• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাটকেল | 780112.77.23900.33 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:১৬50291
  • স্টেটমেন্ট দিয়েছি, কোনো প্রশ্ন করি নি। যেমনটি আপনি করে থাকেন । উত্তর পাবার ব্যাপার নেই।
  • PT | 340123.110.234523.20 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:১৮50292
  • যাক, বাঁচা গেল!!
  • sm | 2345.110.893412.182 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:১৯50293
  • অন্যদের নিয়ে তো বললাম।ইংলিশ স্পিকিং কান্ট্রি গুলোতে আই ই এল তি এস/টোইফেল লাগছে। ইন্ডিয়া তে আই টী/সেল্স সর্বত্র ইমির স্টুডেন্টরা একটা এক্সট্রা এডভ্যান্টেজ পায়।
    আপনি এতক্ষন পর পর কোশ্চেন করে গেছেন।এবার একটি সিম্পল প্রশ্নের উত্তর দিন, যেখানে কয়েকটি প্রফেশনে বা মি স্টুডেন্টরা অপেক্ষাকৃত বেশি এডভ্যান্টেজ পায়?অন্তত চাকরির ক্ষেত্রে।
    দয়া করে বেঙ্গলি টিচার প্রফেশনটি বাদ দেবেন।
  • পাটকেল | 780112.77.23900.33 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:২৭50294
  • হ্যাঁ, আনন্দে থাকুন। তবে ঢিল ছোঁড়ার সময় একটু খেয়াল রাখেবন, আমি তো সামান্য পাটকেল।
  • সিকি | 562312.19.4534.88 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:৩৪50295
  • মানে, এত ক্ষিউট, এতওওও ক্ষিউট, ক্ষীই বলব। দেখা হলে একবার চত্ব করে উলিবাবালি বলে গালটা টিপে দেওয়ার বাসনা রইল। মাইরি, বামি ইমি ইঞ্জিনীয়ার নার্স আইইএলটিএস আইআইটি সব ঘেঁটেঘুঁটে ঘণ্টচচ্চড়ি অ্যাকেবারে। উত্তাল ক্ষিউট!
  • সিকি | 562312.19.4534.88 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:৩৫50296
  • "ইন্ডিয়া তে আই টী/সেল্স সর্বত্র ইমির স্টুডেন্টরা একটা এক্সট্রা এডভ্যান্টেজ পায়"

    এটাও মাইরি চরম ক্ষিউট। খুউব ধ্রুপদী কাঁঠালপাতায় এই আউটপুট বেরোয়। মাইরি এতটা পিছিয়ে পড়েছিলাম জানতেই পারি নি।
  • sswarnendu | 9002312.132.674512.236 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:২৩50350
  • হুজুগে,
    হ্যাঁ আমিও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই বলছিলাম মাত্র আর বেসিক সায়েন্সের কথাই বলছিলাম। তাই আপনার আর আমার অভিজ্ঞটা বা তার পারসেপশন মিলল না, তাই সত্যিই তথ্য পাওয়া গেলে ভাল হত। মালয়ালিদের বিষয়য়ে একমত, কিছুটা তামিলদেরও হয়ত। যদিও মালয়ালিদের গবেষণার আগের ধাপ অবধি পড়াশোনার মান আদৌ ভাল নয় বলেই আমার ধারণা, তাই আপনার "তৃণমূল স্তরে পরিকাঠামো একবারেই ভঙ্গুর হলে ছাত্রসমাজের একটা বড় অংশ কিভাবে গবেষণা করার পর্যায়ে পৌঁছায়"- এর reductio ad absurdum টা ঠিক যুক্তি নয় বলেই মনে করি। প্রসঙ্গত, মালয়ালিদের সম্পর্কে ধারণাটাও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই, তথ্য নেই। তাই ভুল হতেই পারি, কিন্তু সাম্মানিক স্নাতক স্তরে ৯৮-৯৯ শতাংশ নম্বর পাওয়া এবং ভাল গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গ্র্যাজুয়েট স্টাডিসের সুযোগ পাওয়া বেশ কয়েকজনকে দেখেছি, যারা প্রায় কিসস্যু জানত না বলা চলে। তাই সাধারণভাবে অবস্থা আরো খারাপ বই ভাল হবে না সম্ভবত।
    S,
    হ্যাঁ খানিকটা আমারও তাই ধারণা, তবে সাংস্কৃতিক ফ্যাক্টরও একটা সম্ভবত আছে।
  • dc | 232312.174.340112.7 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৪50352
  • উচ্চশিক্ষা আর গবেষনাকে শুধু মালায়ালি না, তামিলরাও যথেষ্ট প্রাধান্য দেয়। তবে সাউথ ইন্ডিয়ার সবকটা রাজ্যেই, যদ্দুর দেখেছি, পড়াশোনা, চাকরি, আর ব্যাবসা তিনটেকেই মোটামুটিভাবে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৫50353
  • হ্যাঁ তামিলদের মধ্যে পড়াশুনার খুব দাম আছে। মানে পড়াশুনা না করে ফালতুমি করে বড়লোক হওয়ার খুবেকটা দাম নেই।
  • lcm | 900900.0.0189.158 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৪৯50354
  • গেট দিয়ে এমটেক এ ঢুকলে মাসে মাসে নাকি ১২০০০ - ১৮০০০ টাকা দেয়। পিএইচডি স্টুডেন্টরা বলছে নাকি ২৫,০০০ টাকা মাসে পাবে (এখন বোধহয় ১৬০০০), আর পোস্ট-ডক রা মাসে ২৪০০০-৪০০০০ পাবে।
  • dd | 90045.207.5656.46 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:২৪50346
  • সস্বর্ণেন্দুকে কোথায় পাই? তাই এইখানেই লিখলাম।

    এইটা পড়ে দেখতে পারেন। আপনের ফেবারিট সবজেক্ট নিয়ে লেখা। তবে বড্ডো লম্বা করে দিয়েছেন।

    Is Ancient DNA Research Revealing New Truths — or Falling Into Old Traps? নিউ ইয়র্ক টাইমসে ছাপা প্রবন্ধ।

    https://www.nytimes.com/2019/01/17/magazine/ancient-dna-paleogenomics.html?action=click&module=Top%20Stories&pgtype=Homepage
  • PT | 340123.110.234523.7 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:২৭50355
  • @ এলেবেল
    হিজলী হাই স্কুলে বহু বছর আগেই একই সঙ্গে ইমি ও বামি চালু হয়েছিল। ইমি থেকে ১০ ক্লাশ পাশ করে আমার ভাগ্নী হিজলীতে ১১-১২ ক্লাশে ঐ ভাবে পড়েছে।

    @lcm
    science-এর PhD studsent-রা শুরুতে ২৫০০০ আর ২ বছর পরে ২৮০০০ পায়।
  • sm | 2345.110.9003412.134 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:১৭50356
  • পিটি,ওই কম স্টাইপেন্ড এর জন্যই অনেকে পি হেইচ ডি করতে যায় না।
  • রিভু | 450112.191.564523.191 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:২২50357
  • আচ্ছা আমার পার্সোনাল একটা অবজারভেশন বলি। ঘটনাচক্রে আমাকে টোয়েফল ইত্যাদি দিতে হয়েছে। আমি আজীবন বাংলা মিডিয়ামের ছাত্র। ফিরে দেখলে একটাই কথা মনে হয়, ইংরেজি নিয়ে কখনোই কোনো ভয় ছিলোনা। ইংরেজি লিখতে/ বলতে পারাটা একটা সাধারণ স্কিলসেট যেটা চেষ্টা করলেই হয়ে যায় এরকম একটা কনফিডেন্স সব সময়েই ছিল। সেটা মনে হয় বাবা মা ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।

    ইংরেজি "বলতে" শেখাটা আমার নিজের চেষ্টায়, কলেজে থাকতে ইংরেজি সিনেমা দেখতুম আর বছর খানেক বাথরুমে প্র্যাকটিস করেছিলাম। কিন্তু ইংরেজি যখন বলতে পারতাম না, সেটা নিয়ে কোনো হীনমন্যতা ছিলোনা। সেই সময়ে বেশ ইংরেজি মিডিয়াম ইস্কুল চারপাশে, তাদের ছাত্র ছাত্রীদের সাথে বন্ধুত্ব ছিল, তারা টিউশনে ফড়ফড়িয়ে ইংরেজি বলছে, আমি বাংলায় প্রশ্ন করছি, কিন্তু কখনোই মনে হয়নি এটাতে কোনো সমস্যা আছে। এর উল্টোদিকের গল্পও আছে। অত্যন্ত ব্রিলিয়ান্ট আমার এক চেনা ভদ্রমহিলা সারা জীবন এই হীনমন্যতায় ভুগে উচ্চশিক্ষার জন্যে বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলেন না। আনফোরচুনেটলি এই সেলফ কনফিডেন্স তাঁর মধ্যে উপযুক্ত সময়ে তৈরী হয়নি। এই কনফিডেন্স এর অভাবে এনারা চাকরি বাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং ন্যাচারালি তাঁদের ছেলে মেয়ে কে পশ্চিমবঙ্গেই ইংরেজি মিডিয়ামে পড়াতে চেয়েছেন। সেটাতে আমি ওনাদের দোষ দেখিনা, অবস্থার শিকার।

    যেটা বলতে চাইছি যে এটা কি বামি থেকে ইমিতে ট্রান্সিশন একচুয়ালি নীতির সমস্যা না আমাদের মেন্টালিটির সেটা একটু ভেবে দেখা দরকার।
  • sm | 2345.110.013412.18 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৩১50358
  • প্রশ্ন একটাই ,সার্ভের উত্তর দিন প্লিজ।যদি বিদেশে থাকেন তাহলেও সন্তান সন্ততি কে কোন মিডিয়ামে পড়াতেন?মানে, মনে কি ইচ্ছে?
  • রিভু | 450112.191.564523.191 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৩50359
  • আগের প্রশ্ন কি এসএম আমাকে করলেন? মূলতঃ ডিপেন্ড করবে তিনটে বিষয় এর উপরে: ১। কোর্স স্ট্রাকচার আর পড়াশোনার কিরকম চাপ, ২। কালচারাল এক্টিভিটিস আর খেলাধুলোকে কেমন গুরুত্ত্ব দেওয়া হয়, ৩| বাড়ির থেকে কত কাছে।

    বাংলা মিডিয়ামের ইস্কুল যদি তিনটে বিষয়ে বেটার হয় সেখানেই পড়াবো।
  • এলেবেলে | 2345.110.673423.228 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৭:৪৩50360
  • 'বাংলা মিডিয়ামের স্কুল গুলো কে ইমি তে রূপান্তকরণ নিয়ে' লিঙ্কটাতে লেখা হয়েছে বুঝি 'বা মি স্কুলে স্টুডেন্ট এতো কমে গেছে যে ইমি চালু করে স্টুডেন্ট দের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলেই রাজ্য সরকার ইন্টারেস্টেড'? 'কারণ ইমির একটি হিউজ ডিমান্ড রয়েছে, রাজ্য জুড়ে', তাই? তাই রাজ্য সরকার উঠেপড়ে লেগেছে ইমি করার জন্য? আমার লিঙ্কগুলোও তাই বলছে?

    দ্বিতীয় লিঙ্কে এটা পড়লাম - 'আনন্দ বাজারে পত্রিকায় প্রকাশিত "দফতর সূত্র খবর, আর্থিক ক্ষতি রুখতে ওই সমস্ত স্কুলকে পাকাপাকি ভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে সরকার। শিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানান, বর্তমানে শহরে সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৫৩২। সেখান থেকে কমে হচ্ছে ৪৫৭। যে হারে পড়ুয়ার সংখ্যা কমছে, তার জেরে আগামী বছরে শহরের আরও অন্তত ৫০টি স্কুলে তালা পড়তে পারে।"
    বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, ওই স্কুলগুলির ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষককে রেখে দিয়ে বাকি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ওই স্কুল বা বাড়ির কাছাকাছি এলাকায় যেখানে শূন্যপদ রয়েছে, সেখানে পাঠানো হচ্ছে। তার পরে পড়ুয়াদের অন্য স্কুলে ভর্তি করিয়ে বদলি করা হবে প্রধান শিক্ষককে।'

    প্রথম লিঙ্কে এটা - 'নাকাশিপাড়ার গলায়দড়ি পাড়ার আনোয়ার হোসেনও তাঁর ছেলে মহম্মদ নুর আলমকে ইংরেজি মাধ্যমে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি করেছিলেন। তাকেও বাংলা মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আনোয়ার বলেন, “শিক্ষকের অভাবে নিয়মিত ক্লাস হতো না। ফলে পড়াশুনার খুব ক্ষতি হচ্ছিল। তাই অন্যদের মতো আমার ছেলেকেও ইংরেজি মাধ্যম থেকে বাংলা মাধ্যমে সরিয়ে এনেছি।”
    স্কুল সূত্রে জানা যায়, গত বছর পঞ্চম শ্রেণিতে স্কুলের দু’জন শিক্ষক এবং চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত তিন জন শিক্ষক ইংরেজি মাধ্যম চালাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত এক জন চাকরি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেলে সমস্যা দেখা দেয়। তা আর মেটেনি, বরং বেড়ে চলে। বিরক্ত হয়ে অভিভাবকেরা তাঁদের ছেলেমেয়ের বাংলা মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার জন্য আবেদন করেন।
    কেন এই অবস্থা?
    স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক সত্য রায় বর্ধনের বক্তব্য, ইংরেজি মাধ্যম চালু করার সময় তাঁরা জানতেন, শিক্ষা দফতর থেকে শিক্ষক পাবেন। কিন্তু পরে তাঁরা শোনেন, স্কুলে যে শিক্ষকেরা ইতিমধ্যে আছেন তাঁদের দিয়ে এবং চুক্তির ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ করে কাজ চালাতে হবে। তাঁর কথায়, “আমরা চুক্তির ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ করে ইংরেজি মাধ্যম চালু রাখার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু শিক্ষক পাওয়া যায়নি। ক্লাস করতে সমস্যা হচ্ছিল।” জেলা স্কুল পরিদর্শক মাধ্যমিক মিতালি দত্তের সঙ্গে যোগযোগ করা যায়নি।

    তৃতীয় লিঙ্কে এটা পাওয়া গেল - 'শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‌১০০টি স্কুলকে চিহ্ণিত করা হয়েছে যেখানে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল খোলা হবে। তবে ইংরেজির সঙ্গে বাংলা মাধ্যমও থাকবে। প্রথম ধাপে ১০০টি স্কুলে খোলা হলেও ধাপে ধাপে এই সংখ্যাটা বাড়ানো হবে। এই স্কুলগুলিতে পড়ানোর জন্য শিক্ষক কীভাবে নিয়োগ করা হবে তা ঠিক করা হচ্ছে।’‌
    স্কুল শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইংরেজি মাধ্যম শুরু করার জন্য পরিকাঠামো এবং জায়গা রয়েছে এমন স্কুলই বাছা হয়েছে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্তই চালু করা হবে। বাংলা মাধ্যমের সঙ্গে এই স্কুলগুলিতে ইংরেজি মাধ্যমের একটি করে ‘‌ইউনিট’‌ চালু হবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ অর্থাৎ ২০১৯ সাল থেকেই পঠনপাঠন শুরুর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপাতত কলকাতার ১০০টি স্কুলকেই নিয়ে শুরু হচ্ছে। পরে জেলার বাছাই করা স্কুলগুলিতেও চালু করা হবে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে বলে আপাতত এই স্কুলগুলিতে চুক্তির ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলেও প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে।'

    এলেবেলে বলে তার দেওয়া লিঙ্কটাও খোলেন না? আপনারা কি মঙ্গলে থাকেন নাকি চাঁদে? অপশন সর্বত্র পাওয়া যায় বামি-ইমির, এই ধারণা আপনাদের আসে কোথা থেকে? কলকাতার ১০০ কিলোমিটার দূরের কৃষ্ণনগর শহরে দুটি ইমি আছে। সেখানে কারা পড়ান সেটা যাঁরা জানেন তাঁরা ওই ইমির দশহাত দূর দিয়ে হাঁটেন কারণ তাঁরা জানেন সকলেই ইমি নয় কেউ কেউ ইমি। একই কথা প্রযোজ্য বাংলার গোটা চোদ্দ জেলা সম্পর্কেও। অপশনই নেই তার আবার বাছাবাছি!
  • sswarnendu | 2367.202.128912.199 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৮:৫৮50347
  • ddদা,
    অনেক অনেক ধন্যবাদ। এই চমৎকার লেখাটা চোখে পড়েনি কদিনে, আপনি দিতে পড়লুম। শনিবারের সকালটা বেশ চনমনে শুরু হল। :)
  • হুজুগে | 4512.139.892312.12 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:১৭50348
  • গড়ে (on the average) বাঙালি গবেষকের সংখ্যাটা বোধহয় খুব একটা কমছে না, অন্তত আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তাই বলে। যদিও বিগত দুএক বছরে একটা নতুন প্যাটার্ন এসেছে।

    প্রথমত, স্বচ্ছল এবং শহুরে বাঙালি পরিবার থেকে আসা ছেলেমেয়ের (বেশিরভাগই ই ম এ পড়া) সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেড়েছে আগের তুলনায়। কারণটা বেশ খানিকটা অর্থনৈতিক। একদিকে, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার প্রতি আকর্ষণ কমে যাওয়া। অন্যদিকে MHRD Institute-গুলোতে Admission fees (প্রায় লাখ টাকার কাছাকাছি) অনৈতিকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া। তার ফলে নিম্নমধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবার থেকে আসা ছেলেমেয়েরা এইসমস্ত প্রতিষ্ঠানে না এসে অন্য কোথাও যেখানে Admission fees প্রায় লাগেই না বা ন্যূনতম (DRDO, DST funded) সেখানে চলে যাচ্ছে।

    দ্বিতীয়ত, এই কারণটি পুরো বাংলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা সে ব্যাপারে নিঃসন্দেহ নই। আমার বর্তমান প্রতিষ্ঠানের বাঙালি ছাত্রছাত্রীদের একটা বড় অংশই ছিল গ্রাম বা মফস্বল থেকে উঠে আসা লড়াকু ছেলেমেয়েদের দল। বর্তমানে এদের সংখ্যা হ্রাসের অর্থনৈতিক কারণ তো আগেই বলেছি। আরেকটি কারণ হতে পারে, গ্রাম বা মফস্বলের ক্রমশ উৎসবমুখর হয়ে পড়া। সারাবছরই কমবয়সীরা কোনো না কোনো উৎসব (দুর্গা, কালি ছাড়াও হনুমান, মনসা পুজো, কীর্তন, চড়ক) আয়োজনে ব্যস্ত, যা বেশিরভাগ সময়ই অর্থনৈতিক প্রাপ্তিরও কারণ। আর যারা করতে চায়, তারা ব্যতিব্যস্ত মাইক, ডিজের অত্যাচারে। এ শুধু আমার অভিজ্ঞতা নয়, আমার যেসমস্ত গবেষক বন্ধু প্রান্তিক অঞ্চল থেকে উঠে এসেছে, তাদেরও একই বক্তব্য। তবে এ কারণটি Statistically insignificant হতে পারে।

    "গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ভিড়ই শিক্ষার একমাত্র মাপকাঠি কিনা" - অবশ্যই না। তবে এতদূর এসে পৌঁছানোও কম কৃতিত্বের নয় বোধহয়। আমার বক্তব্য ছিল তৃণমূল স্তরে পরিকাঠামো একবারেই ভঙ্গুর হলে ছাত্রসমাজের একটা বড় অংশ কিভাবে গবেষণা করার পর্যায়ে পৌঁছায়, বিশেষত প্রান্তিক অঞ্চল থেকে।

    "প্রফেসরদের মধ্যেও বাঙ্গালীর সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা" - বোধহয় আছে এবং সেটা বাড়ছে, বিশেষত Basic Science এ। তবে আমার হাতে কোন statistics নেই এই মূহুর্তে, সমস্তই দু-একটা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতার সুবাদে।

    "বস্তুত বাঙ্গালিরা এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ভিড় কে যতটা মূল্য দেয়, ভারতে আর কোন জনগোষ্ঠী সম্ভবত দেয় না।" - বোধহয় না, তবে মালয়ালিরা খুব পিছিয়ে থাকবে না।

    "একেবারে প্রথম সারির গবেষকদের মধ্যে বাঙ্গালীর অনুপাত অতটাই কি" - Quantify করার জায়গায় না থাকলেও প্রথম সারির বাঙালি গবেষকের সংখ্যা কম নয়, বিশেষত তরুণেরা। তবে সত্যি কথা বলতে প্রথম সারিতে আর কয়জন ভারতীয়-ই বা আছেন, যেকয়জন আছেন, তাদের মধ্যে বাঙালির অনুপাত কম নয়, বিশেষত Basic Science এ।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ১২:০২50349
  • "বস্তুত বাঙ্গালিরা এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ভিড় কে যতটা মূল্য দেয়, ভারতে আর কোন জনগোষ্ঠী সম্ভবত দেয় না।" - বোধহয় না, তবে মালয়ালিরা খুব পিছিয়ে থাকবে না।

    এইটার কারণ হলো বাংলায় অন্যান্য ওয়েল পেয়িং জবের অভাব।
  • এলেবেলে | 2345.110.891223.14 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৫৮50364
  • অ! আগে যেটা ছিল 'আপনার স্বরচিত অভিজ্ঞতার সঙ্গে মেলানো যাচ্ছে না' সেটাই হল গিয়ে 'মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন'? তো এই 'সমস্যা' ব্যাপক আকার নেওয়ার পর এই বছর আইসিএসসি এবং সিবিএসই পরীক্ষার্থীর সংখ্যার সাথে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের তুলনামূলক বিচার করতে হবে তো! সেটা না করে সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে? ইমিতো হবে, কিন্তু সেখানে পড়াবে কে বা কারা? ইমির সাথে বামিও থাকবে কি? নাকি সেও অগস্ত্যযাত্রা করবে?
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:২৯50365
  • ভালো থাকবেন। নমস্কার।
  • এলেবেলে | 2345.110.891223.14 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:১৭50366
  • হ্যাঁ, আপনিও ওই কলম্বিয়ায় কাঁঠালচাষের সম্ভাবনা থেকে ... চালিয়ে যান! আপনার ক্ষুরে দণ্ডবৎ!
  • রিভু | 450112.191.564523.191 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:২২50367
  • এসএম কে বোধহয় একটু গোদা বাংলায় বোঝাতে হয় ।

    আমার বাড়ি বারাসাতে। কর্মসূত্রে বাইরে থাকি। পাঁচ বছর পরে যদি বারাসাতে ফিরে আসি, ছেলে হলে চাইবো বারাসাত গভর্নমেন্ট এ পড়ুক, মেয়ে হলে কালীকৃষ্ণ। কারণ বারাসাতে ওই তিনটে পয়েন্ট বিচারে এই মুহূর্তে কোনো ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল বেটার দেখতে পাচ্ছিনা। আরো একটা কারণ এ বারাসাত গভর্নমেন্ট। আমি নিজে ওই স্কুলে পড়েছি প্রাইমারিতে এবং কেরিয়ার এর উপরে ইংরেজি র কোনো কজাল এফেক্ট দেখিনি।

    কোলকাতায় থাকলে সিচুয়েশন পাল্টাবার চান্স আছে। যেমন ধরুন রুবির ঠিক পাশে থাকলে ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়ানোর চেষ্টা করবো হয়তো।

    পার্সোনাল কথা খোলাপাতায় লিখতে চাইনা, কিন্তু …
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৫১50368
  • আরে অতো পার্সোনাল ভাবে নেবার কি আছে?মোদ্দা কথা হলো,ইংলিশ মিডিয়াম নিয়ে আপনার ছুত মার্গ নেই।আপনার পারসেপশন অনুযায়ী সুযোগ ,সুবিধা বেশি থাকলে ইমি তে পড়াবেন।ফেয়ার এনাফ।
    তর্ক তো হচ্ছিল মধ্যবিত্ত কেন ইংলিশ মিডিয়ামের দিকে কেন ঝুঁকছে?তাঁদের পারসেপশন,ইমি তে পড়লে চাকরির জগতে বেশি সুবিধে তাই।
    তাঁরা ইনভেস্ট করছে,বেশি রিটার্ন পাবে বলে।এই তো ব্যাপার!
  • এলেবেলে | 2345.110.891223.14 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:২৪50369
  • 'তাঁদের পারসেপশন,ইমি তে পড়লে চাকরির জগতে বেশি সুবিধে তাই' - এইটা নিয়ে আলোচনা আট পাতা গড়াল কিন্তু কেউ তার পক্ষে তথ্য হাজির করল না গো! শুধু পারসেপশনেই আট পাতা খচ্চা হয়ে গেল!! কোনও সমীক্ষা নেই, ডেটা নেই শুধুই পারসেপশন!!! কোন চাকরিতে শুধু ইংরেজি লিখতে-কইতে পারলেই চাকরি মেলে? বাজার এটা পাবলিককে দারুণ খাইয়েছে, সঙ্গে ফাউ হিসেবে বামেদের ইংরেজি তুলে দেওয়ার গপ্পো আর লটারির জন্য বামিতে ভালো ছেলেমেয়ে আসছে না-র কিসসা আর আমরা কুর্সিতে বসে কী আনন্দে কী বোর্ড চেপেই যাচ্ছি। কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা গচ্চা যাচ্ছে ওই মরীচিকার পেছনে, জল কিন্তু মিলছে না মোটে।
  • sm | 2345.110.9002312.186 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪১50370
  • লোকজন বোকা। আপনাদের মতন কতিপয় ব্যক্তি যাঁরা বুদ্ধিমান;তাঁরা সঠিক সত্যটি অবগাহন করতে পেরেছেন।
    বামিএর স্বপক্ষে আপনি কিছু তথ্য পেশ করুন না,কেন।
    আমি তো দুটো লিংক দিলাম। রিজিওনাল মিডিয়াম থেকে আই আই টি তে পাওয়া সুপার ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট দের 1 পার্সেন্ট প্রতি বছর এক্সপেল্ড হন।
    কিছু গুরুজন তো জানালেন চাকরির ক্ষেত্রে ইমির লোকজন কিছু ক্ষেত্রে এডভ্যান্টেজ পেয়েই থাকে।
    ইংলিশ গ্লোবাল ল্যাঙ্গুয়েজ।
    এ ভাষা যে যতো ভালো রপ্ত করতে পারবে তার ততো লাভ।
    এবার বাবা মা যদি ভাবে,ইমি তে পড়লে,এ ভাষা বেটার রপ্ত করা যায়,তো তাঁদের দোষ দেওয়া যায় নাকি?
  • রিভু | 450112.191.564523.191 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৫৮50371
  • ১.।এসএম কি এই লিংকটার কথা বলছেন? https://economictimes.indiatimes.com/industry/services/education/how-english-is-playing-a-spoilsport-for-students-at-engineering-institutes-like-the-iit/articleshow/53549766.cms এটা পড়েছেন তো পুরোটা?

    ""
    “Only if they fail to turn the tables, we expel these underperformers,” said a dean at IIT Delhi, who didn’t want to be identified. “Most of them come from Hindi medium schools and face a problem in understanding the lectures,” said the IIT Delhi dean. Apart from the language issue, the inability to apply knowledge to concepts is another reason why students fail.

    IIT Guwahati, dean of academic affairs, M Guru Prem Prasad, said, “Apart from the language problem, the students fail to solve concept-oriented papers. They can tackle only the objective type of questions. This is also the reason for many failures.” IIT Guwahati and Kanpur expel students only after a completion of six years unlike most other IITs that give two years to students to pull up their socks.

    """
    কোথায় বলছে "রিজিওনাল মিডিয়াম থেকে আই আই টি তে পাওয়া সুপার ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট দের 1 পার্সেন্ট প্রতি বছর এক্সপেল্ড হন।"?

    ২.।
    """
    কিছু গুরুজন তো জানালেন চাকরির ক্ষেত্রে ইমির লোকজন কিছু ক্ষেত্রে এডভ্যান্টেজ পেয়েই থাকে।
    ইংলিশ গ্লোবাল ল্যাঙ্গুয়েজ।
    এ ভাষা যে যতো ভালো রপ্ত করতে পারবে তার ততো লাভ।
    """
    এই অবধি ঠিক। "এবার বাবা মা যদি ভাবে,ইমি তে পড়লে,এ ভাষা বেটার রপ্ত করা যায়,তো তাঁদের দোষ দেওয়া যায় নাকি?" : অবশ্যই দেওয়া যায় যদি বাবা মা কোনোরকম ডেটা ছাড়াই এরকম সিদ্ধান্ত নেন।
  • আরে | 670112.193.788912.170 (*) | ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০১50372
  • সত্য অবগাহন করতে পারা যায় না গর্দভ। কংরেস আমলে কি বাংলাটা সিক্স থেকে শিখতে হত?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন