• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • অভিজিৎকে কি আমি চিনতাম?

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ৫৯৬ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • আমি একটু নড়েচড়ে গেছি। অভিজিৎ রায়ের প্রোফাইল এখনও জ্বলজ্বল করছে ফেসবুকে। পাঁচ ঘন্টা আগে শেষ আপডেট। বিডি নিউজের একটা লেখার লিংক। অভিজিতেরই লেখা। সাত্র নাথিংনেস বিজ্ঞান এসব নিয়ে লেখা একটা ছোট্টো প্রবন্ধ।তার প্রথম লাইন "কেন কোনো কিছু না থাকার বদলে কিছু আছে?" আর সেই আপডেটের ঘন্টা পাঁচেক পরে পড়ছি বিডি নিউজেরই আরেকটা লিংক। এটা খবর। "একুশের বইমেলার থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা লেখক অভিজিৎ রায় ও ব্লগার রাফিদা আহমেদ বন্যাকে। তাদের দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিজিতের মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে, আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তার স্ত্রী রাফিদার।" শুনছি, আহত নয়, মারাই গেছেন অভিজিত। শেষ লেখার লাইনটা শুধু উল্টে গেছে। কিছু থাকার বদলে কোনো কিছুই আর নেই। প্রশ্নটাও থেকেই গেছে। কেন কোনো কিছু থাকার বদলে নেই হয়ে গেছে? কেন?

    সোজাসুজি জানার কোনো উপায় নেই। কিন্তু তাও আমি একটু নড়েচড়ে গেছি। কেন? অভিজৎকে কি আমি চিনতাম? বলা কঠিন। খুব অনুসরণ করেছি তো নয়, মুক্তমনার লেখক হিসেবে একরকম করে চিনতাম। গুরুতে একটা লেখা ছাপা হয়েছিল, তার কিঞ্চিৎ সম্পাদনা করেছি। দু-চারটি বাক্য বাদ দিয়েছি, নাড়াচাড়া করেছি। মেল চালাচালি হয়েছিল কি? নিশ্চয়ই হয়েছিল, কিন্তু মনে পড়েনা। খুঁজে বার করা যেতে পারে, কিন্তু এখন, ঠিক এই মুহূর্তে খুঁজে বার করতে চাইছিনা। পারবও না, ইচ্ছেও নেই। কখনও সাক্ষাৎ, ফোনে কথাবার্তা? হয়নি। তাহলে কেন লিখছি? কারণ, আমি নড়েচড়ে গেছি। কেন? একটা লোক, যে এতদিন পাশেই ছিল, নেট দুনিয়ায় গা ঘেঁষে ছিল, ইচ্ছে হলেই টুক করে ফেসবুকে একটা মেসেজ কিংবা মেল করে দিলেই ধরে ফেলা যেত, সে তো আমার পড়শীই ছিল এতদিন। আমার পড়শী, আমার পাশের বাড়ির লোক, স্রেফ বাংলা লেখার জন্য, বাংলা ভাষায় লেখার জন্য, বাংলা ভাষায় নিজের চিন্তা প্রকাশ করার জন্য লাশ হয়ে যাবে, এটা অচিন্তনীয় না? সন্ত্রাস-টন্ত্রাস তো পৃথিবীর অন্যপ্রান্তের বিষয় ছিল। যা নিয়ে তত্ত্ব করতে হয়, মূল্যবান মতামত দিতে হয়। কিন্তু ঠিক পাশের বাড়ির লোকের মুন্ডু কেটে নিয়ে গেলে কেঁপে যাবনা?

    আমি নড়েচড়ে গেছি, কারণ, আমি এসবকে এতদিন দূরের জিনিস ভেবেছি। দূরবীন দিয়ে দেখা বৃহস্পতির উপগ্রহের মতো। এই তো কদিন আগে নেটে চেনা এক মহিলার উপরে ফতোয়ার কথা পড়লাম নেটে। মহিলা নিজের অসম্ভব উদ্বেগের কথা লিখছিলেন। চিৎকার করে জানাচ্ছিলেন মৌলবাদীদের কথা। লোকে নানা মতামত দিচ্ছিল। পক্ষে বিপক্ষে। কোন মতামতটা হিন্দু মৌলবাদীদের পক্ষে যাবে, কোনটা বিপক্ষে, এইসব। আমি দূর থেকে বসে দেখেছি, নিস্পৃহতায়। কেন? দূরের জিনিস ভেবেছি বলেই তো। তত্ত্বকথা ভেবেছি বলেই তো। আজ দুম করে সব কাছে চলে এসেছে, আজ আমি মহিলার নাম আর লিখছিনা। ভয়ে লিখছি না। কারণ এসব আর শখের তত্ত্বচর্চা নয়, লেখার জন্য এখন আমার পাশের বাড়ির লোককে কুপিয়ে মারা হয়। মহিলার নাম নিলে, কি জানি, তাঁরও মুন্ডু উড়ে যেতে পারে। বৃহস্পতির উপগ্রহ দূবরীনে দেখার পর গ্যালিলিওর ও এরকমই হয়েছিল নিশ্চয়ই। এটা তো ঠিক মহাজাগতিক ব্যাপার নয়, বৃহস্পতির উপগ্রহই হোক আর বিশ্বজগৎ, সে তো দূরের কিছু নয়, স্রেফ ওইটুকু দেখার জন্যই মানুষকে যেতে হতে পারে ইনকুইজিশনে।

    আমি নড়েচড়ে গেছি, কারণ, লেখার জন্য জীবন দেওয়া আর দূরের জিনিস নয়। এ যেন ব্রেখটের নাট্যতত্ত্ব, নিদারুণ বিচ্ছিন্নতায় অন্য একটা নাটকের দৃশ্যাবলী দেখার পর, দুম করে অনুভব করা, আরে এ তো আমারই কথা বলছে। আমার বা আমার পাশের বাড়ির। কিন্তু শুধু সেটুকুই নয়। এখানে রয়ে গেছে আরেক পরত ম্যাজিক রিয়েলিজম। কাঁটাতারের বেড়া। একই ভাষায় কথা বলি, আমি আর অভিজিৎ। বলি নয়, বলতাম। একই বিষয় নিয়ে তক্কো করতাম। করিনি, কিন্তু করতেই পারতাম। ভালোবাসতে পারতাম, ঝগড়া করতে পারতাম। নেট জগতে, গুরুর গ্রুপে, গুরুর পাতায়, যেখানে খুশি। সেজন্যই তো পাশের বাড়ির লোক মনে হয়, হচ্ছে, বা হবে। কিন্তু তারপরেও অভিজিৎ মারা গেলে আমার কিচ্ছু করার নেই। আমি নন্দীগ্রামের মিছিল দেখেছি, কলরবের মিছিল দেখেছি, থাকি বা না থাকি, উত্তাপ নিয়েছি, মতামত দিয়েছি। কাউকে কোথাও একটা জবাব দিয়েছি বলে মনে হয়েছে। আমার জবাব দেবার একটা জায়গা আছে বলে মনে হয়েছে। কিন্তু এখানে? আমার পড়শী খুন হয়ে গেলে আমার কিচ্ছু করার নেই। কারণ ওটা অন্য দেশের ব্যাপার। ওটা বাংলাদেশ। ওরা ওদের ব্যাপার নিজেরা বুঝে নেবে। কারণ মধ্যে আছে কাঁটাতার। আমার পড়শী খুন হবে, খুন হয়ে যাবে, মাথায় বাড়ি খেয়ে ছটফট করবে, আমারই মাতৃভাষায় চিৎকার করবে, আর আমি কাঁটাতারের এপাশ থেকে জুলজুল করে দেখব। এতেও যদি নড়ে না যাই তো কিসে যাব?

    ছোটোবেলায় গণসংগীত শুনতাম। সাথীদের খুনে রাঙা পথে দেখো, হায়নার আনাগোনা। কাঁটাতারের এপার থেকে এখন আমি হায়নার আনাগোনা দেখছি। আমি বহু হাজার মাইল দূর থেকে অফিস ফাঁকি দিয়ে শুধু লিখছি। নিরাপদে বসে। কারণ আমি এটুকুই পারি। মিছিলে আমার অধিকার নেই। ওদের ঝুঁকি ওদের, আমার নয়। ওদের ভূখন্ড ওদের, আমার নয়। আমার হাত-পা বাঁধা। আমার তেমন দুখ নেই, নড়ে-চড়ে যাওয়া আছে। আর আছে একটু ক্রোধ। আর মাঝে-মাঝে ঝিলিক মারছে একটা সুখস্বপ্ন। কোনো ভাবে এই কাঁটাতারটা ওপড়ানো যায়না? মৌলবাদকে রোখা যায়না একসঙ্গে?

    এ হয়তো ঠিক লেখা হলনা। কতো কিছু জরুরি কথা বাদ গেল। এবং এ সবই ইনস্ট্যান্ট কফির মতো চটজলদি আবেগের কথা। অফিসের ডেস্কে বসে ১০ মিনিটে লেখা। তবে নড়ে গেছি কথাটা মিথ্যে নয়। আর ক্রোধটাও আশা করি জাস্ট এই কি-বোর্ড পিষেই উবে যাবেনা। বাংলাদেশের বন্ধুরা হাত বাড়ান। সঙ্গেই আছি।

  • বিভাগ : ব্লগ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ৫৯৬ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:২৭68897
  • ধর্মগ্রন্থগুলো সবই গালগল্প, কুসংস্কার আর হিংসার আড়ত। কিন্তু যদ্দুর জানি বাকী ধর্মগুলো সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে, অনেক বালছাল নিয়মকানুন লোকে আর মানেনা, অনেকগুলো এখনো মানে কিন্তু ভবিষ্যৎ এ মানবে না। কিন্তু ইসলামের সেরকম রিফর্ম কোথায় হয়েছে ? এরকম প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো পদে পদে সিন্ট্যাক্স চেক করা ধর্ম মুক্তমনাদের পছন্দ করবে কেন ?
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:২৭68896
  • প্রশ্নহীন আনুগত্য আছে কিনা, থাকলেও কিসের প্রতি আছে, জীবনের কোন কোন ক্ষেত্রে সেটার প্রয়োগ করছেন, এর কিছুই তো না জেনে লিখছি আমরা!

    যারা এই খুনগুলো করছে এই ফারাবীর মত ইতররা, তারা দাপিয়ে বলে বেড়াচ্ছে, তাই এদের মৃদু স্বরও আমরা ফেসভ্যালুতে নেব না?
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩২68898
  • ক্যাপিটালিস্ট ইকনমিক পলিসিতে প্রচুর মানুষ খুন হয়েছে। NAFTA মেক্সিকো কে পুরো নিঃস্ব বানিয়ে দিয়েছে। এই নিয়ে প্রশ্ন হলেও তো ইন্টার্প্রিটেশন, এবং উহা সহি ক্যাপিটালিজম না, উহা ক্রনি ক্যাপিটালিজম এই যুক্তি শোনা যায়!

    মাওইস্ট লিটরেচার পোজেশনের দায়ে রাষ্ট্র যখন বিনায়ক সেনদের জেলে পাঠায়, ঠিকই করে!

    আর বই চিরকাল থাকবে, বই হাতের কাছে থাকবে কি থাকবেনা, সেটা কিঞ্চিৎ ঐ পাণ্ডুলিপি পোড়ানোর কথই মনে করিয়ে দেয়।

    পৃথিবীর সব ক্লাসিক, প্রাচীন টেক্স্ট ধোঁয়াশা ভর্তি। গীতা- ও তাহলে পুড়িয়ে টুড়িয়ে ফেলা উচিৎ, সেখানেও তো মানুষ খুনের জাস্টিফিকেশন ভালো ভাবেই আছে!
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৩68900
  • এই প্রসঙ্গে, কল্লোলদার (যদ্দুর মনে পড়ে) একটা পোস্ট মনে পড়লো। আমরা জন্মসূত্রে হিন্দু জনতা কলেজে ঢুকেই অন্তত ঃ একবার বিফ খাওয়ার ট্রাই নিই, বেশ অ্যাডভেঞ্চারের মতো। কিন্তু মুসলিম পরিবারের কিশোরদের মধ্যে শুয়োর খেয়ে দেখার ঘটনা অনেক অনেক কম। হিন্দুদের পাপ এবং মুসলিমদের হারাম এক বস্তু নহে।
    এরকম রিজিড এবং রিফর্ম-হীন ধর্ম খুব চাপের জিনিস। মডারেটরা বিশেষ কিছু করতে পারবেননা এই ক্ষেত্রে, কারণ তাঁদের ধর্মগ্রন্থকে তো চ্যালেঞ্জ করতে পারছেননা।
  • hu | 101.185.27.29 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৩68899
  • অক্ষ-র কথাটা বুঝতে পারছি। রিদ্ধির 23.56র দ্বিতীয় প্যারার সাথেও একমত। হ্যাঁ, এই মানুষদেরই কেউ কেউ দাঙ্গার সময় অন্য ধর্মের মানুষকে বাঁচাবে। সেই বিশ্বাস এখ্নও আছে। কিন্তু এনাদেরও মনে প্রশ্ন আসা উচিত পবিত্র গ্রন্থে যা লেখা আছে তার সবটাই এঁরা বিনা দ্বিধায় মেনে নেবেন কিনা। এই পবিত্র গ্রন্থ উদ্ধৃত করে খুনোখুনি বড় কম হচ্ছে না।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৪68901
  • কীরকম রিফর্ম হয়েছে ? গীতা বা মহাভারত ব্যানড না অবসলিট নাকি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ?
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৮68903
  • আপনারা যাঁরা নিজেদের যুক্তিবাদী হিসেবেই দেখতে ভালোবাসেন, তাঁরা শুধু এইটুকু ভেবে দেখুন, যখন বলছেন ইসলাম বাই নেচার ভায়োলেন্ট, এবং শুধু নাস্তিক ইত্যাদি না, অন্যান্য ধর্ম থেকেও আইসোলেট করে দেখছেন, তখন এই মাঝের মানুষগুলো কোথায় যাবেন? এই হস্টিলিটির মুখে তাদের আরো আরো ঐ মৌলবাদীদের দিকেই ঠেলে দেওয়া হচ্ছেনা কি? তারা যদি মনে করে তাদের টেক্সটের অন্য কোনো ইন্টার্প্রিটেশন শোনার জন্য আর কেউ নেই, তখন ঐ মৌলবাদীরাই জিতে যাচ্ছে না কি? শুধু তাদের ভার্সানটাই গায়ের জোরে, গলার জোরে, "প্রকৃত ইসলাম" বলে গৃহীত হচ্ছে না কি? এবং ইসলাম যে একটি মোনোলিথিক হোমোজেনাস ধর্ম না, সেটা ভুলিয়ে দেবার এই যে চেষ্টা, সেটাই লেজিটিমেসি পাচ্ছে না কি?
  • hu | 101.185.27.29 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৮68902
  • হ্যাঁ, সব ধর্মগ্রন্থই লাইব্রেরীতে থাকা উচিত। স্কলাররা ইচ্ছে হলে গবেষনা করুন। ঘরে অসাবধানে নাড়াচাড়া করতে গিয়ে খুনজখন না হওয়াই অভিপ্রেত।
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৯68905
  • গীতার বাণী অনুসরন করে হিন্দুরা পৃথিবীজুড়ে এই লেভেলে টেররিজম ছড়াচ্ছে সেটা দেখিয়ে দিলেই মেনে নেব ঃ) (গীতা পোড়ালেও আমার কিছু যায় আসে না)
    বেশীদূর যেতে হবে না, বাংলাদেশ আর ভারতে সংখ্যালঘুদের অবস্থার তুলনা করলেই বোঝা যাবে।
    আর ক্যাপিটালিজম খুব সাস্টেনেবল এবং ফুলপ্রুফ তত্ব এরকম দাবী কখনো করেছি বলে মনে পড়ে না ঃ)
    যাগ্গে, কেন যে এসব পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট জিনিসপত্তর বলে ফেলি। হিলেলি অবস্থান থেকে হিলে গেলে এরকম হয় বোধয়।
  • Tim | 101.185.27.29 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৩৯68904
  • বই পোড়ানোর কথা কে বলেছে? বই তো আর্কাইভে থাকবে বা লাইব্রেরিতে, মানুষ পড়বে, চর্চা করবে, প্রশ্ন পেলে করবে। পুজোর জন্যে তো বই না।
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪২68906
  • পাইদি, রিফর্ম মানে বই পোড়ানো নয়। লোকজন দশরথ এর দেখাদেখি চারটে করে বিয়ের বায়না জুড়ছেনা এটাও তো রিফর্ম ই, নাকি ? কৃষ্ণ শত্রুকে মারার জাস্টিফিকেশন দিয়েছেন, সেই দেখে আইন-আদালত সব তুলে দিয়ে নিজেদের বাওয়াল যুদ্ধ করে সাল্টে নেওয়ার রাইট দেওয়া হয়েছে কী?
  • Tim | 101.185.27.29 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪৩68907
  • অক্ষ,
    আইসোলেশনের কথাই যখন উঠছে, পেশোয়ারে বা মোসুলে বা প্যালেস্টাইনে যখন মানুষ মরছে তখন তাহলে অ-ধার্মিকরা আইসোলেটেড ফিল করে অন্যপক্ষে যোগ দিয়ে বিপদ বাড়িয়ে দিচ্ছি এই চিন্তাটা কি মডারেট দের তরফ থেকে আসছে?
    নাকি নাস্তিকেরা সংখ্যায় কম বলে সেটা ম্যাটার করেনা?
  • hu | 101.185.27.29 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪৪68908
  • পাই, মহাভারত কোন ধর্মগ্রন্থই নয়। উত্তরভারতের অনেক বাড়িতে এই বই রাখাই হয়না ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া হবে বলে।
    হ্যাঁ, রামায়ন ধর্মগ্রন্থ হিসেবে ট্রিটেড হয় বটে। গীতাও। গীতার শ্লোক তুলে তুলে ফতোয়া জারী হতে দেখিনি এখনও। আর নিজেও গীতা পড়িনি। কাজেই জানি না ফতোয়া দেওয়ার মত মেটিরিয়াল আছে কিনা।
    যে ধর্মের বইই হোক না কেন, উস্কানিমূলক হলে তা হাতের নাগালের বাইরে রাখাই উচিত।
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪৫68909
  • এদেশে তো প্রতিটি হোটেলে একটি করে বাইবেল রাখা থাকে নাইটস্ট্যান্ডের দেরাজে। উইদাউট এক্সেপশন।

    আর হ্যাঁ গীতা পোড়ালে আমার ভয়ানক আসে যায়। যে কোনো বই পোড়ালেই যায় আসে, বিশেষ করে যে বই শতাব্দীর ইতিহাস বহন করে সে বই পোড়ালে খুবই যায় আসে। এর সাথে আমি কত বড় নাস্তিক তার সম্পর্ক নাই।
  • hu | 101.185.27.29 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪৮68912
  • কিন্তু বই পোড়ানোর কথা এল কেন? বইকে আর্কাইভ করার কথা হয়েছে। পোড়ানোর কথা কে বলল?
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪৮68911
  • ধর্মীয় টেক্সটের আলাদা ইন্টারপ্রিটেশন আবার কী। কয়েক হাজার বছর অশিক্ষিত মানুষের যেরকম ধ্যানধারণা ছিল সেরকমই তো লিখবে। সেই লেখা, তার যে ইন্তারপ্রিটেশনই হোক না কেন, তাকেই প্রশ্নহীনভাবে মেনে চলতে হবে, এটাই তো গোড়ায় গলদ।
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪৮68910
  • টিম, আসছে তো। যেকোনো এক্সট্রিমিজম যেভাবে মানুষকে পোলারাইজ করে, সেভাবেই করছে।
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৫১68913
  • কয়েক হাজার বছর আগে *
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৫৩68915
  • গীতা তো মহাভারতের অংশ !

    যাগ্গে, 'লোকজন দশরথ এর দেখাদেখি চারটে করে বিয়ের বায়না জুড়ছেনা এটাও তো রিফর্ম ই, ' এটা তো রিফর্মই। হ্যাঁ।
    মুসলিমদের মধ্যে হজরতের দেখাদেখি এন সংখ্যক বৌ এর শতাংশ কত বলতো ? চার কি পাঁচ শতাংশ। তাহলে একটা সিংহভাগে , তোরই যুক্তি অনুযায়ী রিফর্ম হয়েছে ?

    হ্যাঁ , এই নিয়ে কোন তর্কেরই অবকাশ নেই, অনেক বেশি রিফর্মের এখনো প্রয়োজন আছে, আর সেটা ইসলামের বেশ বেশিই আছে, আর রিফর্মের উল্টো পথেও হাঁটাটা বেশ বেশিই হচ্ছে, কিন্তু তাতে করে, ঐ ধর্মবিশ্বাসী/ধর্মভীরু আর মৌলবাদী এক হয়ে যায়না।
    তবে,কিছু জায়গায় এখন আমারও কিছু প্রশ্ন জাগছে। আরিফ জেবতিকের লেখাগুলো পড়ে আরো পেল। লিখছি।
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৫৩68914
  • প্রশ্নহীন ভাবে ফলো করে এই অ্যাসাম্পশানটাই ভুল।
  • riddhi | 146.165.191.10 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৫৪68916
  • সদা, ইস্লামিক মৌলাবাদ সময় আর জায়্গার সাথে বদলেছে তো? এই র‌্যাডিকাল ইসলাম কদিনের ব্যাপার? এখনো জায়গার সাথে মুসলিম পপুলেশানের ওর্থোডক্সি আলাদা। তো এই ডাইভার্সিটি তো আছে? মধ্যযুগে খ্রীষ্ট ধর্ম কতটা মৌল্বাদি ছিল? এই প্রশ্ন করার মানে কিন্তু এটা না, মুসলিম মৌলবাদকে আহা-উহু করে, সাম্রাজ্যবাদ আর অন্য হিস্টোরিকল ওরিজোনের অজুহাত তুলে ছেড়ে দেয়া। বরং যতটা সমভব ব্রুটালি কমবতা করা। আমি বলছি--আজকের পরিস্থিতি দেখে কোরান=ইভিল absolutely আর সব মডারেট পোতেন্শিয়াল মৌল্বাদি এই স্টান্স টা না নিতে।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৫৬68917
  • * আরিফ জেবতিক আর চার্বাকের লেখাগুলো
  • Ishan | 214.54.36.245 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৫৮68919
  • অ্যাকচুয়ালি, এইভাবে বললে ভালো হয়। মনুসংহিতা আজকের যুগে অচল এবং মূলত অপ্রেসিভ, এই কথাটা আমরা জোর গলায় বলে থাকি। বাইবেলের পৃথিবীকেন্দ্রিক মতবাদ অবসলিট, এটা তো সর্বত্র নির্দ্বিধায় বলা হয়ে থাকে, গ্যালিলিও আর জিওর্দানো ব্রুনোকে হিরো বা শহীদের সম্মান দিই। যেকোনো ধর্মের কাছেই এটা কাম্য, যে, গ্রন্থে যা লেখা আছে, সেটাই চরম সত্য নয়, তার কিছু কিছু অংশ অবসলিট, আজকের যুগে অচল, এবং রিগ্রেসিভ, এটা স্বীকার করুন। স্বীকার করুন বা না করুন, অন্তত কেউ কেউ অপ্রেসিভ অচল এসব বলতে পারে, এইটুকু স্পেস স্বীকার করুন।

    এই দাবীটুকু করাই যায় তো।
  • শ্রী সদা | 126.75.65.125 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৫৮68918
  • ধর্মভীরু/ধর্মবিশ্বাসী আর মৌলবাদী এক জিনিস নয়। প্রথমটি ভূবনের মাসি এবং দ্বিতীয়টি ভূবন স্বয়ং।

    পাইদির শেষ পোস্টের দ্বিতীয় ভাগ তো আমারো বক্তব্য। আশা করি এত বছরে চাড্ডি খিস্তানোর ইতিহাস নিয়ে হিন্দুধর্মকে সাপোর্টানোর দায় নিতে হবে না ঃ)
  • সব্যসাচী | 122.79.38.42 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৫৮68855
  • সৈকত যেমনটা লিখেছে...সত্যি নড়ে যাচ্ছি... বড্ড অসহায় লাগছে...কাঁটাতারটা আসলে কোন মানেই রাখে না...!!!!!
  • hu | 101.185.27.29 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:০২68920
  • ধর্মভীরু আর মৌলবাদী একই গোত্রের এটা কিন্তু আমি মনে করিনা। এইজন্যই এই থ্রেডে লিখতে অস্বস্তি হচ্ছিল। বিষয়টা এত ডেলিকেট যে ভুল বোঝার চান্স প্রচুর। অবশ্যই এনারা মৌলবাদী নন। এবং আবারও রিদ্ধির সাথে একটা ব্যাপারে একমত এটা জানিয়ে যাই - প্রয়োজন হলে এনারা অন্য ধর্মের মানুষকে দাঙ্গার সময় রক্ষা করবেন এই ভরসাও আমি করি। কিন্তু এটাও চাই যে এনারা নিজেদের ধর্মবিশ্বাসকে প্রশ্ন করুন। একটা বইয়ের লাইন তুলে মানুষ খুন হচ্ছে। সেই বইকে প্রশ্ন করতে হবে না?
  • - | 109.133.152.163 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:০৬68922
  • ভুবন। হ্রস্ব উ।
    অন্য লোকে কোন বই পড়ে আপন মনে মাধুরী মিশিয়ে ভুল অর্থ দেখিয়ে নিজের স্বার্থ সিদ্ধি করলে, আমি কেন আমার বিশ্বাসকে প্রশ্ন করব? আজব কথা!!
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:০৬68921
  • সদা, কল্লোলদা যেমন দেখেছেন, আমি তেমন দেখেছি আমার যেকজন ধর্মবিস্বাসী মুসলমান পরিচিত আছেন, সবাই মদ্যপান করেন। এর থেকে কী বোঝা গেল?
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৭:০৮68923
  • চার্বাক লিখেছেন , 'পাশে বন্যা আপা রক্তাক্ত দেহ নিয়েই ডাকছিলেন সামনে গোল হয়ে নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলিকে, কিন্তু সেই মানুষগুলি মস্তিষ্কের খুব ব্যবহারই করে, আর এমন মানুষদের চারণভূমি করাই তো লক্ষ্য ছিল হামলাকারীদের!'

    আরিফ জেবতিকের লেখাতেও এই জায়গাটায় এসে থমকে গেলাম।
    'অভিজিৎকে ধরাধরি করে তুলে দিয়ে আসা গুটিকয় লোকের একজন। আমি তখন কাকে যেন রক্তের জন্য ফোন করছি। একপাশে টেনে নেয় আমাকে। তারপর ফিসফিস করে বলে, "এত রক্ত লাগবে না ভাই। মাথায় কোপ মেরেছে, মগজ বেরিয়ে গেছে।' আমি তার দিকে অবিশ্বাসের চোখে তাকিয়ে থাকি। সে ক্লান্ত গলায় বলে, "জানেন আরিফ ভাই। একটা লোকও এগিয়ে আসেনি। সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়ে মোবাইলে ছবি তুলছিল।"

    আমি ধপ করে ফুটপাতে বসে পড়ি। ল্যাম্পপোস্টে গা এলিয়ে দেই। আমার সামনে সব ঝাপসা হয়ে আসে। ঐ দূরে তখনও মাসুম ভাই, জয়ন্ত দা, আকরাম ভাই মিছিলের জন্য লোক জড় করছে।
    আমরা কাছে এর সবকিছুই অকারন মনে হয়।

    আমরা এমন এক জনপদে বাস করছি যেখানে দুয়েকজন ঘাতক নয়, সবাই ঘাতক হয়ে উঠেছি।
    এখানে প্রতিবাদ প্রতিরোধের কোনো মূল্য নেই। ঘাতকের কথা ভাবি না, তারা আর কয়জন?
    কিন্তু আমার জনপদে ঘিরে ধরা একদঙ্গল পশু। মোবাইলে খিচখিচ করে ছবি তুলছে।
    এই জঙ্গলে আমি তাদের ভাষা আর তারা আমার ভাষা বুঝবে না কোনোদিন।

    আমার বসে থাকা আর অভিজিৎ এর আহত হওয়ার মাঝখানে কয়েক গজ দূরত্ব মাত্র। সেই দূরত্বটুকুতেও গিজগিজ করছে বোধহীন, চিন্তাশক্তিহীন স্থবির পশুর পাল। এই গহন গহীন আঁধারে এসব ঝাঁকঝাঁক মোবাইল ফোনের আলো এড়িয়ে অন্য কোনো আলো জ্বেলে আমি কোনদিনই কোনো গন্তব্যে পৌঁছাব না।
    এই চিন্তাশক্তিহীন পশুদের জঙ্গলে এই অন্ধকারে আমাকে এভাবেই বসে থাকতে হবে।
    --

    থমকে তো কালই গেছিলাম, খবরটা পেয়ে।কিন্তু এই থমকানোটা একটু অন্য। এগুলো কিছু ধর্মান্ধ, মৌলবাদীর কাজ , যারা কিনা রাজনৈতিক, আর্থিকভাবেও প্রচণ্ড মদতপুষ্ট , এরকম ভেবে নিয়ে সেই লোকজগুলোর উপর অসম্ভব এক রাগ, নিষ্ফল আক্রোশ ফলিয়ে চলছিলাম, এই লোকগুলোকে শাস্তি পেলে একটু জ্বালা জুড়োয় , এরকমই কিছু মনে হচ্ছিল।
    এই লোকগুলো, এই ভিলেনগুলো। যারা কোনোমতেই আমরা নই।

    কিন্তু এরা কারা ? এই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কোন প্রতিবাদ না করে দেখে যাওয়া লোকজন ? এই ঘটনার পরেও কোন হেলদোল না ওঠা লোকজন ? এই ঘটনার পরে যারা প্রকাশ্যে সমর্থন করছে, তাদের নাহয় সহজেই ভিলেনের দলে পুরে দেব, কিন্তু এই বাকি এরা ? এদেরকেও যদি ওরা বানিয়ে দিতে হয় তাহলে তো আমরা বলে আর কিছু অবশিষ্টই থাকেনা !
    আর এরা কেনই বা এরকম করল ?ঐ আরিফ যা লিখেছেন, 'চিন্তাশক্তি'হীনতা, নাকি, মনে মনে কোথাও ধর্মবিশ্বাস বা ধর্মভীরুতার জায়গা থেকে নাস্তিকদের উপর জন্মানো ক্রোধ আর সেখান থেকে নীরব সমর্থন নয় তো সেটা ? সেটা হলে কোথাও বোধহয় ধর্মভীরুদেরও ভয় করতেই শুরু করতে হয় !
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত