এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • মোদির সামনে মিডিয়া নতজানুঃ গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে তথ্যপূর্ণ একটি নিবন্ধ সরিয়ে নিল DNA

    প্রতীক সিনহা লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ০৯ মে ২০১৪ | ২০৬৮৮ বার পঠিত
  • ২০১৪র সাধারন নির্বাচন যে কথাটা সর্বাগ্রে প্রমাণ করল,  তা হল – ভারতীয় মিডিয়ার আর যাই থাক না কেন, মেরুদণ্ড নামক বস্তুটি নেই। নরেন্দ্র মোদির ফ্যাসিবাদি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অওয়াজ তোলার এদের না আছে সদিচ্ছা, না আছে সৎ সাহস। এদের মধ্যে কেউ কেউ তো আবার সক্রিয় ভাবে হাত ও মিলিয়েছেন মোদির সঙ্গে। মিডিয়া হাউস গুলো দিনের পর দিন সাংবাদিকতার নামে যা করে গেছে তা হল – মোদি বন্দনা – মোদির প্রোপাগ্যান্ডা। মোদির বেশ কয়েকটা  "ফিক্সড"  ইন্টারভিউ দেখলে ব্যাপারটা আরো স্পষ্ট হয়। সাজানো লাগে। এই সমস্ত "ফিক্সড" ইন্টারভিউগুলোতে মোদিকে স্নুপগেট বা সাজানো এনকাউন্টার নিয়ে একবারও জবাবদিহি করতে হয় না। থাকে না কোনো প্রতি-প্রশ্ন। তাঁর মুখ নিঃসৃত বাণীই প্রশ্ন কর্তার কাছে ধ্রুব সত্য।


    DNAতে প্রকাশিত গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে একটা নিবন্ধ যখন রাতারাতি ইন্টারনেট থেকে লোপাট হয়ে যায়, তখন মিডিয়ার এই মেরুদন্ডহীনতা সম্পর্কে সন্দিহান হওয়ার আর অবকাশ থাকে না। কেন উড়িয়ে দিতে হল নিবন্ধটা কে রাতারাতি? নিবন্ধকার শেহজাদ পুনাওয়ালা কংগ্রেসি হলেও নিবন্ধে করা প্রত্যেকটি দাবির সপক্ষে নথি ছিল, বক্তব্যের সাথে তথ্য ছিল। তা থাকা সত্ত্বেও DNAকে কেন সেটা উড়িয়ে দিতে হল? কেনই বা DNA কর্তৃপক্ষকে নতজানু হয়ে মোদিকে তুষ্ট করতে হবে?


    নিবন্ধটি প্রথমে এই URLএ প্রকাশিত ছিল http://www.dnaindia.com/analysis/standpoint-mamata-banerjee-calls-narendra-modi-butcher-of-gujarat-here-are-9-mythbusters-on-2002-post-godhra-riots-1983270। শেহাজাদ পুনাওয়ালার নিবন্ধটি এখানে প্রকাশ করা হল।

     




    যাঁরা হঠাৎ করে গুজরাত দাঙ্গার সত্যকে ভুলে মোদির জনসংযোগ বাহিনী সৃষ্ট কিছু মিথ্যা "মিথ"কে সত্যের আসনে বসিয়েছেন, তাঁদের স্মৃতি ও বিবেকের পুনর্জাগরনের জন্যঃ


    মিথ ১। গোধরা পরবর্তী হিংসাকে নরেন্দ্র মোদির সরকার আয়ত্ত্বে নিয়ে এসেছিলো ২-৩ দিনের মধ্যেই।


    সত্যিঃ যে হিংসালীলাকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে আয়ত্ত্বে নিয়ে আসার কথা বলা হচ্ছে, তা মাত্রাভেদে অন্তত মাস দুয়েকের বেশি সময় ধরে চলে। সময় যত গড়িয়েছে, বেড়েছে মৃত্যু, বেড়েছে ক্ষয়ক্ষতি।


    সূত্রঃ বিচারপতি J.S. Verma র নেতৃত্বে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সর্ব শেষ অর্ডার- http://nhrc.nic.in/guj_finalorder.htm


    মিথ ২। গুজরাত পুলিশ দল নির্বিশেষে দাঙ্গাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।


    সত্যিঃ "পুলিশের সামনেই মুসলমানেদের বাড়ি ঘর পুড়ছিলো। আমরা কয়েকজন মহিলা পুলিশের কাছে সাহায্যের চাইতে যাওয়ার কথা ভাবছিলাম কিন্তু পুলিশ আমাদের বল - ভেতরে যা, আজ মুসলমানেদের শেষ সময় উপস্থিত।"


    সূত্রঃ PW219 নং নথি। এই নথি নরোদা পাটিয়া মামলায় ব্যবহৃত হয়। এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন মায়াবেন কোদনানি, যিনি কিনা তৎকালীন মোদি সরকারের ক্যাবিনেটের সদস্যা ছিলেন। এই কোদনানিই হত্যাকামী জনতার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।  http://www.cjponline.org/gujaratTrials/narodapatiya/NP%20Full%20Judgmnt/Naroda%20Patiya%20-%20Common%20Judgment.pdf


    মিথ ৩।  গোধরা পরবর্তী হিংসা স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা মাত্র, এতে গুজরাত সরকারের কোনো রকম ষড়যন্ত্র নেই।


    সত্যিঃ দাঙ্গার প্রথম দিনেই রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা অহমেদাবাদের পুলিশ কন্ট্রোল রুমের দখল নিয়ে নেন। তাঁদের উপরে  স্পষ্ট নির্দেশ ছিল – বিপদগ্রস্ত মুসলমানদের বাঁচানো চলবে না।


    ভোটার লিস্ট দেখে মুসলমানদের চিহ্নিত করে টার্গেট করা হয়।


    সূত্রঃ Report of Human Rights Watch, April 2002, Vol. 14, No. 3(C). http://www.hrw.org/reports/2002/india/India0402-03.htm#P446_77680




    মিথ ৪।  মোদির নিরপেক্ষতার কারনেই মায়াবেন কোদনানি দোষী সাব্যস্ত হন।


    সত্যিঃ “বেস্ট  বেকারি  এবং  নিষ্পাপ  শিশু ও অসহায়  মহিলারা  যখন  পুড়ছিল,  তখন  আধুনিক  নিরোর  দল  অন্য  দিকে  তাকিয়ে  বসেছিল  -  সম্ভবত  দোষিদের  কীভাবে  আড়াল  এবং  রক্ষা  করা  যায়,  সে  কথাই ভাবছিল।”


    “ন্যায়  ও  বিচার   কিছু  “খেলুড়ে   বালকদের”  হাতে  পড়ে  ছেলেখেলায়  পর্যবসিত  হয়েছিলো।  রক্ষক  যখন ভক্ষকে  পরিণত  হয়,  তখন  ন্যায়,  অনুশাসন,  সত্য  বা  বিচার  -  এ  সব  কোনো কিছুরই  আর  কোনো  মানে থাকে  না।  গণ  অনুশাসন  ও  জনহিত  যেন  পরিণত  হয়েছিলো  শহীদ ও শহীদ  বেদিতে।”


    “উপরোক্ত  ঘটনাবলী  থেকে  মনে  হয়  যে  অভিযুক্ত  বিচার  প্রক্রিয়াকে  অযৌক্তিক  ভাবে   ব্যাহত  করতে  চাইছে। এরকমও  মনে  হচ্ছে  যে  অতিরিক্ত  সেশন  জাজ  ও APP (শ্রীযুক্ত  রঘুবীর  পান্ড্যা,  এই  কেসের  সরকারি  আইনজীবি, যিনি  কিনা  তৎকালিন  বিজেপির  সদস্য  ছিলেন  ও  ভদোদরার  ২০ নং  ওয়ার্ডে  বিজেপির  টিকিটে  ১৯৯৬  সালে লড়েওছেন !)  নিজেদের  কর্তব্য  পালনে  কোনোরকম  তৎপরতা  দেখাননি।”


    সূত্রঃ  Supreme Court in Zahira Habibulla H Sheikh And Anr vs State Of Gujarat And Ors on 12 April, 2004 CASE NO.: Appeal (crl.) 446-449 of 2004.

    http://indiankanoon.org/doc/105430/




    মিথ ৫।  মোদি গোধরা পরবর্তী হত্যালীলাকে কখনোই নৈতিক সমর্থন দেননি।


    সত্যিঃ  গোধরা পরবর্তি ঘটনায় নিউটনের তৃতীয় সূত্র আওড়ানোর কথা প্রথমে অস্বীকার করলেও জিটিভির ফুটেজ দেখানো হলে মোদির কাছ থেকে কোনো প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি। (Annexure 4A)


    সূত্রঃ Editors Guild Fact Finding Mission Report dated 2002.

    http://www.sabrang.com/gujarat/statement/report.htm#Meeting%20with%20Narendra%20Modi




    মিথ ৬। মোদির একমাত্র লক্ষ্য হল উন্নয়ন। ২০০২ এর দাঙ্গা পরবর্তী সময়তেও ওঁনার ভাষণ কখনো সাম্প্রদায়িকতার বিষ মাখানো ছিলো না।


    সত্যিঃ মোদির নথিভুক্ত ভাষণ “মাসের পর মাস বিরোধিরা আপার পদত্যাগ দাবি করতে থাকে। যখন সত্যিই পদত্যাগ করলাম, তখন ওরা বুঝে পেল না কি করবে। দিল্লি ছুটল ম্যাডামের কাছে। ওরা বুঝতে পেরেছিল যে নির্বাচন কমিশনার লিংডোই ওদের একমাত্র ত্রাতা। কদিন আগে কিছু সাংবাদিক আমায় জিজ্ঞেস করলেন "লিংডো কি ইতালি থেকে এসেছেন?" আমি বললাম, আমার কাছে তো ওনার ঠিকুজি কোষ্ঠি নেই, রাজীব গান্ধীকে জিজ্ঞেস করে দেখতে হবে। তখন সেই সাংবাদিকেরা জিজ্ঞেস করলো "ওদের মোলাকাত কি কোনো গির্জায় হয়?" বললাম, হতে পারে!


    লিংডো আহমেদাবাদ আর ভদোদরায় এসে আধিকারিকদের সাথে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেন। গুজরাতিরা কখনো ও ভাষায় কথা বলবে না, আমাদের শিক্ষা দীক্ষা তেমন নয়। তারপর লিংডো বললেন, নির্বাচন হবে না। আমি ওঁকে জিজ্ঞেস করতে চাইঃ এ সিদ্ধান্ত কি উনি সংখ্যালঘুদের সাথে বৈঠক করে নিয়েছেন? সংখালঘুরাই কি ভারতের একমাত্র নাগরিক? সংখ্যাগুরুরা কি কেউ নয়? সংবিধান কি শুধু সংখ্যালঘুদের জন্য? উনি কি একবারও গোধরায় নিহতদের পরিবারের লোকজনদের সাথে দেখা করেছেন? কেন করেন নি? তাঁদের একবারও জিজ্ঞেস করেছেন, পরিস্থিতি নির্বাচনের অনুকূল কিনা? কেন? জেমস মাইকেল লিংডো (মাইকেল কথাটির ওপর জোর দিয়ে), গুজরাতের জনতা তোমাকে এ প্রশ্নগুলো করছে।”


    সূত্রঃ http://www.outlookindia.com/article.aspx?217399




    মিথ ৭।   নরেন্দ্র মোদি মার্কিন ভিসার জন্য কখনো আবেদন করেননি।


    সত্যিঃ “The Chief Minister of Gujarat state, Mr. Narendra Modi, applied for a diplomatic visa to visit the United States. On March 18, 2005, the United States Department of State denied Mr. Modi this visa under section 214 (b) of the Immigration and Nationality Act because he was not coming for a purpose that qualified for a diplomatic visa. Modi’s existing tourist/business visa was also revoked under section 212 (a) (2) (g) of the Immigration and Nationality Act. Section 212 (a) (2) (g) makes any foreign government official who “was responsible for or directly carried out, at any time, particularly severe violations of religious freedom” ineligible for a visa to the United States. The Ministry of External Affairs requested that the Department of State review the decision to revoke his tourist/business visa. Upon review, the State Department re-affirmed the original decision.” This decision applies to Narendra Modi only. It is based on the fact that, as head of the State government in Gujarat between February 2002 and May 2002, he was responsible for the performance of state institutions at that time. The State Department’s detailed views on this matter are included in its annual Country Reports on Human Rights Practices and the International Religious Freedom Report. Both reports document the violence in Gujarat from February 2002 to May 2002 and cite the Indian National Human Rights Commission report, which states there was “a comprehensive failure on the part of the state government to control the persistent violation of rights of life, liberty, equality, and dignity of the people of the state.”


    সূত্রঃ ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড মালফোর্ডের বয়ান, ২১ শে মার্চ ২০০৫। http://2001-2009.state.gov/p/sca/rls/rm/2005/43701.htm


    মিথ ৮। বাজপায়ী মোদিকে কখনো  "রাজধর্ম" পালন করার উপদেশ দেননি, কখনো মোদিকে ভর্ৎসনা করেননি।


    সত্যিঃ সে সময়ে রাজ্য সরকার যে নিজের কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছিল, সেই অভিযোগের উত্তরে বাজপায়ী বলেন, তিনি রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন। তিনি বলেন "সরকারি কর্মচারি ও রাজনৈতিক নেতাদের নিজের কাজ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা উচিৎ"। আহমেদাবাদের শাহ আলম ক্যাম্পে বাজপায়ী বলেন, "গোধরার ঘটনা নিন্দনীয়,  কিন্তু তারপরে যা ঘটল,  তা এক কথায় উন্মত্ততা।" এক আবেগ বিহ্বল ভাষণে তিনি বলেন, ''উন্মত্ততার জবাব উন্মত্ততা হতে পারে না। সকলের জীবন, সম্পত্তি ও সম্মন রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সরকারেরই..... এখানে ভেদাভেদের কোনো স্থান নেই"।


    সূত্রঃ  বিবিসির রিপোর্ট, ৪ই এপ্রিল,  ২০০১।  http://news.bbc.co.uk/2/hi/south_asia/1910008.stm




    মিথ ৯।  স্মৃতি ইরানির মতন মোদির সমালোচকেরা আজ যে মোদি ভজনা করছেন, এর পেছনে সুযোগসন্ধানি মনোবৃত্তি নেই।


    সত্যিঃ দিল্লির মুসলিম অধ্যুষিত চাঁদনিচক থেকে সংসদিয় নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরে ইরানি কি বলেছেন তা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    "গুজরাত নিয়ে কথা হলেই লোকে দাঙ্গার কথা বলে গুজরাতিদের কোনঠাসা করে। তাই অটলজী ও বিজেপির প্রতি আমার সম্মান প্রদর্শনের জন্য আমি এই পদক্ষেপ নিতে দ্বিধান্বিত নই (মোদির অপসারণের দাবিতে অনশন)"।


    সূত্রঃ  টাইমস অফ ইন্ডিয়া,  ১২ই ডিসেম্বর, ২০০৪।


    http://web.archive.org/web/20140430084943/http://timesofindia.indiatimes.com/india/Tulsi-to-go-on-fast-unto-death/articleshow/956389.cms


    উপরোক্ত তথ্যসূত্র গুলি একত্রিত করতে সময় লেগেছে মাত্র এক ঘণ্টা। ভাবলে অবাক লাগে – যে সকল দুঁদে সাংবাদিক সেদিনের দাঙ্গা নিজেদের চোখে দেখেছেন, তাঁরা কেউ মোদিকে তাঁর আজকের মিথ্যাগুলি নিয়ে চেপে ধরলেন না।  হয়ত বা তাঁরা ও স্মৃতি ইরানির মতই প্রতি রাতে নিজেদের বলেন  "হে রাম".....




    http://www.truthofgujarat.com/indian-media-continues-prostrate-modi-dna-deletes-factual-anti-modi-article-gujarat-riots/   থেকে কৌশিক ঘোষ কর্তৃক অনূদিত ।

     


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ০৯ মে ২০১৪ | ২০৬৮৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ~` | 69.160.210.2 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:২৬87585
  • একক, ইতিহাস খুঁড়ে আর্টের জাস্টিফিকেশনে যাওয়া একটু বিপজ্জনক। ভারতবর্ষের ইতিহাসে কোথাও কোনোদিন সরস্বতীর নগ্ন ইমেজারি না থাকলেও কেন কোনো শিল্পী সেটা আঁকতে পারবেন না? আঁকলে তার সম্প্রদায় বিচারই বা কেন করা হবে?
  • Ekak | 24.99.42.91 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:২৮87586
  • আর একটা কথা , পুনে কান্ডের ছবিটা দেখেছি । একটি ট্যান্ক টপ ও হট প্যান্ট পরা মেয়ের শরীরে শিবাজীর মাথা বসানো হয়েছে । নিম্নরুচির কাজ ও কোনো হিউমার বা শিল্প কিসুই নাই এতে কোনো সন্দেহ নেই । মজা তা হলো যদি মেয়ের শরীর না হয়ে ওটা ধরুন দারা সিং এর শরীরে শিবাজীর মাথা লাগানো হত তাহলে কী একই রিতালিয়েষণ হত ? জনতা কী বলেন :)
  • Ekak | 24.99.42.91 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:৩১87587
  • -

    না , সেটা তো আর্টিস্টের অধিকার ইত্যাদি প্রশ্ন । ভারতীয় সংবিধান আলাদা করে শিল্পের অধিকারকে সুনিশ্চিত করেনা তাই একদম পরিকাঠামোর মধ্যে থেকেই বলছি যা আছে তাই আঁকলে টানিয়ে এত ন্যাকামি কিসের আর কিসের ই বাসনাতন ধর্মের অজুহাত । ক্যালাকেলি করবি তো খোলা হাতে করনা বাপু ,ধর্ম কে অজুহাত বানিয়ে কেন :) :)
  • de | 69.185.236.51 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:৩৭87588
  • শিবাজী নিয়ে অদ্ভুত সেন্সিটিভিটি দেখেছি -- সেই কবেকার এক রাজা, তিলকই বোধহয় প্রথম হাইলাইট করেছিলেন - কি কারণে যে এতো মাতামাতি তারই মানে বুঝিনা! বোধহয় মুসলিম মেরেছিলেন বলে! বাকি তিলক, সাভারকর, অম্বেডকর এঁদের কারোকে নিয়ে এতো বাড়াবাড়ি দেখিনা!
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:৪২87589
  • শিবাজী শুনলেই মনে পরে - 'ছেলে ঘুমোলো পাড়া জুড়লো বর্গী এলো দেশে, বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেবো কিসে !!'

    এই মারাঠা দস্যু রাই বাংলাকে শ্মসান করে দিয়েছিল এক কালে।
  • ~` | 69.160.210.2 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:৪৫87590
  • না, ওভাবে বললে, ইতিহাসে গিয়ে, চাপ আছে। একদা সব মানুষ ই জন্মদিনের পোষাকেই ঘুরত। আজ ঘোরেনা তো। যা ছিল, তার রেপ্লিকা বানানোর জাস্টিফিকেশন নেই। আজ যখন সমস্ত দেবদেবীর ছবিতে কাপড় চোপ্ড় বা গয়না পরিয়ে জনসমক্ষে আনাই দস্তুর তখন দুম করে পানু আঁকার মানে কি? মানুষ একদা গুচ্ছ কাছিম হরিণ মেরে খেত। এখন খায় না তো। ইতিহাসে ছিল এমন কোনো বর্তমানে বিলুপ্ত প্রথা পদ্ধতির নতুন করে প্রচলন করা ইতিহাস থেকেই জাস্টিফাই করা মুশকিল। আজ মন্দির যা তৈরি হচ্ছে তাতে কি খাজুরাহোর মতো পানু খোদাই করে কেউ?

    শিল্পীর স্বাধীনতা অধিকার এর বাইরে বেরোনো সমস্যা। শিল্পীর পরিচয় বা সম্প্রদায় বিচারের জাস্টিফিকেশন নিয়ে লড়া দরকার।
  • নেতাই | 131.241.98.225 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:৪৬87591
  • রেডিফ থেকে
    BJP leader defends Pune techie's murder : Anil Shirole, the newly-elected BJP MP from Pune, left his party leaders red-faced by justifying the murderous assault on a techie four days ago by members of a radical Hindu outfit, reports NDTV.

    "The people of Pune want peace. What was posted on Facebook was sad. It was bound to have some repercussions," Shirole told reporters. He, however, took care to qualify his remarks by saying, "This was not right."
  • h | 213.99.211.132 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:৪৯87593
  • এগ্রিড, ছবি আঁকার রাইট থাকতেই পারে, তবে হিন্দু ব অ্যাসোসিয়েটেড দেবী দের নগ্নতা বা রিভিলিং ড্রেস নতুন কিছু না। বরঞ্চ হঠাৎ দেবী দের নগ্নতা নিয়ে এতটা দুশ্চিন্তা টাই নতুন। আর সাধারণত যেটা বলা হয়, মহম্মদ কে বা তাঁর ডিরেকট পরিবারের সদস্য দের নিয়ে কার্টুন আঁকলেই সন্ত্রাসের চান্স থাকে। আর হিন্দু ডেইটি দের অপমান করে লোকে পার পেয়ে যায়, তারা যেটা এড়িয়ে যান, সেটা হচ্ছে নগ্ন রূপে পূজটা ইসলামে হয় নি, কারণ রূপ বিবর্জন টা ই একটা দর্শন। আরেকটা কথা হল, কিছু ছাগল যদি সন্ত্রাস করে, তার বদলে তাহলে তাকে সামলাবার স্টেট মেশিনারি দিকে দিকে আছে। শুধু মুসলমান সন্ত্রাসের ভয়ে ইরাকে যুদ্ধ হয়ে গেল, যেখানে সাদ্দাম হুসেন অতি হারামি হলেও ডিস্টিন্ক্টলি আল কায়েদা ইত্যাদি দের বিপক্ষে ছিল, কিন্তু সন্ত্রাসের সমর্থক রা মুসলমান দের মধ্যেও মেন স্ট্রীম না, সেটা ধর্মনির্বিশেষে মানুষ হতে দেন নি, সেক্ষেত্রে হিন্দু একস্ট্রিমিস্ট দের পাকামো ও অত্যাচার ই ভিক্টিম হুডের লজিকে দেখবো কেন? কে আগে মেরেছে, এই বোকা যুক্তিতে কতদিন ফিরে যাবো?
  • নেতাই | 131.241.98.225 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:৪৯87592
  • এখানের লিবেরাল বিজেপিরা এটুকুও বলছেন না This was not right
  • h | 213.99.211.131 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১০:৫২87594
  • এই যে গল্পটা, স্ক্রিপচার বা ফাউন্ডেশন মিথ এর ডিফারেন্স এর ফলে, একদল মানুষ বাই ডেফিনিশন পরমত অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে, এবং বাকি সব ই তার রিয়াকশন, এটাকে কম্ব্যাট করা দরকার।
  • haripada guchhaait | 122.79.38.39 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১১:০৬87595
  • আর তারা দৃপ্তভঙ্গীতে এখানেও ঘুরছেন। অহরহ প্রকাশ ভঙ্গীর দৈন্যই প্রকট হচ্ছে।
  • de | 190.149.51.67 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১১:০৯87596
  • যে যা খুশী আঁকুক না - দেবদেবী, মহম্মদ, যীশু ইঃ এনাদের সম্মান রক্ষার দায়িত্ব সাধারণ মানুষ কেন হাতে তুলে নিচ্ছে? মহামানবদের বা দেবদেবীদের সম্মান এতোটাই ঠুনকো তাহলে?

    সত্যি কথা হোলো, সাধারণ মানুষের কিস্যু যায় আসে না এইসব নিয়ে। শুধু রাজনৈতিক আর মৌলবাদীদের প্রো গা করার একটা চান্স মেলে!
  • de | 190.149.51.67 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১১:১৫87597
  • * আর নেই - রাজনৈতিক মৌলবাদী!
  • dd | 132.171.77.175 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১১:৩১87599
  • ইইস। ক্ষী বাজে পোস্টিং হচ্ছে। জঘন্য।

    এই সব হেট মেইলের আসর। মনে পরছে না গু চর পাতায় হয়েছে। ফেসবুকের মতোন কুচ্ছিত ফিস্তি ফাস্তা এখানে- ঐ ধর্মো তুলে হোতো না। এই স্কেলে হয় নি। এখন হচ্ছে।

    এই ফেসবুক আর গু চ এক সাথে করতেই এরম নোংরামি। টিআর পি কি অ্যাতোই ইম্পর্ট্যান্ট ?

    যেরমই মতামত থাকুক। একটা শালীনতা ছিলো। হিউমার ছিলো। একটা রুচির ব্যাপার ছিলো। অখন তো শুধুই হেটরেট।

    ঐ দুই একটা বুদ্ধিমন্ত পোস্ট। হনুর যেরম। ঘন্টা খানেক আগে। ওটাই এখানকার রীতি ছিলো।

    সব মিলিয়ে বেশ বেশ্রী লাগছে।
  • jhiki | 190.214.232.82 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১১:৩১87598
  • নেতাই পড়াশোনা করে না ঃ(
  • নেতাই | 131.241.98.225 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১১:৩৩87600
  • ঃ((
    সেই হাফ প্যান্ট থেকে শুরু। প্রাইমারি স্কুলের স্যারেরা পর্যন্ত বলতো।
  • jhiki | 190.214.232.82 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১১:৪৪87601
  • আঁকা আর যতটা সম্ভব প্রচার করা এক জিনিস নয়। তবে ফালতু এসব জিনিস মৌলবাদী দের হাতে অস্ত্র তুলে দেয় - একমত।

    সোজা কথা, আমার ছেলেকে আমি ট্যারা-খাঁদা বলতেই পারি, পাশের বাড়ীর লোক বললে রাগ হবে, পাশের বাড়ীর লোক জনে জনে বলে বেড়ালে বেশী রাগ হবে। এখন সেই রাগ আমি প্রকাশ করব না মানহানির মামলা করব সেটা আমার রুচি। বেশী রাগ দেখিয়ে আইন ভাঙলে আমার শাস্তি হবে।
    কিন্তু পাশের বাড়ীর লোককর্তৃক আমার ছেলের অসৌন্দর্যের প্রচার ভালো না লাগার সম্পূর্ণ অধিকার আমার আছে।

    এখন এখানে ছেলের জায়গায় ধর্মগুরু/ মাননীয় ব্যক্তি আর পাশের বাড়ীর জায়গায় অন্য ধর্ম বসিয়ে নিন। মূলবক্তব্য একই থাকবে।
  • bote | 229.64.66.97 (*) | ০৫ জুন ২০১৪ ১২:১৫87603
  • কলকাতা তেও তো উত্তেজনা হয়েছিল ১৯/৩/২০১২ তে টেলেগ্রাফের কার্টুন নিয়ে ,আর তসলিমার বই নিয়ে পার্কসার্কাস মল্লিক্বাজারের ২০১০ কান্ড তো সবাই জানে ।
    http://twocircles.net/2012mar20/nude_image_controversy_telegraph_renders_apology.html#.U5BbUqyizGA

    বাই দা ওয়ে শিবাজি কে কিন্তু মুসলিম বিদ্বেষী দাগানোর আগে একটু ইতিহাস পড়লে ভালো হয় - ওর সৈন্যদলে এমনকি নিজের বডি গার্ড দের মধ্যেও মুসলিম ছিল,গোলন্দাজ ও নৌবাহিনীর সেনাপতি ও মুসলিম ছিল ।
    এটা পড়তে পারেন, কোনো বিজেপির লেখা না - পাকিস্তানের লিংক :-)
    http://defence.pk/threads/king-shivaji-and-his-muslim-warriors.280814/
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০১:০১87734
  • 'এখনো ইস্কুলে ইস্কুলে, পাড়ায় পাড়ায় লক্ষণের শক্তিশেল অভিনয় হয়? ডেটা পেলে ভালো লাগতো। পশ্চিমবঙ্গের কত পার্সেন্ট মানুষ "লক্ষণের শক্তিশেল" পড়েছেন/ নাটকের শো দেখেছেন এরকম ডেটা আছে কি?'

    এই প্রশ্নের মানে কিছুই বুঝলাম না। এখন ইস্কুলে পড়ানো হয়না, আগে হত, ব্যাপারটা যদি তাই হয়, তো তাই নিয়ে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা করা দরকার নয় কি, যে কেন এমন হচ্ছে ? আর সেটা যদি হয়েই থাকে, তবে ভালো হচ্ছে না ! এখন আর এসবের অভিনয় হয়না বলে ধর্মীয় কিছু নিয়ে কিছু না বলাটাই দস্তুর হয়ে যেতে হবে বা অভিনয় না হওয়াটা এধরণের তীব্র রিঅ্যাকশনের জাস্টিফিকেশন হয়ে যাবে !

    বিটিডব্লু, মীরাক্কেল, ধ্যাত্তরিকা জাতীয় জনপ্রিয় টিভি শো র কোয়ালিটি ইঃ নিয়ে কিছু বলছিনা, কিন্তু সেখানেও তো যথেচ্ছভাবে দেবদেবীদের নিয়ে খিল্লি হয়েছে, এই ক'দিন আগেও।
  • ~` | 69.160.210.2 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০১:০২87735
  • হ্যাঁ, আমি রামায়নের থ্রেডে ইন্টারপ্রিটেশনের নামে ফাজলামো মেরে এলাম, আর ও পাড়ার গুপি খুন হয়ে গেল কিস্যু না করেই, ধরা যাক "কমাচাড্ডি"র হাতে। এবার কি? "কমাচাড্ডি"কে পুলুশ ধরবে, জেলে দেবে ফাঁসি দেবে। আমার কোথাও একটা নৈতিক দায়িত্ব থাকবে বেফালতু হেজিয়ে বেরানোর জন্যে। কিন্তু গুপি যে কিনা কিছু করেনি স্রেফ "কমাচাড্ডি"র হাতের কাছে সেদিন ছিল, তার কি?

    কি বলুন তো? পৃথিবীতে যেসব নির্দোষ মানুষেরা খুন হয়ে যায় প্রতিদিন, প্রতিমাস, প্রতি বছর তাদের কি? কখনো কখনো সরকারের তরফ থেকে দুঃখপ্রকাশ অর্থসাহায্য ছাড়া তাদের ঠিক কি?
  • Reshmi | 129.226.173.2 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০১:০৫87736
  • কখনো অপরাধ অন্য ধর্মাবলম্বী হওয়া, কখনো অন্য দল করা, কখনো বা অন্য সংস্কৃতি অনুসরণ করা - কত সহজেই কিছু মানুষ দল বেঁধে অন্য আরেকজন মানুষকে কে মেরে ফেলতে পারে, সবই তো রাগের বহিঃপ্রকাশ! নেট জগতের তর্কাতর্কিতেও এত ঘৃণা আর রাগের বহিঃপ্রকাশ দেখে সত্যিই ভয় করে!

    নিডো টানিয়া (?) র কথা মনে পড়ে গেল,অরুণাচল থেকে দিল্লীতে পড়তে আসা যে ছেলেটাকে জনবহুল লাজপত নগর মার্কেটে পিটিয়ে মেরে ফেল হয়েছিল, সেও "পরিবর্তন" হবার, মানে দিল্লির মসনদে কেজরী সরকার বসার অল্প কদিন পরেই!

    কি শাস্তি হয়েছে খুনীগুলোর, বা আদৌ কিছু হয়েছে কি না কে জানে।
  • de | 69.185.236.53 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০১:০৬87737
  • অ্যাকটিভিটি ইরেস্পন্সিবল মনে হলে পুলিশের কাছে কমপ্লেন না করে নিজেদের হাতে আইন তুলে নেওয়াটা ঠিক নেই, কোন একজন কুরুচিকর পোস্ট করেছে বলে তার ধর্মীয় আইডেন্টিটিকেই প্রথমে টার্গেট করে সেই বিশেষ কম্যুনিটিকে হ্যারাস করা ঠিক নেই। যে পোস্ট করেছে, সে ঠিক করেছে - এমন কথা তো কেউ বলেনি!

    সোস্যাল মিডিয়ায় কোন একজনের ইরেস্পন্সিবল বিহেভিয়ারের জন্য তার কম্যুনিটির সবাই টার্গেট হয়ে যাবে, এটাও তো কোন যুক্তি নয়!
  • de | 69.185.236.53 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০১:০৯87738
  • এবং এই কম্যুনিটিকে টার্গেট করা ব্যাপারটা সবসময়েই সংখ্যালঘুদের সঙ্গেই তো হয়! কোথাও গেরুয়া বসনধারীদের একযোগে টার্গেট হতে তো দেখি না!
  • ~` | 69.160.210.2 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০১:৪৪87739
  • সে তো নাকি গুজব ও ছড়ানো হয়েছিল মোলেস্টেশনের। দাঙ্গার নানারকম মোটিভেশন থাকে তো।

    আইন নিজের হাতে তুলে নেবে কি নেবে না সেটা ব্যক্তিমানুষ তার আঘাত-অনুভূতির তীব্রতার উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেবে। সেজন্য আইনি কনসিকোয়েন্স ভোগ করার জন্য তৈরি থাকবে। মব গঠন হলে কনসিকোয়েন্সটা এড়ানো যেতে পারে বা এতজন যা কনসিকোয়েন্স ফেস করবে আমি নিজেও সেটা করব - এই টার্শিয়ারি রিঅ্যাকশন লেভেল রিচ করতে সুবিধে হয়।

    দাঙ্গা করা, মানুষ খুন করা কে জাস্টিফাই করেছে এখানে?

    পোস্ট টা যে কোনো মুসলিম নাগরিক করেছিল সেটা কি কনফার্মড জানা গেছে বা গেছিল? মুখটা যে জাস্ট একজন দাড়িওয়ালা পুরুষের নয়, স্পেসিফিকালি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই শিবাজির সেটাও কি কোনোভাবে প্রতিষ্ঠা করা গেছিল? উঠল বাই, চল ক্যালাই - এই জায়গায় পৌঁছনো টা এত সহজ হয়ে গেছে - এটাকে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, আইন-কানুন সিস্টেমের প্রতি জনতার উপেক্ষা, এ সমস্ত সংঘ, পার্টির মাথায় রাজনৈতিক প্রশ্রয়ের হাত ছাড়া আর কি বলা যায়? এই কাজ পলিটিকাল ও রিলিজিয়াস অ্যাকটিভিস্টরা না করে রোজকার দিন আনি দিন খাই সাধারণ মানুষ করে থাকলে ভাবার দরকার আছে কি ভাবে এত ঘৃণা পুঞ্জিভূত হচ্ছে, হয়ে চলেছে। এই জায়গাটা অ্যাড্রেস করার দরকার আছে। ওরা বাল - বলে দিলেই এই কনসার্নের জায়গাটা উধাও হয়ে যাবে না।

    একজনের ইরেস্পন্সিবল বিহেভিয়ারের জন্য তার কম্যুনিটির সবাই টার্গেট হয়ে যাবে - হ্যাঁ এইটা তো সিরিয়াস চর্চার ব্যপার। সব ক্ষেত্রে এরকম জেনেরালাইশন হচ্ছে। সর্বত্র। একজন দুজন পাঁচজন রাজনৈতিক নেতা কে খারাপ দেখলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মানে শুবা - এটা বলা মোস্ট কমন প্র্যাকটিস। দশজন সিনেমা আর্টিস্টের বল্গাহীন জীবনাচারনের দায়ে প্রত্যেক ফিল্ম সেলিব্রিটির গায়ে দুশ্চরিত্র স্ট্যাম্প পড়ে। যেদিকে তাকান এই জেনেরালাইজেশনের জায়গা তৈরি হচ্ছে দেখতে পাবেন। উদা বাড়িয়ে বাইট খেলাম না।

    বলার কথা এটাই, এগুলো যদি সামাজিক ক্ষত হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন তবে এগুলো অ্যাড্রেস করে কমিউনিকেশন চালানোর দরকার। কেন একটা বড় সংখ্যক মানুষের মানসিকতা এইদ্কে ঢলে পড়ছে তা নিয়ে সমাজতাত্বিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কথা। এগুলো কিছু ফালতু লোকের সমস্যা, বা ওরা বাল বলে দিলে কিছু হবে না। এই সমস্যাগুলো একটুও কমবে না।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০২:০৯87740
  • আদৌ কি একটা বড় সংখ্যক মানুষের মানসিকতা এইদিকে ঢলে পড়ছে ? আর এই মানসিকতা কি নতুন কোন ফেনোমেনন ? দাঙ্গা টাঙ্গা তো সেই কোন আমল থেকেই হয়ে চলেছে !
    আমার যা মনে হয়, মানুষের মধ্যে এরকম কিছু দিক থাকেই। সাধারণভাবে। কিন্তু সেটা থাকা আর সেগুলোকে খুঁচিয়ে বের করার মধ্যে পার্থক্য আছে। আপত্তি সেই খোঁচানো নিয়ে। একক ই বোধহয় লিখেছিল এখানে, মানুষের মনের মধ্যে অন্ধকার দিক নিয়ে কিছু লোকের কারবাঅর। চিন্তা সেই কারবারীদের নিয়ে।
  • , | 125.187.38.54 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০২:১২87741
  • কল্লোলকাকু বোধায় আমার মুখে কথা বসিয়ে নিলেন, যেমনটি সে বলেছেন। আমি এটা বলিনিঃ পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে "ঠাউর দ্যাবতা" নিয়া খিল্লি করলে কি নাকি হবে।

    আমি এটা বলেছিলামঃ

    কাকা, রামসীতা দশরথকে নিয়ে এই গল্পগুলো পাড়ার মোড়ে দাড়িয়ে দশটা লোককে বলে দেখুন না, কতজন হেসে উড়িয়ে দেয় আর কতজন বলে, না বাপু, ঠাকুরদেবতা নিয়ে এসব কতা বলতে নেই।

    এই পাতাতেই আছে, এট্টু কস্ট করে উপরে দেখ নিতে পারেন। কোন ভেল্ড থ্রিট দেইনি, কোন আইনকানুনের কথা বলিনি, কলকাতা বা আশেপাশের কোন জায়গার বাইরে আর কোন জায়গার কথাও বলিনি। অনেকে অনেকবার আমার মুখে অন্য কথা বসানোর চেস্টা করছেন, কিন্তু আমি যেটা বলেছি সেটা পরিশ্কার বলেছি সেটা এই পাতাতেই ওপর দিকে আছে। শুধু ওপরে গিয়ে দেখে আসতে হবে আমার লেখাটা অন্যভাবে লিখে কোন লাভ হবেনা।
  • , | 125.187.38.54 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০২:২৩87742
  • আর কল্লোলকাকু আমি লক্ষণের শক্তিশেল নাটক দেখিনি কিন্তু সেটা কথা না। আমি একদম পাতি লোকদের কথা বলছি জাদের বাড়ি রবিন্দনাথ থাকেনা, সুকুমার রায় থাকে না বলতে গেলে গপ্পের বই কিছুই থাকেনা শুধু দুএকপিস পাচালি হয়তো থাকে। এরা এক্কেবারে আতেল না। বাসে ট্রেনে যাতায়াত করে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে একটু ঠাকুর প্রনাম করে নেয় কোন গপ্পের বইয়ের ধার ধারে না বাড়ি ফিরে যদি টিভি থাকে তো টিভি দেখে নাতো রেডিও ছেড়ে বসে পড়ে। মাইরি বলছি এরকম লোক কলকাতা আর তার আশেপাশে লাখলাখ কোটিকোটি আছে। আপনি যেঅসব বইয়ের নাম বল্লেন সেসব বই পড়েনা, নাটকও দেখেনা। অতি ফালতু আর এক্কেরে পাতি লোক। এরকম কুড়ি তিরিশ চল্লিশ লোককে ঐ রাম সিতা দশরথ মার্কা খিল্লি করে দেখুন, নিজেই দেখবেন ওরা হাসল না বা বল্লো বাপু এসব কথা বলোনা। আমার কথা বিস্বাশ করতে বলছিনা, খালি নিজেই কয়েকদিন এরকম বেশ কিছু লোকের সাথে কথা বলুন নিজেই জেনে জাবেন ওরা কি বলে।
  • T | 24.139.128.15 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০২:৪২87743
  • হ্যাঁ বলেছি, গুণে গুণে চল্লিশজন। প্রত্যেকে হেসেছে। কারুর কিস্যু যায় আসে না। আর কিছু?
  • , | 125.187.38.54 (*) | ০৬ জুন ২০১৪ ০২:৪৭87744
  • হেহে টি কাকু বড়ো মজার মজার কথা বলেন। এই খানিক আগে হাটুরে মার না কিসের কথা বল্লেন না? হেহেহেহে মায়ের কাছে মাসির গপ্পো। জাগ্গে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন