ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  অপর বাংলা

  • নো ওয়ান কিলড ফেলানি

    একরামুল হক শামিম লেখকের গ্রাহক হোন
    অপর বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৩৫৭৮ বার পঠিত
  • বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যয়নকালে চতুর্থ বর্ষে 'আন্তর্জাতিক আইনে' গার্সিয়া অ্যান্ড গারজা মামলা পড়তে হয়েছিল। মনে আছে, এ নিয়ে ক্লাসরুমে বেশ আলোচনাও হয়েছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটি মেক্সিকো ভার্সেস ইউএসএ, ১৯২৬ নামে পরিচিত। এই মামলাটি শেষ পর্যন্ত মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র জেনারেল ক্লেইমস কমিশনে নিষ্পত্তি হয়েছিল। মেক্সিকোর একটি দরিদ্র পরিবারের দুই সন্তান রাতের আঁধারে রিওগ্রানদে নদী সাঁতরে যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা অতিক্রম করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে নিহত হয়। তারা এমন এক স্থানে গুলিবিদ্ধ হয় যেখানে মেক্সিকো ওযুক্তরাষ্ট্রের আইনে নদী পারাপার নিষিদ্ধ ছিল। সীমান্তরক্ষী অফিসার চোরাচালানের উপর নজর রাখার জন্যই বিশেষভাবে নিযুক্ত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব মার্শাল সীমান্তরক্ষী অফিসারকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং অফিসারকে চাকরি থেকে অব্যাহতির আদেশ দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেই আদেশের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন এবং অফিসারকে পুনঃরায় চাকরিতে বহাল করেন। বিষয়টি মেক্সিকো-ইউএসএ জেনারেল ক্লেইমস কমিশনে বিবেচনার জন্য প্রেরণ করা হয়। আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, অফিসারের কৃতকর্ম রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা যেভাবেই বৈধ করার চেষ্টা করা হোক না কেন এটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো কাজ নয়। শিশু দুটির অনানুমোদিত স্থান দিয়ে নদী পারাপারের চেষ্টা নিঃসন্দেহে বেআইনি কাজ। কিন্তু কেবল এই কারণে কেনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত বা অনুমোদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক আইনে ব্যক্তির প্রতি আচরণের একটি ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য মাত্রা রয়েছে। এমন কোনো আইন নেই যার মাধ্যমে ব্যক্তির প্রতি এমন অমানবিক আচরণ সমর্থিত হতে পারে। সুতরাং মেক্সিকান শিশু দুটির হত্যা নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং এর জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী হবে। সেই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে নিহতের বাবা-মাকে ২ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়। ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণের চেয়ে বড় বিষয় হলো দায়ী পক্ষ দণ্ড পেয়েছে।


    গার্সিয়া এবং গারজা মামলাটি অনেকদিন পরে প্রাসঙ্গিকভাবে মনে পড়ে গেল। তবে এবারের ফলাফল ভিন্ন। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি। ভোরবেলা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার অন্তর্গত চৌধুরীহাট সীমান্ত চৌকির কাছে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয় বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন। কনস্টেবল অমিয় ঘোষ গুলি করে। কাঁটাতারে দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকে ফেলানীর মৃতদেহ। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তারপর থেকেই ফেলানী হত্যার বিচারের দাবি জানানো হয়। নানা ধাপের পর সেই বিচার শুরু হয় ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট। স্বাভাবিকভাবেই এ বিচার কাজ নিয়ে অনেক রকমের প্রত্যাশা ছিল। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তকে বলা হয় পৃথিবীর অন্যতম রক্তক্ষয়ী সীমান্ত। সেই সীমান্তের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথম কোনো বিচার নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অনেক রকমের প্রত্যাশা থাকে। সীমান্তের হত্যাকাণ্ড বন্ধে এই মামলা হতে পারতো প্রথম ধাপ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই পথ উন্মোচিত হয়নি। প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বিচারপ্রক্রিয়া।


    ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে শুরু হয় ফেলানী হত্যাকাণ্ডের বিচার। সকালে কোচবিহারের সোনারীতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১৮১ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে উক্ত বিচারকাজ শুরু হয়। বিএসএফ এর আইন The Border Security Force Act, 1968 অনুযায়ী গঠন করা হয় জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট। মোট পাঁচজন বিচারক বিচার প্রক্রিয়া চালান আর কোর্ট পরিচালনা করেন বিএসএফের গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের ডি আই জি কমিউনিকেশনস সি পি ত্রিবেদী। ১৪ আগস্ট বুধবার থেকে শুনানি শুরু হয়। কনস্টেবল অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুন এবং বিএসএফ আইনের ১৪৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এই অমিয় ঘোষ তাঁর ৫ দশমিক ৫৬ মিলিমিটার ইনসাস রাইফেল থেকে গুলি চালিয়েছিলেন, যাতে নিহত হয় ফেলানী। ফেলানীকে হত্যার দায়ে বিএসএফের অভিযুক্ত কনস্টেবল অমিয় ঘোষ ঘটনার পর থেকেই ক্লোজ অ্যারেস্ট থাকেন। অর্থাৎ তিনি তাঁর ইউনিটের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের এলাকার মধ্যেই সীমিতভাবে ঘোরাফেরা করতে পারতেন। শুনানির শুরুতে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য শোনা হয়। নিজের রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে ফেলানীকে হত্যা করলেও এর জন্য দোষ স্বীকার করেনি কনস্টেবল অমিয় ঘোষ। এরপর ১৯ আগস্ট ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ও মামা আবদুল হানিফের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। জেনারেলসিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট ৬ সেপ্টেম্বর বিচারকাজ শেষ করে।  রায়ে ভারত-বাংলাদেশসীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার মামলায় অভিযুক্ত সীমান্তরক্ষী অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। রায়ের পরে বিএসএফের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের কনস্টেবল অমিয় ঘোষকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট ১৯৬৮ অনুযায়ী জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টের রায়ের চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য বাহিনীর মহাপরিচালকের কাছে পাঠাতে হয়। সেই প্রক্রিয়া শুরুর কথাও জানানো হয়।


    দুখঃজনক হলেও সত্য, জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টের এই বিচার ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। 'নো ওয়ান কিলড জেসিকা'র মতো যেন বলা হলো 'নো ওয়ান কিলড ফেলানী'! বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ব্যক্তি ফেলানীর ওপর যে নির্মম ও অমানবিক আচরণ করা হয়েছে তা কোনো আন্তর্জাতিক আইনেই সমর্থিত হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে গার্সিয়াঅ্ যান্ড গারজা মামলায় আদালতের পর্যবেক্ষণের কথা আবারও মনে করা যেতে পারে।


    ফেলানী হত্যাকাণ্ড সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে আইকনিক ঘটনা হয়ে উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের সঙ্গে ভবিষ্যতের আরও অনেক ঘটনার সংযোগ হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশ সরকারকে এখন এ ব্যাপারে সক্রিয় হতে হবে। এতোদিন বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর পর্যায় থেকে দেখা হয়েছে। এখন আশা করবো বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হলে অবশ্যই ফেলানী হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সবাই যেখানে জানে যে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষের রাইফেল থেকে চালানো গুলিতেই ফেলানীর মৃত্যু হয়েছে এবং মৃত্যুর পর অমানবিকভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেলানীর মৃতদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সেখানে অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেওয়া নিঃসন্দেহে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি মানুষকে বিমুখ করে তুলবে।


    দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৬৮ এর ১১৭ ধারা অনুযায়ী এই আদেশের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগটি অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।


    ১১৭ ধারায় রয়েছে- 117.Remedy against order, finding or sentence of Security force Court.


    (1) Any person subject to this Act who considers himself aggrieved by any order passed by any Security Force Court may present a petition to the officer or authority empowered to confirm any finding or sentence of such Security Force Court, and the confirming authority may take such steps as may be considered necessary to satisfy itself as to the correctness, legality or propriety of the order passed or as to the regularity of any proceeding to which the order relates.


    (2) Any person subject to this Act who considers himself aggrieved by a finding or sentence of any Security Force Court which has been confirmed, may present a petition to the Central Government, the Director- General, or any prescribed officer superior in command to the one who confirmed such finding or sentence,and the Central Government, the Director- General, or the prescribed officer,as the case may be, may. pass such order thereon as it or he thinks fit.


    ২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট আদেশ প্রদান করেছে যে সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যদের বিচার ক্রিমিনাল কোর্টেও করা যাবে। সুপ্রিম কোর্ট এ আদেশের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের রায়কে সেট অ্যাসাইড করে দেয়। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুইজন বিএসএফ সদস্য কর্তৃক একজন কাশ্মিরী কিশোরীকে হত্যার মামলায় এমন আদেশ দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, সব ধরনের মামলা সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে করা বাধ্যতামূলক নয়।  (The SC held that it was not mandatory to try all such cases in the security force court, and the commanding officer must adduce sufficient reasons on why the case should not be sent to a criminal court. It said specific provisions under the armed forces laws could not summarily take away general laws.)


    কিছুটা দেরি হয়ে গেলেও সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশকে বিবেচনায় নিতে হবে। যেভাবে জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স ফেলানী হত্যা মামলায় রায় প্রদান করেছে তা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করেছে। পাশাপাশি সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পথকে আরও উন্মুক্ত করেছে। বাংলাদেশ এবং ভারত দুটি দেশকেই সীমান্তে হত্যাকান্ডে বন্ধে ফেলানী হত্যা মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে নিতে হবে।

  • | বিভাগ : অপর বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৩৫৭৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কল্লোল | 111.63.150.235 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৩১75245
  • বেআইনীভাবে সীমান্ত পার করতে গেলে নিশ্চই গ্রেপ্তার করা উচিৎ। দেখিলেই গুলি ব্যাপারটা খুবই অমানবিক। যারা শিশু খাদ্যে ভেজাল দেয়, যারা মানুষের শেষ বয়সের পেনশনের টাকা নিয়ে ফাটকা খেলার আইন বানায়, তাদের কি হবে? বেআইনীভাবে সীমান্ত পার হওয়া কি তার চেয়েও বড় অপরাধ? কোই তাদের বেলায় দেখিলেই গুলি-টুলির ইচ্ছে হয় না তো!!!
  • Mrinal Mazumder | 87.12.28.192 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৩৯75246
  • e sob Bangladeshi NAGORIK just kaaj korar jonyo India te Oboidho Pothe aase, tader ke Kajer Visa debar bebostha korle, Felani r moto karo ai bhabe OkalMrityu hobena. BD-India sorkar ar uchit akta CHUKTI Kora!

    Temni je sob BOSTU r ChoraChalan hoy, se gulo jodi 2 desh legal way te import export kore, jemon Goru, others food... ta hole BSF ar kaj kome jaay, Indian Govt totha tax payer der khoroch kome.

    Ai problem gulo govt level a somadhan korle Border area te curfew chalu kora jaay, aar jara tarporeo chora chalani r business( jemon jaal taka) korbe, tader ke dhorte parle o proman thakle GULI korai upojukto kaj hobe, karon era desher sobar shotru, orthoniti dhonsho kore, temni eder ke jail a rekhe bosiye khete debar daay tax payer der noy!

    aar a jonyo WB Govt keo active hote hobe!

    Onyo thread a akjon prohnso koreche:
    "Avik Ghatak Nijeder-e kaaj nei abar bideshi-der kaaj-er visa dite jaabe kon dukkhye?"

    Avik Bombay delhi te prochur BD lok barir kaaj kore. era oboidho pothe aase, dalal ra eder niyontron kore, dalal der pichone thake mafia o dhormiyo moulobadi ra. kajei ai kaj korte chaoya manush gulo nirbhoye kaj korte parena. chahida jokhon aache, tokhon chahida legal way te puron kora uchit!
  • কল্লোল | 125.241.5.126 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০৬75247
  • ঐ গুলির ব্যাপারটা ছাড়া মৃণালবাবুর সাথে একমত। দিল্লী ও মুম্বাইতে কয়েক লক্ষ বাংলাদেশী নানান ছুটকো কাজ করে, এদেরকে আইনী ভাবে কাজের ভিসা দিলেই তো গোল চুকে যায়। এমন নয় যে ঐ ছুটকো কাজগুলো অন্য প্রদেশের গরীব ভারতীয়রা করে না। তার পরেও বাংলাদেশীদের জায়গা হয়েই যায়।
    গরু চালান আইনী করে দিলেই হয়। অস্ট্রেলিয়ায় ক্যাটল ফার্মিং তো হৈ হৈ ব্যাবসা। এখানে করলে ক্ষতি কি?
    বাকি রইলো জাল টাকা। এটাকে আইনী করা যাবে না। সুরক্ষা বাড়ানো হোক। বিএসএফ দুর্নীতিমুক্ত হোক।
    জাল টাকা চালানকারীদের গুলিটা বুঝলাম না। ওরা দেশের অর্থনীতিকে "ধ্বংস" করছে। তা, কালো টাকাওয়ালা কি অর্থনীতির উন্নতি করছেন? তাদের গুলিটিলু করা যাবে কি? একটু ভেবে বলবেন।
  • cb | 202.193.116.142 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:১১75248
  • মইনুলের কথাগুলি ফেলতে পারলাম না
  • শ্রী সদা | 122.79.36.149 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৪০75249
  • কল্লোলদা, কত লোককে জেলে ভরবেন ? বর্ডার এলাকায় তো লোকে হপ্তায় হপ্তায় এপার ওপার করে। তার চেয়ে দু চারজন বর্ডার টপকাতে গিয়ে গুলি খেলে আপসেই অনুপ্রবেশ কমে যাবে। বর্ডার অঞ্চলগুলোতে আইন শৃঙ্খলার অবনতির জন্যে এই বর্ডার টপকে আসা জনতা অনেকাংশে দায়ী। তার পর এরা এখানে এসে সস্তায় কাজ করে কাজের বাজারের বারোটা বাজাচ্ছে। নিজের চোখেই দেখছি, কেষ্টপুর -বাগুইহাটি অঞ্চলে ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার, সেলুনের কর্মী , অটোচালক বেশীরভাগই বর্ডার টপকে আসা লোকজন - এখানে এসে পার্টির দাদা ধরে ভোটার কার্ড বানিয়েছে।মূর্শিদাবাদ, মালদা, দিনাজপুরে মুসলিম পপুলেশন চোখে পড়ার মত বাড়ছে - অনুপ্রবেশ ছাড়া এর কোনো কারণ হতে পারে না।

    আর সরকার আগে নিজের দেশে বেকার সমস্যা কমাক তার পর বাইরের লোকজনকে জব ভিসা দেবে। সব দেশের সরকারই জব ভিসা দেওয়ার সময় নিজের লাভটা আগে দেখে । বেআইনি অনুপ্রবেশ বন্ধ করাটা সরকারের দুর্নীতি দূর করার থেকে কম গুরুত্বের কাজ নয়।
  • h | 127.194.226.83 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৩০75273
  • কেন বি এস এফ এর যারা ঘুষ নেয়, তাদের শুট অ্যাট সাইট নয় কেন। এই রিপাবলিকে মোটামুটি হাতে বন্দুক থাকলেই মজন্তালী।
  • rabaahuta | 172.136.192.1 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:২৫75293
  • আমার ছোটবেলার আগরতলায়, বাড়ির কাজের লোক, রিক্সাচালক, ভিখিরী, দিনমজুর অনেকেই সকালে বাংলাদেশ থেকে আসতো, কাজ করে বিকেলে চলে যেত। তো ওদের দেশ, অর্থনীতি, জাতীয়তাবাদ, বিশ্বব্যাঙ্ক, মুদ্রার অবমূল্যায়ন, এসব কেউ শিখিয়ে দেয়নি, এসব তো দূরের কথা, অ আ ক খ, আতাগাছে তোতাপাখী এসবও শেখায়নি। নিজেরা যেটুকু শিখতে পেরেছিল সেটা হচ্ছে বেঁচে থাকতে গেলে খেতে হয়, আর খাওয়া যোগাড় করতে হলে এদিক ওদিক যেতে হয়, বিয়েসেফ বিডিআর নামে কিছু আপদ আছে, তাদের মধ্যে কিছু ভালো লোক কিছু মন্দ লোক, তাদের যথাযথভাবে তুষ্ট করতে হয়।

    আর কি আশ্চর্য, তাদের এইসব অনুপ্রবেশকারীদের বাপদাদাদেরও অনেককাল আগে কেউ জিজ্ঞেস করেনি, তোমাদের দেশটা ভাগ করে দিচ্ছি, তোমাদের নদীর জল, তোমাদের বৃষ্টির আকাশ, তোমাদের ধানের ক্ষেত আমরা ভাগ করে খেয়ে নিচ্ছি তোমাদের পেটে ছোট্ট করে দুটো লাথি মারছি, তোমাদের আপত্তি নেই তো?

    তো, দুর ছাই, দলে দলে লোক আসুক, বর্ডার ফ্র্ডার গাধার গাঁ* চলে যাক। এইসব করে যদি কখনো আমাদের মহান মানব সভ্যতার শিক্ষা হয়। এই প্রসেসের মধ্যে এইরকম কিছু বাচ্ছা ছেলেমেয়ে মরে যাবে আরকি।
    আর হ্যাঁ, সুমন একটা স্ট্যান্ডার্ড ডিসক্লেমার সাপ্লাই করে দিয়েছেন- 'আমিও ভন্ড অনেকের মত'- আমার নিজের এসব করার সাহস হবে না, করবো ও না। কিন্তু কোন একদিন যদি শুনতে পাই, হঠাৎ করে হাজার হাজার মানুষ সীমান্তরক্ষীদের বুলেটকে আউটনাম্বার করে দল বেঁধে কাঁটাতার মাড়িয়ে এই দেশ থেকে ঐ দেশ উল্লাসে হাঁটা দিয়েছেন, তাহলে একস্ট্যাসি অনুভব করবো।
  • mila | 71.8.33.132 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৩১75274
  • ফেলানির বাবা, যার মেয়ের পরের দিন বিয়ে ছিল, তিনি বর্ডার পার হওয়ার সময় আগে নিজে পার হয়ে গেলেন, মেয়ে কে পিছনে গুলি চালানোর মধ্যে ফেলে, তার শাস্তি নিয়ে কেউ কিছু বলছেনা কেন?
  • কল্লোল | 125.242.162.71 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৪৯75276
  • তার সন্তানকে গুলি করে টাঙ্গিয়ে রেখে দিলো। তারপর তার আরও শাস্তি চাই? যাগ্গে, নিদান তো হাঁকাই আছে - দেখিলেই গুলি।
    আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এরকম বোধহীন মন্তব্য যারা করেন, তাদের দেখিলেই........................ চুমু দেওয়া উচিৎ। হাতে বন্দুক বা কলম/কিবোর্ড -
    কি বা আসে যায় / বন্দর যদি শ্মশানের ছাই গায়ে মাখে / ঘরে ঘরে মরা শিশুর কান্না / ক্ষুধিত মায়েরা মনে রাখে - কি বা আসে যায়।
  • mila | 71.8.33.132 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৫৮75277
  • কল্লোল বাবু, আপনার এই মন্তব্য বোধহীন মনে হয়েছে জেনে দুঃখিত
    তবে ১৫ বছর বয়স্ক নাবালিকা কে নিয়ে বিপদ এর মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় যিনি আগে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন, তিনি হয়ত আপনার ভাষায় 'বোধ যুক্ত', কিন্তু তাকে ভালো বাবা কিম্বা ভালো মানুষ বলতে পারলামনা
  • mila | 71.8.33.132 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:০১75279
  • দ, আমার তথ্যের সুত্র ইন্টারনেট, চেষ্টা করছি লিংক খুঁজে বার করতে
  • | 24.97.60.17 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:০১75278
  • মিলা, আপনি কি নিশ্চিত জানেন ফেলানির বাবা আগে চলে গেছিলেন? আগে নিজের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছিলেন? আপনার তথ্যের উৎস কী?
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:০৩75280
  • পৃথিবীর বিভিন্ন দেশগুলোর বর্ডার এলাকা, নো-ম্যান্‌স-ল্যান্ড --- এগুলোর আইনকানুন দুভার্গ্যবশত কমবেশী এমনই।
  • | 24.97.60.17 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:১০75281
  • না ল্যাদোশ। কোনো বর্ডারে সীমানা পেরোনর জন য় নিরস্ত্র মানুষের ওপরে গুলি চালানো যায় না। হয়ও না। ধরে জেলে ভরে অনন্তকাল আটকে রাখতে পারে, কিন্তু মেরে ফেলতে নয়।

    আর বিএসীফের গুণপনার শেষ নেই। এর আগে একটা সময় বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে ঢুকে লোক মেরে আসত। ভারতের সংবাদপত্রে সেসব খবর বেরোত না বলাবাহুল্য। এরপরে বাংলাদেশ দুই একটা কড়া স্টেপ নেয়। তারপর ঐটা বন্ধ হয়। এই বিএসএফই সীমান্ত এলাকায় ভারতবাসীর ওপরে, গরীব মানুষজনের ওপরেও যথেষ্ট অত্যাচার চালায়। মাঝেমধ্যে খবরের কাগজে ছিটকে সেসব খবর চলেও আসে।

    আবার বলছি এই বিএসএফ এই একই লোকজন বদলী হয়ে পাকিস্তান বা চীন সীমান্তে গেলে এই কাজ করে না। বলা ভাল করার সাহস পায় না।
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:১৪75282
  • সারা দুনিয়া জুড়ে হচ্ছে... ইউএস-মেক্সিকো বর্ডার, প্যালেস্তাইন-ইস্রায়েল, কোরিয়া, আফ্রিকার দেশগুলির তো কোনো হিসাবই নাই... বর্ডার পেরোনো তো দূরের কথা, কাছাকাছি দেখলে দুমদাম গুলি চালিয়ে দিচ্ছে...
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:১৭75284
  • ভারত-পাকিস্তান বর্ডারে তো মাঝেমধ্যে এমনিই র‌্যান্ডম গুলি চলে, এক্সচেঞ্জ অফ ফায়ার, তার মধ্যে লোকজন যায়-ও না খুব একটা... বেমক্কা গুলি কে আর খেতে চায়...
  • ranjan roy | 24.97.120.59 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:১৮75294
  • আমার দেশস্থ মহারাষ্ট্রিয়ান ( মারাঠি বামুনদের মধ্যে দেশস্স্থ বন্ধু -কোংকনস্থ প্রায় বাঙাল-ঘটি গোছের ব্যাপার!) বন্ধু গোঁসা করেছেন। ইউপি -- বিহারের গোয়ালাশ্রেণীর লোকজন এসে সাধের মুম্বাইকে নোংরা ও অপরাধীদের স্বর্গ বানিয়ে দিয়েছে। ওরা নিজেদের আগ্রা-বেনারস-কানপুরকে গিয়ে মুম্বাই বানাক না! তা না করে নিজেদের ঘরের ময়লা সাফ না করে কেন এখানে ভীড় করছে? ওরাই খাটাল থেকে দুধওলা ভাইয়া হল, তারপর মাফিয়াদের হিটম্যান "ভাই"!
    ড্রাইভারের চাকরির জন্যে দরকারি কাগজ জোগাড় করতে যখন সুশীল-সুবোধ মারাঠি যুবকটি হিমশিম খাচ্ছে, তখন মাফিয়ার মাধ্যমে জাল কাগজ তৈরি হয়ে ইউপি-বিহার থেকে চলে আসে। মারাঠি যুবকেরা এই অনৈতিক প্রতিযোগিতায় দাঁড়াতে না পেরে নিজভূমে পরবাসী হয়ে যায়। এর বিহিত হওয়া দরকার।
    বন্ধুটি কংগ্রেসি,সংস্কৃতিপ্রেমী, সংসদে সিপিএম এর সীট কমায় দুঃখিত, ওয়ার্কিং ক্লাসের জন্যে বলার লোক নেই বলে!
    আমার বিহারি কলীগ এই কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে বলে--- এই যুক্তিতে লুরু-দিল্লি-হায়দ্রাবাদ থেকে মারাঠিদের ফিরে এসে পুণে-মুম্বাইয়ে ভীড় করা উচিত। নিউইয়র্ক থেকেও ফিরে আসা উচিত। আর অরুণ গাওলী এবং বেশ কিছু দায়ুদের হিটম্যান মারাঠি, ভাইয়া নয়--সেটা খেয়াল করা উচিত।
    আসলে কয়েক দশক আগে মারাঠি সুশীল-সুবোধরা গাড়ি চালানোর মত ছোট কাজ করতে চাইত না, এখন টনক নড়েছে। আর খাটাল খুলে দুধ সাপ্লাইয়ের ব্যাপারটা আজও ওরা করতে চায় না। এখন বিহারিরা সেই স্পেস ছাড়বে কেন?
    আর মুম্বাই কি ভারতের বাইরে নাকি?

    আমি দেখি দিল্লি ও মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ থেকে এবং বঙ্গের গাঁ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীরা জমিয়ে পাচক ও ঘরের কাজের লোক হয়ে দিব্য করে খাচ্ছেন। লন্ডনে ও আম্রিকাতেও এরম কিছু হয়েছে বলে শুনেছি। এর কুফল নিয়ে বিশেষ কিছু জানিনে।
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৩২75285
  • বর্ডার প্যাট্রোলের ঝামেলা আছেই -
    Myanmar soldiers shot dead China farmer
    BEIJING -- China said Tuesday it had lodged an official complaint with Myanmar after two soldiers illegally crossed the border into southwest China and shot dead a local resident...
    *********
    Forty five Cambodians shot dead on Thai border
    ...all this nationalism that's just for the masses. The people making real money at the border are Thai and Cambodian businessmen and politicians...
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৪১75295
  • এলসিএম যেটা বলছেন সেটা পুরোপুরি ঠিক না। স্কেলের ডিস্প্যারেটি ভয়ানক বেশি। ইউএস-মেক্সিকান বর্ডারে একটা শুট হলে ভারত-বাংলাদেশে ১০০০ টা হয়। মেক্সিকো-ইউএস বর্ডারে মানুষ গরমে, ডিহাইড্রেশনে অনেক বেশি মারা যায়।

    ভারতের ক্ষেত্রে এটা অলমোস্ট একটা অফিসিয়াল স্ট্যান্ড - এই লেখাটাও পড়ুন - http://www.theguardian.com/commentisfree/libertycentral/2011/jan/23/india-bangladesh-border-shoot-to-kill-policy
  • | 24.97.60.17 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:০২75286
  • দেখলাম মিলা।
    প্রতিবেদন পড়বার পরেও আপনি জাজমেন্টাল হয়ে বাবার শাস্তি দাবী করছেন ......... আমার সত্যিই কিচ্ছু বলার নেই।

    আমার মনে হচ্ছে একসাথেই পেরোনর চেষ্টা করেন। ফেলানি পিছ্জিয়ে পড়ে, গুলি খায়, বাবার মন পরে নিজেকেই দোষী সাব্যস্ত করবে সেটাই স্বাভাবিক। তখন মনে হবে ইশ এইটা কেন করলাম না বা ঐটা কেন করলাম না।

    তবে এ নিয়ে কচলাতে ভাল্লাগছে না। আপনার জাজমেন্ট আপনার থাক।
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৩৫75296
  • হুতো-কে ক।
  • রূপঙ্কর সরকার | 126.203.180.83 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৪৯75287
  • দিল্লীতে জে পি (নির্ভয়া বলে চালানো হচ্ছে) নামে মেয়েটির বেলাতেও দেখেছি রেপ রেপ করে হৈ হৈ। তাতে ফোকাস নষ্ট হয়। রেপটা ইসু ছিল, না শাবল ঢোকানো এবং মৃত্যু?

    ফেলানির বেলা অনুপ্রবেশ অনুপ্রবেশ বলে হৈ চৈ। আরে বাবা, ফেলানি তো 'অনুপ্রস্থান' করছিল। তার মানে দুটো প্রশ্ন উঠে এল। এক নম্বর, যে বর্ডার ক্রস করে অন্য দেশে চলে যাচ্ছে, তাকে গুলি করে কী লাভ হ'ল অমিয় ঘোষের? দ্বিতীয় প্রশ্ন, সে যদি শুধু সীমান্তরক্ষী হিসেবেই তাৎক্ষণিক উত্তেজনায় গুলিটা করে থাকে, তবে তো তার ফেলানিকে ভারতীয় মনে করাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশি তো ভারত থেকে বাংলাদেশ যায়না, তারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসে।

    এবার কাঁটাতারের বেড়ার ওপর মই পাতা ( ছবিতে সেটা দেখাও যাচ্ছে), তোড়জোড় করা, তাতে সময় তো বেশ খনিকটা গেছে, কোনও বিএসএফ সেন্ট্রি দেখতে পেলনা ? আমরা যা জানি আর যা জানিনা, তার মধ্যে কতটা ফাঁক?
  • a | 132.179.86.58 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৫৫75297
  • দেবকে ক।
  • rabaahuta | 172.136.192.1 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:০০75298
  • দেবকে আমিও ক দিলাম।

    ব্যাক্তিগত দিবাস্বপ্ন ইত্যাদি ভুলে আরকি।
  • cm | 233.236.221.3 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:০৩75299
  • এতে কি আপনার অ্যাকাউন্টের ক সব অটোমেটিকালি ট্রান্স্ফার্ড হয়ে যাবে।
  • Az | 161.141.84.239 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:১৮75300
  • আমার অ্যাকাউন্টে কি কোনো ক পড়লো?
  • Mrinal Mazumder | 87.12.36.81 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৪৬75301
  • Kalo Taka chora Karbari r sathe jara jukto, tader ke Guli kortei hobe, Temni Jara deshe Kalo Takar Malik, tader sob property sorkar niye tader keo Prokashye GULI Korle amar kono apotyi ney. Durniti Mukto somaj chai! Temni chai next 100 years ar jonyo One Family one CHILD.
  • a | 132.172.178.112 (*) | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৩২75288
  • সত্যিই কি এ বিষয়ে কোন তথ্য আছে যে ভারতের সাথে সংলগ্ন দেশগুলির সীমান্তে লাস্ট কতজনকে মেরেছে বিএসেফ, ধরুন লাস্ট ৫ বছরে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন