• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 132.164.220.238 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০২:৪৫74506
  • এইরে অতো পুরনো ইতিহাস জানিনা। তবে কিনা হামাসের মিলিটারি উইং ইসরাইলি দের মেরেছে, ইসরাইলিরাও হামাস আর প্যালেস্টাইনদের মারছে। যে যতো পারছে খুঁচিয়ে ঘা করে চলেছে, মুশকিলটা সেখানেই।
  • dc | 132.164.220.238 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০২:৪৯74507
  • "এখন তাহলে কী? ড - বয়কট, ডাইভেস্টমেন্ট, স্যাংশন। যেভাবে অ্যাপার্থাইড দক্ষিণ আফ্রিকাকে করা হয়েছিল, ঠিক সেইভাবে ইসরায়েলকে।"

    পুরো একমত। আর তার সাথে হামাসের নেতাদের শাস্তি, ওদের রকেট ইত্যাদি কেড়ে নেওয়া। কারন সিজফায়ার শুধু ইসরায়েল মানেনা নয়, হামাসও মানেনা। বারবার প্যালেস্টাইন টেরিটরি থেকে রকেট হামলা করে। এই দুটো পক্ষকেই আটকাতে পারলে এই অমানবিক যুদ্ধ থামতে পারে।
  • দেব | 59.136.206.189 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০২:৫৫74508
  • ডিসিকে একটা প্রশ্ন - ভগৎ সিং 'টেররিষ্ট' ছিলেন? বা সুর্য সেন?
  • dc | 132.164.220.238 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:০২74509
  • দেব, ভগত সিং আর সুর্য সেনের সাথে হামাসের তুলনা কিছুটা ড্ন ব্র্যাডম্যানের সাথে শচীন তেন্ডুলকারের তুলনার মতো। সময়ের অনেকটা ফারাক, প্রেক্ষিত আলাদা, অস্ত্র আলাদা। তুলনাটা করাই যায়না। ভগত সিং আজকের দিনে থাকলে হয়তো হামাসের রকেট হানা আর সুইসাইড বাহিনী সমর্থন করতেন না (এটা আমার অনুমান)।
  • dc | 132.164.220.238 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:০৯74510
  • ভগত সিং আর সুর্য সেনের সাথে হামাসের আরেকটা ফারাক হামাসের ফাউন্ডিং কোভেনান্টে পড়লে বুঝতে পারবেন। ওটার থেকে একটা লাইন তুলে দিলামঃ Israel will exist and will continue to exist until Islam will obliterate it, just as it obliterated others before it

    ভগত সিং আর সুর্য সেন বোধায় ব্রিটেন দেশটাকেই অব্লিটারেট করে দিতে চাননি। এনারা নিজেরা বোধায় নিজেদের উগ্রপন্থী হিসেবে জাহির করেননি, যেটা হামাস করে।

    আমার বা আপনার কি মত সেটা জিগ্যেস করেও লাভ হচ্ছেনা, কারন হামাসের নিজেদের মত যে ওরা হলো উগ্রপন্থী।
  • lcm | 60.242.74.27 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:১১74511
  • অমানবিক তো সব যুদ্ধই। এটা অসম লড়াই। চাট্টি বোমা ছোঁড়া ছাড়া প্যালেস্তানিয়দের কাছে আর অপশন নাই। অন্তত পরিষ্কার খাবার জল পাবার অপশন নাই। একটা ট্র্যাপ। বারবার এই বোমা ছোঁড়ার ট্র্যাপে পা দেয় প্যালেস্তানিয় যোদ্ধারা। প্রত্যেকবারই হারে, এবং প্রত্যেকবার ইস্রায়েলের এনক্রোচমেন্ট একটু একটু করে বেড়ে যায়। চারটে ইস্রায়েলিকে বোমা মেরে উড়িয়ে দিলে যে কোনো সমাধান হবে না, উল্টে ইস্রায়েলিদের সুবিধেই হবে - এটা বুঝলেও, সেই ট্যাকটিক্যাল মুভের অবস্থায় প্যলেস্তানিয় নেতারা নাই। নিজেদের মধ্যে সে সলিডারিটিও নাই।
    এদিকে প্যালেস্তাইন ফান্ডিং বেড়েছে। ২০০৬ এর ইলেকশনে হামাস মেজরিটি পায়, ক্ষমতায় আসে। ২০০৮ থেকে ইউএস গড়ে প্রায় আধ বিলিয়ন ডলার বছরে ফান্ডিং দিয়েছে প্যালেস্তাইনকে। ইউএন এবং অন্যান্য দেশও দিয়েছে, বছরে প্রায় ২-৩ বিলিয়ন ডলার ফান্ডিং পেয়েছে প্যালেস্তাইন। কিন্তু ওদিকে ইস্র্যায়েল পাঁচিল তুলে চাষের জমি ঘিরে দিয়েছে। তাহলে টাকা দিয়ে হবে টা কি? এই ফান্ডিং ইন্ডিরেক্টলি ইন্টারনাল করাপশন, টেররিজ্‌ম প্রোমোট করবে জেনেও ফান্ডিং এসেছে। এটা কিছুটা পাকিস্তানের কেস, ইউএস বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দিয়েছে, আর তা দিয়ে পাকিস্তান কোনো তালিবান মোকাবিলার কাজ করে নি - এটা যে জানা ছিল না তা নয়, কিন্তু এটাই তো পরিকল্পনা। কিপ দ্য কনফ্লিক্ট অ্যালাইভ।
    এই যে অপ্পোন জিগালো, শান্তিপূর্ণ পিএলও - তা ভোগে গেল। যেতেই হবে। কারণ আসল ইস্যু চারটি বোমাবাজি নয়। আসল ইস্যু হল, প্লান্‌ড এনক্রোচমেন্ট।
  • dc | 132.164.220.238 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:১২74512
  • আবার বড়ো করে ডিসক্লেমার দি, ওপরের যে লাইন কোট করেছি ওটা শুধুমাত্র হামাসের ফাউন্ডিং কোভেনান্টেএ থেকে নেওয়া, ওটা হামাসের মত। এর সাথে সাধারন ইসলামকে দয়া করে গুলিয়ে ফেলবেন না, প্রচুর ইসলামি ধর্মাবলম্বীও হামাসের এই মত সমর্থন করে না।
  • dc | 132.164.220.238 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:১৭74513
  • lcm, একমত। হামাস আসলে ইসরায়েলের যতোটা শত্রু, বোধায় প্যালেস্টাইনের তার থেকেও বড়ো শত্রু। আর ax যেটা বল্লেন, যেভাবে অ্যাপার্থাইডকে শেষ করা হয়েছিল - সেটা সমাধানের একটা রাস্তা হতেই পারে। ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি যদি দুদিকের উগ্রপ্ন্থীদের ওপরেই চাপ দেয় তো এই লড়াই আর মৃত্যু থামতে পারে।
  • lcm | 60.242.74.27 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:২৪74514
  • তবে আশার কথা একটাই। প্রোগ্রেসিভ ইস্রায়েলিদের একটা অংশ এর সমাধান চায়। আর ল্যান্ড গ্র্যাব দরকার নাই। এটা থামানো দরকার।
    প্রোগ্রেসিভ আরবদের একটা অংশ এর সমাধান চায়। ইহুদীদের পৃথ্বী থেকে নিশ্চিহ্ন করা - ২০১৪ সালে এসব ভাও যে ইউসলেস, সেটা তারা বোঝেন এবং মানেন।

    দুদিকেই এমন কিছু জনসংখ্যা নয়। পিসফুল হ্যাবিটেশন তো সম্ভব। কিন্তু ন্যাচরাল রিসোর্স শেয়ার না করলে সম্ভব নয়।
  • dcdc | 132.164.220.238 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:২৮74515
  • lcm। আবারও একমত। প্রগ্রেসিভ জনতা সবদিকেই আছে, হতে পারে এখন হয়তো তাদের কথা কেউ শুনছেনা। তবে ইজরায়েল, আরব, প্যালেস্টাইন, সবদিকের প্রগ্রেসিভ জনতাকে চেষ্টা চালিয়েই যেতে হবে, নিজের নিজের দিকের উগ্রপন্থীদের বোঝাতে হবে। আর ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটিকে চাপ দিতে হবে। জানিনা এতোসব হবে কিনা।
  • a x | 86.31.217.192 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:৩১74485
  • এই চিন্তাটা একেবারেই বোধগম্য হয়না। হামাস তো এল এই সেদিন। ইসরায়েল তো তার বহু আগে থেকে ব্রুটাল অ্যাটাক চালাচ্ছে। আর হামাস নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়েই এসেছে। সেখানে আম্রিকা এবং তাদের অ্যাসলিকাররা টেররিস্ট বলল, ব্যাস হয়ে গেল? বৃটিশ শাসনকালের স্বদেশীরাও তাইলে টেররিস্ট, কেননা বৃটিশরা তো তাই বলত তাদের। একটা দেশ থেকে গায়ের জোরে মিলিয়ানের ওপর লোক তাড়িয়ে স্টেট অফ ইসরায়েল হয়, যা বেসিকালি কলোনাইজেশন ছাড়া আর কিছু না। এবং তারপরেও গত ৬০ বছরের ওপর ধরে একটার পরে একটা অ্যাটাক করে ইসরায়েল নিজের ভৌগলিক সীমা বাড়িয়েই যাচ্ছে। আজ অবধি সমস্ত সিজফায়ারের এগ্রিমেন্টও ইসরায়েল ভেঙ্গেছে। ইসরায়েল তো বলে কয়ে একটি জিওনিস্ট স্টেট!

    প্যালেস্টিনিয়ানদের তাহলে কী করা উচিৎ? চুপচাপ উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া, চুপচাপ মরে যাওয়া, আর নয়ত এনেমি স্টেট সন্ধিপত্র বলে যে চুক্তিতে সই করতে বলছে, যেখানে প্যালেস্টাইনের কোনো বক্তব্যই থাকবেনা, তা মেনে নেওয়া, উইচ এগেইন বেসিকালি চুপচাপ একটা গোটা দেশের উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া - এই তো?
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:৪১74486
  • ঠিক অ্যাটাক নয়। সিস্টেম্যাটিক্যালি প্রায় ৫০-৬০ বছর ধরে একটা জায়গা থেকে তার অরিজিন্যাল বাসিন্দারা সরে যাচ্ছে, আর অন্য লোকেরা এক্সপান্ড করছে।
    এই যে, দুপক্ষ থেকেই রকেট বোমা বর্ষণ, মাটির তলায় সুরঙ্গ, ইসলামিক টেররিস্ট অর্গানাইজেশন হামাস, ইস্রায়েলের স্টেট কন্ট্রোল্‌ড টেরর .... এসব হচ্ছে ওপরের লেয়ার, একটা কভার - এর তলায় আছে সিস্টেম্যাটিক জবরদ্খল। যেমন, পাণীয় জল। ঠিক কতটা পাণীয় জল কোন জায়গায় যাবে, সেটা কন্ট্রোল্‌ড। এইরকম বেসিক লেভেলে।
    কেননা, মারপিট, সেক্টারিয়ান বা রিলিজিয়াস কনফ্লিক্ট তো পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় হয়েই চলেছে - কিন্তু এইরকম একটা বেআইনি জবরদখল কে লেজিটিমাইজ করা - এটা বিরল।
  • a x | 86.31.217.192 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:৫০74487
  • হ্যঁ, সুয়েজ সিস্টেম টার্গেট করা, জল বন্ধ করা, এটা তো আরেক লেভেলের। এবং তারসাথে ওয়েভস অফ কিলিং চালিয়েছে ইসরায়েল। এগুলোর বিভিন্ন নামও আছে, হট উইন্টার, সামার রেইন ইত্যাদি। এখনের নাম যেমন প্রোটেটিক এজ। এইধরণের টার্গেটেড মাস সিভিলিয়ান কিলিং বহুকাল ধরে চালাচ্ছে ইসরায়েল।
  • dc | 132.164.222.173 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৩:৫৮74488
  • ইজরায়েলের তো দোষ আছেই, সেটা তো একবারও না বলিনি! কিন্তু উল্টোদিকে হামাসও বহুকাল ধরে টেররিস্ট কাজ করছে, সেটা বলছি। ইজরায়েলের হাজারবার দোষ আছে। ইজরায়েলি মিনিস্টারদের আর সৈন্যদলকে নিশ্চয়ই ওয়ারক্রাইমের জন্য শাস্তি দেওয়া উচিত। আর তার সাথে হামাসের লিডারশিপকেও টেররিজমের জন্য শাস্তি দেওয়া উচিত। এক পক্ষের দোষ ধরলে, অন্য পক্ষের দোষ না ধরলে, সেটা একেবারেই ভুল হবে।
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৪:১৮74489
  • টেররিজ্‌ম, তার তীব্রতা, মাস জেনোসাইড - নতুন শতাব্দীতে আফ্রিকাতে বেশী হয়েছে। শুধু ডারফুর (সুদান) জেনোসাইড যদি ধরা হয়, - 480,000+ deaths; 2,850,000 people displaced ।
    কিন্তু তা নিয়ে নেটে তক্কো মারপিট কম।
  • Animesh Baidya | 123.21.74.13 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৪:২৫74516
  • a x, আসলে অতো বোধগম্যতা নেই তো। তাই একটু সহজ করে প্রত্যেকটা প্রশ্ন ধরে ধরে উত্তর দিলে সুবিধে হতো। এমন মোটেই নয় যে আমি একটা স্থির অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছি। প্রতিটি মানুষই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন বোধের মধ্যে দিয়ে নতুন অবস্থান খুঁজে পায়।
    আপনার সুবিধার জন্য পুরনো কমেন্টটি কপি পেস্ট করছি। প্রত্যেকটা প্রশ্ন ধরে ধরে উত্তর পেলে বুঝতে সুবিধে হতো।
    পুরনো কমেন্টটি- 'আপনাকে একটু খেই ধরিয়ে দিই। এই আলোচনাটা যে পোস্টের সূত্রে উঠে এসেছে সেটা যদি আরও এক বার পরে নেন আপনি। কি ছিল সেখানে? আজকের গণপরিসরের আলোচনায় দু ধরনের মানুষদের নিয়ে কথা। যারা একই রকম ব্যবহার করছেন এবং একই ধরনের যুক্তি সাজাচ্ছেন। এমনটাও দাবি করছি না যে, শুধুমাত্র এই দুই ধরনের লোকেরাই শুধু কথা বলছে। এমন কোনও বাইনারির ধারনাও বলছি না। এবং সেই গণপরিসরের আলোচনায় ইসলামিক ও নন-ইসলামিক ভাগটা তৈরি হচ্ছে। আমি তাকে সংজ্ঞায়িত করছি না। শুধুমাত্র প্রবণতার কথা বলেছি। সেই আলোচনার শেষে আমার বক্তব্য কী ছিল? আমি মূলত কী বার্তা রাখতে চেয়েছিলাম?

    'শেষ কথা। যা চিরকাল বলব। সব হত্যাই ঘৃণ্য, সব হত্যাই প্রতিবাদযোগ্য। ধর্মের নামেই হোক বা রাষ্ট্রের নামে।'

    এখানে ঠিক কোথায় আমার বক্তব্যে প্রতিবাদের ক্ষেত্রে ইসলামিক ও নন-ইসলামিক বিভাজন খুঁজে পেলেন, একটু বুঝিয়ে দেবেন?

    আমিও যেমন কোনও বামপন্থীকে ইসলামী সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখিনি, আপনিও তেমনি আজ অবধি কোনো ডানপন্থী কাউকে ভারতের কোনো রাস্তায় খ্রিস্চিয়ান মৌলবাদদের দ্বারা অ্যাবর্শন ক্লিনিক অ্যাটাক, খুন ইত্যাদির বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে দেখেননি। এবং আমরা যদি এই দুই না দেখাটা নতুন করে দেখার প্রত্যাশা করি সেখানে আপত্তির জায়গাটা কোথায় একটু বুঝিয়ে দেবেন?

    'বোকো হারামের কথা লোকে এত বলে অথচ ঐ অঞ্চলে নাইজেরিয়ান মিলিটারি কি করেছে সেটা কেউ বলেনা কেন?' এই লাইন এবং তার পরবর্তী ব্যাখ্যার সঙ্গে যারা গাজা নিয়ে প্রতিবাদ করতে চায় না তাদের যুক্তির খুব বেশি ফারাক আছে বলে মনে হয় আপনার? এর সব কিছু দ্বিগুণ সত্যি হলেও তা দিয়ে বোকো হারেমের হত্যালীলাকে সমর্থন করা যায়? কিংবা সেই হত্যালীলা নিয়ে প্রতিবাদহীন, নিন্দাহীন মৌনতাকে জাস্টিফাই করা যায়?

    'লিবেরাল ইসলামিক প্রোটেস্ট গ্রুপ গুলো মুছে দেওয়া চলছে। যত সেটা হবে, তত উগ্রপন্থী ইসলামিক গ্রুপ বাড়তেই থাকবে।' ভীষণ ভাবে বাস্তব। ভীষণ ভাবে সত্য। কিন্তু তাই বলে উগ্রপন্থী ইসলামিক গ্রুপের হাতে নিরীহ মানুষের হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে কিংবা নিন্দা জানাতে কোনও আদর্শগত বাধা তৈরি হয়? যদি একটু বুঝিয়ে বলেন।

    উগ্রপন্থী রাজনীতির লালন ও পালন করে পাশ্চাত্য ইম্পেরিয়ালিজম, এই অলঙ্ঘনীয় সত্যকে মেনে নিয়ে এবং সেই ইম্পেরিয়ালিজমের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময়েও উগ্রপন্থী ধর্মীয় মৌলবাদের শিকার মানুষগুলোর দিকে সহানুভুতির বার্তা জানানো এবং গণহত্যার প্রতিবাদ করাতে কোনও আদর্শগত সমস্যা হয় কি?

    এই বার আসি শেয কথায়। এক দল লোক নন-ইসলামিক মৌলবাদীদের (বিশেষ করে বিজেপি ও হিন্দুত্ববাদ) বিরুদ্ধে কলম ধরছেন, প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এবং ইসলামিক মৌলবাদী সন্ত্রাসবাদীদের সন্ত্রাসের ঘটনাগুলো নিয়ে গণপরিসরে চুপ থাকছেন। ফলত এই সন্ত্রাসবাদ এবং তার চালিকাশক্তি ইম্পেরিয়ালিজম, এই কথাগুলো বারবার না বলায় সেই রেটোরিক সৃষ্টিরও কোনও অবকাশ তৈরি করছেন না। ইম্পেরিয়ালিজমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে এই ঘটনাগুলির বারংবার উল্লেখ করে তার বিশ্লেষণ করে এক বিকল্প রেটোরিকের জন্ম দেওয়া এবং তা গণপরিসরে প্রচার করাটা কি ঘটনাগুলো নিয়ে নীরব থাকার চেয়ে অনেক বেশি যুক্তিযুক্ত নয়? নইলে কিন্তু ওই বুঝে হোক বা না বুঝে হোক, আত্মীকৃত হওয়ার সম্ভাবনা দিন দিন ক্রমশ বেড়েই চলবে। এবং তাতে সব থেকে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে প্রগতিশীল বাম রাজনীতিরই। একমুখী মানবতাবাদী তকমা পেয়ে(যে তকমাটা লাগাতে সক্রিয় লোকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে) আপনারাই আমজনতার কাছে ক্রমশ গ্রহণযোগ্যতা হারাবেন না তো? একটু ভেবে দেখবেন।

    সব হত্যাই ঘৃণ্য, সব হত্যাই প্রতিবাদযোগ্য। ধর্মের নামেই হোক বা রাষ্ট্রের নামে।'এই সহজ কথাটির সঙ্গে কোথাও দ্বিমতের অবকাশ আছে কি? প্রতিবাদের ক্ষেত্রে ইসলামিক ও নন-ইসলামিক বিভাজনকে তুলে দিয়ে সার্বিক ভাবে মৌলবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখাতে আপত্তির অবকাশ আছে কি?'

    যদি প্রশ্ন ধরে ধরে আলোকপাত করেন খুশি হবো।
  • dc | 132.164.222.173 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫৯74490
  • সিএনএনের একটা আর্টিকল পড়ছিলাম, সেখান থেকে হামাসের ফাউন্ডিং কোভেনান্টের একটা লিংক পেলাম। লিংকটা নীচে দিচ্ছি, কিন্তু দেওয়ার আগে বড়ো বড়ো করে কয়েকটা কথা লিখে দিঃ আমি প্রো-হিন্দু, অ্যান্টি হিন্দু, প্রো-মুসলমান, অ্যান্টি মুসলমান, কোনটাই না। লিংকটা দয়া করে সাবধানে পড়বেন, বেশ কিছু উগ্র কথা লেখা আছে। এই লিংকগুলো দিয়ে উল্টো প্রোপাগান্ডা বানায়, এরকম লোকও আছে। এবার লিংকটা পড়ে দেখুনঃ

    http://avalon.law.yale.edu/20th_century/hamas.asp

    এখানে দ্বিতীয় প্যারাটি পড়ুন। তাহলে বুঝতে পারবেন, হামাসকে কুনালের বক্তব্যে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তার থেকে ওরা অনেক বেশী উগ্রপন্থী। সেইজন্যই বলছি, এই কথাটা ভুলঃ So if, after moderate agitations failed, the Palestinians did become violent occasionally, it cannot be compared at all with the systematic Zionist violence on the Palestinians."

    আবারও বলি, ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন কনফ্লিক্টে ইজরায়েলের হাজার দোষ আছে। ওদের শাস্তি নিশ্চয়ই হওয়া উচিত। কিন্তু একই সাথে হামাসেরও শাস্তি হওয়া উচিত, কারন ওরাও একইরকম উগ্রপন্থী।
  • Arpan | 125.118.167.117 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৫:১০74491
  • যেটা বুঝতে চাই (ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন কনফ্লিক্ট নিয়ে আমার জ্ঞান খুব সীমিত)ঃ

    যতদূর জানি নব্বই দশকের মাঝামাঝি পিএলও তাদের অরিজিনাল অ্যাজেন্ডা থেকে সরে এসে টু নেশন থিওরি মেনে নেয় এবং বিনিময়ে ইজরায়েল পিএলওকে প্যালেস্টিনিয়ানদের একমাত্র প্রতিনিধি বা এরকম কিছু একটা স্বীকৃতি দেয়। একই সময় আরাফত, ইৎঝাক রবিন আর শিমন পেরেজ নোবেল পিস প্রাইজ পান।

    যেটা ইন্টারেস্টিং সেটা হল ২০০৫-০৬ থেকে প্যালেস্টিনিয়ানদের মধ্যে পিএলওর গ্রহণযোগ্যতা কমতে থাকে এবং হামাস নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসে। এর পর থেকেই ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন দ্বন্দ্ব নতুন মোড় নেয়। ইজরায়েল একের পর এক মিলিটারি অপারেশন চালাতে থাকে আর নতুন নতুন এরিয়ায় জু সেটলমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু করে। হামাস নতুন উদ্যমে গেরিলা অ্যাটাক শুরু করে।

    যেটা জানার ছিল, পিএলও ডিক্লাইন আর হামাসের রাইজ এর পেছনে কী কী কারণ ছিল? পিএলওর মতন মডারেট গ্রুপকে "মুছে" দেবার দায় কি ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ডেরই নাকি ২০০১ পরবর্তী জিওপলিটিকাল ফ্যাক্টর এ দিকে ঘটনাক্রমকে চালিত করেছে?
  • dc | 132.164.222.173 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৫:১৬74492
  • আমার মনে হয় এটা একটা ভিশিয়াস সার্কেল। আর দুপক্ষেই উগ্রপন্থীদের কোন অভাব নেই, তাই এই কনফ্লিক্টটা চলতেই থাকে। পালা করে এক পক্ষ আরেক পক্ষতে খুঁচিয়েই চলে আর এক দল আরেক দলকে দোষারোপ করেই চলে।
  • s | 182.0.249.87 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৭:৩৩74517
  • ইয়ে, এই বিতর্কের মধ্যে মালয়েশিয়ার ১৭ নম্বর উড়ানের ২৯৮ জন যাত্রী একসংগে ফুস হয়ে গেল এই বিষয়ে কিছু মিনিময় হবে নাকি? রাশিয়াপন্থী উগ্রপন্থী দল নকি খোদ রাশিয়াই বিমানটিকে মারল এখনো স্পষ্ট নয় কিন্তু বামপন্থীরা কি এই নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল আয়োজন করছে?
    না কি যা গেছে তা গেছে।
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৭:৩৭74493
  • নাঃ কিছু লিখব না।
  • Animesh Baidya | 123.21.72.148 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ০৯:০৮74494
  • a x, আমার আপনার প্রতি অনেকগুলো প্রশ্ন ছিলো। সেগুলোর তো কোনও উত্তর পেলাম না আর। উত্তর পেলে ভালো লাগতো।
  • Animesh Baidya | 123.21.78.116 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ১২:১৪74483
  • আপনাকে একটু খেই ধরিয়ে দিই। এই আলোচনাটা যে পোস্টের সূত্রে উঠে এসেছে সেটা যদি আরও এক বার পরে নেন আপনি। কি ছিল সেখানে? আজকের গণপরিসরের আলোচনায় দু ধরনের মানুষদের নিয়ে কথা। যারা একই রকম ব্যবহার করছেন এবং একই ধরনের যুক্তি সাজাচ্ছেন। এমনটাও দাবি করছি না যে, শুধুমাত্র এই দুই ধরনের লোকেরাই শুধু কথা বলছে। এমন কোনও বাইনারির ধারনাও বলছি না। এবং সেই গণপরিসরের আলোচনায় ইসলামিক ও নন-ইসলামিক ভাগটা তৈরি হচ্ছে। আমি তাকে সংজ্ঞায়িত করছি না। শুধুমাত্র প্রবণতার কথা বলেছি। সেই আলোচনার শেষে আমার বক্তব্য কী ছিল? আমি মূলত কী বার্তা রাখতে চেয়েছিলাম?

    'শেষ কথা। যা চিরকাল বলব। সব হত্যাই ঘৃণ্য, সব হত্যাই প্রতিবাদযোগ্য। ধর্মের নামেই হোক বা রাষ্ট্রের নামে।'

    এখানে ঠিক কোথায় আমার বক্তব্যে প্রতিবাদের ক্ষেত্রে ইসলামিক ও নন-ইসলামিক বিভাজন খুঁজে পেলেন, একটু বুঝিয়ে দেবেন?

    আমিও যেমন কোনও বামপন্থীকে ইসলামী সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখিনি, আপনিও তেমনি আজ অবধি কোনো ডানপন্থী কাউকে ভারতের কোনো রাস্তায় খ্রিস্চিয়ান মৌলবাদদের দ্বারা অ্যাবর্শন ক্লিনিক অ্যাটাক, খুন ইত্যাদির বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে দেখেননি। এবং আমরা যদি এই দুই না দেখাটা নতুন করে দেখার প্রত্যাশা করি সেখানে আপত্তির জায়গাটা কোথায় একটু বুঝিয়ে দেবেন?

    'বোকো হারামের কথা লোকে এত বলে অথচ ঐ অঞ্চলে নাইজেরিয়ান মিলিটারি কি করেছে সেটা কেউ বলেনা কেন?' এই লাইন এবং তার পরবর্তী ব্যাখ্যার সঙ্গে যারা গাজা নিয়ে প্রতিবাদ করতে চায় না তাদের যুক্তির খুব বেশি ফারাক আছে বলে মনে হয় আপনার? এর সব কিছু দ্বিগুণ সত্যি হলেও তা দিয়ে বোকো হারেমের হত্যালীলাকে সমর্থন করা যায়? কিংবা সেই হত্যালীলা নিয়ে প্রতিবাদহীন, নিন্দাহীন মৌনতাকে জাস্টিফাই করা যায়?

    'লিবেরাল ইসলামিক প্রোটেস্ট গ্রুপ গুলো মুছে দেওয়া চলছে। যত সেটা হবে, তত উগ্রপন্থী ইসলামিক গ্রুপ বাড়তেই থাকবে।' ভীষণ ভাবে বাস্তব। ভীষণ ভাবে সত্য। কিন্তু তাই বলে উগ্রপন্থী ইসলামিক গ্রুপের হাতে নিরীহ মানুষের হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে কিংবা নিন্দা জানাতে কোনও আদর্শগত বাধা তৈরি হয়? যদি একটু বুঝিয়ে বলেন।

    উগ্রপন্থী রাজনীতির লালন ও পালন করে পাশ্চাত্য ইম্পেরিয়ালিজম, এই অলঙ্ঘনীয় সত্যকে মেনে নিয়ে এবং সেই ইম্পেরিয়ালিজমের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময়েও উগ্রপন্থী ধর্মীয় মৌলবাদের শিকার মানুষগুলোর দিকে সহানুভুতির বার্তা জানানো এবং গণহত্যার প্রতিবাদ করাতে কোনও আদর্শগত সমস্যা হয় কি?

    এই বার আসি শেয কথায়। এক দল লোক নন-ইসলামিক মৌলবাদীদের (বিশেষ করে বিজেপি ও হিন্দুত্ববাদ) বিরুদ্ধে কলম ধরছেন, প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এবং ইসলামিক মৌলবাদী সন্ত্রাসবাদীদের সন্ত্রাসের ঘটনাগুলো নিয়ে গণপরিসরে চুপ থাকছেন। ফলত এই সন্ত্রাসবাদ এবং তার চালিকাশক্তি ইম্পেরিয়ালিজম, এই কথাগুলো বারবার না বলায় সেই রেটোরিক সৃষ্টিরও কোনও অবকাশ তৈরি করছেন না। ইম্পেরিয়ালিজমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে এই ঘটনাগুলির বারংবার উল্লেখ করে তার বিশ্লেষণ করে এক বিকল্প রেটোরিকের জন্ম দেওয়া এবং তা গণপরিসরে প্রচার করাটা কি ঘটনাগুলো নিয়ে নীরব থাকার চেয়ে অনেক বেশি যুক্তিযুক্ত নয়? নইলে কিন্তু ওই বুঝে হোক বা না বুঝে হোক, আত্মীকৃত হওয়ার সম্ভাবনা দিন দিন ক্রমশ বেড়েই চলবে। এবং তাতে সব থেকে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে প্রগতিশীল বাম রাজনীতিরই। একমুখী মানবতাবাদী তকমা পেয়ে(যে তকমাটা লাগাতে সক্রিয় লোকের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে) আপনারাই আমজনতার কাছে ক্রমশ গ্রহণযোগ্যতা হারাবেন না তো? একটু ভেবে দেখবেন।

    সব হত্যাই ঘৃণ্য, সব হত্যাই প্রতিবাদযোগ্য। ধর্মের নামেই হোক বা রাষ্ট্রের নামে।'এই সহজ কথাটির সঙ্গে কোথাও দ্বিমতের অবকাশ আছে কি? প্রতিবাদের ক্ষেত্রে ইসলামিক ও নন-ইসলামিক বিভাজনকে তুলে দিয়ে সার্বিক ভাবে মৌলবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখাতে আপত্তির অবকাশ আছে কি?
  • :-( | 131.241.218.132 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ১২:২৫74497
  • "পালা করে এক পক্ষ আরেক পক্ষতে খুঁচিয়েই চলে আর এক দল আরেক দলকে দোষারোপ করেই চলে।" - খুব সত্যি । আর যেটা যুগে যুগে দেশে দেশে হয় যে তথাকথিত নির্ভীক বিপ্লবী রা গেরিলা যুদ্ধের নামে নিরীহ অসহায় সাধারণ লোকেদের ঢাল বানায় , নিরীহ লোক রা না চাইলেও বিপ্লবের জন্যে বলিপ্রদত্ত শুধু মাত্র সেই বিপ্লবীদের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খার জন্যে ।
  • de | 190.149.51.68 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৪ ১২:৪২74498
  • যেভাবে মাওবাদীরা সাধারণ লোক মারলে, পুলিশ মারলেও তাদের বিপ্লবী বলতেই হবে, নিন্দে করে টেররিস্ট বলা যাবে না, সেভাবেই হামাসকেও টেররিস্ট অর্গ্যানাইজেশন বলা বারণ! সাধারণ লোকের মৃত্যু? ওটুকু বিপ্লবের কোল্যাটারাল ড্যামেজ!
  • dc | 132.164.139.12 (*) | ২৫ জুলাই ২০১৪ ০১:১৮74518
  • "সব হত্যাই ঘৃণ্য, সব হত্যাই প্রতিবাদযোগ্য। ধর্মের নামেই হোক বা রাষ্ট্রের নামে।"

    এটা আমি সমর্থন করি। আর সেউ জন্যই কুনালের বক্তব্য ভুল মনে করি। যারা ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধের সব দায় ইসরায়েলের ঘাড়ে চাপাতে চাইছেন তারা ভুল করছেন, কারন ইসরায়েল আর হামাস দুপক্ষেরই দোষ আছে। দুপক্ষকেই সংযত করতে পারলে এই যুদ্ধ থামানো সম্ভব, নাতো বারবার সংঘর্ষ লেগেই থাকবে।
  • de | 190.149.51.68 (*) | ২৫ জুলাই ২০১৪ ০৫:২৩74519
  • এখানে ডিসি আর অনিমেষ যা লিখলেন - সেটাকেই সমর্থন করি। রক্তারক্তি, হানাহানি বন্ধ করতে হলে দুপক্ষকেই থামানো দরকার। একপক্ষকে তোল্লাই দেওয়া বন্ধ না হলে এ থামার নয়!
  • a x | 86.31.217.192 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৪ ১১:০৩74520
  • অনিমেষ,

    এই কথাটা - "সব হত্যাই ঘৃণ্য, সব হত্যাই প্রতিবাদযোগ্য।" এটার অ্যাবসোলিউটলি কোনো মানে দাঁড়ায় না।

    প্রথমত, এটা আমার আপনার মরালিটির ব্যাপার না। এটা ইতিহাসে ক্ষমতা কার হাতে, কে কীভাবে ক্ষমতা নিচ্ছে, তার ব্যাপার। হ্যাঁ সব হত্যাই নিন্দনীয় এইসব বলে একটা বেশ আত্মতৃপ্তি কিছু পাওয়া যেতে পারে কিন্তু এটা বলা বেসিকালি স্ট্যাস ক্যুয়ো ডিম্যান্ড করা। একটি আদর্শ পৃথিবীতে হতে পারে, কিন্তু ধরুন আজ যদি দেখেন যে পাকিস্তান ভারত আক্রমণ করে, ভারতের সীমানা ঠেলতে ঠেলতে বিহার আর কেরালা দুটো জায়গায় নিয়ে গেছে, এবং সমস্ত নদীবাঁধ বন্ধ করে, জল বন্ধ করে বেসিকালি একটা জেলখানা বানিয়ে দিয়েছে ঐ দুটো জায়গাকে তখন মনে হয়না আর্মড রিট্যালিয়েশন নিয়ে কোনো আপত্তি থাকবে।

    আপনার কথা মত হলে কোথাও কোনোদিনও কোনো স্বাধীনতা আন্দোলন হতনা বৃটিশ সূর্য টলমল করত। দ

    দ্বিতীয়ত, এই বক্তব্য, আইনতও দাঁড়ায় নাঃ
    আদালতে গেলেও এই কথা বলা হয়না। সেখানেও ডিফেন্সিভ অফেন্স বলে একটা জিনিস আছে। ইন্টার্ন্যাশনাল ল' র তলাতেও দুটো শব্দ ব্যবহার হয় - jus ad bellum মানে কখন আক্রমণ জাস্টেফায়েড। আইন অনুযায়ী ইসরায়েলের অধিকার নেই আক্রমণের, কিন্তু প্যালেস্টাইনের আছে।

    তৃতীয়ত, এই দুই পক্ষই দোষী এই কথাটা, বলতে বাধ্য হচ্ছি অজ্ঞানতার ফসল। একটা হাতি যখন একটা ইঁদুরের ল্যাজে পা দেয়, তখন আপনি যদি বলেন, আমি বাপু নিরপেক্ষ, তখন ইঁদুরের সেটা খুব একটা পছন্দের হয়না। (আমি না, ডেসমন্ড টুটু বলে গেছেন) - যেখানে সিচুয়েশন অফ ইনজাস্টিস, সেখানে এই দুপক্ষই দোষী বলা মনে আপনি অপ্রেসরের দিকে।

    ২০০০ সাল থেকে এই কনফ্লিক্টে কে মেরেছে দেখা যাক। মাথায় রাখবেন, জনসংখ্যার দিক দিয়ে, ইসরায়েল দ্বিগুণের বেশি। অর্থাৎ এই গ্রফ পপুলেশন কন্ট্রোল করে তৈরি হলে হলুদ গুলো ডবল হত।

    এইবার দেখা যাক, ভৌগোলিক সীমা কীভাবে বদলেছে -

    এখনও দুপক্ষই দোষী? প্যালেস্টাইনের কোনো মেরিন ফোর্স, এয়ার ফোর্স এইসব নেই। ইসরায়েল ওয়ান অফ দ্য স্ট্রংগেস্ট নেশন্স। ইট হ্যাস দ্য ফোর্থ লর্গেস্ট মিলিটারি। এই মিলিটারি নিয়ে মাঝে মাঝেই আক্রমণ করে, যেটাকে নিজেরা বলে "মোইং দ্য গ্রাস" মানে আগাছা সাফ করার মত করে শিশু হত্যা করেই চলেছে। বলে বলে হাসপাতাল, স্কুল টার্গেট করছে। এখন চার্চ করছে। আজ অবধি যত সিজফায়ার চুক্তি হয়েছে, তার বেশিরভাগ ইসরায়েল ভেঙ্গেছে। এবং সব বার মিডিয়া রিপোর্টও করেনা সেগুলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন