্যস্ত পাঠকেরা তাঁকে ভালোবাসেন তাঁর একদম নিজস্ব এক চলমান গদ্যশক্তির জন্যে। অজিত রায় মানেই এক নিরন্তর অস্থবিরতা , এক শিল্পিত চলিষ্ণুতা। বাংলা স্ল্যাং নিয়ে উনি কাজ করছেন অনেকদিন। 'বাংলা স্ল্যাং, সমুচয় ঠিকুজিকুষ্ঠি' - বইএর ভাষা মোলায়েম বাঙলা গদ্যভাষা নয়। এ বইএর দুই মলাটের ভিতরে লেখক তুলে আনছেন বাংলা স্ল্যাং এর আগা ও গোড়া। তালিকা ও ইতিবৃত্ত। এবং অতি অবশ্যই স্ল্যাং অভিধান। অজিত রায়ের গদ্য বাংলা ভাষার বিপুল গুরু ও চণ্ডাল সূত্রের বাহক। তৎসম, স্ল্যাং আর বাংলা-বিহারের চলিত শব্দের এক অদ্ভুত সমুচয় । এই ভাষাতেই তিনি লিখেছেন স্ল্যাং এর উপাখ্যান। স্ল্যাংকে শুধু অপভাষা বা শুধু খিস্তি, এর কোনোটাই বলা যায়না, বলেছেন লেখক। তাহলে স্ল্যাং কী? বাংলা স্ল্যাং কী কী? জানতে হলে বইটি অবশ্যপাঠ্য।

    ২০১৭ – গুরুর চটি

    (৪১) নির্বাচিত গল্পপাঠ – অপার বাংলার গল্পসংকলন, গল্পকারদের গল্পকথা(প্রথম, দ্বিতীয় খণ্ড)

    “বাংলাদেশের সাহিত্য আলাদা হয়ে গেছে ক্রমশ। আলাউদ্দিন আল আজাদ-এর ‘বৃষ্টি’র মতো গল্প এপারে লেখা সম্ভব হয়নি। আবার দীনেশচন্দ্র রায়ের ‘কুলপতি’ কিংবা শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের “তেওট তালে কনসার্ট” এপারেই লেখা সম্ভব। দেশ আলাদা কিন্তু একই জাতি, তাতেও সাহিত্য একই রকম থাকে নি। দেশভাগ যেমন এপারের সমস্যা, দেশভাগজনিত দুঃখ, কষ্ট যেমন এপারের সাহিত্যকে দিয়েছে নতুন মাত্রা, ওপারে দেশভাগের যাতনার চেয়ে ভাষা আন্দোলন, ধর্মীয় মৌলবাদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব হয়েছে প্রধান বিষয়। আবার বাংলাদেশের জন্মের পর মুক্তিযুদ্ধ, মানুষের আত্মত্যাগ হয়েছে সাহিত্যের প্রধান বিষয়। আবার ধর্মের নিগড় থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাও হয়েছে বড় বিষয়।”
    দুই বাংলার গল্প ধরে যাচ্ছে দুই মলাটের মধ্যে। ধরে যাচ্ছেন ৮৫ জন জীবিত গল্পকার, সাক্ষাৎকার সহ। সুবিশাল এরকম এক সংকলন দুই বাংলাতেই প্রথমবার।


    (৪০) এক ব্যাগ ৯০ – ১৯ টি কবিতার বই 

    আস্ত নব্বইকে একটা ব্যাগে আঁটিয়ে দেওয়া সম্ভব না, যদিও ইচ্ছে ছিল সেটাই। পরিবর্তে আসছে নব্বইয়ের এক ঝাঁক কবির এক ঝাঁক বই। ১৯৯০ এর বদলে ১৯টি নব্বই। ১৯র ৯০। ১৯৯০। ৯০ এর রূপকথা। ভুলে যাওয়া ৯। ভুলে যাওয়া ৯০। পাচ্ছেন একই ব্যাগের ভিতরে। দেখতে থাকুন, এই জাদুব্যাগের ভিতর থেকে শহর আর শহরতলীর একঝাঁক খোলা জানালা দিয়ে উড়ে যাবে নষ্ট নব্বইয়ের পুরোনো পায়রারা। যে কবিদের যে বইয়েরা ঠাঁই পেয়েছে এই ব্যাগেঃ 
    - অয়ন চক্রবর্তী – বিষণ্ণ রূপকথা
    - অংশুমান কর – সরে দাঁড়ালেন লেন্ডল
    - আর্যনীল মুখার্জি – জলতলের ফটোগ্রাফি
    - কল্পর্ষি বন্দোপাধ্যায় – যে গান শোনে না কেউ
    - চন্দ্রিল ভট্টাচার্য – সরুচাকলি
    - পারমিতা মুন্সি – কূর্মাবতার
    - প্রসূন ভৌমিক – উজ্জ্বল শ্যামবর্ণা বান্ধবীকে
    - মিতুল দত্ত – উইকএন্ড
    - যশোধরা রায়চৌধুরী – সাক্ষরতা মিশন
    - রোশনারা মিশ্র – ১৯৮৯
    - শমিত রায় – উহ্য
    - শান্তনু রায় – পড় শুধু স্মৃতি
    - শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় – যে বয়েস হরিণের নয়
    - সার্থক রায়চৌধুরী – আত্মার আশ্চর্য সেলফি
    - সাম্যব্রত জোয়ারদার – যখন ফানুসেরা ওড়ে
    - সায়ন কর ভৌমিক – পাখিয়াল
    - সুমন মান্না – ফোনঘর
    - সোমনাথ রায় – রেলিং জড়িয়ে প্লাস্টিক
    - হিন্দোল ভট্টাচার্য – লেখো আলো, লেখো অন্ধকার


    (৩৯) বস্টনে বংগে – বর্ন ফ্রি 

    “গত বছর এই ডিসেম্বর মাসেই সুপ্রীম কোর্টের রায় আবার নতুন করে আমাকে ক্রিমিনাল করে দিয়েছিল। যবে থেকে বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই জেনে এসেছি এই ভারতে আমার বা আমাদের মত মানুষদের কোনো আইন্সন্মত জায়গা নেই। ঝোপের আড়ালে, পার্কের কোনায়, পাবলিক টয়লেটে অথবা ভিড় ট্রেনের কামরায় আমরা চাইলে থাকতে পারি কিন্তু তোমাদের নাটকে, গল্পে কবিতায় সিনেমার ডিসকোর্সে আমরা নেই। তোমাদের বেডরুমে আমরা সবসময় থেকেছি, কিন্তু তোমাদের ড্রয়িংরুমের আলোচনায় আমাদের ডাক পড়েনি। বরং বিভিন্ন সময়ে বন্ধুদের মুখে শুনেছি ‘ওইসব করতে হলে আমেরিকায় গিয়ে কর, ইন্ডিয়াতে করলে পুলিশে ধরবে’। তারা অনেক সময়েই কথাগুলো মজা করে বলেছে। আমি জানি, আমার যৌনপরিচয় না জেনেই বলেছে, কিন্তু কতটা ব্যথা দেওয়া সত্যি কথা বলে ফেলেছে সেটা তারা নিজেরাও বোঝেনি।”
    বস্টন থেকে কলকাতা, আমেরিকা থেকে ভারতে, এক ‘অন্যরকম’ যুবকের অন্যরকম রচনা। ধারাবাহিক হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল গুরুচন্ডা৯তে। কিছু পরিবর্তিত পরিমার্জত রূপে এবার বই হয়ে।


    (৩৮) কামান বেবি – বিপুল দাস

    এই উপন্যাস আসলে জাদুবাস্তবতার আড়ালে এক আধুনিক পথের পাঁচালির আখ্যান নির্মাণের দিকে এগিয়ে গেছে, যেখানে ঘরপালানো বালক আবার উৎসের দিকে যাত্রা শুরু করে, হারিয়ে যাওয়া ঘুড়ি খুঁজে নেয় নিজস্ব ঠিকানা। বিপুল দাস এক আশ্চর্য গদ্যকার। নরম, তুলোর মত উড়ে যায় তাঁর যে শব্দরা, তারাই আবার তেজি অশ্বের মতো মাটিতে সজোরে পা ঠোকে। হ্রেষাধ্বনিতে ভেসে যায় চরাচর।


    (৩৭) অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিত ভট্টাচার্য 

    কেমন ছিল ভুলে যাওয়া নব্বইয়ের দশক? তার সিনেমা, বাংলা সিরিয়াল, তার ফেলে আসা শুকিয়ে যাওয়া লাল পতাকা, তার বন্ধ কারখানা, তার প্রেম, বন্ধুতা আড্ডা?  চিলেকোঠার জঞ্জাল ঘেঁটে খুঁজে পাওয়া এক চিলতে পুরোনো কৈশোর, যেখানে ছাদভর্তি অ্যান্টেনার কাঁটাতার থেকে অন্যমনে ঝুলে আছে এক পশলা অন্য নব্বই।


    (৩৬) আদালত-মিডিয়া-সমাজ এবং ধনঞ্জয়ের ফাঁসি – দেবাশিস সেনগুপ্ত, প্রবাল চৌধুরী, পরমেশ গোস্বামী

    বারো বছর আগে রাজ্যে সর্বশেষ ফাঁসির ঘটনাটি ঘটেছিল আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে। চোদ্দো বছর সলিটারি সেলে রাখার পর ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ধনঞ্জয় আগাগোড়া নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন। নাগরিক সমাজের একাংশও ধনঞ্জয়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যাসত্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। সেই সংশয় আরও গভীর হয়েছে দেবাশিস সেনগুপ্ত, প্রবাল চৌধুরী, পরমেশ গোস্বামীর দীর্ঘ অনুসন্ধানে। প্রশ্ন উঠেছে তদন্ত ও বিচার-প্রক্রিয়া নিয়েও। সেই অনুসন্ধানের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
    পিডিএফ ই-বই : https://payhip.com/b/KhRt

    (৩৫) ন্যানোপুরাণ – সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    এখানে একটা কনফিউশন তৈরি হতে পারে, যে, ন্যানো প্রসঙ্গে বারবার ১৯৯৬ সালের কথা আসছে কেন। ন্যানো তো ২০০৬ সালের কারবার, বিশুদ্ধ নিউজ চ্যানেল সিদ্ধান্ত মতে যখন সিঙ্গুরের ইতিহাসের সূচনা হল। সিঙ্গুর বাজার থেকে মাইল দুই দূরে শুরু হল যুগান্তকারী টাটা কারখানার কাজ। টাই পরা কর্পোরেট জেন্টলমেনদেরকে ঝাঁটা ও জুতো নিয়ে তাড়া করল বিক্ষুব্ধ কৃষককুল। তৎপরবর্তী দুইবছরে কড়ক্কড় বাজ পড়িল, কুকুর-বিড়াল বৃষ্টি হইল, বঙ্গের ভাগ্যাকাশে লোডশেডিং হল, একযোগে শুরু হল শিল্পবিপ্লব এবং কৃষকবিদ্রোহ। কৃষি থেকে শিল্প হল, টিভিচ্যানেল ফুলে কলাগাছ হল, রাজায়-রাজায় জোরদার পাঞ্জা লড়াই শেষে ঘুড়ি উড়ল বাঙালিটোলায়, বেড়াবেড়ি-বাজেমেলিয়া-গোপালনগর-ছআনি-রতনপুর ইত্যাদি অশ্রুতপূর্ব বিচিত্র নামে ভরে গেল জগৎ চরাচর, চ্যানেলে চ্যানেলে দেখা গেল লাল-নীল ন্যানো গাড়ি আর বেচারাম মান্নার মুখ। কলকাত্তাইয়া আঁতেলদের মতে, এই হল সিঙ্গুরের ইতিহাসের সূচনাবিন্দু। বিগ ব্যাং। প্রথম আদি তব সৃষ্টি। ইহার পূর্বে ছিল অন্ধকার। মধ্যযুগ। অবাঙ্‌মনসগোচর ইতিহাসহীনতা। ব্ল্যাকহোল ও সিঙ্গুলারিটি। এইসব।পরিষ্কার বলে রাখা ভালো, এসব মূলত কলকাত্তাইয়া আঁতেলদের কনফিউশন। যাঁরা সমাজবিজ্ঞানী ও বিদেশফেরত, টিভিতে মুখ দেখান ও একে অপরের সঙ্গে ঝাড়পিট করেন, কলেজে ও ইউনিভার্সিটিতে দেদার লেকচার দেন, কিন্তু ইতিহাসের কিস্যু জানেননা তাঁরাই এই কনফিউশনের জনক। এই মেনলি নিজভূমে-পরবাসী স্পিসিসের জন্য ঝট করে জানিয়ে দেওয়া যাক, যে, ওসব শহুরে গুজবের এই লেখায় কোনো জায়গা নেই। ওসব আতুপুতু আদিখ্যেতা জানতে হলে খবরের কাগজ পড়ুন গে। এদিকে আসবেননা। এ হল লিমিটেড এডিশন ঠাকুরমার ঝুলি, বিশুদ্ধ ন্যানোপুরাণ, সিঙ্গুরবাসীদের জন্য লিখিত সিঙ্গুরবাসী বরদাচরণ রচিত সিঙ্গুরের ভূমিপুত্রের ইতিহাস, এ খাঁটি দিশি মাল টাগরায় জোর থাকলে তবেই খাওয়া যাবে। শারদীয়া প্রতিদিনে প্রকাশিত উপন্যাস।

    ২০১৬ – গুরুর চটি

    (৩৪) ওই মণিময়, তার কাহিনি – রবিশংকর বল

    "ভয়াবহ ভালো লেখা। একমাত্র মেটাফার পেঁজা তুলোর মতন উড়ন্ত – ভাসমান – তবু স্বাধীন নয় – নিজে উড়তে পারে না – তবু মনে হয় নিজেই উড়ছে – আসলে নিজে উড়তে পারে না – হাওয়ায় ওড়ায় " – সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়।এমনি এমনিই তো কেউ দেখে ফেলতে পারে গাছের পাতার উল্টোদিক। কোনো না কোনো ভাবে। বহুকাল ধরে পড়ে থাকা অনড় পাথরের বুকে মাথা রেখে শুয়ে শুনে ফেলতেও তো পারে ইতিহাসের শতশতশতজলঝর্ণার ধ্বনি। সেখান থেকে কলরোল হৃৎবদলও তো হয়ে যেতে পারে। তেমন স্রোতের থেকে নিঃসৃত শব্দসমাহার একটি চরিত্রের কারণও তো হয়ে উঠতেই পারে। কিংবা ফলাফল। অথবা বহমানতা। এই সবই হয়ে ওঠে। হয়ে উঠছে, এই বিন্যাসটিতে।

    (৩৩) অ(ন)ন্য মহীন (১) – সংকলন

    ‘আমি আবার কাঁদব হাসব, এই জীবন জোয়ারে ভাসব, ... ঝড়ের কাছে রেখে গেলাম আমার ঠিকানা’ – সলিলীয় এই গানটি, বাণীর দিক থেকে প্রায় যেন একই রকম কথা বলে। কিন্তু ভাব ও সুরে সলিলের এই গানে আছে তীব্র রোমান্টিক উদ্দীপনা, আর মহীনের ‘ফিরে আসব’তে সেই উদ্দীপনার জায়গা নেয় নিখাদ বিষণ্ণতা। এই বিষণ্ণতাই মহীন এবং সলিল চৌধুরির মধ্যের ছেদবিন্দু। এখানে দাঁড়িয়ে, ঠিক যেভাবে প্রায় একই কথা একদা সলিল নিজেই বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথকে, মহীন এবং তার পিতৃপুরুষ গৌতম চট্টোপাধ্যায় যেন সেই সুরেই সলিল চৌধুরিকে বলছেন, তুম আমার পিতা, কিন্তু আমার পথ এবার আলাদা হল। কারণ আমার অন্ধকারের রঙও বদলে গেছে, আমার মধ্যে ঢুকে গেছে এই জীবনানন্দীয় বিষণ্ণতা। এখানে দাঁড়িয়েই জীবনানন্দ পরবর্তী সময়ে কাব্যের মধ্যে যে সুর, সেই সুর গানের মধ্যে ঢুকছে, তার কথার মধ্যে ঢুকছে। এর মধ্যে চিরন্তন ভালোবাসা, চিরন্তন বিচ্ছেদের সমস্ত দুঃখগুলো আছে, কিন্তু সেটা আর শুধু সাদা-কালোর দুঃখ নয়, এর মধ্যে আরও রং, অনেক শেড ঢুকে গেছে। এই উপচে পড়া বিষণ্ণতাই সেই জিনিয়াসের চিহ্ন, যার নাম মহীন।' - দেবজ্যোতি মিশ্র

    (৩২) আশালতা – অমর মিত্র 

    এই বইয়ে আছে ১৯৮৪র কুলছুমের হাত। ওই সময়ে লেখা বছিরদ্দি ভূমি ধরিতে যায়, আর একটু পরের নদী ভূমি .....জমি নিয়ে বাঁচা মানুষের ইতিবৃত্ত। কুলছুম একটি বালিকা। তার বাবা ক্ষেত মজুর। কুলছুমের হাত ভাত না পেয়ে রেগে অগ্নিশর্মা বাবার মুখ চেপে ধরে তালাক উচচারণের মুহুর্তে। আশ্চর্য মানুষ আর জনজীবনের কথা এই বইয়ের সব গল্পে।

    (৩১) মহেঞ্জোদারো – সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    "সময়টাই ভুলভাল। স্বাধীনতা সংগ্রাম, হাংরি, ভিয়েতনাম, নকশালবাড়ি, পথের পাঁচালি, বার্লিন ওয়াল, তিয়েন-আন-মেন স্কোয়্যার, এমনকি ইন্টারনেট অব্দি সব শেষ। এখন শুধু খুঁটে খাওয়া। পেডিগ্রি ছাড়া আর কিছু হবার নেই। আমি সেখানেও গোল্লা। থাকি কেষ্টপুরে। ফিল্ম ইনস্টিউটের গণ্ডি মাড়াইনি, জেএনইউ চোখে দেখিনি, ইপিডাব্লু আমার কোনো প্রবন্ধ ছাপেনি। বন্ধুবান্ধবরাই পাত্তা দেয়না তো বাইরের লোক। সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একবার এক ট্যাক্সিতে উঠেছিলাম। আর পাঁচ বছর বয়সে একবার জ্যোতি বসুর কোলে বসে ছবি তুলেছিলাম। ব্যস। পেডিগ্রি বলতে এই। কিন্তু সে ছবির নিচেও লিখে না দিলে আমাকে আমি বলে চেনা যাবে না।"
    বিধিসম্মত সতর্কীকরণঃ এ কাহিনির সব ঘটনাই কাল্পনিক, কারণ, আয়নার মধ্যে কোনো জ্যান্ত মানুষ থাকেনা, আর মৃতের শহরে বেঁচে থাকে শুধু প্রত্নতত্ত্ব।

    ২০১৫ – গুরুর নতুন চটি

    (৩০) অবান্তর পাঠশালা – অনুবাদ: জয়া মিত্র

    সত্তরের দশকে যখন সামাজিক ন্যায়ের দাবীতে উত্তাল আমাদের দেশ, তখন ওই একই দাবীতে একই রকম ঝড় আছড়ে পড়ছে লাতিন আমেরিকার আর্জেন্টিনায়। হাজার তিরিশেক তরুণ-তরুণী 'নিখোঁজ' হয়েছিলেন ওই দেশে, নানারকম বন্দীশালায়। সেরকমই এক গোপন বন্দীশালার বিবরণ 'দা লিটল স্কুল'। লিখেছেন সেই নরকের এক অধিবাসিনী। যেন অন্য ভাষার আরেক হন্যমান, যা অনুবাদ করেছেন জয়া মিত্র।

    (২৯) নখদন্ত – মলয় রায়চৌধুরী

    খুঁজে পাওয়া পুরোনো ডাইরির পাতায় তিনটি সমান্তরাল জবানিতে লিপিত হচ্ছে এই আখ্যান। ভারি বিক্ষিপ্তভাবে তার কিছু লেখা, খানিকটা যাত্রার বিবেকের মতন এসে পড়ছে বাকি ঘটনা পরম্পরার মধ্যে। ঘটনাক্রম মূলতঃ রতিক্রিয়াময়। এবং ক্রমশঃ দিয়েই শরীরী উচ্চারণ থেকে মননশীলতায় এসে পড়ছে এই আখ্যান, এবং আশ্চর্যভাবে হয়ে উঠছে সমসময়ের বিশ্বরাজনীতির কমেন্টারি।

    (২৮) মিছিলে বাদল সরকার – অদ্রীশ বিশ্বাস

    এই সাক্ষাৎকার মূলত তাঁর দেশবিদেশে খ্যাতি অর্জনকারী নন-প্রসেনিয়াম থিয়েটার নিয়ে। অনেকে সহজ করে বলেন “থার্ড থিয়েটার”, উনি বলেন “অঙ্গনমঞ্চ”। সেই অঙ্গনমঞ্চ নিয়েই এই সাক্ষাৎকার। যার গুরুত্ব কখনওই দিইনি আমরা।এটাই একমাত্র সাক্ষাৎকার, যেটায় কেবলমাত্র অঙ্গনমঞ্চ ও তার পশ্চাদপট, ভাবনার গড়ে ওঠা, রাজনীতি ও রাজনীতির ফাঁদে-পড়া নাটক ও স্বয়ং বাদল সরকার।

    (২৭) অপ্রকাশিত মরিচঝাঁপি – সম্পাদনা: তুষার ভট্টাচার্য

    কেবল একটি দ্বীপের নাম মাত্র নয়, মরিঝঝাঁপি প্রাণ ও অধিকার হত্যার একটি নিকৃষ্টতম উদাহরণ। মরিচঝাঁপি মানে নিরন্ন, অনিকেত মানুষের নতুন করে গড়ে তোলার লড়াই। মরিচঝাঁপি মানে প্রকৃতি ও রাষ্ট্র, এই দুই প্রবলতম প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। মরিচঝাঁপি মানে আক্রান্ত মানুষের জন্য বৃহত্তর জনসমাজের বরাদ্দ হওয়া নির্বিকার নীরবতা। এইসব টুকরোটাকরা, নীরবতার ইতিহাস, লড়াই ও পরাজয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েই এই বই। এর নাম 'অপ্রকাশিত মরিচঝাঁপি', কারণ, মরিচঝাঁপির সম্পূর্ণ ইতিহাস এখনও অপ্রকাশিতই।

    ২০১৪ – প্রকাশিত নয়টি চটি

    (২৬) অসুখ সারান – ঈপ্সিতা পালভৌমিক

    সমকামিতা সারুক বা না সারুক, সঙ্গে রাখুন এই হ্যান্ডবুকটি। স্কেপটিক্যালদের কথাকে গুলি মেরে পড়তে থাকুন আমাদের সাজেশনাবলী, সঙ্গে থাকুন একদম শেষ অব্দি।

    (২৫) অরূপ তোমার এঁটোকাঁটা – মলয় রায়চৌধুরি

    কাশী থেকে কলকাতা, বৈষ্ণবের খঞ্জনি থেকে জিমি হেনড্রিক্স। কেকাবউদি থেকে স্বর্ণকেশী ম্যাডলিন। এ এক অন্য আকাশে উড়ান, যা চেনা হলেও দূরবর্তী। কাল্পনিক হলেও বাস্তব।
    পিডিএফ ই-বই : https://payhip.com/b/0jAp

    (২৪) খেরোবাসনা – সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    শুনে কাইন্ডলি আঁতকে উঠবেন না, যে, মোটে ২০১০ সালে জন্ম হলেও এই আধাখেঁচড়া কাহানিটি আদতে সেই মেগা উপন্যাসেরই সহোদর, যার নাম কারুবাসনা...

    (২৩) অন্য যৌনতা – সংকলন

    পুরুষ এবং নারীর একমাত্রিক যৌন আখ্যানের আড়ালে অজস্র দৃশ্যের জন্ম হয়। জন্ম হয় পাওয়া, অপ্রাপ্তি,নিঃসঙ্গতা এবং বেদনার। "আমার যৌনতা"র এই দ্বিতীয় সংস্করণে আরও বড়ো আকারে নিজেদের এসব অভিজ্ঞতা, অনুভূতির কথা লিখেছেন এইসব মানুষরা, যাঁরা "স্ট্রেট" নন।

    (২২) প্রসঙ্গ ধর্ষণ – সংকলন

    অধিক বিবরণ নিষ্প্রয়োজন। ধর্ষিতা এবং ধর্ষিতদের (হ্যাঁ, পুরুষদেরও ধর্ষণ হয়), নিজস্ব উপলব্ধি, আর আরো কিছু অন্যান্য টুকরো-টাকরার সংকলন রইল এখানে।

    (২১) বাংলা কাব্যগীতির অন্য ধারা – সংকলন

    সোপা থেকে নগর ফিলোমেল। সলিল চৌধুরি থেকে প্রতুল মুখোপাধ্যায়। রঞ্জন প্রসাদ থেকে নাগরিক। এ হল কাব্যগীতির অন্যধারা। বাংলা গানের নতুন বাড়ি, যা শুধু ফুল ফল ও পাতা নয়। এ হল বাংলাগানের নতুন ঘরকন্না, নতুন এক ময়মনসিংহ গীতিকার ইতিবৃত্ত। 

    (২০) আমার কারাবাস শাহবাগ এবং অন্যান্য – আসিফ মহিউদ্দীন

    ফ্যাসিবাদ নয়, জরুরী অবস্থা নয়। ইতালি না, মধ্যপ্রাচ্য না। আন্তোনিও গ্রামশি নয়, নাজিম হিকমত নয়। জেলবন্দী ছিলেন আমাদের পাশের বাড়ির কজন। স্রেফ নাস্তিকতার "অপরাধ"এ। পড়ুন একবিংশ শতাব্দীর জেলখানার চিঠি।

    (১৯) বর্ণসংকর – বিপুল দাস

    গল্পের মরে যাওয়া নদীর বাঁকে এক পঙ্গু রমণী হুইল চেয়ারে বসে - হাতে আশ্চর্য পুষ্পমঞ্জরী- প্রখর রোদে শুকিয়ে যায়, ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে অথবা রোদ মেদুরে নতুন মঞ্জরী ফুটে ওঠে। কথার ঢালে পাহাড় নাচে, ঢেউ ভাঙ্গে দ্বিধা। ক্যামেরা যার হদিশ পায় না।

    (১৮) বঙ্গমঙ্গল – প্রকল্প ভট্টাচার্য

    সমবেত হাসি যেমন হররা হয়ে ওঠে, ছড়াও তেমন কখনও কখনও হয়ে উঠতে পারে ছররা । যদি তাক ঠিক থাকে, তাহলে বাঘ-সিংহ না হোক, তাতে দুচারটে পাখিপাখালি মারা যায় অনায়াসে । আর ঠিকঠাক তাক করে মারার কায়দাকে প্রকল্পের ছড়া না বলে তাকে আমরা বলতে পারি ছড়ার প্রকল্প, তাক প্র্যাকটিস করতে হলে যাতে অংশগ্রহণ করতেই হবে ।
    ২০১৩ – সাতখানি চটি

    (১৭) অলৌকিক প্রেম ও নৃশংস হত্যার রহস্যোপন্যাস – মলয় রায়চৌধুরী 

    হাংরি বা অ্যাংরি নয়, লেখক চেয়েছিলেন, একটি রঙচঙে বটতলার বই। আকৃতিতে ডিটেকটিভ ও প্রকৃতিতে অন্তর্ঘাতী। বটতলার বিকল্প চটি ছাড়া আর কীইবা হতে পারে।

    (১৬) অন্য মহীন অন্য ধারার গান – তাপস দাস (বাপি), কল্লোল, রঞ্জনপ্রসাদ

    ভাঙা আয়নাতেও তো কিছু ছবি আসে। শান্ত পুকুরে ঢিল ছুঁড়লে তৈরি হয় ভাঙাচোরা ছবির কোলাজ। এই টুকরো সংকলনে মহীনের ঘোড়াগুলি এবং/অথবা অন্যধারার গানের অন্য কোনো ভাঙাচোরা ছবি ভেসে উঠলেও উঠতে পারে।  

    (১৫) খান্ডবদাহন – সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় 

    সবার উপরে, এ সেই ব্যক্তি-লেখকের ব্যক্তিগত আখ্যান, যে কিছুটা বিপ্লবী খানিকটা ক্রিকেট-বিশেষজ্ঞ, সামান্য শিশু ও বাকিটা কালাপাহাড়, স্লাইট আমেরিকান। প্রচুর আজগুবি জিনিস থাকলেও এখানে মিথ্যে কথা প্রায় নেই বললেই চলে। এই কাহিনির নায়ক নিরোও এই কাহিনীর কথক তাই পৃথক কিন্তু অভিন্ন।  

    (১৪) কাঠপাতার ঘর – কুলদা রায়

    ডায়াস্পোরিক লেখালেখি বিষয়ে সলমন রুশদি এক জায়গায় বলেছিলেন – সীমান্ত পেরিয়ে আসা নতুন সমাজে আমাদের মনে হয় আমরা বুঝি দ্বৈত ভুবনের বাসিন্দা। কুলদা রায়ের লেখায় সেই যন্ত্রণা এসেছে একদম অন্য ভাবে।  

    (১৩) পেলেকার লুঙ্গী – আনোয়ার শাহাদাত 

    এখানে জোয়ার আসে। ভাটা আসে। ধানের গর্ভ হয়। টিয়া পক্ষী আসে। আর কলসকাঠীর হাটে পেলেকার্ড লুঙ্গীর আলাপ ওঠে। এই পেলেকার্ড লুঙ্গী পরে ঈদ্গাহে যাবে কলম ফরাজী। 

    (১২) মহাভারত – শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ 

    এমন দেশ গোটা পৃথিবীতে আর একটিও নেই যেখানে মহাকাব্যের চরিত্ররা দেবতা হয়েছে, অগণিত জনস্রোতের জীবন-মৃত্যুর অধীশ্বর থেকেছে আজকের সময় অব্দিও। এমন মহাকব্যিক প্রভাব এই পৃথিবীতে কোনো দেশের, কোনো জাতির জীবনে নেই। 

    (১১) কোনো এক – শ্রাবণী 

    কোন বিশেষ একটি গল্প বলার উদ্দেশ্যে এ লেখা শুরু হয়নি, তবু কখন যেন গাঁয়ের কথার বিনিসুতোর মালা গাঁথা হয়ে কাহিনির রূপ ধরেছে। এক একটি চরিত্র সে মালার একটি পুঁতি বা ফুল যাই হোক না কেন, পাশাপাশি থেকেও প্রত্যেকে এরা স্বতন্ত্র ... কোন হারিয়ে যাওয়া জীবনের চিরচেনা লোকজন সব ... পশ্চিমবাংলার একদা সাধারণ, মাটির কাছের মানুষজনের সাধারণ গল্প। 

    ২০১২ নতুন চটি – আরও তিন পাটি
    (১০) কারাগার বধ্যভূমি ও স্মৃতিকথকতা – কল্লোল

    স্মৃতি। তার প্রতিবারের বয়ান সামান্য বদলে বদলে যায়। ঠিক ঠিক অমনটাই যে ঘটেছিলো তা হয়তো আজ আর বলা যাবে না, কিন্তু ঘটতেও পারতো কিংবা সংগোপনে ইচ্ছে ছিলো অমনটাই ঘটুক। বা হয়তো সেটা আদৌ স্মৃতিচারণ নয় -স্মৃতিকথকতা। তথ্য নয়, তত্ত্ব নয়, বিগত সত্তরের দশকের স্মৃতিকথকতা ধরা রইল এই দুই মলাটের মধ্যে।

    (৯) আমার উন্মন বাদ্যকর – ইন্দ্রনীল ঘোষদস্তিদার

    গল্প নয়, আখ্যান। আখ্যান নয়, উপকথা। উপকথাও নয়, আসলে এ এক ধোঁয়া-ঢাকা দ্বীপ, যেখানে আজও কোনো অভিযাত্রীর পা পড়েনি। যাঁরা কুয়াশা-ঘেরা বন্দর ভালোবাসেন, ভালোবাসেন ধাবমান অশ্বের সাবলীল ছন্দ, এই অলৌকিক নাগরিক উপকথাগুলি তাঁদের এক ভিন গ্রহে সেই নতুন দ্বীপের সন্ধান দেবে।

    (৮) শিন্টু ধর্মাবলম্বী রাজা সবুজ ভদ্রমহিলা এবং একজন অভদ্র সামুকামী – আবু মুস্তাফিজ

    লেখক বাংলাদেশের। আমরা প্রথমবার প্রকাশ করছি পশ্চিম পার থেকে। নামে সায়েন্স ফিকশান থাকলেও আদতে এটি কোনো সায়েন্স ফিকশনই নয়। তবে ফিকশন কীভাবে বাস্তবতা হয়ে ওঠে, বাস্তবতা কেমন করে হয়ে ওঠে প্রাকৃতিক, আর দুই বাংলা ঠিক কোনখানে জুড়ে যায়, সে রহস্য জানতে গেলে আপনাকে এই বই পড়তেই হবে।


    ২০১১র চটি – আরও দুই জোড়া

    (৭) আমার যৌনতা – সংকলন

    পুরুষ মাত্রেই নারীকে কামনা করেনা। বা নারী মাত্রেই পুরুষকে। পুরুষ এবং নারীর একমাত্রিক যৌন আখ্যানের আড়ালে অজস্র দৃশ্যের জন্ম হয়। জন্ম হয়, চাওয়া, পাওয়া, অপ্রাপ্তি, আঘাত, নিঃসঙ্গতা এবং বেদনার। সেসব নিয়ে কোনো মহৎ উপন্যাস রচিত হয়না। নির্মিত হয়না কোনো প্রেমগাথা। এসব দৃশ্যের কিয়দংশ রইল এই বইয়ে। নিজেদের অভিজ্ঞতা, অনুভূতির কথা সোজাসুজি লিখেছেন এইসব মানুষরা, যাঁরা "স্ট্রেট" নন। মিডিয়াব্যাপী পুরুষ এবং নারীর একমাত্রিক যৌন আখ্যানের ধামাকার পাশাপাশি এই লেখা গুলিও থাক না।

    (৬) বন্দরের সান্ধ্যভাষা – সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় 

    ডিসিপ্লিনারি পাওয়ারের থাবার বাইরে, পশ্চিমের সর্বব্যাপী মসৃণ ক্ষমতার ডিসকোর্সের বাইরে, কিছু খুঁত থেকেই যায়। পশ্চিম থেকে পুবে, বন্দর থেকে বন্দরে, মসৃণ চলাচলের মধ্যে থেকে যায় এক ধূসর ও বিস্তীর্ণ জলরাশি। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে বন্দর-শহর জুড়ে শোনা যায় পাখিদের আর্তনাদ। এই সেই সান্ধ্যভাষা, যার প্রত্নতাত্বিক খননে পাওয়া যেতে পারে চিকচিকে অভ্র ও মেটেরঙ তামা, দ্বীপান্তরের বেদনা, শিল্পবিপ্লবের রহস্য। এই বইটি সেই সম্ভাব্য খননেরই উপক্রমণিকা।

    (৫) লা জবাব দিল্লি – শমীক মুখোপাধ্যায়

    এ বই কোনো গল্পের বই নয়, কাহিনির জালও বোনা নেই এখানে। নিতান্তই রোজকার পথ চলার ফাঁকে ফাঁকে একটা শহরকে যে ভাবে চিনে নেওয়া যায়, সেই চেনবার প্রচেষ্টাই করা হয়েছে এর প্রতিটা পর্বে। ভালো-মন্দ মিশিয়ে দিল্লি আর তার আশেপাশের উপনগরী, নয়ডা গাজিয়াবাদ গুরগাঁও ফরিদাবাদ ইত্যাদির বিভিন্ন অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন ঘটনাবলী, আড্ডার ছলে জড়ো করে দেওয়া এখানে। যাঁরা তেমন চেনেন না দিল্লিকে, তাঁদের জন্যে তো বটেই, যাঁরা চেনেন, থাকেন এই শহরে, তাঁদের জন্যেও আমার তরফে রইল এই ছোট্ট উপহার।

    (৪) ঘেন্না পিত্তি – সোমনাথ রায় 

    ওইটুকুই তো প্রতিশোধ নিতে পারিউষ্ণীষে তোর ছুঁইয়ে আসবো ঘেন্নার তরবারি ।বীতরাগ হওয়া সভ্যতা ভুলে সমবেত পথচারী ভারি উল্লাসে জ্বালিয়ে ফেলবে মানুষের ঘরবাড়ি,রূপের চাঙারি, শস্যের গাড়ি, ...পেয়ারিয়া শুকসারি-               ওইটা কিন্তু ...পারি।


    ২০১০ এর ফাটাফাটি তিনপাটি চটি

    (৩) হাম্বা – সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    আমরা পন্ডিতদের সম্মান করি, আঁতেলদের ভয় পাই, পুলিশকে স্যার বলি, ঝাঁকড়াচুলো ব্যান্ডবাদক আর ক্যাটখুকিদের ফাটবাজি দেখে কুঁকড়ে যাই। আমরা লেখালিখি বলতে মাস্টারের নোটবই বুঝি, আইন বলতে পুলিশের ধাতানি। আমরা উড়ালপুলকে উন্নয়ন বলি, মার্কসবাদকে প্রগতি। আঁতলামি বলতে গোদার বুঝি আর (সুইট ইংলিশে) হাউ-আর-ইউ-ডুয়িং বলাকে স্মার্টনেস। আমাদের যাপন মানে চর্বিত চর্বণ। জীবন মানে মেগা-সিরিয়াল। পরিশীলন মানে গরু রচনা।এই পরিশীলন নামক গরু রচনার বিরুদ্ধে গরুদের এক নিজস্ব বিদ্রোহের বুলি হল হাম্বা। হাম্বা একই সঙ্গে নিপীড়িতজনের দীর্ঘশ্বাস এবং হৃদয়হীন জগতের হৃদয়। একই সঙ্গে অভব্যতা ও আকাটপনা। হাম্বা বিদ্রোহের এক গোপন কোড। আত্মাহীন অবস্থার আত্মা, জনতার আফিম। গরু রচনা আমাদের ভবিতব্য হলেও হাম্বাই আমাদের ভিত্তি। হাম্বা সর্বশক্তিমান, কারণ ইহা হাম্বা।

    (২) আমার সত্তর – দীপ্তেন

    ...না, দোষ দেই না কাউকেই। আমি নিজেই তো বালিতে মুখ গুঁজে। তবে সংস্কৃতির জগতে যারা খুব মন দিয়ে ঐ ইমেজগুলো ছড়াচ্ছিলেন তারাও ব্যবসায়ী। তাদের কবিতা,গান,নাটক এই সবের সাথে নোংরা পাজামা,কানে গোঁজা বিড়ি,অবিন্যস্ত চুল, সোনাগাছিতে উন্মত্ততা, মাদ্যিক কাল্ট - এরাও পণ্য। এমারজেন্সীর এক গুঁতো এদের সবাইকে ল্যাংটো করে দিয়েছিলো । মুখ গোঁজার জন্য অত বড় মরুভুমি আর ছিলো না...ডান থেকে বাম, টিভি বিতর্ক থেকে দেয়াল লিখন, সকলেরই আছে নিজস্ব সত্তর। এই সত্তরটি লেখকের নিজস্ব।

    (১) আলোচাল – সুমন মান্না

    কাঁচের গেলাস শব্দ করেনা – ভেঙে দিলে আওয়াজ হয় – টুংটাং বাজালে হয় ধ্বনি। সেই গেলাসকে উল্টোনো চশমায় দেখে বা না দেখে অনুভব করলে তবে না শব্দ হবে। শব্দই কথা বলে সে শুনি বা না শুনি – বাকি সবকিছু পারিনা এড়াতে – শুনে যেতে হয় বা হবে। জিভ তো একটাই সবার – সেই লকলক করে ওঠে, আর কখনো বা হাঁফাতে থাকে স্বেদগ্রন্থি আলগা করে। তোমাকে বলা কথাগুলো ওর, না বলাগুলো আমার – সেগুলো বলতে গিয়ে জিভ বেরিয়ে যায় – মাক্কালী!!

  • পাতা : 1
  • commentগুরুচন্ডালি | 24.139.209.3 (*) | ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৪:২৬90700
  • ধরা যাক আরো কয়েকটি চটি এবার ..
  • commentখালি পা | 55.123.15.197 (*) | ০১ জানুয়ারি ২০১৬ ১০:০৬90701
  • কই দিদি মাল ছাড়ুন ।
  • comment | 233.191.47.184 (*) | ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৫:৫৭90702
  • বাহ এটা নিয়মিত আপোডেটেড থাকছে।
  • commentবিপ্লব রহমান | 192.16.158.129 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:০৫90703
  • চটিতে চটিও না!
  • commentবিপ্লব রহমান | 55.251.228.212 (*) | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০১:৪৭90704
  • পুনশ্চ: ভাবতে ভাল লাগছে, গুরুর নতুন- পুরনো মিলিয়ে ডজন খানেক চটি এখন ঘর আলো করে আছে।

    যে সব চটির মূদ্রিত সংখ্যা আর নেই, সেসব চটি গুরুতে ই-বুক আকারে প্রকাশের দাবি জানাই।

    পুরনো চটি পড়তে আরাম!
  • commentসৌমেন ভট্টাচার্য | 113.218.238.233 (*) | ২৯ মার্চ ২০১৮ ০৬:১১90705
  • গুরুচন্ডালি কি অণুগল্প ছাপানোয় আগ্রহী, অবশ্যই মনোনীত হলে?
  • commentজনৈকা | 149.5.231.229 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৫:৩৯90706
  • 'বস্টনে বংগে' র ছদ্মনামে ছাপাতে হল কেন?

    তার ওপর সেটা রিলিজ হবার দুবছর বাদে আবার রিলিজের জন্যে নবনীতা দেবসেনকে নিয়ে টানাটানি করা হল! লেখককে না চিনে টিনে উনি বইটা প্রকাশ করবেন?
  • commentrabaahuta | 132.167.138.84 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৫:৪৭90707
  • সে তো নবনীতা দেবসেন বুঝবেন, আপনার কি? (নবনীতা দেবসেনকে নিয়ে টানাটানির কেসটা কি? জানিনা তো। পাবলিক পোস্ট কিছু ছিল নাকি এই নিয়ে? নাকি ইনসাইডার ইনফর্মেশন?)

    ছদ্মনামে আপত্তিটাই বা কি? কত কারনেই লোকে ছদ্মনামে লেখে। এই সামান্য কথাটুকু লিখতে গিয়ে আপনি নিজেও তো পরিচয় দেননি।
  • commentজনৈকা | 149.5.231.229 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৫:৫৬90708
  • তিনি আমার প্রাক্তন শিক্ষিকা। তিনি আমার কাছ থেকেই বিশদে জানতে চেয়েছেন। শুধু তিনি নয়, তার কন্যাও।

    তার ওপর তাঁকে ভুল তথ্য দিয়ে বইমেলার নাম করে অন্য একটা অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। উনি ব্যাপারটায় খুব বিরক্ত।

    ছদ্মনামে আর আসল নামে লেখক/ লেখিকার সম্যক পরিচয় না জেনে কেউ বইপ্রকাশ করেনা।
  • commentrabaahuta | 132.167.138.84 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৫:৫৯90709
  • ওহ আচ্ছা।
    তিনি আপনাকে গুরুর পরিচিত হিসেবে জানেন তাহলে।
  • commentrabaahuta | 132.167.138.84 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৬:০১90710
  • গুরুচন্ডা৯র প্রতিনিধি হিসেবে কেউ যদি তাঁর সঙ্গে দেখা করে থাকে, তখন নিশ্চয় সেই প্রসঙ্গ উঠেছিল?

    যাগ্গে।
  • commentসিকি | 158.168.40.123 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৬:০৩90711
  • সর্ষেদানায় ইচ্ছেডানায় বইটাও লেখক ছদমোনামে ছাপিয়েছেন।
  • commentrabaahuta | 132.167.138.84 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৬:১২90712
  • ছদ্মনামে লেখাটা ফ্যাক্টর নয়, জনৈকা বলছেন বই প্রকাশ যে করবেন তাঁর জন্যে লেখকের নাম জানাটা প্রিরিকুইজিট (হতে পারে)।

    তা, সেতা হতেই পারে, এতে আপত্তির কিছুই নেই, আমন্ত্রিত প্রকাশকের নিজের শর্ত তো অব্শ্যই থাকবে। সেটা নিয়ে নিশ্চয় কথা হয়েইছে, গুরুচণ্ডা৯ ও নবনীতা দেবসেনের, এবং তাতে সম্মতি অসম্মতি কিছু একটা হয়েছে, এবং সেটা ব্যক্তিগত আলাপচারিতা/ সাক্ষাতে।
    এখন হঠাৎ সেটা নিয়ে 'ছদ্মনাম'এ পাবলিক পোস্ট দেখে, গুরুচণ্ডা৯র শুভানুধ্যায়ী হিসেবে, একটু অস্বস্তি হচ্ছে আরকি। এই পোস্টের কি উদ্দেশ্য, মানে এর থেকে ঠিক কি হবে, সেসব ভাবছি।

    যদি এটা গুরুর প্রতি পরামর্শ হয়, যে প্রকাশককে লেখকের আসল নাম জানানো উচিত ... হতেই পারে, কি জানি।
  • commentজনৈক | 135.19.13.50 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৮:১২90715
  • নবনীতা দেবসেন কি জনৈকাকে ছদ্মনামে এসব জিজ্ঞাসা করতে বলেছেন? উনি কি জানাজানির এমত চেষ্টা সম্বন্ধে অবহিত?

    আমায় জনৈক পুলিসকর্তা এ নিয়ে জিজ্ঞাসবাদ করতে বললেন।
  • commentরৌহিন | 116.203.167.175 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:১২90716
  • জনৈকার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করছি - তবে ফেক আই ডি কে সবটা ব্যখ্যা দেবার দায়ও বোধ করছি না। উপরন্তু ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় একজন সম্মানীয় মানুষের সাথে কী কথা হয়েছে তা বিনা অনুমতিতে পাবলিকলি বলাও সঠিক মনে করি না। ধন্যবাদ
  • commentMousam Nandi | 57.11.80.111 (*) | ১০ মে ২০১৮ ০৬:১৪90717
  • মৌসম নন্দী
  • commentKutkachali Guru | 232312.166.123412.185 (*) | ১৬ জুন ২০১৮ ০৮:৪৮90718
  • গুরুচণ্ডা৯ থেকে প্রকাশিত দুটি বই নিয়ে আয়োজিত একটি আলোচনা সভাঃ

    আলোচ্য বই
    -------------
    কাশ্মীরঃ রাজনৈতিক অস্থিরতা, গণতন্ত্র ও জনমত
    লেখক - মিঠুন ভৌমিক
    আলোচনা করবেন - সিদ্ধার্থ গুহ রায় এবং বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত

    এবং

    তক্কোগুলি, চরিতাবলী ও আখ্যানসমূহ
    লেখক - কল্লোল
    আলোচনা করবেন - সলিল বিশ্বাস এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়
    -------------------
    দুটি বইয়েরই লেখক উপস্থিত থাকবেন আলাপচারিতা ও আলোচনার জন্যে।
    ------------------
    কবে কোথায়
    --------------
    ১৭ই জুন, ২০১৮, রবিবার সন্ধ্যা ছ'টা।
    আরশি, ১৮ জনক রোড, কলকাতা।

    লেক মলের পশ্চিমে জনক রোড, যেখানে বিখ্যাত রাধুবাবুর চায়ের দোকান, সেই দোকান ছড়িয়ে এক মিনিট হাঁটলেই ডানদিকে আরশি।

    প্রবেশ অবাধ।
  • commentবিপ্লব রহমান | 340112.231.126712.74 (*) | ২০ জুন ২০১৮ ০২:৫৮90719
  • কূটকাচা৯ গুরু,

    এই আলোচনাগুলো রেকর্ডবন্দী করে পরে লিখিত আকারে (অবশ্যই ঈষৎ সম্পাদনাসহ, সম্ভব হলে এতে দু-একটি ভিডিও ক্লিপ যোগ করে) গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশ করা যায়?

    তাহলে যারা এসবে অংশ নিতে অপরাগ তারা উপকৃত হতেন। অনুগ্রহ করে ভেবে দেখবেন।
  • commentবিপ্লব রহমান | 342312.108.454523.50 (*) | ২৯ জুন ২০১৮ ০৩:৪৫90720
  • "কারাগার বধ্যভূমি ও স্মৃতিকথকতা " এই বই ঢাকায় আসেনি।

    কি ভাবে যে পাই? দেখি "বিদিত" এর মিন্টু দা কি বলেন!
  • commentSaykat Roy | 340112.88.4523.9 (*) | ২১ নভেম্বর ২০১৮ ০৪:৩৩90721
  • অনন্য মহীন - বইটি কিনতে চাচ্ছি, ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে।
    অনুগ্রহপূর্বক সাহায্য করবেন।
    এমইলঃ সয়্কত্ভস্বতি@গ্মইল।োম

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • মহাভারতের কৃষ্ণায়ণ এবং রামের বৈষ্ণবায়ন
    (লিখছেন... কল্লোল, কল্লোল, মাহবুব লীলেন)
    বিনায়করুকুর ডায়েরি
    (লিখছেন... একলহমা , pi, বিপ্লব রহমান)
    জাগ্রত শাহিন বাগ
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, আজ সুপ্রিম কোর্টে, Anjan Banerjee)
    জনসন্ত্রাসের রাজধানী
    (লিখছেন... র, pi, রঞ্জন)
    কোকিল
    (লিখছেন... দেবাশিস ঘোষ)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • জ্বলন্ত দিল্লিঃ এক মৌলবাদী হিন্দুত্ব ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রের নরমেধ যজ্ঞ।
    (লিখছেন... Timesnow, এলেবেলে, Update)
    ফরিশতা ও মেয়েরা
    (লিখছেন... একলহমা)
    ভালোবাসার দিন
    (লিখছেন... একলহমা)
    প্রেমে পড়ার হিসেব নিকেশ
    (লিখছেন... একলহমা, প্রেমে পড়বাসে , দ্যুতি)
    গুরুর নতুন লেআউট
    (লিখছেন... বুঝভুম্বুল, বিপ্লব রহমান, বিপ্লব রহমান)
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • দিল্লি জ্বলছে : Saikat Bandyopadhyay
    (লিখছেন... দিল্লি গণহত্যা, Update, video)
    বাবাকুকুর : অভিষেক ভট্টাচার্য্য
    (লিখছেন... bah! bah!, i, দ্যুতি)
    মৃত্যুহীন প্রাণ : বিপ্লব রহমান
    (লিখছেন... প্রতিভা, একলহমা)
    কাটমানি ও সজলকান্তির গপ্প : Anjan Banerjee
    (লিখছেন... দ, একলহমা)
    ডিরাকের ফাঁকতালে নোবেল-প্রাপ্তি : ঋক্ ধর্মপাল বন্দ্যোপাধ্যায়
    (লিখছেন... b, de, রৌহিন)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত