• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ৭৩০ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • আমি একটু নড়েচড়ে গেছি। অভিজিৎ রায়ের প্রোফাইল এখনও জ্বলজ্বল করছে ফেসবুকে। পাঁচ ঘন্টা আগে শেষ আপডেট। বিডি নিউজের একটা লেখার লিংক। অভিজিতেরই লেখা। সাত্র নাথিংনেস বিজ্ঞান এসব নিয়ে লেখা একটা ছোট্টো প্রবন্ধ।তার প্রথম লাইন "কেন কোনো কিছু না থাকার বদলে কিছু আছে?" আর সেই আপডেটের ঘন্টা পাঁচেক পরে পড়ছি বিডি নিউজেরই আরেকটা লিংক। এটা খবর। "একুশের বইমেলার থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অভিজিৎ রায় ও ব্লগার রাফিদা আহমেদ বন্যাকে। তাদের দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিজিতের মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে, আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তার স্ত্রী রাফিদার।" শুনছি, আহত নয়, মারাই গেছেন অভিজিত। শেষ লেখার লাইনটা শুধু উল্টে গেছে। কিছু থাকার বদলে কোনো কিছুই আর নেই। প্রশ্নটাও থেকেই গেছে। কেন কোনো কিছু থাকার বদলে নেই হয়ে গেছে? কেন?

    সোজাসুজি জানার কোনো উপায় নেই। কিন্তু তাও আমি একটু নড়েচড়ে গেছি। কেন? অভিজৎকে কি আমি চিনতাম? বলা কঠিন। খুব অনুসরণ করেছি তো নয়, মুক্তমনার লেখক হিসেবে একরকম করে চিনতাম। গুরুতে একটা লেখা ছাপা হয়েছিল, তার কিঞ্চিৎ সম্পাদনা করেছি। দু-চারটি বাক্য বাদ দিয়েছি, নাড়াচাড়া করেছি। মেল চালাচালি হয়েছিল কি? নিশ্চয়ই হয়েছিল, কিন্তু মনে পড়েনা। খুঁজে বার করা যেতে পারে, কিন্তু এখন, ঠিক এই মুহূর্তে খুঁজে বার করতে চাইছিনা। পারবও না, ইচ্ছেও নেই। কখনও সাক্ষাৎ, ফোনে কথাবার্তা? হয়নি। তাহলে কেন লিখছি? কারণ, আমি নড়েচড়ে গেছি। কেন? একটা লোক, যে এতদিন পাশেই ছিল, নেট দুনিয়ায় গা ঘেঁষে ছিল, ইচ্ছে হলেই টুক করে ফেসবুকে একটা মেসেজ কিংবা মেল করে দিলেই ধরে ফেলা যেত, সে তো আমার পড়শীই ছিল এতদিন। আমার পড়শী, আমার পাশের বাড়ির লোক, স্রেফ বাংলা লেখার জন্য, বাংলা ভাষায় লেখার জন্য, বাংলা ভাষায় নিজের চিন্তা প্রকাশ করার জন্য লাশ হয়ে যাবে, এটা অচিন্তনীয় না? সন্ত্রাস-টন্ত্রাস তো পৃথিবীর অন্যপ্রান্তের বিষয় ছিল। যা নিয়ে তত্ত্ব করতে হয়, মূল্যবান মতামত দিতে হয়। কিন্তু ঠিক পাশের বাড়ির লোকের মুন্ডু কেটে নিয়ে গেলে কেঁপে যাবনা?

    আমি নড়েচড়ে গেছি, কারণ, আমি এসবকে এতদিন দূরের জিনিস ভেবেছি। দূরবীন দিয়ে দেখা বৃহস্পতির উপগ্রহের মতো। এই তো কদিন আগে নেটে চেনা এক মহিলার উপরে ফতোয়ার কথা পড়লাম নেটে। মহিলা নিজের অসম্ভব উদ্বেগের কথা লিখছিলেন। চিৎকার করে জানাচ্ছিলেন মৌলবাদীদের কথা। লোকে নানা মতামত দিচ্ছিল। পক্ষে বিপক্ষে। কোন মতামতটা হিন্দু মৌলবাদীদের পক্ষে যাবে, কোনটা বিপক্ষে, এইসব। আমি দূর থেকে বসে দেখেছি, নিস্পৃহতায়। কেন? দূরের জিনিস ভেবেছি বলেই তো। তত্ত্বকথা ভেবেছি বলেই তো। আজ দুম করে সব কাছে চলে এসেছে, আজ আমি মহিলার নাম আর লিখছিনা। ভয়ে লিখছি না। কারণ এসব আর শখের তত্ত্বচর্চা নয়, লেখার জন্য এখন আমার পাশের বাড়ির লোককে কুপিয়ে মারা হয়। মহিলার নাম নিলে, কি জানি, তাঁরও মুন্ডু উড়ে যেতে পারে। বৃহস্পতির উপগ্রহ দূবরীনে দেখার পর গ্যালিলিওর ও এরকমই হয়েছিল নিশ্চয়ই। এটা তো ঠিক মহাজাগতিক ব্যাপার নয়, বৃহস্পতির উপগ্রহই হোক আর বিশ্বজগৎ, সে তো দূরের কিছু নয়, স্রেফ ওইটুকু দেখার জন্যই মানুষকে যেতে হতে পারে ইনকুইজিশনে।

    আমি নড়েচড়ে গেছি, কারণ, লেখার জন্য জীবন দেওয়া আর দূরের জিনিস নয়। এ যেন ব্রেখটের নাট্যতত্ত্ব, নিদারুণ বিচ্ছিন্নতায় অন্য একটা নাটকের দৃশ্যাবলী দেখার পর, দুম করে অনুভব করা, আরে এ তো আমারই কথা বলছে। আমার বা আমার পাশের বাড়ির। কিন্তু শুধু সেটুকুই নয়। এখানে রয়ে গেছে আরেক পরত ম্যাজিক রিয়েলিজম। কাঁটাতারের বেড়া। একই ভাষায় কথা বলি, আমি আর অভিজিৎ। বলি নয়, বলতাম। একই বিষয় নিয়ে তক্কো করতাম। করিনি, কিন্তু করতেই পারতাম। ভালোবাসতে পারতাম, ঝগড়া করতে পারতাম। নেট জগতে, গুরুর গ্রুপে, গুরুর পাতায়, যেখানে খুশি। সেজন্যই তো পাশের বাড়ির লোক মনে হয়, হচ্ছে, বা হবে। কিন্তু তারপরেও অভিজিৎ মারা গেলে আমার কিচ্ছু করার নেই। আমি নন্দীগ্রামের মিছিল দেখেছি, কলরবের মিছিল দেখেছি, থাকি বা না থাকি, উত্তাপ নিয়েছি, মতামত দিয়েছি। কাউকে কোথাও একটা জবাব দিয়েছি বলে মনে হয়েছে। আমার জবাব দেবার একটা জায়গা আছে বলে মনে হয়েছে। কিন্তু এখানে? আমার পড়শী খুন হয়ে গেলে আমার কিচ্ছু করার নেই। কারণ ওটা অন্য দেশের ব্যাপার। ওটা বাংলাদেশ। ওরা ওদের ব্যাপার নিজেরা বুঝে নেবে। কারণ মধ্যে আছে কাঁটাতার। আমার পড়শী খুন হবে, খুন হয়ে যাবে, মাথায় বাড়ি খেয়ে ছটফট করবে, আমারই মাতৃভাষায় চিৎকার করবে, আর আমি কাঁটাতারের এপাশ থেকে জুলজুল করে দেখব। এতেও যদি নড়ে না যাই তো কিসে যাব?

    ছোটোবেলায় গণসংগীত শুনতাম। সাথীদের খুনে রাঙা পথে দেখো, হায়নার আনাগোনা। কাঁটাতারের এপার থেকে এখন আমি হায়নার আনাগোনা দেখছি। আমি বহু হাজার মাইল দূর থেকে অফিস ফাঁকি দিয়ে শুধু লিখছি। নিরাপদে বসে। কারণ আমি এটুকুই পারি। মিছিলে আমার অধিকার নেই। ওদের ঝুঁকি ওদের, আমার নয়। ওদের ভূখন্ড ওদের, আমার নয়। আমার হাত-পা বাঁধা। আমার তেমন দুখ নেই, নড়ে-চড়ে যাওয়া আছে। আর আছে একটু ক্রোধ। আর মাঝে-মাঝে ঝিলিক মারছে একটা সুখস্বপ্ন। কোনো ভাবে এই কাঁটাতারটা ওপড়ানো যায়না? মৌলবাদকে রোখা যায়না একসঙ্গে?

    এ হয়তো ঠিক লেখা হলনা। কতো কিছু জরুরি কথা বাদ গেল। এবং এ সবই ইনস্ট্যান্ট কফির মতো চটজলদি আবেগের কথা। অফিসের ডেস্কে বসে ১০ মিনিটে লেখা। তবে নড়ে গেছি কথাটা মিথ্যে নয়। আর ক্রোধটাও আশা করি জাস্ট এই কি-বোর্ড পিষেই উবে যাবেনা। বাংলাদেশের বন্ধুরা হাত বাড়ান। সঙ্গেই আছি।

  • বিভাগ : ব্লগ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ৭৩০ বার পঠিত
আরও পড়ুন
বিভাব - Avi Samaddar
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 154.160.130.91 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:০৯68925
  • অন্য ধর্ম গুলোর সাথে ইসলামের একটা পার্থক্য হল অন্য ধর্মে ধর্মগ্রন্থের কোন বাণী/শ্লোক-কে প্রশ্ন করা যায়।
    হিন্দু ধর্ম, ক্রিশ্চানিটি, বৌদ্ধ ধর্ম -সব ধর্মেই ধর্মগ্রন্থ বা শাস্ত্রের বাণীকে প্রশ্ন করা যায়।
    একমাত্র ব্যতিক্রম হল ইসলাম। ইসলাম ধর্মে কোরানের একটি শব্দ-কেও প্রশ্ন করা যায় না। কোরান অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে।

    এই রকম ধারণা বাজারে প্রচলিত। কতটা সত্য-মিথ্যা জানি না। দু-একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিম বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এই কোরান অক্ষরে অক্ষরে মানার ব্যাপারে। তারাও এটা কনফার্ম করেছেন। তবে স্যাম্পল সাইজ খুবই কম।

    আর একটা ব্যাপার হল কোরানের শ্লোকের ইন্টারপ্রিটেশন। আর্কেইক আরবীতে লেখা ভার্সের সঠিক অর্থ কি হবে, তা নিয়ে বহু মত থাকতে পারে
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:০৯68924
  • হ্যাঁ রিদ্ধির সাথে একমত, হামজা ইউসুফের জুম্মায় সার্মন শুনুন - ক্রাইসিস অফ আইসিস। এই জানুয়ারীতেই আবদেল ফতাহ - ইজিপ্টের প্রেসিডেন্ট নববর্ষ উপলক্ষ্যে দেওয়া স্পিচে ওপেনলিই ইসলামে রিফর্মের কথা বলেছেন। একটা স্টেট হেড। বলেনা, বা এই ভয়েসগুলো নেই, এগুলো একেবারেই না।
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:১৫68926
  • হ্যাঁ, পাইএর কোট করা অংশটা অনেক বেশি ভয়ের। ইন জেনেরাল মানুষের এই ক্লীব হয়ে যাওয়া। কিন্তু সেটা তো সব অবস্থাতেই দেখতে পাই আজকাল। এদেশে ওদেশে সব জায়গায়। মানুষ স্রেফ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে।
  • aranya | 154.160.130.91 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:২০68927
  • মানুষের এই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখাকে 'ধর্মবিশ্বাস বা ধর্মভীরুতার জায়গা থেকে নাস্তিকদের উপর জন্মানো ক্রোধ আর সেখান থেকে নীরব সমর্থন' বলে মনে হয় না।
    অভিজিত যখন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে, তখন তিনি নাস্তিক না আস্তিক, মুসলিম না হিন্দু -এই ইনফর্মেশন গুলো চারদিকে ভিড় করা লোকের কাছে ছিল না বলেই মনে হয়।
    জাস্ট ক্লীবতাই হবে, যা চারদিকে অহরহ দেখা যায়।
  • - | 109.133.152.163 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:২২68928
  • অরন্যকে ক্লীবতার ক্লাসিফিকেশনে ক্ক
  • aranya | 154.160.130.91 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:২৩68929
  • আমার মনে হওয়াটা লিখলাম। এই নীরব দর্শকরা যদি ধর্মের কারণে নীরব থেকে থাকে, সেটা আরও দুঃখের ও বিপজ্জনক
  • - | 109.133.152.163 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:২৫68930
  • সত্যিকারের ধর্ম বিশ্বাসীরা কখনও নীরব থাকেননা! ফ্যাক্ট।
    এখন "ধর্ম"বিশ্বাসী আর রিচুয়ালিস্টিকের মধ্যে গোলালে চলবে না।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:২৬68931
  • নাঃ, কোথাও কোথাও এরকমই পড়লাম। এও পড়লাম, সরকার প্রশাসন থেকে এখন সেরকম আততায়ী ধরার তোড়জোড় বা আগেও সেরকম প্রোটেকশনের না নেওয়ার উদ্যোগের পিছনে কারণ হল নাস্তিকদের হত্যাকারী বা নাস্তিকদের থ্রেট দানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে দেশের বড় অংশের ভাবাবেগে নাকি আঘাত হবে ! এই নাস্তিকদের নাকি কোনোই 'জন'সমর্থন' নেই, এঁরা মানুষকে আরো বেশি এলিয়েনেট করেছেন ইত্যাদি ইত্যাদি।
  • - | 109.133.152.163 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:২৯68932
  • সেন্সেটিভ সময়ে এইরকম "কোথাও কোথাও" "নাকি" পড়ার রেফারেন্সও খুবই ড্যামেজিং বলেই মনে হয়।
  • একক | 24.96.76.137 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:৩৫68933
  • ইসলামিস্ট হিসেবে ইসলামে কোনো ভুল দেখিনা । মানে নিজেকে ইসলামিস্ট এর জায়গায় বসালে । প্রশ্ন করলেই ধর্ম বদলে যায় এসব সোক্রাটিক ভালোমানুষী চিন্তা। বাস্তব তারচে বহুমুখী ও জটিল। ক্রিস্চিয়ানিটি থেকে শুরু করে পৃথিবীর সমস্ত নন ইসলাম ধর্ম কী অত্যাচার চালিয়েছে তার ভুরিপরিমান তথ্য আছে । তাতে কী ? আমরা ২০১৫ সালে বসে আছি এবং ইসলাম একটি প্রিমিটিভ সোশালিস্ট প্রপাগান্ডা ,মাচ মোর দ্যান আ রিলিজিওন যে ফিউডাল সমাজ আবার ফিরিয়ে আনতে চায় । ওই সমাজ ওই অর্থনীতি ,সবকিছু । এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমি ইসলামিস্ট হলে ঠিক সেটাই করতুম যা মৌলবাদীরা করছে । শারিয়া ইমপ্লিমেন্ট করাটাই আমার লক্ষ্য হত । ডাসন্ট ম্যাটার শারিয়া তে যা লেখা আছে তা বৈজ্ঞানিক না অবৈজ্ঞানিক । যাঁরা এইসব লাইনে তর্ক করে ইসলাম ঠেকাতে চান ,স্যরি টু সে তাঁরা ধর্ম যে আসলে রাজনীতি সেটাই ভুলে গেছেন ,আলাদা এনটিটি হিসেবে দেখেন । বিজ্ঞানের মোড়ক পড়া ক্রিস্চিয়ানিটি বড় দাদা সেজে পৃথিবী গিলে খাবে আর আরেক শরিক তাকিয়ে দেখবে শুধু ,এটা আমি ইসলামিস্ট হলে মেনে নিতুম না । ধর্মীয় সংস্কার -বিজ্ঞান হাবিজাবির ব্যাপারই নয় ওটা । রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের ব্যাপার । ইসলাম কায়েম করার ব্যাপার । আলটিমেটলি ইসলাম কায়েম হলে মডারেট রাও ওই শারিয়া মেনেই চলবে ।

    কিন্তু আমি ইসলামিস্ট নই । কাজেই কোনরকম ন্যাকড়া না জড়িয়ে এই দুনিয়াজোড়া বিপ্লবীদের টিপে খতম করার প্রয়োজন অনুভব করি । ন্যাকড়া জড়াতে গিয়ে ইওরোপ বিপদে পড়েছে । আমাদের এবার সীটবেল্ট বেঁধে নেওয়াই ভালো । আরব ইসলাম কে প্রতিহত করুন । ব্যালান্স টা বড্ড বেশি বিগড়েছে ।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:৩৮68935
  • নাস্তিকদের উপর আক্রমণ নিয়ে সরকারের বা অন্যান্য দলগুলির এতদিনের অবস্থান ও কার্যকলাপ ( বা তার অভাব) প্রকৃতপক্ষে আরো আরো বেশি ড্যামেজিং।

    এই সব ডেথ থ্রেটের পরেও, ফারাবি ছ মাসের জেল খেটেই ছাড়া পেয়ে যায়। ছাড়া পেয়েও বহাল তবিয়তে আরো থ্রেটের পর থ্রেট দিতে থাকে। এরকম অসংখ্য হেট পেজ চলতে থাকে।সেগুলো বন্ধ হয়না। সেগুলো নিয়ে যারা প্রতিবাদ করে এক দিনের মধ্যে সেসব বন্ধ হয়ে যায়। কীসের ভয়ে ? নাস্তিকদের সমর্থন করলে জনসমর্থন হারানোর ভয় নেই ? হাতে গরম উদাঃ, ফারাবির পেজে কাল লিখে আসা তিনজনের অ্যাকাউন্ট নিয়ে আজ সমস্যা হয়েছে। তার কারণ এদের সমর্থক কিছু কম নেই, আর তারা ঐ বিরুদ্ধে বলার মত লোকের থেকে অন্ততঃ বেশি। এই বেশি সংখ্যক লোক সবাই মৌলবাদী ? যারা এদের সেভাবে সমর্থক নয় কিন্তু নাস্তিকদেরও ঘোর বিরোধী, তারা কারা, ধর্মভীরু নেই তাদের মধ্যে ?
  • একক | 24.96.76.137 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:৩৮68934
  • "ক্রাইসিস অফ আইসিস" শুনেছি । ওরা ইকনমি নিয়ন্ত্রণ করেনা করার ক্ষমতাও নেই । এপলোজিস্ট রা থাকুক যেমন আছে , বিপ্লবীগুলোকে আটকানো দরকার ।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:৪৩68936
  • ডিঃ ( যদিও আমার আগের পোস্টগুলো পড়ে থাকলে ডিসক্লেইমার পড়ার দরকার থাকবে না)ঃ আমি এও মনে করিনা ইসলাম ধর্ম আর মৌলবাদ এক বা প্রতিটি ধর্মবিশ্বাসীই ক্ষতিকর ।
  • একক | 24.96.76.137 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:৪৬68937
  • নাস্তিকরা এদের সবার কমন শত্রু তো ! আরব ইসলামের টাকা ঢোকে তার ফল কি শুধু কয়েকজন মৌলবাদী পায় ? কী মোচ্ছব হয় সেই টাকায় কীভাবে মক্তবে,মাদ্রাসায় ,মেহফিলে অবধি সেই টাকা ছড়ায় একবারটি খোঁজ নে তাহলে বোঝা যাবে কেন নাস্তিকরা সবার কমন শত্রু !
  • ঊমেশ | 118.171.128.168 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৮:২০68856
  • কাল খবরটা শোনার পর থেকে মনটা খুব খারাপ হয়ে আছে।
    কি অসহায় লাগছে নিজেকে।
  • S | 160.148.14.8 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৮:২২68938
  • আজকের ওয়াশিংটন পোস্টের ওপিনিয়ন পেজ থেকে -
    ‘Jihadi John,’ a graduate of my radical university

    http://www.washingtonpost.com/opinions/jihadi-john-a-graduate-of-my-radical-university/2015/02/27/2e36ea64-bde4-11e4-8668-4e7ba8439ca6_story.html?hpid=z5
    এই অংশটা বিশেষভাবে চোখে পড়্ল-
    I recall a seminar discussion about Immanuel Kant’s “democratic peace theory,” in which a student wearing a niqab opposed the idea on the grounds that “as a Muslim, I don’t believe in democracy.” Our instructor seemed astonished but did not question the basis of her argument; he simply moved on. I was perplexed, though. Why attend university if you have such a strict belief system that you are unwilling to consider new ideas? And why hadn’t the instructor challenged her? At the time, I dismissed her statement as one person’s outlandish opinion. Later, I realized that her extreme religious views were considerably more prevalent within the institution.
  • Ekak | 24.96.76.137 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৮:৩৮68939
  • কান্ট্ ? !!! একজন ইসলামিস্ট এর পক্ষে কান্ট্ চূড়ান্ত হারাম ! কান্টিয়ান ফ্রিডম কে মার্ক্সিস্ট রাও "কান্টিয়ান নোশন অফ ফ্রিডম" বলে কায়দা করে :)) মেয়েটিকে ইস্কুল তাড়িয়েই দিতে পারে
    কিন্তু ইসলামিস্ট হয়ে কান্ট্ বিরোধিতা না করলেই আশ্চর্য হতুম ।
  • pi | 192.66.0.214 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৯:০৭68940
  • ইমতিয়াজ আহমেদ লিখেছেন। জানিনা কতটা ঠিক।

    'অনেকে আবার ভাগ করতে চায়, বলতে চায় যে ইসলামী দল আর গ্রুপগুলির মধ্যেও নাকি পার্থক্য আছে, সকলেই সন্ত্রাসী নয়। এটাও একটা ভয়াবহ ভুল। ওদের নিজেদের মধ্যে নানারকম মতপার্থক্য আছে, সত্যি। কিন্তু ধর্ম নিয়ে যে তর্ক করা যাবেনা এবং তর্ক করলে তাকে কতল করতে হবে এই ব্যাপারে কিন্তু ওরা সকলেই একমত। নাস্তিকদেরকে মারার ব্যাপারে ওদের মধ্যে ভিন্নমত নাই। মুরতাদের শাস্তি যে মৃত্যুদণ্ড সেই ব্যাপারে ওরা একমত।
    সবচেয়ে লিবারেল মুসলমান কিংবা ধর্মীয় নেতাকে আপনি জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন নাস্তিককে হত্যা করা কি ঠিক? লিবারেল মুসলমানরা আপনাকে বলবে, না, নাস্তিক কেউ হলে সেটা ঠিক আছে তার নিজের ব্যাপার, কিন্তু সে সেটা প্রকাশ্যে বলতে যায় কেন? অর্থাৎ সবচেয়ে লিবারেল মুসলিমরাও চূড়ান্ত বিচারে মুক্তচিন্তার বিপক্ষেই দাঁড়াবে। আঘাতটা সেখানেই করতে হবে।'
  • riddhi | 146.165.191.10 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৯:৫০68941
  • এককদার লাস্ট পোস্টটাই ক। pun মিশিয়ে পড়লাম, আর কি। ঃ)
  • kiki | 53.230.133.234 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৯:৫১68857
  • সকালে খবরের কাগজ দেখার পর থেকে মন খারাপ হয়ে গেছে। মামু ঠিক ই বলেছে, মনে হয় নেটিজেন বলেই এত চমকে গেছি। ঐ নিজের ঘরে আগুন না লাগলে যে আঁচ বোঝা দায়।

    পাই, সিকি, আর যারা নিত্য থ্রেট পাও সাবধানে থেকো। খুব আতঙ্কে থাকবো।
  • pi | 37.62.134.194 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৯:৫৩68942
  • ও হ্যাঁ, নাস্তিকদের তো সরকার আবার জেলে পোরে !
  • d | 24.97.229.142 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১০:৩৯68858
  • আরিফ জেবতিকের নোট থেকেঃ
    =================================
    অভিজিৎ থেকে কয়েক গজ দূরে...
    February 27, 2015 at 12:55pm
    রাত সোয়া ৯টা। শাহবাগের জাদুঘরের সামনের অংশটা ফাঁকা ফাঁকা। বইমেলা ফিরতি আমি, জয়ন্ত দা আর মাসুম ভাই শেষবারের মতো চায়ের কাপে চুমুক দেই। এই সময়ে এখানে ওখানে বইফেরা আরো কিছু তরুনের জটলা। একজন বলে, 'একটু আগে সোহরাওয়ার্দীর গেটে কুপিয়েছে।'
    আমরা কান খাড়া করি। ভার্সিটি এলাকা, অনেক রাজনৈতিক সমীকরন। আমি জিজ্ঞেস করি, "উদ্যানের ভেতরে না বাইরে?" ছেলেটি জবাব দেয়, "বাইরে, টিএসসির সামনে। সঙ্গে একটা মেয়েও ছিল। দুজনকেই কুপিয়েছে।" তাহলে রাজনীতির কিছু নয়, হয়তো প্রেম সংক্রান্ত ব্যাপার। আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেলি। এর মাঝে আরেকজন বলে, 'মনে হয় বইমেলা থেকে ফিরছিল।'
    এইবার কেন যেন আমার চায়ের কাপ ছলকে উঠে। অকারন। কেউ কিছু বলেনি। আমি দ্রুত টুটুল ভাইকে ফোন দেই, "অভিজিৎ-বন্যা কি মেলায়?" তিনি বলেন, "না, বেরিয়ে গেল একটু আগে। আমরাও বেরিয়ে গেছি।" আমি বলি "ফোন করেন তো। এক্ষুনি ফোন করেন। টিএসসির সামনে একটু আগে হামলা হয়েছে, ওরা কোথায় আছে দেখেন।" আমার কণ্ঠের উত্তেজনা বেরিয়ে আসে। টুটুল ভাইকে ফোন করার পর আমি মিনিট দুয়েক অপেক্ষা করি। তারপর আবার ফোন করি তাঁকে, ফোন ব্যস্ত। এই ফাঁকে সচলায়তনের গ্রুপে তাঁদের নাম্বার কারো জানা আছে কি না জানতে চাই।
    সময়কালে মোবাইলে নম্বর খুঁজে পাওয়া যায় না, হাত কাঁপে।

    টুটুল ভাই আরো কিছু সঙ্গী নিয়ে ততক্ষনে শাহবাগে। অভিজিৎ এর ফোন বন্ধ। জল্পনা কল্পনা হয়, আমরা কি খামোখাই প্যানিক হয়ে গেছি, নাকি সত্যিই ঘটে গেছে কিছু? মাসুম ভাই-জয়ন্ত দা দ্রুতই ঢাকা মেডিকেলে আমাদের বন্ধুদের ফোন করতে থাকেন। আহতদের নামটা জানলে নিশ্চিত হওয়া যেত। নয়তো এখুনি হাসপাতালে যাওয়া দরকার।

    ততক্ষন থেকে ঢাকা মেডিকেল থেকে ফোনের জবাব আসে, 'আহত লোকটি প্রফেসর অজয় রায়ের ছেলে। অবস্থা খুব খারাপ। এবি পজেটিভ রক্ত লাগবে।' টুটুল ভাইরা লাফ দিয়ে রিক্সায় উঠেন। আমরা ডানে বামে তাকাই। ততক্ষনে আমাদের আশেপাশে আরো কয়েকজন। এবি পজেটিভ রক্ত কার আছে? কী শুনলাম, এবি পজেটিভ নাকি বি পজেটিভ? রক্ত কোথায় পাই, কার কাছে আছে এই সহজলভ্য রক্ত?'

    এমন নয় যে অভিজিৎ এর সঙ্গে আমার অনেক ঘনিষ্টতা। অনলাইনে ভার্চুয়াল পরিচয় অনেক বছর, মিথস্ক্রিয়া হয়তো দুয়েকবারের। এই তো মাত্র কয়েকদিন আগে মেলায় কয়েকমিনিটের দেখা, খুব ব্যস্ততায় ছিলেন দুজনেই, স্টলের সামনে একদঙ্গল ব্লগার, কে একজন একটা ছবিও তুলেছিল আমাদের সকলের। প্রথম দেখায় দুজনকেই ভালো লেগেছিল কিন্তু দাঁড়িয়ে শান্তিতে দুদণ্ড কথা বলার সুযোগ হলো না আমাদের। আজ তার জন্য আমরা সবাই অস্থির হই কেন?

    প্রত্যেকে তাঁদের আশেপাশে তাকায়। কয়েকজনের নাম স্মরণে আসে আমাদের সকলের। নিজেদের মতো করে ফোন করতে থাকি। আমার হাত কাঁপে। কেউ একজন বলে ফেসবুকে আপীল দেন।
    আমাদের এক সতীর্থ মেয়ে এগিয়ে আসে, এবি পজেটিভ রক্ত আছে তাঁর। তাঁকে রওনা করিয়ে দেই। অপেক্ষায় থাকি আরো ২ জনের, একজন বাসে আছে শাহবাগে নেমে পড়বে। এই ২জন নিয়ে হাসপাতালে যেতে হবে।

    মাসুম ভাই ছুটোছুটি করতে থাকেন। একটা প্রতিবাদী মিছিল হওয়া দরকার। আমি বোকার মতো বলি, 'মিছিল করে কী করবেন?' তিনি অবিশ্বাসের চোখে তাকান। আমি বলি, প্রোগ্রাম দিলে কালকে দেন, আজকে দরকার নেই। মাসুম ভাইয়ের পাশ থেকে কেউ একজন বলে, "হুমায়ূন আজাদ আহত হওয়ার পরেও প্রথম মিছিল করেছিল মাসুম ভাই।" আমি ভাবি তাতে কী লাভ হলো, দশবছর পরেও কি হামলা কমেছে? মাসুম ভাই ক্ষনে ক্ষনে দৌঁড়ায়। স্বর্ণযুগের জাসদী আকরাম ভাইকে দেখি তার পুরোনো মূর্তিতে, দুই হাত মুঠো করে শরীর শক্ত করে গর্জায়। সাংবাদিকরা দুয়েকজন ফোন করা শুরু করেছে ততক্ষনে। 'অভিজিৎ এর নামের বানান কী? ত নাকি খন্ড ত?'

    আরো কিছু মেলা ফেরতা লোক ততক্ষনে শাহবাগে। একটা ছেলের শার্টে রক্তের দাগ। অভিজিৎকে ধরাধরি করে তুলে দিয়ে আসা গুটিকয় লোকের একজন। আমি তখন কাকে যেন রক্তের জন্য ফোন করছি। একপাশে টেনে নেয় আমাকে। তারপর ফিসফিস করে বলে, "এত রক্ত লাগবে না ভাই। মাথায় কোপ মেরেছে, মগজ বেরিয়ে গেছে।' আমি তার দিকে অবিশ্বাসের চোখে তাকিয়ে থাকি। সে ক্লান্ত গলায় বলে, "জানেন আরিফ ভাই। একটা লোকও এগিয়ে আসেনি। সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়ে মোবাইলে ছবি তুলছিল।"

    আমি ধপ করে ফুটপাতে বসে পড়ি। ল্যাম্পপোস্টে গা এলিয়ে দেই। আমার সামনে সব ঝাপসা হয়ে আসে। ঐ দূরে তখনও মাসুম ভাই, জয়ন্ত দা, আকরাম ভাই মিছিলের জন্য লোক জড় করছে।
    আমরা কাছে এর সবকিছুই অকারন মনে হয়।

    আমরা এমন এক জনপদে বাস করছি যেখানে দুয়েকজন ঘাতক নয়, সবাই ঘাতক হয়ে উঠেছি।
    এখানে প্রতিবাদ প্রতিরোধের কোনো মূল্য নেই। ঘাতকের কথা ভাবি না, তারা আর কয়জন?
    কিন্তু আমার জনপদে ঘিরে ধরা একদঙ্গল পশু। মোবাইলে খিচখিচ করে ছবি তুলছে।
    এই জঙ্গলে আমি তাদের ভাষা আর তারা আমার ভাষা বুঝবে না কোনোদিন।

    আমার বসে থাকা আর অভিজিৎ এর আহত হওয়ার মাঝখানে কয়েক গজ দূরত্ব মাত্র। সেই দূরত্বটুকুতেও গিজগিজ করছে বোধহীন, চিন্তাশক্তিহীন স্থবির পশুর পাল। এই গহন গহীন আঁধারে এসব ঝাঁকঝাঁক মোবাইল ফোনের আলো এড়িয়ে অন্য কোনো আলো জ্বেলে আমি কোনদিনই কোনো গন্তব্যে পৌঁছাব না।
    এই চিন্তাশক্তিহীন পশুদের জঙ্গলে এই অন্ধকারে আমাকে এভাবেই বসে থাকতে হবে.
  • de | 69.185.236.54 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১১:৩৬68859
  • উফ!!
  • Biplob Rahman | 212.164.212.20 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১১:৫৪68860
  • যতবার হত্যা করো, ততবার জন্মাবো, আমরা রক্তবীজের ঝাড়, আমিই অভিজিৎ রায়!
  • শিবাংশু | 127.214.108.163 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১২:০০68861
  • সকাল থেকেই ভুলে থাকা যাচ্ছেনা‚ গোলমাল করে দিচ্ছে সব‚ অভিজিৎ । নামটা চিনি‚ মুক্তমনা‚ শুধু নিজের বিশ্বাসে জীবনযাপন করে যাওয়া ছাড়া আর কোনও অপরাধ নেই । তবু ঐ রক্তাক্ত লাল জামা আর নীল জিন্স আর গড়িয়ে যাওয়া এবি পজিটিভ ...

    আমাদেরও এই দিন আসছে ‚ আমাদের ঘুম কি ভাঙবে এইবার...?
  • কল্লোল | 111.63.80.205 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১২:০৫68833
  • এই ফারাবী জাতীয় লোকজনেদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তো।
    আমরা কি বাংলাদেশ সরকারকে কোনরকম চাপ দিতে পারি না?
  • মুহাম্মদ সাদেকুজ্জামান শরীফ | 37.147.140.42 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১২:১৩68862
  • মতের অমিল হয়েছে?কতল করে ফেল!! ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেছে?চাপাতি দিয়ে কুবিয়ে মেরে ফেল!এই যদি হয় তোমার ধর্ম তাহলে আমি তোমাদের সাথে নাই।তোমার ধর্ম আর আমার ধর্ম কোন মতেই এক হতে পারে না। তোমার ধর্ম যদি সত্য হয় তাহলে আমি সম্ভবত বিধর্মী!!আমার ধর্ম আমাকে বলছে ''যে একজন মানুষ কে হত্যা করল সে যেন পুরো মানব জাতি কে হত্যা করল।'' আমার ধর্ম আমাকে বলছে '' যার যার ধর্ম তার তার কাছে।''কাজেই আমার ধর্ম আর তোমার ধর্ম কখনই এক হতে পারে না।যারা শিরচ্ছেদের ভিডিও প্রকাশ করে বলে ইসলাম রক্ষা প্রতিষ্ঠা করছে তাদের সাথে আমার ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই।যারা চাপাতি দিয়ে কুবিয়ে মানুষ মারে তাদের ইসলামের সাথে আমার ইসলামের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। তোমার চোখে আমি বিধর্মী হতে রাজি আছি কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তোমাদের কার্যকলাপের কারনে আমার ধর্ম কে গালি শুনতে হয়, প্রকারন্তে আমাকে গালি শুনতে হয় যেটা আমার পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব না।কিছু অসুস্থ মানুষের কারনে আমি কেন গালি শুনব?সেই কবে লালন ধর্ম বুঝে মানার পরামর্শ দিয়ে গেছে যা আজও এই ক্লিব গুলার মগজে ঢুকে নাই বরং অল্প বিদ্যা যে কত ভয়ংকর হতে পারে তার প্রমান দিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।স্টিভেন হকিং এর একটা কথা অনেক দিন আগে কোথায় যেন পড়েছিলাম -The greatest enemy of knowledge is not ignorance, it is the illusion of knowledge.
    জ্ঞানের ভ্রম আমাদের কাটছে না,কবে কাটবে কে জানে!!
    না,আমি অভিজিৎ দা কে চিনতাম না। উনি কেমন লিখতেন আমি জানি না কিন্তু আমি মানুষের মত প্রকাশের অধিকারে বিশ্বাসী।এমন কি কারো মতের সাথে যদি আমার এক বিন্দু না মিলে তবুও।
  • hu | 101.185.27.29 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১২:৩৫68863
  • ধর্ম কি না মানলেই নয়? "আমার ইসলাম, তোমার ইসলাম" নিয়ে এই দড়ি টানাটানি আর কতদিন চলবে? যে বইয়ের জোরে একজন মুক্তমনাকে কোতল করা পবিত্র কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায় সেই বইকে প্রশ্ন করা হবে না?
    (আশা করি এই প্রশ্নের জন্য আমি চাড্ডি হয়ে যাবো না)
  • sswarnendu | 198.154.74.31 (*) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:১৮68943
  • গুরুর ফেবু গ্রুপে একটা পোস্ট করেছিলাম......
    এই আলোচনায় আমার বক্তব্যও সেটাই তাই ভার্বাটিম তুলে দিলাম এখানেও
    .... ভাষার জন্য দুঃখিত কিনা জানিনা, বোধহয় নই ....

    "শালা এখনো কিছু লোকে ধর্ম খারাপ নয়, ধর্মান্ধতা খারাপ মার্কা বাংলা রচনা টাইপ চোদনামো করে যাচ্ছে???!!!!

    আজ্ঞে হ্যাঁ, আপনাদেরই বলছি...
    যুদ্ধটা অর্গানাইজড রিলিজিয়নের বিরূদ্ধেই...
    একুশ শতকে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের জায়গায় ছাড়া মানুষের সমাজে ধর্মের আর কোন জায়গা থাকতে পারে না...
    সর্বাধিক যেটুকু সর্বগ্রাহ্য অনুমোদন করা যেতে পারে, সেটা এই যে আপনার ধর্মবিশ্বাস আপনি আপনার অন্তর্বাসের মতই আপনার নিজস্ব স্পেস এ রাখবেন...

    পাবলিক স্পেস, পাবলিক লাইফ, সোশাল স্পেস ও সোশাল লাইফ থেকে এইসব চুদুরবুদুর চিরতরে নির্মূল করারই যুদ্ধ এটা । "
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন