ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ফিদেল কাস্ত্রো-র দেশে (পর্ব ৪)

    Binary লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১১ জানুয়ারি ২০১৮ | ৫৪৬৩ বার পঠিত
  • কিউবায় মোট পনেরোটি প্রভিন্স আর একটি যাকে ওরা বলে স্পেশাল মিউনিসিপ্যালিটি। আমরা যেখানে গেছিলাম সেই প্রভিন্সের নাম ভিলাক্লারা। আর যে শহরের এয়ারপোর্টে নামলাম বা উঠলাম , সেটা সান্টাক্লারা। এইটুকু ইনফরমেশন অবশ্য যাবার আগেই জানতাম। আর তার সাথে যেটা আমার শিকড়গত বামপন্থা জানিয়ে রেখেছিলো, যে এই সেই সান্টাক্লারা, গেরিলা যুদ্ধের তীর্থক্ষেত্র। চে'র মাত্র সাড়ে তিনশ গেরিলা বাহিনী হারিয়ে দিয়েছিলো আমেরিকান মদতপুষ্ট পাঁচ হাজার সেনা , ট্যাংক , কামান বন্দুক আর সবচেয়ে বড়ো কথা পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা-কে। রক্তপাত বেশি হয়নি তার কারণ গেরিলা বাহিনীর ছিল তুমুল জনসমর্থন। এমনকি এরকম-ও শোনা যায় , পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার সৈন্যরাও পরে স্বতঃস্ফূর্ত যোগ দিয়েছিলো চে'র সঙ্গে। সে যাগ্গে যাক। এসব কথা অবশ্য কোনো গাইড সেরকম করে বলেনি। খালি 'ব্যাটেল অফ সান্টাক্লারা' মেমোরিয়াল গ্রাউন্ড দেখানোর সময় বলেছিলো ১৯৫৮'র সেই যুদ্ধের কথা। আমাদের সঙ্গে যেসব অন্যান্য টুরিস্ট ছিল , তারা বেশি জিজ্ঞেস করেনি , আমিও আর সেসব প্রসঙ্গ তুলিনি। আর তাছাড়া মেমোরিয়াল গ্রাউন্ডটা বহরে বেশ ছোট , আর গেরিলা যুদ্ধের সাক্ষি হিসেবে ট্রেনের ওয়াগনটা রাখা আছে। আসলে এই আবেগগুলো আমার যুবাবয়সের , তাই মাঝে মাঝে শিরদাঁড়া শিরশির করে।

    চে মেমোরিয়াল। অনেকগুলো কিউবিকল কংক্রিটের স্ট্রাকচার। একটা সাদা অনেক উঁচু রেকটেঙ্গুলার থামের ওপরে বাইশ ফুট দৈর্ঘের চে'র মূর্তি। এখানে ১৯৯৭ সালে বলিভিয়া থেকে উদ্ধার করা চে'র দেহাবশেষ সমাধিস্থ আছে। আর সঙ্গে তার ছয়জন গেরিলা কমরেড-এর দেহাবশেষ। রাজনীতি মানুন আর নাই মানুন, বামপন্থায় বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, এইখানে দাঁড়ালে মন উতলা হবেই। আমি অন্তত রোমান্স-এ বিশ্বাস করি। এই একজনের স্বপ্নে আমার কলেজ জীবনের পরে প্রজন্ম পেরিয়ে এসেও গায়ে কাঁটা দেয় আমার। একটা সফল বিপ্লবে যার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় না। তারপরে-ও কঙ্গো আসে বলিভিয়া আসে। খুব কি মেলোড্রামাটিক শোনাচ্ছে ? নাহয় তাই। মেনে নিতে দোষ নেই।

    যাই হোক , সান্টাক্লারা দেখা ওই পাঁচ ছয় ঘন্টা। প্রথমত: আমরা যেখানে রিসর্টে থাকতাম , সেখান থেকে সান্টাক্লারা শহর প্রায় দুই ঘন্টার পথ। তাই রিসর্টে আরাম করব, সমুদ্রে চান করে বাদামি চামড়া আরো বাদামি করবো, সকাল বিকেল হাভানাক্লাব-উইথ-আনারসস্মুথি খাব, জীপসাফারি যাব , কার্নিভাল দেখতে যাব , মেয়ে-র বায়না মতো ডলফিনশো দেখতে যাব এইসব করে সান্টাক্লারা দেখতে দেখতে একদম ফেরারদিনে হয়ে গেল । আমাদের ফেরার উড়ান ছিল সন্ধ্যে সাতটায়। সকাল নয়টায় বেড়িয়ে , গোভিয়াটা বাস সান্টাক্লারা শহর দেখিয়ে , এয়ারপোর্টে নামিয়ে দিলো বিকেল পাঁচটায়। চে'মেমোরিয়াল আর ব্যাটেলগ্রাউন্ড দেখা লাঞ্চ করার পরে আর অন্যকিছু দেখার সময় ছিল না।

    এইখানে বলে রাখি। আমার সাথে যতজন কিউবান মানুষের কথা হয়েছিল তারা সবাই প্রায় নবীন প্রজন্মের। আশির দশকে জন্ম। খুব বেশি হলে সত্তরের শেষ-এ। এরাই একটু আধটু যা ইংরেজি বলতে পারে। তো এদের চে'র ওপর শ্রদ্ধা আছে , আমাদের যেমন আছে মহাত্মা গান্ধী বা নেতাজি কে নিয়ে। এরা একটা সমাজতান্ত্রিক সিস্টেম-এ জন্মেছে , বড়ো-ও হয়েছে। এদের কাছে বিপ্লবটা নকশাল আন্দোলন-এর চেয়েও আগের। এদের কাছে ১৯৫৯ এর বিপ্লব ঠিক সপ্ন নয় বরং কিউবা'র একটা গৌরবময় ইতিহাস। এই রকম-ই আমার মনে হলো। একদিন রাতের দিকে বার-এ বসেছিলাম। একটি মেয়ে সার্ভ করছিলো। বয়স চব্বিশ-পঁচিশ হবে। একটু রাতের দিকে বলে একটু ফাঁকা-ই ছিল। আমি মেয়েটাকে পাঁচ পেসো টিপস দেওয়াতে , খুব খুশি হয়ে গালে একটা চুমু দিলো। এরকম হাসি খুশি মেয়েপুরুষের কথা তো বলেই আসছি। তো সেই মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম চে'র কথা। তাতেই মনে হলো , চে আর ফিদেল ওদের কাছে স্বতঃসিদ্ধ'র মতো। আমাদের রিসোর্টের কাছে, একটা শপিং প্লাজা ছিল। বা সান্টাক্লারাতেও দেখলাম অনেক কিউবান মেমেন্টো শপ। যেরকম সব শহরে , সব টুরিস্ট স্পটেই থাকে। সেইসব দোকানে অন্য অনেক কিছুর সাথে ভরিয়ে চে। বাঁশের মগ-এ চে'র ছবি। চে টিশার্টে-র আলাদা একটা সেকশন। শটগ্লাসে চে'র ছবি। বুকসেল্ফ-এ চে'ফিদেল-র বই। বিপ্লবের ইতিহাস। আমি-ও কয়েকটা জিনিষ কিছু কিনলাম। একটা বই কিনলাম 'ফিদেল আর রিলিজিওন'। এখনো পড়তে শুরু করা হয়নি। সবচেয়ে জরুরি ছিল বয়স্ক মানুষের সাথে কথা বলা যারা ১৯৫০-১৯৫৫-এর আগে জন্মেছেন। এরকম মানুষ কম-ই আলাপ হওয়ার সুযোগ হলো , আর হলেও হয়তো ভাষা ব্যবধানে আলাপচারিতা জমতো না।

    শপিংপ্লাজা বলতে মনে হলো বলে রাখি , কিউবা'র শহরের রাস্তাঘাট, সান্টাক্লারাতে পেডেস্ট্রিয়ান স্ট্রিট , রিসর্টের লাগোয়া প্লাজা সবখানে ইউরোপিয়ান স্টাইল। মানে রোম , ফ্লোরেন্স মনে পরে গেলো হাতে হাতে। সেইরকম ছাতাওয়ালা বাইরে বসার রেস্তোরা। সেই রকম গিটার বাজিয়ে গাইয়ে। দোকান বাড়িগুলোর সেই রকম আর্কিটেকচার। তফাতের মধ্যে এটাই , আগে যেমন বলেছি , এখানে কোনো ম্যাকডোনাল্ডস নেই বা নাইকের শোরুম নেই। শুধু তাই নয়, একটাও বিজ্ঞাপনে-র বিলবোর্ড নেই। একদিন রিসর্টের কাছে প্লাজাতে , একটা হলুদরঙের সিমেন্টের গাজিবো মতো জায়গায় বসে আছি। বেশ বড়ো জায়গাটা। ছয়-সাতটা লোহার বেঞ্চ। চারিদিকে ঘাসের লন। তিরিশ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড ঝলমলে রোদের মধ্যে শীতল ছায়া টাইপ। দুজন বয়স্ক লোক , স্বামী-স্ত্রী-ই হবে। বরের হাতে গিটার , আর মহিলার হাতে একটা বংগো । আমায় জিজ্ঞেস করলো 'ইংলিশ ওর স্প্যানিশ'। আমি ইংলিশ বলাতে , আমার হাতের ঝোলা থেকে বের করে দুটো ম্যারাকাস ধরিয়ে দিলো। তারপর মহিলা আমার পাশে বসে স্প্যানিশ গান ধরলেন। নিজেই বংগো বাজালেন সাথে , আর ওর বর ঝমঝমিয়ে গিটার। আমায় ম্যারাকাস নিয়ে তালে তালে ঠেকা দিতে হলো। অসাধারণ একটা নাচুনে সুর। মন খুশি হয়ে যায়। আমার মেয়ে খুশি হয়ে একটু কোমর দোলালো। তারপর ওরা আরো একটা গান গাইলো। সেটা অবশ্য অতি পরিচিত গান। গোয়ান্তানামেরা। আমরা ছাড়াও বাকি যারা আশেপাশে ছিল , সবাই তিন পেসো চার পেসো করে বকশিস দিলো বুড়োবুড়িকে।

    ***
    কিউবার সমুদ্র অত্যন্ত সুন্দর। মিহি সাদা বালির সাগর সৈকত। জুন জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হ্যারিকেন সিজিন বাদ দিলে , শান্ত আটলান্টিক।
    সাদা বালিয়াড়ি পেরিয়ে , অনেকদূর হেঁটে জলের ভেতর যাওয়া যায়। প্রায় স্বচ্ছ নীল জল। মোটরাইসড স্পোর্টস প্রায় নেই বলে দিগন্তে কিছু মার্চেন্ট শীপ ছাড়া ধু ধু নীল জল। আমাদের রিসর্টের নিজস্ব বীচ-এ দুটো বীচবার ছিল। সকাল ছটা থেকে বিকেল ছটা পর্যন্ত অফুরান সূরাপানের আয়োজন। ডিসেম্বরে তাপমান আঠাশ থেকে তিরিশের কাছে সেন্টিগ্রেড স্কেলে। তবে আদ্রতা তেমন নেই , যেমন থাকার কথা সমুদ্রের জন্য। প্রতিদিন ঝলমলে রুদ্দুর ছিল , আমরা যেকদিন ছিলাম।

    ফেরারদিন দেখলাম সান্টাক্লারা এয়ারপোর্টের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ট্রানসিট লাউঞ্জ। দুটো মাত্র গেট , আর সব উড়ান-ই কানাডা-র আর একটা ফ্লোরিডা যাচ্ছে। কোনো এয়ারওব্রিজ-টিজ নেই। উড়োজাহাজ গুলো দাঁড়াচ্ছে প্রায় গেটে-র মুখে , আমরা গেট দিয়ে বেরিয়ে হেঁটে হেঁটে প্লেনে উঠলাম। একটা মাত্র ডিউটি ফ্রি শপ। আর একটা ক্যান্টিনের মতো কাউন্টারে বার্গার বিক্রি হচ্ছে। তিরিশ ডিগ্রি তাপে আমি গেঞ্জি আর হাপ্প্যান্ট পড়ে ছিলাম , প্লেনে ওঠার আগে বাথরুমে ঢুকে শীতের জোব্বা পরে নিলাম , কারণ পাঁচ ঘন্টার উড়ানের পরে দ্যাশে-র শহরে নামবো , ওয়েদার নেটওয়ার্ক বলছে সেখানে -৩০ ইন সেন্টিগ্রেডস্কেল।

    আগাম ওয়েদার দেখার কথায় মনে হলো , ইন্টারনেট ইত্যাদি কিউবা তে খুব-ই কন্ট্রোলড। প্রায় অলভ্য-ও বলতে পারেন। কাজকর্ম-ও বহু জায়গায় জাবেদা খাতায় হাতে লিখে হচ্ছে দেখলাম। আমাদের রিসর্টে , বাফে ছাড়াও দুটো আলাকারটা রেস্তোরা ছিল। সেখানে আগে থেকে বুকিং করতে হতো। তো সেসব বুকিং দেখলাম প্রাকঐতিহাসিক নীল রঙের বাঁধাই খাতায় হচ্ছে। রেস্তোরা-টা অবশ্য খুব-ই হাল ফ্যাশনে-র আর ভালো। একদিন স্টার্টারে , ঝিনুকের মধ্যে নারকোল আর চিংড়ি দিয়ে একটা আইটেম খাওয়ালো , মনে করলেই ভালোলাগছে। যেকথা বলছিলাম , ইন্টারনেট পরিষেবা-র অৱস্থা নেহাত-ই করুন। ETECS যেটা নাকি কিউবান টেলিকম কোম্পানি , তাদের ডাটা কার্ড কিনতে পাওয়া যেত ঘন্টাপ্রতি এক পেসো। কিন্তু তাতেও অনেক সাইট রেস্ট্রিক্টেড আর কন্ট্রোলড ছিল। এর কারণ কি, কেন, কোথায় নিয়ে বিস্তারিত অন্য কোনোখানে বলা যাবে , আপাতত বলি , ইন্টারনেট নিয়ে ওই আটদিন প্রভূত সমস্যায় ছিলাম আমরা , বিশেষ করে আমার মেয়ে।

    আমেরিকার সাথে কিউবা'র লাভ-হেট সম্পর্কের কথা হোক একটু। ১৯৫৯-এর বিপ্ল্বের পর , কিউবায় আমেরিকার যত বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান , পাওয়ার প্ল্যান্ট , তৈল শোধনাগার সব কিউবার প্রলেতারিয়েত সরকার দখল করে। তারপরে ১৯৫৯ থেকে পরবর্তী কুড়ি বছরে প্রায় দশ শতাংশ কিউবান নাগরিক আমেরিকায় পালিয়ে আসে। এরা যদিও প্রধানত বিপ্লব পূর্ববর্তী জামানার উচ্চবিত্তশ্রেণী , কিন্তু মধ্যবিত্ত চাকুরীজীবি -ও আছে এদের মধ্যে। প্রথম দিকে আমেরিকান এমবার্গো'র জন্য , এরা গেছিলো বেআইনি পথে , নৌকায় , স্টিমারে। পরে আমেরিকা নিজেদের স্বার্থে বছরে ২০,০০০ কিউবান কে ভিসা দেওয়ার নীতি নেয়। যাই হোক এমবার্গো চালু আছে গত অর্ধশতক। আমেরিকা কিউবার অর্থনীতিতে সাহায্য করে না, এমনকী বন্ধু দেশ যারা আমেরিকান ডলারের মুখাপেক্ষই তাদের-ও ঘুরিয়ে সাহায্য না করা শর্তাধীন রাখে। ওই আগে যেটা বললাম, কিউবা'র ইন্টারনেট ব্যবস্থার দুর্দশা হওয়ার এটাও একটা কারণ। তো যাইহোক এতো কথা বলতে গেলে ইতিহাস লেখা হয়ে যাবে। আমেরিকায় চলে আসা কিউবান আমেরিকানরা দেশে ফেলে আসা আত্নীয় স্বজন বন্ধুবান্ধব-কে এখনো ডলার পাঠিয়ে থাকে। ওবামা জামানায় কিছু কিছু শিথিলতা হয়েছিল এমবার্গো-তে, সেই সময়-ই কিউবার কমিউনিকেশ ব্যবস্থা-র কিছু উন্নতি হয়। তবে সম্প্রতি ট্রাম্প সাহেব আবার এইরকম ডলার ট্রান্সাকশন-র ওপরেও বিধি নিষেধ আরোপ করার চেষ্টায় আছে।

    তো আমায় এলিন (সেই জীপসাফারির গাইড মেয়েটি) বললো যে , কিউবা ক্লাসলেস সমাজ। মোটের ওপরে কথাটা সত্যি হলেও আমেরিকান সাহায্য পাওয়া আত্মীয় বন্ধুবান্ধব নাগরিক বৃন্দ অপেক্ষাকৃত বিলাসিতা করতে-ও পারে। ভালো জুয়েলারি পড়তে পারে , সৌখিন জুতো জামা পড়তে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাতে অবশ্য কোনো আফশোস নেই কিউবাতে। হাজারহোক একশো আমেরিকান ডলার মানিট্রান্সফার হয়ে এলে , সে যে নামেই আসুক , একশ ডলারতো যোগ হচ্ছে কিউবার অর্থনীতিতে।

    আরেকটা গুরত্বপূর্ন কথা। ক্রিসমাসের দিন বা ক্রিসমাস ইভে দেখলাম খুব হৈচৈ। কার্নিভালের কথা তো বললাম-ই , তাছাড়া-ও রিসর্টে স্পেশাল ডিনার। রিসর্টের থিয়েটারে সান্তাক্লজ শো বাচ্চাদের জন্য। এইসব দেখে আমি সেই ম্যানেজার কে জিজ্ঞেস করেছিলাম , 'ডু ইউ প্রাকটিস রিলিজিওন ?, কারণ আমি জানি ক্লাসিকাল ক্যামিউনিজম ধর্ম মানে না , যেমন চীন'। তাতে বললো , কিউবান রা রোমান ক্যাথলিক। আর পুরো দস্তুর ধর্মীয় আবেগপ্রবন। চার্চ আছে প্রতিশহরে , গ্রামে। ধর্মকে আমরা সংস্কৃতি হিসেবে দেখি। তবে চার্চের কোনো একটিভিটি নেই , চার্চ থেকে সমাজের ওপর কোনো আদেশ দেওয়া নিষিদ্ধ। এইটুকু-ই জানলাম। ফুর্তিবাজ কিউবানদের ক্রিসমাস ইভে নাচতে দেখলাম।

    সান্তা ক্লারা এয়ারপোর্ট থেকে একটা ইলাস্ট্রেটেড চে'র পোস্টারে-র বই কিনে ছিলাম। তাতে চে'র বাণী দেখলাম If you tremble with indignation at every injustice, then you are a comrade of mine.

    বিদায় কমরেড। তোমার স্ট্যাচু আমার কাছে স্ট্যাচু অফ লিবার্টির থেকেও উঁচু।

    (শেষ)
  • | বিভাগ : ব্লগ | ১১ জানুয়ারি ২০১৮ | ৫৪৬৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 213.110.242.25 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৪৩64492
  • কুমিরছানা তৈরির কারখানার বাইরেও অন্যভাবে "লাভজনক" সংস্থা তৈরি করা যায়ঃ
    Drug rehab, post-accident motor skills rehabilitation, treatment for eye diseases and plastic surgery -- foreign patients can get all of these services and more in Cuba, and at competitive prices.
    https://www.ctvnews.ca/health/health-headlines/cuba-turns-to-medical-tourism-as-revenue-generator-1.1397531

    কিন্তু তুলনাটা বার বার আমেরিকার সঙ্গে কেন? কিউবার আশেপাশের দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করাটা বেশী যুক্তিযুক্ত। সেই দেশগুলোতে কুমিরের ডিমও তৈরি হয়না আর তার সঙ্গে মানুষের জীবনযাপনের মানও এমন কিছু উলেখযোগ্য নয়। তাহলে সেই দেশগুলোতে হচ্ছেটা কি?
  • কল্লোল | 233.227.108.156 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৪৪64493
  • * "নিজের ইচ্ছেমত কাজ" - কথাটার মগনে কি? পড়তে হবে মানে কি?
  • Binary | 226.126.202.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৪৬64515
  • অথচ ডাক্তার মাইনে পান মাস গেলে চল্লিশ ডলার । মোটিভেশন কথা থেকে আসে ?
  • Binary | 226.126.202.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৪৯64516
  • আর কিউবা এমন কিছু আয়রন কার্টেন দেশ না , যা পূর্ব জার্মানি ছিল । বা নর্থ কোরিয়া এখন আছে । কিউবান রা ইচ্ছে করলে ড্যাংডেঙ্গিয়ে আমেরিকা চালান হয়ে আস্তে পারে চাইলে ।
  • dc | 57.15.4.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৫৮64494
  • কল্লোলবাবুর সাথে একদম একমত। আমি যেগুলো বল্লাম সেগুলো একেবারেই আমার ব্যাক্তিগত মতামত। আমি চাই আরও বেশী ইনকাম করতে যাতে আরও ভালোভাবে থাকতে পারি, আরও ভালো খাবার খেতে পারি, নানান দেশে ঘুরতে পারি, আর আমার পরবর্তী প্রজন্মর জন্য কিছু রেখে যেতে পারি। ধরুন আমি খুব ভালো ব্রিজ বানানোর কায়দা শিখলাম, কিন্তু তাতে খুব একটা আয়ের সুযোগ নেই, তো সেই ব্রিজ বানাতে আমার একটুও আগ্রহ থাকবে না। বা ভালো ডাক্তারি শিখলাম, কিন্তু ডাক্তারি করে মোটা টাকা ইনকাম না করতে পারলে হয়তো ঘর থেকেই বেরবো না। আবার বলি, এসবই আমার নিজের ওয়ার্ল্ড ভিউ। অন্যরা অন্যরকম ভাবতেই পারেন।

    তবে এছাড়াও আমি চাইব এমন কয়েকটা দেশ থাক যে দেশে বিল গেটস বা ল্যারি পেজ বা স্টিভ জবসের মতো গেম চেঞ্জিং লোকেরা মাল্টিবিলিওনেয়ার হয়, নতুন নতুন টেকনোলজি বা সিস্টেম তৈরি করে যেগুলোর সুযোগ নিয়ে আমি আমার মতো করে ইনকাম করার সুযোগ বের করে নিতে পারবো। কিউবা বা অগেকার সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো টোটাল স্টেট কন্ট্রোল সব দেশে এসে গেলে আর এই লেভেলের ইনোভেশান থাকবে না, সেটা আমি চাইনা। আমি মরে যাবার পর ক্যাপিটালিস্ট সিস্টেম ভেঙে পড়ুক, আমার যায় আসে না। আমি যদ্দিন ইনকাম করার মতো জায়গায় থাকবো তদ্দিন সমাজতন্ত্র না এলেই হলো (আবার বলি, এটা আমার মত)।
  • dc | 57.15.4.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:০১64495
  • "সমাজতন্ত্র নতুন মানুষ গড়ার কথা বলে"

    আমি যেহেতু এই নতুন মানুষদের দলে নেই, তাই যতোক্ষন আমি আরও বেশী করে ইনকাম করতে পারছি ততক্ষন আমি খুশী। আমার নিজের মতো করে ইনকাম করার অধিকার স্টেট কেড়ে নিতে এলেই সেটা আমার কাছে দুঃস্বপ্ন ঃ)
  • dc | 57.15.4.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:০৬64496
  • আর দেশ ভেঙে যাক, ছোট হোক, বড়ো হোক, আমার কিস্যু যায় আসে না। আমি যদি সুযোগ পাই তো এক্ষুনি ইন্ডিয়া ছেড়ে অন্য দেশে গিয়ে সেটল করতে পারি যেখানে আরও বেশী ইনকাম করার সুযোগ আছে। আমার ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়লে আর আমার ফ্যামিলি সুরক্ষিত থাকলেই আমি খুশী, দেশ টেশ নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেইকো।
  • Atoz | 161.141.85.8 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:০৯64497
  • আরে গবেষণা টবেষণা কীরকম হয় আর লেখালিখি কীরকম হয় সেই বিষয়ে কেউ দেখি কিছু বলে না! মানুষ কি শুধু খাবেদাবে আর বগল বাজাবে নাকি? এখানে বিয়ে ও কি স্টেট দিয়ে দেয়? বলা যায় না, হয়ত স্টেট বল্লো, "দ্যাখ ব্যাটা, তোর জন্য পাত্রী ঠিক করেছি, বিয়ে থা করে ছেলেপিলে পয়দা কর। "না" বলেছিস কি তুই আর নেই। "
    ঃ-)
  • rabaahuta | 132.172.220.60 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:১৭64517
  • গেজেট, কমোডিটি, আরাম, টাকা এইসবের বাইরেও তো মোটিভেশন হয়, আমাদের আশেপাশেও হয়, প্রখর ধনতান্ত্রিক দেশেও হয়, তবে এইরকম লোকজন সংখ্যালঘু। হতে পারে মানুষের মধ্যে এটা আছে, হতে পারে অনুকূল পরিবেশে সেটা সংস্কৃতি হয়ে যায়। আমাদের বিশ্বাস হতে চায়না, যেহেতু আমরা সেই সংস্কৃতিতে বিলং করি না।

    আরো বেশী টাকা পাবো না বলে জ্ঞান বিজ্ঞান শিল্প সাহিত্য চর্চা করবো না, লোকে কি আর সত্যিই এরকম ভাবে? মানুষের ইতিহাসে তো লোকে নানাবিধ বাটাম উপেক্ষা করে, আগুনে পুড়ে হেমলক খেয়েও জ্ঞানচর্চা করে গেছে।
  • Binary | 226.126.202.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:৪৫64518
  • @স্বাতী , কনসিউমারিসম মনে হয় পুরটাই প্রতিযোগিতামূলক । আমরা যে সমাজে বড়ো হয়েছি আর আছি তাতে একটা বাচ্চা জন্মানোর দিন থেকে কনসিউমারিসম এর টানে ভাসতে থাকে । আমার মনে হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন সমাজে কিউবায় এই প্রতিযোগিতাটাই সমূলে মেরে দেওয়া হয় । এর বটম লাইন ভালো কি খারাপ আর কতটা আজকের দুনিয়া সত্যি আমি জানি না । তবে ওই যে বললেন "মেয়েটির কি ইচ্ছে করে না হীরের কানের দুল পরার"। তার কিছুটা উত্তর আমি এরকমই বুঝেছি ।
  • dc | 116.208.67.186 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:০৪64519
  • আসলে আমি ম্যাসলো সাহেবের পিরামিডে একেবারে নীচু তলার বাসিন্দা। তাই আমার ফিনান্সিয়াল নীড এখনো মেটেনি, খালি টাকা রোজগারের কথাই ভাবি :p
  • sm | 52.110.147.87 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:০৪64498
  • কিন্তু, ডিসি আপনার প্রয়োজন ঠিক কতটুকু?
    আম্বানি, আদনি, গেটস, বেজস এদের প্রয়োজন কত টুকু?
    আপনি কতটুকু ধ ন সম্পদ রক্ষা এলাউ করবেন?
  • dc | 57.15.4.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:১১64499
  • আমার প্রয়োজন কতোটুকু, এটা ঠিক প্রশ্ন হলো না। প্রশ্ন হলো, আমার ক্ষমতা কতোটুকু? যদি আম্বানিদের মতো ক্ষমতা থাকতো তো ইয়ট কেনার কথা ভাবতাম, যদি বেজোসের মতো ক্ষমতা থাকতো তো স্পেসশিপ কেনার কথা ভাবতাম। আপাতত যেটুকু ক্ষমতা তাতে একটা গাড়ি কিনেই সন্তুষ্ট থাকি ঃ)
  • rabaahuta | 132.172.220.60 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:১৮64520
  • এইটা নেওয়া গেলনা। নীচুতলার বাসিন্দা হলে সরকারী নিশ্চয়তা নিয়ে আনন্দিত হওয়ার কথা ছিল; এ জগতে হায় - ইত্যাদিঃ)
  • rabaahuta | 132.172.220.60 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:২০64521
  • ম্যাসলো সাহেব অব্শ্য একটু উপেক্ষিত হলেন (আমার কমেন্টে); তবে খুব ভালো জানিও না।
  • শঙ্খ | 55.112.70.154 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:৩৫64500
  • ডিসিবাবুর দশটা ছত্রিশ বেশ মনে ধরলো।
  • কল্লোল | 233.227.124.145 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:০৫64501
  • ডিসি। ঐ যে বল্লেন "ফ্যামিলি সুরক্ষিত থাকলে" এটা বুঝলাম না। ফ্যামিলি সুরক্ষিত না থাকলেও যদি ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স বাড়ে তাতে আপনার কিছু এসে যায় কি? যদি না আসে যায় তো বুঝতে পারি, কিন্তু আসে গেলে বুঝতে পারি না। আপনি মারা যাবার পর ফ্যামিলির কি হবে না হবে তাই ভেবে আপনার নিদ্রার ব্যাঘাত ঘটে কি? যদি না ঘটে তো বুঝতে পারি, যদি ঘটে তো বুঝতে পারি না।
  • স্বাতী রায় | 127.194.43.124 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫৮64503
  • বাইনারী লেখাটা শেষ গেল এত তাড়াতাড়ি! যে মেয়েটি বলল কিঊবা ক্লাস লেস সোসাইটি, তার কি শখ হয় কানে হীরের দুল ঝোলাতে? ... আরো পড়তে চাইছিলাম যে! আরেকটু লেখা হোক।
  • PT | 213.110.242.25 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫৮64502
  • "`আর দেশ ভেঙে যাক,.....আমার কিস্যু যায় আসে না। ....... আমার ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়লে আর আমার ফ্যামিলি সুরক্ষিত থাকলেই আমি খুশী, দেশ টেশ নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেইকো।"

    কোন বাঙালী এ কথা লিখলে আশ্চর্য লাগে।
    এই তো মাত্তর সেদিন, দেশ ভাগ হলো আর দেশ না থাকার বা ভেঙে ছোট হওয়ার জন্যে কতো ফ্যামিলির হাই ইনকাম ঝড়া পাতার মত উড়ে গিয়ে ফ্যামিলিগুলো কপ্পুরের মত উবে গেল!!!
  • dc | 57.15.4.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৪১64504
  • "ফ্যামিলি সুরক্ষিত থাকা" আর "ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়া", দুটোই আমার কাছে সমান প্রায়োরিটি। আমি মরে যাওয়ার পর আমার পরিবারের কি হবে সে চিন্তা তো হয়ই, ইন ফ্যাক্ট সেই কারনেই আমি বিজেপি বিরোধিতা করি। কারন আমার মনে হয় আরেসেস যদি দেশটাকে ফান্ডামেন্টালিস্ট হিন্দু মেজরিটারিয়ানিজমের দিকে ঠেলে দেয় তাহলে আমার মেয়ের বড়ো হয়ে সেরকম দেশে থাকতে অসুবিধে হবে। অবশ্য তদ্দিনে যদি মেয়ে অন্য কোন দেশে গিয়ে সেটল করে তো এই চিন্তা থাকবে না।

    পিটিদা ঠিক বলেছেন, দেশ ভাগ টাগ হতে গিয়ে যদি আনস্টেবল সিচুয়েশান তৈরি হয় তাহলে সেটার বিরোধিতা করবো। তবে দেখুন, আজকাল দুয়েক জায়গায় খবরে পড়ি দক্ষিন ভারত নাকি উত্তর ভারতের থেকে তুলনায় একটু ভালো অবস্থায় আছে, কাজেই দক্ষিন ভারত আলাদা হয়ে গেলে নাকি ভালোই করবে। সেরকম কিছু হলে আমার আপত্তি নেই, আমি তো এমনিতেও চেন্নাইতে সেটলড, তো শান্তিপূর্ণভাবে যদি দক্ষিন ভারত আলাদা হয়ে যায় তো আমার আপত্তি নেই।
  • avi | 57.11.10.17 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৪৩64505
  • উত্তর দক্ষিণ ভাগ হলে বাংলাটা বোধ হয় উত্তরেই যাবে, না? শিলিগুড়ি তো নির্ঘাত। মুশকিল।
  • dc | 57.15.4.98 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৫২64506
  • নাতো, পুরো পবই তো উত্তর ভারতে যাবে মনে হয়!
  • Atoz | 161.141.85.8 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:১৪64507
  • উত্তর দক্ষিণ আলাদা হয়ে যাবে নাকি, অ্যাঁ, বলেন কী?
  • avi | 57.11.10.90 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ১১:১৮64522
  • মাসলো সাহেব এমনিতেই যথেষ্ট ঘাঁটা কনসেপ্ট রেখেছেন পিরামিডের মধ্যে।
  • ইউটোপিয়ান মডেল | 195.72.244.24 (*) | ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ১২:০৪64508
  • তার চেয়ে ইনকাম/ওয়েল্থ এর একটা সিলিং তৈরি হোক। সবচেয়ে নীচে ন্যাশনাল অ্যাভারেজ/পভার্টিলেভেল কোনোএকটা বেজ হিসেবে ধরে নিয়ে প্রতিষ্ঠানর সবচেয়ে কম বেতনভোগী কর্মচারীর তুলনায় একটা x গুণ (ধরাযাক ৫, ১০, ১৫ গুণ) বেশি বেতন সবচেয়ে বেশী কর্মচারী বেতনভোগী কর্মচারীটির জন্য এলাউ হোক।

    ওভাবে একটা বেসলেভেল ওয়েলথ ধরে মানুষের বিজনেস ওনারশিপ/সেভিংস/স্টকবন্ড/রিয়েলএস্টেট/আর্টঅবজেক্ট, জুয়েলরি, প্রেশাস মেটাল, জেমস/পার্সোনাল ট্রান্সপোর্ট এইসবকিছুর নেট এমাউন্টের একটা আপার লিমিট থাকুক। ধরাযাক/ ২, ৫, ৭ কোটি টাকা।

    যেহেতু ইনফ্লেশন একটা রিয়েলিটি, ইনকাম-ওয়েলথ সিলিং ও প্রত্যেক বছর একটু একটু করে বেড়ে যেতে থাকবে।

    এখন কারও ওয়েলথ ম্যক্সিমান এলাওয়েবল লিমিট ছাড়িয়ে গেলে কী হবে? সরকার বাজেয়াপ্ত করতে পারে, বা সেই ব্যক্তির স্বাধীনতা থাকবে তিনি ওটা দান করে দিতে পারেন :)

    ব্যক্তি মালিকানা থাকুক। মাইক্রো-স্মল স্কেল ক্যাপিটালিজম থাকুক। সুপার একিউমুলেশন ক্যাপিটাল না ঘটুক।

    :) :) আলোচোনা হৌক!
  • hu | 83.58.28.165 (*) | ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:৪৩64524
  • আমার অ্যাডভাইসার সেদিন ভাঙনের আগের সোভিয়েত ইউনিয়নের কোন একটি জুতোর দোকানের গল্প করছিলেন। সব রকম সাইজের জুতো পাওয়া যাবে। তবে স্টাইল মোটে তিনটি। ইশকুলের যত ছেলেমেয়ে, বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা যত যাত্রী সবার পায়ে হয় জুতো ক, বা জুতো খ, অথবা জুতো গ। আমার মনে হল জুতোর দোকানে কি শাড়ীর দোকানে গিয়ে মোটে তিনটি চয়েস পেলে আমি সাঙ্ঘাতিক দুঃখ পাবো। কাজাখস্থানে থাকাকালীন এক প্রৌঢ় প্রফেসরের মুখে সরকারী আধিকারিককে ঘুষ দিয়ে লুকিয়ে ক্যভিয়ার আনানোর গল্পও শুনেছিলাম। এমন আমাদের দেশে হলে নৈতিকতার জালে আটকে ইলিশমাছের স্বাদ নেওয়া হত না এ জীবনে। বহু মানুষের জীবনই ইলিশের স্বাদ না নিয়েই কেটে গেছে জানি। তবু সারামাস আধপেটা খেয়ে টাকা বাঁচিয়েও ঘুষ না দিয়ে ইলিশ খাওয়া যাবে না এমনটা বোধহয় পছন্দ হতনা। কিউবায় মানুষ হয়ত বা অন্যরকম। কনজিউমারিজমের প্রতি আকর্ষণ তাদের মন থেকে হয়তো বা সত্যিই মুছে গেছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙা কয়েকটি দেশের মানুষের সাথে কথা বলে আমি কিন্তু এমনটা দেখিনি। বরং ব্র্যান্ডেড জামা-কাপড়-জুতোর প্রতি তাদের অতিরিক্ত টানই চোখে পড়েছে।
  • Ishan | 183.24.110.20 (*) | ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ ০২:০৬64525
  • ডিসি। ব্যব্সাবাণিজ্য স্টেট কন্ট্রোলড ইকনমিতে করা সম্ভব না, এটা সর্বতোভাবে ঠিক না। রাষ্ট্র কতটা নিয়ন্ত্রণ করছে তার উপর নির্ভর করছে। ইনফর্মাল সেক্টরে তো একেবারেই সম্ভব না।

    কিউবার কথা বিশেষ জানিনা। তবে সমাজ্তন্ত্রের যেদুটি দৈত্য ছিল, রাশিয়া এবং চিন, তারা কেউই শুরুতে বৃহৎ শিল্প বাদে আর কিছুকে সরকারিকরণ করেনি। সোভিয়েতের গপ্পোটাই বলি। সোভিয়েতে ১৯১৭ সালে বিপ্লব হল। তারপর গৃহযুদ্ধ, বহিঃশত্রুর আক্রমণ ইত্যাদি। অর্থাৎ আপৎকালীন জরুরি অবস্থা, লেনিন যাকে বলেছিলেন ওয়ার কমিউনিজম। তখন কৃষকদের কাছ থেকে ফসল বাজেয়াপ্ত করা হত। ফলে গুচ্ছের কৃষক বিদ্রোহ, আন্দোলন, ক্রনস্টাড বিদ্রোহ ইত্যাদি। এ চলল ১৯২১ পর্যন্ত। যুদ্ধবিগ্রহ মেটার পরে নতুন অর্থনৈতিক নীতি নেওয়া হল, যার নাম নেপ। কৃষকদের নিজের মতো করে চাষবাস, কৃষিজাত পণ্যের ব্যবসা করার সম্পূর্ণ অধিকার দেওয়া হল।সাধারণভাবে ব্যবসাবাণিজ্যেরও অধিকার দেওয়া হল লোকজনকে।

    এইবার এইটায় ক্লাসিক তৃতীয় বিশ্ব সিনড্রোম দেখা দিল। সোভিয়েতে যেটা কাঁচি সমস্যা বলে বিখ্যাত। দেখা গেল চাষীরা চাষবাস ঠিকই করছে, কৃষি উৎপাদন বাড়ছে। লোকে ব্যব্সাবাণিজ্যও করছে, করে বড়লোকও হচ্ছে (এই উঠতি বড়লোক শ্রেণীকে বলা হত নেপম্যান), কিন্তু কোর সেক্টরে এবং ভোগ্যপণ্যে উৎপাদন বাড়ছেনা। প্রচুর ফড়ে তৈরি হয়েছে শুধু, যারা মূলত দালালি করে বড়লোক হচ্ছে। ফলে ফসলের দাম ক্রমশ কমছে, আর ভোগ্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া হচ্ছে (তূলনামূলক ভাবে)।

    এইটা, গরীব দেশের একটা স্টিরিওটাইপড সমস্যা, যে মার্কেট খুলে দিলেও কোর সেক্টরে বিনিয়োগ হয়না। কারণ ক্লাসিক ডিমান্ড সাপ্লাই কার্ভে ধরে নেওয়া হয়, যে পুঁজির যোগান অনন্ত, যেটা বাস্তবে হয়না। গরীব দেশে পুঁজি এমনিতেই কম। এইটার সমাধানের জন্য রাশিয়ায় কোর সেক্টর, ভোগ্যপণ্য সবেতেই সরকারি পুঁজি একচেটিয়া ব্যবসা শুরু করতে বাধ্য হয়। এই পথটা নিয়ে স্তালিন আর ত্রৎস্কির তীব্র দ্বিমত ছিল। ত্রৎস্কি চেয়েছিলেন, কোর সেক্টর এবং ভোগ্যওপণ্যে একটু ব্যালেন্স করে বিনিয়োগ। স্তালিনের জোর ছিল স্রেফ কোর সেক্টরে। আগে ওইটা হবে, তারপ্র বাকি সব। স্তালিনের নীতি থেকেই বাকি তৃতীয় বিশ্ব থেকে সোভিয়েত আলাদা হয়ে যায়। অন্য তৃতীয় বিশ্ব হলে ওই প্রথম দুর্ভিক্ষের পরে অর্থনীতির অধোগমন শুরু হত, যেমন বহু দেশে হয়েছে, শেষ হত পভার্টি ট্র্যাপে। স্তালিনের নীতির ফলে সোভিয়েতে আরও গোটা দুই দুর্ভিক্ষ হয় ঠিকই, কিন্তু তার পরে ১৯৩৪ সাল নাগাদ বিষয়টা সুস্থির হয়। ত্রৎস্কির প্রস্তাবিত নীতি স্তালিনের চেয়ে ভালো ছিল মনে হয় এখন, পিছনে ঘুরে দেখলে।

    তো, সে যাই হোক, পয়েন্ট হল, সোভিয়েতে সমস্ত সেক্টরের সরকরীকরণ, অনেকটাই পরিস্থিতির ফসল। বাজারের ফেলিওরের জন্য। চিনেও গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড, ওই একই কারণে। এগুলোর অবশ্য নানা রাজনৈতিক ব্যাখ্যাও আছে, সে বাদ দিলাম।

    গোটা বিংশ শতকে বাকি কোনো তৃতীয় বিশ্বের দেশ, নিজের বাজারের উপর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, এরা পেরেছে, সেটার কারণ উঁজি নয়। বিরাট মার্কিন সাহায্য। এদের আমেরিকা শোকেস করতে চেয়েছিল, পেরেওছে। যেভাবে গোটা ইউরোপ এবং জাপানকে ঘুরে দাঁড় করাতে পেরেছে মার্শাল প্ল্যানের দৌলতে। কিন্তু মার্শাল প্ল্যান আর যাইহোক বাজার অর্থনীতি না। এখনও পর্যন্ত একটাও উদাহরণ নেই দুনিয়ায়, যেখানে উপনিবেশ অথবা বাইরের বিপুল অর্থসাহায্য ছাড়া কোনো দেশ উন্নত হয়েছে। কিচুটা ব্যতিক্রম একমাত্র প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগের জার্মানি। আর কেউ নেই। বেসিকালি বাজরে একটা পজিটিভ ফিডব্যাক লুপ তৈরি করতে গেলে বিরাট পুঁজির প্রয়োজন হয়, যেটা লুঠতরাজ করেই হোক, সাহায্য নিয়েই হোক, না পেলে উন্নতি অসম্ভব। বাজার নিজে নিজে উন্নতি করতে পারেনা। মানে পারে যে, এরকম কোনো উদাহরণ নেই।

    রাশিয়ার লেনিন মনে হয়না। প্রাচুর্যের শিখরে থাকলে যে যেমন খুশি কাজ করবে, কেউ সোয়েটার বুনে বেচবে, কেউ কম্পিউটার গেম বানিয়ে, এতে বিশেষ আপত্তি করতেন। এটা অবশ্য কাল্পনিক সিচুয়েশন বল্লাম, কারণ উন্নত কোনো দেশে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু হতে এখনও আমরা দেখিনি। কিন্তু সাধারণজ্ঞান এই বলে, যে, বাজার নামক মেকানিজমটিকে প্রয়োজনে টুকটাক কাজে না লাগানোর মতো গাঁট বোধহয় কেউ না। মনোপলি বা বৃহৎ শিল্প হলে অন্য কথা।
  • Ishan | 183.24.110.20 (*) | ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ ০২:১৫64526
  • ওই তো হু যেটা লিখেচে, সে হল একদম স্তালিনের নীতির হাতে হাতে প্রমাণ। তিনি পরিকাঠামো বানাতে এমনকি ফোর্ড, ক্যাটারপিলার এইসব আমেরিকান দৈত্যদের ডেকে এনেছিলেন। কিন্তু ভোগ্যপ্ণ্য বানাতে চাইতেন না। এমনকি ফোর্ডও গাড়ি বানাতোনা, অটোমেশনে সাহায্য করত। সোভিয়েতের মোটগাড়ি বহুকাল প্রাগৈতিহাসিক যুগে পড়ে ছিল। কাগজের মান ছিল খুব খারাপ। খাবার দাবার, জামাকাপড়, পরিমানে কম, মাপে-স্টাইলে খুব খারাপ। অথচ ইস্পাত খুব ভালো। রেলগাড়ির নেটওয়ার্ক খুব ভালো। কৃত্রিম উপগ্রহ খুব ভালো। এমনকি আমেরিকান ডিসাইন ঝেঁপে টেপে হলেও ট্যাঙ্ক, উড়োজাহাজ, এসবও অতি চমৎকার।

    অবশ্য পুরোটাই স্তালিনের জন্য না। দেশীয় পুঁজির অভাব, বাইরের চাপ, দুইখান বিশ্বযুদ্ধের ঝাপটা, সবই এর জন্য দায়ী। স্তালিন চাষাদের না খাইয়ে পুঁজি জোগাড় করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। বহুলাংশে সফলও হয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও, মোট কথা তৃতীয় বিশ্বের ভবিতব্যকে সোভিয়েত অতিক্রম করেছিল, কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বের ভবিতব্যকে টপকাতে পারেনি। দুনিয়ায় প্রথম হতেই হবে, কোনো কনসোলেশন প্রাইজ নেই। :-)
  • dc | 57.15.28.240 (*) | ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:২৬64527
  • কল্লোলবাবু, ভেবে দেখলাম আমার পরিবার প্রথম প্রায়োরিটি, মানে টাকার দরকারও ঐ ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার জন্য। কিন্তু এখানে কয়েকখান কথা আছে ঃ) আমার পরিবারকে নিয়ে নানান জায়গায় ঘুরতে ভাল্লাগে, ভালো খেতে ভাল্লাগে, দুয়েকটা বাড়ি বা গাড়ি কিনতে ভাল্লাগে। ভারত সরকার বা যে কোন সরকার যদি একটা ব্যাংক গ্যারান্টি লিখে দেয় আর এসবের খরচ দিয়ে দেয় তবে আমি নিশ্চিন্তে কবিতা লিখতে বসে যাব (আরো কিছু এক্স্ট্রা দিলে এমনকি কবিতাও লিখব না, গ্যারান্টি)।
  • dc | 57.15.43.71 (*) | ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:৪৩64546
  • কল্লোলবাবু, তা তো হতেই পারে। আমি যথেষ্ট লোভী আর স্বার্থপর, কাজেই অন্যের চেয়ে ভালো থাকার ইচ্ছে আমার মধ্যে থাকার সম্ভাবনা খুব বেশী।

    পিটিদা সঠিক প্রশ্ন করেছেন। এতো এতো বছরেও ভারতীয়রা ভারতে থেকে কেন ইনোভেশান ড্রাইভার হতে পারলো না? অথচ বিদেশের নানান কোম্পানিতে সিএক্সও লেভেলে ভারতীয়র ছড়াছড়ি, ইন্দ্রা নুয়ি, সত্য নাদেলা, রজীব বাগ্গা, কতো নাম। অবশ্য একটা আর্টিকলে পড়েছিলাম যে যেসব ভারতীয় বিদেশে যান তারা প্রায় সকলেই ট্রিপল সিলেক্টেড, তারা তো সফল হবেনই। তাও আমার মনে হয় এটা নিয়ে আরো লেখালেখি হওয়া উচিত। ভারতে এমপাওয়ারিং এনভায়রনমেন্ট কেন তৈরি করা যায় না?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন