ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  অপর বাংলা

  • নো ওয়ান কিলড ফেলানি

    একরামুল হক শামিম লেখকের গ্রাহক হোন
    অপর বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৩৫৭৭ বার পঠিত
  • বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যয়নকালে চতুর্থ বর্ষে 'আন্তর্জাতিক আইনে' গার্সিয়া অ্যান্ড গারজা মামলা পড়তে হয়েছিল। মনে আছে, এ নিয়ে ক্লাসরুমে বেশ আলোচনাও হয়েছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটি মেক্সিকো ভার্সেস ইউএসএ, ১৯২৬ নামে পরিচিত। এই মামলাটি শেষ পর্যন্ত মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র জেনারেল ক্লেইমস কমিশনে নিষ্পত্তি হয়েছিল। মেক্সিকোর একটি দরিদ্র পরিবারের দুই সন্তান রাতের আঁধারে রিওগ্রানদে নদী সাঁতরে যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা অতিক্রম করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে নিহত হয়। তারা এমন এক স্থানে গুলিবিদ্ধ হয় যেখানে মেক্সিকো ওযুক্তরাষ্ট্রের আইনে নদী পারাপার নিষিদ্ধ ছিল। সীমান্তরক্ষী অফিসার চোরাচালানের উপর নজর রাখার জন্যই বিশেষভাবে নিযুক্ত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব মার্শাল সীমান্তরক্ষী অফিসারকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং অফিসারকে চাকরি থেকে অব্যাহতির আদেশ দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেই আদেশের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন এবং অফিসারকে পুনঃরায় চাকরিতে বহাল করেন। বিষয়টি মেক্সিকো-ইউএসএ জেনারেল ক্লেইমস কমিশনে বিবেচনার জন্য প্রেরণ করা হয়। আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, অফিসারের কৃতকর্ম রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা যেভাবেই বৈধ করার চেষ্টা করা হোক না কেন এটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো কাজ নয়। শিশু দুটির অনানুমোদিত স্থান দিয়ে নদী পারাপারের চেষ্টা নিঃসন্দেহে বেআইনি কাজ। কিন্তু কেবল এই কারণে কেনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত বা অনুমোদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক আইনে ব্যক্তির প্রতি আচরণের একটি ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য মাত্রা রয়েছে। এমন কোনো আইন নেই যার মাধ্যমে ব্যক্তির প্রতি এমন অমানবিক আচরণ সমর্থিত হতে পারে। সুতরাং মেক্সিকান শিশু দুটির হত্যা নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং এর জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী হবে। সেই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে নিহতের বাবা-মাকে ২ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়। ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণের চেয়ে বড় বিষয় হলো দায়ী পক্ষ দণ্ড পেয়েছে।


    গার্সিয়া এবং গারজা মামলাটি অনেকদিন পরে প্রাসঙ্গিকভাবে মনে পড়ে গেল। তবে এবারের ফলাফল ভিন্ন। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি। ভোরবেলা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার অন্তর্গত চৌধুরীহাট সীমান্ত চৌকির কাছে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয় বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন। কনস্টেবল অমিয় ঘোষ গুলি করে। কাঁটাতারে দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকে ফেলানীর মৃতদেহ। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তারপর থেকেই ফেলানী হত্যার বিচারের দাবি জানানো হয়। নানা ধাপের পর সেই বিচার শুরু হয় ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট। স্বাভাবিকভাবেই এ বিচার কাজ নিয়ে অনেক রকমের প্রত্যাশা ছিল। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তকে বলা হয় পৃথিবীর অন্যতম রক্তক্ষয়ী সীমান্ত। সেই সীমান্তের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথম কোনো বিচার নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অনেক রকমের প্রত্যাশা থাকে। সীমান্তের হত্যাকাণ্ড বন্ধে এই মামলা হতে পারতো প্রথম ধাপ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই পথ উন্মোচিত হয়নি। প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বিচারপ্রক্রিয়া।


    ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে শুরু হয় ফেলানী হত্যাকাণ্ডের বিচার। সকালে কোচবিহারের সোনারীতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১৮১ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে উক্ত বিচারকাজ শুরু হয়। বিএসএফ এর আইন The Border Security Force Act, 1968 অনুযায়ী গঠন করা হয় জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট। মোট পাঁচজন বিচারক বিচার প্রক্রিয়া চালান আর কোর্ট পরিচালনা করেন বিএসএফের গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের ডি আই জি কমিউনিকেশনস সি পি ত্রিবেদী। ১৪ আগস্ট বুধবার থেকে শুনানি শুরু হয়। কনস্টেবল অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুন এবং বিএসএফ আইনের ১৪৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এই অমিয় ঘোষ তাঁর ৫ দশমিক ৫৬ মিলিমিটার ইনসাস রাইফেল থেকে গুলি চালিয়েছিলেন, যাতে নিহত হয় ফেলানী। ফেলানীকে হত্যার দায়ে বিএসএফের অভিযুক্ত কনস্টেবল অমিয় ঘোষ ঘটনার পর থেকেই ক্লোজ অ্যারেস্ট থাকেন। অর্থাৎ তিনি তাঁর ইউনিটের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের এলাকার মধ্যেই সীমিতভাবে ঘোরাফেরা করতে পারতেন। শুনানির শুরুতে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য শোনা হয়। নিজের রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে ফেলানীকে হত্যা করলেও এর জন্য দোষ স্বীকার করেনি কনস্টেবল অমিয় ঘোষ। এরপর ১৯ আগস্ট ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ও মামা আবদুল হানিফের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। জেনারেলসিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট ৬ সেপ্টেম্বর বিচারকাজ শেষ করে।  রায়ে ভারত-বাংলাদেশসীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার মামলায় অভিযুক্ত সীমান্তরক্ষী অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। রায়ের পরে বিএসএফের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের কনস্টেবল অমিয় ঘোষকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট ১৯৬৮ অনুযায়ী জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টের রায়ের চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য বাহিনীর মহাপরিচালকের কাছে পাঠাতে হয়। সেই প্রক্রিয়া শুরুর কথাও জানানো হয়।


    দুখঃজনক হলেও সত্য, জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টের এই বিচার ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। 'নো ওয়ান কিলড জেসিকা'র মতো যেন বলা হলো 'নো ওয়ান কিলড ফেলানী'! বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ব্যক্তি ফেলানীর ওপর যে নির্মম ও অমানবিক আচরণ করা হয়েছে তা কোনো আন্তর্জাতিক আইনেই সমর্থিত হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে গার্সিয়াঅ্ যান্ড গারজা মামলায় আদালতের পর্যবেক্ষণের কথা আবারও মনে করা যেতে পারে।


    ফেলানী হত্যাকাণ্ড সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে আইকনিক ঘটনা হয়ে উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের সঙ্গে ভবিষ্যতের আরও অনেক ঘটনার সংযোগ হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশ সরকারকে এখন এ ব্যাপারে সক্রিয় হতে হবে। এতোদিন বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর পর্যায় থেকে দেখা হয়েছে। এখন আশা করবো বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হলে অবশ্যই ফেলানী হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সবাই যেখানে জানে যে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষের রাইফেল থেকে চালানো গুলিতেই ফেলানীর মৃত্যু হয়েছে এবং মৃত্যুর পর অমানবিকভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেলানীর মৃতদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সেখানে অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেওয়া নিঃসন্দেহে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি মানুষকে বিমুখ করে তুলবে।


    দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৬৮ এর ১১৭ ধারা অনুযায়ী এই আদেশের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগটি অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।


    ১১৭ ধারায় রয়েছে- 117.Remedy against order, finding or sentence of Security force Court.


    (1) Any person subject to this Act who considers himself aggrieved by any order passed by any Security Force Court may present a petition to the officer or authority empowered to confirm any finding or sentence of such Security Force Court, and the confirming authority may take such steps as may be considered necessary to satisfy itself as to the correctness, legality or propriety of the order passed or as to the regularity of any proceeding to which the order relates.


    (2) Any person subject to this Act who considers himself aggrieved by a finding or sentence of any Security Force Court which has been confirmed, may present a petition to the Central Government, the Director- General, or any prescribed officer superior in command to the one who confirmed such finding or sentence,and the Central Government, the Director- General, or the prescribed officer,as the case may be, may. pass such order thereon as it or he thinks fit.


    ২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট আদেশ প্রদান করেছে যে সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যদের বিচার ক্রিমিনাল কোর্টেও করা যাবে। সুপ্রিম কোর্ট এ আদেশের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের রায়কে সেট অ্যাসাইড করে দেয়। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুইজন বিএসএফ সদস্য কর্তৃক একজন কাশ্মিরী কিশোরীকে হত্যার মামলায় এমন আদেশ দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, সব ধরনের মামলা সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে করা বাধ্যতামূলক নয়।  (The SC held that it was not mandatory to try all such cases in the security force court, and the commanding officer must adduce sufficient reasons on why the case should not be sent to a criminal court. It said specific provisions under the armed forces laws could not summarily take away general laws.)


    কিছুটা দেরি হয়ে গেলেও সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশকে বিবেচনায় নিতে হবে। যেভাবে জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স ফেলানী হত্যা মামলায় রায় প্রদান করেছে তা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করেছে। পাশাপাশি সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পথকে আরও উন্মুক্ত করেছে। বাংলাদেশ এবং ভারত দুটি দেশকেই সীমান্তে হত্যাকান্ডে বন্ধে ফেলানী হত্যা মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে নিতে হবে।

  • | বিভাগ : অপর বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৩৫৭৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • anirban | 146.152.5.170 (*) | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:২০75236
  • লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। খুব ভালো লাগলো। আচ্ছা, এই রায়ের পর কেউ (ব্যক্তি বা সংস্থা) কি আবার আদালতে যাচ্ছে?
  • maximin | 69.93.213.183 (*) | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:০১75237
  • আরো একটি মামলায় বিচার হল না। আন্তর্জাতিক আইনে এখন আর কিছুই হয়না। ফেলানী হত্যা মামলা সুপ্রীম কোর্টে গেলে খুশি হব।
  • BanglarBagh | 87.185.34.242 (*) | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:০০75238
  • Supreme Court a mamla jaak. Dosh promanito hole shastio paak Amiyo Ghosh-karo kono aafsos thakbena. " মৃত্যুর পর অমানবিকভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেলানীর মৃতদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে "-- kon karone 4 hrs por dead body namalo? keno sathe sathe namayni ba 1 din por namalona?- tar uttor ta jante parle bhalo lagto! Kintu Vote ar purbe jebhabe ai ghotona niye anti Indian bidyesh manusher mone baasa badche, seta bhabar bishoy. Aar Felanir Baba ke keho doshi bhabte parlona keno? Kon Poristhiti te Guli ta holo, setao ekhane jaante parlam na. WB ar 3 ta daily newspapaer a a ghotona niye kono report pelam na. Tobuo supreme court a jaoya uchit. parle Vote ar purbe raay pabar chesta o kora uchit. Felani r mrityu ke use kore akdol Vote barabar chesta korbe, seta thik hobena, karon era FELANI der jonyo kichu korena, eder ke kebol USE Kore.
  • শ্রী সদা | 122.79.37.195 (*) | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:০৫75244
  • পাসপোর্ট - ভিসা ছাড়া বর্ডার টপকালে গুলি চালানোতে ভুল কিছু দেখিনা। কিন্তু এটা সব ক্ষেত্রে হয়না, বি এস এফ অনেকসময়ই ঘুষ খেয়ে অনুপ্রবেশে মদত দেয়। বর্ডারে কড়া পাহারার ব্যবস্থা হোক, বি এস এফ এর দুর্নীতি বন্ধ করে বর্ডার টপকালে শ্যুট অ্যাট সাইটের অর্ডার হোক , অনুপ্রবেশের সমস্যা অনেক কমে যাবে।
  • Mainul | 181.207.47.116 (*) | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:২৬75239
  • ৫০০০ অনুপ্রবেশ হলে ৫০ জন খুন হবেই। কিছু জেলে যাবে, কিছু রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড পেয়ে পাকাপাকি ভাবে থাকতে শুরু করে দেবে। এটাই নিয়ম। একে কোল্যাটারাল ড্যামেজ বলুন বা অন্য কোনো নাম দিন। এটা মেনে নিয়ে বাংলাদেশীদের ভাবা উচিত কি করবে। লাইফ রিস্ক নিয়ে অনুপ্রবেশ করবে না নিজের দেশে থাকবে। আর বিএসএফ জওয়ানের শাস্তি হয়নি বলে সুশীলদের কুমীরকান্না শুরু হয়ে গেছে। শুধু শুধু জওয়ানকে শাস্তি দিতে যাবে কেন? কোন দেশ দেয় (দু একজন লোককে দেখাতে কিছু টাকা কেটে নেয়)? এইযে ২০০১ সালে বর্ডার কনফ্লিক্টে বিডিআর ১৬ জন বিএসএফ জওয়ানকে নির্বিচারে হত্যা করলো (এটা প্রমানিত হয়েছিল হত্যা করার আগে প্রচুর টর্চার করা হয়েছিল) কজন বিডিআর-এর শাস্তি হয়েছে?

    খুন হলে গেল গেল রব ওঠে, এদিকে ভারত, মায়ানমার, মালয়েশিয়া এইসব দেশ যে অবৈধ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীতে ভর্তি হয়ে গেল, তা নিয়ে সুশিলবর্গের কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নেই।

    সুশীল এবং বাংলাদেশ সরকারের উচিত অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে জনগনকে বোঝানো, সচেতনতা গড়ে তোলা।

    সেই কাজটা খুবই দীর্ঘস্থায়ী আর জটিল। সেই কাজ করতে হলে ফেবুতে বিপ্লব হয় না। কে যাবে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে। তার থেকে এই ভালো, ঠান্ডা ঘরে বসে ফেবুতে বিপ্লব, আর কোনো মনোরম সন্ধ্যায় মোমবাতি হাতে একটু হাঁটাহাঁটি।

    গুরুচন্ডালি আর বাংলাদেশের শ'খানেক ব্লগে বড় বড় রাজা উজির মারতে দেখা যায়। কিন্তু অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কোনো কথা শোনা যায়না। আবার চেপে ধরলে দার্শনিক উক্তি দেবে, আমরা বর্ডারহীন সমগ্র পৃথিবীর বাসিন্দা। যেন সমগ্র পৃথিবীর সবাই এদের বাসিন্দা হিসাবে পেতে খুব আগ্রহী।

    ভাগ্যিস দেশটার নাম ভারত। তাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে এইরকম বা*বাজারী করা যায়। দেশটা চীন বা সৌদি হলে এতক্ষণে ধড়ে মাথাটি থাকত না।
  • বিপ্লব রহমান | 212.164.212.20 (*) | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১০:৫৯75240
  • "Who killed #Felani at the borders? Apparently 'no one', as Indian Court acquits #BSF's border guard. You poor girl! Shame on us all #Shahbag "

    চলৎ প্রতিবন্ধী ব্লগ্গার সাবরিনার টুইট এটি।

    এই রায় মানি না। তীব্র প্রতিবাদ।
  • kb | 213.110.246.230 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:০৪75250
  • সদা কে ক
  • বিপ্লব রহমান | 212.164.212.20 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৪৭75251
  • ০১. নিতান্তই পেটের দায়ে অভাবী মানুষগুলো আইন ভেংগে সীমান্ত পারাপার করে। গুলি বা ডান্ডাবাজীতে আইন রক্ষা হতে পারে, দেশপ্রেমের ঝান্ডাটি সমুজ্জ্বল হতে পারে, এমনকি গুচ'র ফেবু পেজে উগ্র সাম্প্রদায়িক ফেকি সদাজী'র গদাটিও রক্ষা হতে পারে, কিন্তু এটি অভাব, ক্ষুধা, চোরাচালান, সীমান্ত দুর্নীতি বা সংঘাত -- কোনটিরই অবসান এনে দেবে না।

    ০২. সীমান্ত চোরাচালান, দুর্নীতি ও সংঘাতের সঙ্গে বিএসএফ-বিজিবি সমানভাবে জড়িত। দু-পক্ষের সমঝোতায় অবৈধ অস্ত্র থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত চোরাচালান হয়। একই সমঝোতায় উগ্রপন্থীরাও এপার-ওপার চলাচল করে, অবস্থান নেয়। আর এ কথা কে না জানেন, দুপারের চোরাই অর্থনীতি চিনি বা গরু বা ইলিশ বা পেট্রোলের ওপর অনেকটাই স্থিতিশীল থাকে? আর এর সংগে লাখো-কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা [?] নির্ভরশীল।

    ০৩. সীমান্ত আইন মানতে দু-দেশের নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চাই অভাব-দুর্নীতির অবসান, বিকল্প কর্মসংস্থান, দারিদ্র বিমোচন, বৈধ পন্থায় পন্য আনা-নেওয়ার সুবিধা বৃদ্ধি -- ইত্যাদি। নইলে শুধু আইনের কঠোর প্রয়োগ বা জবাববিহীন গুলি বা কারাবাস কোন সমাধান নয়। কাজটি কঠিন, কিন্তু দুদেশের সরকারের আন্তরিকতায় অসম্ভব হবে না।

    ০৪. ফেলানী এখন জঙ্গল আইনের অপর নাম অথবা অবিচারের সর্বনাম। স্থিরচিত্রতে যেমন দেখা যায়, আসলে গুলিবিদ্ধ অপুষ্ট কিশোরীর দেহটি কাঁটাতারে ঝুলছে না, কাঁটাতারে ঝুলছে যেন আমারই গুলিবিদ্ধ দুঃখিনী বাংলা! তাই ফেলানীর মৃত্যু এবং তার অবিচার যাদের বিকৃত পুলক এনে দেয়, সেসব দেশপ্রেমিক চৌকিদারদের জন্য রইলো অশেষ ঘৃণা। ছিঃ... (N)
  • Kisholoy | 127.194.238.138 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:৫৭75252
  • এটা ঠিক কথা যে বর্ডারের সমস্যাটা জটিল। কিন্তু তার মানে এই নয় যে যারা বর্ডার টপকে আসছেন, তাদের সাথে এরকম নির্মম আচরণ করা হলে শাস্তির দাবী করা হবে না। যারা গুলি চালিয়েছে, বেশ করেছে বলে নিজেদের চরম অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে, তাদের এই জঘন্য মন্তব্যের পরোয়া না করাটাই ভাল।

    তবে এখানে একটা ব্যাপার মনে রাখার বিষয় যে এখানে দোষী কে? শুধুমাত্রই ওই বি এস এফ জওয়ান? এটা কি নিছকই সেনাবাহিনীর বর্বরতার ফল? এটা ভাবা ভুল হবে। এই ঘটনাটাকে মহারাষ্ট্রের হিন্দু মৌলবাদীদের বিহার থেকে আসা মজদুরদের ওপর আক্রমণের থেকে আলাদা করে দেখলে ভুল হবে। সেনা এবং এই চাড্ডি বাহিনী - দুটোই পুঁজিবাদী রাষ্ট্র শক্তির সৈনিক। নিজেদের পছন্দ মত বাজার অর্থনীতিকে কায়েম রাখতে এবং দরকার মত শ্রমিকদের এক জায়গায় নিয়ে আসতে বা তাতে বাধা দিতে এরা এই সৈনিকদের ব্যবহার করে থাকে। এতে পুঁজিবাদী অর্থনীতির দিকে আঙুল না উঠিয়ে মানুষ তাদের সমস্যার কারণ হিসেবে খোঁজে "ওই বাইরের" লোকগুলোর মধ্যে - কখনো তা বিহারী, কখনো বাংলাদেশী। এটা চিরাচরিত সত্য পুজিবাদের। আসল দ্বন্দ্বটা যে শ্রেণী সংঘাতের, সেই সত্যকে মানুষের থেকে লুকিয়ে রাখার স্বার্থে জাতীয়তাবাদ, মৌলবাদকে ব্যবহার করে পুঁজিপতি ও তাদের দালালরা।

    যতদিন অবধি এই পুঁজিবাদী ব্যবস্থা রয়েছে, ততদিন এইরম ঘটনা ঘটতেই থাকবে, তাতে সংস্কারবাদীরা বিরোধিতা জানালে অবশ্যই সমর্থন করব এবং দরকার হলে ওই যারা "গুলি চালিয়েছে বেশ করেছে" বলছে তাদের সরাসরি মোকাবিলাও করব, কিন্তু এর অবসানের চাবি কাঠি রয়েছে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের পতনের মধ্যেই।
    কাজেই এর মোকাবিলার আসল উত্তর রয়েছে মেহনতি মানুষের দেশ জাতি নির্বিশেষে ঐক্যের মধ্যে।
  • শ্রী সদা | 125.187.62.233 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৪০75253
  • বা ঃ চোথা কমন পড়ে গেছে দেখছি।
    তো পুঁজিবাদী ব্যব্স্থা উঠে গেলে গোটা পৃথিবী বর্ডার তুলে দিলে তখন না হয় ভারত ও করবে, তার আগে অব্দি একটু পুঁজিবাদী ব্যব্স্থাই চলুক বরং। আমি ছ্ক কষছি, বর্ডার হ্যান ত্যান উঠে গেলেই আম্রিগা চলে যাব।
  • শ্রী সদা | 125.187.62.233 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৪২75254
  • আর হ্যাঁ, আপনাদের মত বিরোধী থাকতে বিজেপির আর সমর্থকের কী দরকার :P
  • বিপ | 78.33.140.55 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৩২75255
  • আমি এটা নিয়ে মুক্তমনাতে একটা পোষ্ট দিয়েছি।
    http://mukto-mona.com/bangla_blog/?p=37278

    কোন অবস্থাতেই একজন সৈন্য অন্য একজন নিরস্ত্র মানুষকে খুন করতে পারে না । সেই অধিকার দিলে আমাদের রোমান যুগে ফিরে যেতে হবে। তাছারা সে ভারত থেকে বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছিল। উলটোটা না । সুতরাং কোন যুক্তিতেই গুলি চালানো উচিৎ না । চোরাচালান হয় বি এস এফের মদতে । অনুপ্রবেশ ও হয় টাকা খেয়ে। যারা টাকা দিতে পারে না তারা গুলি খায়।

    সুতরাং বি এস এফ নামের অর্গানাইজেশনটাকে আজ্ঞে ঠিক করা উচিৎ। এই মামলাতে সেই সু্যোগ ছিল। কিন্ত হল না কিছুই।
  • b | 135.20.82.166 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৪২75256
  • ১। মেঘালয়ে বহু আইনী কয়লা ও চুনাপাথরের খাদান রমরমিয়ে চলছে বাংলাদেশি মজুর দিয়ে। কারণ কি জানেন? লোকাল খাসিয়া লোকজনের নিতান্ত অনীহা ঐ পরিশ্রমসাধ্য কাজ করার, তারা একে বেশি টাকা চায় আবার দিনের মধ্যে ষোলোবার পান খাবার ব্রেক নেয়।। কয়লা খাদানের খাসিয়া মালিকরা তাই বর্ডারের ওপার থেকে আসা শ্রমিক প্রেফার করে, এমনকি তাদের বেড়া টপকাতে সাহায্য করেও বটে।

    ২। ইয়ে, বাংলাদেশীটা বড় কথা না মুসলমানটা? হিন্দুরা দলে দলে এভাবে পালিয়ে এসে লোকাল ইকনমির মা বোন করে দিলেও কি এরকম আপত্তি থাকবে?
  • কৃশানু | 213.147.88.10 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৪৯75257
  • সদা-র গুলি চালানোর ফান্ডাটা বুঝতে পারলাম না। তাহলে কী জেল ভরে যাচ্ছে, আর ভাত দিতে খরচা হচ্ছে বলে, অপরাধের গুরুত্ব অনুসারে নয়, যে টাইপের অপরাধীর সংখ্যা বেশী, যেমন ছিঁচকে চোর, পকেটমার - তাদের দেখলেই গুলি চালানো উচিত?

    মইনুল বাবু - 'ভাগ্যিস দেশটার নাম ভারত। তাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে এইরকম বা*বাজারী করা যায়। দেশটা চীন বা সৌদি হলে এতক্ষণে ধড়ে মাথাটি থাকত না।' - আমরা কি এটাই চাই? বেশ, বুঝলাম। তার মানে ওই জুভেনাইলটির অল্প শাস্তি হল, তার বিরুদ্ধে লোকে দুকথা বলছে, সেটা করলেও ধড় থেকে মাথা নামিয়ে দেওয়া হোক। সেটাই যদি আদর্শ হয়। আফটার অল, কোর্টের রায়।

    ও হ্যাঁ, বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম ইলিশ বাঙালি-র পাতে চোরাচালান হয়ে আসে। চোরাই ব্যবসায় আপনিও মদত দিচ্ছেন, আমিও।
  • কৃশানু | 213.147.88.10 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৫৩75258
  • রিফ্রেজ -
    বাংলাদেশের ইলিশ বাঙালি-র পাতে ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রেই চোরাচালান হয়ে আসে

    - আর বি দা, মেঘালয়ের ব্যাপারটা এখন কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু যখন খাসিয়াদের হাতে আর যথেষ্ট চাকরি থাকবে না, তখন রাগ গিয়ে পড়বে ওদের ওপরে। যেমন মহারাষ্ট্রে ইউপি বিহার বাসীদের ওপর গিয়ে পড়ল। অথচ যখন সুযোগ ছিল, তখন মারাঠিরা ট্যাক্সি চালায়নি।
  • | 24.97.191.10 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:২০75259
  • বি এস এফ ঠিক সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত নয়। স্থল, বায়ু ও নৌসেনারা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনস্থ, বি এস এফ স্বরাষ্ট্র দপ্তরের অধীনস্থ।

    বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে যেভাবে পাখি মারার মত করে মানুষ মারে সেই সাহস মোটেই পাকিস্তান বা চীন সীমান্তে দেখায় না। কেন? পঅকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ কিছু কম হয়??

    পৃথিবীর কোনও সীমান্তে অনুপ্রবেশ করার জন্য যথেচ্ছ গুলি চালানো যায় না। যতদূর মনে পড়ছে আন্তর্জাতিক কিছু আইন আছে যা এরকম ধড়দ্ধড় গুলিচালনার বিরুদ্ধে।

    আর ফেলানির কেস সামনে আসায় অনেকেই হয়ত জানছেন প্রথম। কিন্তু বাংলাদেশ সীমান্তে ঠিক কতলোক গুলিচালনায় মারা গেছেন, যান, তার মোটামুটি আন্দাজ আছে কি? তার্পরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, গুলি খেতে হবে জেনেও আনেকে আসেন। গুলি চালিয়ে তাঁদের থামানো যাবে না। তবে গুলিচালনা ও মৃত্যুর খবরে অনেকে খুশী হবেন বটে।
  • pi | 118.22.237.164 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৫৮75260
  • 'কিন্তু কেবল এই কারণে কেনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত বা অনুমোদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক আইনে ব্যক্তির প্রতি আচরণের একটি ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য মাত্রা রয়েছে। এমন কোনো আইন নেই যার মাধ্যমে ব্যক্তির প্রতি এমন অমানবিক আচরণ সমর্থিত হতে পারে। '

    যাঁরা গুলি চালানোর সপক্ষে বলছেন, তাঁরা এই অংশটা পড়েছেন ?
  • h | 127.194.247.242 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:১৬75261
  • এইরকম একটা বীভৎস ঘটনা, আগে এই ঘটনার বিচার হোক, শাস্তি পাক, দায়িত্ত্বপ্রাপ্ত লোকেরা, পরে বড় বড় বিষয় চিন্তা করা যাবে। ইয়ার্কি নাকি, হাতে বন্দুক থাকলেই একটা ছোটো মেয়েকে এইরকম মেরে ফেলবে। মামদোবাজী মাইরি। ওদিকে তো চীনের ভয়ে ল্যাজ গুটিয়ে পালায়। গরীব সাধারণ মানুষের উপরে অত্যাচার করে করে এই পুলিশ মিলিটারি গুলি টিকে আছে।
  • শ্রী সদা | 122.79.36.33 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:১৪75262
  • এই ক্ষেত্রে শাস্তি হয় হোক কিন্তু ইন মাই ভেরি হাম্বল ওপিনিয়ন সমস্ত বর্ডার টপকালে শ্যুট অ্যাট সাইটের আইন হওয়া উচিত , এবং বর্ডার অঞ্চলে সেটা লিখিতভাবে প্রদর্শন করা উচিত। সব দেশ নিজের নিজের স্বার্থ দেখবে আর ভারত বসুধৈব কুটুম্বকম করে যাবে এ মাইরি নেওয়া যায়না। আর বিএসেফের যে জওয়ানরা দালালদের থেকে ঘুষ নিয়ে লোক পারাপার করায় তাদের জেলে ভরা দরকার।
  • anirban | 34.5.197.153 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:২৪75263
  • কেন "শ্যুট অ্যাট সাইট"? কেন অন্য কিছু নয়?
  • pi | 118.22.237.164 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৩৮75264
  • বিএসফের যে জওয়ানরা ঘুষ নিয়ে পারাপার করায়, তাদের কতজনকে আর জেলে ভরবি সদা ? জেলে ভরা আটকাতে তাদেরকেও শুট করে দেওয়া উচিত না ?
  • শ্রী সদা | 122.79.36.33 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৪৩75265
  • অন্য কিছু বলতে ? দুদিন জেলে ভরে রাখা তারপর দেশে ফিরিয়ে দেওয়া ? আবার দুদিন পর আসবে। গরীব দেশ, লোকজন তো চাইবেই একটু বেটার অর্থনৈতিক অবস্থায় যেতে। কিন্তু তাই বলে ভারত তো দানছত্র খুলে বসতে পারেনা। একটা আপাদমস্তক ধনতান্ত্রিক সমাজে বেঁচে, সারাদিন কর্পোরেটের গোলামী করে, শুধু ফরেন পলিসির ক্ষেত্রে সমাজবাদ চাইবো এটা একটু বাড়াবাড়ি রকমের ভন্ডামী। সেটা করতে পারবো না, ক্ষমা করবেন।
  • anirban | 34.5.197.153 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৫৩75266
  • আর যাঁরা অলরেডি এসে গেছেন, তাঁদের জন্য কি নিদান? কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প জাতীয় কিছু?
  • শ্রী সদা | 122.79.36.33 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:০১75267
  • বৈধ কাগজপত্র ছাড়া থাকলে সসম্মানে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে নিজের দেশে ফেরত পাঠানো এবং অফিসিয়ালি জানিয়ে দেওয়া যে পরেরবার এই পথ নিলে লাশ ফেরত যাবে।
  • anirban | 34.5.197.153 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৩৬75268
  • কিন্তু ১ বিলিয়ন নাগরিকের কত জনের কোন কাগজপত্র আছে বলে আপনার মনে হয়? আর বৈধ কাগজপত্র ঘুষ দিয়ে যখন তখন বার করা যায়। ফলে কোনো মেকানিজম নেই যা দিয়ে এটা আলাদা করা যায়। আর একটি বাচ্চা মেয়েকে গুলি করে মারা অমানবিক ও অনৈতিক।
  • sch | 126.203.212.227 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৩৭75269
  • "অফিসিয়ালি জানিয়ে দেওয়া যে পরেরবার এই পথ নিলে লাশ ফেরত যাবে" -- সদা এরকম অফিসিয়ালি জানানো যায়? একটা রাষ্ট্র এরকম জানাতে পারে? তারা পাড়ার মস্তান নয় তো
    আর বর্ডার ক্রস করলেই শ্যুট আট সাইট করা যায়? তাহলে তো প্রতিদিন পাকিস্তান সীমান্তে শয়ে শয়ে লাশ পড়ে যাওয়ার কথা। যখন বর্ডার পাড় হয়ে টেররিস্টরা ঢোকে তখন এই সাহস কোথায় থাকে?
    বাংলাদেশের বর্ডারে নিয়মকানুন অনেক সহজ করা দরকার। আর যারা পার করে ঢুকছেন তাদের একটা সহজ taceability রাখা দরকার। যারা এদেশে থাকতে চান তাদের সাথে সাথে অনুমতি দেওয়া উচিত দুটো রাইডার শুদ্ধু - ১) কোনো ভোটাধিকার থাকবে না ২) এদেশে কোনো ব্যাঙ্ক আকাউন্ট খুলতে পারবেন না ।

    টেকনোলজির যুগে এই traceability রাখা কোনো সমস্যা না। আর ভোটাধিকার ছাড়া এদেশে থাকার ব্যাপারে তাদের কেউ সাপোর্ট দেবে না - কাজেই সমস্যা কমে যাবে অনেক
  • cm | 116.200.148.243 (*) | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৭:৪৮75270
  • বলি গোল্ডেন রিট্রীট বলেও তো একখান কথা আছে নাকি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন