ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  অপর বাংলা

  • নো ওয়ান কিলড ফেলানি

    একরামুল হক শামিম লেখকের গ্রাহক হোন
    অপর বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৩৫৮১ বার পঠিত
  • বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যয়নকালে চতুর্থ বর্ষে 'আন্তর্জাতিক আইনে' গার্সিয়া অ্যান্ড গারজা মামলা পড়তে হয়েছিল। মনে আছে, এ নিয়ে ক্লাসরুমে বেশ আলোচনাও হয়েছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটি মেক্সিকো ভার্সেস ইউএসএ, ১৯২৬ নামে পরিচিত। এই মামলাটি শেষ পর্যন্ত মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র জেনারেল ক্লেইমস কমিশনে নিষ্পত্তি হয়েছিল। মেক্সিকোর একটি দরিদ্র পরিবারের দুই সন্তান রাতের আঁধারে রিওগ্রানদে নদী সাঁতরে যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা অতিক্রম করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে নিহত হয়। তারা এমন এক স্থানে গুলিবিদ্ধ হয় যেখানে মেক্সিকো ওযুক্তরাষ্ট্রের আইনে নদী পারাপার নিষিদ্ধ ছিল। সীমান্তরক্ষী অফিসার চোরাচালানের উপর নজর রাখার জন্যই বিশেষভাবে নিযুক্ত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব মার্শাল সীমান্তরক্ষী অফিসারকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং অফিসারকে চাকরি থেকে অব্যাহতির আদেশ দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেই আদেশের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন এবং অফিসারকে পুনঃরায় চাকরিতে বহাল করেন। বিষয়টি মেক্সিকো-ইউএসএ জেনারেল ক্লেইমস কমিশনে বিবেচনার জন্য প্রেরণ করা হয়। আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, অফিসারের কৃতকর্ম রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা যেভাবেই বৈধ করার চেষ্টা করা হোক না কেন এটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো কাজ নয়। শিশু দুটির অনানুমোদিত স্থান দিয়ে নদী পারাপারের চেষ্টা নিঃসন্দেহে বেআইনি কাজ। কিন্তু কেবল এই কারণে কেনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত বা অনুমোদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক আইনে ব্যক্তির প্রতি আচরণের একটি ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য মাত্রা রয়েছে। এমন কোনো আইন নেই যার মাধ্যমে ব্যক্তির প্রতি এমন অমানবিক আচরণ সমর্থিত হতে পারে। সুতরাং মেক্সিকান শিশু দুটির হত্যা নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং এর জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী হবে। সেই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে নিহতের বাবা-মাকে ২ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়। ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণের চেয়ে বড় বিষয় হলো দায়ী পক্ষ দণ্ড পেয়েছে।


    গার্সিয়া এবং গারজা মামলাটি অনেকদিন পরে প্রাসঙ্গিকভাবে মনে পড়ে গেল। তবে এবারের ফলাফল ভিন্ন। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি। ভোরবেলা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার অন্তর্গত চৌধুরীহাট সীমান্ত চৌকির কাছে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয় বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন। কনস্টেবল অমিয় ঘোষ গুলি করে। কাঁটাতারে দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকে ফেলানীর মৃতদেহ। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তারপর থেকেই ফেলানী হত্যার বিচারের দাবি জানানো হয়। নানা ধাপের পর সেই বিচার শুরু হয় ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট। স্বাভাবিকভাবেই এ বিচার কাজ নিয়ে অনেক রকমের প্রত্যাশা ছিল। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তকে বলা হয় পৃথিবীর অন্যতম রক্তক্ষয়ী সীমান্ত। সেই সীমান্তের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথম কোনো বিচার নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অনেক রকমের প্রত্যাশা থাকে। সীমান্তের হত্যাকাণ্ড বন্ধে এই মামলা হতে পারতো প্রথম ধাপ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই পথ উন্মোচিত হয়নি। প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বিচারপ্রক্রিয়া।


    ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে শুরু হয় ফেলানী হত্যাকাণ্ডের বিচার। সকালে কোচবিহারের সোনারীতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১৮১ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে উক্ত বিচারকাজ শুরু হয়। বিএসএফ এর আইন The Border Security Force Act, 1968 অনুযায়ী গঠন করা হয় জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট। মোট পাঁচজন বিচারক বিচার প্রক্রিয়া চালান আর কোর্ট পরিচালনা করেন বিএসএফের গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের ডি আই জি কমিউনিকেশনস সি পি ত্রিবেদী। ১৪ আগস্ট বুধবার থেকে শুনানি শুরু হয়। কনস্টেবল অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুন এবং বিএসএফ আইনের ১৪৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এই অমিয় ঘোষ তাঁর ৫ দশমিক ৫৬ মিলিমিটার ইনসাস রাইফেল থেকে গুলি চালিয়েছিলেন, যাতে নিহত হয় ফেলানী। ফেলানীকে হত্যার দায়ে বিএসএফের অভিযুক্ত কনস্টেবল অমিয় ঘোষ ঘটনার পর থেকেই ক্লোজ অ্যারেস্ট থাকেন। অর্থাৎ তিনি তাঁর ইউনিটের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের এলাকার মধ্যেই সীমিতভাবে ঘোরাফেরা করতে পারতেন। শুনানির শুরুতে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য শোনা হয়। নিজের রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে ফেলানীকে হত্যা করলেও এর জন্য দোষ স্বীকার করেনি কনস্টেবল অমিয় ঘোষ। এরপর ১৯ আগস্ট ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ও মামা আবদুল হানিফের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। জেনারেলসিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট ৬ সেপ্টেম্বর বিচারকাজ শেষ করে।  রায়ে ভারত-বাংলাদেশসীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার মামলায় অভিযুক্ত সীমান্তরক্ষী অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। রায়ের পরে বিএসএফের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের কনস্টেবল অমিয় ঘোষকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট ১৯৬৮ অনুযায়ী জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টের রায়ের চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য বাহিনীর মহাপরিচালকের কাছে পাঠাতে হয়। সেই প্রক্রিয়া শুরুর কথাও জানানো হয়।


    দুখঃজনক হলেও সত্য, জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টের এই বিচার ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। 'নো ওয়ান কিলড জেসিকা'র মতো যেন বলা হলো 'নো ওয়ান কিলড ফেলানী'! বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ব্যক্তি ফেলানীর ওপর যে নির্মম ও অমানবিক আচরণ করা হয়েছে তা কোনো আন্তর্জাতিক আইনেই সমর্থিত হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে গার্সিয়াঅ্ যান্ড গারজা মামলায় আদালতের পর্যবেক্ষণের কথা আবারও মনে করা যেতে পারে।


    ফেলানী হত্যাকাণ্ড সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে আইকনিক ঘটনা হয়ে উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের সঙ্গে ভবিষ্যতের আরও অনেক ঘটনার সংযোগ হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশ সরকারকে এখন এ ব্যাপারে সক্রিয় হতে হবে। এতোদিন বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর পর্যায় থেকে দেখা হয়েছে। এখন আশা করবো বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হলে অবশ্যই ফেলানী হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সবাই যেখানে জানে যে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষের রাইফেল থেকে চালানো গুলিতেই ফেলানীর মৃত্যু হয়েছে এবং মৃত্যুর পর অমানবিকভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেলানীর মৃতদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সেখানে অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেওয়া নিঃসন্দেহে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি মানুষকে বিমুখ করে তুলবে।


    দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৬৮ এর ১১৭ ধারা অনুযায়ী এই আদেশের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগটি অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।


    ১১৭ ধারায় রয়েছে- 117.Remedy against order, finding or sentence of Security force Court.


    (1) Any person subject to this Act who considers himself aggrieved by any order passed by any Security Force Court may present a petition to the officer or authority empowered to confirm any finding or sentence of such Security Force Court, and the confirming authority may take such steps as may be considered necessary to satisfy itself as to the correctness, legality or propriety of the order passed or as to the regularity of any proceeding to which the order relates.


    (2) Any person subject to this Act who considers himself aggrieved by a finding or sentence of any Security Force Court which has been confirmed, may present a petition to the Central Government, the Director- General, or any prescribed officer superior in command to the one who confirmed such finding or sentence,and the Central Government, the Director- General, or the prescribed officer,as the case may be, may. pass such order thereon as it or he thinks fit.


    ২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট আদেশ প্রদান করেছে যে সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যদের বিচার ক্রিমিনাল কোর্টেও করা যাবে। সুপ্রিম কোর্ট এ আদেশের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের রায়কে সেট অ্যাসাইড করে দেয়। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুইজন বিএসএফ সদস্য কর্তৃক একজন কাশ্মিরী কিশোরীকে হত্যার মামলায় এমন আদেশ দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, সব ধরনের মামলা সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে করা বাধ্যতামূলক নয়।  (The SC held that it was not mandatory to try all such cases in the security force court, and the commanding officer must adduce sufficient reasons on why the case should not be sent to a criminal court. It said specific provisions under the armed forces laws could not summarily take away general laws.)


    কিছুটা দেরি হয়ে গেলেও সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশকে বিবেচনায় নিতে হবে। যেভাবে জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স ফেলানী হত্যা মামলায় রায় প্রদান করেছে তা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করেছে। পাশাপাশি সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পথকে আরও উন্মুক্ত করেছে। বাংলাদেশ এবং ভারত দুটি দেশকেই সীমান্তে হত্যাকান্ডে বন্ধে ফেলানী হত্যা মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে নিতে হবে।

  • | বিভাগ : অপর বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৩৫৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rabaahuta | 172.136.192.1 (*) | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০৫75329
  • যদিও হনুদা আমাকে বলে নি, তবুও, যেহেতু পৃথিবীর কোন দেশের রুলিং এলিটের ও তাদের পলিটিক্যাল অ্যালাই এবং আমার মধ্যে কোন পারস্পরিক ভাব ভালোবাসা নেই, তাই এই ধরনের কোন বিষয়েই আমার কোন বক্তব্য থাকা উচিত নয়। যদিও আমার বক্তব্যে বিশ্বসংসারের কচুপোড়া যায়, তবু ভুবনের ভার আমার হাতে না থাকাটাকে এমন ভাবে মেনে নেওয়া যায়না, তাও যদি লোকে কবি হিসেবেও অন্তত কল্কে দিত। আর তাছাড়া ওকে, বাংলাদেশের মানুষ তাঁদের রাজনীতি করুন না, কিন্তু ভারতবাসীকে অমানুষ বলাটা কোন দেশী ভদ্রতা। আমি দেশপ্রেমী নই, কিন্তু অন্য দেশের সম্পর্কে বিষোদ্গার শুনলেও যখন কলাটা মুলোটা দিয়ে আপত্তি করার চেষ্টা করি। সেতো নাস্তিক বলে খুন করাটাও বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন রাজনীতি, তাই বলে কি আর আমার অশ্রুত চ্যাঁচামেচী গুলো, হাওয়ায় হলেও, করবোনা?

    তাই হনুদাকে একটি ক্যাপিটাল বিসর্গ দিলাম, এবং ভারত এবং ভারতবাসীকে বেইমান, অমানুষ (সরকার আর কি করে একস্ট্রা অমানুষ হবে, এটা নিশ্চয় লোকজনকেই বলা হয়েছে)ইত্যাদি বলাকে দ্বায়িত্ত্বজ্ঞানহীন বললাম।
  • pi | 172.129.44.87 (*) | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:১১75330
  • সে হিসেবে দেখতে গেলে তো শাহবাগ আন্দোলন নিয়েও আমাদের সংহতি সমালোচনা ইত্যাদি কিছুই দেখানো বা করা উচিত না।
  • ranjan roy | 132.168.65.169 (*) | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৩১75326
  • হনুকে একটা বিরাট ক!!!
    নমস্কার! সালাঅম! হ্যান্ডশেক!!
  • Ribhu | 41.52.21.119 (*) | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:০৭75327
  • ঘটনাটি নিশ্চয় বেদনাদায়ক কিন্তু সীমান্ত রক্ষী কোন অবস্থায় গুলি চালিয়েছিল সেটাও দেখার | আশা করা যায় যে উক্ত সীমান্ত রক্ষী পরিকল্পিত ভাবে তাক করে শিশুটি কে গুলি করে মারে নি | এমন ও হতে পারে যে এক দল লোক পারাপার করছিল এবং শিশুটিও ছিল সাথে এবং দুর্ভাগ্যবসত গুলিবিদ্ধ হয় |

    সীমান্ত রক্ষীর কাজ সীমান্তর প্রহরা ও বেআইনি অনুপ্রবেশ আটকানো আর সেই জন্যই তার কাঁধে রাইফেল |

    ছোট্ট শিশুটির আত্মার শান্তি কামনা করি
  • Ribhu | 41.52.21.119 (*) | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৩১75328
  • বেশ কয়েক বছর পূর্বে ভারতীয় হয়েও বাংলাদেশে মানিকগঞ্জে এক টেক্সটাইল কারখানা পরিদর্শনের সৌভাগ্য হয়েছিল এবং তার মালিক বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক দলের (যা কিনা ভারত বিরোধী দল বলে পরিচিত) এম পি |

    গোটা কারখানায় হাতে গোনা দুই এক জন বাংলাদেশী শ্রমিক দেখেছিলাম, তাও তারা বেয়ারা / বয় জাতীয় । সমস্ত দক্ষ শ্রমিকই ভারতের গুজরাত প্রদেশ থেকে আগত (পাসপোর্ট ও বৈধ ওয়ার্ক ভিসা সহ)এমনকি মিলের ম্যানেজার ও ভারতীয় !

    মিলটি তার সমস্ত উত্পাদন মার্কিন সরকারের কোটায় মার্কিন মুলুকে বিক্রি করতো |

    জয় বাংলা !
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:০৩75367
  • হ্যাঁ, কিন্তু সেটা ঐ ধরণের মন্তব্যের জন্যেও প্রযোজ্য। যখন বলা হয়, বাংলাদেশ আগে নিজের হাজারো সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামাক তারপর বিএসফ নিয়ে ভারতের দিকে আঙুল তুলবে। এসব মন্তব্যও এসেছে এবং তা এই পরিণতির দিকেই টেনে নিয়ে যায়।
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:০৬75368
  • উনি তো ভারতের আভ্যন্তরীন ব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করছেন না। ওনার দাবী যে বছরে লাখ তিরিশেক মতন বাংলাদেশীকে বে-আইনি ভাবে বর্ডার পার করতে দিতে হবে। আর কেন এত বেশী সংখ্যক বাংলাদেশীকে পেটের জন্য এত কষ্ট করে পাশের দেশে যেতে হচ্ছে, সেই প্রশ্নের কোনো উত্তর ওনার কাছে নেই। জিজ্ঞাসা করলেই 'আমরা কি ভিখারী " টাইপ সেন্টি মারছে।
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:০৭75369
  • সিকি কে 'ক'। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু দের যা হাল সেতো না বলাই ভালো। আর এখনো এদেশে নাস্তিকদের জেলে যেতে হয় না, ব্লগ লিখে খুন হতে হয় না।
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:১২75370
  • সাইফুলের বক্তব্যকে কাউণ্টার করার জন্য মেরা ভারত কত মহান জাতীয় সেন্টি দেবারও দরকার দেখিনা।

    আর আমি দুই বাংলার মধ্যে কাঁটাতার তুলে দেবার পক্ষে।
  • de | 190.149.51.66 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২১75373
  • শুধু দুই বাংলা কেন? পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, নেপাল সবজায়গায় কাঁটাতার দূর হোক! ভারতের কোথাও কোন বর্ডারের দরকার নেই। এখানে যার খুশী, যেমন খুশী আসবে যাবে, শাড়ী, ধুতি পড়ে হাত ধরাধরি করে "আমরা সবাই রাজা" গাইবে সাঁওতালী নাচের স্টাইলে! শুধু বাংলা সেন্টিমেন্ট কেন?
  • | 127.194.86.42 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২১75372
  • কাঁটাতারের বেড়া তুলে দিয়ে কী কী সুবিধে হবে পাই? জাস্ট কিউরিয়াস....
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২১75371
  • মেরা ভারত মহান এমন কথা কোথায় কে লিখেছে?
    দুই বাংলার মাঝে কাঁটা তার তুলে দেওয়ার মানে কি বাংলাদেশ কে আমরা ভারতের অঙ্গ রাজ্য হিসেবে চাইছি !!!
  • de | 190.149.51.66 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২২75374
  • বাংলাদেশকে নিয়ে আলাদা করে সেন্টি খাবারই বা কি দরকার পড়লো?
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২৫75376
  • এক ভাষা, এক সংস্কৃতির সেন্টিমেন্ট থাকবেনা ? দুই বাংলার মধ্যে কাঁটাতারটা অন্যদের কাছে অস্বাভাবিক লাগেনা দেখেই আশ্চর্য লাগল।
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২৫75375
  • পাকিস্তানের টা উঠে গেলে খুব খুশি হই। অ্যাটলিস্ট একটু ভদ্র সভ্য রিলেশান হলে - পাকিস্তান হিমালয় আর হিন্দুকুশ টা অসাধারন। তার সাথে মহেঞ্জোদরো, হিংলাজ এগুলো ও ঘোরা হবে। লাহোর জায়গাটাতেও যাওয়ার ইচ্ছে আছে।
  • siki | 131.243.33.212 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২৭75378
  • এক ভাষা এক সংস্কৃতি সেই অর্থে পাকিস্তানেও খাটে। সেক্ষেত্রে?
  • | 127.194.86.42 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২৭75377
  • ইন্টার-ন্যাশনাল বর্ডার নমে একটা কনসেপ্ট আছে না...
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৩০75379
  • পুরো উপমহাদেশেই খাটে। এরকম ভাবে এগোলে নেপাল থেকে গোর্খাল্যান্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে। একবার গোর্খাল্যান্ড হয়ে গেলেই তো এক ভাষা এক সংস্কৃতির হাত ধরে নেপাল কেও ভারতের অঙ্গরাজ্য করে নেবো আমরা।
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৪৩75380
  • ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ পুরো ভুলভাল মনে করি তো। বাকিরা সমর্থন করে নাকি ?
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৪৮75381
  • যারা ভাগ হয়ে বেড়িয়ে গেছে তারা নিশ্চয় সমর্থন করে - নইলে ভাগ যোগ কি আর হতো !! আর সেই ধুয়ে এদ্দিন ধরে খাওয়া যেত?
    রাজ্যভাগের ব্যপারে পাই দির কি মতামত?
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৫৬75383
  • সব মানুষের সমর্থন নিয়ে ভাগ করা হয়েছিল বুঝি ? যারা যেখান থেকে বেরিয়ে গেছেন, সব স্বেচ্ছায় বেরিয়েছেন, এরকমটাও জানতাম না।
  • rabaahuta | 172.136.192.1 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৫৬75382
  • কি খোরাক।

    সর্বত্রই বর্ডার টর্ডার উঠে গেলে খুশি হব, আর বাংলা ভাষা সবেচে বেশী পরিচিত বলে প্রচুর এক্স্ট্রা বাংলা সেন্টি আমার আছে, দুই বাংলার মাঝ খানে বর্ডার উঠে যাওয়া নিয়ে বেশী স্বপ্ন আমার।
    কিন্তু জানি সম্ভব নয়, ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ একটা @#$*## হয়েছিল, কিন্তু হয়েই যখন গেছে, এখন কোন দেশের কাছেই বা সার্বভৌমত্ব বিসর্জনের আশা করা যায়। সব রাষ্ট্রই মহান কিনা। কি হলে ভালো হত, আর কি হওয়া সম্ভব এর মধ্যে বিরোধ মেটার নয়। শুধু রাষ্ট্রকে মহান বানানোর চেষ্টা না করলে লোকজন বোধয় একটু কম মরে আরকি।
  • Tim | 12.133.48.103 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:১২75384
  • পাই কি প্রকারান্তরে সাইফুল বা ব্যাঘ্রমশায়ের পোস্ট সমর্থন করছে নাকি এটা শয়তানের ওকালতি। একবারও তো ভারতের কাউকে মহান ইত্যাদি বলে কেত্তন করতে দেখলাম না। তাহলে উগ্র জাতীয়তাবাদ টা কোথায় পাওয়া গেল। "অমানুষ" "বেইমান" এই শব্দগুলো ভারতের (মানুষের) দিকে কে ছুঁড়েছে পাই? বন্দুক আর পাখির গল্পটাই বা কে আনলো? কোথায়ই বা বলা হয়েছে বাংলাদেশের সবাই ভিখিরি ইত্যাদি? হুতোদার পোস্ট আমরা সবাই কি পড়ছিনা? যিনি সুবিধাবাদী মানে করে নিয়ে তরোয়াল ঘোরাচ্ছেন তার দায় নয় পোস্টের মানে বুঝে কথা বলার?
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:২৯75385
  • ওহ, মানুষের অমত ছিল তাও কিছু দুষ্টু নেতা দেশ ভাগ করে দিয়েছে আর লোক্জন সেসব মেনে নিএয় মনের দুঃখে আলাদা হয়ে গেছে !!!!
    আমি শুধু এই পয়েন্ট গুলোকে গোর্খাল্যান্ডের খাপে ফেলতে চাইছি - আর কিছু না।
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৩০75386
  • ভারতে নাস্তিকেরা কত ভাল আছে, সংখ্যালঘুরা ভাল আছে, এই তুলনামূলক কথাগুলো বলার প্রয়োজন দেখিনি। সেগুলো একরকম করে মহান দেখানোই।
    আর বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে এই সুতোর শুরুরদিকের কথাগুলো একবার পড়ে নিতে বলব। সেগুলো খুব সম্মানজনক ছিল বলে মনে হয় কি ? তোমরা বলেছ, একথা কি একবারও বলেছি ? আর হ্যাঁ, এখানে বলে নয়, এই বাংলাদেশীরা ভিখিরি ইঃ বলে প্রোজেক্ট করাটা এপারের অনেক লোকজনের কাছেই শুনলাম এই ক'দিনে।নানা ফোরামে।
    অন্য পক্ষের বক্তব্য ভুলভাল হতে পারে কিন্তু নিজেদের ভুলভ্রান্তিগুলোও দেখা দরকার, এটুকুই মনে করি। ঠিক শয়তানের ওকালতি নয়। সাইফুলের বক্তব্যের সমর্থন মনে হলে বোঝাতে নাচার।
  • Blank | 180.153.65.102 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৩২75387
  • কেউ যখন তুলনামুলক আলোচনা করতে চাইছে তখন এই তুলনা গুলো কেন টানা হবে না সেটা একেবারে বুঝলাম না।
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৪০75388
  • বিদ্বেষ দু'তরফেই আছে। একটা বিদ্বেষ অন্যটার জন্ম দেয়। শুরু শেষ বুঝিনা, আপাতত এটা একটা সাইকল। এটা থেকে বেরোনো দরকার। একটা ডায়লগ তৈরি করার জায়গা হওয়া দরকার, সেটা বুঝি। অমুকে বিএনপি অতএব এক কথায় ভারত বিদ্বেষী এবং তাই তার কোন কথায় কোন সারবত্তা নেই, শুধু অন্ধ বিদ্বেষ আর নিজের দেশ নিয়ে গদগদ সেন্টি আছে, এরকমটা ধরে নিয়ে প্রত্যুত্তরে সমান আক্রমণাত্মক কি ব্যঙ্গাত্মক হলে ডায়লগের জায়গাটা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়, এটাও মনে করি। বেইমান, অমানুষ ইঃ বলা নিয়ে অক্ষদা, হুতোর পোস্টগুলোতে কিছু আপত্তি তুলিনি। ঐ কথাগুলো বলা না হয়ে গিয়ে থাকলে বলতামও।

    যাইহোক, এবার সাইফুল বাবুকে প্রশ্ন করেই ফেলি। এখানে তো ফেলানির মৃত্যুর প্রতিবাদ, বি এস এফের নিন্দা নিয়েও তো এত পোস্ট দেখলেন।সেগুলো দেখার পরেও আপনি সবাইকে এরকম সমসত্ব এনটিটি ধরে যে পোস্টগুলি করে চলেছেন, সেগুলো নিয়ে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখতে বলব।
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৪২75390
  • কেউ ভুল করলে আমাকেও ভুল করতে হবে ? কোথাও তো একটা থামা দরকার। নইলে , ঐ , ঐ ভিশাস সাইকেলেই ঘুরতে থাকবো।
  • Tim | 12.133.48.103 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৪২75389
  • অন্য ফোরামে যা হয়ে তা অন্য ফোরামেই থাক। মাসির কাছে চড় খেয়ে পিসিকে মারতে এলে রেসপন্স এরকমই হবে। সমস্ত ভারতবাসী মোটেই বাংলাদেশের সবাইকে ভিখিরি ভাবেনা। যারা এসব বলে তাদের প্রতি প্রতিবাদ রাগ ইত্যাদি হোক।
    ভাষা ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য দুই বাংলার মানুষের মধ্যে যথেষ্ট বন্ধুত্ব ছিলো আছে ও থাকবে। পারষ্পরিক সম্মানও, যতটুকু ছিলো ও আছে। এই আলটপকা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জাতীয়তাবাদের কারণে সেসব নষ্ট যাতে না হয় তাই এই পাতায় এর প্রতিবাদ দরকার বলে মনে করি।
  • Tim | 12.133.48.103 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৪৭75392
  • আমি আবার কি ভুল করলাম? আমি তো এমনকি কাউকে ভিখিরি বা বাঘের বিচি কিছুই বলিনি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন