• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ৭৩১ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • আমি একটু নড়েচড়ে গেছি। অভিজিৎ রায়ের প্রোফাইল এখনও জ্বলজ্বল করছে ফেসবুকে। পাঁচ ঘন্টা আগে শেষ আপডেট। বিডি নিউজের একটা লেখার লিংক। অভিজিতেরই লেখা। সাত্র নাথিংনেস বিজ্ঞান এসব নিয়ে লেখা একটা ছোট্টো প্রবন্ধ।তার প্রথম লাইন "কেন কোনো কিছু না থাকার বদলে কিছু আছে?" আর সেই আপডেটের ঘন্টা পাঁচেক পরে পড়ছি বিডি নিউজেরই আরেকটা লিংক। এটা খবর। "একুশের বইমেলার থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অভিজিৎ রায় ও ব্লগার রাফিদা আহমেদ বন্যাকে। তাদের দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিজিতের মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে, আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তার স্ত্রী রাফিদার।" শুনছি, আহত নয়, মারাই গেছেন অভিজিত। শেষ লেখার লাইনটা শুধু উল্টে গেছে। কিছু থাকার বদলে কোনো কিছুই আর নেই। প্রশ্নটাও থেকেই গেছে। কেন কোনো কিছু থাকার বদলে নেই হয়ে গেছে? কেন?

    সোজাসুজি জানার কোনো উপায় নেই। কিন্তু তাও আমি একটু নড়েচড়ে গেছি। কেন? অভিজৎকে কি আমি চিনতাম? বলা কঠিন। খুব অনুসরণ করেছি তো নয়, মুক্তমনার লেখক হিসেবে একরকম করে চিনতাম। গুরুতে একটা লেখা ছাপা হয়েছিল, তার কিঞ্চিৎ সম্পাদনা করেছি। দু-চারটি বাক্য বাদ দিয়েছি, নাড়াচাড়া করেছি। মেল চালাচালি হয়েছিল কি? নিশ্চয়ই হয়েছিল, কিন্তু মনে পড়েনা। খুঁজে বার করা যেতে পারে, কিন্তু এখন, ঠিক এই মুহূর্তে খুঁজে বার করতে চাইছিনা। পারবও না, ইচ্ছেও নেই। কখনও সাক্ষাৎ, ফোনে কথাবার্তা? হয়নি। তাহলে কেন লিখছি? কারণ, আমি নড়েচড়ে গেছি। কেন? একটা লোক, যে এতদিন পাশেই ছিল, নেট দুনিয়ায় গা ঘেঁষে ছিল, ইচ্ছে হলেই টুক করে ফেসবুকে একটা মেসেজ কিংবা মেল করে দিলেই ধরে ফেলা যেত, সে তো আমার পড়শীই ছিল এতদিন। আমার পড়শী, আমার পাশের বাড়ির লোক, স্রেফ বাংলা লেখার জন্য, বাংলা ভাষায় লেখার জন্য, বাংলা ভাষায় নিজের চিন্তা প্রকাশ করার জন্য লাশ হয়ে যাবে, এটা অচিন্তনীয় না? সন্ত্রাস-টন্ত্রাস তো পৃথিবীর অন্যপ্রান্তের বিষয় ছিল। যা নিয়ে তত্ত্ব করতে হয়, মূল্যবান মতামত দিতে হয়। কিন্তু ঠিক পাশের বাড়ির লোকের মুন্ডু কেটে নিয়ে গেলে কেঁপে যাবনা?

    আমি নড়েচড়ে গেছি, কারণ, আমি এসবকে এতদিন দূরের জিনিস ভেবেছি। দূরবীন দিয়ে দেখা বৃহস্পতির উপগ্রহের মতো। এই তো কদিন আগে নেটে চেনা এক মহিলার উপরে ফতোয়ার কথা পড়লাম নেটে। মহিলা নিজের অসম্ভব উদ্বেগের কথা লিখছিলেন। চিৎকার করে জানাচ্ছিলেন মৌলবাদীদের কথা। লোকে নানা মতামত দিচ্ছিল। পক্ষে বিপক্ষে। কোন মতামতটা হিন্দু মৌলবাদীদের পক্ষে যাবে, কোনটা বিপক্ষে, এইসব। আমি দূর থেকে বসে দেখেছি, নিস্পৃহতায়। কেন? দূরের জিনিস ভেবেছি বলেই তো। তত্ত্বকথা ভেবেছি বলেই তো। আজ দুম করে সব কাছে চলে এসেছে, আজ আমি মহিলার নাম আর লিখছিনা। ভয়ে লিখছি না। কারণ এসব আর শখের তত্ত্বচর্চা নয়, লেখার জন্য এখন আমার পাশের বাড়ির লোককে কুপিয়ে মারা হয়। মহিলার নাম নিলে, কি জানি, তাঁরও মুন্ডু উড়ে যেতে পারে। বৃহস্পতির উপগ্রহ দূবরীনে দেখার পর গ্যালিলিওর ও এরকমই হয়েছিল নিশ্চয়ই। এটা তো ঠিক মহাজাগতিক ব্যাপার নয়, বৃহস্পতির উপগ্রহই হোক আর বিশ্বজগৎ, সে তো দূরের কিছু নয়, স্রেফ ওইটুকু দেখার জন্যই মানুষকে যেতে হতে পারে ইনকুইজিশনে।

    আমি নড়েচড়ে গেছি, কারণ, লেখার জন্য জীবন দেওয়া আর দূরের জিনিস নয়। এ যেন ব্রেখটের নাট্যতত্ত্ব, নিদারুণ বিচ্ছিন্নতায় অন্য একটা নাটকের দৃশ্যাবলী দেখার পর, দুম করে অনুভব করা, আরে এ তো আমারই কথা বলছে। আমার বা আমার পাশের বাড়ির। কিন্তু শুধু সেটুকুই নয়। এখানে রয়ে গেছে আরেক পরত ম্যাজিক রিয়েলিজম। কাঁটাতারের বেড়া। একই ভাষায় কথা বলি, আমি আর অভিজিৎ। বলি নয়, বলতাম। একই বিষয় নিয়ে তক্কো করতাম। করিনি, কিন্তু করতেই পারতাম। ভালোবাসতে পারতাম, ঝগড়া করতে পারতাম। নেট জগতে, গুরুর গ্রুপে, গুরুর পাতায়, যেখানে খুশি। সেজন্যই তো পাশের বাড়ির লোক মনে হয়, হচ্ছে, বা হবে। কিন্তু তারপরেও অভিজিৎ মারা গেলে আমার কিচ্ছু করার নেই। আমি নন্দীগ্রামের মিছিল দেখেছি, কলরবের মিছিল দেখেছি, থাকি বা না থাকি, উত্তাপ নিয়েছি, মতামত দিয়েছি। কাউকে কোথাও একটা জবাব দিয়েছি বলে মনে হয়েছে। আমার জবাব দেবার একটা জায়গা আছে বলে মনে হয়েছে। কিন্তু এখানে? আমার পড়শী খুন হয়ে গেলে আমার কিচ্ছু করার নেই। কারণ ওটা অন্য দেশের ব্যাপার। ওটা বাংলাদেশ। ওরা ওদের ব্যাপার নিজেরা বুঝে নেবে। কারণ মধ্যে আছে কাঁটাতার। আমার পড়শী খুন হবে, খুন হয়ে যাবে, মাথায় বাড়ি খেয়ে ছটফট করবে, আমারই মাতৃভাষায় চিৎকার করবে, আর আমি কাঁটাতারের এপাশ থেকে জুলজুল করে দেখব। এতেও যদি নড়ে না যাই তো কিসে যাব?

    ছোটোবেলায় গণসংগীত শুনতাম। সাথীদের খুনে রাঙা পথে দেখো, হায়নার আনাগোনা। কাঁটাতারের এপার থেকে এখন আমি হায়নার আনাগোনা দেখছি। আমি বহু হাজার মাইল দূর থেকে অফিস ফাঁকি দিয়ে শুধু লিখছি। নিরাপদে বসে। কারণ আমি এটুকুই পারি। মিছিলে আমার অধিকার নেই। ওদের ঝুঁকি ওদের, আমার নয়। ওদের ভূখন্ড ওদের, আমার নয়। আমার হাত-পা বাঁধা। আমার তেমন দুখ নেই, নড়ে-চড়ে যাওয়া আছে। আর আছে একটু ক্রোধ। আর মাঝে-মাঝে ঝিলিক মারছে একটা সুখস্বপ্ন। কোনো ভাবে এই কাঁটাতারটা ওপড়ানো যায়না? মৌলবাদকে রোখা যায়না একসঙ্গে?

    এ হয়তো ঠিক লেখা হলনা। কতো কিছু জরুরি কথা বাদ গেল। এবং এ সবই ইনস্ট্যান্ট কফির মতো চটজলদি আবেগের কথা। অফিসের ডেস্কে বসে ১০ মিনিটে লেখা। তবে নড়ে গেছি কথাটা মিথ্যে নয়। আর ক্রোধটাও আশা করি জাস্ট এই কি-বোর্ড পিষেই উবে যাবেনা। বাংলাদেশের বন্ধুরা হাত বাড়ান। সঙ্গেই আছি।

  • বিভাগ : ব্লগ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ৭৩১ বার পঠিত
আরও পড়ুন
বিভাব - Avi Samaddar
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dd | 132.172.223.246 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:৪২68945
  • ধুর। অতো থিউরী আওড়াতে পারবো না।

    তবে আমি sswarnendu 'র উপরের পোস্টের সাথে ১০০% একমত । হুবহু।
  • Du | 127.194.210.87 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:৪৮68965
  • কলকাতায় কি কোন প্রতিবাদ মিছিল হতে যাচ্ছে? কেউ জানেন?
  • যম | 193.90.37.227 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:০১68946
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:০২68947
  • ইয়েস, স্বর্ণেন্দুর মন্তব্যের সঙ্গে একমত। সচলায়তনের লেখাটার সাথেও। ধর্মভীরু মুসলিম আর মৌলবাদী মুসলিম এর বেস ক্লাস একই, একটা কয়েক লেভেল বেশী ডিরাইভড হয়েছে শুধু।
  • Du | 127.194.210.87 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:০৩68966
  • কয়েকদিন আগে 'এই সময়' তে রবীন্দ্রনাথের একটা কোট দিয়েছিল প্রথাগত ধর্ম সম্বন্ধে। কেউ জানা থাকলে একটু খুঁজে দেবেন। একদম ঠিকঠাক কথা ছিল সেটা।
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:১৪68948
  • আসিফ মহিউদ্দিনের স্ট্যাটাসের নীচে অগুন্তি লোকজন এসে লিখে যাচ্ছে, এবার তোর পালা, দেশে ফিরলে তোর অবস্থাও অভিজিৎ রায়ের মতো হবে। এই লোকগুলোর অধিকাংশই ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী নয়, কিন্তু মনে মনে (অনেকে মুখেও) এখন বলছে বেশ হয়েছে।
    এবং শুধু তাই নয়, বিশ্বাসী হিন্দুদেরো জিগালে অনেকেই বলবে, কী দরকার এসব ধর্মটর্ম নিয়ে ঝামেলা করার, শুরু তো ঐ করেছিল ইত্যাদি।
    ধর্ম মানুষকে জানোয়ার বানায়, বিধর্মীদের/নাস্তিকদের ঘেন্না করতে শেখায়, সব দেখেশুনেও আমরা ধার্মিক জনতার অনুভূতিতে আঘাত লাগার ভয়ে কিছু বলবো না! সব দোষ তো নাস্তিকদের ই, কেন যে শুধু শুধু ধর্মের পেছনে লাগতে যায়। নাস্তিকদের অনুভূতি থাকতে নেই, জীবনের দাম থাকতে নেই, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে নেই। বাল।
  • Tim | 101.185.27.29 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:৩২68949
  • যাক অনেকেই লিখে দিয়েছেন যা বলার ছিলো।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:৫১68967
  • এগুলো যাঁরা বলেছেন তাঁরা কিন্তু সে অর্থে মৌলবাদী নন। এঁদের নিয়ে কী মত ?

    'ধরম নিয়ে কটুক্তি করাও কতটুকু সুস্থ মানসিকতা? যে দেশে ইস্লামিক আচারনিষ্ঠ মানুষ অসং্খ্য, সেই দেশে ইস্লাম নিয়ে কটুক্তি করে কতদুর যাবে অসুস্থ কিছু চটি লেখক'
    --

    'এইডা কোন কাজ হইল , ৭১ এর আদর্শে উজ্জীবিত, অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শের কান্ডারী , বাংলার ইতিহাসের উঠতি '''স্টিফেন ফাকিং''' যে কিনা মহা বিশ্বের স্ ষ্টি রহস্য নতুন করে উন্মোচিত করতে যাচ্ছিলেন , তার এই *** পরিণতি হবে .. এটা মানা যায় ...? আমরা আসলেই গবেট জাতি ...! একবার তার ভাবনা গুলো বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায় , দেশটা নিয়ে তার কত স্বপ্ন ছিল ...! দেশটাকে তিনি পুরাই আমেরিকা বানাতে চেয়েছিলেন , তাইতো বাবাগো দেশে গিয়েছিলেন বাবাদের মন জোগাতে, সাহস পেতে .....প্রথমে নাস্তিকদের অধিকার , তারপর সমকামীদের , তারপর ......'
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:৫৩68968
  • '...একুশের বইমেলার কারণে টিএসসি মোড়ে ছিল বিপুল মানুষের সমাগম। ছিল চারপাশ ঘিরে তিন স্তরে পুলিশের নিরাপত্তাবেষ্টনী। এ রকম কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের মধ্যে লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় কী করে খুন হলেন এবং খুনিরা কী করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
    প্রত্যক্ষদর্শী অনেকে বলছেন, ঘটনাস্থল ও এর আশপাশে অস্ত্র হাতে পুলিশ সদস্যরা থাকলেও তাঁরা ছিলেন নীরব দর্শকের ভূমিকায়। হামলাকারীদের ধাওয়াও করেননি তাঁরা।
    অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অজয় কুমার রায় ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘পুলিশ হয়তো আমার ছেলের খুন ঠেকাতে পারত না। কিন্তু পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে না থেকে তারা তো খুনিদের ধরতে পারত।’
    পুলিশ যে ঘটনাস্থলেই ছিল, সে কথা পুলিশ কর্মকর্তারাই স্বীকার করেছেন। পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার আবদুল বাতেন প্রথম আলোকে বলেন, শুধু পুলিশ নয়, সেখানে অনেক সাধারণ লোকও ছিলেন।
    রমনা অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (এসি) এস এম শিবলী নোমান আরেক ধাপ এগিয়ে বলেন, ‘একজন পুলিশ ঘটনা দেখে মনে করেছিল, মারামারি হচ্ছে। এ রকম যে ঘটবে, সেটা আগে বুঝতে পারেনি।’
    গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলন চত্বরের উল্টো দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন ফুটপাতে কুপিয়ে হত্যা করা হয় মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎকে। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা গুরুতর জখম হন। তিনি এখন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি শঙ্কামুক্ত নন বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।
    যে জায়গায় অভিজিতের ওপর হামলা হয়েছে, সে পথ দিয়েই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বইমেলায় যাওয়া-আসা করেন। আর ঘটনাস্থল থেকে টিএসসি মোড় আর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশপথের দূরত্ব কয়েক গজ। টিএসসি মোড়ে মেলার জন্য ব্যারিকেড দিয়ে পুরো ফেব্রুয়ারি মাসই পাহারায় রয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া শাহবাগ থানা সেখান থেকে খুব কাছেই। শাহবাগ মোড়, বইমেলা পেরিয়ে দোয়েল চত্বর, ফুলার রোডের মোড়, নীলক্ষেতসহ ক্যাম্পাসের প্রতিটি প্রবেশমুখে ছিল সার্বক্ষণিক পুলিশি পাহারা।'..

    http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/463906/%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6-%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%B2
  • riddhi | 117.217.133.50 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:৫৮68950
  • ধর্মবিশ্বাস কে আক্রমন করে ধর্মের ভিত নাড়িয়ে দিতে হবে, বুঝ্লাম! একটাই প্রশ্ন কি করে? যাস্ট একটা উপায় কেউ বাতলাক। কোন উপায় ই নেই। চরম ইউটোপিয়ান একটা আইডিয়া।

    ধর্মভীরুদের মনে আঘাত দেয়া না দেয়া নিয়ে আমার কোন মরাল জাজমেন্ট নেই। এটুকুই বক্তব্য যে এটা ইম্প্রাকটিকাল সলিউশান।
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৪:০৮68951
  • হ্যাঁ, এটা আমারও বক্তব্য ছিল।
    স্টেট পারে, কিন্তু কোনো ডেমোক্রেটিক স্টেটে সম্ভব নয়। সোভিয়েত করেছিল, ১৯২৮-১৯৪১, অ্যান্টি রিলিজিয়াস ক্যাম্পেইন চালিয়েছিল।

    USSR anti-religious campaign (1928–41)

    The campaign began in 1929, with the drafting of new legislation that severely prohibited religious activities and called for a heightened attack on religion in order to further disseminate atheism.

    http://en.wikipedia.org/wiki/USSR_anti-religious_campaign_%281928%E2%80%9341%29
  • a x | 60.171.26.111 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৪:১০68952
  • বেশ দেখুন এতে যদি ধর্ম ভ্যানিশ করা যায় কোনো অলৌকিক মন্ত্রে। দেখুন যদি কাল থেকে সব ধর্মভীরুরা হাপিস হয়ে যায়। কাল কেন, কত বছরে হয় দেখুন। এই সব গা গরম করা কথা, ম্যাচিস্মো দেখানো এসব তো অনেক হল। পোলারাইজেশন দিয়ে এক্সট্রিমিজম ঠেকানো গেছে, এরকম উদাহরণও নিশ্চয়ই অগুন্তি কিন্তু অজানা। ও আর নাস্তিক ফান্ডামেন্টালিজমের অবস্থা দেখেও কম ভয় পাচ্ছিনা, ভয় পেতে পেতে হাসিও পেল! এই সর্বাধিক সর্ব ইত্যাদি শুনে। মশাইরা, এই পৃথিবীর সবচেয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজড দেশের অর্ধেকের বেশি লোক মনে করে ডাইনোসর ও মানুষ একই সাথে পৃথিবীতে বিচরণ করত। কিসের বেসিসে এই সর্বাধিক ইত্যাদি বলে নিজেকে প্রবোধ দিচ্ছেন? চিৎকার করে বললেই কি উইশফুল থিংকিং ফুলফিলড হবে? এই দুইভাগে ভাগ করে, হয় তুমি নাস্তিক নয় তুমি চোদন/বাল/শালা/ গাল ফুলিয়ে এসব বলে আর কোনো কিছুর জায়গা না রাখলে মৌলবাদীরা অত্যন্ত খুশিই হবে। প্রতিটি ইসলামিক দেশ থেকে যে কোনো ধরণের বাম মুভমেন্ট, যে কোনো ধরণের প্রগ্রেসিভ শক্তির গলা সিস্টেমিকালি কারা কেটেছে? তারা তো কোনো অর্গানাইজড রিলিজিয়াস গ্রুপ না!

    চিৎকৃত আওয়াজে অসহায়তার প্রকাশই বেশি হয়। সংগঠিত হন, মৌলবাদের বিরুদ্ধে আঘাত করুন, লিখুন, অনেক লিখুন, হ্যাঁ চিৎকারও করুন, কিন্তু খেয়াল রাখুন এই চিৎকারে যে একটি মাত্র কন্ঠ মিনমিন করে বলার চেষ্টা করেছিল, এই যদি তোমার ধর্ম হয়, তাহলে আমি বিধর্মী, সেই গলাটা আপনারাই চাপা দিলেন।
  • dd | 132.172.223.246 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৪:১২68954
  • ফ্রান্স আর আরো কয়েকটা ইউরোপীয়ো দেশে আছে না? আইনী ব্যবস্থা। ধর্ম প্রকাশের বিরুদ্ধে।

    পুরোটা না হলেও অনেকটা। বা কিছুটা তো হোলো অর্গানাইজড রিলিজিয়নের বিরুদ্ধে।

    সেটাই তো একটা পসিটিভ স্টেপ। যেরকম বলছে কোনো মুস্লিম দেশের (ইজিপ্ট) রাষ্ট্রপ্রধান - যে ইসলামে সংস্কার দরকার। ভারতে এ সমাজে জাত পাত তো আছেই - বা আমেরিকায় বর্ণবিদ্বেষ। কিন্তু কেউ আইনী সাহায্য চাইলে পাবেন। আইন /প্রশাসন এই সব এর বিরুদ্ধে। মিডিয়াও।

    এই সেদিন একটা পাকিস্তানী আর্টিকল পড়লাম। পাকিস্তানের ইংরাজী মিডিয়া খুবি মুক্তমনা - মানে শরিয়তী আইন আর ব্লাস্ফেমী অ্যাক্টের মধ্যে থেকে যতোটা সম্ভব - কিন্তু উর্দুভাষী মিডিয়া আদৌ সেরম নয়। খুবই গোঁড়া।

    অন্ততঃ শুরু তো করা যায়।
  • a x | 60.171.26.111 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৪:১২68953
  • এক্স্যাক্টলি, এই একই জনতা, স্তালিনকে গালি পাড়ে অন্য সময়!
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৪:২৭68955
  • প্রথমত, আমেরিকানদের অ্যান্টি-ইভোলিউশন থিওরি নিয়ে ডকিন্স এবং পাশ্চাত্যের অন্যান্য মুক্তমনা অনেকেই খিল্লি এবং প্রতিবাদ করে থাকেন। দ্বিতীয়ত, আমেরেকানরা তাঁদের ডাইনোবিশ্বাস বাকী গোটা পৃথিবীতে চাপিয়ে দিচ্ছেন না, ডারউইনবাদীদের কল্লা নামানো হচ্ছেনা। ইসলামী মৌলবাদের সাথে এই জিনিসের তুলনা পলিটিক্যাল কারেক্টনেস ছাড়া আর কোনো উদ্দেশ্য সাধন করতে পারে বলে মনে হয়না।
    নাস্তিক ফান্ডামেন্টালিজম(?) এই ক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান। আমরা নাস্তিক বলে আবহমান কাল ধরে মার খেয়ে যাওয়ার ঠিকা নিইনি। ধর্মকে খিল্লি করুন, ধার্মিকদের একঘরে করুন, বাচ্চাদের ছোট থেকে শেখান যে নাস্তিকরা ধার্মিকদের থেকে উন্নততর জীব, সরকারের উপর চাপ দিন প্রকাশ্য ধর্মাচরণ বিরোধী আইনের জন্যে। একদিনে হবে না, কিন্তু কয়েক প্রজন্মে কিছু নিশ্চয়ই হবে। আর ঐ যে মিনমিনে কন্ঠের উপরে আপনার এত আশাভরসা, ওনারা চাট্টি মানবতাবাদী বাণী দিয়ে গোল গোল ঘুরবেন, ওনার ধর্মকে রিফর্ম করার কথা বললে কানে আঙুল দেবেন। এক দশকের বছরের ইন্টার্নেট জীবনে কম তো দেখলাম না এরকম কন্ডিশনাল মানবতাবাদী।
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৪:২৯68956
  • স্তালিন বেশ করেছিলেন ধার্মিকদের কেলিয়ে। ক্যানসারের ট্রিটমেন্ট একটু আসুরিকই হয়ে থাকে।
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৪:৫৯68957
  • প্রতিটি ইসলামিক দেশ থেকে যে কোনো ধরণের বাম মুভমেন্ট, যে কোনো ধরণের প্রগ্রেসিভ শক্তির গলা সিস্টেমিকালি কারা কেটেছে?
    - তো ? এ কি ইস্কুলের বাচ্চা নিয়ে কাজকারবার যে কড়া বামপন্থী হেডমাস্টার বসিয়ে না রাখলে গন্ডগোল করবে ?
  • Z | 127.194.205.250 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৫:২৮68969
  • ধর্মভীরু ও ধর্মান্ধ // ধার্মিক ও মৌলবাদী এইভাবে বর্গগুলো আলাদা করতে না পারলে, ধর্মান্ধ-মৌলবাদী-ক্রিমিনাল মানসিকতার লোকেদের আইসোলেট করতে না পারলে পৃথিবীতে শুধুমাত্র নাস্তিক মানুষের বাঁচার যোগ্যতা আছে এই মর্মে যুক্তিবিস্তার করতে চাইলে বা সমস্ত ধর্মপ্রাণ মানুষকে নাস্তিকতায় কনভার্ট করার ব্রত নিলে - নৈটিক বাগাড়ম্বর ছাড়া প্র্যাকটিকালি কিসুই করা সম্ভব নয় বলেই মনে করি।

    ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিকরা - নিজ বাবা, মা, পরিবার, প্রতিবেশী, পারিপার্শ্ব, সহকর্মী, বন্ধুবৃত্ত থেকে এই নাস্তিকতায় কনভার্শন প্রচেষ্টা শুরু করার চেষ্টা করে দেখতে পারেন, নেটদুনিয়ায় প্রবন্ধ ভাসিয়ে অদর্শনসম্ভব অজ্ঞাত পাঠককুলকে কনভার্ট প্রস্তাবনার আগে, হাতেখড়ি হিসেবে।

    কিছু মানুষ রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যে থেকে ক্রিমিনাল অ্যাকটিভিটি চালাচ্ছে। তাদের ইম্মেডিয়েটলি আইলোলেট করা প্রয়োজন। অতঃপর যে পথ ও প্রসেসটার মাধ্যমে এই ক্রিমিনালাইজেশন সংঘটিত হচ্ছে, অপারেট করছে সেটাকে ডিসকানেক্ট করতে হবে। কোন ধর্মে কি পোটেনশিয়াল রয়েছে ধুঁয়ো দিয়ে ক্রিমিনালাইজ করার মতো, সে জিনিস শুঁকতে বসার সময় এ নয়। আর্জেন্সিটা অনুধাবন করা দরকার।
  • cm | 116.208.15.146 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৫:৩১68958
  • এই তো আলোচনা ঠিক পথ ধরেছে। ধর্ম মুখোশ মাত্র।
  • b | 24.139.196.6 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৫:৪৬68970
  • Z, একমত।
  • Tim | 101.185.27.143 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৫:৪৭68959
  • http://womenchapter.com/views/10531

    কমেন্ট সেকশনটাও পড়বেন, সময় হলে।
  • a x | 60.171.26.111 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:০০68971
  • একদম!

    স্বর্ণেন্দু কী দিয়ে আমার হিন্দু ও ধর্মবিশ্বাসী আইডেন্টিটির কথা জানতে পারলেন তা আর জিগালাম না। ঐ পোস্টটাই স্পিকস ফর ইটসেল্ফ। লোকে এখন কে কত দিন নেট দুনিয়ায় থেকেছে তাই দিয়ে বিচার করবে পোস্ট শুঁকে বলে দেওয়া কে আসলে মনে মনে কি প্যাঁচ কষছে। এবং এও নাকি প্রোফাইলিং নয়।

    আর না, এসবে হাসি ফাসি আসেনা আর।
  • ন্যাড়া | 172.233.205.42 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:০৮68972
  • কত সব জ্ঞানের আলো। কী করিতে হইবে স্টেপ-বাই-স্টেপ জানে। কী করিলে হইবে না সেও জানে। স্টেপ-বই-স্টেপ। এত প্রতিভা কোথায় লুকিয়ে রাখে এরা? আর জানেই যদি করে না কেন?

    বাতেলার চোটে চোখে অন্ধকার!
  • sda | 127.192.31.188 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:১৬68973
  • আমার আবার হিলেলিদের মুসলমানবতার বাণী শুনে মুচকি হাসি আসে। হোত হিন্দু মৌলবাদ , দেখতেন তখন প্রতিবাদ প্রতিরোধের চোটে জগত অন্ধকার করে দিতেন এনারা (করা উচিত বলেই মনে করি)
  • I | 120.224.200.85 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৫68974
  • এত মন খারাপের মধ্যেও পরশুরাম মনে পড়ে গেল। ভুশণ্ডীর মাঠে।শাঁকচুন্নি ও পেত্নীর চুলোচুলি।

    "... মর চেঁচিয়ে, ওদিকে ডাইনি মাগী মিনসেকে নিয়ে উধাও হ'ক।"
  • Du | 76.249.82.238 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪০68960
  • আমি তো নিজেকে চৈতন্য পন্থী বা লালনপন্থী বলতে পারি। একটা খুব বড় ধর্মাবলম্বী হলেই যত ঝামেলা, কারন নানা লোক নানা রকম কত লোকের কাজের দায় আমি নেব? একেবারে ব্যক্তিগত ধর্ম হওয়াই মঙ্গল নিতান্ত না হলে ছোট ছোট গোষ্ঠি।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:০৬68975
  • এদিকে টিমের দেওয়া লেখাটা পড়ে আমি একটু হতাশ হলাম। এই ঘট্না, এই ঘটনা ঘটেই চলা এবং ভবিষ্যতের জন্য কোন আশা না দেখা, এগুলো বুঝতে পারছি, ওনার মত করে না হলেও হয়তো রিলেট করতে পারছি, সত্যি মনে হচ্ছে, বাংলাদেশে কতজনের আদৌ কি এল গেল এই ঘটনায়। একাধিক জন লিখেছেন বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এই নাস্তিক হত্যায় মনে মনে খুশি, একটা শতাংশও দিয়েছেন। সেটা বিশ্বাস করতে পারিনি বটে, কিন্ত এর প্রতিবাদে কোন ঝড়ও উঠতে দেখছি না বা তার আভাসও পাচ্ছি না বলে হতাশ লাগছে। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকায় তো বটেও। কিন্তু ঐ লেখায় 'রুচিহীন পোশাক' পরাঅ , কি বইমেলায় সাজগোজ ভালো পোশাক আশাক মেকাপ করে যাওয়া এসব নিয়ে এতবার আপত্তি উঠতে দেখাও বেশ আপত্তিকর লাগলো।
    পোশাকের কথা উঠতে মনে হল, ওদেশের কোন মেয়ের লেখা বলেই একটা আশা নিয়ে পড়ি, না, তসলিমার মত না হোক ( হয়তো তার মধ্যে অতিরঞ্জন থেকে থাকবে), কিন্তু ধর্মীয় কারণে মেয়েদের যে রক্ষণশীলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, তার কোন প্রতিবাদ দেখবো। কিন্তু পাইনি, বরং যা পেয়েছি তা কিছুটা তাদের মধ্যেও রক্ষণশীলতা। হোক চুম্বন আন্দোলনের সময়ই দেখতাম বাংলাদেশের বেশিরভাগ লোকজন কীভাবে এর বিপক্ষে, এবং সেই সংক্রান্ত তর্কে 'খোলামেলা' 'রুচিহীন' পোশাক আশাক নিয়েও আপত্তি উঠে আসতো। ঐ হোককলরবের কিছু লোকজনের বারমুডা ইঃ পরা নিয়ে তর্কেও। পরে কিছু লোকজন আর অন্যদের কাছেও শুনেছি, এটার একটা কারণ বাংলাদেশ এব্যাপরে বেশ রক্ষণশীল। তথাকথিত প্রগতিশীলরাও (ব্যতিক্রমীদের কথা বলছিনা)। আর তার কারণ কিছুটা সামাজিক অনুশাসনের ভয়ও। অন্যত্র অন্য দেশেও যে মেয়েরা যা পোশাক পরেন, ওখানে নাকি অলিখিত নিয়মই আছে, তেমনটি করা যাবেনা। পরলে কেউ এসে কিছু বলে যেতেও পারে এবং যায়ও নাকি। এই পরিস্থিতিতে রক্ষণষীলতাই স্বাভবিক নর্ম হয়ে গেছে। ওটাই 'নিজ চয়েজ' করে দেওয়া হয়েছে। তো, এই অনুশাসন তো আদতে ধর্মীয়ই। কিন্তু তাই নিয়ে সেভাবে কোন আপত্তি নেই।

    ওপরের লেখাতে কোথাও যেন সেই রক্ষণশীলতার গন্ধ পেলাম। ভুলও হতে পারি।
    তবে এইসব নিয়ে ওদেশের মেয়েরা কী ভাবেন, সে হয়তো দমদি বা অন্য কেউ আরো বেটার বলতে পারবে। বা সেরকম কোন লেখাপত্তর দিতে পারবে। পড়তে আগ্রহী।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:১৬68976
  • এই রিফর্ম টিফর্ম কালকের তর্ক পড়ার পর একটা প্রশ্ন জাগলো। এই ধরা যাক, ছোটোবেলায় আমাদের পাঠ্যপুস্তকে রামমোহন, বিদ্যাসাগরকে যথেষ্টই গ্লোরিফাই করা হত। যেটুকু মনে আছে, রামমোহনের ছোটো থেকে নানাবিধ বিধর্মী কাণ্ডকারখানা ( ছোটোবেলায় কবে ঠাকুরঘরেও কিছু ছুঁড়ে ফেলার ঘট্না টটনা ছিল) ও বেশ মহান কাজকর্ম হিসেবেই পড়ানো হত। ইয়ং বেঙ্গলকেও কিছু সমালোচনা সত্ত্বেও মোটামুটি পজিটিভ ভাবেই প্রোজেক্ট করা হত। ধর্মনিরপেক্ষতার উপর জোর দেওয়া তো হত বটেই ( এবং এগুলো একটু এদিকের 'ধর্মীয় ইস্কুল , রামকৃষ্ণ মিশনের অভিজ্ঞতা দিয়ে বলছি)।

    ইসলামে সেরকম ভাবে রিফর্ম কি কেউ করেছেন, বা কেউ কিছু করে থাকলে বা ধরা যাক নাস্তিক হলেই সেটাকে কোন পাঠ্যপুস্তকে গ্লোরিফাই করা হয় ?
    মাদ্রাসার কথা জিগাচ্ছিনা, কিন্তু বাংলাদেশের নন-মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্ম কতটা কীভাবে আসে, কারুর জানা আছে ?
  • I | 120.224.200.85 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:১৯68977
  • ছোটবেলায় কিন্তু আমাদের বইতে বালগঙ্গাধর তিলক, বীর সাভারকর , দয়ানন্দ সরস্বতীকেও বেশ গ্লোরিফায়েড করে প্রজেক্ট করা হত।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:৩৭68978
  • দয়ানন্দ সরস্বতী , যদ্দুর মনে পড়ে ঐ রিফর্মিস্ট হিসেবেই গ্লোরিফায়েড হতেন, পৌত্তলিকতা বিরোধী, মেয়েদের জন্য শিক্ষা, মানবতাবাদী গোছের কেউ। অন্য ধর্মকে গাল টাল যা পেরেছেন, সেসব নিয়ে কিছু লেখা থাকতো বলে মনে পড়ে না।

    এবার এগুলো কিছুটা শিক্ষক নির্ভরও। আমাদের ইতিহাসশিক্ষিকা ঘোরতর মার্ক্সবাদী ছিলেন বলেও বোধহয় অনেক কিছু অন্য আংগেলে দেখাতেন।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন