• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • রবীন্দ্রনাথ দিচ্ছে ডাক- নরেন্দ্র মোদী নিপাত যাক

    সোমনাথ রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১০ মে ২০১৪ | ৮০৩ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • রবীন্দ্রনাথ, যতই বিশ্বনাগরিক হোন, আসলে একজন হিন্দু। হিন্দু ভাববাদ অর্থে আমরা বেদ উপনিষদ গীতা তন্ত্র মিলিয়ে যে দর্শনগুলোর কথা ভাবি, রবীন্দ্রনাথ খ্রিস্টান আলোকপ্রাপ্তি নিয়ে সেগুলোর প্রচারক। একইভাবে মূলতঃ হিন্দুত্ব দিয়েই মহাত্মা গান্ধিকেও চিনতে হয়। তা স্বত্ত্বেও এরা মোদির বিরুদ্ধে। কিন্তু কেন? বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এঁরা কি হিন্দুত্বকে ত্যাগ করলেন, নাকি বিরোধিতার কোনও গূঢ় কারণ আছে। সেইটা বোঝার জন্য হিন্দুধর্মের, ঐতিহ্যের প্রেক্ষিতে মোদিকে দ্যাখা দরকার।  মোদির হিন্দুত্ববাদ নিয়ে আমাদের অবশ্যই কোনও সংশয় নেই। তাঁর বক্তৃতাগুলো একটা মন দিয়ে শুনলেই দ্যাখা যাবে, লাইন নয়, শব্দের ফাঁকে ফাঁকে কীভাবে হিন্দুত্ব গোঁজা। অনুপ্রবেশকারী, সীমান্তের ওপারের শত্রু, শত্রুর মদতদাতা- এইসব নামে মুসলিমবিদ্বেষ ছড়ানো থেকে একটিবারও বিরত হচ্ছেন না তিনি। বিধর্মীর প্রতি এই বিদ্বেষ আমরা হিন্দু ইতিহাসে দেখেছি। শিবাজি-আনন্দমঠের অনেক আগে ভারতের মাটি দেখেছিল মীমাংসক কুমারিল ভট্টের অধীনে অযুত বৌদ্ধ হত্যা। দক্ষিণে পেরিয়ার প্রতিদিন ৬০০০ করে জৈনকে মেরে যজ্ঞে আহুতি দিতেন। এবং এর মধ্যে ধর্মের পালনই তাঁরা দেখেছেন। অনুশোচনা, ক্ষমাপ্রার্থনার কথা তাঁরা লিখে যান নি, যেরকম কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধে অক্ষৌহিণী হত্যার পরে কৃষ্ণার্জুন-যুধিষ্ঠির হত্যা নিয়ে কোনও অনুশোচনা দেখান নি। মোদিও সাম্প্রতিকতম সাক্ষাৎকারে বলেছেন, গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে তিনি ক্ষমা চাইবেন না, দেশের আইন তাঁকে দোষী প্রমাণ করতে পারলে ফাঁসি দিতে পারে। জনশ্রুতিভিন্ন কোনও ইতিহাস-সাক্ষ্য কুমারিলদেরও দোষী প্রমাণ করেনি, মোদিকেও পারবেনা সুতরাং মোদিভক্তদের চিয়ার্স। কিন্তু, মোটের ওপর ভারতের শাইনিং বর্ণহিন্দুদের কাছে বার্তা পৌঁছে গ্যালো নরেন্দ্র মোদি গুজরাট দাঙ্গার খুন-ধর্ষণ-অগ্নিসংযোগ নিয়ে বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নন। এবং ভবিষ্যতে ধর্মের আহ্বানে বিধর্মী গর্ভবতীর পেটে ত্রিশূল ঢুকিয়ে খুঁচিয়ে ভ্রূণহত্যাকে তিনি আবারও সরকারি মদত দিতে পারেন। কারণ শাস্ত্রমতে বিধর্মীরা উন্নয়নবিরোধী এবং দণ্ডনীয়। এবং চাণক্যনীতি মেনেই সেইসব ইতিহাসের নথি তিনি মুছে দেবেন এমনভাবে যাতে জনশ্রুতিকে মিথ্যা মনে হতে থাকে। উল্লেখ্য, পুরাণে শূদ্র মহাপদ্মনন্দের শাসনকাল  থেকে কলিযুগের সূত্রপাত। চাণক্যর আবির্ভাব সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি শক্তির সাহায্য নিয়ে শূদ্ররাজাকে সিংহাসনচ্যুত করে ব্রাহ্মণ্য মন্ত্রণায় আমলারাজ প্রতিষ্ঠায়।



    অর্থাৎ, ইতিহাস পুনরাবৃত্তি করে। এইখান থেকে আমাদের রবীন্দ্রনাথ গান্ধির হিন্দুত্বে ঢুকতে হবে। কিন্তু, তার আগে, মোদির আদর্শ আরেক হিন্দু নেতার কথা স্মরণ করে নিই। স্বামী বিবেকানন্দ। ব্রাহ্মণ্য ভাবধারার মধ্যে থেকে তিনিই প্রথম বলেছিলেন শূদ্ররাজত্ব প্রতিষ্ঠার কথা। বহু বিতর্কিত মন্তব্য স্বত্ত্বেও তিনি এমন এক ভারতের কথা ভেবেছিলেন যেখানে সবধর্মের মানুষ তাঁদের নিজস্ব ধর্মীয় আইডেন্টিটি নিয়ে অংশগ্রহণ করবেন। এবং, রবীন্দ্রনাথ, গান্ধির মত তিনিও ভীষণ অহিংস। অহিংসা ভিন্ন এই হিন্দুত্বের ধারাটিকে উত্থাপন করা মুশকিল। অহিংসা এখানে খুব ইম্পর্ট্যান্ট।  ভারতের ইতিহাসে অহিংসার দর্শনকে প্রথম চ্যাম্পিয়ন করান জৈনরা বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবদেরও আগে। মহাবীর বলেছিলেন অনেকান্তবাদের কথা। অনেক-অন্ত থেকে, বিভিন্ন অবস্থান থেকে একই বস্তু বা ঘটনা কে দ্যাখার কথা। এবং ঘটনাক্রম এতই বিচিত্র যে এই দ্যাখাগুলো বিভিন্ন হতে বাধ্য। ফলে একই বিষয়ের অনেক ভাষ্য তৈরি হবে। যতমত ততপথ। প্রকৃত সত্যকে (যদি আদৌ তা থেকে থাকে) বোঝার জন্য এই মত বা পথগুলির মধ্যে ডায়লগ বাঞ্ছনীয়। তার জন্য, কোনও ক্ষেত্রে ভীষণ পরস্পরবিরোধী দুটি বক্তব্যকেও আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। একটি মতের কাছে আরেকটি ঘৃণ্য, তাদের পোষকরাও, তবু তাদের প্রায় প্রেমবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে কথাবার্তা চালিয়ে যেতে হবে। কারণ প্রেম নইলে বিনিময় হয় না, আর অহিংসা না থাকলে চূড়ান্ততম বিরোধীকে সহ্য করে তার সঙ্গে কথা বলা যায় না। এখানে গান্ধির মহাভারত আর তিলকের মহাভারত আলাদা হয়ে যায়। যুদ্ধের আগের কৃষ্ণকে গান্ধি অধিকার করেন, যিনি যুদ্ধ থামাতে স্বয়ং অপমানিত হয়ে দৌত্যকর্মে যান। যুদ্ধের কৃষ্ণ, যুদ্ধের গীতা-র জন্যে অহিংস বৈষ্ণব ব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়ে হয়। রবীন্দ্রনাথ সেখানে বলেন, ‘আমরা চলব আপন মতে শেষে মিলব তাঁরই পথে’। হিন্দুত্বের ইতিহাসে সংহারক কুমারিলের পাশাপাশি দেখি অনন্ত তর্ক চালিয়ে যাওয়া মাধবাচার্য, শংকর, রামানুজ, শ্রীচৈতন্যকে। ব্রহ্ম সদ্‌ না অসদ্‌, দুই না এক নাকি তিন, সে সব নিয়ে হাজার বছরের বিতণ্ডা। তার আগে পরে দিয়ে ঘুরে যাচ্ছেন, আজীবিক, অজিত কেশকম্বলী, মক্ষলি গোশালরা। মহাভারতে চার্বাকের ইনকুইজিশন হচ্ছে। কিন্তু রাম জাবালিকে তর্ক উত্থাপন করতে দিচ্ছেনও। পাত্রাধার তৈল না তৈলাধার পাত্র, তা নিয়ে অসম্ভব মাত্রায় আলোচনা চলছে। একই সভা আলো করে বসছেন নৈয়ায়িক, নব্য নৈয়ায়িক, উত্তর ও পূর্ব মীমাংসক, এমন কী বৌদ্ধরাও। মনুস্মৃতি যাঁদের ছায়া মাড়ালে প্রায়শ্চিত্তের বিধান দিয়েছে, সেই তস্করসমান বৌদ্ধপণ্ডিত ক্ষত্রিয় রাজা- ব্রাহ্মণ মন্ত্রীর সভা আলো করে থাকছেন।  অহিংসার বাতাবরণে ‘হিন্দু’শাস্ত্র যে অনন্ত আলোচনার পরিমণ্ডল দিয়েছে, ঐতিহাসিকভাবে তা অতুলনীয়। 



    আমরা বলব, এই ভিন্নমত সহনশীলতা, এই ‘সেকুলার’ আলোচনামণ্ডল, এই তো গণতন্ত্র। ঠিকই। বুর্জোয়া গণতন্ত্রে এই অহিংসার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এ তো অনস্বীকার্য, যে আমরা ক্রমশঃ রক্তক্ষয়ী আগ্রাসী যুদ্ধের সংখ্যা কমিয়ে ফেলছি পৃথিবী জুড়ে। যুদ্ধটা অন্যভাবে চললেও, গান্ধির সন্তানরা বছর বছর নোবেল পেয়ে যাচ্ছেন। এবং তার পাশাপাশিই গতবছর জে পি মরগান এক বক্তব্যে জানাচ্ছেঃ ‘Too much European democracy getting in our way ’। 


    এই অনন্ত আলোচনা চালিয়ে যাওয়া, বিরোধীমতকে হিংসা না- কথা দিয়ে, শ্রুতি-ইতিহাস দিয়ে বোঝানো। এসব তো বিশাল সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, কষ্টসাধ্যও। বুঝিয়ে জমি নেওয়া যে যায় না, সিপিএম, নবীনবাবু থেকে রবার্ট ভদ্রা সবাই প্রমাণ করেছেন ভারতে। বুঝিয়ে উন্নয়ন করতে গেলে মর্গান কোম্পানিরা যান কোথায়।  নিয়মগিরি দেখিয়েছে বুঝিয়ে পাহাড় কেনা বেদান্তর কর্ম না। তাহলে এই অনন্ত আলোচনার পার্প্সপেক্টিভে ঢুকলে ধান্দার ধনতন্ত্রর তো অস্তিত্ব সংকট! তাই, গণতন্ত্রে উন্নয়ন হয় না, এমন বক্তব্য তাঁরা মুহুর্মুহু প্রচার করছেন। নেতা, এবং তাঁর কোম্পানি নির্মিত ভিশন ছাড়া দেশ চলবেনা, এরকম অ্যাড টিভি খুললেই আমরা দেখছি। রবীন্দ্রনাথ কিন্তু অন্যভাবে বিশ্বাসী ছিলেন, আমরা চলব আপন মতের পরে লিখে ফেলেছেন ‘মরব না কেউ বিফলতার বিষম আবর্তে।’ এদিকে, মোদি কিন্তু জানেন বাঁদর সেনারা বাঁচলে লঙ্কায় স্বর্ণপ্রাচীর অক্ষত থাকেনা। কুবেরের ধন রক্ষা করাও যায় না। ফলে ব্রাহ্মণ্য ভারতে শূদ্রহত্যা আবশ্যক। আর কে না জানে শূদ্রেতররা কনভার্ট হয়েছে মুসলমানে। অথবা শূদ্রেতররাই ট্রাইবাল- মাওয়িস্ট। এর ফলে রবীন্দ্রনাথের হিন্দুত্ব আর মোদির হিন্দুত্ব উল্টোমুখ করে দাঁড়াতে বাধ্য। 


    কিন্তু, রবীন্দ্রনাথ তো অহিংস, তিনি হঠাৎ কেন এরকম ভাবে মোদিকে আক্রমণ করবেন। এর দায় লেখকের। ডাক পাঠকের মত সেও শুনেছে। শুধোলে ঠাট্টা করে বলে, ওনার দেড়শর ওপর বয়স, এখন কি আর মুখের ভাষা ঠিক থাকে। কিন্তু সে বস্তুত বিশ্বাস করে, এ না বলে গুরুদেবের উপায় ছিল না। তিনি হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী, চলমান বিশ্বযুদ্ধ দেখতে দেখতে শেষ নিঃশ্বাস ফেলেছেন। মুসোলিনির রাজসিক মায়াকে ঔদার্য ভেবে পরে মাথার চুল ছিঁড়েছেন। হিংসা বড় পীড়া দ্যায় তাকে। তবু সেসবই শেষ কথা নয়। দাদু উত্তরাধুনিক, সোভিয়েত পতনের পরে ক্রিশ্চান আলোকপ্রাপ্তি ছেড়ে উত্তর উপনিবেশবাদের মধ্যে ইতিহাসের আশ্রয় দেখতে পাচ্ছেন। বিশ্বনাগরিক বলে আরাফত, শ্যাভেজ, জাপাতিস্তাদেরও ঘুরে ঘুরে দেখেছেন তিনি। একবিংশ শতাব্দীর শুরুর থেকে শিল্পবিপ্লবের আগ্রাসী রূপটা ক্রমশঃ প্রতীত হচ্ছে তাঁর মানসে। অরণ্য, কৃষি ধ্বংস করে পরিকল্পনাহীন ভাবে বেড়ে চলেছে কিছু উঁচু মানুষের দাবি। দরিদ্র আরও দরিদ্র হচ্ছে, এত দরিদ্র হচ্ছে যে দারিদ্রের সংজ্ঞা পালটে দিতে হচ্ছে। পৃথিবী উষ্ণতর হচ্ছে। মানুষকে বের করে আনা হচ্ছে জল-মাটি-অরণ্য-পাখি-র সংশ্লেষ থেকে। আরও একলা হচ্ছে, এলিয়েনেটেড হচ্ছে সে। আর রবীন্দ্রনাথ দেখছেন, আমাদের ঐতিহ্যে, সংস্কারে, উৎসবে মিশে আছে এর বিরোধিতার বীজ। জাপাতাদের সংগঠক জেনারেল মার্কোস বলছেন, একমাত্র ট্রাইবাল কমিউইনিটি স্ট্রাকচারেই তিনি দেখছেন আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতার শক্তি। রবীন্দ্রনাথও দেখছেন, এই হিন্দুত্বকে যা সবাইকে অমৃতের পুত্র বলে সম্বোধন করে। যা কুল-মান-এর তোয়াক্কা না করে মনের মানুষের সন্ধানে দেশে দেশে ঘুরে বেড়ায়। যে হিন্দুত্ব দেখায়, ছোট ছোট মানুষের কাজ, তাদের অ্যাবস্ট্রাক্ট লেবার-এর সম্মেলন শতশত সাম্রাজ্যের ভগ্নশেষ-এর পরেও থেকে যায়। দুহাজার বছরের ইতিহাস পুনর্পাঠের সূত্র দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বলছেন, ইতিহাস, সমস্ত যুগে সমস্ত দেশে এক হবে এই কুসংস্কার ত্যাগ না করলেই নয়। তিনি জানেন রাজার রাজা হয়ে মানুষের বেড়ে ওঠার জন্য এই পঠনের দরকার কতটা। বিতর্কের গভীরে ঢুকে খুঁজে আনতে হবে সত্য কী, ঝড়ে বাইরের নিয়ম নড়ে যাওয়ার পর ভবিষ্যতের জন্য অটুট হয়ে কোনটা পড়ে থাকে।


    মোদিকে সক্রিয় বিরোধ করার দায় তাঁর এখানেই। যাঁরা বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে আলো- আশু সর্বনাশের মুখে তাঁদের ক্ষমা করার মন্ত্র তিনি দিতে পারছেন না। আর, আলোচনার জায়গাটাই থাকছেনা। মিশনারি হিন্দুত্ব আর আগ্রাসী ধন-সাম্রাজ্যবাদের মুখে দাঁড়িয়ে, রবীন্দ্রনাথ গান্ধির হিন্দু ইতিহাস, দর্শন বিশ্লেষণের জায়গা কোথায়। দলের লোকেদের তখন ছুটতে হবে ইস্কুলে ইস্কুলে কম্পালসরি আগ্রাসী হিন্দুত্বর প্রচার বন্ধ করতে।  অন্তর্দৃষ্টিতে নিজের ভিতর, নিজের জ্ঞানের গভীরে পথের সন্ধান না করে বাইরের বিদ্বেষ থামাতেই যুগ অতিক্রান্ত হবে আর মানুষের বেঁচে থাকা বাঁচিয়ে রাখার লড়াই আরও পিছিয়ে যাবে। শাস্ত্রের বদলে আবার শস্ত্রের আশ্রয় নিতে হবে। আর সেই সুযোগে পুনরায় বেড়ে যাবে হিংসার থাবা, ধংসের দিকে।



    তাই, রবীন্দ্রনাথ দিচ্ছে ডাক – নরেন্দ্র মোদি নিপাত যাক।


    '


     
  • বিভাগ : আলোচনা | ১০ মে ২০১৪ | ৮০৩ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rp | 208.7.62.204 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৪:২০87939
  • এই ওভার দ্য ট্প লেখাগুলো পড়ে মনে কিছু প্রশ্ন জাগে। মোদি তো বছর পনেরো হলো গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। তা সেখানের সাধারন মানুষ কি খুব কিছু অসুখে আছে? মোদি কি তাদের ধরে টপাটপ মেরে ফেলছে? নাকি প্রধানমন্ত্রী হবার পরে মেরে ফেলতে শুরু করবে? আর হ্যাঁ দেশের কোন আইন এখনো অবধি মোদি কে দোষী প্রমান করতে পারেনি, বিরোধীদের হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও। হাইকোর্ট থেকে সুপ্রীম কোর্ট, বারবার মামলা করা হয়েছে, বারবার কোর্ট বলেছে যে ওনার বিরুদ্ধে প্রমান নেই। মোদী বিরোধীদের একটা প্রশ্ন - আপনারা কি মনে করেন দেশের আইন ব্যবস্থাও মোদির প্রতি সদয়? নাকি আপনারা মনে মনে বলেন, কোর্ট যাই বলুক, আমারা বলেছি মোদি দোষী, তো ব্যস মোদি দোষী। আর সবার ক্ষেত্রে আমরা কোর্টের রায় মানি, শুধু মোদির ক্ষেত্রে মানি না?
  • সিকি | 132.177.70.74 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৪:৩০87941
  • পেট চিরে*
  • সিকি | 132.177.70.74 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৪:৩০87940
  • ঠিক। মেনে নেওয়াই উচিত। ২০০২ সালে আসলে কিছুই হয় নি। কোনও মানুষ মারা যান নি। কারুর পেট চুরে ভ্রূণ বের করে নেওয়া হয় নি। কাউকে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে পরিবারশুদ্ধু আগুনে পুড়িয়ে মারা হয় নি। আর গুজরাতের পুলিশ তো সদা জাগরূক ছিল। তারা ছিল বলেই না মুসলমানেরা সবাই শান্তিতে বেঁচেবর্তে ছিল। আছে।

    সবই মিডিয়ার অপপ্রচার। সত্যিই তো, ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রীকে অপরাধী প্রমাণ না করতে পারলে তিনি আর অপরাধী থাকেন কী করে।
  • rp | 208.7.62.204 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৪:৩৮87942
  • এই যাঃ স্ট্রম্যান আর্গুমেন্ট হয়ে গেল তো! প্রশ্নটা আবার করি, দয়া করে অন্য প্রশ্নের উত্তর দেবেন না -

    দেশের কোন আইন এখনো অবধি মোদি কে দোষী প্রমান করতে পারেনি, বিরোধীদের হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও। আর সবার ক্ষেত্রে আমরা কোর্টের রায় মানি, শুধু মোদির ক্ষেত্রে মানি না?
  • সিকি | 132.177.70.74 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৪:৪৩87943
  • দেশের কোনও আইন সম্ভবত এখনও মমতা ব্যানার্জিকে বা সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়কেও দোষী প্রমাণ করতে পারে নি। এঁরা তা হলে এখনও নির্মল এবং সততার প্রতীক? কোর্ট কিছু না বলা অবধি এঁদের প্রতিও আঙুল তোলা যায় না?
  • b | 24.139.196.6 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৪:৫৪87944
  • নমো, নমো, নমো
    তোমার নৃত্য অমিত বিত্ত ভরুক চিত্ত মম।
    ইত্যাদি।
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৫:০৬87945
  • রবীন্দ্রনাথ হিন্দু? ব্রাহ্মধর্ম বলে কি একটা যেন ছিল না?
  • তাপস | 122.79.36.40 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৫:১৭87946
  • "রবীন্দ্রনাথ, যতই বিশ্বনাগরিক হোন, আসলে একজন হিন্দু। হিন্দু ভাববাদ অর্থে আমরা বেদ উপনিষদ গীতা তন্ত্র মিলিয়ে যে দর্শনগুলোর কথা ভাবি, রবীন্দ্রনাথ খ্রিস্টান আলোকপ্রাপ্তি নিয়ে সেগুলোর প্রচারক। "

    এটা বোঝা গেল না?
  • সিকি | 132.177.70.74 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৫:২২87947
  • ব্রাহ্মসমাজের লোক ছিলেন বটে দেবেন ঠাকুর। তবে রবি ঠাকুরের পৈতেও হয়েছিল। বেম্মোদের কি পৈতে হত?
  • h | 127.194.243.180 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৫:২৬87948
  • লেখাটা জাস্ট হয় নি। এত লুজ বল দিলে সৎ উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও লেখা দাঁড়ায় না, এক্ষেত্রেও দাঁড়ায় নি। অথচ এই লেখকের কাছে আমরা বেশ কিছু ভালো লেখা পেয়েছি।
  • b | 24.139.196.6 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৫:২৮87949
  • রবিবাউ গীতার ফিলজফির বেশ এগেনসটে ছিলেন।
  • dd | 132.171.95.230 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৫:৩৯87950
  • হেইচ কইলো, তাই তো আমিও নির্ভয়ে কইতে পাল্লেম।

    হুবহু একমত।
  • সিকি | 132.177.70.74 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৬:০৫87951
  • সে আম্মো একমত। লেখাটা পোষায় নি একেবারে।
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৬:৪৯87952
  • বেম্ম মানে বেম্ম। ঐ সব কেস্তান আলোকপ্রাপ্ত হিন্দু = বেম্ম খুব সন্দেহজনক অবস্থান। After the publication of Hemendranath Tagore's Brahmo Anusthan (code of practice) in 1860 which formally divorced Brahmoism from Hinduism, the first Brahmo Samaj was founded in 1861 at Lahore by Pandit Nobin Chandra Roy আর In 1911, Tagore took over the leadership of the Adi Brahmo Samaj.
  • bp | 78.33.140.55 (*) | ১০ মে ২০১৪ ০৯:৫৪87953
  • এটা সোমনাথ কল্পনা থেকে লিখেছে। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য দাসীপুত্র-শুদ্র। সেই জন্য, মগধের ব্রাহ্মণরা চন্দ্রগুপ্তের রাজ্যভিশেকের বিরোধিতা করেছিল। চানক্য তাদের দড়ি দিয়ে বেধে ধরে আনার হুমকি দিতে, ব্রাহ্মন মন্ত্রীরা পথে আসে। তাছারা ধননন্দের সাম্রাজ্যে নাম্বার টু ছিলেন অমর্ত্য রাক্ষস-যিনি ছিলেন বৌদ্ধ। এবং চন্দ্রগুপ্তের বিরোধিতা করেছিলেন অন্য কারনে।

    সোমনাথ আরো অনেক কিছুই কল্পনা থেকে লিখেছে। সেগুলোর গভীরে গেলাম না। লেখাটা ভাল লাগল। তবে এটা প্রমান করা খুব সহজ, গুরুদেব প্রথম জীবনে হিন্দু মহাসভার সদস্য ছিলেন এবং সম্ভবত মোদির চেয়েও কট্টর হিন্দুত্ববাদি ছিলেন। পরের দিকে উনি উদার হোন। সে মোদিও হচ্ছে। গুরুদেবের বিবর্তন হলে, মোদির কেন শুভ বিবর্তন হবে না?
  • কল্লোল | 125.242.219.64 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০১:০০87955
  • বিপকে।
    মোদীর ভাষণে প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের কথা রোজই শোনা যায়। মমতা ও সিপিএমকে এই নিয়ে ঠেস দেন তিনি। কোই জয়লালিতা বা করুণানিধিকে একবারও ঠেস দেন না তো? হিম্মত আছে শ্রীলঙ্কার তামিলদের ফেরত পাঠানোর স্বপ্নও দেখার?
    "মোদির কেন শুভ বিবর্তন" - দেখা যাচ্ছে কি?
  • x | 52.104.0.105 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০২:০৭87956
  • যারা অত্যাচারিত হয়ে আসছে তারা ভিন্ন ধর্মাবলী হলে ও স্বাগত যেমন তসলিমা যেমন তামিলরা বা বাংলাদেশের হিন্দুরা । এই নিয়ে সন্ভিধান ও uno charter দেখুন। কিন্তুযারা ধর্মের ভিত্তিতে নিজের ভাগ বুঝে নিয়েছে তাদের এই দেশে জায়গা নেই তারা দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপদজ্জনক এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অর্ডার আছে
  • কল্লোল | 111.63.138.167 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০২:৩৪87957
  • ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ কি রেফারেন্ডাম নিয়ে হয়েছিলো নাকি? কিছু রাজনৈতিক নেতা বসে ঠিক করেছিলেন। নেহেরু, গান্ধী, প্যাটেল, জিন্না, শ্যামাপ্রসাদ, এমনকি তৎকালীন কমিউনিষ্ট পার্টির নেতৃবৃন্দও। এই দেশে তাদের জায়গা নেই - তাই তো?
  • y | 208.7.62.204 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০২:৪৬87958
  • ও লোক্গুলো তো মরে পটোলভাজা হয়ে গেছে! ওদের সাথে আজকের মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের কি?
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৩:১৮87959
  • "গুরুদেব প্রথম জীবনে হিন্দু মহাসভার সদস্য ছিলেন এবং সম্ভবত মোদির চেয়েও কট্টর হিন্দুত্ববাদি ছিলেন।"
    "প্রথম জীবন" বলিতে কবি কি বুঝাইতেছেন? আর "কট্টর" হিন্দু রবীন্দ্রনাথের কর্মকান্ডের দু এক পিস উদা যদি দেন।

    "কিন্তুযারা ধর্মের ভিত্তিতে নিজের ভাগ বুঝে নিয়েছে তাদের এই দেশে জায়গা নেই"
    অনেক কিছুর ভিত্তিতে ভারতীয়রাও তাদের ভাগ বুঝে নিয়েছিল বৃটেনের কাছ থেকে। এখন সেই সব ভারতীয়-পাকিস্তানী-বাংলাদেশীদের ইংল্যান্ড থেকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার জন্য ক্যামেরুনকে অবিলম্বে অনুরোধ জানানো হোক।
  • LT | 15.79.68.161 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৩:৩০87960
  • Ta Cameron( ক্যামেরুন noy) ke anurodh ta ki PT janabe naaki ? So called 'bharotiyo' jara ache tader ekta boro ongsho other british colonies theke geche jana ache to? Kenya , Uganda, South Africa etc.
  • z | 103.115.84.195 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৩:৫৯87961
  • আর আপত্তি জানানো তো হোচ্ছে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে। যারা বৈধ ভিসা-পাসপোর্ট নিয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যায় তাদেরকে তো কিছু বলা হচ্ছে না। বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে তো সব দেশেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, ভারতবর্ষ নিলে এতো অসুবিধে কেন?
  • Somnath Roy | 127.194.203.74 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৪:২৯87962
  • ননন্দের সাম্রাজ্য তো শূদ্র/রাক্ষস সাম্রাজ্য। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য যে দাসীপুত্র সে একTa প্রায় বাতিল হওয়া থিওরি (মুরা নামক ধননন্দের দাসীর পুত্র). গুপ্তযুগে এই থিওরি আনা হয়, কিন্তু চন্দ্রগুপ্তের সমসাময়িক বৌদ্ধ/গ্রিক টেক্সটে চন্দ্রগুপ্তকে ক্ষত্রিয় বা বৈশ্য বলা হয়েছে।
    আর হিন্দুসভা (মহাসভা না, ওটা অনেক পরের ব্যাপার) দাদুর বাল্যবয়সের ব্যাপার। মোদির বিবর্তন আর কবে হবে?
  • Somnath Roy | 127.194.203.74 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৪:৩১87964
  • আমার মনে হয় না দেশভাগের পুর্বী এপিসোডটা ধর্মের ভিত্তিতে হয়েছিল। রাদার বলব কাস্টের ভিত্তিতে হয়েছিল। নমঃশূদ্র আন্দোলনের বিশাল ভূমিকা না থাকলে খুলনা যশোর পূর্ব গৌড় ওপারে যায় না।
  • bip | 78.33.140.55 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৪:৩১87963
  • রবীন্দ্রনাথ কৈশরে ঠাকুর বাড়ির আবহে নিজের অজান্তেই হিন্দুত্ববাদি হয়ে ওঠেন। তার প্রমান মেলে তার প্রথম জীবনের অনেক লেখাতেই। ১৩০৫ সালে উনি এটা লিখেছিলেন

    "“কিছুদিন হইল একদল ইতর শ্রেণীর অবিবেচক মুসলমান কলিকাতার রাজপথে লোষ্ট্রন্ড হস্তে উপদ্রবের চেষ্টা করিয়াছিল। তাহার মধ্যে বিস্ময়ের ব্যাপার এই যে- উপদ্রবের লক্ষ্যটা বিশেষরূপে ইংরেজদেরই প্রতি। তাহাদের শাস্তিও যথেষ্ট হইয়াছিল। প্রবাদ আছে- ইটটি মারিলেই পাটকেলটি খাইতে হয়; কিন্তু মূঢ়গণ (মুসলমান) ইটটি মারিয়া পাটকেলের অপেক্ষা অনেক শক্ত শক্ত জিনিস খাইয়াছিল। অপরাধ করিল, দ- পাইল; কিন্তু ব্যাপারটি কি আজ পর্যন্ত স্পষ্ট বুঝা গেল না।এই নিম্নশ্রেণীর মুসলমানগণ সংবাদপত্র পড়েও না, সংবাদপত্রে লেখেও না। একটা ছোট বড়ো কা- হইয়া গেল অথচ এই মূঢ় (মুসলমান) নির্বাক প্রজা সম্প্রদায়ের মনের কথা কিছুই বোঝা গেল না। ব্যাপারটি রহস্যাবৃত রহিল বলিয়াই সাধারণের নিকট তাহার একটা অযথা এবং কৃত্রিম গৌরব জন্মিল। কৌতুহলী কল্পনা হ্যারিসন রোডের প্রান্ত হইতে আরম্ভ করিয়া তুরস্কের অর্ধচন্দ্র শিখরী রাজপ্রাসাদ পর্যন্ত সম্ভব ও অসম্ভব অনুমানকে শাখা পল্লবায়িত করিয়া চলিল। ব্যাপারটি রহস্যাবৃত রহিল বলিয়াই আতঙ্কচকিত ইংরেজি কাগজ কেহ বলিল, ইহা কংগ্রেসের সহিত যোগবদ্ধ রাষ্ট্র বিপ্লবের সূচনা; কেহ বলিল মুসলমানদের বস্তিগুলো একেবারে উড়াইয়া পুড়াইয়া দেয়া যাক, কেহ বলিল এমন নিদারুণ বিপৎপাতের সময় তুহিনাবৃত শৈলশিখরের উপর বড়লাট সাহেবের এতটা সুশীতল হইয়া বসিয়া থাকা উচিত হয় না।”

    বাঙালী মাত্রি সোমনাথের মতন আবেগপ্রবন কল্পনা প্রবন। বাস্তব এটাই গুরুদের আন্তর্জাতিকতায় বিশ্বাস করা, অসাম্প্রদায়িকতাতে বিশ্বাস, নারীবাদের বিশ্বাস-এসব প্রগ্রেসিভ মনন এসেছে একদম শেষ বয়সে।
  • Somnath Roy | 127.194.203.74 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৪:৩৮87965
  • কম বয়সের লেখাপত্তর পড়তে হলে এংগেলসের আইরিশ শ্রমিকদের নিয়ে বক্তব্য দেখুন বিপজি ভাই।
  • bip | 78.33.140.55 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৪:৪০87966
  • বৌদ্ধ টেক্সট মহাভষ্মে উল্লেখ আছে চন্দ্রগুপ্ত ক্ষত্রিয়। কিন্ত ঐতিহাসিক জাস্টিন গ্রীকসূত্র বিশ্লেষন করে
    লিখেছিলেন, চন্দ্রগুপ্তের নিম্ন বংশভূত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী। সেসূত্রে মুদ্রারাক্ষসের শুদ্র বংশজাত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী চন্দ্রগুপ্তের।
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৪:৪৩87967
  • প্রশ্নটা হল যারা অলরেডি বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করেছে পড়েছে তাদের নিয়ে।
    প্রথম কথা হল, তাদেরকে আইডেন্টিফাই করে ফেরৎ পাঠানো কঠিন কাজ।
    দ্বিতীয়ত, বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের (বিশেষ করে যারা অনেকদিন আছেন) ঠিক ক্রিমিনাল ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয় না। ইউএসএ-তে প্রায় ১০ মিলিয়ন বেআইনি অনুপ্রবেশকারী আছেন, তারা বিশেষ নাগরিক সুযোগসুবিধে পান না, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে তেমন বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ও কিছু নেওয়া হয় না। ইন ফ্যাক্ট, তাদেরকে লিগালাইজ করবার একটা প্রয়াস বহুদিন ধরে চলছে। একই সাথে ভবিষ্যৎ অনুপ্রবেশ কমানোর জন্যে বর্ডার প্রোটেকশন আর কঠোর করা হয়েছে।

    অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ রাখার জন্যে সীমান্তরক্ষা বাহিনী তো দরকার - শুধু অবৈধ অনুপ্রবেশই নয়, ক্রিমিনাল, টেররিস্ট, স্মাগলার-দের আটকানোর জন্যে ও দরকার। কিন্তু, যারা অলরেডি ঢুকে পড়েছেন, তাদের প্রতি ট্রিটমেন্ট অমানবিক না হওয়াও জরুরী।
  • bip | 78.33.140.55 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৪:৪৮87968
  • ১৩০৫ সালে গুরুদেবের বয়স কি কম ছিল? তখনকার একপিস নমুনা দিলাম ত!

    মুসলিম জননেতা সৈয়দ নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী রবীন্দ্রনাথের মুসলিম বিদ্বেষমূলক লেখনী বন্ধ করার আহবান জানালে রবীন্দ্রনাথ জবাবে বললেন-
    "মুসলমান বিদ্বেষ বলিয়া আমরা আমাদের জাতীয় সাহিত্য বিসর্জন দিতে পারি না। মুসলমানদের উচিত তাহারা নিজেদের সাহিত্য নিজেরাই সৃষ্টি করার।…."
  • x | 208.7.62.204 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৫:০২87969
  • ভবিষ্যতের অনুপ্রবেশ কমানোর জন্য বর্ডার প্রোটেকশন তো আরো কঠোর করতেই হবে, মাঝে মাঝে দুএকটা হুন্কারও ছাড়তে হবে - যারা আসবে তাদের সব ওপারে ফেরত পাঠাবো - নাহলে এই জলস্রোত কখনো থামবেনা। ঠাকুরের আপ্তবাক্য স্মরন করুন - কামড়াতে না করেছিলাম, ফোঁস করতে তো বারন করিনি!
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন