• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • আমার পূজো

    Nishan Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ | ১১৫২৬ বার পঠিত
  • যেকোন দ্রব্যের আগে বিলিতি জুড়ে দিলে তার গুণ রীতিমত লোপ পায়, এ জিনিস বহুকাল যাবৎ চলে আসছে ! যেমন ধরা যাক বিলিতি বেগুন, আপনি পড়ছেন আর ভাবছেন এ বোধহয় আমেরিকার ফলন্ত ঝুলন্ত বেগুন, কিন্তু না! বিলিতি বেগুন হোলো টমেটো, পুরুলিয়ার দিকে আবার অনেকে টমেটোকে বলেন বিলিতি আমড়া। তাহলেই দেখুন, কেবল মাত্র বিলিতির গুণে বেগুনের বেগুনত্ব আর আমড়ার আমড়াগাছি লোপ পেয়ে কেমন একই রকম লালচে টমেটোয় পরিণত হোলো।
    তেমনই বিলিতি পূজোও একটি দুর্ঘট বস্তু বিশেষ, যা না বিলিতি না পূজো!
    বিলিতি বাঙালীও তাই, না বাঙালী না বিলিতি। এঁদের মূলতঃ দু একটি বিলিতি বন্ধু থাকে, আন্তর্জাতিকতার জন্য, বাকি এঁরা নিজেদের বৃত্তেই ঘুরঘুরে পোকার মত ঘুরঘুর করেন। তার মধ্যে কিছু আবার সুনীল গাঙ্গুলীর অনুপ্রেরণা, অতএব হাফ বিলিতি ধারায় স্ত্রী শয়ান দেন পরপুরুষের সাথে আর সেই অজুহাতে সোয়ামী কচি মেয়ে পেলেই কচলে হাতের সুখ করে নেন। কিন্তু রসুনের মতই মাথা আলাদা হলেও পশ্চাদ্দেশ আবিষ্ট যুগযুগান্তব্যাপী সংস্কারে, বাজারে কেচ্ছার ভয়ও আছে, অতএব বিবাহটি বজায় থাকে, আর ঐখানেই বিলিতিয়ানার শেষ। বদহজম আর কাকে বলে!
    এঁরা প্রতি সন্ধেয় প্রায় হুইস্কি বা ওয়াইন সহযোগে দেশের জন্য মড়াকান্না কেঁদে থাকেন, ফিরতে যদিও কেউ আটকাচ্ছে না, তবু নানা কাঁদুনি। অধিকাংশের এটা স্বীকার করার সৎসাহস পর্যন্ত নেই যে তাঁদের এখানে দিব্যি লাগে। দোষটাই বা কি তাতে? কিন্তু না, তাঁরা না কাঁদলে গঙ্গার জল কমে যাবে না, তাই বিদেশে বসে এঁরা নিরন্তর গঙ্গায় অশ্রু সাপ্লাই দিয়ে থাকেন। আর দেশীয় রাজনীতির দুর্দশা নিয়ে টেবিলে তুফান তোলেন।
    মাঝে মাঝে দেশে গিয়ে এঁরা চাদ্দিক আলো করেন, এবং অভাগা আত্মীয়স্বজনকে বুঝিয়েই ছাড়েন বিলেতে কি হারে সুবিধা আমের মত গাছে ঝোলে আর "ইণ্ডিয়া কি ডার্টি বাবারেএএএ বাবারে, আর পারিনে!"
    গেলবার দিল্লী এয়ারপোর্টে বাঙালী বরের বিলিতি বউ দেখেছিলাম, বউ আমার সাথে বাংলায় কথা বললো দিব্যি, দাদা কিন্তু কলকাতা ছাড়ার পর বাংলায় আর শব্দক্ষয় করেননি, পাঞ্জাবী পাজামা ছেড়ে প্লেনের বাথরুম থেকে যখন বেরুলেন জিম করবেট মার্কা হাফপ্যাণ্ট পরে, কোন শালায় বলে বাঙালী সাহেব হতে শেকেনি!
    এঁরা শিখলেন না কাজের লোকের সাথে সমান ব্যবহার করতে, আমার মত ছাত্তরকে দেখলেই যাঁদের নাক হাফ কুঁচকে আসে কাজের লোকের প্রতি তাঁদের মহিমাময় ব্যবহার কেমন হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।
    যাইহোক কতিপয় বন্ধুবর্গের নিরতিশয় অনুরোধে আমার দ্বিতীয়বার বিলিতি পূজোর আমড়াগাছি দেখার সুযোগ হোলো, আগেই বলেছিলাম তাঁদের, যে এ অতি দুষ্পাচ্য দ্রব্য, কিন্তু গরীবের কথা বাসি হলে ফলে, তাই তাঁরা গেলেন, ঢুকলেন, তিতিবিরক্ত হয়ে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে এলেন।
    এখন শরৎকাল, ইংরাজমতে আটাম, যদিও মার্কিন দেশে 'ফল' কথাটা চলে, এবং গাছের পাতা সব ফাঁকা হয়ে যায় বলে ঐটেই আমার লাগসই লাগে, তবু বাটামের সাথে মিলের জন্য আটামটাই আমার পছন্দ। প্রকৃতি, শীতের কামড়টুকু বাদ দিলে সেজেছেন পরমা রূপে, প্রদীপ নেভার আগে দপ করে জ্বলার মত গাছের পাতায় উঁকি দিচ্ছে হলুদ-লাল আগুন। নাঃ বঙ্গপ্রকৃতির মাধুর্য নেই বটে, কিন্তু এ অনন্য সৌন্দর্য অস্বীকার করি কি করে? কি অসামান্যা তিনি, তাঁর রূপে দশদিশ আলোকিত হোক।
    এমন শরৎ দিনে, গাড়ি চড়ে বেরোলাম পূজা সন্দর্শনে, ভালো কথা। পথের চাদ্দিক দেখি আর কেমন যেন নেশা লাগে, নেশার মত আশ্লেষে জড়িয়ে ধরতে চায় গাছের সবকটি পাতা, সবকটি ডাল, সবকয়টি গুল্ম যেন শরীরে আগুন জ্বালিয়ে ডাকছে হাতছানি দিয়ে।
    সে যা হোক, সেসব পার করে অবশেষে উপনীত হলাম পথের উপান্তে, একটি হাইস্কুলের সামনে। (নামটা নাই বা বললাম, হরে দরে সবই এক)।
    ভিতরে ঢুকতেই দেখি, একটি টেবিলে হত্তা কত্তা বিধাতা তিনজন বসে আছেন, তাঁদের একজন আমরা কেবল প্রতিমা দর্শন করবো জেনে বললেন "১০ টাকা করে দিয়ে দিন তাহলে"। এখন মনে হচ্ছে ঐ টাকায় দু প্যাকেট রফিকির চিকেন ওভার রাইস হয়ে যেতো, অতি উপাদেয়। যা হোক দিয়ে তো ঢুকলুম, কিন্তু ঠিক ঢোকার সময়েই, যিনি আমাদের চাঁদা সংগ্রহ করছিলেন তাঁর সামনে এসে এক কাকিমা গোছের ভদ্রমহিলা এসে ইংরাজীতে কিসব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে শুরু করলেন, আমার মন আনন্দে চনমন করে উঠলো, ভাবলাম বাঙালী প্রাদেশিকতা ছেড়ে বোধহয় আধুনিক হচ্ছে। কিন্তু সে মোলাসেস এ স্যাণ্ড! কতিপয় মুহূর্ত পরে তাঁর বিলিতি উচ্চারণের সুশীল বাংলা শুনে আমার উৎসাহ নেমে গেলো ফুস করে!
    তার প্রভাবেই বোধকরি, আমাদের চাঁদাকত্তা কাকু ফস করে মোড সুইচ করে চলে গেছেন ইঞ্জিরিতে, আমার দুবার বাংলা গলাখাঁকারিতেও কাজ হোলো না, অতএব সাধু সাবধান। চলো প্রতিমা সন্দর্শনে, আনন্দবাজারে পড়েছো, কুমোরটুলির হেববি উপকার হয় এসবে, তাও তুমি জানো, অতএব ভজ মন দুর্গানাম।
    ভিতরে ঢুকে চক্ষু চড়কগাছ, উৎসবের দিন সাজগোজ না করলেই নয়, অতএব পাটভাঙা শাড়ি আর পাঞ্জাবীর ধাঁধায় চোখে তালা লেগে গেলো, ভাবতুম বিলিতিরা বোধহয় ভালোভাবে বুড়োতে জানে না, কিন্তু ঠাকুমাদের গালে লালচে আভা দেখে সে ভ্রম আমার দূরীভুত হোলো। স্থান কাল পাত্র নির্বিশেষে যে উটকো লোক থেকেই থাকে এই বিশ্বাসে স্থির হলাম অবশেষে।যে সমস্ত ফ্যাসান বঙ্গভূমে পাঁচ বছর আগে উপে গেছে তাদের নব আবির্ভাব। কিছু ব্লাউজ দেখে ভাবলুম বোধকরি প্রাচীন আদিবাসী সংস্কৃতি ফিরে আসছে, ওষ্ঠরঞ্জনী, গণ্ডরঞ্জনীতে সে ভুল গেলো ভেঙে।
    সাথে পাঞ্জাবী বন্ধু, সে পাছে ভাবে দুর্গাপূজার উৎস ও উদ্দেশ্য বাণিজ্যমেলা, তাই প্রাণপণে বোঝাতে শুরু করলাম কি কেন এবং কিভাবে দুর্গাপূজা ধর্মীয় উৎসব থেকে বঙ্গীয় আবেগে পরিণত হয়েছে।
    ভুল পথে চলে পৌঁছে গেছিলাম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঘরে, সেখানে ২৫ টাকা লাগতো, যাহোক যে কাকু সামনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি জানালেন তিনি বঙ্গভাষণে অপারগ, কি দুঃখের কথা! তিনি জানালেন হস্তবন্ধনী (যার দাম ২৫টাকা) ব্যতিরেকে প্রবেশ নিষেধ, উল্টোপথে হাঁটা দিলুম ফের।
    করিডোরের ভিতরে হট্টগোল, একদিকে ললনারা শাড়ি জামা গয়না কিনছেন আর অন্যদিকে সুনীল গাঙ্গুলীর কিছু মধ্যমানের বই, বাঙালনামা ইত্যাদি বিক্কিরি হচ্ছে. শুনতে পেলুম "বাঙালনামাটা পড়েছিস? ব্যপক বই" (ভাগ্যিস ভারতবর্ষে রাত, নইলে তপনবাবু নিশ্চিৎ হেঁচকি তুলতেন)
  • আরও পড়ুন
    ২১৮ - Nishan Chatterjee
    আরও পড়ুন
    রণছোড় - Chayan Samaddar

  • সেসব কাটিয়ে ঢুকলাম প্রতিমা দর্শনে, ভিড়ে ভিড়াক্কার, আর কত রকমেরই চোখ দেখলুম, লাল নীল সবুজ বেগুনী রামধনু, সাথে টিসু পেপার থাকলে সৌন্দর্যের ভারী বিপদ, রঙের চলটা উঠে গেলেই কেলোর কীর্তি, সাড়ে সর্বনাশ। যাকগে সে আমার বিচার্য বিষয় নয়।
    তদুপরি ফেসবুক জমানায় পূজোয় গেলেই হয়না, একদিনের যে বাঙালীয়ানা উদযাপন, তা লোককে না জানালে হবে কেমন করে? কাজেই ফটো তোলার ঘনঘটায় গগন অন্ধকার, জনতার ফাঁকে ফাঁকে দুর্গামাতার রূপের ঝলক দেখাগেলো।
    তবে কিনা অনভ্যাসের ফোঁটা কপালে চড়চড় করবেই, বাঙালীয়ানার তালেগোলেও সেই চড়চড়ে অবস্থা!
    অতএব প্রবল ভিড়, পূজো না মেলা না মোচ্ছব বুঝতে বুঝতেই বন্ধুদের হাঁফ ধরে এলো, আমরাও বেরিয়ে এলাম।
    বাইরে আদিগন্ত সবুজ, বিকেলের রাঙা রোদ পড়েছে তেরচা হয়ে মাঠের কোণায়। হঠাৎ মনে হোলো এর আনন্দই বা কম কি?
    মৃত্যুধূপে আগুন জ্বালিয়ে ফুসফুসের শ্রাদ্ধ করলাম কিছুক্ষণ তারপর বাঙালী সুখাদ্যের আশায় পাড়ি দিলাম ক্যালকাটা অ্যাফেয়ার বলে এক রেস্তোরাঁর উদ্দেশ্যে!
    পথ বেশি না, মাইল পাঁচেক। রাস্তা ওয়ালপেপারের মত, ফোয়ারা, আর লাল হলুদ পাতা, তাই যাবার পথে শুঁড়িপথ নিলাম অষ্টাদশ শতকের এক চার্চের দিকে। চার্চের সামনে পৌঁছে দেখি, ওমা একি, সামনের মাঠে হরিণ চরে বেড়াচ্ছে। হরিণী চোখ তুলে চাইলে আমার দিকে, গাড়ি থেকে নামলাম, নিশ্চল মুর্তির মত, নিরন্তর মৃত্যুর মত হরিণী তখনো তাকিয়ে আমার দিকে, তার ঘাস খাওয়া শেষ, আর ঠিক যে মুহূর্তে আমি ভাবতে শুরু করেছি জ্যান্ত তো, একলাফে বাদামী বিদ্যুতের মত সে হারিয়ে গেলো হলুদ বনে, বোধহয় তার নাকচাবি গেছে হারিয়ে। চাদ্দিক শুনশান, কেউ কোথাও নেই, আর বাতাসে হিমেল পরশ, তাই বিশেষ কালক্ষেপ না করেই আবার উঠলাম গাড়িতে।
    মাইল তিনেক দূরেই রেস্তোরাঁ, সামনে ইলেক্ট্রিকের তারে আটকে দ্বাদশীর চাঁদ, এদেশে চাঁদ কেমন হলদে রঙের হয়। আর যখন ওঠে তাকিয়ে থাকলে কেমন ঘোর লেগে যায়। মনে হয় হেথা নয় হেথা নয় অন্য কোন কথা। মনে হয় এই সব মেকী, সব রঙের চলটা, সাদা বাদামী হলদে মানুষের ভিড় এসব কিচ্ছু নয়, এই চাঁদে লাল মানুষের বর্শা হাতে ছুটে যাবার কয়া বাদামী ঘোড়ায় চড়ে, তার বর্শা চকচক করুক হলদে চাঁদের আলোয়, আর তার বর্শা দেখুক রক্ত, হলদে আলোয় বাদামী রক্ত ঝরে যাক পাথুরে মাটিতে, আর তৃপ্ত হোক এই বন্য মৃত্তিকা।
    যাহোক, ২০১৪য় দিবাস্বপ্নের আয়ু মিনিট কয়েক, বুফে খেতে ঢুকলুম রেস্তোঁরায়। তখনও ফাঁকা ছিলো, দুটি মার্কিন পরিবার, একটি ভারতীয় গ্রুপ যার দুজন অবাঙালী। ওয়েটার পূর্ব ইউরোপীয়, ভারী অমায়িক লোক। বোধহয় পূজোর কদিন ভিড়ভাট্টা বেশি হচ্ছে, অনভ্যেসের দরূণ তিনি হাঁসফাঁস করছেন তখনো।
    কিন্তু সাধু সাবধান, কিছুক্ষণের মধ্যেই জনা দশেকের একটি বাঙালী গ্রুপ এবং জনা চারেকের আরেক বাঙালী পরিবার এসে বসলেন আমাদের সামনে। সেই একই মেকী- আনা, কিছু ওয়াইন আল্ট্রা আঁতলামি এবং চামচে দিয়ে ডালভাত খাওয়া। সামনের দশজনের দলের কথায় বুঝলুম এঁদের রাত হয় না, night হয়, আর "kids দের ওদিকে পাঠিয়ে দিলে Adults রা এদিকে বসতে পারে, degeneracy কমে" অহো বাহ্য, পাশের টেবিলে দেখি আরেক কেলোর কীর্তি। এক বয়স্কা ভদ্রমহিলা এসেছেন, তিনিই আমার সেদিনের বাঙলা। পায়ে তাঁর চটি, পরণে সবুজ শাড়ি, বোধহয় পাশের টেবিলের বঙ্গসাহেবের মা। প্রসঙ্গতঃ শহুরে ভারতীয় বিদেশে গেলে মা এর মূলতঃ আমদানি ঘটে সন্তানলাভ হলে, এদেশে আয়া রাখা অতীব খরচসাপেক্ষ। ইউরোপীয় সভ্যতা এদেশে পৌঁছতে এখনো বছর পঞ্চাশেক দেরী আছে।
    মহিলা বড়ই উসখুস করছেন, করারই কথা, আমরাই করছি। কিন্তু আমাদের বয়েস কম, হজমশক্তি বেশী।
    চামচে দিয়ে খেতে গিয়ে তাঁর নাজেহাল দশা, হাত দিয়ে শুরু করার মুহূর্তেই ছেলের কটমট দৃষ্টিপাতে আবার চামচে। হে ধরণী দ্বিধা হও!
    অখাদ্য কিছু পাঁটার মাংস, আর গোয়ানীজ চিঙড়ির ঝোল খেয়ে এমনিতেই মেজাজ খিঁচড়ে দোদমা, তায় এসব নাটক দেখে ভারী বিষাদ নেমে এলো হলদে বাল্বের আলোয়। আমরা বেরোলাম বাড়ির পথে। মাঝে হায়দার দেখার কথা নিউপোর্ট মলে।
    এবারেই চমক, ভারতীয় সভ্যতার চমক। বাঙালী সদা হীনমন্যতায় ভোগে, প্রাণপণে মুছে ফেলতে চায় আত্মপরিচয়! যে সাহেবরা মলত্যাগের পর কাগজ দিয়ে পশ্চাদ্দেশ মোছে, কিন্তু প্রস্রাবের পর হাতধোয়ার ঘনঘটায় পৃথিবীর জলসঙ্কট ঘটিয়ে ফেলে তাদের নকলে বাঙালীও নানা জিনিস রপ্ত করতে থাকে, আরো একটু বাড়ালে, একা বাঙালী কেন, ভারতীয় মাত্রেরই এই ঔপনিবেশিক দাস মনোবৃত্তি আছে। কিন্তু পার্মানেণ্ট মার্কারের কালি তোলা কি অতই সহজ? তাই যেখানেই ভারতীয় সেখানেই ক্যাঁচাল। এঁরা বাঙলা হিন্দী বলেন বিলিতি টানে, ইংরিজিটা ঠিক কিসের টান তা বোঝার সাধ্য আমার কেন? ঈশ্বরের বাবারও নেই। বাঙলা বলার ফাঁকে ফাঁকে প্রতিশব্দ হাতড়াতে হয়। অবশ্য খোদ পশ্চিমবঙ্গেই আজকাল ইংরিজি জানার চেয়ে বাঙলা না জানার গরিমা বেশি। মা মেয়েকে বলেন "দেখো দেখো night এ কত star আকাশে" "ঐ দেখো বাবু, tiger" "আজ ঐ green জামাটা পরে যেও কিন্তু"। বাড়িতে অতিথি এলে বাঙালী বাচ্চা আজকাল ছড়ার বদলে rhyme বলে। দেশোদ্ধার হচ্ছে সন্দেহ কি?
    নিউপোর্ট মলের সিনেমায় ঈদ ও দুগগোপূজোর ডবল ধামাকায় তখন ত্রাহি মধুসূদন দশা। অতএব বাথরুমেও তার ব্যতিক্রম না। অন্য সব দিন যে মলের বাথরুম ঝকঝক করে, তার ক্লোজেটে ক্লোজেটে গু ভেসে বেড়াচ্ছে, এবং জায়গাটা চেন্নাইয়ের সিএমবিটি বাসস্ট্যাণ্ডের বাথরুমের চেয়েও নারকীয় আকার ধারণ করেছে! জাতের গুণ যাবে কোথায়!
    যাইহোক হায়দার আর দেখা হোলো না, হাউসফুল, রাত ১১টা অব্দি ভয়ানক বাজে ভূতের সিনেমা দেখে নিউ ইয়র্কের রাস্তা ধরলাম।
    আর সেই রাতেই আমার পূজো, রাত দেড়টার "এল" ট্রেনে আমার সম্মুখবর্তিনী, সাদা টি শার্ট আর মেক আপ ছাড়া কবিতার মত বসে রইলো। হাই তুলতে যখন মুখ হাঁ করে আলতো সরালো, দেখি পেছনের পোস্টারে লেখা "poetry in motion", সে কোথায় নামলো, কি করে, কি খায় কোথায় থাকে আমার কিচ্ছু জানার নেই, শুধু রেখে দিলাম গতিময় কবিতার স্থবির স্মৃতিটিকে, এবারের পূজোর ছবি বলে।
    যাইহোক এই আমার পূজো, শেষে একটাই কথা, দুধের সাধ ঘোলে মেটাবেন সেও ভি আচ্ছা, কিন্তু না ঘরকা না ঘাটকা চুল্লু দিয়ে মেটালে চোঁয়াঢেকুর ও বদহজমের, এবং শেষে বমণের প্রবল আশঙ্কা!
  • বিভাগ : ব্লগ | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ | ১১৫২৬ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • byaang | 233.237.125.127 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১৭75050
  • ওঃ দ বলায় কতদিন পর মনে পড়ল সেই "বস্তি-গোলাপি" নামের রংটার কথা। তবে ঐ সবুজটারও তো একটা নাম জানতাম সেই বয়সে - "মারকাটারি সবুজ"।
    বড় হওয়ার পরে আর কখনো সেই রংদুটোর নাম শুনি নি।
  • ... | 117.193.242.2 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১৮75052
  • অনেক বছর আগে আমার এক কট্টর মুসলিম রুমমেত ছিলো। টু বেদরুম ফ্ল্যাট, দুটো বাথরুম। তো সেই ছেলেতিকে আমরা একটা বাথ্রুম আর একটা বেডরুম ছেরে দিয়েছিলাম। সে বাথরুম এ মগ ব্যবহার করতো, জল বাইরে যেতে পারতো না অতএব বাথরুম এর মেঝে চট্চটে হয়ে থাকতো। ম্যাগো!
  • Nishan Chatterjee | 110.33.3.236 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০২:১৮75053
  • আচ্ছা হাগজ প্রেমীদের জন্য একটা প্রশ্ন, আপনার দেহের নির্দিষ্ট জায়গা বাদ দিয়ে অন্যত্র গু লাগলে কি মুছবেন না ধোবেন? জানতে ইচ্ছে করলো।
  • pall lobe | 127.99.48.200 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৪৩75054
  • Cliche lekha. Obossoi kichu truth ache. Kintu stereotyping NRBs is itself a stereotyped pseudo-intellectual behavior.
  • pall lobe | 127.99.48.200 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৪৮75055
  • আমি যত দিন থেকেছি আমেরিকা বেশ ভালো লেগেছে। বিশাল রাস্তা হুহু করে ড্রাইভ করা যায়। ভিড় ভাট্টা কম, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, মাস্তির জায়গা।
  • Nishan Chatterjee | 110.33.3.236 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:১৪75059
  • সেই... বাংলা কথায় সত্যি খুঁজে না পেয়ে truth খুঁজে পেলে cliche তো লাগবেই, আলবাৎ ক্লিশে, কিন্তু হক কথা! :P
  • Nishan Chatterjee | 110.33.3.236 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:১৫75060
  • bipবাবু, দশ বছর বাদে আম্মো লিখবো না :)

    পানু মত উপন্যাস আবার কি জিনিস?
  • সিকি | 132.177.157.9 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:৩০75057
  • রোবু এর পর থেকে আমাকে আর বুগু বলিস না, কেমন?
  • rivu | 140.203.154.17 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৩৪75061
  • আচ্ছা ইউরোপ আমেরিকা তে বেশির ভাগ বাড়ির টয়লেট/কিচেনের ফ্লোরে জল বেরোনোর কোনো বন্দোবস্ত থাকেনা কেন বলতে পারবেন? আমি একবার একটি সাইটে এই প্রশ্নটা করেছিলাম, তাতে একজন বললেন কস্ট কাটিং। এইটা অত্যন্ত ঢপের যুক্তি বলে মনে হয়েছে আমার।
  • cb | 24.202.2.139 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৩৭75058
  • উপরের লিংকে ক্লিক করে একটা হাল্কা পানু মত "উপন্যাস" দেখলাম!!!!! বিপ লিখেছেন
  • a | 132.167.98.164 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৫১75062
  • একটা কোচ্চেন ছিলঃ নিশানবাবু ফিরে আসেন না কেন? ইন ফ্যাক্ট গেছেনই বা কেন ওদেশে? ওনার লেখাটাও মড়াকান্নারই প্রথম ধাপ মনে হল।
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৩৭75063
  • সেকি? কোনো কিছু অপছন্দ হলে সেটা প্রকাশ করলেই সেখান থেকে বাস উঠিয়ে দিতে হয় বুঝি? তাহলে দেশে বসে যদি কেউ দেশের কোনো কিছুতে অপছন্দ প্রকাশ করে সে তবে কোথায় যাবে? উদ্বাস্তু হয়ে অন্য কোথা অন্য কোনো খানে?
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৫১75064
  • ইউরোপ আমেরিকা তে বেশির ভাগ বাড়ির টয়লেট/কিচেনের ফ্লোরে জল বেরোনোর কোনো বন্দোবস্ত থাকেনা কেন?
    আমি সম্ভাব্য কিছু উত্তর দিচ্ছি।
    ১। বাথরুমের মেঝেয় থুপ্‌থুপিয়ে বা আছাড় দিয়ে দিয়ে কাপড় কাচার দরকার হয় না।
    ২। সব সময় পায়ে জল ঢেলে পা ধোয়ার দরকার পড়ে না।
    ৩। চৌবাচ্চা নেই।
    ৪। বাথরুম টয়লেটে মেঝেয় জল ঢালার অভ্যেস নেই। শুধু মগ কেন? বালতির ব্যবহারও খুব খুব কম।
    ৫। রান্নাঘরে সিংক থাকে সেখানেই জলের কাজ করা যায়।
    ৬। রান্নাঘরের কাজ মূলতঃ দাঁড়িয়ে করা হয়, মেঝেয় বসে নয়।
    ৭। কাট বা কয়লা বা ঘুঁটের উনুন নয়, তাই ধোয়াধুয়ির হাঙ্গাম নেই, প্রয়োজনও পড়ে না
    ৮। রান্নাঘরের মেঝেয় কেউ খেতেও বসে না
  • a | 132.167.115.75 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:৩৯75066
  • যাঃ উত্তর মিলে না। প্রশ্নটা বাস ওঠাবার নয়, প্রশ্নটা জাজমেন্টাল হবার। আমার পয়েন ছিল যে প্রত্যেকের নিইজের প্রিওরিটি থাকে বাধ্যবাধকতা থাকে যে কোন কাজ করবার। তা নিয়ে হাসি ঠাট্টাও চলে। কিন্তু সিরিয়াসলি যদি কারুর জ্বলে সেটা তার প্রবলেম, আর সেটা তার অপরিনত মানসিকতার উদাহরণ।
  • sm | 233.223.159.253 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:২১75067
  • @a ,উত্তর টা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এখানে এন আর আই দের, বিশেষ করে পব থেকে আগত বাঙালি এন আর আই দের কিছু চারিত্রিক বৈশিঠ্য়ের কথা বলতে চেয়েছি । প্রথম যে দিক টি চোখে পড়ে, তা হলো, নবাগত ছাত্রদের প্রতি পোড় খাওয়া জনতার অবজ্ঞা। যেটা নিশান তুলে ধরেছেন। ব্যাপার টি খুব ই দৃষ্টি কটু। কারণ একটি ছাত্র বা নবাগত চাকুরে , তারা ওদেশে পা দিয়েছে নিজের যোগ্যতায়, ভিসা দিয়েছে সেদেশের সরকার; কোনো স্বজাতি এন আর আই দেয়নি। তবুও কেমন তাচ্ছিল্য ; এরা কেন গন্ডায় গন্ডায় আসছে, এরা আদব কায়দা জানে না, দেশ টা মধ্যমানে ভরে যাবে, কমুনিটির বদনাম হবে ইত্যাদি, প্রভৃতি, বহুবিধ চিন্তা । কিন্তু পোড় খাওয়া লোকেরা যে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রেখেছে সেটা সহজেইভুলে যায়। গুজু, তামিল বা অন্যান্য কমুনিটির মধ্যে হার্দিক ভাব ও উপকার করে দেবার মানসিকতা টা বেশি কাজ করে। এটা কোনো সুইপিং স্টেটমেন্ট নয় জাস্ট অব্সার্ভেশন। ব্যতিক্রম আছে।
    দ্বিতীয় দিক টি হলো হীনমন্যতা বা কলোনিয়াল হ্যাং ওভার। আমাদের মনের মধ্যে গেঁথে গেছে । সাহেব রা উচু জাত, তাই উপরি বর্ণিত(আগের পোস্ট গুলি তে লেখা হয়েছে) প্রচুর জিনিস প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে নকল করি।যদিও মুখে আমরা বলি, কৃষ্টি, সভ্যতা ও সামাজিক মিলনের জন্য জরুরি, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় ইন্ডিয়ান পরিবার ও সাহেব পরিবার তেলে জলে বাস করছে। হাই ,হ্যালো ছাড়া বিশেষ কোনো হৃদয়ের যোগ নেই।
    মধ্য এশিয়ায় বসবাস কারী এন আর আই দের মধ্যে এই নকল করার প্রবণতা মনে হয় বেশ কম।
  • a | 132.167.115.75 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:৪০75068
  • এসেম, প্রথমটি আমি জানিনা, অত কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি। খুব ছোট স্যাম্পেল সাইজ নিয়ে কোন জেনেরাল সিদ্ধ্হন্তে উপনীত হতে পারিনি। তবে, সব রকমই দেখেছি।
    তবে দ্বীতিয়টা জেটা বল্লেন, তাতে মুচকি হাসি বাদে কিছু দেবার নেই। আপনি ওদেশে ধরে নিয়ে বলি, কদ্দিন দেশে আসেন না? বা এলেও মাটিতে পা দেন? ঐ অনুকরণ হল গ্লোবালাজেশনের উচ্ছিষ্ট, "রাজার এঁটো"। মহায় তেলে জলে ছেড়ে দিন, জীবনে লুরুর বাইরে পা রাখেনি এমন ছোক্রাদের অনুকরণ দেখলে পেত্তয় যাবেন না।
    তবু তাদের জাজ করতে আমার বাধে, সরি
  • ABCD | 214.194.141.29 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৩০75069
  • যদি কিছু অভ্যাস জীব্নযাপনের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক বিবেচিত হয় তাকে অনুসরণ করলে বা মতান্তরে নকল করলে অসুবিধা কোথায় আর তাতে এত গাত্রদাহের ই বা কারণ কি ?

    আর সাহেবদের সবকিছুই কি আমরা নকল করি নাকি ? তেল চপচপে তেল কই , বা গরগরে করে কষা পাঁটার মাংস তো NRI বাঙালী হাপুসহুপুস করে খায়। টিস্যু ব্যবহারকারী বাঙালীদের তো সকালে উঠে ব্রকোলি সেদ্ধ সাথে লেটুস পাতা সহযোগে ব্রেকফার্স্ট করতে দেখি না।খাদ্যাভাস তো বদলায়নি, তাহলে আর নকলনবিশ সাহেব হল কই মশাই ঃ)
  • adhuli | 190.148.69.210 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৪ ১২:০৪75065
  • দূর ছাই, সবাই এখনো হাগজ আর বাথরুম এর জল নিয়ে পড়ে আছে। নিশান এর লাস্ট para তে একটা হালকা রমান্তিসিস্ম এর ছোয়া লেগেছিল সেটা নিয়ে একটু হোক না। নিশান, সেই poetry ইন মোশন এর সাথে আর কিছু এগোলো-?
  • d | 24.99.163.3 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১২75071
  • ইতালিতে দেখেছি কমোডের পাশে ছুচি করার জন্য আর একটা ছোট কমোড থাকে ।
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১৬75072
  • হ্যাঁ, ওটা হল বিডে (bidet)
  • d | 144.159.168.72 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:২৫75073
  • 24.99.163.3 এর d আমি নয়। 24.99 আপনি প্লীজ d এর সাথে আর একটা কিছু জুড়ে নিন।
  • Nishan Chatterjee | 110.33.3.236 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:০২75074
  • @ A

    গাণ্ডু নাকি? PhD শেষ নাকরেই ফিরে আসবো? আপনি চাকরি দেবেন না আপনার বাবা? মাইরি বালের বক্তব্যের একটা লিমিট থাকা দরকার!
  • Nishan Chatterjee | 110.33.3.236 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:০৬75075
  • @ আধুলি

    ধুস এগোল আর কই, এক পিস আলবানিয়ান মেযের সাথে তাল করছিলাম, সে শালা ল্যাং মেরে পালালো, এখন কালো মেয়েদের সাথে চেষ্টায় আছি, কিন্তু কম্পিটিশমের বাজারে পিছিয়ে পড়ছি, কিসে তা নিশ্চয় বলতে হবে না :P
  • Nishan Chatterjee | 110.33.3.236 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:০৯75076
  • @A

    ভারতে একটা জায়গা দেকান যেখানে ডাইনামিকাল সিস্টেম বা টাইকমুলার থিয়োরি নিযে কাজ হচ্ছে তাপ্পর আপনার বালের ডায়ালগ শুনবো!
  • ন্যাড়া | 172.233.205.42 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:২৪75077
  • সাহেবদের অনুকরণ ঠিক কতটা চলবে এ নিয়ে ভাল ডিবেট হয়। মানে পুরুষের পোশাকে চলবে (প্যান্ট-শার্ট), মেয়েদের পোষাকে শহর-টহরে চলবে, মফস্বলের দিকে গলাখাঁকারি (স্কার্ট-প্যান্টস-ব্লাউজ), মেজে খাওয়া সর্বত্র চলবে - একেবারে গাঁ-গঞ্জের দিকে বাদ দিয়ে, ছুঁচোন কোথাও চলবে না।

    এসবের একটা মানে-বই পেলে ভাল হত।
  • jhiki | 121.95.121.109 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:৩৬75078
  • সাহেবও কি আর সেই সাহেব আছে? আমি তো সম্বল (লংকা, শুকনো মাছ বাটা দেওয়া চাটনী) দিয়ে রোজ ভাত খাওয়া সাহেবও হরবখত দেখি ঃ)

    আর যে কোন ফ্যাব ইন্ডিয়াতে বাদামীর সমসংখ্যক বা বেশী সাহেব সবসময় দেখা যায়। যে কোন হয়ত ভুল, তবে সিপি আর জি কে ওয়ানে অবশ্যই দেখা যায়.... তাদেরকে দেখে ট্যুরিস্ট মনে হয়না, কর্ম বা গবেষণা সূত্রে ভারতে এসেছে বলেই মনে হয়।

    নিজেদের দেশে ফিরে তারা নিশ্চয় সম্বল দিয়ে ভাত খায়না বা কুর্তা পরে ঘুরে বেড়ায় না।
  • de | 190.149.51.67 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:৩৯75079
  • যার যেটা পছন্দ হবে সে সেটা নেবে আর যেটা ভালো লাগবেনা সেটা বর্জন করবে - এই নিয়ে পাতার পর পাতা তক্কোর মানে হয়?

    বরং নিশানের মতো নতুন নতুন সায়েব দেশে যাওয়া স্টুডেন্টদের আরো সমস্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে মজার মজার গপ্পো লিখলে ভালো হবে। সেই এক টিস্যু কচলানো ভাল্লাগে না!
  • jhiki | 121.95.121.109 (*) | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ১১:১৮75080
  • যে কোন টিস্যু পেপার নয়, হাগজ ঃ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন