এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | 24.96.17.127 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৩১71859
  • আমাদের বাড়িতেও সেই ঠাকুমা-দিদিমা আমলের ছাড়া ইদানিং যাঁদের দেখেছি সবাই আমিষ খান ।তবে বিয়েবাড়ি তে খান না । গ্রামের লোকজন আসে তো । দিস ইস এনাদার স্ট্রেঞ্জ থিং ।ছোটবেলা থেকেই এটা শেখানো হয়েছে গ্রামের আত্মীয় দের সামনে বুঝে চলবে । গ্রাম থেকে কেও এসেছেন এমন অবস্থায় হটাত বান্ধবী কে নেমন্তন্ন করবে না ,কথায় কথায় তর্ক করবেনা ইত্যাদি ইত্যাদি ।
  • বিধবা | 188.83.87.102 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৩৭71860
  • দুবছর আগে আমার ছোটোবোন বিধবা হয়েছে। বিধবা হবার আগে যা খাবার দাবার বাজার করে ফ্রিজে রাখা ছিলো, কিছু রেঁধে রাখা খাবারও, যেমন চিকেন প্রিপারেশন, সেসমস্ত সে বের করে করে মাইক্রো ওয়েভে গরম করে করে খেয়েছে। নতুন করে রান্নাবান্না করবার ঝামেলায় যায় নি। ইলিশ মাছও ছিলো ফ্রীজারে। তারপরে খাবার ফুরোতে ফোন করে দোকান থেকে খাবার আনিয়ে খেয়েছে। সবই ননভেজ ও টেস্টি ফুড। পাস্তা থেকে পিৎসা, বিরিয়ানি থেকে রেজালা। পাড়ায় ঢিঢি। আমি যখন গিয়ে পৌঁছলাম বাড়ীর পরিচারিকা আমায় আড়ালে ডেকে নিয়ে গিয়ে এইসমস্ত কুকর্মের ফিরিস্তি দিলো। বোন তখনো হাতের নোয়া ফেলে দেয় নি। সেটাও খুব অলুক্ষুনে ব্যাপার। হবিষ্যি করেনি, শ্রাদ্ধ করেনি। স্বামীর টাকা পয়সা ব্যাঙ্কে যা আছে সেসবের জন্যে স্টেট ব্যাঙ্কে নিয়ে গেলাম। ম্যানেজার ভদ্রলোক একবার ডেথ সার্টিফিকেট দেখছেন, আরেকবার তার হাতের নোয়ার দিকে। একটু চমকেছেন মনে হলো। নতুন করে সে আর সাদা কাপড়জামাও কেনেনি। সবাই ফিকফিকিয়ে হাসছে (একটু আড়াল করে)। এটা একটু হাসির ব্যাপার হয়ে গিয়েছে। তারপরে, তার মনমেজাজ ভালো করবার জন্যে বিউটি পার্লারে ঘুরিয়ে আনলাম। নেড়া করা হয়নি। সুন্দর করে একটা হেয়ারকাট, ফেশিয়াল।
  • AP | 24.139.222.45 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৫ ১২:১৮71861
  • ট্যাবু আর ধর্মীয় কুসংস্কার এক জিনিস নয়। পিরিয়ড নিয়ে ট্যাবু যেমন প্রায় সব ধর্মের লোকের আছে। ট্যাবু ভাঙ্গা নিয়ে অলোচনা এখন কুসংস্কারের দিকে ঘুরে গেছে, সেটাও মন্দ কিছু নয় কিন্তু একটু টইজ্যাক হচ্ছে আর কি !
    যাই হোক শুধু বিধবাদের ধরে ধরে বোঝানো নয়, সমাজের বিভিন্ন স্তরেই ছোট-বড় মত্রায় বোঝানো-পড়ানো-শোনানো হয়েছে বইকি, বহুযুগ ধরে, এখনো হচ্ছে। বিধবাদের চেয়ে তাদের পরিবারের লোকের বোঝাটাই বেশি দরকারী ছিল, বাড়ির লোক চাপ না দিলে নিজের খাওয়া / সাজগোজ নিয়ে কে আর মুখ খোলে (খোলা উচিত নিশ্চই)। 'বিধবা'র ছোটবোন এই পরিধির বাইরের মানুষ, উনি নিজেই যথেষ্ট সংস্কারমুক্ত, ওঁকে দিয়ে গড়পরতা মহিলাদের বিচার হয় না।
    একক নিজে এই কাজটা করেন নি (কেন করেন নি কে জানে !) বলে যারা করেছে তাদের কাজটাকে নস্যাত করবেন না।
  • [] | 118.171.159.41 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৫ ১২:২৯71862
  • বিধবাদের আমিষ না খাওয়া রঙিন পোষাক না পরাও ট্যাবুই তো। সে ট্যাবু ভাঙছে। তাই নিয়ে আলোচনায় টইজ্যাক কোথায়। চলুক চলুক। (দেখুন এখানেও শোভনতা, শ্লীলতা আর প্রাইভেসি এসে এই ট্যাবু তথা কুসংস্কারের জন্ম দিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি আর ডাক্তারি কাঁবাও আছে, দেখেছেন তো?)
  • ট্যাবু | 188.83.87.102 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৩৩71863
  • ট্যাবুর সঙ্গে কুসংস্কার মিলেমিশে যায়। অনেক সংস্কারমুক্ত মানুষও ট্যাবুর প্রকোপ থেকে বেরোতে পারেন না।
    এই যেমন এককের এক্জ্যাম্পল। শহরে বসে বিধবা মানুষটি আমিষ খাচ্ছেন, কিন্তু গ্রামের বাড়ী গেলেই ট্যাবুর প্রকোপে পড়ে নিরামিষ খেতে হচ্ছে।

    আমার এক সহপাঠীর ছোটোবোন বিধবা। বাড়ীতে পাঁঠার মাংস খায়, স্নান করে রঙীন শাড়ী পরে পুজো করে রোজ। আমি ওকে একটা শাড়ী প্রেজেন্ট করব, ওর পছন্দমতো। রামমন্দিরের দিকের শোরুমে নিয়ে গেলাম। অদ্ভুত সুন্দর সুন্দর এম্‌ব্রয়ডারী করা সব শাড়ী। কোনটা ফেলে কোনটা নেবে ভাবছে। দোকানদার চেষ্টা করছেন বেশ কয়েকটা বেচবার। তো, শেষে দুটো শাড়ী পছন্দ হলো। একটা আমার পছন্দ, আরেকটা ওর নিজের। বলি, দুটোই নে না।
    ও বলে, না দিদি, এই একটাই নিই, অন্যটায় লাল লাল ফুল আছে।
    তাতে কী?
    না, আমার লজ্জা করে।
  • জলপাই | 122.79.38.10 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৪৭71864
  • কাছের মানুষ কেউ মারা গেলে স্বাভাবিকভাবেই কদিন মনটা ভারাক্রান্ত থাকে। খাওয়াদাওয়ার ইচ্ছে হয়না।মনের সে যোগ না থাকলে অবশ্য চাপিয়ে দেওয়ার ও মানে হয় না।ভ
  • সিকি | 132.177.159.19 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৫৩71865
  • "বয়েস হলেই সবাই ধূসর বা সাদা পোশাক পরবেন এটা সমাজের অলিখিত নিয়ম হয়ে গ্যাছে ।"

    তামিলনাড়ুতে বোধ হয় ব্যাপারটা উল্টো। ওখানে কমবয়েসীরা হাল্কা রঙের শাড়ি পরে, আর বুড়িরা পরে জবরজং রঙীন রঙীন বেনারসী। তামিল মেয়েরা বিয়েতেও তো সাদা শাড়ি পরে, তাই না? ডিসি বলতে পারবেন।
  • ইশরাত স্বর্ণলতা | 55.113.91.4 (*) | ১১ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৩৮71875
  • কোনও ঘটনায় যাদবপুরের প্রতিবাদের ভাষা কী হবে, সেটা সে সব সময় নিজেই ঠিক করে নেয়। সেটা কখনও পোস্টার, কখনও গান, কখনও বা গ্রাফিতি, কখনও আবার অবস্থান.. যাদবপুর সেই অনাথ শিশুগুলোর মতো, যাদের শিখিয়ে পড়িয়ে নেওয়ার কেউ নেই.. নিজে যেটুকু দেখে, বোঝে, জানে, শেখে, ঠিক হোক ভুল হোক সেটুকুই তার প্রতিবাদের ভাষা, সেটুকুই তার কান্না, সেটুকুই তার আনন্দ..
    যাদবপুর প্রসঙ্গে এই মুহূর্তে যেটা সব চেয়ে আলোচনার বিষয়, সংখ্যাতত্ত্ব দিয়ে বিচার করলে সব চেয়ে ধিক্কারের বিষয়ও বটে, তা হল স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে একটি 'প্রতিবাদ' কর্মসূচি। প্রতিবাদ শব্দটিকে ঊর্ধ্বকমা দিয়ে বন্দি করার একটাই কারণ, এটা কি প্রতিবাদ, নাকি একটা আন্দোলন, নাকি শুধুই মেস্ট্রুয়েশন নিয়ে সংস্কার ভাঙার চেষ্টা, নাকি লিঙ্গ-সংবেদীকরণের জন্য গৃহীত প্রয়াস, নাকি প্রতিক্রিয়ায় নির্মিত প্রতিবাদ... তা এখনও আবছা। ঠিক কীসের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ বা আন্দোলন তা এখনও স্পষ্ট নয়।
    প্রাথমিক ভাবে যতটুকু জেনেছি, মেনস্ট্রুয়েশন নিয়ে যে নানাবিধ সামাজিক ট্যাবু রয়েছে, তা ভেঙে দিয়ে পুরুষতন্ত্রে ধাক্কা দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য। কিন্তু ধাক্কাটা কি পিতৃতন্ত্রের দেওয়ালে গিয়ে লাগছে আদৌ? সবার আগে লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে না পারলে কি পিতৃতন্ত্রের অচলায়তন একটুও ভাঙবে? স্যানিটারি ন্যাপকিনকে প্রতিবাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করাটা কি আসলে এক জন মেয়েকে আরও বেশি করে শুধু এক জন মেয়ে হিসেবেই চিহ্নিত করছে না? মেনস্ট্রুয়েশনের ঊর্ধ্বে সে যে এক জন মানুষ, সেটা কোথাও একটা বাদ পড়ে যাচ্ছে বলেই মনে হয়..
    এর পরের প্রশ্ন আসে, এই প্রতিবাদ অথবা আন্দোলন অথবা কর্মসূচির লক্ষ্যটা ঠিক কী, বা কারা। যে সমস্ত স্লোগান লেখা ন্যাপকিনে ক্যাম্পাসের দেওয়াল ভরেছে, তার মধ্যে একটি অন্যতম হল, "নীরবতা মানেই কি নিরপেক্ষতা?" এই লেখাটির অবস্থান ও প্রসঙ্গ বেশ উল্লেখযোগ্য.. ফেটসুর "দাদাদের" উদ্দেশ্য করে প্রশ্নটি তুলে ন্যাপকিনটা সাঁটানো হয়েছে ফেটসুর ইউনিয়ন রুমের ঠিক বাইরে। আন্দোলনকারী অথবা প্রতিবাদীদের উদ্দেশে প্রশ্ন, কে নীরব? কীসের নিরপেক্ষতা? এই নীরবতা কি মেন্স্ট্রুয়েশন নিয়ে? এই পক্ষপাতের প্রশ্ন কী এই আন্দোলন বা প্রতিবাদ নিয়ে? নাকি তার থেকেও বড় উদ্দেশ্য ফেটসুকে খোঁচা দেওয়া.. সেই ফেটসু, যাদবপুরের যে কোনও আন্দোলনেই যাকে সব সময় অগ্রণী ভূমিকায় দেখা গিয়েছে.. পুলিশের লাঠির মুখে যারা সব চেয়ে সামনে থাকে..
    আগেই বলেছি, প্রতিবাদের ভাষা যাদবপুরে কেউ কোনও দিনই ঠিক করে দেয় না, আজও দেয়নি.. তাই এই ন্যাপকিন-কাণ্ড নিয়ে কে কী বলল তা ভাবারও তেমন প্রয়োজন নেই। সেই ভাষাকে কে সমর্থন করছে, কে ছিছিক্কার করছে আর কে শুধুই এড়িয়ে যাচ্ছে, সেটাও গবেষণার বিষয় নয়। কিন্তু যেটা খুব পরিষ্কার করা প্রয়োজন, সেটা হল এটা যাদবপুরের আর পাঁচটা স্বাধীন ও স্বতন্ত্র আন্দোলনের মতো সতঃস্ফূর্ত ও ব্যাপ্ত নয় কিছুতেই। তাই কলরব, চুম্বনের পরে স্যানিটারি ন্যাপকিন---ঠিক এই সরলরেখায় হিসেবটা ছকে ফেললে খুব ভুল করা হবে।
    যাদবপুরের যে কোনও আন্দোলনে যেমন আর্টস, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং নির্বিশেষে সমস্ত বিভাগের পড়ুয়াদের ভূমিকা থাকে, তেমনই থাকে শিক্ষকদেরও। মিছিলে পড়ুয়াদের সঙ্গেই পা মেলান অশিক্ষক কর্মীরাও। তাঁদের কোয়ার্টারে ঢুকে জল খেয়ে ফের নতুন স্লোগানে গলা ফাটায় ছাত্রনেতারা। এই সবটা মিলিয়েই গড়ে ওঠে যাদবপুরের আন্দোলন, যাদবপুরের প্রতিবাদ। এই সবটা নিয়েই ইতিহাস লেখে যাদবপুর। এই সবটা নিয়েই বারবার নিজের সীমানা ছাড়ায় যাদবপুর। কলরব পরবর্তী গণভোটের স্মৃতি তো এখনও টাটকা। সারা যাদবপুরের ৯৭% মানুষের মতামতের ওপর ভিত্তি করে অভিজিৎ চক্রবর্তী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল যাদবপুর।
    কিন্তু যাদবপুরের মোট ছাত্রসংখ্যার ঠিক কতটা অংশ এই ন্যাপকিন কর্মসূচি নিয়ে উৎসাহী, ক'জন শিক্ষক এই প্রতিবাদ বা আন্দোলন সম্পর্কে সহমত পোষণ করছেন, এক জনও অশিক্ষক কর্মী এই কর্মসূচির অংশ কি না, সেটা একটু জানা দরকার.. আর সেটা জানলেই নিশ্চিত করে বলা যায়, এটা যাদবপুরের আন্দোলন নয় কিছুতেই। হ্যাঁ, যাদবপুরের কিছু ছেলেমেয়েই এর কর্ণধার, তারা এ ভাবেই বেছে নিয়েছে তাদের আন্দোলনের পথ, প্রতিবাদের ধরন.. একে সমর্থন করা বা না করা যে কোনও কারও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত.. এটা ঠিক নাকি ভুল, কুশ্রী নাকি সুশ্রী, নান্দনিক নাকি ভালগার সে তর্কও চলতে থাকুক। কিন্তু তার পাশাপাশি এটাও মনে রাখা হোক, এটা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন নয়। তাই একে একটি একক ও বিচ্ছিন্ন আন্দোলন বলেই বিচার করা হোক, যাদবপুরের আর পাঁচটা আন্দোলনের মতো একই সারিতে একে না ফেলাই সমীচীন।
    চকচক করলেই যেমন সোনা হয় না, তেমনই যাদবপুরের বুকে ঘটলেই সেটা যাদবপুরের আন্দোলন হয় না। সে যতই বহুল প্রচারিত বা বিজ্ঞাপিত হোক না কেন...
  • a | 213.219.201.58 (*) | ১১ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৪৫71876
  • এর মত সার্কাস লেখা অনেজদিন পড়িনি। এনাকে নির্মল আনন্দতে লেখানো হোক। রানারার থেকে কম খোরাক হভে না
  • Abhyu | 85.137.13.237 (*) | ১১ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০২71877
  • বেশ কদিন পরে পরে এলাম।
    রঞ্জনদার "আমি সধবা হয়েও বিধবাকে সমর্থন করলাম।" স্টেটমেন্টটা :)
    আর আমি শুনলাম দিল্লীতে স্যানিটারি ন্যাপকিন সংক্রান্ত প্রতিবাদে একটা ন্যাপকিনের উপরে "লাল সেলাম" লিখে টাঙানো ছিল :)
  • a | 213.219.201.58 (*) | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৪০71884
  • একশ ভাগ সহমত।
  • a | 213.219.201.58 (*) | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৪০71883
  • একশ ভাগ সহমত।
  • adhuli | 230.245.40.168 (*) | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৫৭71879
  • ওফফ, "ইশরাত স্বর্ণলতা on 12 April 2015 02:08:47 ইস্ট" পোস্ট পরে চোখে জল এসে গেল মাইরি, কিবোর্ড মুছতে হচ্ছে। চার বছর নিজে যাদবপুর এ কাটিয়েছি, কিন্তু এত দুর্দম স্পিরিট যে কোথায় ছিল, খুঁজে পাইনি কোথাও তখন । এই পাপী মনে কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে, এত অদম্য, দুর্দম, হরদম, দম মারো দম স্পিরিট এর পেছনে IC ক্যান্টিন বা ঝিলের ধারের এর ঝোপের আড়ালের বোতলের স্পিরিট টার ভূমিকা আরো অনেক বেশি।
  • যম | 213.117.37.234 (*) | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ০৪:৩৮71880
  • pi | 192.66.12.3 (*) | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ০৫:৩৭71881
  • এদিকে বর্ধমানের কী অবস্থা ! একটি মেয়ে সুইসাইড ও করেছে।

    রাতুলের একটা পোস্ট রইলো।

    'অবশেষে B.A এর রেসাল্ট বের করল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ... শুনেছিলাম বহুদিন আগে নাকি এ রাজ্যে অনলাইন লটারি নিষেধ হয়েছিল, কিন্তু বর্ধমান এর ছাত্রছাত্রিদের রেসাল্ট দেখলে মনে হবে যে ওটা আবার নতুন করে চালু করেছে বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ.... তবে টাকা নয় এবার নিলামে উঠছে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ... ১০০- ২০০ নয় প্রায় ১ লাখ ছাত্রছাত্রি বসেছিল এই 2nd year এর পরীক্ষায়... BSc BCom এর পর B.A এর ক্ষেত্রেও দেখা গেল সেই একই ছবি।। কারোর ক্ষেত্রে আগের বারের নম্বর হুবহু রিপিট, কোনও কলেজে আবার ইংরাজিতে সবাই একই নম্বর, বহুলোকের পরীক্ষা দিয়েও INC (মানে incomplete result,) আর PNC (মানে Part not complete), পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লটারি বাম্পার আর কি ... এই কেলেঙ্কারির জন্য অন্যতম দায়ি এক বেসরকারি এজেন্সি যারা BU Authority থেকে বরাত পেয়ে গোটা রেসাল্ট নিয়েই ছেলে(মেয়ে)খেলা করেছে। খবর আছে সেই এজেন্সির মালিকানায় আছে স্বয়ং ভিসি... এত বছরের পরিশ্রম এত দিনের চেষ্টা কিছু অপদার্থ কর্তৃপক্ষ এর জন্য কিছুতেই নষ্ট হতে দেওয়া যায় না... কথা হচ্ছিল ব্রতি,সুদিপ্তা,কেয়া,রিজু, হিমাদ্রি শুভজিত,অমরনাথ, শুভম, অভিজিৎ দের সাথে, ওরা ওদের মতন আরও হাজার হাজার সাধারণ ছাত্র ছাত্রী আর মানতে চাইছে না এই জুলুমবাজি... শাসক দল আর প্রশাসনের চোখ রাঙ্গানি এড়িয়েও প্রতিবাদ জমা পড়ছে বোলপুর থেকে রামপুরহাট, বাঁকুড়া থেকে দুরগাপুর, বর্ধমান থেকে চন্দননগর... সামনে ভোটের দামামা, সমস্ত শাসক পার্টিগুলো সব নেমেছে রঙ্গ করতে, ওদের ক্ষমতা আর প্রচারের আলোয় সাধারণত ঢাকা পড়ে যায় এসব অবিচার, দুটাকায় কেনা খবরের পাতায় জায়গা পায়না সাধারণ ছাত্র ছাত্রিদের এসব সমস্যা... আগের দিনগুলোর মতন আবার প্রতিবাদ আছড়ে পড়তে পারে এই আশঙ্কায় আগামী বুধবার অবধি ছুটি দিয়েছে ভিসি, ভাবছেন কয়েকটা দিন কাটিয়ে দিতে পারলেই মিটে যাবে সমস্যা, এবার কিন্তু গল্প অন্য দিকে এগোচ্ছে, কলরব হচ্ছে আওয়াজ উঠেছে আর তুলেছে BU এর সব সাধারণ ছাত্রছাত্রিরা, ভয় দেখিয়ে আর অপপ্রচারে দমানো যাবে না BU এর ছেলেমেয়েদের, ঘুণে ধরা বর্ধমানের এই পরীক্ষা ব্যবস্থার শেষ দেখে ছাড়বে ওরা ...
    পাশে দাঁড়ান, শেয়ার করুন... ছড়িয়ে দিন এই কলরব... '
  • pi | 192.66.12.3 (*) | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ০৬:০৪71882
  • এটা নিয়ে জাস্ট কোন হেলদোলই নেই। তার মধ্যে অদ্ভুত অদ্ভুত কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে। অবশ্য অদ্ভুত আর বলছি কেন, এরকম অনেকেই বলেন। কিশলয়ের একটা পোস্ট রইলো এ নিয়ে,
    ..
    "ভালো ছাত্র হলে কেউ পড়তে যায় বর্ধমান ইউনিভার্সিটিতে?" - এইরম একটি প্রশ্নের মুখে মুভমেন্টকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে একটি উত্তর ঃ
    যদি ধরে নি কেউ "ভালো" ছাত্র নয়, তাহলে আপনার কি মনে হয় তাদের রেজাল্টটা নিয়ে যা খুশী করা যায়? এটাই কি আপনার এডুকেশন সিস্টেম নিয়ে ধারণা? আপনার কি মনে হয় না যে যারা তথাকথিত ভালো ছাত্র না তাদেরও আসলে দরকার আছে এই সিস্টেমের ? কারণ তবেই না hierarchy of skill/talent র দোহাই দিয়ে hierarchy of economic and social status আনা যাবে তাদের ভেতর যারা শ্রম শক্তি বেচতে হচ্চে? এটা কি দেখতে পাচ্ছেন না যে আসলে "ভালো ছাত্র" নয় বলে তাদের জন্য [মানে কয়েকটি random এবং unscientific মাপকাঠির ভিত্তিতে বিচার করে ভালো ছাত্র নয় বলা হচ্ছে, হয় তো খুব বেশী হলে ৩-৪টে পরীক্ষায় পারফরমেন্স-ই বিচার করে দেবে "ভালো" ছাত্র কিনা!] infrastructure বা opportunity to improve and learnটাকেই কেড়ে নেওয়া হচ্ছে ইচ্ছে করেই, যাতে তাদের ওপর বেশী মাত্রায় extraction এবং রাষ্ট্রের তাদের ওপর দায়বদ্ধতা না দেখানোর এই পুঁজিবাদী প্রক্রিয়াকে বৈধতা বা legitimacy দেওয়া যায়? Dont you see this is just a process to create different layers of working people to justify differential levels of extraction?
    এডুকেশন সিস্টেমের লক্ষ্য হওয়া উচিত, to bring out the best in everyone. দেখাই যাচ্ছে সেটা বর্তমান এডুকেশন সিস্টেমের বিন্দুমাত্র উদ্দেশ্য নয়। বরং উল্টোটাই - to limit an individual's potential by imposing structural restrictions to justify hierarchization [and hence differential compensation ]of the work force.
    কাজেই "ভালো" ছাত্র আছে কি নেই , তার ওপর ভিত্তি করে নিশ্চয় এই মুভমেন্টকে সাপোর্ট জানাচ্ছি না।
  • a x | 60.171.26.111 (*) | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:২০71878
  • :-o 2:08 ইনি কি এসব সিরিয়াসলিই লিখলেন?!
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ১৭ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৫৩71885
  • বর্ধমানের অবস্থা বেশ খারাপ।

    আজকের আপডেটঃ
    'মাত্র কিছুক্ষণ আগে ইউনিয়ন এর গুণ্ডারা বর্ধমানের আন্দোলনের অন্যতম মুখ সৌরভ পাল কে কলেজের সামনে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মেরেছে। ওর অপরাধ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার খামখেয়ালিপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা! পরে সৌরভকে মারার প্রতিবাদ জানাতে গেলে BU এর ইউনিয়নের দাদাদিদিরা সৈকত, আকাশ, সায়ন্তন সহ ৭ জনকে আটকে রাখে এবং পুলিশ এইমাত্র ওদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাচ্ছে... কারণ তারা নাকি অনাধিকার প্রবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় এ!!!! এই ঘটনাকে তীব্র ধিক্কার জানাই। ভয় দেখিয়ে, চোখ রাঙিয়ে, মারধর করে আন্দোলন দমন করা যায়নি যাবে না। দিকে দিকে জোট বাধো, তৈরী হও... গর্জে ওঠো...
    যে যেখানে আছো জড় হও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় এ ...।। ‪#‎হোকপ্রতিবাদ‬, প্রতিবাদের ঝড় উঠুক......।।
    আঘাত যদি নেমেই আসে পাল্টা আঘাত ফিরিয়ে দাও...।।'
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ১৭ এপ্রিল ২০১৫ ০৩:৪৬71886
  • শুভব্রতর লেখা থেকে ঃ
    'মনে পড়ে যাচ্ছে ৭মাস আগের কলরবের দিনগুলো। সেদিনও যাদবপুরের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে মার খেয়েছিল স্কটিশ-আশুতোষ-রাজাবাজারের বন্ধুরা। আর আজ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাধীন লড়াইয়ের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে এবার আমরাই বহিরাগত। প্রথমে তৃণমূলী গুন্ডারা আটক করল ইউনিয়ন রুমে। তারপর শাসকদলের পেটোয়া পুলিশের হাতে, তাদের 'ইউনিয়ন রুমে'! প্রতিবাদে রাস্তায় যাদবপুর।
    মারবে যত বাড়ব তত, আমরা সবাই বহিরাগত!'
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ১৭ এপ্রিল ২০১৫ ০৩:৫০71887
  • কাল।

    'বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার খামখেয়ালিপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য আজ কিছু দলীয় সন্ত্রাসের হাতে মার খেতে হল বিবেকানন্দ কলেজের ছাত্র সৌরভ কে। আজ সকালে কলেজে ঢুকলে ইউনিয়নের দাদাদিদিরা তার i-card ছিনিয়ে নিয়ে বেধড়ক মারধর করে। সৌরভকে মারার প্রতিবাদ জানাতে গেলে BU এর ইউনিয়নের দাদাদিদিরা সৈকত, সৌরভ, আকাশ, সায়ন্তন সহ ৬ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।। সৈকত দা কে প্রচুর মারধোর করে union এর ছেলেরা ।
    . বিশ্বাস করুন ভয় দেখিয়ে, চোখ রাঙিয়ে, মারধর করে এই আন্দোলন দমন করা যাবে না। এই ঘটনার তীব্র ধিক্কার জানাই। দিকে দিকে জোট বাধো, তৈরী হও... গর্জে ওঠো...
    আঘাত যখন নেমেছে, পাল্টা আঘাত ফিরিয়ে দেব গান, স্লোগান, কবিতা, নাটক, প্রতিবাদের মধ্যে দিয়ে...
    লড়াই জোর হবে... কাল বর্ধমান স্টেশন এ atm এর সামনে সকাল ১১ টায় অবস্থান বিক্ষোভ । এখন যদি তোদের ঘুম না ভাঙে তাহলে আর জাগবি কবে??
    #হোকপ্রতিবাদ'
  • suprokash sadhu | 111.221.130.101 (*) | ১৭ এপ্রিল ২০১৫ ০৬:১৬71888
  • Ses projonto foolish er hat theke chara pelo amar protibadi bondhura , kintu university er rosh theke tara mukti paini. 7 ghonta foolish station e bosie rakhar por onek vebe chinte university er torof theke mamla ruju kora holo. Mamla korar karon dekhano holo university te "BAWAL" kora . University te amader protibad er leaflets bili korte gie sasok doler hate akranto hoe jodi ei case deoa hoi Tahole university k janai salute. Dekhi apnara kotojon er name e case koren. Amader tomra marbe joto andolon barbe toto.ami obak hochchi ei foolish er bhumika nie , ajj sokal e jokhon sourav k rastai fele mar6ilo sasok doler neta ra , tokhon kothay chilen apnara , jokhon amar ek protibadi bandhobi k rape korar humki dichchilo sasok doler neta ra tokhon kothay chilen apnara, university er room er vitor nie gie jokhon tader upor atyachar kora holo tokhon kothay chilen apnara. University er kop e boli hoa ki6u students jokhon tader bichar chaiche tokhon apnara ese tader greptar kore nie gelen, tader name e mithey mamla kora holo. Jara asol doshi tader against e kono step o nilen nah apnara. Sotti boroi ajob ei prithibi. Kotoi rongo dekhi duniai o bhaire , kotoi rongo dekhi duniai.
    amar buke baruder basa,
    Amar sarir e protibad er bhasa.........
    Amader andolon aro joralo hobe , er ses dekhe amra charbo.
    V.chi & foolish tumi sabdhan , abar gorje uthbe burdwan.
    #hokprotibad
  • diju | 111.221.128.238 (*) | ১৯ এপ্রিল ২০১৫ ০৪:০৭71889
  • রাজা = ওহে মন্ত্রী আমার রাজকোশের হিসাব চাই।

    মন্ত্রী = কেন মহারাজ? চিঠি পাঠিয়েছে নাকি সি বি আই!

    রাজা = তা মন্ত্রী তোমার হিসেব দেখাতে আপত্তি কিসের ভাই?

    মন্ত্রী = আজ্ঞে, আমাদের তো কোনো নির্দিষ্ট অডিটর নাই।

    রাজা = আহা মন্ত্রী রাজকোশের খরচের হিসাব না জানানো পাপ।

    মন্ত্রী = মহারাজ অপরাধ মাপ, জানানো যাবেনা যেই হোক আপনার স্ত্রী, বাপ, এমনকি বাপের ও বাপ

    রাজা = ওহে গবেষক, তোমারও দেখছি ছবি আঁকার সখ।

    গবেষক = আজ্ঞে ছবি আঁকতে আমি দক্ষ, তিনটি আঁচড়েরই মূল্য কয়েক লক্ষ।

    রাজা = তোমার ছবির কেমন বাজার?

    গবেষক = আজ্ঞে ছবির ভক্ত হাজার হাজার।

    রাজা = তুমি তো দেখছি ফিদা হোসেন।

    গবেষক = মহারাজ ছবির মূল্য দিয়েছেন অন্য "সেন"।

    রাজা = ওহে রাজ জ্যোতিষী, তোমার পঞ্জিকা কি কয়?

    জ্যোতিষী = মহারাজ পঞ্জিকা খুললেই আছে পর্নগ্রাফি চলে আসার ভয়।

    রাজা = না না এটা তো ঠিক নয়।

    জ্যোতিষী = আজ্ঞে পরিবর্তনের যুগে সবই হয়।

    রাজা = তোমার ওয়েব পঞ্জিকা মনেহয় ভাইরাস আক্রান্ত।

    জ্যোতিষী = মোটেই না মহারাজ, এটা নিশ্চিত সি পি এম এর চক্রান্ত।

    রাজা = তা মন্ত্রী, দেশে শিক্ষার কি হাল?

    মন্ত্রী = মহারাজ বর্ধমানে হাজার হাজার মার্কসিট জাল।

    রাজা = কেন এমন ঘটলো? গেলো কি কিছু জানা?

    মন্ত্রী = মহারাজ বলতে মানা, তবে নাকি কম্পিউটারগুলি সব বামফ্রন্টের আমলে কেনা।

    রাজা = মার্কসিটে ভুল, ছাত্রের পিঠে পুলিশের রুল, সত্যি শিক্ষার করুণ হাল।

    মন্ত্রী = আপনার দেখছি রাজ্যের উন্নতি চোখে পড়ছে না আজকাল।

    রাজা = শুনেছি পুরো ভোটে মিলবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী!

    মন্ত্রী = মহারাজ এতো "ছেলে ভোলানো কাহিনী"।

    রাজা = তা হটাৎ ভোটের আগে এতো মিল!

    মন্ত্রী = কি যে বলেন মহারাজ, আটকে আছে যে "জমি বিল"।

    রাজা = দেখ মন্ত্রী ভোটের নামে যেন না হয় প্রহসন

    মন্ত্রী = মোটেই না মহারাজ, রবিবাবু তো বলেছেন সাথে আছে প্রশাসন

    রাজা = কদিন ধরেই রানীমা আছেন রেগে, ভাঙছেন সব ফুলদানী।

    মন্ত্রী = সেটা দেখেই বোঝাযায় রাজবাড়ি তো এটা নয় যেন "চাঁপদানী"।
  • Abhyu | 85.137.13.237 (*) | ০৪ মে ২০১৫ ০৫:৪৭71890
  • প্রেসির আপডেট
  • se | 188.83.87.102 (*) | ০৬ মে ২০১৫ ০৮:১১71891
  • ভেরি গুড।
  • sm | 53.251.91.71 (*) | ০৭ মে ২০১৫ ০১:১৭71893
  • পুরো যদুপুরের কীর্তিকলাপই বাঁধিয়ে রাখার মত।অখন্ড বিনোদন! বেশ কিছুদিনের জন্য ইউনি বন্ধ রাখলে ভালো হয়।
  • d | 144.159.168.72 (*) | ০৭ মে ২০১৫ ০১:৩৯71894
  • মাইরি! smকে একটা ক দিতেই হচ্ছে।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৭ মে ২০১৫ ০১:৪২71895
  • হ্যাঁ, সময় নষ্ট করে এসব করার মানে হয় না।
  • শ্রী সদা | 24.96.11.110 (*) | ০৭ মে ২০১৫ ০২:০৩71896
  • পাইদি এটা কী বলতে চাইলো ? মানে ত্রাণ সংগ্রহের কাজ তো শুধু যাদবপুর না, আরো অনেক কলেজের ছেলেমেয়েরা একসাথে করেছিল। সেটা লেখাও আছে। কন্ট্রিবিউট করেছেন যাঁরা তাঁরাও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। আল্টিমেটলি ওখানে গিয়েছিল যারা তারা যাদবপুরের, এবং লেখাটা পড়ে মনে হল মাউন্টেনিয়ারিং এর অভিজ্ঞতার কারণেই তাঁদেরকে বাছ হয়েছিল। কিন্তু তাই বলে এটাকে শুধু যাদবপুরের উদ্যোগ কী বলা যায় ?
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৭ মে ২০১৫ ০২:১২71897
  • উদ্যোগটা যাদবপুরের লোকজনই নিতে শুরু করে, মাউণ্টেরিয়ারিং ক্লাবের লোকজন নেপালের শেরপাদের সাথে কন্ট্যাক্ট ক'রে গ্রাম বাছে ইত্যাদি। তারপর প্রেসি জোড়ে ও অন্যান্যরা। ভূমিকম্পের টইতে বিস্তারিত আছে।
    ও হ্যাঁ, এরা বেশিরভাগই হোক কলরবের লোকজন।

    আর আমি কি কোথাও বলেছি, এটা শুধু যাদবপুরের উদ্যোগ ?
  • শ্রী সদা | 24.96.11.110 (*) | ০৭ মে ২০১৫ ০৩:৫৪71898
  • এটা কি কলরবের ব্যানারে হয়েছে ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন