• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এলেবেলে | 2345.110.891223.14 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:১৪50373
  • হা হতোস্মি! শুধু ইমির জন্য গাদাগুচ্ছের চাকরি পায় বুঝি সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা? পাঠ্যক্রম কোনও ব্যাপারই নয় তাহলে? সাউথ পয়েন্ট এবং গোখেল মেমোরিয়াল তাদের জন্মলগ্ন থেকে ইমি কিন্তু বামির পাঠ্যক্রম ছিল এই সেদিন অবধি। তারা হঠাৎ বিলকুল সিবিএসই হয়ে গেল কেন? আইসিএসসি এবং সিবিএসই-র মধ্যে 'তুই বিড়াল না মুই বিড়াল' প্রতিযোগিতা কেন?

    প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরও তো...
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:৪৯50361
  • রিভুর উত্তর দেখে আমার একটা গপ্পো মনে পড়লো।
    এক চরম বৈষ্ণব পরিবারের বাবা আবিষ্কার করলেন,তার একমাত্র সন্তান হোটেলে মটন বিরিয়ানি আর চিকেন চাঁপ সাজিয়ে বসেছে।
    বাবা তো অগ্নিশর্মা।আমার ছেলে হয়ে তুই হোটেলে মুরগি,মটন সাঁটাচ্ছিস?লজ্জা করে না?আমার বাড়িতে নিত্য নারায়ণ সেবা হয়,পিঁয়াজ অবধি ঢোকে না--
    তুই ,তুই বৈষ্ণব?
    ছেলে কাঁচু মাচু করে বললো, হ্যাঁ আমি বৈষ্ণব,আম্মো নিরামিষ খেতে চাই।
    কিন্তু আমার তিনটি শর্ত আছে।
    এক,রান্নার টেস্ট যেন ভালো হয়।দুই,যখন খিদে পাবে তখন যেন খাবার রেডি থাকে আর তিন,খাওয়ার পর যেন গ্যাস অম্বল না হয়।
    কিন্তু তোমার বাড়িতে বাঁধাকপি,চচ্চড়ি, ঘন্ট এসবের টেস্ট পানসে।
    নারায়ণ সেবার পর খাবার পেতে বেজায় দেরী হয়।
    আর,মুরগি মটন খেলে গ্যাস অম্বল এর বালাই থাকে না।
    কিন্তু আমি পরম বৈষ্ণব।এই দেখো, হোটেলে খাবার আগে প্লেটে দু ফোঁটা গঙ্গাজল আর তুলসী পাতা ছুঁইয়ে দিয়েছি।
    এবার বলো,আমি--
    বাবা,হুববা!
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ১০:০৮50362
  • এলেবেলে,আপনার আজকালের লিংক থেকে-
    একাংশ অভিভাবকদের মধ্যে ছেলেমেয়েদের ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ানোর একটা ঝোঁক তৈরি হয়েছে। দিনদিন এই প্রবণতা বাড়ছে। যে কারণে রাজ্যে আইসিএসই, সিবিএসই বোর্ডের স্কুলগুলির রমরমাও বেড়েছে। পড়ুয়ার অভাবে রাজ্যের স্কুলগুলি যেখানে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেখানে এই স্কুলগুলিতে ভিড় বাড়ছে। এই প্রবণতা লক্ষ্য করেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুল খোলার কথা ভাবা হয়েছে বলে দপ্তর সূত্রে খবর।-))
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ১০:১১50363
  • বিদ্যালয় আছে, নেই পড়ুয়া বন্ধ হতে চলেছে রাজ্যের রাজধানী কলকাতায় প্রায় ৭৫টি বিদ্যালয়। তবে বন্ধ কেন হচ্ছে প্রশ্ন জাগছে সকলের মনে। তবে কলকাতা শ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় যে ভাবে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল গুলি ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে তার ফল স্বরূপ বন্ধ হচ্ছে কলকাতা সহ রাজ্যের সরকারি বাংলা মাধ্যম স্কুল গুলো।
    স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে বলা হয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার স্কুলের ব্যাপারে স্কুল বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আর বলা হয়েছে যে, এলাকায় বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলিতে পড়ুয়াদের ভর্তি করা হচ্ছে যার কারণে সরকারি স্কুল গুলোতে দিন দিন পড়ুয়ার সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

    তবে জানা যায় কলকাতায় সমস্যাটা ব্যাপক আকার নিয়েছে। রাজ্যের অন্যত্র ছবিটা তুলনামূলকভাবে কম ভয়াবহ। শহরের রয়েছে কোনো কোনো স্কুলে রয়েছে তিন-চার জন ছাত্র আবার কোনো কোনো স্কুলে ছাত্র নেই বললেই চলে। শিক্ষকরা সময়ে স্কুল যায় আবার দিন ফুরোলেই শিক্ষরা বাড়ি ফিরে আসেন।
    --
    আপনার আর একটা কাগজের লিংক থেকে। মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:১৭50374
  • রিভু আমার আগের দেওয়া দুটো লিংক থেকে,
    English language as a medium of instruction seems to be the prime reason for students getting expelled in their first year at premier engineering institutes such as the Indian Institutes of Technology, and about 1% of them have been expelled due to poor performance every year at leading IITs — Kanpur, Delhi, Guwahati, Kharagpur, Varanasi and Roorkee.

    This year, close to 30 students have been expelled for four years at IIT Kanpur (out of 3,000 students), 12 at IIT Delhi (out of 850 stud ..

    Many students who are non-performers face trouble as most of their school education had been in Hindi medium. From class lectures to books at IITs, all are in English, and hence there’s a gap in understanding,” said IIT Kanpur, dean-academic affairs, Neeraj Misra. IIT Kanpur identified this problem a few years ago and has put in place an English diagnostic টেস্ট\

    Admitting that students from a Hindi background have trouble understanding subjects taught in English, IIT-Delhi director V Ramgopal Rao said: “If they don’t grasp the basic concept, they face difficulties in exams. Hence, we have formed a support system, through which staffers of our Hindi cells explain the subject to them. We have launched it for first-year students.”

    IIT authorities are setting up a support system to ensure that study material — otherwise taught in English — is put across in a way that students from Hindi-medium schools can understand. The institutes are using their Hindi cells, which handle administrative work such as translating texts and organising seminars, to assist them.
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩১50375
  • এলেবেলে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে ক্লান্ত। আমার মনে হয় নিজের দেওয়া লিংক নিজেই ভালো করে পড়েন নি।তাই আগের পোস্টে আপনার দেওয়াই দুটো লিংক উধৃত করে দিয়েছিলাম। সেলফ এক্সপেনটোরী।
    বিশেষত আজকালের লিংক টি।কেন রাজ্য সরকার ইমি তে আগ্রহী এবং রাজ্যে একটি ইমির ডিমান্ড রয়েছে কিনা!

    ------
    --একাংশ অভিভাবকদের মধ্যে ছেলেমেয়েদের ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ানোর একটা ঝোঁক তৈরি হয়েছে। দিনদিন এই প্রবণতা বাড়ছে। যে কারণে রাজ্যে আইসিএসই, সিবিএসই বোর্ডের স্কুলগুলির রমরমাও বেড়েছে। পড়ুয়ার অভাবে রাজ্যের স্কুলগুলি যেখানে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেখানে এই স্কুলগুলিতে ভিড় বাড়ছে। এই প্রবণতা লক্ষ্য করেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুল খোলার কথা ভাবা হয়েছে বলে দপ্তর সূত্রে খবর।-))

    এ প্রসঙ্গে আর বাকবিতন্ডা করে কি লাভ!

    ---
    এর পরে আসি ইমি তে পড়ার সুবিধা।গত বারে NIT পরীক্ষায় বেঙ্গলি মিডিয়ামের পারফর্মেন্স ছিল শোচনীয়।
    আর একটা লিংক দিচ্ছি।

    An analysis of JEE results also showed that students who took the examinations in English performed much better than their Hindi-medium counterparts. For instance, while the success percentage of English-medium students who appeared for the Advanced exam in 2016 was 24%, only 15% who picked the Hindi option made it through.
  • PT | 340123.110.234523.20 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:০১50376
  • এই আলোচনাতে বাবা-মায়ের রোজগারটাও জুড়ুন। অর্থাৎ কিনা কোচিং-এর জন্য খরচ করার কার কত সামর্থ। তাহলে ছবিটা আরো পরিষ্কার হবে।
    প্রতি বছর IIT-র ফাইনাল রেসাল্ট বেরোনোর পরে সেনেটে পরিবারের আয় নিয়েও বক্তব্য রাখা হয়।
  • রিভু | 450112.191.564523.191 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৫২50377
  • এসএম, আমি আপনি একই লিংক থেকে কথা বলছি, সুতরাং লিংক টা তে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন আইআইটির লোকজন বিভিন্ন কথা বলছেন। ইংরেজি বোঝার অভাব একটা কারণ, সেটাই প্রাইমারি কারণ সবাই বলছেন না।

    ইন্টারেস্টিংলি স্টাডিটা আইআইটি র্যাঙ্কের জন্যে কন্ট্রোল করেনি, যেটা ফার্স্ট ইয়ারের পরীক্ষার রেজাল্টের সবচেয়ে বড়ো ফ্যাক্টর।
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৫৪50378
  • পিটি,এই টা আপনি ঠিক বলেছেন।পয়সাওয়ালা মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত অধিকাংশই ইমি তে ছেলে পিলেদের পড়ায়।সহমত।
    তাদের এফোর্ড করার ক্ষমতা বেশি। একটা কারণ,তারা এক্সট্রা কোচিং দিতে পারে।
    তাহলে কি ধরে নিতে পারি,ইমি তে পড়া স্টুডেন্ট ,কোচিং নিলে বেটার পারফর্ম করে।তাইতো?
    অর্থাৎ সাকসেস এর পিছনে কোচিং ক্লাস এরও একটা ভূমিকা রয়েছে।
    দুই,ইমি তে পড়লে অন্তত উচ্চশিক্ষায় বোঝাপড়ায় সুবিধে হয়।আমার আই আই টি সম্পর্কিত লিংক টি দেখা যেতে পারে।
    তিন নম্বর রইলো প্রাইভেট ফার্মে চাকরিতে সুবিধা।সেটার জন্য তথ্য লাগবে।কেউ দিলে বাধিত হবো।
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:০৭50379
  • মোটামুটি ভাবে যা বোঝা গেলো হিন্দি মিডিয়ামের কিছুস্টুডেন্ট এক্সপেল্ড হন,প্রতিবছর।সংখ্যাটি চোখে পড়ার মতন।
    আর একটি তে লেখা আছে স্পেশাল হিন্দি সেল গঠন করা হয়েছে এমনকি টেক্সট ট্রান্সলেট করার ব্যবস্থা হয়েছে।
    এটা মানবেন তো, আই আই টি টে পাওয়া ,সুপার ব্রিলিয়ান্ট ছেলেদের জন্য কতৃপক্ষ কে টেক্সট ট্রান্সলেট করার মতন পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে!
    যদি ল্যাঙ্গুয়েজ বেরিয়ার মুখ্য কারণ না হতো তাহলে সাবস্টানশিয়াল নাম্বার অফ স্টুডেন্টস ফ্রম ইমি ও প্রতিবছর অকৃতকার্য হতো।
    এটা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার ব্যাপার তো নয়।
    ল্যাঙ্গুয়েজ বেরিয়ার বেশ টাফ জিনিষ।এটাকে না লুকিয়ে জলদি এড্রেস করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
    শুনিতো ভারতীয়রা, ইংলিশ স্পিকিং কান্ট্রি গুলোতে আই টি সেক্টরে বেশি জব পায় কারণ তাদের ইংলিশ স্পিকিং ও আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর ক্ষমতা অন্য দেশ গুলোর চাইতে বেশি বলে।এজন্যই নাকি চীনের লোকজন তেড়ে ফুঁড়ে ইংলিশ শিখছে,স্কুল লেভেল থেকে।
  • এলেবেলে | 2345.110.561223.104 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:১৯50380
  • নিটপিকিং যদি কেউ করতে চান তো এসেমের কাছে ক্র্যাশ কোর্স করুন!

    ১. "বিদ্যালয় আছে, নেই পড়ুয়া বন্ধ হতে চলেছে রাজ্যের রাজধানী কলকাতায় প্রায় ৭৫টি বিদ্যালয়। তবে বন্ধ কেন হচ্ছে প্রশ্ন জাগছে সকলের মনে। তবে কলকাতা শ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় যে ভাবে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল গুলি ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে তার ফল স্বরূপ বন্ধ হচ্ছে কলকাতা সহ রাজ্যের সরকারি বাংলা মাধ্যম স্কুল গুলো।" কেউ তথ্য যাচাই করে দেখেছেন এই ৭৫টা স্কুলের মধ্যে কলকাতার স্কুল ক'টা আর মফস্‌সলের স্কুল ক'টা? যাচাই না করেই খবরের এই অংশটা বিশ্বাস করা হচ্ছে 'ফল স্বরূপ বন্ধ হচ্ছে কলকাতা সহ রাজ্যের সরকারি বাংলা মাধ্যম স্কুল গুলো'? যে স্কুলে ছাত্রসংখ্যা ১০০র নীচে, বন্ধ করা হচ্ছে সেগুলোই যার অধিকাংশই কলকাতার। কলকাতার ক্ষেত্রে ইমি অবশ্যই বড় কারণ কিন্তু মফস্‌সলের ক্ষেত্রে তা এখনও প্রযোজ্য নয়। কারণ ওই খবরেই রয়েছে "তবে জানা যায় কলকাতায় সমস্যাটা ব্যাপক আকার নিয়েছে। রাজ্যের অন্যত্র ছবিটা তুলনামূলকভাবে কম ভয়াবহ। শহরের রয়েছে কোনো কোনো স্কুলে রয়েছে তিন-চার জন ছাত্র আবার কোনো কোনো স্কুলে ছাত্র নেই বললেই চলে। শিক্ষকরা সময়ে স্কুল যায় আবার দিন ফুরোলেই শিক্ষরা বাড়ি ফিরে আসেন।"

    ২. "এই প্রবণতা লক্ষ্য করেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুল খোলার কথা ভাবা হয়েছে বলে দপ্তর সূত্রে খবর।" ঢাল নেই তরোয়াল নেই নিধিরাম সর্দার! কাদের নিয়ে খোলা হচ্ছে ওই ইংরেজি মাধ্যম স্কুল? না "বাংলা মাধ্যমের সঙ্গে এই স্কুলগুলিতে ইংরেজি মাধ্যমের একটি করে ‘‌ইউনিট’‌ চালু হবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ অর্থাৎ ২০১৯ সাল থেকেই পঠনপাঠন শুরুর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপাতত কলকাতার ১০০টি স্কুলকেই নিয়ে শুরু হচ্ছে। পরে জেলার বাছাই করা স্কুলগুলিতেও চালু করা হবে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে বলে আপাতত এই স্কুলগুলিতে চুক্তির ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলেও প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে।'' বোঝো কাণ্ড! চুক্তিশিক্ষকেরা সামলাবেন এই গুরুদায়িত্ব!! যেহেতু স্কুলগুলিতে বামিও থাকবে সে কারণে তাঁদের পড়াতে হবে দুই মাধ্যমেই। অর্থাৎ একই বিষয় দিনে দু'বার। রাজ্য সরকার ঁদের দেবে কত? আড়াই হাজার! একেই বলে 'কঠোর বিকল্পের পরিশ্রম নেই'!!!

    অবিশ্যি আজকালের 'সূত্রের' খবরই যদি বেদবাক্যি হয় তবে সব সংবাদই সেলফ এক্সপ্ল্যানেটরি লাগতেই পারে!
  • রিভু | 450112.191.564523.191 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪২50381
  • ডেটা নিয়ে এমন ফুটবল খেলা সচরাচর দেখা যায়না।

    "মোটামুটি ভাবে যা বোঝা গেলো হিন্দি মিডিয়ামের কিছুস্টুডেন্ট এক্সপেল্ড হন,প্রতিবছর।সংখ্যাটি চোখে পড়ার মতন।", তারপরে, "যদি ল্যাঙ্গুয়েজ বেরিয়ার মুখ্য কারণ না হতো তাহলে সাবস্টানশিয়াল নাম্বার অফ স্টুডেন্টস ফ্রম ইমি ও প্রতিবছর অকৃতকার্য হতো।": প্রথমতঃ, ইমির স্টুডেন্ট দের সংখ্যা কোথায় লেখা আছে? দ্বিতীয়ত:, স্টাডিটা আইআইটি র্যাঙ্কের জন্যে কন্ট্রোল করা নয়, যেটা ফার্স্ট ইয়ারের রেজাল্টের সবচেয়ে বড়ো প্রেডিক্টর। এই নয় যে এসএম সমস্যাটা দেখতে পাচ্ছেননা, সুইপিং স্টেটমেন্ট দেওয়ার তাগিদে কনভিনিয়েন্টলি ইগনোর করছেন।

    "আর একটি তে লেখা আছে স্পেশাল হিন্দি সেল গঠন করা হয়েছে এমনকি টেক্সট ট্রান্সলেট করার ব্যবস্থা হয়েছে। এটা মানবেন তো, আই আই টি টে পাওয়া ,সুপার ব্রিলিয়ান্ট ছেলেদের জন্য কতৃপক্ষ কে টেক্সট ট্রান্সলেট করার মতন পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে!" যদি টেক্সট ট্রান্সলেট করা হয়, তাতে সমস্যা দেখিনা। সিনিয়রদের দিয়ে মেন্টরিং করানো হচ্ছে, টিচাররা স্পেশাল ক্লাস নিচ্ছেন সেসবও লেখা আছে।

    সমস্যা এখানে নয় যে হিন্দি/বাংলা মিডিয়ামে পড়ার জন্যে ছাত্রদের অসুবিধে হচ্ছে, সমস্যা এখানে যে এই মিডিয়ামগুলিতে যারা যাচ্ছে অন এভারেজ তারা বেটার ট্রেন্ড। এই গ্যাপটা, ইনকাম ইনিকুয়ালিটির মতো তরতরিয়ে বাড়তেই থাকছে ।
  • sm | 2345.110.783412.180 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪২50382
  • আরে লিংক টা তো আপনি ই দিয়েছিলেন আক্ষেপ করছিলেন, কেউ পড়ে না বলে। আমি ওটি উদ্ধৃত করে দিলাম মাত্র।
    আমার পোস্টে আমি ও উল্লেখ করেছিলাম কলকাতার থেকে জেলা গুলির চিত্র অনেক কম ভয়াবহ।
    অবশ্যি জেলা,গ্রাম বা মফস্বলে ইমির সংখ্যা কম।অনেক স্কুল সিবিএসির ফুল এফিলিয়েশন পায় নি।
    অনেক পরিবারের উপার্জন ও কম। এই রকম নানাবিধ কারণ রয়েছে।
    সরকারি উদ্যোগে কিছু স্কুলে ইমি চালু হলে,আপনার আপত্তি টা ঠিক কোথায়?
    বাবা মা ,তাদের ইচ্ছে মত বা সুবিধা অনুযায়ী ছেলে মেয়েদের ভর্তি করবে। চয়েস আপনা আপনা।
  • রিভু | 450112.191.564523.191 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪৩50383
  • better trained পড়তে হবে।
  • এলেবেলে | 2345.110.561223.104 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৫৫50384
  • আমিও তো লিখেছি মূলে মা ভাত রাঁধে না তার তপ্ত আর পানতো! অপশনই নেই তার আবার চয়েস!!

    "সরকারি উদ্যোগে কিছু স্কুলে ইমি চালু হলে,আপনার আপত্তি টা ঠিক কোথায়?' এখানেও লিখেছি ইমি সর্বরোগহরবটিকা নয়, পাঠ্যক্রম-পরিকাঠামো-শিক্ষক ঠিকঠাক না হলে ওটা আরেকটা ভাঁওতাবাজি হিসেবে চিহ্নিত হবে অচিরেই। যাঁরা ইমির দিকে ঝুঁকেছেন তাঁরা সরকারি বামি-ইমির হাঁসজারুতে আস্থাশীল হবেন না। তাঁদের ট্যাঁকের জোর আছে তাই শুধু ইমির টোপ দিয়ে তাঁদের সরকারি স্কুলমুখী করা চাড্ডিখানি ব্যাপার নয়।
  • sm | 2345.110.783412.180 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৫50385
  • আপনি যথার্থ বলছেন।ধন্যবাদ।
  • sm | 2345.110.783412.180 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৯50386
  • রিভু, র্যাঙ্কের ব্যাপার আপনি তুললেন।আপনার কাছে কি কোন এমনি ডেটা আছে যে খারাপ র্যাঙ্কের লোকজন ই এক্সপেল্ড হচ্ছেন?
    আই আই টি তো দু তিন ধাপ পরীক্ষার পরে পাওয়া যায়।যাঁরা পায় সকলেই সুপার ব্রিলিয়ান্ট।
  • PT | 340123.110.234523.17 (*) | ২১ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:০৮50387
  • "যাঁরা পায় সকলেই সুপার ব্রিলিয়ান্ট।"
    হি........হি ........!!!!
  • sm | 2345.110.783412.180 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৩৬50388
  • বোঝো!যারা এতো ধাপ পেরিয়ে আই আই টি পাচ্ছে,তারা সুপার ব্রিলিয়ান্ট নয়?তবে তাদের কি বলবো?সাধারণ?
    মহাশয়,আপনি কয়বার আই আই টি পাইয়া ছিলেন?
  • PT | 340123.110.234523.17 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৪50389
  • উল্টো দিক থেকে একবার ভাবুন। সেফ্টিপিন থেকে এরোপ্লেন পর্যন্ত সব আইটেমের একটা তালিকা বানান। বিশেষতঃ যে সকল বস্তু নিত্য ব্যবহার করেন। গোটা ছয়েক আইটেম খুঁজে বের করুন যেগুলোর original discovery-কোন ভারতীয় ইন্জিনিয়ার করেছেন-বিশেষতঃ নামি প্রতিষ্ঠানের।
    তারপরে আলোচনা করা যাবে।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:১১50390
  • বছরে বারো লাখি কোচিং নিয়ে আইআইটিতে চান্স যারা পায়, তাদের কতটা নিজেদের কৃতিত্ব আর কতটা টাকার? আর আইআইটিতে চান্স পেয়ে, পড়াশোনা করে, সেখান থেকে পাশ করে বেরিয়ে বিদেশে পড়তে এসে টুকে ধরা পড়ে গোটা দেশের মুখ যখন আঁধার করে দেয়, অন্য সব ভারতীয় ছাত্রদের প্রতিও অধ্যাপকদের সন্দেহ জন্মিয়ে দেয়, তখন কী হয়? "দোষ কারো নয় গো মা/ আমি স্বখাতসলিলে ডুবে মরি শ্যামা" গাইতে হয়?
  • sm | 2345.110.783412.180 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৪৭50391
  • দাঁড়ান,দাঁড়ান।এতো তাড়া তাড়ি বললে, কিছু বলতে পারবো না।
    এতদিন শুনে এসেছি ভারতে পড়াশুনার দাম আছে,মেধাবী স্টুডেন্ট তৈয়ারী হয়।তারা বিদেশে বড় বড় সংস্থা,গবেষণা কেন্দ্র আলো করে আছে।
    যেমন ধরুন গিয়ে সুন্দর পিচাই,বিপ পাল প্রমুখ।প্রচুর উদাহরণ দেওয়া যায়; পাতা ভরে যাবে।
    স্টুডেন্ট লাইফ থেকে জেনে এসেছি,ইনস্টিটিউট হলো, আই আই টি,আই এস আই, আই আই এম,এইমস,পিজিআই চন্ডীগর ইত্যাদি।
    তা,কোটি কোটি স্টুডেন্ট দের মধ্যে, এসব ইনস্টিটিউটে পাওয়া কি চাট্টিখানি,কথা নাকি!
    যদি এখান থেকে রাবিশ বেরোয় আর বিদেশে গিয়ে টুকলিফাই করে টিঁকে থাকতে হয়, তবে তো শরমে মরে যেতে হবে দেখছি।আর বিদেশে উচ্চশিক্ষাকেই মোক্ষ হিসাবে নিতে হবে।
    আর যদি 12 লাখের কোচিং নিয়েই এসব ইনস্টিটিউট গুলোয় পাওয়া যেতো,তবে তো এই কোচিং সেন্টার গুলোকে পুজো করতে হয় আর রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের জন্য সুপারিশ করাতে হয়।
    কোন স্টুডেন্ট এর মধ্যে সাবস্টেন্স না থাকলে, মেধা না থাকলে,খালি কোচিং নিয়ে এসব ইন্সটি গুলোতে ক্র্যাক করা যায়!নতুন করে ভাবতে হবে দেখছি।
    বলবো নাকি,বিপ পাল কে এ নিয়ে একটি নির্মোহ নামাতে?
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৫১50392
  • অটোমেশনের যুগে যেখানে রাজনৈতিক নেতাদেরই আর দরকার হচ্ছে না, ইন্জিনিয়ারদের আর কি দরকার বুঝিনা। আচ্ছা অটোমেশন করে টই নামানো যাবে? মানে আবাপ, সিএনেন, আর এনডিটিভির ওয়েবসাইট দেখে আমার পছন্দের টপিকে ঠিক মতন ভাষায় আমার নামে টই নেমে গেলো।
  • dc | 127812.49.238912.56 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৫৫50393
  • আইআইটি তে চান্স পেতে বোধায় মেধার থেকে অনেক বেশী জরুরি হয় সঠিক কোচিং এর। মানে ধরুন দুজন ছাত্র বা ছাত্রী, একজন ঠিকমতো কোচিং পেলো আর আরেকজন পেলো না, তাহলে প্রথমজন চান্স পাবে, দ্বিতীয়জন না। মেধা যার যেরকমই হোক না কেন। (কোচিং বলতে কোচিং ইনস্টিটিউট, বাড়িতে লাগাতার ঠেলা সব মিলিয়ে)

    অবশ্য আমি আইআইটিতে চান্স পাইনি, কাজেই এটা আঙুর ফল টকের উদাহরন হতেই পারে।
  • dc | 127812.49.238912.56 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৫৬50394
  • S, পোমো জেনারেটার :d
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:০১50395
  • একটু মাথা ঠান্ডা করে ভাবুন। দুজন সুপার মেধাবী, একজন বারোলাখি কোচিং নিয়ে ক্র্যাক করে ফেল্ল, অন্যজন কোচিং নেয় নি, ক্র্যাক করতে পারল না। এতে কী প্রমাণিত হইল?
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:০৫50396
  • আরো মাথা ঠান্ডা করে ভাবুন। সুপার্মেধাবী ( কারণ আইআইটির ছাত্রমাত্রেই সুপার্মেধাবী আপনার মতে) একটি ছাত্র টুকলিফাই করবে কেন, সে স্বদেশ বা বিদেশ যেখানেই হোক না কেন? তার কাছে তো সব পরীক্ষাই জলবত্তরলম হওয়ার কথা!
  • sm | 2345.110.783412.180 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:০৭50397
  • এই নিয়ে তো আগের টই তে আলোচনা হয়ে গেছে। আমি কোটা বা ওই রকম কোচিং এর পক্ষে নিয়েই লিখেছিলাম,অধিকাংশই মানতে চান নি।
    কোচিং ইকোয়াল টু রাবিশ,এই রকম প্রতিপাদ্য ই উঠে এসেছিল।
    কথা হচ্ছে,কোচিং সব সময়েই ইম্পরট্যান্ট।কোচিং নলেজ এর ঘষা মাজা করে।ধরুন কেউ নামকরা ডাক্তারী পরীক্ষা দিতে গেল।এম আর সি পি।তাঁকে কোচিং নিতে হবে,এবং বিদেশেই।
    কিন্তু ওই কোচিং নিতে পারার মতো বিদ্যে তো পেটে থাকতে হবে নাকি!পাড়ার নবু কে কোচিং ক্লাসের ট্যাবলেট খাইয়ে তো আই এস আই তে চান্স পাওয়ানো সম্ভব নয়।
    মূল কথা হলো,আই আই টি, বা নীট অন্যান্য প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় সাফল্য পেতে কোচিং ক্লাসের ভূমিকা থাকে,তো বাবা মা সেদিকে ঝুঁকবেন বৈকি।
    যদি ইমি তে পড়ে, চাকরি বাকরী তে সুবিধে পাওয়া যায় তো তাঁরা ইমির দিকে ঝুঁকবেন।এই তো ব্যাপার!
  • হিহি | 454512.217.0167.211 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:০৮50398
  • ইঞ্জিরি মিডিয়ামে পড়ে কোনো সুবিধে পাওয়া যায় না।

    তাহলে বাবামা পড়াচ্ছে কেন?

    এমা! তাও জানে না। ছাগলের জাত তো তাই।
  • PT | 340123.110.234523.17 (*) | ২২ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:১১50399
  • অত কথায় কাজ কি?
    আমি তো গোটা ছয়েক আইটেমের নাম চেয়েছি। আচ্ছা বেশ, একটাই দিন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন